Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প257 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালীগঞ্জের প্যাকাটি – শিশির বিশ্বাস

    ল্যাপটপ খুলে কাজ করেছিলেন দিবাকর রায়। রাত হয়েছে বেশ। ছোটো মফসসল শহর কালীগঞ্জ প্রায় নিঝুম। কালীগঞ্জের এই বাড়িটা অবশ্য বন্ধু রাজীবের। চাকরি নিয়ে বছর কয়েক হল আছেন এখানে। দিবাকরের মতোই এখনও বিয়ে-থা করেননি। তবে গোছানো মানুষ। সস্তায় পেয়ে অল্পদিন হল কিনে ফেলেছেন একতলা ছোটো বাড়িটা। একাই থাকেন। অফিসের কাজে দিনকয়েকের জন্য টুরে বেরিয়েছেন। বাড়িটা খালিই পড়ে ছিল। খবরটা পেয়ে দিবাকর আর সময় নষ্ট করেননি। কলকাতায় এক স্কুলে পড়ান। সম্প্রতি পিএইচ-ডি করছেন। থিসিস লেখার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দরকার ছিল দিনকয়েকের জন্য একটু নিরিবিলি ব্যবস্থা। তাই চলে এসেছেন এখানে। যাবতীয় দরকারি নোটস ভরে নিয়েছেন ল্যাপটপে। এ ছাড়া প্রয়োজনে ডেটা কার্ড আর ওয়েবসাইট তো রয়েছেই। জায়গাটাও মন্দ নয়। ছোটো শহর হলেও কলকাতা থেকে তেমন দূরে নয়। সব সুবিধেই রয়েছে। অথচ বেশ নিরিবিলি। সমস্যা একটাই, ভয়ানক সমস্যা। কালীগঞ্জে পা দিয়েই সেটা হাড়ে-হাড়ে টের পেয়েছেন। চারপাশে পানাপুকুর, খোলা নর্দমা। তাই অসম্ভব মশার উপদ্রব। দিনেরবেলা তবু একরকম। সন্ধে নামলে আর রেহাই নেই। রাজীব অবশ্য আগেই এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। দিনকালও ভালো নয়। দিবাকর তাই সন্ধে হলেই মশারি খাটিয়ে ল্যাপটপ আর খাতাপত্র নিয়ে ঢুকে পড়েন বিছানায়। এভাবে কাজ করতে অসুবিধে হয় খুবই। ভয়ানক অস্বস্তিকর। কিন্তু উপায় নেই। দিন দুয়েকের কাজ বাকি। তারপরেই পাততাড়ি গোটাবেন। শেষমুহূর্তে তাই বুঁদ হয়ে কাজ করছিলেন। হঠাৎ দেওয়াল ঘড়িতে টুং-টাং শব্দে সুরেলা আওয়াজ শুরু হল। রাত একটা।

    ঘড়ির আওয়াজ তখনও শেষ হয়নি। হঠাৎ চটাত করে হালকা একটা শব্দ। খুব কাছেই। মুহূর্তে ভুরু কুঁচকে উঠল দিবাকরের। খেয়াল হল, ঠিক একঘন্টা আগে বারোটা বাজার সময়ও একবার আওয়াজটা শুনেছিলেন। তখন তেমন গ্রাহ্য করেননি। কিন্তু এবার আর তা সম্ভব নয়। কলকাতার নামি স্কুলের শিক্ষক। ছাত্র এবং সহকর্মীদের মহলে সুনাম রয়েছে যথেষ্ট। তবে নিজে ছাত্রজীবনে একেবারেই অন্য প্রকৃতির ছিলেন। ভয়ানক ডানপিটে। স্কুলে ভালো ছেলে বলে সুনাম ছিল। কিন্তু দুষ্টুমিতেও ছিলেন সেরা। এজন্য শাস্তিও কম পেতে হয়নি।

    দিবাকর মশারির ভিতর থেকে সন্তর্পণে চোখ ঘোরলেন চারপাশে। সন্দেহজনক তেমন কিছুই নজরে পড়ল না। একা মানুষ রাজীব। ঘরে তেমন কিছুই নেই। বড়োসড়ো ঘরটা প্রায় ফাঁকাই বলা চলে। ঘড়ির আওয়াজ থেমে গিয়েছে ইতিমধ্যে। চারপাশ ফের নিস্তব্ধ। পিন পড়লেও শোনা যায়। একবার ভাবলেন শোনার ভুল বুঝি। কিন্তু নড়েচড়ে উঠলেন তারপরেই। রীতিমতো ঝাঁজালো গলায় হাঁকলেন, ‘খাটের তলায় কে রে?’

    আওয়াজ উঁচু পরদায় না-হলেও ঝাঁজ ছিল যথেষ্ট। কয়েক মুহূর্ত চুপচাপ। দিবাকর ফের হাঁকবেন কিনা ভাবছেন, হঠাৎ খাটের তলা থেকে চিঁ চিঁ আওয়াজ, ‘এজ্ঞে, আমি প্যাকাটি তিন। বড্ড মশা।’

    সন্দেহ হয়েছিল ঠিকই। তাই বলে এতটা আশা করেননি। ততক্ষণে মশারির ভিতর থেকে বাইরে বের হয়ে এসেছেন। সামান্য হকচকিয়ে গেলেও সামলে নিয়ে গম্ভীর গলায় বললেন, ‘প্যাকাটি তিন! তার মানে?’

    ‘বললাম তো প্যাকাটি তিন। অধমের নাম।’ রীতিমতো অসহিষ্ণু গলায় জবাব এল খাটের তলা থেকে। তারপর মুহূর্তে গুঁড়ি মেরে বের হয়ে এল রোগা লিকলিকে চেহারার একটা মানুষ। পরনে মিশকালো ঝুলো হাফপ্যান্ট। গায়ে ওই রঙের ঢলঢলে একটা গেঞ্জি।

    দিবাকর তাকিয়ে ছিলেন হাঁ করে। খাঁড়ার মতো নাকের দু-পাশে কুতকুতে চোখ দুটো ঝিলিক দিয়ে উঠল লোকটার, ‘এজ্ঞে, প্যাকাটির মতো চেহারা কিনা, তাই ওই নামেই ডাকে সকলে। আর তিন হল নম্বর। দলে ওই নামে আরও জনাকয়েক রয়েছে তো! কঙ্কাল নামও আছে কয়েকজনের। হেঁ হে!’ একরাশ দাঁত বের করে হাসল লোকটা।

    ‘তাহলে চুরির মতলবে ঢুকেছিল ঘরে?’

    ‘হেঁ হেঁ, সে আর বলতে।’ ফের দাঁত বের করে হাত কচলাল লোকটা।

    ‘তা, খাটের তলায় কতক্ষণ ছিলি বল দেখি? বুঝতেই পারিনি!’

    ‘হেঁ হেঁ, প্যাকাটি খাটের তলায়, আলমারির পিছনে ঘাপটি মেরে থাকবে আর গেরস্ত বুঝে ফেলবে, তাই হয় নাকি! গুরুর টেরেনিং কি মিছে? শুধু ওই বজ্জাত মশা মাটি করল আজ।’ বলতে বলতে প্রায় খেপে গিয়ে সবে নাকের উপর ল্যান্ড করা একটা মশাকে বিরাশি সিক্কার এক থাপ্পড় কষিয়ে ‘ওফ’ করে ককিয়ে উঠল সামান্য।

    দেখে ফিক করে হেসে ফেললেন দিবাকর রায়। বললেন, ‘তা এত গুণ তোর আর সামান্য খোঁজখবরটুকু না-করেই হানা দিলি এখানে? ঝাড়া হাত-পা মানুষ আমি, বাড়ির মালিক রাজীবও তাই। ঘরে আছেটা কী যে চুরি করবি?’

    ‘কেন? আপনার ওই লেপ-তোশক! ওটা বাগাবার জন্যই তো এত মেহনত।’ বলতে গিয়ে চোখ দুটো ফের ঝিলিক দিয়ে উঠল প্যাকাটির।

    ‘বলিস কী! স্রেফ লেপ-তোশক চুরির জন্য এই মশার ভিতর খাটের তলায় পড়ে রয়েছিস?’ দিবাকর প্রায় আকাশ থেকে পড়লেন।

    ‘অ্যাঁ! তাই বলেছি বুঝি?’ জিভ কেটে নাক-কান মলল লোকটা, ‘ভুল হয়ে গিয়েছে ছার। মুখ্যু মানুষ কিনা। এজ্ঞে, লেপ-তোশক নয়। আপনার ওই লেপটেপ।’

    শুনে মাথাটা বোঁ করে ঘুরে উঠল দিবাকরের। এবার আর ভুল হয়নি বুঝতে। কী সর্বনাশ! হতভাগার টার্গেট তাহলে ওঁর ল্যাপটপ! যথেষ্ট দামিই শুধু নয়, এতদিনের যাবতীয় পরিশ্রমের ফসল ভরা আছে ওর ভিতর। চুরি গেলে সবকিছু শুরু করতে হবে নতুন করে। যথাসময়ে থিসিস জমা দেওয়াও সম্ভব হবে না। মাত্র দিনসাতেক হল এসেছেন। এর মদ্যে ফিল্ড ওয়ার্কটা ভালোই সেরে ফেলেছে শয়তানটা। কিন্তু লোকটা কখন যে ঘরে ঢুকল, অনেক ভেবেও সুরাহা করতে পারলেন না। বিকেলে রাতের খাবার কিনতে বাজারের দিকে গিয়েছিলেন। তারপর সারা- সময় ঘরেই রয়েছেন। একটু ঢোক গিলে বললেন, ‘তা বাপু, কী করে ঘরে ঢুকলি বল দেখি?’

    ‘বললাম না, সব গুরুর কৃপা। অনেক মেহনত করে শিখতে হয়েছে তাঁর কাছে। তারপরেই না দলে জায়গা। রাতে খাওয়ার পরে একটু বাইরে বের হয়েছিলেন মনে নেই? কাজ সেরে ফেলেছি সেই ফাঁকে।’ ফের খিক করে হাসল লোকটা।

    রাতের খাওয়াটা দিবাকর আজ একটু তাড়াতাড়িই সেরে ফেলেছিলেন। চৌরাস্তার মোড়ে ফাস্ট ফুডের দোকান আছে। সন্ধের সময় কিছু একটা নিয়ে আসেন সেখান থেকে। আজও গিয়েছিলেন। পাশেই রসময়ের মিষ্টির দোকান। রাজীবের কাছেই শোনা, এদের ল্যাংচা আর পান্তুয়ার নাকি নামডাক খুব। মিষ্টিটা ওর পছন্দের তালিকায় পয়লা নম্বরে হলেও কাজের চাপে আর খাওয়া হয়ে ওঠেনি। বড়োজোর দিন দুয়েক আর থাকতে হবে হয়তো। তাই মনস্থির করে কিনে ফেলেছিলেন একটু বেশি করেই। রাতের খাওয়া আজ তাই একটু তাড়াতাড়িই সেরে নিয়েছিলেন। তাও সেই ন-টা নাগাদ। মুখ-হাত ধুয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছিলেন মিনিট কয়েক। হতভাগা সেই সময়েই ঢুকেছে ভিতরে তাঁর পাশ দিয়েই। অথচ টেরটিও পাননি। চোখ কপালে তুলে বললেন, ‘সে তো অনেকক্ষণ রে!’

    ‘এ আর এমন কী ছার! গুরুর তালিমে ওসব অভ্যেস আছে প্যাকাটির। শুধু একটাই সমস্যা, শরীরের বারো আনা রক্ত হতচ্ছাড়া মশার পেটেই চলে যায়। ওই জন্যই তো গায়ে আর গত্তি লাগল না। আপনাদের আর কী! সন্ধে হতেই দিব্যি মশারির ভিতর ঢুকে পড়েছেন!’

    লোকটার কথার ধরনে দিবাকর হেসে ফেললেন আবার। বললেন, ‘তা রাতের খাওয়া হয়েছে তো?’

    খিক করে হাসল প্যাকাটি, ‘খাওয়াদাওয়া করে কেউ চুরি করতে বের হয় নাকি? আপনি দেখছি কিচ্ছু জানেন না। লেখাপড়াই শিখেছেন শুধু।’

    ‘কেন রে?’

    ‘গুরুর বারণ।’ চোখ নাচাল প্যাকাটি। ‘আমাদের হেবো সেবার গুরুর মানা শোনেনি। ব্যাস, গেরস্তের ঘরে ঢোকাই সার হল। ভরপেটে খাটের তলায় ঘুমিয়ে পড়েছিল বেঘোরে। শেষে নাকডাকা শুরু হতেই হাতেনাতে পাকড়াও হয়ে গেল। খেপে গিয়ে গুরু দল থেকেই দূর করে দিল তাকে।’ বলতে-বলতে আস্তিনে চোখ মুছল লোকটা। বোধ হয় হেবোর দুর্গতির কথা ভেবেই।

    ‘তা, আজ তুইও তো ধরা পড়ে গেলি?’

    ‘সে তো ওই মশার জন্য। আর আপনিও যে এত রাত পর্যন্ত মশারির তলায় লেপ-তোশক, থুড়ি, লেপটেপ নিয়ে পড়ে থাকেন তা জানব কেমন করে?’

    ‘এঃ! শেষে মশার কাছে কাত হয়ে গেলি?’ দিবাকর জিভ দিয়ে চুকচুক শব্দ করলেন।

    ‘তা, কতক্ষণ আর কামড় সহ্য করা যায় বলুন দেখি?’ প্যাকাটি খিঁচিয়ে উঠল এবার, ‘হতচ্ছাড়াগুলো সারাশরীরে প্রায় চাষ করে ফেলেছে। আর আপনাকেও বলিহারি, জেগেই যখন রয়েছেন, মশারির তলায় না-ঢুকে মশার ধূপও তো জ্বালাতে পারতেন! ওফ, প্রায় এক লিটার রক্ত খেয়ে নিয়েছে।’

    ‘শুধু এক লিটার রক্ত!’ সামান্য নড়ে বসে দিবাকর চোখ নাচালেন, ‘আর কিছু নয়?’

    ‘কী?’ দিবাকরের কথার ধরনে হঠাৎ যেন থতোমতো খেল প্যাকাটি। তারপর একগাল হেসে বলল, ‘ও, ম্যালেরিয়া? এজ্ঞে, ওসব ছেলেবেলায় হত একসময়। এখন আর সুবিধে করতে পারে না।’

    ‘আরে সে ম্যালেরিয়া নয় রে, কাগজে…। তা একটু-আধটু পড়তে পারিস তো? নাকি ওসবে লবডঙ্কা!’

    দিবাকরের কথায় যেন আঁতে ঘা লাগল প্যাকাটির। মুখ ঝামটে বলল, ‘কেন, রাতে সিঁধ কাটি বলে কি ফেলনা? তবে কাগজ পড়ার সময় কোথায় ছার? রাতভর খাটাখাটনির পর ঘুম ভাঙতে সেই বিকেল। তখন কে পড়ে ওসব?’

    ‘খুব খারাপ। খুব খারাপ।’ মাস্টারি কায়দায় দিবাকর মাথা নাড়লেন বারকয়েক। ‘তোদের গুরুদেবের এদিকেও একটু নজর দেওয়া উচিত ছিল রে।’

    ‘ক-কেন বলুন দেখি।’ ফের থতোমতো খেল প্যাকাটি।

    ‘কেন বলুন দেখি?’ দিবাকর প্রায় ভেংচে উঠলেন এবার, ‘রোজকার কাগজে একটু নজর দিলেই বুঝতে পারতিস। আরে বাপু, এখন সেই মামুলি ম্যালেরিয়ার দিন আর নেই। পালটে গিয়েছে বেমালুম। ম্যালেরিয়ার ওষুধ তো ছার, আরও ভারী-ভারী ওষুধেও হচ্ছে না কিছু।’

    ‘বলেন কী।’ প্রায় আকাশ থেকে পড়ল প্যাকাটি।

    ‘হ্যাঁ রে। আর কী ওজনদার নাম তাদের। ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া, হেমারেজিক ডেঙ্গি, এনকেফেলাইটিস, চিকুন…।’

    ‘অ্যাঁ। এসব কী?’ দিবাকরের কথার মাঝেই চোখ কপালে তুলে হাঁ-হাঁ করে উঠল প্যাকাটি।

    ‘এসব মশার আমদানি করা রোগ। ধরলে আর রেহাই নেই। পড়তে যখন পারিস, নিজের চোখেই দ্যাখ তাহলে।’ বলতে-বলতে ওয়েবসাইট থেকে দিবাকর সেদিনের এক বাংলা কাগজের প্রথম পাতা ল্যাপটপে খুলে ফেললেন।

    আগ্রহে ঝুঁকে পড়লেও খানিক চোখ বুলিয়ে প্যাকাটি গম্ভীর হয়ে বলল, ‘চশমাটা সঙ্গে নেই। পড়েই শোনান বরং।’

    ‘পড়ে আর কী শোনাব? সকালেই দেখা হয়ে গিয়েছে আমার।’ দিবাকর রায় হাসলেন একটু, ‘গতকাল কলকাতায় তিন-তিনজন মারা গিয়েছে ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়ায়। জনাকয়েক হাসপাতালে। চিকুনগুনিয়ায় মারা গিয়েছে আরও চারজন। এনকেফেলাইটিসে…।’

    ‘বাপ রে!’ প্রায় আঁতকে উঠল প্যাকাটি, ‘শুনিনি তো!’

    ‘দিনভর পড়ে ঘুমোলে কী আর এসব শোনা যায় রে! এ তো শুধু কলকাতার কথা। কলকাতার বাইরের অবস্থা আরও ভয়ানক। দাঁড়া, আর-একটা কাগজ খুলছি। কী লিখেছে দ্যাখ।’

    দিবাকর আর-একটা ওয়েবসাইট খুলতে যাচ্ছিলেন। প্যাকাটি ব্যাজার মুখে বলল, ‘রাতটাই মাটি করে দিলেন আজ। মনে হচ্ছে জাত ব্যাবসাটা ছেড়েই দিতে হবে এবার।’

    ‘ছেড়ে দিবি?’ দিবাকর চোখ নাচালেন একটু, ‘এটা মন্দ বলিসনি!’

    প্যাকাটির চোখ দুটো হঠাৎ দুলে উঠল সন্দেহে, ‘আপনার মতলবটা কী বলুন দেখি? সেই থেকে খেলিয়ে যাচ্ছেন শুধু!’

    ‘মতলব আর কী?’ নির্লিপ্ত গলায়, দিবাকর বললেন, ‘রাতদুপুরে গেরস্তের ঘরে চুরি করতে ঢুকে ধরা পড়েছিস। কিছু একটা তো করতেই হবে।’

    ‘তাই বলুন!’ আরামে একটা নিশ্বাস ফেলে বলল প্যাকাটি, ‘এই মতলব! তা ডাকুন পুলিশ। জেল-হাজতে দিনকয়েক একটু বিশ্রাম নিয়ে আসি।’

    ‘তাই কি বলেছি আমি?’

    ‘তাহলে?’ কুতকুতে চোখ দুটো ফের কুঁচকে উঠল প্যাকাটির।

    ‘হাজার হোক, রাতদুপুরের কুটুম তুই। শুধু হাতে ফিরে যাবি, তাই কি হয়? টেবিলে ঢাকা দেওয়া হাঁড়িতে মিষ্টি রয়েছে।

    একটু মিষ্টিমুখ করে যা। রাতও তো কম হয়নি।’

    ‘অ্যাঁ!’ এই এতক্ষণে প্যাকাটির ঠোঁটটা ঝুলে পড়ল একটু।

    ‘হ্যাঁ রে! কলকাতার এক স্কুলের মাস্টারমশাই আমি। ছেলেদের গায়ে হাত তুলিনি কোনোদিন। তোকেই বা পুলিশে দিই কী করে?’

    পাশেই টেবিলের উপর মিষ্টির হাঁড়ি। সেদিকে সামান্য ঘাড় ফিরিয়ে চোখ দুটো হঠাৎ জুলজুল করে উঠল প্যাকাটির, ‘এ যে অ্যাটম বোমা গো কত্তা! গন্ধ পাচ্ছি!’

    ব্যাপারটা জানা ছিল দিবাকরের। ছোটো হলেও কালীগঞ্জ অনেক দিনের পুরোনো শহর। সেই যুদ্ধের সময় জাপানি বোমার ভয়ে কলকাতার মানুষ পিলপিল করে ভিড় করেছে কালীগঞ্জে। রসময় ময়রা তখন বেঁচে। মাথা খাটিয়ে সরেস ছানা আর ক্ষীর দিয়ে তৈরি খাঁটি গাওয়া গিয়ে ভাজা একপোয়া ওজনের বিশাল আকারের পান্তুয়া গড়ে নাম দিয়েছিলেন ‘অ্যাটম বোমা’। সাইজ আর সেই আগের মতো নেই বটে, তবু ওই নামেই এখনও বিখ্যাত হয়ে রয়েছে। মুচকি হেসে মাথা নেড়ে বললেন, ‘তাহলে আর দেরি করিসনে বাপু!’

    প্যাকাটিও দেরি করল না এরপর। মুহূর্তে প্রায় হামলে পড়ল হাঁড়ির উপর। খেতে-খেতেই বলল, ‘রাতের কুটুমের খাতিরে ব্যবস্থাটা ভালোই করলেন কত্তা! কিন্তু মুশকিলেও ফেলে দিলেন একটু।’

    ‘কেন রে?’

    ‘গুরুর বারণ গো। কিন্তু রসময়ের অ্যাটম বোমা বলে কথা! মাথা ঠিক রাখা যায়? আপনিই বলুন?’

    ‘গুরুর কথা রাখ এবার।’ মোলায়েম গলায় দিবাকর বললেন, ‘বরং এই অধমের কথাটা পারলে মনে রাখিস একটু। নইলে স্রেফ মশার হাতেই মারা পড়বি একদিন। ছার’ই বল আর কত্তা, কেউ বাঁচাতে পারবে না।’

    ‘আপনি তো বলেই খালাস কত্তা। জাত ব্যাবসা ছাড়া কি সহজ কাজ?’ মিষ্টির হাঁড়ি শেষ করে হাত চাটতে-চাটতে ব্যাজার হয়ে বলল প্যাকাটি। তারপর হাঁড়ি নামিয়ে ঝুপ করে দিবাকরের পায়ে একটা প্রণাম ঠুকেই দরজা খুলে ঝাঁ করে বের হয়ে গেল ঘর থেকে। নিমেষে মিলিয়ে গেল অন্ধকারে।

    দরজা বন্ধ করে দিবাকরও ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এরপর। পরদিন সকালে উঠে আবিষ্কার করলেন, টেবিলের উপর মিষ্টির খালি হাঁড়ির তলায় ভাঁজ করা দুটো পঞ্চাশ টাকার নোট। কিন্তু আসল ব্যাপারটা জানতে পারলেন আরও দিন কয়েক পরে। থিসিস শেষ করে তখন ফিরে এসেছেন কলকাতায়। বন্ধু রাজীবের ফোন এল একদিন। প্রায় মিরাকেল ব্যাপার ঘটে গিয়েছে কালীগঞ্জে। একদল মানুষ হঠাৎ স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে শহরের সব পানাপুকুর সাফ করে ফেলেছে একে-একে। ব্যাপার দেখে চক্ষুলজ্জার খাতিরে নড়েচড়ে বসেছে মিউনিসিপ্যালিটিও। নোংরা নর্দমা, ডোবা, পানাপুকুর সব এখন ঝকঝকে। মশার উৎপাতও উধাও। কালীগঞ্জ আর সেই কালীগঞ্জ নেই। পালটে গিয়েছে একদম!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }