Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প257 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজকুমারীর হাসি – রাজেশ বসু

    রাজামশাই বললেন, ‘মন্ত্রী, এ কেমন কথা। কেউ হাসে না আজকাল। হাসলেও চেয়ে-চিন্তে লাভক্ষতি হিসেব কষে মেপেজুপে হাসে। ভারি অন্যায়। বলি, এ কেমন ধারা—উঁহু এমনটা মোটেই চলবে না আমার রাজ্যে। আজ থেকে হুকুমজারি, হাসতে হবে সক্কলকে। সে হাসি পাক, আর না-পাক। হাসতে হবে মন খুলে। বত্রিশপাটি উন্মোচন করে। নজরদারির দায়িত্ব তোমার।’

    মন্ত্রীমশাইয়ের বয়স হয়েছে। তাঁর হাঁটুতে বাঁত। দৃষ্টি ক্ষীণ। রাজামশাইয়ের জরুরি তলবে এসেছেন সাতসকালে। সবে ঘুম থেকে উঠে নকল দাঁতের পাটি মুখে সেট করছিলেন, এমন সময় রাজামশাইয়ের ফোন। ইচ্ছে করছিল না। তবু এসেছেন। রাজামশাই মানুষ এমনিতে খুব ভালো। ভারি দরাজ। এরকম জরুরি তলব-টলবে ডানহাতের ব্যাপার-স্যাপার ভালোই থাকে। অনেকদিন রাজবাড়ির চা সেবনও হয়নি। সুতরাং চলে এসেছেন হুড়মুড়িয়ে।

    বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। চারিদিকে টাকাপয়সার টানাটানি খুব। রাজ্যেও তার অল্পসল্প প্রতিক্রিয়া পড়েছে। ভেবেছিলেন রাজামশাই হয়তো সে-সব নিয়ে আলোচনা করবেন। গতকালই তো নিমখালির কৃষকেরা সব হরতাল ডেকেছিল। রাজবাড়ির সামনে ধর্নাতেও বসবে নাকি তারা। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সেনাপতিকে ফোনও করেছিলেন মন্ত্রীমশাই। হয়তো চাষাগুলো সাতসকালেই রাজবাড়ির ফটক আটকে বসে পড়েছে। রাজামশাই মর্নিংওয়াকে বেরতে পারছেন না। সেনাপতিকে অবশ্য ফোনে পাননি। সে তার ফোন সুইচ অফ করে রেখেছে। টেনশন মাথায় নিয়ে আসতে হয়েছিল মন্ত্রীমশাইকে। যা হোক, রাজবাড়ির সামনে তেমন কিছু গোলমাল দেখতে না-পেয়ে দুশ্চিন্তাটা কেটেছিল তার।

    কিন্তু, এখন এমন হুকুম শুনে বিরক্ত হলেন খুব। রাজামশাই তো আছেন আপন খেয়ালে। হুকুম করেই খালাস। রাজ্যি সামলানোর যে কত ঝক্কি!—যা খুশি হুকুমনামা জারি করলেই হল! হাসি কী ছেলের হাতের মোয়া, ঘোরালাম আর চলে এল! দুনিয়ার যা অবস্থা, মানুষের হাসার ফুরসতটাই বা কোথায়!

    মুশকিল হল রাজামশাইয়ের সামনে তো আর বিরক্তি প্রকাশ করলে চলে না। সুতরাং নকলদাঁতের পাটি আদ্ধেক বের করে কাষ্ঠহেসে বললেন, ‘খুব ভালো কথা স্যার। কিন্তু হাসি তো খিদেতেষ্টার মতো স্বাভাবিক ক্রিয়া-প্রক্রিয়া নয় যে এমনি-এমনি মুখে ফুটবে। এ হল কিনা মনের ব্যাপার। তা ছাড়া হেসে গড়িয়ে পড়ার খোরাকটাই যে এখন অমিল ভারি।’

    রাজামশাই তার জোড়া ভুরু নাচিয়ে বললেন, ‘হাসির খোরাক নেই! তাই মনে হয় আপনার। এই দেখুন না, বয়সে আপনি রাজমাতার চেয়েও বরিষ্ঠ। গাল বসে গিয়েছে। মাথার চুল অধিকাংশ ঝরে গিয়েছে। তবুও যে ক-টি আছে সেগুলি রং করে জোয়ান সেজেছেন। এমন উদ্ভট দৃশ্য হাসির খোরাক নয় বুঝি? আমার তো দেখলেই হাসি পায়। আগে সামলে ছিলুম। আজ থেকে আর না।’

    বলেই রাজামশাই ফিকফিকিয়ে হাসতে লাগলেন। রাজভৃত্য চা নিয়ে এসেছিল। রাজামশাইয়ের হাসিতে চায়ের পেয়ালা নামিয়ে সেও হাসতে শুরু করল।

    ‘দেখুন মন্ত্রীমশাই, ও-ও হাসি চাপতে পারছে না।’ বললেন রাজামশাই, ‘সুতরাং আর বিলম্ব নয়। আজই নোটিশ দিয়ে দিন। হাসার নোটিশ। আর আপনিও এরকম গোমড়া মুখে থাকবেন না। হাসুন। হাসতে থাকুন।’

    মন্ত্রীমশাই আর কী করেন। রাজামশাইয়ের হুকুম। ইচ্ছে হোক-না-হোক, হাসতে হল তাকে। হাসতে-হাসতেই চা পান করলেন। তারপর সারা রাজ্যে ঢ্যাঁড়া পিটিয়ে দিলেন, হাসতে হবে সক্কলকে। গোমড়া মুখে মোটে থাকা চলবে না। শুতে বসতে খেতে ঘুমোতে মুখে হাসিটি থাকা চাই।

    অতএব যা হয়, রাজার হুকুম। রাজ্যে হাসির ধুম পড়ল। কারণে-অকারণে হাসতে শুরু করল লোকে। বিদেশি নকলে রাজ্যে বিস্তর লাফিংক্লাব গজিয়েছিল। তাদের সভ্যবৃন্দদের ভারি পুলক হল। নিত্যকার হাস্যাভাষে তাদের যখন-তখন হাসতে অসুবিধে নেই কোনো। তারা রাজামশাইয়ের এমন পরোয়ানায় আরো উৎসাহ পেল। কাজকম্ম ফেলে কেবল হাসতেই শুরু করল তারা। অন্যেরা পড়ল মহাফাঁপরে। বেমক্কা মিছিমিছি বোকার মতো হাসা যায় নাকি! তারা প্রথমটায় রাজামশাইয়ের নির্বুদ্ধিতায় হেসেছিল বটে। কিন্তু পরে আর হাসল না। ভুরু কোঁচকালো। মুখ ভ্যাটকালো। নিন্দে করল রাজামশাইয়ের। রাজামশাই খবর পেলেন। পেয়াদা এসে ধরে নিয়ে গেল তাদের। হাসিয়ে হাসিয়ে হাসফাঁস করে ছাড়ল তাদের।

    রাজামশাই খুব খুশি। রাজ্যে গোমড়ামুখো কেউ নেই আর। সবার মুখে লেগে আছে হাসি। আপন গৃহের নিভৃতকোণে কী হচ্ছে, জানা নেই। তবে জনসমক্ষে সবার মুখেই হাসি। শোক-দুঃখ, মান-অভিমান সবেতেই চওড়া হাসি। হাসতে-হাসতেই সব কাজ হাসিল হতে লাগল।

    এরই মধ্যে একদিন রাজসভায় গোয়েন্দা এসে রাজামশাইয়ের কানে-কানে কী বলল। রাজামশাই হেসে-হেসে শুনলেন বটে, কিন্তু মুখে তার চিন্তার মেঘ। তিনি সভাভঙ্গ করে অন্তঃপুরে ফিরে গেলেন। সত্যি তো। রাজকুমারীর দিকে নজরই পড়েনি তার। মোটে ন-বছর বয়স তার। কিন্তু ভাবভঙ্গিতে যেন নববুইবছরের ঠানদিদি। চোখে মাইনাস পাঁচ পাওয়ারের চশমা ঝুলিয়ে গম্ভীর হয়ে থাকে সর্বক্ষণ। মুখখোলা হাসি তো দূরের কথা, ছোঁট বেকিয়ে একপেশে মিচকি হাসিও হাসে না সে। এ তো ঘোর সংকট। খোদ রাজকুমারীর মুখেই হাসি নেই! কথাটা পাঁচকান হলে ভারি লজ্জা। রাজামশাই ডাকলেন মহারানিকে।

    ‘কী ব্যাপার রানি, রাজকুমারী হাসে না কেন?’ সহাস্যে জিজ্ঞেস করলেন রাজামশাই।

    মহারানি মুখে পঞ্চসবজির একটি প্যাক লাগাচ্ছিলেন। রাজামশাইয়ের হঠাৎ তলবে ছুটেই এসেছেন প্রায়। কারণ জেনে বিরক্ত হলেন তিনি। মানুষটা হুকুম করেই খালাস কেবল। ঘরগেরস্থালির খবর রাখে না এতটুকু। বললেন, ‘মেয়ে যে হেসে বেড়াবে এমন সময় কোথায় তার।’

    ‘মানে?’ বুঝলেন না রাজামশাই, ‘কী এমন রাজকার্য করে সে, যে মুখে হাসি আসে না? ভোরে উঠেই তো হেসে নিতে পারে একচোট।’

    মহারানি ব্যঙ্গের হাসি হাসলেন। ‘ভোরে উঠে! হু! রাত জেগে পড়ে তার চোখে এত ঘুম লেপটে থাকে ভোরে উঠে আর মুখে হাসি ফোটে না।’

    ‘রাজামশাই বললেন, ‘তবে ভোরে ওঠে কেন সে?’

    ‘লেকে জগিং করতে যেতে হবে না। তারপর জিম।’ বললেন মহারানি।

    ‘ঠিক। ঠিক। শরীরচর্চা তো করতেই হবে। ওটা মাস্ট।’ বললেন রাজামশাই, ‘কিন্তু তারপর?’

    ‘তারপর? তারপর ব্রেকফাস্ট সেরে ইস্কুল।’

    ‘ইস্কুল শেষে?’

    ‘সাঁতারের ক্লাস।’

    ‘তারপর?’

    ‘জুডোর ক্লাস।’

    ‘তারপর?’

    ‘নাচের ক্লাস।’

    ‘তারপর?’

    ‘গানের ক্লাস।’

    ‘তারপর?’

    ‘আঁকার ক্লাস।’

    ‘তারপর?’

    ‘গিটারের ক্লাস।’

    ‘তারপর?’

    ‘অ্যাবাকাস।’

    রজামশাই বিরক্ত হলেন, ‘তবে সে পড়ে কখন?’ মুখে মিটিমিটি কৌতুকের হাসি ঝুলিয়ে প্রশ্নগুলি করে যাচ্ছিলেন। এখন সেটি পুরোপুরি মিলিয়ে গেল।

    ‘বাড়ি ফিরে টিউটর পড়িয়ে যাওয়ার পর।’ বললেন মহারানি। এতসব ফিরিস্তি বলার মতো সময় নেই তার। পঞ্চসবজির প্যাকটা অন্য গালে লাগানো হয়নি। উঠে পড়লেন তিনি।

    রাজামশাই ভাবতে লাগলেন। ভুল হয়ে যাচ্ছে। রাজকুমারীর শিক্ষাদানে ত্রুটি হচ্ছে দস্তুরমতো। যুগ যা পড়েছে এসব মামুলি বিষয় না-শিখলে কী চলে? এতে হাসি কোথায় আটকাচ্ছে বুঝছেন না তিনি। এখনও তো অশ্বারোহণ, পর্বতারোহণ কিংবা টেনিস বা গলফ খেলাও শুরু করেনি রাজকুমারী। এটুকুতেই কাহিল হওয়া ভালো কথা নয়। সব বাচ্চাদেরই তো একরুটিন। খোঁজ নিয়ে জানলেন তারা মোটেই গোমড়া না, নিয়ম করে হাসে তারা। কেউ কেউ রীতিমতো হাসির ক্লাসেও যায়।

    রাজামশাই ভাবলেন রাজকুমারীকে হাসির ক্লাসে ভর্তি করবেন। কিন্তু পরক্ষণেই মনে হল, তাতে মুশকিল। সকলে বুঝে যাবে খোদ রাজামশাইয়ের মেয়েই বাপের কথা শোনে না। সুতরাং বাড়িতেই হাসির খোরাকের ব্যবস্থা করতে হবে।

    রাজকুমারীর গৃহশিক্ষকদের তলব করলেন তিনি। তারপর তাদের পরামর্শ মতো রাজকুমারীর জন্যে মজার মজার সব সিনেমার ডিভিডি আনা হল। হাসির গল্পের গুচ্ছের অডিয়োসিডি কেনা হল। রাজকুমারীর গল্পের বই পড়তে রুচি নেই। তাই অডিয়োসিডি। রাজামশাই নিজে ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘেঁটে একহাজারটি দমফাটা হাসির জোক ডাউনলোড করলেন।

    কিন্তু সব বৃথা। সব পণ্ডশ্রম।

    রাজকুমারী সব দেখল। শুনল। পড়ল। কিন্তু হাসল না। রাজামশাই শেষে গোপনে রাজ্যের বাঘা-বাঘা সব কমেডিয়ানদের তলব দিলেন। তারা মাথা চুলকে, গোঁফ চুমড়ে, দাড়ি মুচড়ে, নেচে-কুঁদে, মুখে তোম্বা হাসি ঝুলিয়ে বিস্তর চেষ্টা করল। রাজকুমারী তো হাসলই না, শেষে ‘আমার ইউনিট টেস্ট আছে’ বলে উঠেই গেল গম্ভীরমুখে।

    ইতিমধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ল বাইরে। অকারণে হেসে ক্লান্ত সবাই। একজন দুজন করে হাসা বন্ধ করতে শুরু করল প্রজারা। রাজামশাই নিজেও এখন মাঝে-মাঝে হাসতে ভুলে যান। তার চুলে পাক ধরতে শুরু করেছে। এমন সময় একদিন রাজকুমারীর ঠাকুমা স্বয়ং রাজমাতা এসে হাজির। নগর থেকে বহুদূরে একটি গ্রামে থাকেন তিনি। রাজামশাইও একসময় থাকতেন সে গ্রামে। রাজ্যপরিচালনার দায়ে এখন নগরে থাকেন। রাজমাতার নগরের এত কোলাহল ভালো লাগে না। গ্রামের মাঝে প্রকৃতির আপন কোলে ভালোই আছেন তিনি। তবু মন যখন আকুল হয় চলে আসেন নাতনির কাছে। রাজামশাই ভারি ব্যস্ত। তার মায়ের কাছে যাওয়ার ফুরসতই হয় না।

    রাজমাতা সব দেখেশুনে বললেন, ‘আমি নিয়ে যাচ্ছি ওকে। গরমের ছুটিটা ও আমার কাছেই থাকবে। বড়ো কষ্ট দিচ্ছ তোমরা ওকে।’

    রাজামশাই দোলাচলে পড়লেন। ইস্কুল বন্ধ বটে, তা বলে পড়াশোনা বন্ধ হতে পারে না। ভেবেছিলেন গরমের ছুটিতে মেয়েকে বেহালাটা ধরাবেন। বেহালা শিখলে নাকি অঙ্কে মাথা খোলে। কী বলবেন বুঝলেন না। মহারানিও ক্ষুণ্ণ হয়েছেন। মেয়েকে মোটেই কষ্ট দিচ্ছেন না তারা। গোটা ছুটিটা ঠাম্মার কাছে থাকলে লেখাপড়ার যদি ক্ষতি হয়! মুশকিল আসান করল রাজকুমারী নিজে। সে ঠোঁট ফুলিয়ে ঘাড় গুঁজে এমন বায়না জুড়ল যে রাজামশাইয়েরা আর না-করতে পারলেন না। রাজকুমারীকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে এলেন রাজমাতা।

    পাহাড় নদী ঝরনা দিয়ে ঘেরা সুন্দর গ্রাম রাজমাতার। কতরকমের পাখি। কতরকমের প্রজাপতি। আর কী সুন্দর মনজুড়ানো ঠান্ডা বাতাস। বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায়। মুগ্ধ হয়ে গেল রাজকুমারী। কতদিন পর সে এসেছে ঠাম্মার কাছে। পড়াশোনার চাপে আসতেই পারে না সে।

    রাজামশাই কেক-বিস্কিট, প্যাটিস-কোল্ডড্রিঙ্ক সব পাঠিয়ে দিয়েছিলেন সঙ্গে। ড্রাইভার গাড়ি থেকে সব নামাতে যাচ্ছিল। রাজমাতা সব ফিরিয়ে দিলেন। তারপর নিজে হাতে আতপ চাল আর সোনামুগ ডালে রাঁধলেন খিচুড়ি। সঙ্গে মুচমুচে কুমড়োফুলের বড়া আর আমের চাটনি।

    রাজকুমারীর খাওয়া নিয়ে ভারি সমস্যা। রাজ্যের সেরা ডায়েটিসিয়ানের বানিয়ে দেওয়া খাদ্যতালিকা অনুযায়ী খাবার বরাদ্দ তার জন্যে। সুপ, স্টু, ডেজার্ট, মার্মালেড, এসব খেতে অভ্যস্ত সে। যদিও সেসব ‘নিউট্রিশাস’ খাবারে ভয়ানক অরুচি তার। ফলে চেহারা হয়ে গিয়েছে ললিপপের স্টিকের মতো।

    এখন কাঠের আগুনে মাটির হাঁড়িতে করা রাজমাতার রান্না জিভে দিয়ে তো অবাক রাজকুমারী। আহা, কী অপূর্ব স্বাদ! অনেকদিন পর পেটভরে মনের সুখে খেল সে। তারপর ঠাম্মাকে জড়িয়ে ধরে জম্পেশ একটি ঘুম।

    কয়েকদিনের মধ্যে চেহারাই ফিরে গেল রাজকুমারীর। নিটোল সুন্দর স্বাস্থ্য হল। পাকাগমের মতো হল গায়ের রং। যে দেখে সে-ই বলে, এই না-হলে রাজার মেয়ে, রাজকুমারী!

    খালি চেহারার পরিবর্তন নয়, রাজকুমারী জেনেও ফেলল কত কী! পাখ-পাখালি, গাছ, ফল-ফুল তো আছেই ; কামারশালায় গিয়ে দেখল কেমন করে লোহা পিটে জিনিসপত্র সব তৈরি হয়, হাঁপর চলে কেমন করে। তাঁতিপাড়ায় গিয়ে দেখল তাঁত বোনা হয় কেমন করে। সবচেয়ে মজা অবশ্য হল কুমোরের চাকা দেখে। কী আশ্চর্যভাবে কুমোরকাকা মাটির সরা হাঁড়ি খুরি সব বানিয়ে ফেলছে। রাজকুমারী নিজেও চেষ্টা করে দেখতে গিয়ে কাদায় মাখামাখি। সকলে হা হা করে উঠল, আর রাজকুমারী হেসে কুটিপাটি। এত মজা কক্ষনো পায়নি সে। তাই দেখে রাজমাতাও হেসে উঠলেন ফোঁকলা দাঁতে। এতদিন পর মনটা হালকা হল তাঁর, কে বলে রাজকুমারী হাসে না!

    এমনি করে দিন কেটে গেল। রাজকুমারীর ইস্কুল খোলার সময় হয়েছে। রাজামশাই হালফিলের গাড়ি চেপে এলেন তাকে নিয়ে যেতে। সেদিন আবার খুব বৃষ্টি। এঁটেল মাটির রাস্তায় গাড়ির চাকা চলে না। তবু রাজা গাড়ি থেকে নামবেন না। নোংরা কাদায় পা দেবেন কী করে! ড্রাইভার কোনোমতে হেঁচড়ে-পেঁচড়ে গাড়িটি রাজমাতার দু-তলা মাটির বাড়ির সামনে এনেছে। বাকি দশ-বিশ গজ রাস্তা না-হাঁটলেই নয়। গাড়ি আর চলে না। কাদার মধ্যে চাকা ঘুরে যাচ্ছে এমনি-এমনি। রাজমাতার সঙ্গে রাজকুমারী দেখছেন বাবার কাণ্ডকারখানা।

    ‘বাবা, গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে এসো, দেখবে কী মজা হবে!’ গোবর নিকোনো বারান্দা থেকে চেঁচিয়ে বলল রাজকুমারী।

    রাজামশাই মহাসংকটে পড়েছেন। সাধ করে আজ মসলিনি ধুতি আর আদ্দির ফিনফিনে পাঞ্জাবি পরেছিলেন। গায়ে শুঁড়তোলা খানদানি নাগরা। এসব পরে কী আর প্যাঁচপেচে কাদার মধ্যে নামা যায়। কিন্তু মেয়ের মুখে খুশির ঝলক দেখে তিনি আর গাড়িতে বসে থাকতে পারলেন না। নেমে পড়লেন গাড়ি থেকে। রাজমাতা কিছু একটা ব্যবস্থা করতে যাচ্ছিলেন। চেঁচিয়ে উঠেছেন, ‘পারবি না। যা কলেবর বানিয়েছিস, হবে না তোর দ্বারা। দাঁড়া আমি ইট বিছনোর ব্যবস্থা করি।’

    কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। দু-তিন পা হাঁটতে না-হাঁটতেই রাজামশাই কাদায় পা পিছলে পড়লেন ছপাত করে। কাছেপিঠে যারা ছিল হা হা করে উঠল সঙ্গেসঙ্গে। ড্রাইভার গাড়ির ইঞ্জিন নিবিয়ে নেমে পড়েছিল রাজামশাইকে তুলতে, কিন্তু তারও একই অবস্থা। সে পড়ল একেবারে রাজামশাইয়ের ঘাড়ে।

    রাজামশাই হয়তো গর্দানই নিতেন তার, কিন্তু সেই মুহূর্তে ‘কী মজা, কী মজা, পা পিছলে আলুরদম’ বলে হাততালি দিয়ে হাসিতে ফেটে পড়েছে রাজকুমারী। দেখে তো রাজামশাইয়ের চক্ষু-চড়কগাছ! ড্রাইভার যে তার কোলে বসে আছে সেটাও ভুলে গেলেন। —কী অবাক কাণ্ড! মেয়ে হাসছে তার। জুঁইফুলের মতো সুন্দর দাঁতগুলি বের করে হেসে লুটোপাটি খাচ্ছে সে। আহা, কী সোনাবরণ সতেজ চেহারা হয়েছে তার।

    রাজমাতা বললেন, ‘অবাক হোসনি। হাসি তো ওর মনের মধ্যেই ছিল। কিন্তু হাজারো নিয়মনীতির বেড়াজালে মনের সব আনন্দটুকু বন্দি হয়ে পড়েছিল অ্যাদ্দিন। এমন হাঁসফাস অবস্থায় হাসে কী করে বেচারি! আমি খালি বেড়ার আগলটা খুলে দিয়েছি।’

    রাজামশাই প্রণাম করলেন রাজমাতাকে। ‘বুঝেছি মা। মূর্খ ছিলাম আমি। যে বেড়ার আগল তুমি খুলেছ, তা আমি আর লাগাব না। খালি তোমার নাতনি নয়, রাজ্যের সকল প্রজারা যাতে মনের আনন্দে হাসতে পারে এখন থেকে সে চেষ্টাই করব আমি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }