Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প257 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মোহন দারোগার গবেষণাগার – বাসুদেব মালাকর

    চোর ধরা যত কঠিন, চোর ধরে আটকে রাখা তার থেকেও কঠিন কাজ—পুলিশের চাকরিতে ঢোকার পর এই কথাটা বুঝতে মোহন দারোগার তিনবছর সময় লেগেছিল। পুলিশে চাকরি পাওয়ার আগে মোহন একটা ইস্কুলে মাস্টারি করতেন। ইস্কুলটা খারাপ ছিল না, কিন্তু কী যে এক আদর্শবোধ তাঁকে ক্রমাগত খোঁচাতে লাগল যে শেষপর্যন্ত মাস্টারি ছেড়ে পুলিশে ঢুকে গেলেন মোহন।

    মোহনের ঠাকুরদা ছিলেন অহিংস আন্দোলনের নেতা গোছের একজন। মোহন তাঁকে দেখেননি, কিন্তু তাঁর বাণী নানা পত্রপত্রিকায় পড়েছেন। তিনি বলতেন, কেউ অপরাধী হয়ে জন্মায় না, এই সমাজ তাকে অপরাধী তৈরি করে … হিংসা ত্যাগ করে ভালোবেসে অপরাধীর হৃদয় পরিবর্তন করতে পারলে সে দ্বিগুণশক্তি নিয়ে ভালোত্বে ফিরে আসবে ইত্যাদি। ঠাকুরদার বাণীতে প্রভাবিত হয়ে মোহনও সেরকম ভাবতেন। আর পুলিশের চাকরি ছাড়া অপরাধীদের সঙ্গে ওঠবোস করার স্কোপ আর কোথায় পাওয়া যাবে? অতএব—।

    মাস্টারি জীবনে মোহন কালু নামে একটি ছাত্রের সংস্পর্শে এসেছিলেন। অপরাধী হওয়ার মতো সমস্ত মালমশলা তার মধ্যে মজুত ছিল, একটু সারজল পেলেই ডালপালা ছড়িয়ে বেড়ে উঠত। সেই যে কথায় বলে না, কচুগাছ কাটতে কাটতে গলাকাটা হয়—তেমনি।

    কালুর একটিমাত্র নেশা ছিল, লোকের গাছে ঢিল ছুড়ে আম জাম আমড়া কুল ঝুনো নারকেল পাড়া। অব্যর্থ টিপ ছিল কালুর হাতে। কোনো গৃহস্থ তাড়া করলে বা বাধা দিলে সন্ধেবেলা সেই বাড়ির টিন বা টালির চালে ইট মেরে শোধ নিত কালু। তাড়া করলে বিদ্যুৎগতিতে পালিয়ে যেত। একবার হেডস্যারের পিসির চালে ইট মেরে কালু স্যারের হাতে গোবেড়েন খেল। সেই করুণ মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে মোহনের ভিতর তাঁর ঠাকুরদা নির্দেশিত আদর্শ তথা কর্তব্যবোধ চাগাড় দিয়ে উঠতে তিনি সন্ধেবেলা কালুকে ডেকে নিয়ে প্রথমে পেনকিলার খাইয়ে একপ্লেট সন্দেশ খেতে দিলেন! কালু প্রথমে খেতে চায়নি—কী জানি বাবা, অতি যত্ন কীসের লক্ষণ বলে একটা কথা আছে না? মোহন কালুর মাথায় হাতটাত বুলিয়ে দিতে কালু সেই সন্দেশ খেল শেষপর্যন্ত।

    এরপর মোহন কালুকে নিয়ে পড়লেন। যার হাতে এমন অব্যর্থ টিপ তার তো অর্জুন হওয়ার কথা! কালুকে মাঠের ধারে নিয়ে গিয়ে মোহনও কালুর সঙ্গে ইট ছোড়া শুরু করলেন। তারপর দুটো তালগাছের গায়ে দড়ি টাঙিয়ে সেই দড়িতে প্লাস্টিকের বোতল ঝুলিয়ে দূরে দাঁড়িয়ে ইট মেরে প্র্যাকটিশ শুরু করল! কালুর কাছে ওসব বোতল ফাটানো জলভাত—তেমন মজা পেল না কালু। মোহনও ছাড়বার পাত্র নন, সন্দেশের প্লেট ওদিকে উজাড় হয়ে যাচ্ছে, ইট ছেড়ে এবার বর্শা নিক্ষেপ অনুশীলন শুরু হল। কালুর ওটাও ভালো লাগল না। গাছে ইট মেরে ফলপাকুড় পাড়ার মধ্যে যে থ্রিল, বর্শা ছোড়ার মধ্যে সে থ্রিল কোথায়? কিন্তু অনুশীলন শেষে গুণময় ময়রার দোকানের একপ্লেট মাখা সন্দেশের আকর্ষণও কম নয়।

    একটা কলাগাছের গুড়ি মাটিতে পুঁতে অনেকটা দূরে দাঁড়িয়ে বাঁশের চটার বর্শা দিয়ে গুড়িটাকে বিদ্ধ করতে হবে। ক্রমাগত পিছিয়ে গিয়ে গুড়ি থেকে দূরত্ব বাড়াতে হবে। তা-ও হল। কালু সসম্মানে গুড়িভেদ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হল। এরপর একদিন দেখা গেল, বিদ্যাসাগর স্টেডিয়ামে আন্তঃজেলা স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব ষোলো-র গ্রুপে কালু জ্যাভেলিং থ্রোয়িং-এ নামছে! ডানহাতের কবজিতে, কপালে চওড়া নীলরঙের ব্যান্ড, স্পোর্টস শ্যূ। স্যান্ডোগেঞ্জি পরে কালু যখন একটা ছোট্ট দৌড় দিয়ে জ্যাভেলিনটা ছুড়ল, স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে হাততালির খই ফুটতে লাগল!

    নীল আকাশ ফুঁড়ে জ্যাভেলিন উঁচুতে উঠছে উঠছে … এবার মুখটা নামল … জ্যাভেলিন সোজা হল … সাঁ সাঁ এগোচ্ছে … কালু দু-হাতে চোখ ঢেকে মাটিতে বসে পড়ল—জ্যাভেলিন গ্যালারির মধ্যে গিয়ে পড়লে খুনের দায়ে পড়তে হবে আজ! পাঁচ সেকেন্ড পরে ঠং করে শব্দ হতে চোখ খুলল কালু। গ্যালারির একদম নীচের ধাপে আঘাত করে কালুর জ্যাভেলিন শুয়ে পড়েছে। অন্যদের জ্যাভেলিনগুলো মাঠের মধ্যে মাটিতেই নব্বই কিংবা আশি ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে পুঁতে যাচ্ছিল!

    মাঠের মধ্যে বন্যার জলের মতো ইস্কুলের ছেলেরা ঢুকে পড়ল। সবার আগে হেডস্যার! ধুতি তুলতে তুলতে কখন জাঙিয়ার মতো করে ফেলেছেন, খেয়াল নেই! কালুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘এইটুকু কবজিতে এত শক্তি! তুই একলব্য, আমার ইস্কুলের গর্ব! আজ থেকে পিসির পেয়ারাগাছটা তোকে দিয়ে দিলাম!’

    2

    কালু তো আর গন্ডায় গন্ডায় মেলে না, তা ছাড়া কালু আই এস ও সার্টিফিকেটওলা ক্রিমিনালও নয়। ওর কথা বাদ দিলে, দীর্ঘ চাকরিজীবনে মোহন বুঝে গেছেন, দাদুর কথাগুলোর আবেগ ছিল, যুক্তি ছিল না। চোরডাকাত খুনেদের হৃদয় পরিবর্তন সোজা ব্যাপার নয়। থানায় ধরে এনে ধোলাই দিলে সুড়সুড় করে দোষ স্বীকার করবে, কোর্টে হাজির করলে বলবে, ‘হুজুর, আমি শালার বিয়ের নেমন্তন্ন খেয়ে ফিরছিলাম, দারোগাবাবু তখন গিয়ে ধরলেন!’ ভাড়া করা শালা এসে মাথা নীচু করে বলবে, ‘হ্যাঁ হুজুর, আমার বাড়িতে ছোটোমতন একটু বউভাত ছিল বটে ওদিন।’ এরপর মোহনের বাড়ি যাওয়ার পালা। ডাকাতটা তখন দাঁত বের করে হাসতে হাসতে মোহনের নাকের সামনে খইনি চাপড়ে চলে গেল।

    তাই বলে একেবারে হাল ছেড়েও দেননি মোহন। মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ। কে যেন ভিতর থেকে বলে উঠত, ‘বেশ, তুমি তাহলে তোমার কাজ করে যাও, বাপ!’ এই তো বছর সাতেক আগের কথা। মোহন তখন আরামপুরের দারোগা। ওখানে জটাই বলে একজন ছিল চ্যাম্পিয়ন চোর। দিনের বেলা একপাল ছাগল চরিয়ে বেড়াত আর আড়চোখে গেরস্তর বাড়ির উপর নজর রেখে স্টাডি করত। তার দু-তিন দিন পরে রাতের বেলা সিঁদ কেটে গেরস্তকে একেবারে গামছাসম্বল করে দিয়ে আসত! সেই জটাইকে একদিন তলব দিলেন মোহন। জটাইকে যদি রত্নাকর থেকে বাল্মীকি বানানো যায় তো দারোগাগিরির ইতিহাসে তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। হাতে একটা চালকুমড়ো ঝুলিয়ে যথাসময়ে গামছায় মুখ ঢেকে জটাই এসে প্রণাম করে মোহনের জুতোর ধুলো মাথায় ঠেকাল।

    জটাইকে আপাদমস্তক দেখে কী যেন ভাবলেন মোহন। কল্পনায় দেখে নিলেন। লম্বা চুলদাড়িতে জটাইকে বাল্মীকি হিসেবে কেমন মানাতে পারে। খুব খারাপ লাগবে না বলেই মনে হল মোহনের। বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ স্বরে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আচ্ছা জটাই, এ লাইনে আসবার আগে তুমি কী করতে?’

    ‘কেন স্যার? আগেপিছে কিছু নেই—আমি জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই এলাইনে।’

    ‘জ্ঞান হওয়ার পর থেকে! কী রকম? কী করতে তখন?’

    ‘মা হয়ত ঘরের পেছনের নারকেলগাছের গায়ে ঘুঁটে দিচ্ছে—আমি সেই ফাঁকে রান্নাঘরে ঢুকে গুড়ের ভাঁড় ফাঁক করে দিতাম! ভাঁড়টাকে কাত করে রেখে দিতাম, মা ভাবত বিড়ালে খেয়েছে।

    ‘বিড়ালে গুড় খায়?’

    ‘খায় স্যার। দু-একটা ছোঁচা লোভা বিড়াল থাকে।’

    ‘আর কী করতে?’

    ‘মাঠের ছাগল ধরে নিয়ে বকচরার হাটে বেচে দিতাম। সান্ডেলদের পুকুর থেকে ছিপ ফেলে মাছ ধরে আনতাম’।

    মাছের কথা শুনে মোহনের মাথায় একটা আইডিয়া খেলে গেল। মোহন বললেন, ‘আচ্ছা জটাই, তুমি তো ভালো মেছুড়ে শুনলাম। তা তোমাকে যদি একগাছা ভালো খেপলাজাল কিনে দিই—খালবিল থেকে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করলে আর রাতবিরেতে কুকুর চৌকিদার গেরস্তর তাড়া খেয়ে মরতে হবে না। মন্দ হবে না, কী বলো?’ জটাই বলল, ‘না বাবু, ও সব হল ছোটো কাজ। লোকে নিন্দে করবে, বলবে, জটে কিনা মাছ বিক্রি করছে! আমার শ্বশুরমশাই-এর বয়স এখন আশিবছর—আমাদের এই লাইনের হাই স্কুলের হেডমাস্টার—ঘুমন্ত মানুষের গা থেকে চামড়া খুলে নিয়ে আসতে পারতেন! তিনি শুনলে আমাকে ত্যাজ্যপুত্তুর করবেন! বলবেন, তুমি হলে আর্টিস্ট জটাধর—সেই তুমি শেষপর্যন্ত মেছো হলে! ও আমার দ্বারা হবে না বাবু।’

    মোহন ফোঁস করে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়লেন, নাহ, এ ব্যাটা বাল্মীকি হতে চায় না!

    গোকুলপুর থানাতেও এরকম চেষ্টা করেছিলেন মোহন। জাপানি বলে এক পাকা ওস্তাদকে পাকড়াও করে তার সিঁদকাঠি জমা রেখে তাকে একটা রিকশাভ্যান জোগাড় করে দিয়েছিলেন। তা সাতদিন পরে জাপানি সেই রিকশা নিয়ে এসে বলল, ‘বড়োবাবু, এই নিন আপনার রিকশা!’ মোহন আশ্চর্য হয়ে বললেন, ‘কেন, কী হল?’ জাপানি বলল, ‘কী হল, শোনেন তবে। আজ বাইশ বচ্ছর রেতে ঘুমোনোর ওব্যেস নেই আমার। সারাদিন ওই রিকশা টেনে এখন রাতে ঘুম পাচ্ছে! রাতে ঘুমিয়ে আমার শরীল খারাপ হতে লেগেছে, মাথা ভার, মুখে অরুচ। আমাদের নিয়ম হল দিনে ঘুম, রাতে কাজ। কত কষ্ট করে বিদ্যেটা শিখলাম, এই করে মেয়ের বে দিলাম, সব ব্রেথা যাবে? আপনার ভ্যান থাকল। আমার লক্ষ্মীকাঠি ফেরৎ দ্যান।’

    মোহন মেজাজ হারিয়ে পুলিশকণ্ঠে গর্জে উঠলেন, ‘ভালো কথায় সোজা পথে আসবার পাত্তর নোস তোরা! যদি একবার হাতেনাতে ধরতে পারি, বাপের নাম জার্মানি করে ছেড়ে দেব, বুঝলি জাপানি?’ জাপানি মুচকি হেসে বলল, পোমান পাবেন কোথা? পোমান? আমারও তিনকড়ি উকিল ধরা আছে—সব পোমান ফুঁকে দেবে! আপনি হাকিমের ঝাড় খাবেন তখন। বড়োবাবু, আপনার বোধহয় বায়ুকুপিত হয়েছে। তেলাকুচোপাতার রস মাথার মদ্যিখানে লাগান।’ বলে জাপানি চলে গেল।

    3

    ঠাকুরদার ওই নীতিকথায় বিশ্বাস করে, হৃদয় পরিবর্তনের বাতিকে মোহনের প্রমোশন-টনও হল না বিশেষ। লোকে পুলিশের চাকরি করে সোনার খনির হদিশ পেয়ে যায়, রাজভবনের মতো বাড়ি করে। সে সব হল না মোহনের। ওই মেজোবাবু ছোটোবাবু সারামাসে যা আদায়পত্তর করেন, তার একটা ভাগ পান মোহন। সে-ও দয়ার দান। না-দিলেও বলার কিছু নেই। এতবছরে এক ব্যাটারও হৃদয় পরিবর্তন ঘটানো গেল না! মাঝখানে পড়ে আম-ছালা-দুটোই গেল!

    এই ভক্তনগর থানাটা মোহনের বেশ পছন্দ হয়েছে। গাছপালা ঝোপঝাড় পুকুর মাঠ নিয়ে পল্লিপ্রকৃতি ব্যাপারটা এখনও বজায় আছে। থানার বাড়িটাও বেশ সুন্দর। একটা ঝাকড়া তেঁতুলগাছের নীচে গোটাচারেক ছোটো ছোটো একতলা বাড়ি। একটায় বড়োবাবুর অফিসঘর, তার পাশেই লোহার খাঁচামতো লকআপ। ডানদিকের ঘরটা মালখানা, বাঁ-দিকের ঘরে কনস্টেবলদের বিছানা, পাশে রান্নাঘর, পিছনের দুটো ঘরে বড়োবাবু মেজোবাবুর থাকার জায়গা।

    এলাকাটা ঘুরে দেখবেন বলে তেঁতুলতলার জিপগাড়িটার কাছে গিয়ে দেখলেন, ছোবড়ার গদির উপর একটা কুকুর শুয়ে আছে, চাকার পাশে ঘাস গজিয়ে গেছে! তার মানে ওটা অকেজো। মেজোবাবুকে বলতে তিনি বললেন, একবছর আগে সদরে রিপোর্ট করা হয়েছে, কোনো উত্তর আসেনি!

    ‘ইনসিডেন্ট ঘটলে স্পটে পৌঁছোন কী করে?’

    ‘কেন স্যার, ভ্যানরিকশায় পা ঝুলিয়ে বসে হাওয়া খেতে খেতে চলে যাই! তা ছাড়া বেশি যেতেটেতেও হয় না তেমন।’

    ‘এখানকার লোকগুলো স্যার খুব সভ্যভদ্র। চুরি-ডাকাতি নেই বললেই চলে—কে কার জিনিস চুরি করবে? সবই তো নেংটি সম্বল। দু-চার পিস যা ছিল, কলকাতার দিকে চলে গেছে। ওখানে ক্লায়েন্ট বেশি। কেউ কাউকে চেনে না, বিপদে ঝাঁপায় না। সেফ এরিয়া। তবে স্যার লাঠালাঠি খুনোখুনি আছে। একজনের মুরগি অন্যজনের বাড়ি গেলেও খুনোখুনি হয়! তবে বেশি না, বছরে একটা দুটো।’

    তা মোহন সত্যিসত্যিই দেখলেন, সারাদিন একটা ডায়েরিও করতে আসে না কেউ! কনস্টেবল চারজন লুঙি কাছা দিয়ে লোকাল ছেলেদের সঙ্গে ফুটবল বা ডাংগুলি খেলে জনসংযোগ বজায় রাখে। একজন গেটে পাহারায় থাকে আর মোবাইলে এফ. এম. শোনে। এফ. এম শুনে শুনে এখন কানেও কম শোনে। ‘প্রসূন, শুনে যাও’ বলে ডাকলে উত্তর দেয়, ‘রসুন? বুনে যাব? রসুন বুনে কী হবে, স্যার?’

    শূন্য লকআপের ভেতর একটা বেড়াল দুটো বাচ্চা নিয়ে শুতে আসে রাতে। একদিন সেখানে একটা ভাম ঢুকে পড়তে সে কী লড়াই ভাম-বিড়ালে! মোহন টর্চের আলো ফেলতে ভামটা পালিয়ে গেল। ঠিক গোকুলপুর থানার কেস—লকআপের ভেতর এক পকেটমার আরেক পকেটমারের পকেট থেকে বিড়ি দেশলাই বের করে নিয়েছিল! তাই নিয়ে মাঝরাতে মহাদাঙ্গা! দুটোকেই ঠ্যাঙানি দিতে তবে থেমেছিল।

    তখন অনেক রাত। হেরিকেনটা ডিম করে শুয়ে পড়েছেন মোহন, ঘুমটা সবে ধরে এসেছে, হঠাৎ বারান্দায় যেন ধুপ করে একটা শব্দ হল! মোহন চোখমেলে সতর্ক হয়ে উঠে বসলেন। একটা ক্ষীণ পায়ের শব্দ তাঁর ঘরের দরজার সামনে এসে থেমে গেল। ফিসফিস করে কে যেন দুবার ডাকল, ‘বড়োবাবু! বড়োবাবু!’ মোহনও ফিসফিস করে সাড়া দিলেন, ‘হ্যাঁ, জেগে আছি, তুমি কে?’

    ‘দরজাটা খুলুন, বলছি।’

    ‘দরজা ভেজানো আছে, ঠ্যালা দাও।’

    একটা আবছা ছায়ামূর্তি, সিড়িঙ্গে চেহারা, খাটো ধুতি পরা, কাঁধে একটা গামছা—ঘরে ঢুকে দরজাটা ভেজিয়ে দিল। মোহন চাকরি জীবনে এরকম জিনিস ঢের দেখেছেন। হয় ইনফর্মার, নয় অন্য থানার ওয়ান্টেড, না-হলে মাসচুক্তির প্রস্তাব নিয়ে আসা ভগ্নদূত। সেই ছায়ামূর্তি হাত জোড় করে বলল, ‘আজ্ঞে, নাম শুনে থাকবেন, আমার নাম খাটাই। দু-পুরুষের কারবার—ছেলেকে ধরলে তিনপুরুষ।’

    ‘কীসের কারবার তোমার, খাটাইদা?’

    ‘আজ্ঞে, একসপোর্ট ইমপোর্টের কারবার। লোকের বাড়ির মাল নিজের বাড়িতে ইমপোর্ট করি, সেই মাল আবার মহাজনের ঘরে একসপোর্ট করি।’

    ‘বুঝলাম! চুপি চুপি না কি রামদা ভোজালি নিয়ে?’

    ‘আজ্ঞে, চুপিচুপি। গেরস্থ ঘুমিয়ে পড়লে।’

    ‘তা এতরাতে আমার কাছে কী মনে করে? এখানে ইমপোর্ট করবার মতো কিছু আছে না কি?’

    ‘কী যে বলেন স্যার! আমি খুব বিপদে পড়ে আপনার কাছে এসেছি!’

    ‘কী বিপদ?’

    ‘আজ্ঞে, আমার ছেলে পেল্লাদ এবার মাধ্যমিক পাস করেছে। ছোটোবেলা থেকেই রাতে ওকে সঙ্গে নিয়ে বের হতাম, ছোট্ট শরীর তো, সিঁদ দিয়ে ঢুকে দরজা খুলে দিত। তা লজ্জার কথা কী বলব স্যার, ও ব্যাটার টাকাপয়সা গয়নাগাটির থেকে বইপত্তর হাতানোর দিকেই বেশি ঝোঁক ছিল। আমার বাড়ি গিয়ে দেখবেন, বই-এর পাহাড়! এখন পাস করে বলছে, আমার লাইনে আসবে না, আরও পড়াশুনো করবে!’

    ‘এ তো ভালো কথা। খাটাই-এর ছেলে পড়াই করবে—এর চাইতে ভালো জিনিস হয় না!’

    ‘না স্যার। এটা খুব খারাপ জিনিস। লেখাপড়া শেখার বিস্তার হ্যাপা। না-পারবে আমার পেশা ধরতে, না পাবে চাকরি। মাঝখান দিয়ে গুচ্ছের টাকা নষ্ট, না-ঘরকা না-ঘাটকা।’

    ‘তা আমাকে কী করতে হবে খাটাইদা?’

    ‘আপনি ও-ব্যাটাকে ধরে এনে একটা হালকা কেস দিয়ে চালান করে দিন। কত কেস তো আপনাদের খাতায় ফাঁকা পড়ে থাকে। একবার দাগি হয়ে গেলে ওর লেখাপড়ার বারোটা বেজে যাবে, কোনো ইস্কুল আর ভর্তি নেবে না। এটুকু উবগার আপনাকে করতেই হবে, স্যার।

    শুনেছি, আপনি ঘরের খেয়ে বনের শিয়াল তাড়াতে ভালোবাসেন।’

    ‘ঠিক আছে, কাল সকালে মার্কশিট নিয়ে পেল্লাদকে দেখা করতে বলো। দেখব, কী কী চার্জ খালি আছে। তা খাটাইদা, একথা বলার জন্য দিনের বেলা না-এসে এতরাতে এলে কেন?’

    ‘আজ্ঞে আমার নামে যে হুলিয়া আছে।’

    ‘হুলিয়া! কে হুলিয়া জারি করেছে?’

    ‘আজ্ঞে, আপনার আগের বড়োবাবু। আমার সঙ্গে দশ-আনা ছ-আনার চুক্তিতে আসতে চেয়েছিলেন। আমি রাজি হইনি। চোদ্দোআনা-দু আনা পর্যন্ত ঠিক ছিল। আপনার মেজোবাবুও ওঁর দলে ছিল। তা সেই বড়োবাবু মেজোবাবুকে হুকুম দিয়ে গেছেন, আমাকে দেখতে পেলেই যেন ধরা হয়। স্যার, দিনকাল খুব খারাপ, লোকে টাকাপয়সা সোনাদানা আজকাল আর বাড়িতে রাখে না। ক-পয়সাই বা পাই—তার থেকে ছ-আনা চলে গেলে—।

    ‘ঠিক আছে, সকালে ছেলেকে পাঠিয়ে দিও।’

    খাটাই প্রণাম করে চলে গেল।

    4

    পরদিন আটটার সময় পেল্লাদ এসে মোহনকে প্রণাম করে মুখ নীচু করে সামনে দাঁড়াল। মোহন তাকিয়ে দেখলেন, রংকালো হলেও সুন্দর সুশ্রী মুখখানা পেল্লাদের। চোখের দৃষ্টিও শান্ত। পেল্লাদের বগলে কাগজে মোড়া একটা জিনিস দেখে মোহন জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওটা কী তোমার বগলে?’

    পেল্লাদ লজ্জা লজ্জা মুখ করে বলল, ‘আপনার চটিজোড়া।’

    ‘আমার চটি! তোমার বগলে গেল কী করে?’

    ‘কালরাতে বাবা নিয়ে গিয়েছিল।’

    ‘কেন? চটি নিয়ে গিয়েছিল কেন! তাই সকালে উঠে খুঁজে পাইনি!’

    ‘আজ্ঞে, বাবার গুরুদেবের নির্দেশ আছে, রাত্তিরে বাড়ির বাইরে পা দিলে খালি হাতে ফেরা যাবে না—কিছু হাতে করে ফিরতেই হবে! ‘বাবা খুব গুরুর কথা মানে কি না!’

    মোহন হাসবে না কাঁদবে বুঝতে পারলেন না, বললেন, ‘কই তোমার মার্কশিটটা দেখি।’

    মার্কশিট দেখে মোহন মোহিত হয়ে গেলেন! মোট আটশো মার্কসের মধ্যে প্রহ্লাদ পেয়েছে ছশো সাতানব্বই! তিনি তক্ষুনি প্রহ্লাদকে নিয়ে সোজা বসন্তপুর উচ্চমাধ্যমিক ইস্কুলের দিকে রওনা দিলেন!

    খবর শুনে খাটাই হায় হায় করে উঠল ‘স্যার, কী বললাম আর কী করলেন! পেল্লাদকে অন্য স্কুলে ভর্তি করে দিয়ে এলেন!’ মোহন খুব কড়াগলায় বলল, ‘হ্যাঁ। দিয়ে এলাম। তুমি যদি ওর পড়াশোনায় বাধা দাও, তোমাকেও জেলখানায় ভর্তি করে দিয়ে আসব। ও যতদূর পড়তে চায় পড়বে—খরচের কথা তোমাকে ভাবতে হবে না।’ দাবড়ানি খেয়ে খাটাই চুপ করে গেল।

    সেদিন ইস্কুল থেকে ফেরার পথে মোহনের মনটা খুব ফুরফুরে লাগছিল। অনেকদিন পরে সাইকেল চেপেছিলেন মোহন। পাশ কাটিয়ে একটা বাইক উলটোদিকে চলে গেল। একটু পরেই সেই বাইকটা ঘুরে এসে মোহনের পথ আটকে দাঁড়িয়ে পড়ল! ফুল ইউনিফর্ম পরা লোকাল থানার দারোগার পথ আটকায়, এতবড়ো আস্পর্ধা কার? একটু দেখতে হচ্ছে! মোহন সাইকেল থেকে নেমে পড়লেন।

    একজন যুবকও বাইক থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে। সুন্দর সুঠাম চেহারা, ব্যাক-ব্রাশ করা চুল, জিনসের প্যান্টের উপর খয়েরি টি-শার্ট পরা। যুবকটি এগিয়ে এসে মোহনের পা ছুঁয়ে প্রণাম করল। থতোমতো খেয়ে মোহন বললেন, ‘তুমি কে? ঠিক চিনতে পারলাম না তো!’ যুবকটি বলল, ‘স্যার, আমি কালু! সেই যে ব্রহ্মপুর স্কুলে—।’

    ‘ওহ কালু! অর্জুন কৃষ্ণসখা! কত পালটে গেছ—কী করে চিনব? এ দিকে কোথায় যাচ্ছ?’

    ‘এই তো কেদারপুর বিডিও অফিসে ক্লার্ক-এর চাকরি করছি—স্পোর্টস কোটায় পেয়েছিলাম! মোহন কালুকে জড়িয়ে ধরলেন।

    বাকি পথটুকু সাইকেল চালাতে চালাতে মোহন ভাবছিলেন, আজ খুব আনন্দের দিন। ঘোর অন্ধকারের মধ্যে একই দিনে দুটো আলো দেখতে পেলাম। একটা আলো জ্বলছে, অন্যটাও জ্বলব জ্বলব করে হাওয়ার সঙ্গে লড়াই করছে, নিভবে না মনে হয়। জোরে প্যাডেলে চাপ দিয়ে মোহন মনেমনে বললেন, ‘চালাও পানসি বেলঘরিয়া! সব রত্নাকর বাল্মীকি হয় না ঠিকই, কিন্তু একজনও না-হলে রামায়ণ লিখবে কে?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }