Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প257 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাশি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    আমি যখন ছোটো ছিলুম তখন আমার খুব কাশি হত। হলেই হল। শুকনো কাশি, সে বড়ো ভয়ংকর। তার কোনো কমা, ফুলস্টপ থাকে না। খ্যাঁকোর খ্যাঁকোর চলছে তো চলছেই। যে কাশে তার তো কষ্ট হয়-ই, যাঁরা শোনেন, তাঁদের কষ্ট আরো বেশি। কাশি তো আর গান নয়, যে সবাই শুনে মোহিত হয়ে যাবেন। কোনো কারণে থামলে বলবেন,—থামলে কেন, থামলে কেন, চলুক চলুক, বেশ হচ্ছে।

    কাশির ধর্মই হল সূর্য ডোবার পরই বাড়বে। অন্ধকারে যেমন প্যাঁচা বেরোয়, বাদুড় বেরোয়, সাপ, কীটপতঙ্গ বেরিয়ে আসে গর্ত ছেড়ে পিল পিল করে, কাশিও তেমনি মনের আনন্দে গলার গর্ত ছেড়ে বেরোতে থাকে। যত রাত বাড়ে তত কাশি বাড়ে।

    আমার বাবা বলতেন,—ভাগ্য ভালো হলে এই রকমই হয়, বিনা আয়াসে কাশীবাস।

    মাঝে মাঝে গবেষণা করতেন,—আচ্ছা কীভাবে তুমি এটা করো? কায়দাটা কী? পড়ার ভয়ে নকল কাশি বলেও তো মনে হয় না। শতকরা একশো ভাগ খাঁটি কাশি। মুখ আড়াই ইঞ্চি ফাঁক, চোখ ঠেলে বেরিয়ে আসছে, একেবারে খোলতাই কাশি। আচ্ছা, তোমার একটু বিশ্রাম নিতে ইচ্ছে করে না! সিনেমার হাফটাইম আছে, ফুটবল খেলার হাফটাইম আছে, বড়ো বড়ো যুদ্ধেও কয়েক ঘন্টার যুদ্ধবিরতি হয়। তোমার কি একটুও ইন্টারভ্যাল নিতে ইচ্ছে করে না!

    এর আমি কী উত্তর দেব? কাশি একেবারে একটা স্বাধীন জিনিস। গলার গর্তে বসবাস করে। যেই রাত নামে খোল-কত্তাল নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।

    বাবাকে উত্তর দিলেন জ্যাঠামশাই,—তোমার মতো বুদ্ধিমান, বিবেচক এক মানুষ, এমন একটা ছেলেমানুষি প্রশ্ন করতে পারলে?

    —হ্যাঁ পারলুম। কাশিটা হল শুকনো কাশি। আসছে পেট থেকে। গঙ্গার উৎস যেমন গোমুখী, শুকনো কাশির উৎস হল পেট। পেট থেকে কাশি বেরিয়ে আসছে কীভাবে? গরমে। উপমা ছাড়া তুমি বুঝবে না। আমাদের চৌকিতে ছারপোকা হলে কী করি? গরম জল ঢালি।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—প্রশ্ন আছে। পেট কি চৌকি? কাশি কি ছারপোকা? অসম উপমা হল। তুমি উপমা পালটাও। প্রাণীর সঙ্গে অপ্রাণী, অপ্রাণীর সঙ্গে প্রাণীর উপমা চলে না।

    —কেন চলে না? আমরা বলি না, খেয়ে-দেয়ে সে তাকিয়ার মতো পড়ে আছে। আমরা বলি না, শোকে পাথর হয়ে গেছে। আমরা পড়িনি, পলাশির যুদ্ধে মিরজাফর দাঁড়িয়ে রইলেন কাষ্ঠপুত্তলিকাবৎ, রোগা, শীর্ণ মানুষকে আমরা বলি বৃষকাষ্ঠ। তোমার স্বভাবটাই হল, কারণে- অকারণে প্রতিবাদ।

    জ্যাঠামশাই হারবার মানুষ নন। তিনি বললেন,—ও সব উপমাগুলো দীর্ঘদিন চলে আসছে। তুমি হঠাৎ একটা নতুন উপমা যথেষ্ট প্রচার ছাড়াই চালাতে চাইছ। সুধীজন নেবে কেন। তুমি যদি গায়ের জোরে বলতে চাও, শসার ইংরেজি শসকুইটো।

    —সে আবার কী? আমি তা বলব কেন?

    —কেন বলবে না। মশা যদি মস্কুইটো হয়, শসা কেন শসকুইটো হবে না। তুমি বলতেই পারো। তোমার পক্ষে সবই সম্ভব।

    —আজ্ঞে না। সম্ভব নয়। ল্যাঙ্গোয়েজ পালটানো যায় না। উপমা আমি মাথা খাটিয়ে নতুন নতুন বের করতে পারি। সে স্বাধীনতা আমার আছে। তোমারও আছে।

    —বেশ তাহলে আমার প্রতিবাদ তুলে নিলুম। বলো তুমি।

    —আর বলো। এমন ঘুরপাক খাইয়ে দিলে সব গুলিয়ে গেল। তার ওপর কানের কাছে এই ননস্টপ কাশি।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—আমার যতদূর মনে পড়ছে তুমি ভাগীরথীর উৎস-সন্ধানের কথা বলছিলে।

    আমি কোনোরকমে কাশির দমক চেপে বললুম,—আজ্ঞে না, কাশির উৎস-সন্ধানে।

    বলার ফাঁকে ফাঁকে ভুক ভুক হচ্ছিল। শেষ হওয়ামাত্রই মাঝরাতের কুকুরের মতো ভৌ- ঔ-ঔ করে পেল্লায় এক ডাক ছাড়লুম।

    বাবা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,—ফ্যান্টাস্টিক। মানুষ যে এইভাবে ডাকতে পারে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। তুমি একটা দেখালে বটে।

    জ্যাঠামশাই সংশোধন করে দিলেন,—ওটা ডাক নয়। কাশি। বাঁধ ভেঙে যেমন জল বেরিয়ে আসে সেইরকম। চাপা ছিল, তেড়ে বেরিয়ে এল।

    —পেট গরম হয়েছে। কেন হয়েছে? না কুপথ্য করেছে। তেলেভাজা, চানাচুর, আচার, ঝাল আলুরদম, পেঁয়াজি, পাঁপড়। এর পেছনে কাঁচাপয়সার খেলা আছে। দুপুরবেলা আইসক্রিম আছে।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—আইসক্রিম ঠান্ডা।

    বাবা বললেন,—সংশোধনের প্রয়োজন আছে। ধারণার সংশোধন। আইসক্রিম ঠান্ডা নয় গরম। যত আইসক্রিম খাবে ততই পেট গরম হবে। এখন একটু অনুসন্ধানের প্রয়োজন হয়ে পড়ছে। এর হাতে কাঁচাপয়সা দিচ্ছে কে? পয়সার উৎসটা কোথায়?

    —তুমি তো কাশির উৎস-সন্ধান করছিলে হঠাৎ পয়সায় চলে গেলে? পয়সার উৎস তো টাঁকশাল।

    —আবার আমাকে গোড়া থেকে শুরু করতে হবে। এর কাশি। শুকনো কাশি। মানে পেট গরম। পেটে গরমাগরম জিনিস ঢুকছে। জিনিস এমনি আসে না। পয়সা লাগে। সেই পয়সা এ পাচ্ছে কোথা থেকে? কেউ দিচ্ছে আদর করে। সেই কেউটা কে?

    জ্যাঠামশাই বললেন,—সেই কেউ তো তোমার সামনে বসে আছে। আমিই তো সেই কেউ।

    —তুমি? তুমি এইভাবে ওর ফিউচারটা নষ্ট করছ। তুমি পয়সা দিচ্ছ, আর ও সেই পয়সায় যা-তা কিনে কিনে খাচ্ছে। আর কেশে কেশে আমাদের শুধু নয়, গোটা পাড়ার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। কোনো অচেনা মানুষ আমাদের বাড়ি জানতে চাইলে, পাড়ার লোক কীভাবে চেনায় জানো, সোজা চলে যান, কাশির শব্দ শুনতে পাবেন। ওইটাই প্রকাশবাবুদের কাশীধাম। এর চেয়ে লজ্জার, এর চেয়ে অপমানের কী আছে!

    জ্যাঠামশাই বললেন,—এইটাই তো খাওয়ার বয়স। এই বয়সে খাবে, না তো কোন বয়সে খাবে?

    —কাঁচাপয়সা হাতে না-দিয়ে, ঠান্ডা ঠান্ডা জিনিস কিনে দাও।

    —কোন কোন জিনিস ঠান্ডা?

    —যেমন ধরো, বাতাসা, কুমড়োর বরফি, পাকা পেঁপে, ডুমুর, মুড়কি, খই, চিঁড়ে, কদমা।

    —খাস্তা কচুরি, ঝুরি ভাজা, ডাল বড়া।

    —বিষ, বিষ। ঘিয়ে ভাজা কোনো কিছু চলবেই না। হালকা, সহজে হজম হয় এমন জিনিস খেতে হবে।

    —আচ্ছা, ওর টনসিলটা একবার দেখালে হয় না। কাশি টনসিল থেকেই হয়।

    —পেট থেকেও হয়।

    —বুক থেকেও হয়।

    —এটা পেটের।

    —এটা গলার।

    —আমি বলছি, এটা পেটের।

    —আই সে ইট ইজ থ্রোট।

    —আই সে দিস ইজ বেলি।

    —থ্রোট।

    —বেলি।

    থ্রোট, বেলি, বেলি, থ্রোট, শুনে অন্দরমহল থেকে সবাই ছুটে এলেন। সবার আগে এলেন দাদু। তিনি প্রশ্ন করলেন,—কীসের এই শব্দকল্পদ্রুম!

    আমি ভয়ে ভয়ে বললুম,—কাশির।

    —ইংরেজি কাশি?

    —বাংলা কাশিটাই হঠাৎ কীভাবে ইংরেজি হয়ে গেল।

    —সায়েবদের কীর্তি। ছিল কাশি হল বারাণসী, শেষে বেনারস। তা তোমাদের এই ভয়ংকর ফাটাফাটির কারণটা জানতে পারি? আমার পুজো মাথায় উঠে গেল।

    দাদু পুজোর কাপড় পরে আছেন। হাতে জপের মালা দুলছে।

    বাবা বললেন,—এ কাশি পেটের।

    জ্যাঠামশাই টেবিল চাপড়ে বললেন,—আলবাত নয়। এ কাশি গলার।

    দাদু বললেন,—কার কাশি!

    বাবা আমাকে দেখিয়ে বললেন,—এই যে এর খ্যাঁকখেঁকে কাশি। আপনিই বলেছিলেন, শুকনো কাশি, পেটের কাশি। পেট গরম হলেই হয়।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—ও আপনি বলেছিলেন, তাহলে আমি তর্ক করতুম না। বেশ এটা পেটের কাশি। নেকস্ট পয়েন্ট, সারবে কীসে?

    দাদু বললেন,—ভেরি সিম্পল। নেচারোপ্যাথি। গঙ্গার মাটি গুঁড়ো করে, মিহি করে, তিলের তেল মিশিয়ে, জল দিয়ে কাদাকাদা করে, তলপেটে লেপে দাও। আর তিন দিন শুধু লাউপথ্য।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—লাউপথ্য কাকে বলে?

    দাদু বললেন,—ভেরি সিম্পল। লাউ যার পথ্য। তুমি তো আবার সায়েবমানুষ, নিরামিষের খবরই রাখো না। সাদা সাদা, লম্বা লম্বা একধরনের ফল আছে, তার নাম লাউ। সংস্কৃত হল অলাবু। চিংড়ির সঙ্গে ভোগীর প্রিয় প্লেন অ্যান্ড সিম্পল হল যোগীর আহার। শুদ্ধ-সত্ত্ব। সেই লাউ সেদ্ধ করা থাকবে। খিদে পেলেই খাও।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—মরে যাবে। কাশির সঙ্গে কেশো দুজনেই চলে যাবে। তা ছাড়া পেটে ওই মাটির প্রলেপ, নিমোনিয়া হয়ে যাবে।

    বাবা বললেন,—তোমার অ্যানাটমির জ্ঞান সাংঘাতিক। কোথায় পেট আর কোথায় লাংস। এগুলো তো একটু শিখতে পারো। ভাস্ট ইগনোরেন্স। অজ্ঞানের আটলান্টিক।

    দাদু বললেন,—সংযম, সংযম। ব্রাইডল ইওর টাং। যে জানে না, তাকে তিরস্কার কোরো না। তাকে বোঝাও। তবে হ্যাঁ, একটা সম্ভাবনা আছে, আমাশা হয়ে যেতে পারে। সে তবু মন্দের ভালো। বিনিদ্র রজনী কাটাতে হবে না। আর আমাশার সহজ ওষুধ, থানকুনি পাতা। বাটো আর খেয়ে নাও একদলা।

    আমি বললুম,—দাদু, আপনি বলেছিলেন, আমাশার ওষুধ গাওয়া ঘিয়ে ভাজা লুচি।

    —হ্যাঁ, সেটাও হতে পারে।

    —তাহলে আজই আমার পেটে মাটি লেপে দিন।

    —এই রাতে তো তা সম্ভব নয়। কাল নিজে পুলটিস তৈরি করে তোমাকে অয়েল ক্লথে ফেলে হবে।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—হোয়াই নট হোমিয়োপ্যাথি?

    বাবা বললেন,—হোয়াই নট নেচারোপ্যাথি!

    জ্যাঠামশাই বললেন,—কারণটা রোগীর পক্ষে অতিশয় অপমানজনক। ওর বয়সের একটা ছেলে অয়েল ক্লথের ওপর উলঙ্গ হয়ে পড়ে আছে, আর তলপেটে একগাদা মাটি। সেই সময় ওর বন্ধুরা যদি কেউ ডাকতে আসে।

    বাবা বললেন,—তখন বলা হবে, দেখা হবে না। ও এখন নেচার-ক্লিনিকে মাড বাথ নিচ্ছে। হয়ে গেল, মিটে গেল ঝামেলা।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—এটা একটা টর্চার।

    দাদু বললেন,—আর এক হয় কবিরাজি।

    বাবা বললেন,—কবিরাজিতে আমার অ্যাবসলিউটলি কোনো ফেথ নেই। খল, নুড়ি, ডালপালা।

    দাদু বললেন,—তোমার তো কোনো কিছুতেই বিশ্বাস নেই। তা তুমি তাহলে তোমার মতোই চলো।

    —আজ্ঞে না, আমি ডিকটেটার নই। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। ছেলে হল, একটা স্টেট, একটা রাজ্যের মতোই। এই বাড়ির সবাই যা ব্যবস্থা নেবেন তাই হবে। আর আমি তো আপনার কর্দমচিকিৎসা সমর্থন করেছি। এরপর তো আর কোনো কথা নেই।

    অন্দরমহল থেকে ডাক পড়ল,—আর ভালো লাগছে না কাশিপর্ব, এইবার আহারপর্বে আসতে হবে। বাবা, আপনার পুজো শেষ করে নিন তাড়াতাড়ি।

    2

    খাবার ঘরে পরপর আসন পড়েছে। রান্নাঘরে বামুনদি প্রাণখুলেলুচি ভাজছেন। গন্ধে জিভে জল এসে যাচ্ছে। নতুন ফুলকপি উঠেছে। বড়ো বড়ো বেগুনভাজা। মা আর জ্যাঠাইমা খুব ব্যস্ত। আমি ছোটো বলে আমার ছোটো থালা। দু-খানা ধবধবে সাদা ফুলকো লুচি পড়েছে পাতে। বেগুনভাজা পাশ ফিরে শুয়ে আছে। হঠাৎ বাবা বললেন,—না, না অসম্ভব। লুচি খাবে কী? যার এই ভয়ংকর কাশি! পেটে বেশি লোড চাপানো ঠিক হবে না। লাইট, ভেরি লাইট।

    জ্যাঠামশাই ফুলকো লুচিতে একটা আঙুল ঢোকালেন। ফুস করে একটু ধোঁয়া বেরিয়ে গেল। দাদু চোখ বুজিয়ে ঈশ্বরকে নিবেদন করছেন। দাদু চোখ খুলে বললেন,—কী বললে?

    —ওর লাইট কিছু খাওয়াই উচিত। লুচি, কপি, ভেটকি মাছ রাত্তিরে চলবে না।

    —কী চলবে তাহলে?

    —খই, দুধ।

    —ও খই-দুধ খাবে। আমরা খাব রাজভোগ? এ যে দেখি কাজির বিচার!

    —ওর কাশি ভদ্রতার সমস্ত লিমিট ছাড়িয়ে গেছে। এরপর আমাদের ওপর পাড়া ছাড়ার নোটিশ আসবে।

    —শোনো, বাইবেলে আছে, হেট দি সিন, নট দি সিনার। কাশিকে মারো, ছেলেটাকে মেরো না। ও যা খাচ্ছে তাই খাবে। তোমাদের ঘরে শুলে যদি অসুবিধে হয়, ও আমার কাছেই শোবে। আমি সারারাত জেগে থাকি, ও-ও সারারাত জাগবে আমার সঙ্গে। সংস্কৃতে উইক। সারারাত ওকে আমি সংস্কৃত পড়াব। দ্যাখো অসুখটার নাম কাশি। মহাতীর্থের নাম কাশী। কাশির কল্যাণে যদি মহাপণ্ডিত হতে পারে, সেটা হবে শাপে বর।

    সংস্কৃতের নাম শুনে লুচি আমার মাথায় উঠে গেল। বললুম,—থাক গে, আমি খাব না।

    জ্যাঠামশাই আমার হাত চেপে ধরে বললেন,—নির্ভয়ে খাও। আমি আছি। তুমি আমার কাছে শোবে। তেমন হলে সারারাত তোমাকে আমি গল্প শোনাব। এভারেস্ট অভিযানের গল্প, অ্যান্টার্টিক অভিযানের গল্প। সাহারার গল্প।

    সমস্ত দায়িত্ব তোমাদের।—বাবা আহার শুরু করে দিলেন।

    জ্যাঠামশাই আমাকে বললেন,—নির্ভয়ে চালিয়ে যাও। লুচি তোমার ফেভারিট সাবজেক্ট। ফুল মার্কস পাওয়া চাই।

    শেষ পাতে এল ক্ষীর। বাবা বললেন,—চূড়ান্ত বাড়াবাড়ি। হোল ফ্যামিলি আজ জাগবে।

    দাদু বললেন,—কেন অশান্তি করছ। তুমি তো সারারাত জেগে জেগে অঙ্ক করো। কত ঘুমোও, সে তো জানাই আছে। শেষ পাতে ক্ষীর শাস্ত্রের বিধান। অশাস্ত্রীয় কাজ কেমন করে হয়।

    —আর একটু পারে শাস্ত্র-অশাস্ত্র সব বেরোবে গলা ফেঁড়ে।

    খাওয়া শেষ হল। জ্যাঠামশাই কানে কানে বললেন,—তুমি কিছুক্ষণ আমার ঘরে থাকো। দুম করে এখনি শুতে যেয়ো না।

    লুচি দেখলে আমার জ্ঞান থাকে না। খেয়েছিও তেমনি। পরিণামের কথা না-ভেবেই। পেট ফুলে জয়ঢাক। এতক্ষণ কাশি বন্ধ ছিল। লক্ষ করেছি অন্যমনস্ক থাকলে কাশতে ভুলে যাই। পড়তে বসলেই কাশি আসে। স্কুলে গেলেই কাশি পায়। আবার অঙ্কের স্যার ক্লাসে এলেই মারের ভয়ে কাশি চুপ করে যায়। আমার কাশিটা মহাপাজি আছে।

    সব কাজ শেষ করে জ্যাঠাইমা ঘরে এলেন। জ্যাঠাইমা আমাকে ভীষণ ভালোবাসেন। আঁচল থেকে একটা কাগজের মোড়ক খুলে আমার হাতে দিয়ে বললেন,—এতক্ষণ বসে বসে তোমার জন্যে এই দাওয়াইটা করে এনেছি। আমার মায়ের কাছে শেখা। তালমিছরি, যষ্টীমধু, মরিচ, পিপুল আর লবঙ্গ সব একসঙ্গে হামানদিস্তেতে ফেলে গুঁড়ো করা। খেতেও ভালো। যেই কাশি পাবে মুখে এক চিমটি ফেলে দেবে। সঙ্গে সঙ্গে কাজ।

    জ্যাঠামশাইকে বললেন,—দুজনে মুখোমুখি বসে থ্রোট, বেলি, বেলি, থ্রোট না-করে, ছেলেটাকে একজন ভালো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাও না।

    জ্যাঠামশাই বললেন,—একার মতে হবে না। মিটিং কল করে, সকলের পরামর্শ নিয়ে করতে হবে। কোন ডাক্তার? অনেক ডাক্তার আছেন।

    —তাহলে কাল সকালে, চায়ের সময় মিটিং ডাকো।

    —তাহলে আজ রাতেই নোটিশ দিতে হবে।

    —দিতে হবে তো দিয়ে এসো। আর ফেলে রাখা যায় না। ছেলেটার কষ্ট হচ্ছে।

    বাবা বলছিলেন,—ছোটোরা যত কাশে ততই ভালো। পেট বড়ো হয়। বেশি খেতে পারে। এই বয়সে যত খাবে ততই স্বাস্থ্য বাড়বে।

    —আর পেট বেড়ে দরকার নেই। তুমি কাজের কাজ করো।

    জ্যাঠামশাই ঘর ছেড়ে চলে গেলেন। জ্যাঠাইমা বললেন,—তোমার মাকে দিয়ে হবে না। নিরীহ, ভালো মানুষ। ব্যাটাছেলেরা কিছু না-করলে, এইবার আমাকেই চেঁচামেচি করে একটা কিছু করতে হবে। ডক্টর ভট্টাচার্য আমাকে খুব চেনেন। চেম্বারে নয়, সোজা বাড়িতে নিয়ে যাব। তোমাকে একটা কায়দা শিখিয়ে দি, যখনই কাশি পাবে, একটা ভালো কিছু ভাববে। মনে করবে, তুমি একা একটা সমুদ্রে ভাসছ। ছোট্ট একটা নৌকা। ঘন কালো রাত। আকাশে ছড়িয়ে আছে খইয়ের মতো তারা। শুধু জল আর জল। ফসফরাস জ্বলছে ঢেউয়ের মাথায়। বহুদূরে একটা জাহাজ যাচ্ছে। কেবিনে কেবিনে পুট পুট আলো জ্বলছে। তোমার কাছে রেডিয়ো সংকেত পাঠাবার একটা যন্ত্র। তুমি চেষ্টা করছ জাহাজের ক্যাপটেনের সঙ্গে যোগাযোগ করার। মাঝে মাঝে পারছ, মাঝে মাঝে কেটে যাচ্ছে। নৌকোটা তোমার দুলছে। ঢেউ ছিটকে আসছে। জাহাজটার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না-পারলে মহাবিপদ। চোখের সামনে দেখার চেষ্টা করবে, সমুদ্র, আকাশ, তারা, জাহাজ, ঢেউ। গায়ে তোমার ঠান্ডা বাতাস লাগবে। এইটা যদি করতে পারো, তোমার কাশি থেমে যাবে।

    আরো একটা কায়দা আছে, মনে করো তুমি একটা মই বেয়ে ধাপে ধাপে আকাশের দিকে উঠে যাচ্ছ। নারকেল গাছের মাথা। মাথা ছাড়িয়ে আরো উঁচু। আরো আরো উঁচু। পৃথিবীর বাড়িঘর সব অদৃশ্য। মেঘের মধ্যে ঢুকে গেছ। মেঘ ছাড়িয়ে আকাশের আরো উঁচুতে। তারাগুলি ক্রমশই বড়ো হচ্ছে। চাঁদ ছাড়িয়ে উঠে যাচ্ছে আরো ওপরে। তুমি উঠছ, তুমি উঠছ। কী মজা! জানো তো এই ভাবে ধ্যান করতে হয়। এতে মন ভালো হয়। মন একাগ্র হয়। লেখাপড়া ভীষণ ভালো হয়। তুমি রাতে শুয়ে শুয়ে অভ্যাস করবে।

    জ্যাঠামশাই ঘরে এলেন। এসে বললেন,—ঘরে ঘরে গিয়ে নোটিশ জারি করে এলুম। সকাল সাড়ে সাতটায় মিটিং। তোমরা সব যোগ দেবে, উইদাউট ফেল।

    আমার পেল্লায় একটা হাই উঠল। জ্যাঠামশাই আমাকে কোলের কাছে টেনে নিয়ে বললেন,—ঘুম আসছে বাপী?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ।

    —এই ছেলেটা ভীষণ ভালো। কাশি একটু কম?

    —এখন আর হচ্ছে না।

    —তাহলে শোয়ার চেষ্টা করে দেখবে?

    —তাই দেখি।

    —গুড নাইট।

    —গুড নাইট। জ্যাঠাইমা গুড নাইট।

    —গুড নাইট সোনা।

    দাদুর ঘরের সামনে দিয়ে যেতে যেতে দেখলুম, দাবাবোড়ের ছক সাজিয়ে বসেছেন। বৃদ্ধমানুষ রাতে ঘুম আসে না, একা একা জাগেন। ভোরের দিকে শুয়ে পড়েন। ঘন্টাখানেকের ঘুম। বাবা টেবিলে। টেবল ল্যাম্প জ্বলছে। গণিতের মোটা বই খোলা। অঙ্ক তাঁর খেলা।

    মায়ের পাশে আস্তে আস্তে শুয়ে পড়লুম। টেবিলের আলোটা এমনভাবে ঢাকা দেওয়া যাতে আমাদের চোখে না-লাগে। বাবার সামনে মা আমাকে আদর করার সাহস পায় না। বাবা বলে দিয়েছেন, ছেলেদের বেশি আদর দেবে না। বেশি আদরে সব আলালের ঘরের দুলাল তৈরি হয়। আদর মনে রাখবে।

    বাবা অঙ্কে ডুবে আছেন। এই সুযোগে মা আমাকে একটু আদর করে নিলেন। মা আমাকে পাশ-বালিশের মতো জড়িয়ে ধরে শুতে ভীষণ ভালোবাসেন। আর ওই সময়টায় মনে হয়, আমি যেন স্বর্গে আছি। আমার মা তো ভীষণ ভালো। জ্যাঠাইমা বলেন, ভগবান তোকে কোন মাটি দিয়ে তৈরি করেছিল রে উমা।

    মায়ের বুকে মুখ গুঁজে শুয়ে থাকার সময় মনে হয়, আমার কোনো ভয় নেই, দুঃখ নেই, কষ্ট নেই, কাশি নেই। মা ছাড়া পৃথিবীতে আমার কেউ নেই। মায়ের একটা নরম হাত আমার পিঠের ওপর দিয়ে ওপাশে চলে গেছে। ভারী একটা পা আমার কোমরে। আলতো একটা হাত আমার চুলে। মায়ের শরীর সবসময় বরফের মতো শীতল। গা দিয়ে হালকা একাট গোলাপের গন্ধ বেরোয়। জ্যাঠাইমা বলেন, সারাক্ষণ যাঁরা ভগবানে মন ফেলে রাখেন, তাঁদের চেহারায় একটা আলো ফোটে, শরীর পদ্মফুলের মতো নরম, ঠান্ডা হয়। সুবাস আসে।

    মায়ের কোলের ভেতর আরামসে ঢুকে গিয়ে জ্যাঠাইমার শেখানো সেই ধ্যানটা অভ্যাস করতে লাগলুম। আমার মা যেন একটা সাদা, নরম পেঁজা তুলোর মতো মেঘ। আমি সেই মেঘে শুয়ে আছি। মেঘটা ধীরে ধীরে আমাকে নিয়ে আকাশের দিকে উঠছে। ওপরে, আরো ওপরে। শেষে চলে এলুম চাঁদের কাছে।

    হঠাৎ বাবা অঙ্কের খাতা থেকে মুখ তুলে বললেন,—কী হল আর কাশছে না কেন?

    আমি তখন চাঁদের পাহাড়ে। পাহাড়টা রুপোর। হিরের ফুল ফুটে আছে। দুধের ঝরনা।

    মা বলছেন,—পেট খালি থাকলেই কাশি বাড়ে।

    বাবা বলছেন,—অ্যাবসলিউটলি ভুল ধারণা, পেট ভরা থাকলে কাশি আরো বাড়ে।

    মা কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। আমি আমার দু-আঙুল দিয়ে মায়ের পাতলা পাতলা ঠোঁট দুটো চেপে ধরলুম। মায়ের নাকে ছোট্ট একটা নোলক আছে। আমার দাদু পরিয়ে দিয়েছেন। পাতলা নাকে নোলক নাকি ভীষণ মানায়। দুর্গা ঠাকুরের নাকে নোলক আছে। সেই নোলকটা আমার আঙুল ছুঁয়ে আছে।

    আমি কখন একসময় ঘুমিয়ে পড়লুম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article পরমপদকমলে – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }