Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পুরানো কলকাতার দুর্গাপূজা

    পুরানো কলকাতার পূজা সম্বন্ধে সবচেয়ে প্রাচীন নথীবদ্ধ প্রমাণ যা আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে, তা হচ্ছে আলেকজাণ্ডার হ্যামিলটনের ‘ভ্রমণ কাহিনী’তে বিবৃত প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা সম্বন্ধে। প্রতিমা শেঠেদের ছিল, কেননা তখন কলকাতার সবচেয়ে ধনীলোক বলতে তাদেরই বুঝাত। আলেকজাণ্ডার হ্যামিলটনের বিবৃতিটা হচ্ছে অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম দশকের। তখন অবশ্য কলকাতায় শেঠেরা ছাড়া, আরও ধনী পরিবার ছিল। কিন্তু পয়সায় তারা কেউই শেঠেদের সমতুল ছিল না। যেমন সাবর্ণ চৌধুরীরা, জয়রাম ঠাকুর, নন্দরাম সেন, জগৎ দাস ও পরে বনমালী সরকার ও গোবিন্দরাম মিত্র। বাঙালী বারমাসে তের পার্বণ করত। তার মধ্যে আবার ধনীরা মহাসমারোহে দোল দুর্গোৎসব করত। সুতরাং আমরা অনুমান করতে পারি যে এই সব বড় লোকদের মধ্যে অনেকেই দুর্গোৎসব করতেন। তাতে অবশ্য পয়সা খরচ খুব কম হ’ত না। কেননা, যিনি বাঙলাদেশে প্রথম দুর্গোৎসব করেছিলেন, সেই তাহেরপুরের রাজা কংসনারায়ণ দুর্গোৎসবে আট লক্ষ টাকা ব্যয় করেছিলেন। সুতরাং প্রাচীন কলকাতার দুর্গোৎসবও যে বেশ খরচ করে করা হত, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে গোড়ার দিকে দুর্গোৎসবে পূজা বাড়ীতে সাহেবদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। আমরা জানি যে একবার দোলযাত্রার উৎসবে সাহেবদের হিন্দুর পূজাবাড়ীতে প্রবেশ করার ব্যাপার নিয়ে জোব চার্ণকের সঙ্গে সাবর্ণ চৌধুরীদের নায়েবের সংঘর্ষ হয়েছিল।

    পুরানো কলকাতার দুর্গোৎসব সম্বন্ধে দ্বিতীয় নথীবদ্ধ প্রমাণ যা আমরা পাই, তা হচ্ছে ১৭৬৬ খ্রীষ্টাব্দে হলওয়েলের ইনটারেষ্টিং হিসটরিক্যাল ইভেন্টস্’ গ্রন্থে। তখন দুর্গাপূজার রূপটাও পালটে গেছে। ইংরেজদের তখন নিমন্ত্রণ করে পূজাবাড়ীতে নিয়ে আসা হত। হলওয়েল লিখেছেন – “Doorgah Pujah is the grand general feast of the Gentoos, usually visited by all Europeans (by invitation) who are treated by the proprietor of the feast with the fruits and flowers in seasons, and are entertained every evening whilst the feast lasts, with bands of singers and dancers.” হলওয়েলের বিবৃতিটা হচ্ছে রাজা নবকৃষ্ণদেবের সমসাময়িক কালের। তিনিই প্রথম সাহেবদের অনুগ্রহ লাভের জন্য পূজাবাড়ীতে সাহেবদের নিমন্ত্রণ করে আনেন এবং তাদের নাচগান ও ভূরিভোজনে আপ্যায়িত করেন। কেননা, সমসাময়িক কালে নবকৃষ্ণ তাঁর এক বন্ধুকে লিখেছিলেন—”এবার লর্ড ক্লাইভ পূজার সময় আমার বাড়ীতে প্রতিমা দর্শন করতে আসছেন। তোমার এবার আসা চাই- ই।’

    তখন থেকেই শুরু হয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাহেবদের নিয়ে আমোদপ্রমোদ করা। আগেই বলেছি এ সব আমোদপ্রমোদ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যহীন ছিল না। সাহেবদের ধরে, তাদের মনোরঞ্জন করে কিছু আদায় করে নেওয়াই, এর উদ্দেশ্য ছিল। নবকৃষ্ণের দেখাদেখি, আরও অন্যান্য বড়লোকেরা দুর্গোৎসবে সাহেবদের নিমন্ত্রণ করতেন। ১৭৯২ খ্রীষ্টাব্দের ‘ক্যালকাটা ক্রনিকেল’ পত্রিকায় আমরা অনেক বড়লোকের নাম পাই। নবকৃষ্ণ ছাড়া, সেই তালিকায় ছিল প্রাণকৃষ্ণ সিংহ, কেষ্ট চাঁদ মিত্র, নারায়ণ মিত্র, রামহরি ঠাকুর, বারাণসী ঘোষ ও দর্পনারায়ণ ঠাকুর। এঁরা ছাড়াও, আরও অনেকে দুর্গোৎসব করতেন, যথা রামকান্ত চট্টোপাধ্যায়, রাজা সুখময় রায় ও পরে প্রসন্নকুমার ঠাকুর ও দ্বারকানাথ ঠাকুর। দ্বারকানাথ ঠাকুরের পূজা সম্বন্ধে একটা ঘটনার এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে। এই পূজায় নিমন্ত্রণ করবার জন্য দ্বারকানাথ পাঠিয়েছিলেন তাঁর ছেলে দেবেন্দ্রনাথকে রাজা রামমোহন রায়ের কাছে। রামমোহন সৌজন্যের সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই নিয়ে সমসাময়িক সংবাদপত্রে তির্যক মন্তব্য করা হয়েছিল।

    পুরানো কলকাতার পূজাবাড়ীর আমোদ প্রমোদের একটা বর্ণনা ফ্যানী পার্কস্ তাঁর ‘ভ্রমণ-বৃত্তান্ত’-এ দিয়ে গেছেন। ফ্যানী পার্কস্ এক পূজাবাড়ীতে গিয়ে (১৮২০ খ্রীষ্টাব্দ নাগাদ) দেখেছিলেন—‘পূজা মণ্ডপের পাশের একটা বড় ঘরে নানারকম উপাদেয় খাবার অঢেল পরিমাণে সাজানো রয়েছে। সবই বাড়ীর কর্তার সাহেব-অতিথিদের জন্য। খাবার সরবরাহ করেছেন বিদেশী পরিবেশক মেসার্স গান্টার অ্যাণ্ড হুপার। খাবার জিনিসের সঙ্গে বরফ ও ফরাসী মদও ছিল প্রচুর। মণ্ডপের আর এক দিকে একটা বড় হল-ঘরে সুন্দরী বাইজীদের নাচগান হচ্ছিল। সাহেব ও এদেশীয় ভদ্রলোকেরা চেয়ারে বসে সুরাপান করতে করতে সেই নাচ দেখছিলেন; বাইজীদের গান শোনার জন্য বাইরেও বেশ লোকের ভীড় হয়েছিল। বাইজীদের নাচগান সকলকে বেশ মাতিয়ে রেখেছিল।’

    কথিত আছে যে দুর্গোৎসবে বাইজীর নাচগান নদীয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্ৰ প্ৰথম প্রবর্তন করেন। পরে ওটা ভাগীরথীর ধারা ধরে নেমে এসে শোভাবাজারে নবকৃষ্ণদেবের পূজামণ্ডপে প্রবেশ করে। পরে কলকাতার অন্যান্য অভিজাত পরিবার তাঁকে অনুসরণ করেন।

    বলা বাহুল্য, কলকাতায় তখন বাইজীদের ছিল পোয়াবারো। কলকাতা শহরের পূজাবাড়ীতে নাচগান করে তারা হাজার হাজার টাকা কামাত। ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকের কলকাতার ইতিহাসে বেশ কয়েকজন বাইজী তাদের নামের ছাপ রেখে গেছে। তাদের নাচগানের আসরে উপস্থিত থাকবার নিমন্ত্রণ পাবার জন্য কলকাতার সাহেব মহল উৎসুক হয়ে থাকত। আবার এই নর্তকীদের নিয়েও সেকালের বাবুদের লড়াই চলত। যে শ্রেষ্ঠ নর্তকীকে আনতে পারবে, সাহেবদের চোখে তারই সামাজিক মর্যাদা সবচেয়ে বাড়বে। সে যুগের শ্রেষ্ঠ নর্তকী ছিল নিকী। প্রতি রাত্রের নাচগানের জন্য তার হাজার টাকা পারিশ্রমিক ছিল। হাজার টাকা পারিশ্রমিক তো সে যুগের যে কোন বড় লোক দিতে পারত, কিন্তু তাকে পাওয়াই ছিল কঠিন। সাহেবদের কাছে নিকীই ছিল সে যুগের প্রধান আকর্ষণ। বোধ হয়, সে জন্যই কলকাতার কোন বড়লোক মাসিক হাজার টাকা বেতন দিয়ে তাকে নিজের তাঁবে রেখেছিল। এটা আমরা তৎকালীন এক সাময়িক পত্র থেকে জানতে পারি। নিকী সে যুগের ইংরেজি সাময়িক পত্রসমূহে আলোচনার বিশেষ বিষয়বস্তু ছিল। ১৮১৬ খ্রীষ্টাব্দের এক সংবাদপত্রে লেখা হয়েছিল—”We had are still no opportunity on Monday evening of discovering in what particular house the attraction of any novelty may be found, but from a cursory view we fear that the chief singers Nikhi and Ashroou who are engaged by Neelmunee Mullick and Raja Ramchandra without rivals in melody and grace” ১৮১৯ খ্রীষ্টাব্দের ‘ক্যালকাটা জার্নাল’-এ এক বিজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হয়েছিল যে সে বৎসর পূজার সময় নিকী মহারাজা রামচন্দ্র রায় ও বাবু নীলমনি ও বোষ্টমদাস মল্লিকের বাড়ি বাবুদের অতিথিদের তার নাচগানে আপ্যায়িত করবে। ১৮২৩ খ্রীষ্টাব্দে নিকীর সৌভাগ্য হয়েছিল রাজা রামমোহন রায়ের মানিকতলার বাগানবাড়িতে নাচগান করবার। বস্তুতঃ সে যুগে নিকীর সমকক্ষ আর কোন নৃত্যগীত পটীয়সী বাইজী ছিল না। শ্রোতারা তার গান ও সুরের নেশায় মাতাল হয়ে উঠত। সুরেলা কণ্ঠের জন্য সে যুগে আর যে সব প্রসিদ্ধ বাইজী ছিল, তাদের অন্যতম ছিল বেগমজান। তার গানের হিল্লোলে সকলেই মেতে উঠত। সাহেবরা পর্যন্ত চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে উঠে বাহবা দিত। আর একজন বাইজী যার একই আসরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শ্রোতারা স্তব্ধ হয়ে থাকত, সে হচ্ছে হিঙ্গন। তার কালো হরিণ চোখ ও মিষ্টি গলা শ্রোতাদের স্বপ্ন রাজ্যে নিয়ে যেত।

    সে যুগের কলকাতায় শুধু বাইজীদের নিয়েই প্রতিযোগিতা হত না। প্রতিমার উৎকর্ষ নিয়েও প্রতিযোগিতা হত। বিজয়া দশমীর দিন সন্ধ্যার পরেই সমস্ত প্রতিমা এনে হাজির করা হত বালাখানার মাঠে। (এটা অবস্থিত ছিল ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র সম্পাদক স্বর্গীয় অশোক কুমার সরকার মহাশয়ের বর্তমান আবাসবাটির কিছু দক্ষিণে)। রঙমশালের আলোতে প্রতিমাগুলি সব ঝলমল করত। ওখানে বিচার করা হত, সে বছরের সব চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিমা কোন খানা? সেখানে বিচারে শ্রেষ্ঠ বলে যেটা প্রতিপন্ন হত, সে বাড়ীর লোকদের বুক ফুলে দশ হাত হত। আর যে কুমোর সেখানা তৈরী করত সে পেত পুরস্কার

    তখনকার দিনে কুমোরটুলীতে এক ক্রীশ্চান কুমোর ছিল, নাম অ্যান্টনি সাহেব একবার এক রাজবাড়ী থেকে ডাক পড়ল অ্যান্টনি সাহেবের। রাজা তাঁর ইচ্ছা প্রকাশ করে বললেন,—‘এমন একখানা ঠাকুর তৈরী করে দিতে হবে যেখানা সে বছরের শ্রেষ্ঠ প্রতিমা বলে স্বীকৃত হবে।’ মন প্রাণ দিয়ে ঠাকুর গড়লেন অ্যান্টনি সাহেব। সে বৎসর অ্যান্টনি সাহেবের প্রতিমাই শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হল। উৎফুল্ল হয়ে রাজা বাহাদূর নিজের গলা থেকে মুক্তা-বসানো হারটা খুলে অ্যান্টনি সাহেবের গলায় পরিয়ে দিলেন। রাজার জয়জয়কার হল, আর শিল্পী পেল তার যোগ্য পুরস্কার (অতুল সুর ‘বাঙলা ও বাঙালী’ পৃষ্ঠা ১৪৭ দ্রষ্টব্য)।

    বস্তুতঃ সেকালের পূজার জাঁকজমকের জন্য বড়লোকরা খরচ করতে কুণ্ঠিত হতেন না। সাহেব প্রত্যক্ষদর্শীরা বলে গেছেন যে এক এক পরিবার দুর্গাপূজার উৎসবে পাঁচ- ছয় লক্ষ টাকা খরচ করতেন। অথচ শিবনাথ শাস্ত্রী বলে গেছেন যে সাধারণ গৃহস্থ লোকেরা ৫০/৬০ টাকায় পূজা করতেন।

    অনেক সময় হিন্দুদের দুর্গাপূজা ও মুসলমানদের মহরম একই সময় অনুষ্ঠিত হত। তাতে হিন্দুদের পূজা বিঘ্নিত হত ও দাঙ্গাহাঙ্গামা বাঁধত। ১৮২০ খ্রীষ্টাব্দে চাঁদনী চকের সামনে মুসলমানরা শোভাযাত্রাগামী নবপত্রিকা কেড়ে নিয়ে কেটে ফেলে। এই কারণে সে বৎসর কোন বাইজী কলকাতার কোন পূজাবাড়ীতে নাচগান করতে আসে নি। ১৭৮৯ খ্রীষ্টাব্দে একবার অতি ভয়াবহ ব্যাপার ঘটে। পূজার বিসর্জনের দিন মুসলমানরা কোম্পানির প্রসদ্ধি বেনিয়ান ও ধনী রামকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গা প্রতিমা ভেঙে চুরমার করে দেয় ও পালকীর মধ্যে অবস্থিত তাঁর পুত্রবধূকে আক্রমণ করে সাংঘাতিকভাবে জখম করে। এর জন্য কয়েকদিন কলকাতায় অরাজকতার সৃষ্টি হয়। (বিশদ বিবরণের জন্য লেখকের ‘কলকাতা : এক পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস’ গ্রন্থের পৃষ্ঠা ৯৬ দ্রষ্টব্য)।

    সেকালের পূজায় সব বড়লোকের বাড়ীতে সকলেরই অবারিত দ্বার ছিল না। এটা আমরা ১৮২৯ খ্রীষ্টাব্দের ১০ অক্টোবর তারিখের ‘বঙ্গদূত’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক সংবাদ থেকে জানতে পারি। ওই সংবাদে বলা হয়েছে—‘এই কলিকাতা রাজধানী মধ্যে শারদীয় মহোৎসবে ত্রিবিধ লোকের আলয়েই জগদীশ্বরীর পূজা হয়। সকলে স্ব স্ব মতে ও বিভবানুসারে নানোপচারে তাঁহার আরাধ্ননা করিয়া থাকেন।

    কেহ বা ইতরাঙ্গ রাগ-রঙ্গের বাহুল্য? না করিয়া মুখ্যাঙ্গ হোম যাগ যজ্ঞাদি ও বিবিধোপচারে পূজা সাঙ্গ করেন। কেহ রা মহা ঘটাপূর্বক ঝাড়লণ্ঠন বাদ্য নাচ কাঁচের আধিক্যপূর্বক প্রকৃত কার্যপূজা সংক্ষেপেই সারেন। কেহ বা উভয়েই সমান আয়োজন করেন। তন্মধ্যে ক-এক লোক ভবন মধ্যে কিরূপ করেন তাহা দুর্গাই জানেন। কিন্তু বহির্দ্বারে সারজন সন্তরী স্থাপন করিয়া কিয়দ্ব্যক্তি নিমন্ত্রিত ব্যতীত দর্শনাকাঙক্ষী লোকদিগকে ভবন প্রবেশে নিবারণ করেন। কিন্তু দ্বারের সম্মুখবর্তী পথ হইয়া গমন করিলে বিহারের পরিবর্তে গাত্রে বেত্র প্রহার করিয়া থাকেন। বোধ হয় তদ্‌গৃহপতিরা এই সকল আচরণকেই ভগবতীর সন্তোষের মূল কারণ জ্ঞান করেন। সে যাহা হউক এ বৎসর ৪/৫ স্থানে বৃহৎ সমারোহ হইয়াছিল। বিশেষতঃ স্বর্গীয় মহারাজ নবকৃষ্ণ বাহাদুরের দুই বাটিতে নবমীর রাত্রে শ্রীশ্রীযুত গবর্ণর জেনারেল লর্ড বেন্টিঙ্ক বাহাদূর ও প্রধান সেনাপতি শ্রীশ্রীযুত লর্ড কম্বরমীর ও প্রধান প্রধান সাহেবলোক আগমন করিয়াছিলেন। পরে দুই দণ্ড পর্যন্ত নানা আমোদ ও নৃত্যগীতাদি দর্শন ও শ্রবণ করত অবস্থিতি করিয়া প্রীত হইয়া গমন করিলেন। ইংরেজ লোকের গতিবিধি ঐ রাজার দুই বাটিতে স্বর্গীয় রাজা রামচাদের বাটি ও স্বর্গীয় দেওয়ান শান্তিরাম সিংহের বাটিতে পুজার চিহ্ন জোড়াসাঁকোর চতুরস্র পথে এক গেট নির্মিত হইয়া তদবধি বাটির দ্বার পর্যন্ত পথের উভয় পার্শ্বে আলোক হইয়াছিল, তাহাতে যাঁহারা ঐ বাটির পূজার বার্তা জানেন না, তাঁহারাও ঐ গেট অবলোকন করিয়া সমারোহ দর্শনেচ্ছুক হইয়া অবারিত দ্বার ভবনে গমন করিলেন। আপামর সাধারণ কোন লোকের বারণ ছিল না। উপরে নীচে যাহার যেখানে ইচ্ছা আসনে উপবিষ্ট হইয়া নৃত্যগীতাদি স্বচ্ছন্দে দর্শন শ্রবণ করিলেন। তাহাতে কোন হতাদরের বিষয় নাই।”

    কিন্তু পূজার জাঁকজমক কলকাতায় ক্রমশ কমে আসছিল। ওই ১৮২৯ খ্রীষ্টাব্দের ১৭ অকটোবর তারিখের ‘সমাচার দর্পণ’-এ আমরা পড়ি—‘এক্ষণে বৎসর ২ ক্রমে সমারোহ ইত্যাদির হ্রাস হইয়া আসিতেছে। এই বৎসরে এই দুর্গোৎসবের নৃত্যগীতাদিতে যে প্রকার সমারোহ হইয়াছে, ইহার পূর্বে ইহার পাঁচগুণ ঘটা হইত। কলিকাতাস্থ ইংরাজী সমাচার পত্রে প্রকাশ হয় যে কলিকাতাস্থ এতদ্দেশীয় ভাগ্যবান লোকেরা আপনারাই কহেন যে এক্ষণে সাহেবলোকেরা বড় তামাসার বিষয়ে আমোদ করেন না। এ প্রযুক্ত যে হ্ৰাস হইয়াছে, ইহা প্ৰত্যক্ষ প্রমাণ।’ আরও কারণ দেখানো হইয়াছে। ‘কলিকাতাস্থ অনেক বড় বড় ঘর এখন দরিদ্র হইয়া গিয়াছে। যাঁহারা ইহার পূর্বে মহাবাবু এবং সকল লোকের মধ্যে অতিশয় প্রসিদ্ধ ছিলেন, তাঁহাদের মধ্যে অনেকেই এখন সেই নামমাত্র আছে। কেহ সুপ্রীম কোর্টে মোকদ্দমা করিতে নিঃস্ব হইয়াছেন। কেহ বা আপনাদের অপরিমিত ব্যয়ে দরিদ্র হইয়াছেন, কেহ বা অধিকারের যে বংশবলেতে বাঙ্গালিরা ক্রমে ক্রমে হ্রাস প্রাপ্ত হন, তাহা কারণে নির্ধন হইয়াছেন।’ তা ছাড়া, ‘নাচের সময়ে ক-এক বৎসরাবধি অতিশয় লজ্জাকর ব্যাপার হইত এবং যে ইংলণ্ডীয়রা সেস্থানে একত্রিত হইতেন তাঁহারা সাধারণ এবং মদ্যপান কারণে আপনাদের ইন্দ্রিয়দমনে অক্ষম থাকিতেন।’ মনে হয়, এই কারণে কর্তাদের ওপর অন্দরমহলের চাপও পড়েছিল।

    তবে পূজাবাড়িতে সাহেবদের আসা-যাওয়া ঊনবিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের পর থেকে সরকার আর পছন্দ করতেন না। এটা প্রকাশ পায় ১৮৪০ খ্রীষ্টাব্দের দশ নম্বরী আইন চালু হওয়া থেকে। ওই আইনে বলা হয় যে অতঃপর ইংরেজরা এদেশীয় লোকদের বাড়িতে কোন পূজাপার্বণে উপস্থিত হতে পারবে না। সেই থেকেই পূজাবাড়িতে সাহেবদের আসা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু পূজার হুল্লোড় বন্ধ হল না। পূজা উপলক্ষে যাত্রা, নাচ, তামাসা, কবির গান প্রভৃতি চলতেই লাগল। তবে সাহেবরা না আসায় পূজার আগেকার জলুস আর রইল না। শোভাবাজারের রাজবাড়ির দুই বাড়িতেই পূজায় আমোদ-প্রমোদ হত। তবে ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দের ‘সংবাদ প্রভাকর’-এ লেখা হয়েছিল যে ‘শ্রীযুক্ত রাজা রাধাকান্ত বাহাদুর এ বৎসর পীড়িত থাকায় তাঁহার ভবনে নৃত্য গীতাদির আমোদ-প্রমোদ হয় নাই, কিন্তু মহামায়ার মহাপূজার ব্যাপার সর্বাঙ্গসুন্দররূপে সুনির্বাহ হয়েছে।”

    একালের ‘সার্বজনীন’ পূজার পূর্বগামী সেকালের বারোয়ারী পূজা সম্বন্ধে দু-এক কথা বলে এ প্রবন্ধ শেষ করব। বারোয়ারী পূজার উৎপত্তি হয় গুপ্তিপাড়ায় জগদ্ধাত্রী পূজা উপলক্ষ্যে। তারপর বারোয়ারী পূজা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। সেকালের কলকাতার অনেক পাড়াতেই বারোয়ারী পূজা হত। যারা চাঁদা দিত না, তাদের জব্দ করবার জন্য বারোয়ারী পূজার উদ্যোক্তারা তাদের বাড়ী প্রতিমা ফেলে দিত। তা ছাড়া, উদ্যোক্তারা মেয়েদের ওপর অত্যাচার করত। ১৮৪০ খ্রীষ্টাব্দের ‘সংবাদ ভাস্কর’এ আমরা পড়ি ‘স্ত্রীলোকের ভুলি পালকী দৃষ্টি মাত্রই বারোয়ারি দল একত্রিত হইয়া তৎক্ষণাৎ আটক করিতেন এবং তাহাদের ইচ্ছামত প্রণামী না পাইলে কদাপি ছাড়িয়া দিতেন না। স্ত্রীলোকের সাক্ষাতে অকথা উচ্চবাচ্য যাহা মুখে আসিত তাহাই কহিতেন। তাহাতে লজ্জাশীলা কুলবালা সকল পয়সা টাকা সঙ্গে না থাকিলে বস্ত্রালঙ্কারাদি পর্যন্ত প্রদান করিয়া মুক্ত হইতেন।’ এই অত্যাচার বন্ধ হয়ে যায় ২৪ পরগণার জেলা শাসক পেটন সাহেবের চেষ্টায়। তিনি স্ত্রীবেশ ধারণ করে ডুলিতে চেপে পথে বেরিয়ে এই সকল উপদ্রবকারীদের গ্রেপ্তার করেন ও দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড দেন।

    পরবর্তীকালে বারোয়ারীর অধ্যক্ষরা কৌশল অবলম্বন করে চাঁদা তুলতেন। ‘হুতোম’ এক দৃষ্টান্ত দিয়েছে। একবার তারা শহরের সিংগিবাবুদের বাড়িতে গিয়ে হাজির। সিংগিবাবু তখন আফিস বেরুচ্ছেন। বারোয়ারীর লোকেরা তাঁকে ঘিরে ফেলে চেঁচাতে লাগল—‘ধরেছি’, ‘ধরেছি’। রাস্তায় লোক জমে গেল। সিংগিবাবু তো অবাক। তখন বারোয়ারীর অধ্যক্ষরা বলল—মশায় আমাদের বারোয়ারীতে মা ভগবতী সিংগিতে চেপে কৈলাস থেকে আসছিলেন। পথে সিংগির পা ভেঙে গেছে। আমরা একমাস যাবৎ অপর সিংগির চেষ্টা করছি, পাচ্ছি না। আজ আপনাকে পেয়েছি, কোনমতে ছেড়ে দিব না। সিংগি মশায় সন্তুষ্ট হয়ে দশ টাকা চাঁদা দিলেন।

    দুর্গাপূজা প্রধানত বাঙালির উৎসব। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী সত্যযুগে সুরথ রাজাই প্রথম দুর্গাপূজা করেছিলেন। সুরথ রাজার রাজধানী ছিল বর্তমান বোলপুরে। সুতরাং পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী বাঙলাদেশেই দুর্গাপূজার সূচনা হয়েছিল।

    কালান্তরের দুর্গাপূজার সঙ্গে আজকের দুর্গাপূজার অনেক ফারাক ঘটে গিয়েছে। দুর্গা প্রথমে ছিলেন দ্বিভুজা ও দণ্ডায়মান অবস্থায় শূল দ্বারা এক মহিষকে বধ করতে রতা। আলাহাবাদের কাছে ভিটায় প্রাপ্ত মূর্তিতে আমরা তাই দেখি। পরে দেবী চতুর্ভূজা, অষ্টভূজা ও দশভূজায় পরিণত হন। সঙ্গে সঙ্গে আসে তাঁর বাহন সিংহ ও মহিষের পরিবর্তে মহিষাসুর। আরও পরে আসে লক্ষী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, নবপত্রিকা। এছাড়া আমাদের ছেলেবেলায় আনন্দময়ীর আগমনবার্তা প্রতি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিত ভিখারী গায়ক ‘আগমনী’ গীত গেয়ে। আজ পূজার বার্তা পৌঁছে দেয় সার্বজনীন পূজার চাঁদা আদায়কারী পাণ্ডারা সদর দরজার কড়া নেড়ে।

    বলা হয় বাঙলাদেশে দুর্গাপূজার বর্তমান ধারার প্রবর্তন করেছিলেন তাহেরপুরের বারেন্দ্র ব্রাহ্মণবংশীয় রাজা কংসনারায়ণ। তিনি সুলতান হুসেন শাহের (১৪৯৩ – ১৫১৯) সমসাময়িক লোক ছিলেন। কংসনারায়ণের পিতার নাম হরনারায়ণ, পিতামহের নাম উদয়নারায়ণ। উদয়নারায়ণ হতেই বারেন্দ্র ব্রাহ্মণ সমাজে নিবারিল’ পটীর সৃষ্টি হয় কংসনারায়ণকে বারেন্দ্র কুলগ্রন্থে ‘দ্বিতীয় বল্লালসেন’ বলা হয়েছে। কংসনারায়ণের প্রপিতামহ বিজয় লস্করকে দিল্লিশ্বর বাইশখানা গ্রাম ও সিংহ উপাধি দিয়েছিলেন। তিনি তাঁকে বাঙলাদেশের পশ্চিম ‘দ্বাররক্ষক’ হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন।

    কংসনারায়ণ একজন সমৃদ্ধিশালী রাজা ছিলেন। তিনি দুর্গাপূজায় আট লক্ষ টাকা ব্যয় করেছিলেন। সে যুগে আট লক্ষ টাকার পূজার যে কি রকম ঘটা হয়েছিল, তা সহজেই অনুমেয়। কংসনারায়ণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাদুরিয়ার রাজা জগৎত্নারায়ণ নয় লক্ষ টাকা ব্যয় করে বাসন্তী পূজা করেছিলেন। তখন থেকেই গ্রামের জমিদার বাড়িতে দুর্গাপূজার ধুম লেগে যায়। পাঁচশ ভরি সোনা দিয়ে দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে পূজা করতেন হুগলি জেলার বৈঁচি গ্রামের জমিদার গঙ্গাধর কুমার

    আমরা শারদীয় পূজাকে ‘অকালবোধন’ বলি তার কারণ এ সময়টা হচ্ছে সূর্যের দক্ষিণায়ন। দক্ষিণায়ন কাল হচ্ছে দেবতাদের রাত্রি। দেবতারা তখন নিদ্রামগ্ন থাকেন। উত্তরায়ণ কাল হচ্ছে দেবতাদের দিন। তখনই তাঁরা জেগে থাকেন। দেবতাদের আরাধনার সেটাই হচ্ছে প্রশস্ত সময়। সেজন্য রাবণ মায়ের পূজা করেছিলেন বসন্তকালে। আর রাবণ বধের জন্য শক্তিলাভের উদ্দেশ্যে রামচন্দ্র পূজার জন্য মাকে জাগিয়ে তুলেছিলেন শরৎকালে। অকালে বা দেবতাদের রাত্রিকালে রামচন্দ্র মাকে জাগিয়েছিলেন বলে একে অকালবোধন বলা হয়। তবে বাল্মিকী রামায়ণে এ কাহিনীটা নেই।

    কংসনারায়ণের আগে থেকেই যে বাঙলাদেশে দুর্গাপূজা হয়ে আসছে, তার প্রমাণ আমরা পাই দ্বাদশ শতাব্দীতে রচিত জীমূতবাহনের ‘কালবিবেক’ গ্রন্থে। ওই গ্রন্থে প্রচুর উৎসবের সঙ্গে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবার কথা উল্লিখিত হয়েছে। শ্রীনাথ আচার্য চূড়ামণি, বাচস্পতি মিশ্র, শূলপাণি, রঘুনন্দন প্রমুখেরাও নানা উৎসবের সঙ্গে দুর্গাপূজা অবশ্য কর্তব্য পর্ব হিসাবে নির্দেশ দিয়ে গেছেন।

    এইসব উৎসবের মধ্যে একটা প্রধান উৎসব ছিল বিজয়া দশমীর দিন পালিত শবরোৎসব। জীমূতবাহনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী শবর জাতির ন্যায় লতা-পাতা দ্বারা দেহ আবৃত করে ও সর্বাঙ্গে কাদা মেখে নৃত্যগীত করাই ‘শবরোৎসব’। শবরোৎসবে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, অশ্লীল গীত ও গ্রাম্যভাষায় পরস্পরকে গালিগালাজ করা বিহিতকর্ম বলে উল্লিখিত হয়েছে। বলা হয়েছে, এরূপ না করলে দেবী অসন্তুষ্ট হন। যোগেশচন্দ্র রায় মশায় বলেছেন যে, তাঁর বাল্যকালেও শবরোৎসব হ’ত। এখন এটা আর পালিত হয় না।

    বাঙলাদেশের দুর্গাপূজা সম্বন্ধে সাধারণ লোক বলে যে, শরৎকালে মা নিজের ছেলেপুলেকে সঙ্গে নিয়ে বাপের বাড়ি আসেন। সেজন্য প্রতিমাও ঠিক সেইভাবে গড়া হয়। মায়ের ডাইনে-বাঁয়ে থাকে মায়ের দুই পুত্র গণেশ ও কার্তিক এবং দুই কন্যা লক্ষ্মী ও সরস্বতী। কিন্তু যে ধ্যানমন্ত্র অনুযায়ী মায়ের পূজা করা হয়, তাতে কার্তিক-গণেশ ও লক্ষ্মী-সরস্বতীর উল্লেখ নেই। অষ্টাদশ শতাব্দীর গোড়ায় রচিত ‘রামেশ্বরের শিবায়ণ গ্রন্থে মায়ের গৃহস্থালীর যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তাতে কার্তিক-গণেশের উল্লেখ আছে, কিন্তু লক্ষ্মী-সরস্বতীর কোন উল্লেখ নেই। প্রাচীন ভারতীয় ভাস্কর্যেও মহিষমর্দিনীর একক মূর্তিই গঠিত হ’ত। তাঁর ছেলে-মেয়েদের, কোন স্থান ছিল না। ঠিক কবে থেকে মায়ের প্রতিমায় কার্তিক-গণেশ ও লক্ষ্মী-সরস্বতীর সমাবেশ ঘটেছে, তা আমাদের জানা নেই। আর এক কথা। প্রাচীন ভারতীয় ভাস্কর্যে মহিষমর্দিনীর যে সবচেয়ে পুরানো নিদর্শন আমরা আলাহাবাদের নিকট ভিটা গ্রাম থেকে পেয়েছি, তাতে মা দ্বিভুজা। পরবর্তী নিদর্শনসমূহে মা ক্রমশ বহুভুজা হয়েছেন। প্রাচীন ভাস্কর্যে নবপত্রিকারও কোন স্থান ছিল না।

    এখন মায়ের প্রতিমার পাশে নবপত্রিকা এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে, কেননা নবপত্রিকাকে স্নান করিয়ে না আনলে, মায়ের সপ্তমী পূজাই আরম্ভ হয় না। নবপত্রিকাকে অবগুণ্ঠনবতী নববধূর বেশে সজ্জিত শ্বেত অপরাজিতার লতা ও হলুদ রঙের সুতা দিয়ে বাঁধা শক্তির বিভিন্নরূপের অধিষ্ঠান, কলা প্রভৃতি নয়টি বিভিন্ন গাছের চারা দিয়ে তৈরি করা হয়। এই নয়টি গাছের মধ্যে কলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী হচ্ছেন ব্রাহ্মণী, কচুর কালী, হরিদ্রার দুর্গা, জয়ন্তীর কার্তিকী, বেলের শিবা, ডালিমের রক্তদন্তিকা, অশোকের শোকরহিতা, মানকচুর চামুণ্ডা ও ধানের লক্ষী। গণেশের মূর্তির পাশে নবপত্রিকা স্থাপিত হয় বলে সাধারণের ধারণা নবপত্রিকা গণেশের স্ত্রী।

    বাঙালি আজ যে দেশেই গিয়েছে, সঙ্গে করে সেখানে নিয়ে গিয়েছে তার দুর্গাপূজার উৎসবকে। ঠিক অনুরূপভাবে বাঙালি যখন প্রথম কলকাতায় এসে বসবাস শুরু করেছিল, সে সঙ্গে করে এনেছিল তার দুর্গাপূজা উৎসবকে। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে জোব চার্নকের কলকাতা শহর প্রতিষ্ঠিত হবার আগে থেকেই এখানে দুর্গোৎসব ঘটার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হ’ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }