Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালী কলকাত্তেওয়ালী

    ‘কালী কলকাত্তেওয়ালী’। উত্তর ভারতের লোকদের কাছে কালীঘাটের কালীর এটাই হচ্ছে অভীধা। এই অভীধা থেকেই কালীঘাটের কালীর প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়। কালীঘাটের কালীই হচ্ছে কলকাতার অধিষ্ঠাত্রী দেবী। মন্দিরটির এখন যেখানে অবস্থান, জনশ্রুতি অনুযায়ী মন্দিরটি আগে ওখানে ছিল না। এখন মন্দিরটি আদিগঙ্গার তীরে অবস্থিত। ষোড়শ শতাব্দীর প্রারম্ভে মন্দিরটি নাকি ভবানীপুরে ছিল। তবে মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল রচনার সময় মন্দিরটি যে আদিগঙ্গার তীরেই অবস্থিত ছিল, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

    কালীঘাটকে একান্ন পীঠের অন্যতম পীঠ বলে ধরা হয়। কিন্তু আমার ‘কলকাতা বইয়ে (পৃষ্ঠা ৩৬) দেখিয়েছি যে পীঠস্থান হিসাবে কালীঘাটের স্বীকৃতি খুব আধুনিক কালের। সকলেরই জানা আছে যে পীঠস্থানসমূহের উদ্ভবের সঙ্গে বিষ্ণু কর্তৃক শিবের স্কন্ধস্থিত সতীর শবদেহ বহুখণ্ডিত হবার কাহিনী জড়িত। কিন্তু সতীর দেহখণ্ড যেখানে যেখানে পড়েছিল, সেই সব স্থান এক একটা পীঠস্থানে পরিণত হয়েছিল, এ কাহিনী আমরা সপ্তদশ শতাব্দীতে রচিত ‘কালিকাপুরাণ’-এ প্রথম পাই। আগেকার পুরাণসমূহে আমরা দক্ষযজ্ঞের যে কাহিনী পাই, তাতে এটা নেই। কালিকাপুরাণেই এ কাহিনী প্রথম স্থান পায়। তবে ‘কালিকাপুরাণ’-এ মাত্র সাতটি পীঠস্থানের নাম আছে। এ সাতটি পীঠস্থান হচ্ছে দেবীকূট, উড্ডিয়ান, কামরূপ, জলন্ধর, পূর্ণগিরি ইত্যাদি। তারপরে রচিত ‘রুদ্রযামল’ তন্ত্রে ১৮টি, কুব্জিকাতন্ত্রে ৪২টি ৬ জ্ঞানানবতন্ত্রে ৫০টি পীঠের নাম পাই। ৫১ টি পীঠের উল্লেখ আমরা তন্ত্রসার, পীঠমালা ও অন্যান্য অর্বাচীন গ্ৰন্থসমূহে পাই। এগুলো সবই সপ্তদশ শতাব্দী বা তার পরে রচিত। পীঠমালা অনুযায়ী কালীঘাটে দেবীর দক্ষিণ পদাঙ্গুলি পড়েছিল।

    মনে হয় কালীঘাটের কালীমাতা প্রথমে এক চালা ঘরের মধ্যে অধিষ্ঠাতা ছিলেন। ১৮১০ খ্রীষ্টাব্দ নাগাদ বেহালার সাবর্ণ চৌধুরীদের সন্তোষ রায় বর্তমান মন্দির তৈরী করে দেন। বর্তমান মন্দিরটি ৭৫ ফুট চতুষ্কোণ আয়তন বিশিষ্ট এক পাদপীঠের ওপর দণ্ডায়মান এবং উচ্চতায় ৯০ ফুট। দক্ষিণ দিকে একটি প্রশস্ত নাটমন্দির আছে ও মন্দিরের মধ্যে আরও অনেকগুলি ছোট ছোট মন্দির আছে, যাদের মধ্যে শ্যামরায়ের মন্দির প্রসিদ্ধ। মোট আয়তন এক বিঘা এগার কাঠা তিন ছটাক।

    যেখানে কালী, সেখানেই শিব। সেজন্য প্রতি পীঠস্থানেই শক্তি মন্দিরের কাছে, একটি করে শিব বা ভৈরবের মন্দির থাকে। কালীঘাটের ভৈরব নকুলেশ্বর। নকুলেশ্বরের মন্দির কালীমন্দিরের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। নবনির্মিত বড় রাস্তা এটাকে কালীমন্দির থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। নকুলেশ্বরের বর্তমান মন্দির ১৮৫৪ খ্রীষ্টাব্দে তারাসিং নামে এক পাঞ্জাবী বণিক তৈরী করে দিয়েছিল। শিবরাত্রির ও নীলষষ্ঠীর দিন এখানে পূজা দেবার জন্য বহু নরনারীর সমাগম হয়। আগে মহাসমারোহে এখানে গাজন উৎসব হত। ফ্যানী পার্কস্ বলে গেছেন যে শহরের বারবনিতারাও কেরাঞ্চী গাড়ী করে এই উৎসবে যোগদান করতে যেত।

    কালীঘাট ছাড়া কলকাতার আর এক পুরানো কালীমন্দিরের কথা আমরা ইতিহাসে পড়ি। এটা হচ্ছে কলকাতার কালেকটর সাহেবের সহকারী গোবিন্দরাম মিত্র কর্তৃক নির্মিত মন্দির। বৈধ ও অবৈধ উপায়ে গোবিন্দরাম প্রভূত অর্থ উপার্জন করে কলকাতার সমাজে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হয়েছিলেন। ১৭২৫ খ্রীষ্টাব্দে তিনি গঙ্গার ধারে কুমারটুলিতে বসতবাড়ী ও নয়চূড়াবিশিষ্ট এক সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির স্থাপন করেছিলেন। উচ্চতায় এই মন্দির (১৬৫ ফুট) পরবর্তীকালীন শহীদ মিনারের (উচ্চতা ১৫২ থেকে ১৫৮ ফুট) চেয়েও বড় ছিল। এই মন্দিরটাই কলকাতার এক দিকচিহ্ণ ছিল, এবং জাহাজের নাবিকরা এটাকে ‘দি প্যাগোডা’ বলে অভিহিত করত। ১৭৩৭ খ্রীষ্টাব্দের ঝড়ে, এর শিখরের খানিকটা পড়ে যায়। সেটা মেরামত করে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৮২০ খ্রীষ্টাব্দের ঝড়ে মন্দিরটা ধ্বসে পড়ে। তারপর এর আর বিশেষ সংস্কারের চেষ্টা হয় নি। এখানে উল্লেখনীয় যে গোবিন্দরামের মন্দির সম্বন্ধে এক বিতর্ক আছে। অনেকে বলেন যে গোবিন্দরামের মন্দিরটা ছিল শিব মন্দির, আর বনমালী সরকার তৈরী করেছিলেন সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির। কোনটা কি, তা এখন বলা খুবই মুস্কিল। কেননা, আমরা জানি যে কাছাকাছি স্থানে, বাগবাজারে বর্তমান সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের ঠিক বিপরীত দিকে চিৎপুর রোডের ওপর একটা জোড়-বাংলা মন্দির ছিল, যেটাকে লোকে ‘ডাকাতে কালী’র মন্দির বলত। ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দের ঝড়ে এই মন্দিরটা ভূমিসাৎ হয়ে গিয়েছিল।

    তবে পুরানো কলকাতার অনেক কালীমন্দির এখনও বিদ্যমান আছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নিমতলার আনন্দময়ীর মন্দির, বাগবাজারের সিদ্ধেশ্বরী কালীর মন্দির, ঠনঠনিয়ার সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, বৌবাজারের ফিরিঙ্গি কালী প্রভৃতি। যদিও খাস কলকাতার মধ্যে অবস্থিত নয়, তা হলেও চিত্তেশ্বরী কালীর উল্লেখও এখানে প্রয়োজন।

    বাগবাজারের সিদ্ধেশ্বরী কালী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যাহ্নে। পুরানো মূর্তিটি পাথরের তৈরী ছিল। সেটা এখনও মন্দিরের মধ্যে রক্ষিত। কিন্তু বর্তমান মূর্তি মাটির তৈরী ও উচ্চতায় ৭ ফুট। পুরানো মন্দিরটা নাকি গঙ্গার ধারে ছিল। তার আকার আমাদের জানা নেই। বর্তমান মন্দিরটি দালান রীতিতে গঠিত ও অনেক পরে নির্মিত হয়েছিল। কালীর দুপাশে দুটি শিবলিঙ্গ আছে।

    নিমতলার আনন্দময়ীকে শ্মশান কালী বলা হয়, কেননা এক সময় এটা শ্মশানের মধ্যেই অবস্থিত ছিল। কথিত আছে যে এক মোহন্ত এটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ওই মোহন্তর জগন্নাথ নামে এক শিষ্য ছিল। তার খড়ের ব্যবসা ছিল। মোহন্ত তাঁর মৃত্যুর সময় দেবীকে জগন্নাথের হাতে সমর্পণ করে যান। কিছুদিন পরে অর্থসঙ্কটের সম্মুখীন হলে জগন্নাথ, নারায়ণ মিশ্র নামে এক ভক্তকে সংলগ্ন জমিসমেত মূর্তিটি বেচে দেন। নারায়ণ মিশ্রের মৃত্যুর পর তার ছেলে হরদেব মিশ্র মন্দিরের অধিকারী হয়। হরদেবের মৃত্যুর পর মন্দিরটি তার ভাগিনেয় ও নিমতলা স্ট্রীটের জমিদার মাধবচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আসে। মাধবচন্দ্রের মৃত্যুর পর তস্য পুত্র শিবকৃষ্ণ ও তারপর তার পুত্র ননীলাল ও তারপর বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের অন্যান্যরা মন্দিরের স্বত্বাধিকারী হন। মা আনন্দময়ীর মূর্তি শবের ওপর আরূঢ় ও কালো পাথরের তৈরী। উচ্চতায় দু ফুট। রাস্তা উঁচু হওয়ায় মূর্তিটি এখন অনেক নীচে নেমে গেছে। বহু চেষ্টা করেও মূর্তিটিকে ওপরে তোলা সম্ভবপর হয় নি।

    যে শ্মশানের মধ্যে মা আনন্দময়ীর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, আগে ওটা গঙ্গার ধারেই ছিল। তারপর গঙ্গায় চড়া পড়বার পর যখন ষ্ট্রাণ্ড রোড তৈরি হল, তখন মন্দির শ্মশান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।

    নিমতলার প্রাচীন শ্মশানটি জলমগ্ন হওয়ায় শহরবাসী হিন্দুদের শবদাহ সম্বন্ধে ক্লেশের পরিসীমা ছিল না। এ সম্বন্ধে ১ জুলাই ১৮২৬ খ্রীষ্টাব্দের ‘সংবাদচন্দ্রিকা’য় লেখা হয়— ‘এ শহরে হিন্দু লোক দুই লক্ষ হইতে পারে। প্রতিমাসে আন্দাজ তিন শত লোক মরিয়া থাকে। কাশি মিত্রের ঘাটে গড়ে দশ জনের দাহ হয়। কোন কোন সময়ে প্রতিদিন ২০ কুড়ি ২৫ পঁচিশ জন মরে। আর ওলাউঠা হইলে ইহার দ্বিগুণ ত্রিগুণ চতুর্গুণ মরিয়া থাকে।….যত লোক মরে বা যত শব কলিকাতার ঘাটে জ্বালায় তাদের উপর নিশ্চিত কর স্থাপন করিয়া তদুৎপন্ন অর্থ সংগ্রহ করিয়া গঙ্গাতীরে রাস্তার ধারে জলের ভিতর ভিত্তি উঠাইয়া তিন দিকে দেওয়াল দেওয়াইয়া দুইটি চত্বর নির্মিত করা যায় তাহাতে পশ্চিম দিক খোলা থাকে পোতা মৃত্তিকাতে ভরাট হয় তাহাতে ঐ শবদাহ কার্য হয়।” তারপর ১৮২৭ খ্রীষ্টাব্দের ২৭ জানুয়ারী তারিখের সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় যে ‘নিমতলা হইতে বাগবাজার পর্যন্ত তিনটা শবদাহের নিমিত্ত স্থান হইবেক ও তাহা সম্পূর্ণার্থে এই শহরের ভাগ্যবান লোকদিগের মধ্যে একটা চাঁদা হইয়াছে।’ ১৮২৮ খ্রীষ্টাব্দের ২২ মার্চ তারিখের শেষ সংবাদে প্রকাশ—‘অবগত হওয়া গেল যে মোং নিমতলার ঘাটে যে অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ার স্থান নির্মিত হইতেছিল, তাহা এক্ষণে প্রস্তুত হইয়াছে বিশেষতঃ গত সোমবার অবধি ঐ স্থানে শবের সৎকার করিতে আরম্ভ করিয়াছে। ইহাতে অনেকের পরিশ্রম দূর হইয়াছে।’ এই সংবাদ হতে বুঝতে পারা যায় যে বর্তমান নিমতলা ঘাটে ইংরেজি ১৭ মার্চ ১৮২৮ খ্রীষ্টাব্দ বা ৬ চৈত্র ১২৩৪ সন হতে শবদাহ শুরু হয়েছে। পরবর্তীকালে বহু অর্থব্যয়ে পোর্ট কমিশনাররা নিমতলা ঘাটের ইমারত তৈরী করে দেয়। রানী রাসমণির স্বামী রাজচন্দ্র ১৮৩৪ খ্রীষ্টাব্দে এখানে গঙ্গাযাত্রীদের জন্য একটা ঘর তৈরী করে দেন। ১৯৭৭ খ্রীষ্টাব্দের ‘ঐতিহাসিক’ পত্রিকায় (পৃষ্ঠা ৭ ) শ্রীরাধারমণ মিত্র মশায় লিখেছিলেন যে কাশী মিত্রের ঘাটে বিভিন্ন হাসপাতালের কাটাছেঁড়া মড়া পোড়ানো হয়। প্রকৃতপক্ষে এরূপ মড়া পোড়ানো হয় নিমতলা ঘাটে। আমি রাধারমণ বাবুর ঐ ভুল সংশোধন করে দিই। (‘গঙ্গার ঘাট’ পৃষ্ঠা ৬৯ দ্রষ্টব্য)

    ১৬১০ খ্রীষ্টাব্দে চিত্তেশ্বরী মন্দির নির্মিত হয় বলে মন্দিরের মাথায় লেখা আছে। মন্দিরটা গান ফাউণ্ডারী রোডে অবস্থিত। পূর্বে ডাকাতরা চিত্তেশ্বরী আরাধনা করে তবে ডাকাতি করতে বেরুত। ডাকাতদেরই এক সরদারের নাম ছিল চিতে। জনশ্রুতি তার নাম থেকেই চিত্তেশ্বরী নামের উদ্ভব। কিন্তু কিংবদন্তী অনুযায়ী মনোহর ঘোষ ওরফে মহাদেব ঘোষ চিত্তেশ্বরী দেবী প্রতিষ্ঠা করেন। মনোহর ঘোষের মৃত্যু হয় ১৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দে। এই চিত্তেশ্বরীর নাম থেকেই চিৎপুর নামের উৎপত্তি। কলিকাতা কালেকটরের ১৭৬১ খ্রীষ্টাব্দের এক পাটা অনুযায়ী চিৎপুর ছিল আমিরাবাদ পরগণার অন্তর্ভুক্ত। সম্প্রতি বীরেন রায় মশায় তাঁর ‘ক্যালকাটা’ বইয়ে ১৬১৬ খ্রীষ্টাব্দের চিত্তেশ্বরী মন্দিরের একটা ছবি দিয়েছেন। ১৬১৬-তে ইংরেজরা বাঙলা দেশে আসে নি। সুতরাং ওটা কোন ইংরেজ শিল্পীর আঁকা ছবি নয়। ছবিটা কোন্ দেশীয় শিল্পীর আঁকা এবং তাঁর নাম কি এটা না জানা পর্যন্ত ওই ছবিটার প্রামাণিকতা সম্বন্ধে সন্দেহ করবার যথেষ্ট অবকাশ আছে।

    ঠনঠনিয়ায় অবস্থিত সিদ্ধেশ্বরী কালী উদয়নারায়ণ নামে এক ব্রহ্মচারী প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর মৃত্যুর সময় পর্যন্ত তিনিই দেবীর পুরোহিত ছিলেন। বর্তমান মন্দিরের গায়ে ১১১০ সাল লেখা আছে। ইংরেজি হিসাব অনুযায়ী এ তারিখ দাঁড়ায় ১৭০৯ খ্রীষ্টাব্দ। অনেকে এটাকেই মন্দির নির্মাণের তারিখ ধরে নিয়েছেন। তা যদি হয় তা হলে বলতে হবে যে গোবিন্দরাম মিত্রের কুমারটুলির নয় চূড়া বিশিষ্ট সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের (আগে দেখুন) চেয়েও এটা পুরানো। কিন্তু আমার মনে হয় তারিখটা সন্দেহজনক। বোধ হয় এটা কোন রকমে গুলিয়ে গেছে, শঙ্কর ঘোষ যখন বর্তমান মন্দির তৈরী করে দেন তার সঙ্গে। কেননা, বাংলা সন ১২১০ সালে ঠনঠনিয়ার শঙ্করচন্দ্র ঘোষ (যার নাম থেকে শঙ্কর ঘোষ লেনের নাম হয়েছে) দেবীর বর্তমান মন্দির তৈরী করে দিয়েছিলেন। ১৯৪৬ খ্রীষ্টাব্দে হিন্দ-মুসলমান দাঙ্গার সময় মন্দিরটাকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। ঠনঠনিয়ার দেবীমূর্তি মাটির তৈরী। এর গায়েই এক শিব মন্দির আছে।

    ২৪৪ নং বৌবাজার ষ্ট্রীটে (এখন বিপিন বিহারী গাঙ্গুলী স্ট্রীট) ‘ফিরিঙ্গি কালীর মন্দির অবস্থিত। এখানেও কালী মন্দিরের গায়ে একটা শিবমন্দির আছে। এই কালীর প্রতিষ্ঠা সম্বন্ধে নানারূপ জনশ্রুতি আছে। এক জনশ্রুতি অনুযায়ী শ্রীমন্ত নামে এক ডোম এই কালী প্রতিষ্ঠা করে, এবং নিজেই এর পূজারী ছিল। এই ডোম বসন্তের চিকিৎসা করত, এবং সেজন্য মন্দিরের মধ্যে একটি শীতলা মূর্তিও প্রতিষ্ঠা করেছিল। বসন্ত রোগাক্রান্ত স্থানীয় ফিরিঙ্গি বাসিন্দারা শ্রীমন্তের শরণাপন্ন হত, এবং নিরাময় হলে দেবীর পূজা দিত। সেজন্যই এর নাম ফিরিঙ্গি কালী। অপর জনশ্রুতি অনুযায়ী কবিয়াল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি এই কালী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এবং সেজন্যই এর নাম ফিরিঙ্গি কালী। বর্তমান সেবাইতরা ব্রাহ্মণ।

    উত্তর কলকাতায় আরও অনেক কালীমন্দির আছে। যথা,

    ১। বরানগরে জয় মিত্রের কালীমন্দির,

    ২। বাগবাজারে চিৎপুর খালের পুলের নিকট ব্যোমকালী মন্দির, ৩। বাগবাজার ষ্ট্রীটের শেষে বাগবাজারের কালী,

    ৪। শ্যামবাজার বাজারের গায়ে জয়কালীর মন্দির,

    ৫। শ্যামপুকুর থানার পশ্চিমে কম্বুলিয়াটোলার কালী,

    ৬। চিত্তরঞ্জন অ্যাভেন্যু ও রাজা নবকৃষ্ণ স্ট্রীটের সংযোগস্থলে লাল মন্দিরের কালী ইত্যাদি।

    উপকণ্ঠে অবস্থিত দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী কালী ইদানীংকালে এত জনপ্ৰিয়তা লাভ করেছে যে, ওর সম্বন্ধে কিছু বলা দরকার। ১২৬২ বঙ্গাব্দের ১২ জ্যৈষ্ঠ স্নানযাত্রার দিন এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন জানবাজারের রাজচন্দ্র মাড়ের বিধবা রানী রাসমণি। এর প্রতিষ্ঠার ইতিহাসটা খুব চমকপ্রদ। রানী যাচ্ছেন কাশী, দর্শন করতে অন্নপূর্ণাকে ও মহাভিক্ষুক বিশ্বনাথকে। যাচ্ছেন রাজরানীর মত। সঙ্গে একশখানা নৌকা, নানা সামগ্রীতে ভরা। রানী দুহাতে সে সব বিলোবেন। সঙ্গে আরও যাচ্ছে শত শত দাসদাসী ও আত্মীয় পরিজন। উত্তরে দক্ষিণেশ্বর গ্রাম পর্যন্ত এসেছেন,—স্বপ্ন দেখলেন রানী রাসমণি। দেখলেন দেবী ভবতারিণী নিজে এসে দাঁড়িয়েছেন। বলছেন, ‘কাশী যাবার দরকার নেই। এই ভাগীরথীর পারেই আমাকে প্রতিষ্ঠা কর। আমাকে অন্নভোগ দে।’ রানীর আর কাশী যাওয়া হল না। এক লপ্তে কিনলেন ষাট বিঘে জমি। জমিটা ছিল হেষ্টি নামে এক সাহেবের, আর বাকীটায় ছিল মুসলমানদের এক কবরখানা ও গাজী পীরের থান। জমির গড়নটা ছিল কচ্ছপের পিঠের মত। তন্ত্র মতে নাকি ওরকম জমিই শক্তি সাধনার অনুকূল। এরকম জমি পাওয়াতে, রানী নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করলেন। মন্দির প্রতিষ্ঠা করলেন বটে, কিন্তু এক সঙ্কট দেখা দিল। কলকাতার পণ্ডিতসমাজ পাতি দিল শূদ্রাণীর অধিকার নেই দেবতাকে ভোগ দেবার। সে সঙ্কট থেকে, রানীকে বাঁচান ঝামাপুকুর চতুষ্পাঠীর রামকুমার চট্টোপাধ্যায়। তিনি বিধান দিলেন প্রতিষ্ঠার আগে রানী যদি দক্ষিণেশ্বরের যাবতীয় সম্পত্তি কোন ব্রাহ্মণকে দান করেন, তবে অন্নভোগ চলতে পারে। এই পাতি পাবার পর রানী ঠিক করলেন তাঁর গুরুর নামে মন্দির প্রতিষ্ঠা করবেন। কিন্তু পূজক হবে কে? তাঁর গুরু বংশের কেউ পূজা অর্চনা করে, এটা রানীর অভিপ্রায় ছিল না। কেননা, তাঁরা সবাই অশাস্ত্রজ্ঞ, আচার সর্বস্ব। কিন্তু কোন ব্রাহ্মণই পূজা করতে রাজী হল না। সে বিপদেও উদ্ধার করলেন রামকুমার। তিনি বললেন, পূজকের অভাবে মন্দির যখন প্রতিষ্ঠা হয় না, তখন বেশ আমিই পূজক হব। রামকুমারই পূজক হলেন ও তারপর তাঁর ভাই গদাধর—রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। এখানে বলা দরকার যে দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণী পাষাণময়ী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }