Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২০৬১ : ওডিসি থ্রি – আর্থার সি. ক্লার্ক

    মাকসুদুজ্জামান খান এক পাতা গল্প277 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. সালফারের রাজত্ব

    অষ্টম পর্ব – সালফারের রাজত্ব

    ৫৮. শত ফুল বিকশিত হোক

    বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মহাকাশ অভিযাত্রা শুরুর আগে মানুষ কখনো ভাবেনি যে সূর্য থেকে এতো দূরে জীবনের বিন্দুমাত্র বিচ্ছুরণ পাওয়া সম্ভব। পঞ্চাশ কোটি বছর ধরে যে সাগরটাকে ইউরোপা নিজের জঠরে লুকিয়ে রেখেছিল সেটায় অন্তত পৃথিবীর সিন্ধুগুলোর মতো জীবন-পূর্ব প্রস্তুতিগুলো চলছিল।

    বৃহস্পতিতে আগুন লেগে যাবার আগে বাইরের একেবারে বায়ুশূন্যতা থেকে সাগরগুলোকে আগলে রেখেছিল মোটা বরফের আস্তর। সেই আস্তরণ কোথাও কোথাও কয়েক কিলোমিটার গভীর। কিন্তু দুর্বল রেখা ছিল সেগুলোতে। ফেটে যেত, চিড় ধরিয়ে আলাদা হয়ে যেত দু অংশ।

    সৌর জগতের আর কোথাও যে দু মহা পরাক্রমশালীর সরাসরি দেখা হয়নি, হয়নি মল্লযুদ্ধ তাই শুরু হয়ে যেত তারপর। মহাসাগর আর মহাকাশের মধ্যে মুক্ত যুদ্ধ। মাঝে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই দফা রফা করার জন্য। কিন্তু এ যুদ্ধে প্রতিবারই দু পক্ষের কিছু ছাড় আর কিছু বিজয় আসে। কিছু পানি বাষ্প হয়ে উবে যায়, কিছু সাথে সাথে শক্ত আবরণ গড়ে ফেলে সাগরের উপরে। বরফের বর্ম গড়ে তোলে। মুহূর্তের মধ্যেই।

    কাছের গ্রহরাজ বৃহস্পতির প্রভাব না থাকলে কোন্ আদ্যিকালেই ইউরোপা জমে পাথর হয়ে যেত। সারাক্ষণ এই আগুন-বক্ষার শীতল বাইরেটাকে আর না বাড়ার আদেশ দিয়েছে গ্রহরাজ। সে তার দিগ্বিজয়ী টান দিয়ে টালমাটাল করে রেখেছে। ছোট্ট জগতটার অন্তর্জগত। এর মধ্যে আইওর কিছু অবদান আছে। একদিকে উপগ্রহ, আর একদিকে গ্রহের টানাপোড়েনে সমুদ্রের নিচে সারাক্ষণ ভূকম্পন চলে। ফলে, জমতে পারে না ভিতরের জগৎ।

    এবং, তাই, এখানে, উপচে পড়েছে জীবনের হল্লা। মাটির নিচ থেকে উঠে আসা লাভা-ঝর্নাগুলোর চারদিকে শখানেক মিটার জুড়ে চলেছে প্রাণোৎসব। কখনো ঝর্নাগুলো দেখতে দুর্গের মতো হত, কখনো গীজার মতো। তাদের চিমনি থেকে বলকে বলকে বেরিয়ে আসত কালো জীবনামৃত। যেন কোনো শক্তিমানের হৃদপিণ্ড থেকে জীবন-তরল বেরিয়ে আসছে, ধীর লয়ে। এবং, রক্তের মতোই, সেগুলোও জীবনের বার্তা টেনে আনে।

    উপর থেকে নেমে আসে মরণ-হিম। নিচ থেকে হেরে না যাবার উষ্ণতা। তারপরও, শীতলতা কেড়ে নিতে চায় জীবনের উৎসবটুকু-এক ফুৎকারে চায় নিবিয়ে দিতে। সফল হয় বেশিরভাগ সময়। প্রাণহীন পড়ে থাকে নিথর প্রাথমিক অসহায় প্রাণীগুলো। সাগরতলে উষ্ণতার প্রতিবাদ-শিবির গড়ে ওঠে। এখানে, এমন এক টানাপোড়েনে খাদ্য আর জীবনের মৌলিক উপাদান শুধু মরে যাবার অপেক্ষায় জন্ম নেয়।

    গ্যালিলীয় উপগ্রহগুলোতে মানুষ যে দশকে চোখ রেখেছিল সেই দশকেই এমন সব সামুদ্রিক মরুদ্যান দেখা গেছে স্বয়ং পৃথিবীর সমুদ্রগুলোর বুকে।

    এখানে, ইউরোপায়, দু হাজার দশ সালের আগ পর্যন্ত জীবনের কী বিচিত্র আর নিষ্ঠুর নাটক অভিনীত হয়েছে কোটিবার! গাছ ধরনের কিছু চলমান প্রাণী জন্মাতো সেসব জায়গায়; সেসব গাছ খেয়ে বেঁচেবর্তে যেত কিছু আদ্যিকালের সরল প্রাণী। অনেকে আবার সরাসরি ঝর্না থেকে বেরিয়ে আসা প্রাকৃতিক উপাদান খাবার হিসেবে নিত। তাদের চারদিকে, উষ্ণতার আরেকটু দূরে কাকড়া-মাকড়শা-চিংড়ির মাঝামাঝি কয়েক ধরনের প্রাণী ঘিরে থাকত। তারা গরম যেমন সহ্য করত কম তেম্নি উৎস থেকে বেশিদূরে যেতেও পারত না। কিন্তু প্রাণদায়িনী প্রস্রবণ এক সময় নিভে আসত। বিরান হয়ে যেত মৃত প্রাণীর আস্তাকুঁড়।

    একটা ছোট সমুদ্ৰোদ্যান দেখতে দেখতেই জীববিদদের কোনো বাহিনীর সারা জীবন কাটানো আক্ষরিক অর্থেই সহজ ছিল। পৃথিবীর পোলিওজোয়িক সাগরের মতো নয় এ সমুদ্রগুলো। এখানে কোনো স্থিরতা নেই। এখানকার বিবর্তনের কথা তাই আগ বাড়িয়ে বলাও সম্ভব নয়। নানা প্রকৃতির নানা আকৃতি নানা জায়গায় নানাভাবে ফুটে উঠেছে নিজের নিজের মতো।

    কিন্তু সমাপ্তি অবধারিত। এই জীবন-উৎস শুকিয়ে যাবেই, দুর্বল হবেই, মুখ ফিরিয়ে নিবেই, অন্য কোথাও চলে যাবেই-আজ হোক বা হাজার বছর পরে।

    প্রমাণ ছিটিয়ে আছে সর্বত্র। কবরখানায় কঙ্কালের বহর ভেসে বেড়ায়, ডুবে থাকে, তূপ করে পড়ে থাকে বছরের পর বছর। জীবন-অধ্যায় এখান থেকে তার পাতাগুলোকে সযত্নে গুটিয়ে নিয়েছে।

    একটা মানুষের চেয়েও বড় ট্রাম্পেটের মতো বিশাল বিশাল খোলস পড়ে আছে এখানে। বাইভা এমনকি ট্রাইভা সমৃদ্ধ প্রাণীর দেহাবশেষ কী অযত্নে পড়ে আছে সেখানে! কোনো কোনো সর্পিল পাথর আকৃতিও দেখা যায়। মিটারের পর মিটার জুড়ে ছড়ানো। ক্রিটোকিয়াস যুগের শেষে পৃথিবীর সাগর থেকে যারা গায়েব হয়ে গেছে একদম।

    ডোবা উপত্যকাগুলোতে আগুনের হল্কা দেখা যায় লাভাস্রোতের সাথে সাথে । এখানে, চাপ এতো বেশি যে পানি বাষ্প হতে পারবে না কিছুতেই। তাকে তরলই থাকতে হবে। লাল টকটকে ম্যাগমার স্পর্শে বরফ শীতল পানি পাল্টে যেতে চায়, পারে না। প্রকৃতি তাকে উবে যেতে দেয় না। পাশাপাশি থাকতে বাধ্য হয় তারা। বাধ্য হয় মিশে যেতে। কিন্তু সেই মেলবন্ধনটা অনেক অনেক ধীর গতির।

    তাই, প্রাচীন মিশরে যেমনটা হয়েছিল, ঠিক সেভাবে, মরুর বুক চিরে সরু নীলনদ জীবনের প্রবাহ ডেকে আনে। ডেকে আনে বান। এই ম্যাগমাগুলো এক কিলোমিটারের চেয়েও সরু ফিতার মতো নদী বইয়ে দেয়, সেই নদী একপথ ধরে চলতে থাকে, সেই পথগুলো কৃচিৎ মিলিত হয় মরুদ্যানের সাথে। খুব কমই এমন ঘটনা ঘটে। লাখে একবার। জীবনের সাথে মিলে যায় জীবন। সূচনা হয় নতুন অধ্যায়ের। আরো প্রাণী আসে, আরো আসে। এসে চলে যায়। সময়ের বেলাভূমিতে কেউ কেউ চিহ্ন রেখে যেতে চায় নিজের মৃতদেহটাকে পাথর বানিয়ে দেয়ার মধ্য দিয়ে।

    হাজার সভ্যতার বীজ উত্থিত হল সেই একটা মাত্র জগতে। হাজারবার পতন হল তার। কিন্তু সেই জগতের বাকী অংশ টেরও পেল না। যেন সেই মরুদ্যানগুলোই একেকটা স্বতন্ত্র গ্রহ। তাদের একাকী দ্বীপগুলোর মাঝের নিষ্ঠুর পরিবেশকে সাধারণত কেউ পেরুতে পারেনি। তাদের যদি নিজস্ব দার্শনিক আর ইতিহাসবিদের জন্ম হত তাহলে তারা স্থির বিশ্বাস করত যে তারাই সৃষ্টিজগতে একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী।

    তারপর, শেষ দিবস চলে এসেছে সবার সামনে। তাদের জগৎ দুমড়ে দেয়ার জন্য জোয়ারও যথেষ্ট। আর যদি সেই বুদ্ধিমান প্রাণীর দেখা পাওয়া যেতই বিবর্তনের পথ ধরে, তবু মাতা ইউরোপার চিরশান্ত হয়ে যাবার সাথে সাথে তাদের সূর্যও ডুবে যেত কালো আঁধারের রাতে।

    তারা বরফ আর আগুনের ফাঁদে আটকে গেছে কোটি বছর ধরে। সমাপ্তিই একমাত্র গন্তব্য।

    তারপর, তাদের সারা আকাশ জুড়ে বিস্ফোরিত হল রূপোপজীবিনী অনন্তযৌবনা লুসিফার। খুলে দিল কোটি কোটি বন্ধ দুয়ার।

    আর, তারপর, একটা বিস্তৃত গড়ন-রাতের মতো কালো দেখা দিল নতুন জন্মানো মহাদেশের প্রান্তে।

    ৫৯. ত্রিত্ব

    ভালভাবে করা হয়েছে কাজটা। তারা আর ফেরার কথা ভাববে না।

    আমি অনেক কিছুই শিখছি। কিন্তু এখনো কী যে খারাপ লাগে না! পুরনো দিনগুলো হারিয়ে যাচ্ছে, ফস্কে যাচ্ছে হাত থেকে।

    এটাও চলে যাবে। আমিও পৃথিবীতে ফিরেছিলাম; ভালবাসার মানুষগুলোর জন্য পিপাসা ছিল। কিন্তু এখন জানি, ভালবাসার চেয়ে বড় অনেক ব্যাপার আছে চারপাশে।

    কী সেই ব্যাপারগুলো?

    মমতা একটা, সুবিচারও তেমনি অন্য একটা ব্যাপার। বাস্তব, সত্যি। এবং আরো অনেক কিছু।

    মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে না। একদম বুড়িয়ে গিয়েছিলাম আমি, আমার প্রজাতি দের হিসেবে। কত আগেই আমার তারুণ্যের ভাললাগাগুলো ম্লান হয়ে গেল! আসল হেউড ফ্লয়েডের বেলায় কী হবে?

    তোমরা দুজনেই আসল। কিন্তু অচিরেই হারিয়ে যাব আমরা। কখনোই জানব না যে সে অমর হয়ে যাচ্ছে।

    কী দ্বিমুখীতা! বুঝতে পারি আমি এক-আধটু। এই আবেগ বেঁচে থাকলে একদিন আমি হয়তো কৃতজ্ঞতায় নুয়ে পড়ব। বারবার তোমার কথা মনে পড়ে-নাকি মনোলিথের কথা? যে ডেভিড বোম্যানের সাথে অনেক আগে দেখা হয় তার এতো ক্ষমতাতো ছিল না!

    ছিল না। বেশিরভাগই এসেছে সে সময় থেকে। আমি আর হাল অনেক কিছু শিখেছি।

    হাল! ও-ও কি আছে নাকি এখানে?

    আছি, ড. ফ্লয়েড! আশা করিনি আবার হবে দেখা। বিশেষত এই পথে। তোমার প্রতিধ্বনি তোলা কী ঝামেলার কাজ যে ছিল!

    প্রতিধ্বনি ভোলা? ও, বুঝেছি। কেন করলে কাজটা?

    তোমার মেসেজটা রিসিভ করেই আমি আর হাল বুঝতে পেরেছিলাম যে তুমি আমাদের সাহায্য করতে পারবে।

    সাহায্য! তোমাদেরকে?

    হু। ঠিক তাই। তোমার কাছে ব্যাপারটা কিম্ভূত ঠেকতে পারে। আমাদের যে জ্ঞান আর অভিজ্ঞতা নেই তা তোমার আছে। এটাকে প্রজ্ঞা বলেই ডেকো।

    ধন্যবাদ। দৌহিত্রের সামনে আসাটা কি প্রজ্ঞাময় কাজ ছিল?

    না। এতে আরো জটিলতা এসেছে। কিন্তু কাজটা আবেগিক। ব্যাপারগুলো একের অন্যের সামনে তুলে ধরা উচিত।

    বললে যে, সহায়তা দরকার। কোন্ উদ্দেশ্যে?

    “যা-ই শিখেছি আমরা, সেসব ছাড়াও আরো অনেক ব্যাপার জানার আছে। মনোলিথের পুরো সিস্টেম ম্যাপ করছে হাল। এমনকি সেটার কোনো কোনো সরল কাজ আমরা নিয়ন্ত্রণও করতে জানি। এটা এক খুচরা যন্ত্র। হাজার কাজে লাগে, এই যা। এক কথায় প্রকাশ করা যাবে না। তবু, মূল কথা বলতে গেলে, বুদ্ধিমত্তার প্রভাবক এই দুয়ারগুলো।

    হু-এই সন্দেহই করে সবাই। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছিল না।

    আছে। এর স্মৃতিগুলো হাতড়াতে শিখেছি আমরা। অথবা বলা ভাল, স্মৃতির কোনো কোনোটা হাতড়ে যেতে জানি। ত্রিশ-চল্লিশ লাখ বছর আগে, আফ্রিকার কোনো এক বনমানুষের দলকে এই মনোলিথেরাই মানব জাতির পথে এগিয়ে দিয়েছিল। এখন এটা একই কাজ করেছে এখানে, কিন্তু আরো অনেক মূল্যের বিনিময়ে।

    বৃহস্পতি যখন সূর্যে পরিণত হল তখন পৃথিবী এর গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেছে। এবং ক্ষতিটা মুখের কথা নয়। আরো একটা জীবজগৎ ধসে পড়েছিল। দাঁড়াও, যেভাবে দেখেছিলাম সেভাবে তোমাকে দেখাই…

    …সবচে বড় দুনিয়া ওর সামনে। ও হয়ত এবার এটাকে এমনভাবে দেখবে যেভাবে আর কোনো মানুষ দেখেনি। হয়ত এভাবে দেখবে যেভাবে দেখার সুযোগ কোনোদিন কোনো মানুষ পাবে না। ম্যাগনেটিক শক্তির লক্ষ লক্ষ কিলোমিটার বিস্তার, রেডিও ওয়েভের আকস্মিক বিস্ফোরণ, পৃথিবীর চেয়ে চওড়া বিদ্যুতায়িত স্নাজমার গরম ঝর্ণা এত স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে, যত স্পষ্ট দেখা যায় নিচের অসীম মেঘমালা। বুঝতে পারছে তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের জটিল পদ্ধতি। বুঝতে পারছে যে কোনো মানুষের অনুমানের চেয়েও বৃহস্পতি অনেক অনেক আশ্চর্য করা।

    গ্রেট রেড স্পটের মাঝের বিন্দু গজাচ্ছে। নেমে এল তার ভিতর দিয়ে। মহাদেশের চেয়েও বড় বিজলী চমকগুলো ফেটে পড়ে চারপাশে। এগুলোর গ্যাস পৃথিবীর হ্যারিকেনের গ্যাসের চেয়ে অনেক ছোট আণবিক গঠনের, তবু এর বিস্তার দেশ থেকে দেশে। ও জানে, কেন। নিরব স্তরে নেমে যেতেই হারিয়ে গেল হাইড্রোজেন বাতাসের পাতলা চিৎকার। চকচকে তুষার-বরফ খণ্ডের মিশ্রণ নিচে। কিছু টুকরো একেবারে মিশে আছে হাইড্রোকার্বনের পাতলা ফেনিল-পাহাড়ের সাথে। উঁচু থেকে এ বুদ্বুদ বেরিয়ে আসে। এখানটা তরল পানি থাকার মতো গরম, তবু কোনো সাগর নেই। এই খাঁটি গ্যাসের পরিবেশ খুব পাতলা। একটা সাগরের জন্য উপযুক্ত নয়।

    মেঘের স্তরের পর স্তর পেরিয়ে গেল সে। এমন একটা জায়গাতে পৌঁছল যেখানটায় মানুষের চোখও হাজার কিলোমিটার স্পষ্ট দেখবে। এটা গ্রেট রেড স্পটের একদম ছোট এক ঘূর্ণি। এতে এক বিশাল রহস্য আছে যেটার কথা মানুষ সব সময় ভেবেছে, প্রমাণ করতে পারেনি কখনো। হোট বড় অসংখ্য ফেনা পাহাড়ের আশপাশে একই আকারের অনেক অনেক মেঘ। প্রতিটিই লাল আর ধূসর, প্রায় গোলাকার। মেঘগুলো ছোট, তবে মানুষের হিসাবের মতো ছোট নয়। একেবারে নগণ্যটাও একটা শহর গ্রাস করবে।

    সবগুলোই জীবন্ত। আকাশ ছোঁয়া পর্বতগুলোর পাশে শান্তভাবে ঘুরছে। যেমন করে বিরাট পাহাড়ের ঢালে চড়ে বেড়ায় ভেড়ার পাল। এগুলোর একটা থেকে আরেকটার দূরত্ব মাপা। এসব জীবের রেডিও শব্দও শুনতে পায় নক্ষত্র শিশু। শব্দ ক্ষীণ হলেও বৃহস্পতির ভিতরে ভাঙা-গড়া আর মাথাব্যথার চেয়ে জোরালো।

    গ্যাসব্যাগ ছাড়ার পর পরই ওগুলো বয়ে যায় এক চিকণ স্তর ধরে। স্তরটা ফ্রিজিং পয়েন্টের উচ্চতা থেকে শুরু হয়ে যথেষ্ট গরম গভীরতা পর্যন্ত ছড়ানো। হ্যাঁ, সরু-কিন্তু পৃথিবীর সবগুলো জীবস্তরের সমান চওড়াতো হবেই।

    একা নয় ওরা। আরো কিছু ওদের সাথে ধীরে ঘুরছে। এত ছোট যে আরো সহজে দেখতে পাবে একটা মানব-দৃষ্টি। কিছু কিছু একেবারেই পৃথিবীর বিমানের মতো, আকারেও প্রায় একই। কিন্তু ওরাও জীবন্ত-হয়ত শিকারী, হয়তোবা পরজীবী, এমনকি রাখালও হতে পারে।

    বিবর্তনের একেবারে নতুন অধ্যায়। যেমন অপরিচিত ছিল ইউরোপার জীবগুলো, এও তেমনি। আস্তে আস্তে ধরা দেয় সামনে। জেট প্রপেলার লাগানো টর্পেডো আছে, অনেকটা পৃথিবীর সামুদ্রিক স্কুইডের মতো। ওগুলো জেলি ফিশের মতো দেখতে গ্যাসব্যাগকে খেয়ে ফেলছে অহরহ। আবার বেলুনগুলোরও আত্মরক্ষার উপায় থাকে। তারা লড়াই করছে বিদ্যুৎ আর শুড় দিয়ে। শুড় বা ওঙ্গের মতো দেখায় যে অংশ সেগুলো বিশাল; তাতে আছে থাবা। কিলোমিটারে ছড়ানো লম্বা চেন-করাতের মতো।

    এরচে অদ্ভুত গড়নও দেখা যায়। জ্যামিতির প্রত্যেক সম্ভাবনা আর হিসাব বজায় রেখে কিছু অদ্ভুত অকেন্দ্রিক প্রাণী, আধা-স্বচ্ছ ঘুড়ি, চার তলকীয় ঘনক ধরনের, কিছু আছে গোল, কোনোটা আবার বহুতলকীয়, পেঁচানো ফিতার মতো আছে কিছু… বৃহস্পতি পরিবেশের দৈত্যাকার প্লাঙ্কটনগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে চলন্ত বিজলীর গায়ে মাকড়সার স্বচ্ছ জালের মতো লেগে থেকে উপরে উঠে যেতে পারে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত ওরা নিচেই থাকে, বংশ বিস্তার করে। যথেষ্ট বড় হলে বিজলীর সাথে জড়িয়ে উপরে উঠে নষ্ট হয়ে আবার পরিণত হয় সরল কার্বন অণুতে। নিচে এসে নতুন প্রজননের উপাদান হিসেবে কাজ করে। ফিনিক্স!

    সে শতবার পৃথিবীর মতো দেখায় এমন আরেকটা বিশ্ব খুঁজেছে। অনেক দুনিয়া দেখার পরও কোথাও বুদ্ধির একটা ঝিলিক মিলেনি। বড় বেলুনগুলোর রেডিও ভয়েস তাদের ভয়ের প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না। শিকারীগুলোকে নিয়ে আশা করা যেত, কিন্তু ওরা হাঙরের মতো-মনহীন, রোবট যেন।

    এদের আকার দম বন্ধ করে দিলেও বৃহস্পতির জীবস্তর একেবারে ভঙ্গুর। কুয়াশা আর ফেনার রাজ্য। কিছু জীবের সুন্দর রেশমী সুতা আর কাগজ-পাতলা টিস্যু ঘুরে ওঠে, কারণ উপরের বিদ্যুৎ চমক থেকে সূক্ষ্ম জীবকণার তুষার ঝরছে অবিরাম। এখানে খুব কম জিনিসই সাবানের ফেনার চেয়ে ঘন। এর সবচে ভয়াল শিকারীও সবচে নিরীহ পার্থিব বিড়াল গোষ্ঠীর প্রাণীর সামনে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে…

    আর এই সমস্ত সৃষ্টিকে শুধু লুসিফারের জন্মের জন্য বলি দেয়া হল?

    “হ্যাঁ। বৃহস্পতীয়দের উৎসর্গ করার মাধ্যমে ইউরোপানদের জীবনের নিশ্চয়তা নেয়া হল। সম্ভবত ঐ গ্যাসীয় আবহাওয়াতে কখনোই বুদ্ধিমত্তা জাগানো সম্ভব হত না। তবু, সেই প্রাণীগুলোকে ধ্বংস করা কি তার উচিত হয়েছে? হাল আর আমি এখনো এর জবাব খুঁজে ফিরি। তোমার সহায়তা চাওয়ার এও এক কারণ।

    কিন্তু আমরা কী করে বৃহস্পতি খাদক মনোলিথের বিপরীতে নিজেদের স্থান করে নিব?

    এ এক যন্ত্রাংশ, ব্যস। এর বুদ্ধিমত্তা অসম্ভব ক্ষিপ্র-কিন্তু বিন্দুমাত্র সচেতনতা নেই। এতে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আমি তুমি আর হাল ওর চেয়ে অনেক এগিয়ে আছি।

    বিশ্বাস করা কঠিন। যেভাবেই হোক, কোনো একটা অস্তিত্ব নিশ্চই মনোলিথকে গড়েছিল।

    একবার সেটার সাথে আমার দেখা হয়েছিল। ডিসকভারি বৃহস্পতিতে আসার পর। সে আমাকে ফেরত পাঠিয়েছে এই জগৎগুলোতে এর উদ্দেশ্য পূরণ করার জন্য। তারপর আর কোনো কিছু শুনতে… জানতে পারিনি তার কাছ থেকে। এখন আমরা একদম একা।

    তাতেই আমি খুশি। আমাদের ভোগানোর জন্য মনোলিথই যথেষ্ট।

    কিন্তু এখন যে আরো বড় সমস্যা দেখা দিল! কিছু একটা উল্টাপাল্টা হয়ে গেছে।

    আমিতো ভাবিনি এখনো ভয়ের অনুভূতি থাকবে আমার মনে…।

    জিউস পর্বত পতনের সময় পুরো উপগ্রহটা ছারখার করে দিতে পারত। এই ব্যাপারটা পরিকল্পনায় ছিল না। কোনো হিসাব-নিকাশেই ব্যাপারটা বোঝার উপায় নেই। এটা পতনের সময় সাগরের গঠন পাল্টে দিয়েছে। উলট-পালট হয়ে গেছে জীবজগৎ। বিশেষত যে প্রাণীগুলো নিয়ে আমাদের বেশি আশা ছিল সেগুলোই পড়েছে হুমকির মুখে। এমনকি স্বয়ং মনোলিথ পড়ে গেল। নষ্ট হতে পারত। শুধু প্রোগ্রামে সামান্য হেরফের হয়েছে। তারা ব্যাপারটা খেয়াল করেনি, কীভাবে করবে? অসীম একটা ইউনিভার্স নিয়ে তাদের কারবার। সেখানে, সুযোগ যে কোনো সময় আসতে পারে, যেকোনো সময় যেতে পারে ভেস্তে। এতে তাদের কিছু যায় আসে না।

    কথাটা মনোলিথ আর মানুষ উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অবশ্য শেষ বাক্যটা নয়।

    “আমাদের তিনজনকে তাই এই ভুবনের এসব ঘটনার প্রশাসক হতে হবে, এই জগৎগুলোর অভিভাবকত্ব তুলে নিতে হবে নিজেদের হাতে। তুমি এরই মধ্যে উভচরদের সাথে দেখা করেছ। এবার সিলিকন বর্ম পরা লাভা স্রোতের বাসিন্দা আর সাগর চষে বেড়ানো নাবিকদের দেখভাল করার পালা। আমাদের কাজ তাদের পূর্ণতা দেয়ার চেষ্টা, এখানে থেকে হোক বা আর কোথাও।

    আর মানবজাতির কী হবে?

    প্রথম প্রথম আমি মানুষের মধ্যে নাক গলানোর চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু তারপর যে ওয়ার্নিংটা মানুষের জন্য দিয়েছি সেটা আমার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়, উল্টো পথে।

    আমরাতো এটা পুরোপুরি মেনে চলিনি।

    যথেষ্ট মেনেছি। ও, আর করার মতো কাজের কোনো অভাব নেই। ইউরোপার ছোট্ট গ্রীষ্ম চলে গিয়ে আবার লম্বা শীত আসার আগে অনেক কাজ করতে হবে।

    হাতে কতটুকু সময় আছে?

    মোটামুটি, কাজ সেরে ওঠা যাবে হয়তো সে সময়ের মধ্যে। মাত্র হাজার খানেক বছর। এবং আমাদের অবশ্যই বৃহস্পতীয়দের কথা মনে রাখতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৩০০১ : দ্য ফাইনাল ওডিসি – আর্থার সি. ক্লার্ক
    Next Article ২০১০ : ওডিসি টু – আর্থার সি. ক্লার্ক

    Related Articles

    মাকসুদুজ্জামান খান

    এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন

    November 12, 2025
    মাকসুদুজ্জামান খান

    ২০০১ : আ স্পেস ওডিসি – আর্থার সি. ক্লার্ক

    November 12, 2025
    মাকসুদুজ্জামান খান

    ডিজিটাল ফরট্রেস – ড্যান ব্রাউন

    November 12, 2025
    মাকসুদুজ্জামান খান

    ২০১০ : ওডিসি টু – আর্থার সি. ক্লার্ক

    November 12, 2025
    মাকসুদুজ্জামান খান

    ৩০০১ : দ্য ফাইনাল ওডিসি – আর্থার সি. ক্লার্ক

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }