Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সে আর এক কলকাতার

    ‘সে রামও নেই, সে অযোধ্যাও নেই। এ বচনটা আজকের কলকাতা সম্বন্ধে বিশেষভাবে খাটে। আজকের কলকাতা দেখে কেউই অনুমান করতে পারবে না, আমার ছেলেবেলার কলকাতার চেহারা কি রকম ছিল। আমার ছেলেবেলার কথা বলতে আমি ৮০/৮৫ বছর আগেকার কথা বলছি।

    আমার ছেলেবেলায় ছেলেরা পড়াশুনায় আজকালকার ছেলেদের চেয়ে বেশী মনোযোগী ছিল। খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে তারা পড়াশুনায় মন দিত। সকালে ঘুম থেকে উঠবার জন্য তাদের এলারম ঘড়ির দরকার হত না। ভোরবেলা পথে লোকজন বেরুবার আগেই করপোরেশনের ঝাড়ুদাররা রাস্তা ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করে দিত। এই ঝাড়ুদারদের ঝাঁট দেবার শব্দটাই আমাদের কাছে এলারম্ ঘড়ির কাজ করত। রাস্তা দিনে দুবার ঝাঁট দেওয়া হত। একবার ভোরবেলা, আর একবার দুটো/তিনটার সময় ৷ ঝাঁট দিয়ে আবর্জনাগুলো এক নির্দিষ্ট স্থানে জড় করে রাখত।

    ঝাড়ুদারদের কাজ শেষ হবার আগেই শব্দ হত আবর্জনা নিয়ে যাবার গাড়ির। এগুলি ছিল ঘোড়ায় টানা লোহার গাড়ি। তবে গলিঘুঁজির ভিতর গাড়িগুলি যেত না। গলিঘুঁজির ভিতর থেকে ঝাড়ুদাররা তিন চাকার ঠেলাগাড়ি করে আবর্জনা বড় রাস্তার নির্দিষ্ট স্থানে এনে রাখত। সেখান থেকে ঘোড়ায় টানা আবর্জনা-বাহী গাড়িগুলি সেগুলিকে উঠিয়ে নিয়ে যেত। আমাদের শ্যামবাজার-বাগবাজার অঞ্চলে আবর্জনা-বাহী ঘোড়ার গাড়িগুলি আবর্জনা দু’জায়গায় নিয়ে গিয়ে জড়ো করত। একটা জায়গা ছিল বাগবাজারে অন্নপূর্ণা ঘাটের সামনে একটা সরু গলির ভিতর। আর একটা ছিল সারকুলার রোড ও উল্টাডাঙ্গা রোডের মোড়ের সামান্য দক্ষিণে। ওখানে একটা উঁচু পাকা প্লাটফরম ছিল, তার দু’দিক ছিল ঢালু, যাতে গাড়ি প্লাটফরমের ওপর উঠে আবার বিপরীত দিক দিয়ে নেমে আসতে পারে। ওই প্লাটফরমের ওপর শহরের যত আবর্জনা জড় করা হত।

    শহরের ভিতর দিয়ে করপোরেশনের একটা রেলপথ ছিল। এই রেলপথটা তৈরী করা হয়েছিল ১৮৬৮-৬৯ খ্রীষ্টাব্দে। তার মানে করপোরেশন গঠিত হবার পাঁচ বছর পরে। এটা বাগবাজারের অন্নপূর্ণা ঘাটের সামনে থেকে শুরু করে সমস্ত বাগবাজার স্ট্রীটের উত্তরাংশ দিয়ে কর্ণওয়ালিশ স্ট্রীটে এসে সারকুলার রোড ধরে ধাপা পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। আগে সারকুলার রোড ও উল্টাডাঙ্গার মোড়ের কাছে যে প্লাটফরমের কথা বলেছি রেলগাড়িটা ওই প্লাটফরমের গা ঘেঁষে যেত। প্লাটফরমের ওপর থেকে সমস্ত আবর্জনা রেলগাড়িতে ভরতি করে দেওয়া হত। অনুরূপ প্লাটফরম ছিল, রাজাবাজারের কাছে; সেখানেও আবর্জনা ওই রেলের মালগাড়িতে ভরতি করা হত। এ রকম ভাবে আবর্জনা নিতে নিতে রেলগাড়িটা ধাপা পর্যন্ত যেত। সেখানে গাড়িগুলি খালাস করা হত।

    রেলগাড়িটা করপোরেশনের আর এক রকম কাজেও লাগত। রেলপথটার সংযোগ ছিল ইষ্টার্ন রেলের (তখন নাম ছিল ইষ্টার্ন বেঙ্গল স্ট্রেট রেলওয়ে।)চিৎপুর রেল ইয়ার্ডের সঙ্গে। কলকাতার রাস্তাঘাট মেরামতের জন্য ফুটপাতের ধারে ও নর্দমায় বসাবার জন্য করপোরেশনের দরকার হত অনেক পাথরকুচি ও পাথরের থান বা স্ল্যাব (slab)। এগুলি রেলপথে বাইরে থেকে আসত, এবং মালগাড়িগুলি চিৎপুর রেল ইয়ার্ডে এসে পৌঁছলে, এগুলোকে টেনে আনা হত পোর্ট ট্রাস্টের রেলপথ দিয়ে অন্নপূর্ণা ঘাটের সামনে। তারপর করপোরেশনের রেল ওগুলিকে টেনে এনে খালাস করত করপোরেশনের মেটাল ইয়ার্ডে। মেটাল ইয়ার্ড ছিল আজ যেখানে বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গোৎসব হয় সেখানে। প্রথম যখন পুজা হয়, জায়গাটা তখন আরও বিস্তীর্ণ ছিল। এখন এটাকে সঙ্কুচিত করে আনা হয়েছে। এ জায়গাটার একটা ঐতিহাসিক পটভূমিকা আছে। ইংরেজরা যখন প্রথম কলকাতায় আসে, তখন খালধার পর্যন্ত উত্তর পার্শ্বস্থ জমি সমেত ওখানে ছিল পেরিন সাহেবের বাগানবাড়ী ও জাহাজ ঘাটা। ১৭৫৬ খ্রীষ্টাব্দে সিরাজদ্দৌলা যখন কলকাতা আক্রমণ করে, তখন ইংরেজরা এখানেই স্থাপন করেছিল একটা তোপমঞ্চ (battery), এবং এখানেই হয়েছিল দুই পক্ষের প্রথম সংঘর্ষ। পরে এটা ওয়ারেন হেষ্টিংস-এর শ্বশুর মহাশয় কিনে নিয়েছিলেন, এবং সেই উপলক্ষ্যে ওয়ারেন হেষ্টিংস মাঝে মাঝে বাগবাজারের ওই বাগানবাড়ীতে এসে বাস করতেন।

    আমার ছেলেবেলার রাস্তাঘাট ঠিক এখনকার মত ছিল না। তবে সে যুগের মান অনুযায়ী রাস্তাঘাট ভালই ছিল। প্রতি বৎসর নিয়মিত সময়ে রাস্তাঘাট মেরামত করা হত। প্রথমে রাস্তার তলায় ঝামা দেওয়া হত, তার ওপর দেওয়া হত পাথরের খোয়া ও তার ওপর ছোট পাথর কুচি। ঝামাই বলুন, আর ছোট বড় পাথর কুচিই বলুন, প্রত্যেক মালটাই ষ্টীম রোলার দিয়ে ভাল করে পেষণ করা হত। করপোরেশনের. অনেকগুলি পেষণকারী ষ্টীম রোলার ছিল। এগুলির চালক বা ড্রাইভাররা ছিল সব ফিরিঙ্গি সাহেব রাস্তা ঠিক ভাবে পেষণ করা হচ্ছে কিনা, তা দেখবার জন্য করপোরেশনে নিযুক্ত ইওরোপীয়ান সাহেব পরিদর্শনকারীরা আসতেন। তাদের মধ্যে ইংরেজিতে কথাবার্তা বলা আমরা ছেলেবেলায় অবাক হয়ে শুনতাম। পাথর কুচি পেষণ করে যখন রাস্তা একেবারে সমতল ও মসৃণ করা হত, তারপর তাকে আরও মসৃণতর করা হত তার ওপর সুরকি বা রাবিশচূর্ণ দিয়ে। গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত কাজটাই ষ্টীম রোলার দিয়ে খুব নিষ্ঠার সঙ্গে করা হত।

    রাস্তার একেবারে ওপরটা রাবিশচূর্ণ দিয়ে মসৃণ করা হত বলে, সেগুলো শুকিয়ে গেলে ধুলো হত। যাতে ধুলো না ওড়ে, সেজন্য দিনে দু’তিনবার জল দেওয়া হত রাস্তায় জল দেবার জন্যে ফুটপাতের ধারে গঙ্গাজলের চাপা কল বসান থাকতো। দু’জন লোক রাস্তায় জল দেবার জন্য তাদের সরঞ্জাম নিয়ে একটা চাপা কল থেকে আর একটা চাপা কলে ছুটে যেত। সরঞ্জামের মধ্যে ছিল একটা ক্যানভাসের চার-ইঞ্চি ব্যাস পরিমিত মোটা (hose) পাইপ। তার এক দিকে লাগানো থাকত একটা তামার তৈরী সরু লম্বা- নল, আর অপর দিকে থাকতো প্যাঁচ দিয়ে রাস্তার চাপা কলের সঙ্গে সংযুক্ত করবার জন্য একটা পিতলের প্যাঁচকল। ওই অংশটায় লাগিয়ে দিয়ে, একটা ইংরেজি “T” আকারের রেঞ্চ দিয়ে কলটার চাবি খোলা হত, যাতে কল থেকে খুব তোড়ে জল বেরোয়। তারপর অপর ব্যক্তি লম্বা নলবিশিষ্ট অংশটি ধরে রাস্তাটাকে বেশ করে ভিজিয়ে দিত। কোথাও আগুন লাগলে জলের জন্য দমকল বাহিনী রাস্তার এই কলের জলই ব্যবহার করত। তবে প্রসঙ্গত পাঠকদের জানিয়ে রাখি, তখনকার দিনে দমকলের গাড়ী ঘোড়ায় টানতো কিন্তু তারা খুব তৎপরতার সঙ্গে অকুস্থলে এসে উপস্থিত হত।

    তবে চৌরঙ্গী অঞ্চলে রাস্তায় জল দেওয়া হত না। সেখানে রাস্তা কেরোসিন তেল দিয়ে পালিশ করা হত। (তখনকার দিনে প্রত্যেক সওদাগরী অফিসের সব ঘরও কেরোসিন তেল দিয়ে পালিশ করা হত)। সাহেব পাড়া আর দেশী পাড়ার মধ্যে এই বিষয়েই যে তফাৎ ছিল তা নয়; আর একটা বিষয়েও তফাৎ ছিল। সেটা হচ্ছে ফুটপাতের! কলকাতায় প্রথম ফুটপাত তৈরী হয় ওলড কোর্ট হাউস ষ্ট্রীটে ১৮৬১-৬২ খ্রীষ্টাব্দে। সাহেব পাড়ার ফুটপাতগুলো ঢাকা ছিল বড় বড় চৌকো পাথরের থান* দিয়ে। (যে সময়ের কথা বলছি সেটা আমার ছেলেবেলার, তখনও সিমেন্টের প্রচলন হয় নি)। আর দেশী পাড়ার ফুটপাতগুলি ছিল একেবারে কাঁচা মাটির। তার ফলে বর্ষাকালে ফুটপাত দিয়ে হাঁটলে (না হাঁটলে আদালতে শাস্তি পেতে হত, পরে দেখুন) পায়ে এক গোছ কাদায় ভরে যেত। তখনকার দিনের দেশীপাড়া বলতে বৌবাজার স্ট্রীটের উত্তরাংশ বুঝাতো। দেশী-পাড়ার একমাত্র জায়গা যেখানে ফুটপাত পাথরের থান দিয়ে বাঁধানো ছিল, সেটা হচ্ছে হেদুয়ার ধারে বেথুন কলেজের সামনে ও তার অপর দিকের ফুটপাতে। এটা আমার মনে হয় জেনারেল এমব্লিজ ইনষ্টিটিউশন-(পরে স্কটিশ চার্চেস কলেজ)-এর সাহেব মেমেদের ও বেথুন কলেজের মেয়েদের সুবিধার জন্যে। দেশীপাড়ার ফুটপাতগুলি প্রথম সিমেণ্ট দিয়ে বাঁধানো হয় প্রথম মহাযুদ্ধের সময়।

    ফুটপাত সম্বন্ধে প্রসঙ্গত আর একটা কথা এখানে বলা দরকার। প্রতি রাস্তার মোড়ে চার ভাষায় লিখিত কমিশনার অফ পুলিশের বিজ্ঞপ্তি ছিল—”যুক্তিযুক্ত কারণ ব্যতীত ফুটপাত ব্যতীত রাস্তা দিয়া চলিলে, অপরাধী অভিযুক্ত হইবে ও শাস্তি পাইবে।” রাস্তা দিয়ে যারা হাঁটতো, পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যেত। সেজন্য সকলকেই ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে হত। তখনকার দিনে ফুটপাত ভাড়া দেওয়া করপোরেশন অত্যন্ত গর্হিত ও জঘন্য কাজ বলে মনে করত।

    তবে কলকাতায় তখন এত রাস্তাঘাট ছিল না। গলিঘুঁজি অবশ্য অনেক ছিল। দক্ষিণ থেকে উত্তরে আসতে হলে কলকাতার মাত্র একটা রাস্তাই ব্যবহৃত হত। সেটা হচ্ছে কর্ণওয়ালিশ স্ট্রীট (বর্তমান বিধান সরণী) ও তার দক্ষিণে কলেজ স্ট্রীট ও ওয়েলিংটন স্ট্রীট। অবশ্য কলকাতায় আরও দুটি রাস্তা ছিল—সারকুলার রোড যার আধখানা দখল করে রেখেছিল ময়লা ফেলা রেলগাড়ি, আর চিৎপুর রোড যেটা কলকাতার সবচেয়ে পুরানো রাস্তা ও অতি সঙ্কীর্ণ। এর কোনওটাই কর্ণওয়ালিশ স্ট্রীটের মত প্রশস্ত ও সুন্দর রাস্তা ছিল না। বস্তুতঃ এ রাস্তটার সৌন্দর্য ছিল অপূর্ব। রাস্তার দুধারে ছিল দশ বিশ হাত অন্তর কৃষ্ণচূড়ার গাছ। গাছগুলিতে যখন ফুল ফুটতো, তখন মনে হত রাস্তার দুধারের মাথার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে লাল ফুলের ঢেউ।

    সেজন্য যখনই ছোটলাট (গভর্ণর) বা বড়লাট। (ভাইসরয় ও গভর্ণর-জেনারেল) কলকাতা (তখন দুজনেই কলকাতায় থাকতেন) থেকে ব্যারাকপুরের লাটবাড়ীতে যেতেন, তখন এই রাস্তা দিয়েই যেতেন। তাছাড়া, এই রাস্তা প্রতি রবিবার কেল্লার (ফোর্ট উইলিয়ামের) গোরা সৈন্যরা দলবদ্ধ হয়ে মার্চ করতে করতে দমদম ও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্টে যেত।

    আর পূব থেকে পশ্চিমে যাবার বড় রাস্তাগুলি ছিল যথাক্রমে ধর্মতলা স্ট্রীট, বৌবাজার ষ্ট্রীট, হ্যারিসন রোড, (এটা আমি জন্মাবার কয়েক বছর আগে ১৮৯২ খ্রীস্টাব্দে তৈরী হয়েছিল) বিডন স্ট্রীট, গ্রে স্ট্রীট, বাগবাজার স্ট্রীট ও শ্যামবাজার স্ট্রীট। বিডন স্ট্রীট তৈরী হয় ১৮৬৮ খ্রীষ্টাব্দে ও গ্রে স্ট্রীট ১৮৭৩ খ্রীষ্টাব্দে। এদের মধ্যে বিডন স্ট্রীট ও শ্যামবাজার স্ট্রীটের একটা ঐতিহ্য ছিল, কেননা এই দুটি রাস্তা দিয়েই রাসপূর্ণিমার দিনে পরেশনাথের মিছিল যেত। (এখন সে মিছিলের আর প্রাচীন সমারোহ নেই)। একবার মিছিলের সময় শ্যামবাজার স্ট্রীট মেরামত হচ্ছিল। সেজন্য পরেশনাথের মিছিল গ্রে স্ট্রীট দিয়ে ঘুরে যায়। তারপর থেকে মিছিলটা ওই রাস্তা দিয়েই যেতে থাকে।

    সাহেব পাড়ার সঙ্গে দেশী পাড়ার রাস্তাঘাটের তফাৎ থাকলেও একথা স্বীকার করতে হবে যে ইংরেজ আমলে, করপোরেশন কলকাতার রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবার জন্য যতটা সচেষ্ট ছিল, পরবর্তী যুগে আর সেটা লক্ষ্য করি নি। আমার ছেলেবেলার যুগে যদি পণ্ডিত নেহেরু কলকাতায় এসে এটাকে “নোংরা শহর” বলতেন, তা হলে বলতে বাধ্য হতাম যে তিনি সত্যের অপলাপ করছেন।

    পাছে লোকে রাস্তার যেখানে সেখানে প্রস্রাব করে, তা নিরোধের জন্য প্রতি ২৫০ গজ অন্তর একটা করে সাধারণের প্রস্রাবাগার ছিল। এ ছাড়া, প্রতি গলির মুখে দুভাষায় লেখা থাকত “Commit No Nuisance, এখানে প্রস্রাব করিও না।” পুলিশও ওঁত পেতে থাকতো; প্রস্রাব করলেই ধরে নিয়ে যেত। সাজা একরাত্রি হাজত বাস ও পরদিন আদালতে তিন টাকা থেকে পাঁচ টাকা জরিমানা। এখন সাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রস্রাবাগারগুলি তুলে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে পথচারী, ফেরিওয়ালা, দোকানদার প্রভৃতি রাস্তাতেই প্রস্রাব করে। একটা দৃষ্টান্ত দিই। আজ শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে যেখানে নেতাজীর অশ্বারোহী মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে, ওখানে আগে ছিল সাধারণের ব্যবহারের জন্য একটা প্রস্রাবাগার।

    এছাড়া শহরের বহু জায়গায় ছিল বড় বড় হামাম। এগুলিকে আমার ছেলেবেলায় ‘হৌস’ বলা হত। এগুলো ছিল সাধারণের স্নান করবার ও কাপড় কাচবার জায়গা। মেয়ে ও পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা ছিল। আমাদের শ্যামবাজারে একটা হৌস ছিল শ্যামবাজার ট্রাম ডিপোর পাশে। ওখানে ছিল একটা বিরাট বস্তি। ওই বস্তিটাকেই উচ্ছেদ করে মল্লিকরা তাদের বিশাল বাড়ী তৈরী করে।

    ওই সময়েই ওই ‘হৌস’টাকে বিলুপ্ত করা হয়। এ রকম ‘হৌস’ কলকাতা শহরে কয়েক শত ছিল। সেগুলি আর নেই। তবে এখনও নজরে পড়ে দু-তিনটা হৌস। একটা শ্যামবাজারের পোস্ট অফিসের সামনে মোহনবাগান লেনে ঢুকতে বাম দিকে, একটা রাজাবাজারের সামনে আর একটা প্রিনসেপ ষ্ট্রীটে।

    ঊনবিংশ শতাব্দীর ছয়ের দশকে শহরে প্রথম মাটির তলায় জলনিকাশের জন্য ড্রেন পাইপ বসানো হয়। আমি জন্মাবার কয়েক বছর আগে এক ভীষণ ভূমিকম্প হয়েছিল। আমি ছেলেবেলায় শুনেছিলাম যে পানীয় জলের পাইপ ও ড্রেন পাইপ –এদুটো পাশাপাশি থাকার দরুন এই ভূমিকম্পে মাটির তলার দুটি পাইপই চিড় খেয়ে যায়। তার ফলে সেই সময় থেকে একটার জল আর একটাতে অনবরত আনাগোনা করছে। সেটাই নাকি এই শহরে সংক্রামক ব্যাধির কারণ।

    মাটির তলায় জলনিকাশের ব্যবস্থা হবার পর করপোরেশন শহরবাসীদের পাকা পায়খানা নির্মাণ করতে পরামর্শ দেন। তবে আমার ছেলেবেলায় পায়খানার সিস্টার্নের জন্য ব্যবহার করা হত গঙ্গোদক। আর অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহৃত হত পরিশোধিত পানীয় জল। তবে পাকা পায়খানা হওয়া সত্ত্বেও, আমি আমার ছেলেবেলায় বহু বাড়ীতে খাটা পায়খান থাকতে দেখেছি। বিশেষ করে বস্তির বাড়ীগুলোতে তো ছিলই। এ সকল খাটা পায়খানার মল পরিষ্কার করবার জন্য করপোরেশনের বহু মেথর ও মেথরাণী ছিল। তাদের বসবার জন্য করপোরেশন বহু ঘরবাড়ীও তৈরী করে দিয়েছিল।

    শহরে পানীয় জল সরবরাহের জন্য প্রথম কতকগুলি পুষ্করিণী ছিল, যেমন—লালদীঘি, গোলদীঘি, হেদুয়া প্রভৃতি। তবে সে সব একশো বছর আগেকার কথা। তারপর যখন নলের সাহায্যে জল সরবরাহ শুরু হল, তখন করপোরেশন কতকগুলি জলাধার সৃষ্টি করল। শহরের ভিতর এ রকম জলাধার ছিল ওয়েলিংটন স্কোয়ার ও বিডন স্কোয়ারে। এ দুটি পার্কের মধ্যে এখন যেখানে উঁচু জায়গা দেখতে পাওয়া যায়, জলাধারগুলি সেখানেই ছিল। তারপর ১৯১১ খ্রীষ্টাব্দে টালার ওপর-তলার জলাধার নির্মিত হবার পর, করপোরেশন খুব বৃহদাকার (আট ফুট ব্যাস) নল শহরের রাস্তায় বসালেন। এই বৃহদাকার নল বসান আছে সারকুলার রোডের নীচে। এই বৃহদাকার নল থেকেই অন্য রাস্তার নল শাখা-প্রশাখা হিসাবে বেরিয়ে গেছে। এ সব আমার চোখে দেখা জিনিস। কেননা তখন আমি সারকুলার রোডের ওপর অবস্থিত এক স্কুলে পড়তাম, এবং স্কুলে বসেই এই বৃহদাকার নল বসানো দেখতাম। তারপর ১৯২০ খ্রীষ্টাব্দ নাগাদ পলতার জলাধার ও পাম্পিং ষ্টেশন প্রসারিত করা হল। এই জমিটার ওপরই আমার শ্বশুরদের ১০৮-কামরা বিশিষ্ট বসতবাড়ী ও তৎসংলগ্ন বাগান ছিল। সুতরাং এ সম্বন্ধে আমার জ্ঞান একেবারেই প্রত্যক্ষ। এ ছাড়া শহরের নানা স্থানে ছক্কর গাড়ীর ঘোড়াদের খাবার জন্য ফুটপাতের ধারে অবস্থিত ছিল লোহার তৈরী জলাধার।

    শহরের লোকের আর একটা ভুল ধারণা আমি এখানে দূর করতে চাই। সকলেরই ধারণা যে শহরের জল আসছে টালার ওপরতলার জলাধার থেকে। তা নয়। টালার পাম্পিং ষ্টেশনের উত্তরে মাটির তলায় আছে বহু জলাধার। এগুলি আনুমানিক ১৯২৪ খ্রীষ্টাব্দ নাগাদ তৈরী করা হয়েছিল। এগুলির ওপরই টালার পাম্পিং ষ্টেশনের উত্তরে মনীন্দ্র রোড পর্যন্ত বিস্তৃত পার্কটা অবস্থিত। সাম্প্রতিককালে দক্ষিণদিকেও মাটির তলায় কয়েকটি জলাধার তৈরী করা হয়েছে।

    সে যুগে শহরবাসীদের স্বাস্থ্যটার প্রতি করপোরেশন বিশেষভাবে অবহিত ছিল। যাতে শহরে ভেজাল দ্রব্য বা পচা মাছ বা জলমেশানো দুধ না বিক্রয় হয়, তার জন্য ছিল করপোরেশনের ডাক্তার। তারা রাস্তায় রাস্তায় ও বাজারে বাজারে ঘুরে বেড়াত। রাস্তায় গোয়ালাদের ধরে ল্যাকটোমিটার যন্ত্র দুধের মধ্যে ফেলে দিত। তারপর যদি দুধে জল আছে দেখা যেত, তা হলে সে দুধ ফুটপাতের ধারে ফেলে দিত। (আমার ছেলেবেলায় কলকাতায় টাকায় আট-দশ সের দুধ পাওয়া যেত)। এ রকম বাজারসমূহের বাহিরের নর্দমার ধারে গাদা গাদা পচা মাছ হামেশা দেখতে পাওয়া যেত। সবই করপোরেশনের ডাক্তার কর্তৃক বাতিল করা মাছ। এ সব কাজে করপোরেশনের ডাক্তারদের সাহায্য করত করপোরেশনের পুলিশ। হ্যাঁ, করপোরেশনের নিজস্ব পুলিশ ফোর্স ছিল। এদের পোষাক ছিল খাঁকি রঙের ইউনিফরম ও নীল রঙের পাগড়ি। আর সাধারণ পুলিশের পোশাক ছিল সাদা রঙের ইউনিফর্ম ও লাল রঙের পাগড়ি। সকলেরই হাতে থাকত লম্বা লাঠি। করপোরেশনের পুলিশের মুখ্য কাজ ছিল শহরের যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা। তারা বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখত যানবাহনটানা গরু ঘোড়াকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে কিনা। তখন কলকাতা পুলিশের কোন ট্রাফিক পুলিশ ছিল না। পরে ১৯২১ খ্রীষ্টাব্দের পর করপোরেশনের পুলিশ ফোর্স তুলে দেওয়া হয়। করপোরেশনের এই বিভাগের কাজ গ্রহণ করে কলকাতা পুলিশের ভেহিকলস ডিপার্টমেন্ট ও সোসাইটি ফর দি প্রিভেনশন অভ্ ক্রুয়েলটি টু অ্যানিমেলস্।

    তখন শহরের যানবাহন বলতে ছিল ঘোড়ার গাড়ি ও পালকি, আর মালবহন করবার জন্য ছিল গরু ও মহিষের গাড়ি। খুব বড়লোকদের দু-চার খানা মোটরগাড়ি ছিল। এই সকল গাড়ি-ঘোড়া ইত্যাদির লাইসেন্স করপোরেশন প্রদান করত। এখনকার মত পুলিশ নয়। সাহেবসুবো ইওরোপীয়নরা ঘোড়ার গাড়িই ব্যবহার করত।

    শহরে স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য যে মাত্র করপোরেশনের নিযুক্ত ডাক্তার ছিল, তা নয়। তখন কলকাতা শহরের বহু জায়গায় ছিল গোয়ালাদের খাটাল। বাগবাজারের রাজবল্লভপাড়ায় ও গোয়াবাগানে এ রকম বহু খাটাল ছিল। খাটালসমূহে গরুগুলিকে যাতে স্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে রাখা হয়, তা প্রদর্শনের জন্য করপোরেশন একটা আদর্শ গোশালা স্থাপন করেছিল। এটা অবস্থিত ছিল বাগবাজারে নন্দলাল বসু লেনে। পরে গোশালাটা উঠে যাবার পর, ওই জমিটাই করপোরেশন লীজ স্বত্বে দেয় মহারাজা কাশিমবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিট্যুটকে। ওইখানেই এখন ওই স্কুলটা অবস্থিত। আমি যখন ওই স্কুলের সেক্রেটারী ছিলাম, তখন সেই গোশালার ঘরটাই ব্যবহৃত হত হাতের কাজ (technical subjects) শিক্ষা দেবার জন্য। এখন এটা তুলে দেওয়া হয়েছে!

    আমার ছেলেবেলায় শহরের বড় রাস্তাগুলোয় ছিল গ্যাসের আলো। গলিঘুঁজির ভিতর তখনও তেলের আলো জ্বলত। আর লোকের বসত বাড়ীতে? তখনও হারিকেন লানটার্ন আমদানী হয় নি। আমরা পড়াশুনা করতম রেড়ির তেলের প্রদীপের আলোতে। আর তখনকার দিনের লেখা-পড়ার সাজসরঞ্জামের বিষয় বললে, এখনকার অনেক ছেলে আশ্চর্য হয়ে যাবে। ফাউনটেন পেনের তো তখন প্রচলন হয়নি। নিব লাগানো কলমে লিখলেও, সেদিন আর অক্ষত হাতে বাড়ি ফিরতে হত না। যতক্ষণ না হাতের পাতা ফেটে রক্ত বেরুচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত মাষ্টারমশাইরা বেত্রাঘাত করে যেতেন। বাংলা লিখতে হত খাগের কলমে, আর ইংরেজি হাঁসের পালকের কলমে। এ সব আজকালকার দিনে অনেকের কাছে রূপকথা বলে মনে হবে। তবে যারা সে যুগের কথা জানতে চান তাঁরা এই লেখকের ‘কালের কড়চা : চন্দ্রাবতী’ বা ‘শতাব্দীর প্রতিধ্বনি’ বই দুটি পড়তে পারেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }