Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প257 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্লাস সেভেনের কালীপদ – প্রচেত গুপ্ত

    সব স্কুলেরই একজন করে বোকাসোকা, খ্যাপাটে ধরনের ছেলে থাকে। এরা লেখাপড়া তেমন পারে না। ফেল করা এদের কাছে সহজ ঘটনা। তা নিয়ে এদের তেমন দুশ্চিন্তাও থাকে না। পরীক্ষায় ফেল করলে এরা যতটা না লজ্জা পায়, পাস করলে তার চেয়ে বেশি লজ্জা পায়! খাতা হাতে সকলের দিকে তাকিয়ে এমনভাবে হাসে, যেন পাস করে বড়ো কোনো অন্যায় করে ফেলেছে! মুশকিলের ব্যাপার হল, এই ধরনের ছেলে মাঝেমধ্যেই নানারকমের অদ্ভুত সব কাণ্ড ঘটায়। সেই কাণ্ড দেখে সন্দেহ হয়, ছেলে কি সত্যি বোকা? নাকি অন্য কোনো ব্যাপার আছে?

    আমাদের স্কুলে এই বোকাসোকা খ্যাপাটে ধরনের ছেলের নাম ছিল কালীপদ। পড়ত আমাদের সঙ্গে, ক্লাস সেভেনে। আজকালকার দিনে স্কুলে চট করে ‘কালীপদ’ নাম পাওয়া যাবে না। সেই সময় পাওয়া যেত। কালীপদকে আমরা ডাকতাম ‘কালী’ বলে। ‘কালী’ শুনলেই মনে হয় গায়ের রং কালো। কালীপদ মোটেই কালো ছিল না। বরং বেশি ফরসাই ছিল। তবে স্কুলে আসত উসকোখুসকো হয়ে। ময়লা জামা-প্যান্ট, কাদা-লাগা জুতো, এলোমেলো চুল। বেশিরভাগ দিনই প্যান্টের মধ্যে জামা গুঁজতে ভুলে যেত। পিছন দিকে খানিকটা ঝুলে থাকত। জুতোর ফিতে থাকত খোলা। সাদা মোজাগুলোকে সাদা বলে চেনাই যেত না। পিঠের বদলে ব্যাগ হাতে চেপে ধরে ব্যস্ত সমস্ত হয়ে স্কুলে ঢুকত কালীপদ। রোজই মনে হত, শেষরাত থেকে বিস্তর লেখাপড়া করছে, তাই সকালে স্কুলের জন্য ঠিকমতো তৈরি হওয়ার ফুরসত পায়নি। যদিও মাস্টারমশাইরা যখন পড়া ধরতেন তখন উঠে দাঁড়িয়ে খুব মনোযোগের সঙ্গে বাঁ-হাত দিয়ে মাথা চুলকোত।

    সেবার হাফইয়ারলি পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোনোর পর অদ্ভুত কাণ্ড ঘটল।

    দুম করে একদিন দেখি, কালীপদ একেবারে ফিটফাট হয়ে গিয়েছে। ইস্ত্রি করা জামা-প্যান্ট পরেছে। জুতো ব্রাশ করেছে। পাটপাট করে চুল আঁচড়ানো। কানের পাশ দিয়ে একটু-একটু তেলও গড়াচ্ছে। গা থেকে ভুরভুর করছে সাবানের গন্ধ। মনে হচ্ছে, তিনদিনের সাবান একদিনেই মেখে এসেছে।

    হাঁটাচলার ভঙ্গির মধ্যেও একটা বদল। ধীরস্থিরভাবে সিঁড়ি দিয়ে উঠছে। টোকা দিয়ে-দিয়ে জামার ধুলো ফেলছে। মাঝে-মাঝে ব্যাগ থেকে কাপড়ের ঠুকরো বের করে জুতোর কাদা মুছছে। দেখলাম, পকেটে করে দাঁত-ভাঙা একটা ছোট্ট চিরুনিও এনেছে। ফাঁক পেলে ঝট করে চুলে বুলিয়ে নিচ্ছে। খেলাধুলো করলে পাছে জামা-প্যান্ট নোংরা হয়ে যায়, এই কারণে স্কুলের মাঠে যাওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দিল কালীপদ। সবমিলিয়ে যাকে বলে বাড়াবাড়ির চূড়ান্ত। আমরা অবাক হয়ে গেলাম। ছেলেটার হল কী!

    প্রথমে ভাবলাম, ব্যাপার একদিনের। একদিনেই ওর ধোপদুরস্ত সাজবার নেশা কেটে যাবে। কিন্তু ঘটনা একদিনের বদলে দু-দিন হল। দু-দিন থেকে তিনদিন, চারদিন, এমনকী, সাতদিন পর্যন্ত গড়াল! এবার আমরা চিন্তিত হয়ে পড়লাম। নিশ্চয়ই সাংঘাতিক কিছু একটা হয়েছে। নইলে ছেলেটো হুট করে এতখানি পালটে যাবে কেন? প্রথমে নিজেরাই খোঁজখবর নিলাম। জানা গেল, হাফইয়ারলি পরীক্ষায় মোট চার বিষয়ে ফেল করেছে কালীপদ। এ আর এমন কী? সব বিষয়ে ফেল করার অভিজ্ঞাতাও তার আছে। পাস-ফেল নিয়ে তাকে কখনও মাথা ঘামাতে দেখিনি। তা ছাড়া মাথাই যদি ঘামাবে লেখাপড়া নিয়ে ঘামাবে, সাজগোজ নিয়ে ঘামাবে কেন?

    এদিকে প্রায় রোজই স্কুলে লেট হতে লাগল কালীপদর। ক্লাসটিচার বিমানবাবুর নিয়ম ছিল, যতক্ষণ লেট তার ডবল সময় ক্লাসরুমের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। কালীপদকেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তবে এতে তার কোনো সমস্যা হল না। বরং ক্লাসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে তার সুবিধে হচ্ছে বলেই মনে হল। জামা-প্যান্টে বেঞ্চের ধুলোবালি লাগছে না।

    আটদিনের মাথায়ও আমরা আর পারলাম না। কালীপদকে ধরলাম।

    আমি বললাম, ‘আজও দেরি করলি যে বড়ো! কী হয়েছিল তোর?’

    কালীপদ গম্ভীর গলায়. বলল, ‘মোজা ভিজে ছিল।’

    মানস বলল, ‘মোজা ভিজে ছিল বলে লেট করলি?’

    কালীপদ বলল, ‘মোজা ভিজে ছিল বলে লেট করিনি। লেট করেছি ফ্যানের জন্য। আমাদের শোবার ঘরের ফ্যানে গোলমাল আছে।’

    ঋজু চোখ কপালে তুলে বলল, ‘শোবার ঘরের ফ্যান! তুই কি স্কুলে আসার সময় ফ্যান মেরামত করছিলি?’

    কালীপদ এমনভাবে ঋজুর দিকে তাকাল, যেন এই প্রশ্নের কোনো মানেই হয় না। অন্য কেউ হলে উত্তর দিত না, নেহাত এক ক্লাসে পড়ে, তাই দিচ্ছে।

    ‘না, ফ্যান মেরামত করিনি। ফ্যানের হাওয়ায় ভেজা মোজা শুকোচ্ছিলাম। খাটের উপর টুল পেতে, তার উপর দাঁড়িয়ে মোজা জোড়া ফ্যানের দিকে তুলে ধরেছিলাম। বললাম তো, ফ্যানটায় গোলমাল আছে। ঠিকমতো হাওয়া হয় না। হলে তাড়াতাড়ি মোজা শুকোত, আমারও দেরি হত না।’

    উজ্জ্বল হাসি চেপে বলল, ‘স্কুলে আসার আগেই মোজা শুকোতে হল! অন্য কোনও সময় পেলি না?’

    কালীপদ অবাক গলায় বলল, ‘বাঃ, ভিজে মোজা পরে আসব কী করে? মোজা কাচতে হল যে!’

    সায়ন বলল, ‘সকালবেলায় মোজা কাচতে হল কেন?’

    কালীপদ বলল, ‘সকালে নয়, ঠিক স্কুলে আসার সময় কাচতে হল। জুতো পরতে গিয়ে দেখলাম, মোজায় কালো দাগ। তখন ধুয়ে নিলাম।’

    আমি বললাম, ‘একদিন না-হয় মোজার দাগ নিয়েই চলে আসতিস। আমাদের অনেকেরই তো মোজার অবস্থা খুব খারাপ। আমারটাই দ্যাখ না, কী হাল হয়েছে!’

    কালীপদ সিরিয়াস মুখ করে বলল, ‘দুঃখিত, সেটা পারব না।’

    কথা শেষ করে নিজের পেটের কাছে হাত বুলিয়ে-বুলিয়ে জামার ইস্ত্রি ঠিক করতে লাগল কালীপদ।

    তমাল এবার চোখ সরু করে বলল, ‘হ্যাঁ রে, তোর কী হয়েছে ঠিক করে বল দেখি কালী? হঠাৎ করে সাজগোজের এত ঘটা শুরু করেছিস কেন? এটা স্কুল না বিয়েবাড়ি?’

    কালীপদ মাথা গোঁজ করে বলল, ‘আমাকে স্যার বলেছেন।’

    তমাল বলল, ‘স্যার বলেছেন? স্যার তোকে সেজেগুেজে স্কুলে আসতে বলেছেন? কোন স্যার?’

    কালীপদ প্রথমটায় চুপ করে রইল, তারপর আমাদের চাপাচাপিতে যা বলল, তা ভয়ানক বললে কম বলা হয়, বলা যায় অতিভয়ানক।

    হাফইয়ারলির ভূগোল পরীক্ষায় সে প্রথমে পেয়েছিল শূন্য। তার পরেও পাঁচ নম্বর কাটা হয়েছে খাতা নোংরা করার জন্য। ভূগোলস্যার শশাঙ্কবাবুর এটাই নিয়ম। তিনি অপরিষ্কার খাতা মোটেও বরদাস্ত করেন না। খাতায় বিচ্ছিরি কাটাকুটি, খারাপ হাতের লেখা, কালি ধেবড়ানো দেখলেই নম্বর কেটে নেন।

    আমরা ভয়ে-ভয়ে থাকি। উত্তর ঠিক করেও নম্বর কাটা গেলে খুব দুঃখের ব্যাপার হত। তার উপর শশাঙ্কস্যারের ছিল ভীষণ খুঁতখুঁতুনি। পরিষ্কারের ব্যাপারে মন ভরত না কিছুতেই। যতই সাবধানে থাকি না কেন, এক-দু-নম্বর হারাতেই হত। কিন্তু কিছু বলতেও পারতাম না। কালীপদর নম্বর কাটার ফলে ভূগোলে সেবার সে পেল শূন্যর চেয়েও কম। মাইনাস ফাইভ। ক্লাস সেভেনের ভূগোল পরীক্ষায় এটা একটা রেকর্ড নম্বর। শূন্য হয়েছে, কিন্তু কখনও মাইনাস নম্বর হয়নি। কালীপদকে টিচার্সরুমে ডেকে পাঠান শশাঙ্কবাবু। প্রথমে রেকর্ড নম্বর পাওয়ার জন্য পিঠ চাপড়ে অভিনন্দন জানান। তারপর কান মলে দিয়ে বলেন, ‘একেই তো একটা উত্তরও ঠিক লিখিসনি, তার উপর খাতার অবস্থা যাচ্ছেতাই করে রেখেছিস। ম্যাপ পয়েন্টিং করতে গিয়ে যেভাবে কালি মাখিয়েছিস, তাতে পাঁচ কেন, আমার দশ নম্বর কেটে রাখা উচিত ছিল। পরেরবার তাই দেব। মাইনাস টেন পাবি। তুই যেমন নোংরাভাবে থাকিস, তোর পরীক্ষার খাতাও তেমন নোংরা। নিজে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না-হলে পরীক্ষার খাতাও কোনোদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হবে না। মনে রাখিস কালীপদ, পরীক্ষায় ফেল করলে যতটা না বিপদে পড়বি, এভাবে মাইনাস নম্বর পেতে থাকলে তার চেয়ে অনেক বেশি বিপদে পড়বি। কেটে রাখা নম্বর এত বেশি হয়ে যাবে যে, দশটা পরীক্ষাতেও শোধ করতে পারবি না। এখনই সাবধান হ।’

    কালীপদ নাকি তখন কাঁচুমাচু মুখে বলেছিল, ‘ঠিক আছে স্যার। তাই হব।’ এর পরেই সাবধান হয়েছে কালীপদ।

    ফিটফাট থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্কুলের জামাকাপড়, জুতো-মোজা নিয়ে ভীষণরকম ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাতে ইস্ত্রি করা জামা আবার নিজেই ইস্ত্রি করছে। বাড়িতে বকাবকি করবে বলে লুকিয়ে করছে। ইলেকট্রিক ইস্ত্রি চালাতে গিয়ে একদিন হাতে ছ্যাঁকা খেয়েছে।

    সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই পড়েছে জুতো নিয়ে। চকচকে হওয়ার পরও মন ভরছে না। আবার ব্রাশ ঘষছে। স্নানের সময় তেল-সাবান মাখতে বাথরুমেই কাটাচ্ছে আধঘন্টা। এর পরেও লেট নাহয়ে উপায় কী? শুধু লেট নয়। পরিচ্ছন্ন হতে গিয়ে তার লেখাপড়া একেবারে শিকেয় উঠেছে। যা-ও একটু-আধটু পড়ত, তাও বন্ধ। মাস্টারমশাই পড়া জিজ্ঞেস করলে আগে একহাতে মাথা চুলকোত, এখন দু-হাতে চুলকোয়।

    স্কুলে এই ঘটনা রটে যেতে বেশি সময় লাগল না। সবাই জেনে গেল, পরীক্ষার খাতা পরিচ্ছন্ন রাখতে কালীপদ ভূগোলস্যারের আদেশ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করছে। নিজেকে আগে পরিষ্কার করছে। ফলে রোজই স্কুলে লেট।

    লেখাপড়া বন্ধ। ঘটনা ভূগোলস্যারের কানেও গেল। তিনি কালীপদকে আবার ডেকে পাঠালেন। ডেকে পাঠিয়ে কী বললেন আমরা জানি না। তবে দেখলাম, পরদিন থেকে কালীপদ আবার আগের চেহারায় ফিরে এল। যাকে বলে স্বমূর্তিতে। উসকোখুসকো চুল। আধময়লা জামা। কাদা-মাখা জুতো। তাকে জিজ্ঞেস করায় সে কিছু বলল না। শুধু বোকা-বোকা মুখে মিটিমিটি হাসতে লাগল। শশাঙ্কবাবু অবশ্য সেই থেকে নম্বর কাটার নিয়ম তুলে দিলেন। তিনি আর কোনোদিন মাইনাস নম্বর দেননি।

    মানস বলেছিল, ‘কালীর কাণ্ডটা দেখলি? শশাঙ্কস্যারকে কেমন ম্যানেজ করল! আমাদের সকলরেই উপকার হল।’

    আমি বললাম, ‘দুর, ওর এত বুদ্ধি হবে কী করে?’

    সুজয় বলল, ‘এই ধরনের ছেলের এটাই তো সুবিধে। বাইরের বোকা আর খ্যাপাটে ভাবটা দেখা যায়, ভিতরের বুদ্ধিটা চট করে কেউ জানতে পারে না। সেটা গা-ঢাকা দিয়ে থাকে।’

    কালীপদর মাথায় সত্যি বুদ্ধি লুকিয়ে থাকে কিনা তখনই বলতে পারিনি, তবে নানান রকম উদ্ভট পরিকল্পনা আছে, সেটা হামেশাই বুঝতে পারতাম। দু-একটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে।

    আমাদের ক্লাসের সৌম্য অঙ্কে ছিল ভয়ংকর। আমরা তাকে ডাকতাম ‘অঙ্ক-সৌম্য’ বলে। অঙ্কে ফুল মার্কস পাওয়া তার বদখত অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল ক্লাস সিক্স থেকে সেভেনে ওঠার সময় একশোর মধ্যে সাতানব্বই পেয়ে মারাত্মক কান্নাকাটি শুরু করল।

    মাস্টারমশাইয়রা বললেন, ‘তুমি তো ভালো নম্বর পেয়েছে। কান্নাকাটির কী হল?’

    সৌম্য বলল, ‘বুঝতে পারছি স্যার। কিন্তু থামতে পারছি না।’

    চন্দন দাঁত বের করে বলল, ‘তুই সাতানাব্বই পেয়ে কাঁদছিস, আর আমাকে দ্যাখ, সাঁইত্রিশ পেয়ে কেমন হাসছি। পা তো করেছি!’

    সৌম্য চোখের জল মুছতে-মুছতে বলল, ‘দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু…।’

    একটু পরে অঙ্ক-সৌম্য হেঁচকি তুলতে শুরু করল। আমরা ছুটলাম জল আনতে। কিন্তু জল খাইয়ে হেঁচকি থামাতে পারলাম না।

    শুভ্র বলল, ‘জলে কাজ হবে না। মাথায় বাতাস কর।’

    আমরা হাতের কাছে যে যা পেলাম তাই নিয়ে সৌম্যর মাথায় বাতাস করতে লাগলাম। ইতিহাসের খাতা, ভূগোলের ম্যাপ, বাংলা ব্যাকরেণের বই, কিচ্ছু বাদ দিলাম না। তাতেও লাভ হল না।

    কালীপদ একটু দূরে একটা বেঞ্চের উপর বসে ঘটনা দেখছিল আর পা নাড়ছিল। এবার আমাদের ঠেলে এগিয়ে এল। বলল, ‘ইতিহাস, ভূগোল চলবে না। অঙ্কের খাতা-বই চাই।’

    আমরা রেগে গিয়ে বললাম, ‘সে কী! হেঁচকির সঙ্গে অঙ্কের কী সম্পর্ক?’

    কালীপদ আমাদের রাগকে পাত্তা না-দিয়ে বলল, ‘অঙ্কের কারণে হেঁচকি, তাই অঙ্কখাতার বাতাস দরকার। মেলা বকবক না-করে যা বলছি তাই করা দেখি।’

    আমরা বাধ্য হয়ে তাই করলাম। আমি ক্লাসওয়ার্কের চার নম্বর খাতা দিয়ে হাওয়া করলাম। প্রবুদ্ধ হোমওয়ার্কের বারো নম্বর বাঁধানো খাতা দিয়ে হাওয়া করল। আশ্চর্যের ব্যাপার হল,

    অঙ্কখাতার বাতাসে সৌম্যর হেঁচকি সত্যি-সত্যি থেমেও গেল! আমাদের অঙ্কের মাস্টারমশাই রেবতীস্যার খুবই নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন। তিনি চেয়ারে বসে রুমাল দিয়ে ঘনঘন কপাল থেকে ঘাম মুছছিলেন। সৌম্য খানিকটা সুস্থ হলে তিনি আর দেরি করলেন না।

    পরীক্ষায় খাতায় নম্বর বাড়িয়ে, একশোয় একশো করে দিয়ে বললেন, ‘ঝুঁকি নিয়ে দরকার নেই। হেঁচকি যদি আবার ফিরে আসে!’

    হেঁচকি এমনিতেই থেমে যেত।

    অঙ্কখাতার বাতাস না-দিলেও থামত। তবু আমরা কালীপদকে বাহবা জানালাম। সে লজ্জা-লজ্জা মুখ করে বলল, ‘এতে বাহবা দেওয়ার কী আছে? একবার ছোটকার থাপ্পড়ে আমার দাঁতকপাটি লেগে গেল। ডাক্তারবাবুকে খবর দিতে, তিনি বললেন, ‘আর-একটা থাপ্পড় দিন, দাঁতকপাটি খুলে যাবে!’

    ‘ছোটকা আর-একটা থাপ্পড় দিল, আমিও ঠিক হয়ে গেলাম। এখানেও তাই হয়েছে।’

    কালীপদর একটা বড়ো কাণ্ডের কথা বলে তার গল্প শেষ করব।

    আমাদের হেড়ডমাস্টারমশাই জগদীশ পাঠক ছিলেন একজন নামি রাগি মানুষ। হুংকার, চোখরাঙানি, থাপ্পড় এবং কানমলায় তিনি আশপাশের চার-পাঁচটা স্কুলের মধ্যে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ‘সেরা স্কুল’, ‘সেরা ছাত্র’, ‘সেরা শিক্ষক’দের জন্য নানারকম পুরস্কার আছে, কিন্তু ‘সেরা রাগি হেডমাস্টারমশাই’দের জন্য কোনো পুরস্কার নেই। থাকলে তিনি অবশ্যই সেই পুরস্কার পেতেন। কে জানে, হয়তো আমাদের স্কুলে সেই উপলক্ষ্যে একদিন হাফ ছুটিও হয়ে যেত।

    জগদীশবাবুর রাগের বিশেষত্ব হল, তিনি কোনো কারণ ছাড়াই রাগতে পারতেন। ছেলেরা গোলমাল করলে যেমন বকাঝকা করতেন, তেমনই চুপ করে থাকলেও হুংকার দিতেন। এ ছাড়াও তাঁর একটা হাত-পা ঠান্ডা করে দেওয়া স্বভাব ছিল। হুটহাট যাকে খুশি ধরে কঠিন-কঠিন বাংলা, ইংরেজি বানান আর ইতিহাসের সাল-তারিখ জিজ্ঞেস করতেন। কখন কাকে ধরবেন, বোঝা যেত না। ক্লাসরুমে ঢুকেও ধরতে পারেন, আবার বারান্দাতেও ধরতে পারেন। টিফিনের সময়ও বাদ যেত না। এমনকী, খেলতে যাওয়ার পথেও পাকড়াতেন। ফুটবল হাতে শেরশাহের জন্মতারিখ বলতে হত। না পারলে গাট্টা। পারলে কানমলা দিয়ে চোখপাকিয়ে বলতেন, ‘সহজ বলে পারলি!পরেরদিন শক্ত একটা ধরব। না-পারলে মজা বুঝবি।’

    সেই ছেলে পেটব্যথার নাম করে দু-দিন স্কুলে আসত না। সবমিলিয়ে বলা যেতে পারে হেডমাস্টারমশাইয়ের ভয়ে গোটা স্কুল একেবারে তটস্থ হয়ে থাকত।

    তাকে দেখলে ছেলেদের মুখ শুকিয়ে এইটুকু হয়ে যেত। শেষের দিকে আর তাঁর কটমট করা চোখ দেখতে হত না, পায়ের আওয়াজ শুনলেই কাজ হত।

    ক্লাসে-ক্লাসে ছেলেরা বেঞ্চের আড়ালে গা-ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করত। যারা বাইরে থাকত, তারা ক্লাসের দিকে ছুটে পালাতে চেষ্টা করত। যারা পালাতে পারত না, তারা গুটিগুটি পায়ে হাঁটত এবং বিড়বিড় করে পড়া মুখস্থ বলত।

    ভূগোল, ইতিহাস, বিজ্ঞান যা মনে আসত, তাই বলত। মানুষ যেমন বিপদে পড়লে ভাগবানের নাম জপে, ছেলেরা তেমন পড়া জপত।

    একদিন আমাদের বাংলাস্যার কামাই করলেন। খবর পেলাম, রিকশা থেকে নামতে গিয়ে পা মচকে গিয়েছে। আমরা বাংলা ক্লাসে মহানন্দে দাপিয়ে বেড়াচ্ছি।

    কেউ বুক-ক্রিকেট খেলতে বসে গিয়েছে। কেউ বেঞ্চ টপকানো প্র্যাকটিস করছি। কেউ আবার কাগজের বল বানিয়ে লোফালুফি করছি। এমন সময় হেডমাস্টারমশাই ঘরে ঢুকে পড়লেন। আমাদের তো দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। সকলের মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল। তিনি হুংকার দিয়ে বললেন, ‘কী ক্লাস?’

    আমরা কোনোরকমে ঢোক গিলে বললাম, ‘বাংলা।’

    জগদীশবাবু চোখ বড়ো করে বললেন, ‘বাংলায় আজ কী পড়ার কথা? গদ্য না পদ্য? নাকি ব্যাকরণ?’

    সায়ন কাঁপতে-কাঁপতে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘রচনা, স্যার!’

    ‘ভেরি গুড! তা কোন-কোন রচনা তোমাদের পড়া হয়েছে?”

    বিবেক বড়ো করে শ্বাস টেনে বুকে বল আনল। তারপর বলল, ‘অনেক ক-টা স্যার। ‘আমার পছন্দের কবি’, ‘আমার পছন্দের গ্রাম’, ‘আমার পছন্দের ভ্রমণ’, ‘আমার পছন্দের দেশনেতা’, আমার পছন্দের খেলা’…।’

    জগদীশবাবু হাত তুলে বিবেককে ধমক দিলেন, ‘চুপ করো! পছন্দের তো অনেক হয়েছে দেখছি। অপছন্দের কিছু হয়নি?’

    বিবেক ঘাবড়ে বিষমটিষম খেয়ে একটা কাণ্ড করল। জগদীশবাবু সেদিকে না-তাকিয়ে বললেন, ‘আমি তোমাদের রচনা লিখতে দেব। নাও, খাতা বের করো। দেখি, কেমন শিখেছ! তবে আজ আর পছন্দের নয়, আজ লিখতে হবে…।’ কথা শেষ করে ব্ল্যাকবোর্ডে ঘসঘস করে চক দিয়ে লিখলেন, ‘আমার অপছন্দের মানুষ’।

    খাতা বের করলেও আমাদের মাথায় বাজ পড়ল। এ আবার কেমন বিষয়! এই রচনা কীভাবে লিখব! আমাদের সিলেবাস পছন্দে ঠাসা। এতদিন আমরা তা-ই শিখেছি। মুখস্থও আছে খানদশেক। ‘অপছন্দ’ লিখব কেমন করে? তাও আবার যে-সে ‘অপছন্দ’ নয়, একেবারে ‘অপছন্দের মানুষ’!

    ক্লাসরুম নিস্তব্ধ। ইংরেজিতে প্রবাদ আছে ‘পিন ড্রপ সাইলেন্স’। যার মানে হল, আলপিন পড়লেও আওয়াজ শোনা যাবে। কিন্তু জগদীশবাবুর কারণে মনে হল, সেদিন আলপিনও আওয়াজ করে পড়তে সাহস পাচ্ছিল না। আমরা হাত কামড়াতে লাগলাম। কেউ খাতার সাদা পাতার দিকে তাকিয়ে রইলাম ফ্যালফ্যাল করে। কেউ আবার মাথার চুল খামচাতে লাগলাম। সায়নের দিকে তাকালাম আড়চোখে। সে ফার্স্টবয়। প্রশ্ন যতই কঠিন হোক, সবসময়ই তার হাত খাতার উপর দিয়ে ঝড়ের বেগে ছোটে। মনে হয়, লিখছে না, ফাঁকা রাস্তা দিয়ে যেন সাইকেল ছোটাচ্ছে! সেই সায়নকেও দেখলাম, মাথা চুলকোচ্ছে! যে বাংলাস্যারের পা মচকানোর কারণে আমরা একটু আগে আনন্দ করছিলাম। এখন তাঁর জন্যই চোখ ফেটে জল আসার জোগাড় হল! উনি যদি আজ আসতেন, এই বিপদে আমরা পড়তাম না।

    এই রকম একটা ভয়ংকর সময় হঠাৎ শুনি, কালীপদর গলা। মুখ ফিরিয়ে দেখি, কালীপদ উঠে দাঁড়িয়েছে।

    হেডমাস্টারমশাই আমাদের বিপদে ফেলে চেয়ারে বসে পা নাচাচ্ছিলেন। কালীপদর উঠে দাঁড়ানোয় ভুরু কুঁচকে বললেন, ‘কী হয়েছে?’

    কালীপদ কাঁচুমাচু মুখে বলল, ‘স্যার, একটা কথা বলব?’

    হেডমাস্টারমশাই ধমক দেওয়ার গলায় বললেন, ‘কথার কী আছে? লিখতে দিয়েছি, লিখবে। এর মধ্যে কথার তো কিছু নেই। তোমরা লিখবে, আমি খাতা নিয়ে চলে যাব। দেখব, রচনা লেখা কেমন শিখেছ।’

    কালীপদ বলল, ‘তবু স্যার, একটা কথা ছিল।’

    আমরা প্রমাদ গুনলাম। এবার বড়ো একটা গোলমাল হবে। কঠিন ধরনের শাস্তি জুটবে গাধাটার কপালে।

    জগদীশবাবু যেন নিজেও কালীপদর এত সাহস কল্পনা করেননি। খানিকটা থমকে গেলেন। বললেন, ‘কী কথা?’

    ‘স্যার, সত্যি কথা লিখতে পারি?’

    হুংকার দিতে গিয়েও নিজেকে সামলালেন হেডমাস্টারমশাই। বললেন, ‘আলবাত পারো। আমি কি তোমাদের মিথ্যে শেখাতে এসেছি?’

    এরপর কীভাবে আমরা রচনা শেষ করলাম জানি না। কী লিখলাম তাও জানি না। মনে হয় সকলেই বানিয়ে-বানিয়ে অপছন্দের মানুষের কথা লিখলাম। কে আর সত্যি-সত্যি অপছেন্দের মানুষের কথা বলে ঝামেলায় পড়তে চায়? কেউ তো আর বোকাসোকা, খ্যাপাটে কালীপদ নয়!

    পরদিন থেকে বড়ো আশ্চর্য ঘটনা ঘটতে লাগল।

    আমাদের হেডমাস্টারমশাই জগদীশ পাঠক রাতারাতি বদলে গেলেন! যখন-তখন ধমক, হুংকার, শাসানি, কানমলা সব উধাও হয়ে গেল! ছেলেদের সঙ্গে তিনি নরম গলায় কথা বলতে শুরু করলেন। ক্লাসে এলে পড়া শুরুর আগে খানিকটা ছেলেবেলার গল্প শোনাতে লাগলেন। আমরা হাসি চাপতে চেষ্টা করতাম, কিন্তু পারতাম না। সেইসব গল্পের বেশিটাই তো দুষ্টুমির গল্প।

    ব্যাপার এখানেই শেষ নয়। জগদীশবাবু এক শনিবারের বিকেলে ফুটবলম্যাচের সময় মাঠেও চলে এলেন। সবাই ছুটে এসে তাঁকে চেয়ার পেতে দিল। আমরা অবাক হয়ে দেখলাম, গোলের পর সকলের সঙ্গে তিনিও হাততালি দিচ্ছেন! আমরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললাম।

    তবে ছেলেদের হঠাৎ-হঠাৎ পাকড়াও করে বানান বা ইতিহাসের সাল-তারিখ জিজ্ঞেসের অভ্যেস ছাড়লেন না। ঠিক বললে একগাল হেসে পিঠ চাপড়ে বলতে লাগলেন, ‘শাবাশ! কাল কিন্তু আরও শক্ত জিজ্ঞেস করব। তখন পারলে ডবল শাবাশ পাবি।’ আমরাও ‘ডবল শাবাশ’ পাওয়ার জন্য খুব চেষ্টা চালাতাম। অপেক্ষা করতাম, হেডমাস্টারমশাই কখন পাকড়াও করবেন।

    কী করে এমন হল? জানি না। তবে সেদিন কালীপদর রচনার মধ্যে নিশ্চয়ই কোনো রহস্য ছিল। সেটা কী? ও কী হেডমাস্টারমশাইকে নিয়ে কিছু লিখেছিল? বোকাসোকা, খ্যাপাটে ছেলেটার এত সাহস হবে? জিজ্ঞেস করলে এলোমেলো চুল ঝাঁকিয়ে কালীপদ কাঁচুমাচু মুখে বলত, ‘আমার কী দোষ? আমি তো সত্যি কথাই লিখেছিলাম! আমার অপছন্দের মানুষ হলেন…।’ এই পর্যন্ত বলেই চুপ করে যেত কালীপদ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }