Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কলকাতার বাজার হাট

    ইংরেজরা যখন প্রথম কলকাতায় এসে বসবাস শুরু করে, তখন কলকাতায় অন্তত দুটো বাজার ছিল। একটা বড়বাজার ও আর একটা সুতানটীর হাট বা হাটখোলার বাজার। এ দুটো বাজারেরই উৎপত্তি ইংরেজদের এখানে আসবার অনেক আগে থেকে। অষ্টাদশ শতাব্দীর একেবারে সূচনায় ইংরেজদের আয়-ব্যয়ের খাতায় বড়বাজার নামটা ইংরেজিতে ভাষান্তরিত হয়ে ‘গ্রেট বাজার’ নামে উল্লিখিত হয়েছে। ১৭০৬ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতার কালেকটর বেনজামিন বাউচার কলকাতা শহরের একটা জরীপ করিয়েছিলেন। ওই জরীপের প্রতিবেদনে বড়বাজার অঞ্চলটা ‘বাজার কলকাতা’ নামে অভিহিত হয়েছিল। ওর দক্ষিণে ছিল ‘ডিহি কলকাতা’ বা ‘টাউন কলকাতা’, আর উত্তরে সুতানটী গ্রাম। ডিহি কলকাতার দক্ষিণে ছিল গোবিন্দপুর গ্রাম। ১৭০৪ খ্রীষ্টাব্দে গোবিন্দপুর গ্রামেও একটা বাজার স্থাপন করা হয়েছিল। এ ছাড়া, ১৭০৬ খ্রীষ্টাব্দে বড়বাজার অঞ্চলে একটা ‘নতুন বাজার’ খোলা হয়েছিল। তবে ‘নতুন বাজার’টা ঠিক কোন জায়গায় খোলা হয়েছিল, তার অবস্থান ইংরেজদের খাতায় পরিষ্কারভাবে লেখা নেই।

    এরূপ চিন্তা করবার যথেষ্ট কারণ আছে যে বড়বাজারের চেয়ে সুতানটীর বাজার আরও পুরানো। এটা সকলেরই জানা আছে যে সরস্বতী নদী শুকিয়ে যাবার পর সপ্তগ্রামের বণিক সমাজভুক্ত শেঠ-বসাকরা এসেই গোগিন্দপুর গ্রামের পত্তন করেছিল। প্রথমে তাদের উদ্দেশ্য ছিল বেতোরের বাণিজ্যে অংশ গ্রহণ করা। গোবিন্দপুরের পাঁচ মাইল উত্তরে বরানগরের তাঁতিদের দিয়ে তারা কাপড় বয়ন করিয়ে, সেই কাপড় বেচত বেতোরের পোর্তুগীজ বণিকদের। বরানগর, তখন বাপ্তা কাপড়ের জন্য বিখ্যাত ছিল। ১৬৩২ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত শেঠরা বরানগরের তাঁতিদের দিয়ে কাপড় তৈরী করিয়ে নিত। তারপর একদল তাঁতি এনে নিজেরাই গোবিন্দপুরে বর্তমান শহীদ মিনারের কাছে একটা বস্ত্র বয়নের কারখানা স্থাপন করে। গোড়া থেকেই এরা গোবিন্দপুরের এক ক্রোশ উত্তরে হাটতলায় সুতার লুটি কেনাবেচা করত। সেজন্যই ওই জায়গাটার নাম হয় ‘সুতালুটি’, ও হাটতলার নাম ‘হাটখোলা’। প্রতি শনিবার এখানে হাট বসত।

    সমসাময়িককালে আর দুটো বাজারের উদ্ভব হয়েছিল। একটা রাধাবাজার ও আর একটা লালবাজার। এ দুটা বাজারের উৎপত্তি সম্বন্ধে যে কিংবদন্তী চালু আছে তা হচ্ছে—শেঠেরা জাঁকজমক করে লালদিঘিতে দোলযাত্রা করত। লাল দিঘির উত্তরে ও দক্ষিণে দুটো দোলমঞ্চ স্থাপন করা হত। দক্ষিণের দোলমঞ্চে স্থাপন করা হত গোবিন্দজীকে। আর উত্তরের দোলমঞ্চে রাধারাণীকে। আবীর বিক্রির জন্য এখানে বসত একটা বাজার। সেই বাজারই পরবর্তীকালে রাধাবাজার নামে খ্যাত হয়েছিল। আর সন্নিকটে শেঠদের কর্তা লালমোহন শেঠ একটা বাজার স্থাপন করেছিল। সেটাই লালবাজার নামে খ্যাত। ১৭৬৮ খ্রীষ্টাব্দে ওই বাজার বর্তমান ছিল। পরে বাজারটা উঠে যায়। এখন শুধু নামটাই আছে।

    ১৭৫৬-৫৭ খ্রীষ্টাব্দের এক বিবরণী থেকে আমরা জানতে পারি যে তখন সুতানটীর হাট সপ্তাহে দুদিন বসত—প্রতি বৃহস্পতিবার ও রবিবার। যে সকল পণ্য সুতানটীর বাজারে বিক্রয় হত ও তা থেকে শুল্ক তোলা হত সেগুলি হচ্ছে—(১) কড়ি, (২) সূতা, (৩) ঔষধ বা ভেষজ, (৪) সরষে প্রভৃতির তেল, (৫) লোহালক্কড়, (৬) তেওর (tyer) বা কলাই, (৭) দুধ, (৮) তালের গুড় (৯) মিঠাই, (১০) লোহার জিনিষ, (১১) রূপার জিনিষ, (১২) পান, (১৩) ফলমূল, (১৪) গাছ, (১৫) তাঁতের কাপড়, (১৬) নুন, (১৭) চাউল, (১৮) মাংস, (১৯) ধনে মশলা, (২০) চুন, (২১) তামাক, (২২) জ্বালানি কাঠ, (২৩) খড় বিচালি, (২৪) মাদুর, (২৫) বাঁশ, (২৬) কাঁসার জিনিষ, (২৭) সুপারি, (২৮) শাক-সবজি, (২৯) আখ, (৩০) কলা, (৩১) তেঁতুল, (৩২) মাছ, (৩৩) সিদ্ধ চাউল, (৩৪) হাঁড়িকলসি, (৩৫) কাপড় ও (৩৬) জুতা।

    ১৭৬০ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় ৩৩টা পুলিশ থানা ছিল। এই সকল থানার নামগুলির মধ্যেও কতকগুলি বাজারে নাম পাওয়া যায়। থানাগুলির নাম হচ্ছে—১। আরমেনিয়ান চার্চ, ২। ওল্ড ফোর্ট, ৩। চাঁদপাল ঘাট, ৪। লালদীঘির দক্ষিণ দিক, ৫। ধর্মতলা, ৬। ওল্ড কোর্ট হাউস, ৭। ডোমতলা, ৮। আমড়াগলি, ৯। পঞ্চাননতলা, ১০। চীনাবাজার, ১১। চাঁদনীচক, ১২। তুরুলবাজার, ১৩। গৌমাপুকুর, ১৪। চড়কডাঙ্গা, ১৫। সিমলাবাজার, ১৬। নুনলঙ্কাবাজার, ১৭। মলঙ্গা, ১৮। পটলডাঙ্গা, ১৯। কুবেরডাঙ্গা, ২০। বৈঠকখানা, ২১। শ্যামপুকুর, ২২। শ্যামবাজার, ২৩। পদ্মপুকুর, ২৪। কুমারটুলী, ২৫। জোড়াসাঁকো, ২৬। মেছুয়াবাজার, ২৭। জানবাজার, ২৮। ডিঙ্গাভাঙ্গা, ২৯। সুতানটী-হাটখোলা, ৩০। দয়েহাটা, ৩১। হাঁসপুকুরিয়া, ৩২। কলিঙ্গা, ৩৩। জোড়াবাগান। এই তালিকা থেকে যে বাজারগুলির নাম আমরা পাই, সেগুলি হচ্ছে—১। চীনাবাজার, ২। চাঁদনীচক, ৩। তুরুলবাজার,

    সিমলাবাজার, ৫। নুনলঙ্কাবাজার, ৬। শ্যামবাজার, ৭। মেছুয়াবাজার, ৮। জানবাজার, ৯। সুতানটী- হাটখোলা বাজার ও ১০। দয়েহাটা। লক্ষণীয় এখানে শোভাবাজারের নাম নেই। না থাকাই স্বাভাবিক, কেননা তখন শোভাবাজারের জন্ম হয় নি। তখন ওই অঞ্চলের নাম ছিল রাসপল্লী, শোভাবাজারের জন্ম হয় ১৭৬৬ খ্রীষ্টাব্দে রাজা নবকৃষ্ণদেব ‘মহারাজ বাহাদূর’ উপাধি ও ছ’হাজারী মনসবদারের পদ পাবার পর। সেজন্য ১৭৬৮ খ্রীষ্টাব্দের এক তালিকায় আমরা প্রথম শোভাবাজারের নাম পাই। ওই তালিকায় কলকাতার মোট ১৮টি বাজারের নাম পাই। এই ১৮টি বাজার হচ্ছে (১) হাটখোলার বাজার, (২) সুতানটি বাজার, (৩) বড়বাজার, (৪) রামবাজার, (৫) সিমলাবাজার, (৬) চার্লসবাজার, (৭) বৈঠকখানা, (৮) আরকলি বাজার, (৯) শোভাবাজার, (১০) জানবাজার, (১১) ধর্মতলা বাজার, (১২) কলুটোলা বাজার, (১৩) মেছুয়াবাজার, (১৪) কলিঙ্গ বাজার, (১৫) জননগর বাজার, রাজানগর বাজার, (১৭) লালবাজার ও (১৮) বৌবাজার। বাজারগুলি সবই ইজারা দেওয়া ছিল, এবং ওই তালিকায় ইজারা গ্রহীতাদের নামও দেওয়া আছে। একমাত্র শোভাবাজারের ক্ষেত্রে কোন গ্রহীতার নাম নেই। সেজন্য মনে হয় শোভাবাজার তখন সবেমাত্র হয়েছে, এবং তখনও কোনও গ্রহীতার আবির্ভাব ঘটেনি। আরও এক কথা, ১৭৬০ খ্রীষ্টাব্দের তালিকায় আমরা শ্যামবাজারের নাম পাই। কিন্তু ১৭৬৮ খ্রীষ্টাব্দের তালিকায় এর কোন উল্লেখ নেই। শ্যামবাজারের ক্রমিকতা বর্তমান কাল পর্যন্ত চলে এসেছে। সুতরাং ১৭৬৮ খ্রীষ্টাব্দে এটা লুপ্ত হয়ে গিয়েছিল, এরূপ অনুমান করবার কোনও যুক্তিযুক্ত কারণ নেই। তবে কি এটা ‘রামবাজার’ বা ‘চার্লসবাজার’ এরূপ কোন নামের অন্তরালে প্রচ্ছন্ন ছিল?

    এর পরে আমরা কলকাতার বাজারসমূহের নাম জানতে পারি ১৭৮৪-৮৫ খ্রীষ্টাব্দে লেফটানেন্ট-কর্ণেল মার্ক উডের অঙ্কিত নকসার ভিত্তিতে ১৭৯২ খ্রীষ্টাব্দে উইলিয়াম বেইলী কর্তৃক প্রকাশিত কলকাতা শহরের মানচিত্র থেকে। এই মানচিত্র থেকে আমরা কলকাতার যে সকল বাজারের নাম পাই, সেগুলি হচ্ছে (১) শ্যামবাজার, (২) বাগবাজার, (৩) শোভাবাজার, (৪) সুতালুটি-হাটখোলা বাজার, (৫) রাজা নবকৃষ্ণের বাজার, (৬) বড়বাজার, (৭) মেছুয়াবাজার, (৮) টিরেটার বাজার, (৯) শোরবোরন-এর বাজার, (১০) শর্টস বাজার, (১১) রাধাবাজার, (১২) চীনাবাজার, (১৩) চাঁদনী চক, (১৪) বৌবাজার, (১৫) তালপুকুর বাজার, (১৬) কলিঙ্গ বাজার, (১৭) মুরগীহাটা, (১৮) জানবাজার, (১৯) বনবাজার, (২০) ফেনউইকস বাজার ও (২১) রুইহাটা। এ ছাড়া, ওই মানচিত্রে গরানহাটার নামও আছে। নাম থেকেই প্রকাশ পায় যে ওই অঞ্চলে এক সময় গরানখুঁটির ব্যবসা চালু ছিল।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে চীনাবাজারে ষ্টেশনারী জিনিষপত্তরই বিক্রি হত। চীনাবাজারের দোকানদাররা অধিকাংশই বাঙালী ছিল। তারা সততার ধার ধারতো না। চীনাবাজারের এই সকল দোকানদারদের আচরণ সম্বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন অ্যাটর্নি উইলিয়াম হিকি এক বিবরণ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন—— মতীর একদিনের বাজার করার অভিজ্ঞতার কথা আমার মনে আছে। জনৈকা বন্ধুপত্নীর সঙ্গে তিনি একদিন কলকাতার চীনাবাজারে বাজার করতে গিয়েছিলেন। চীনাবাজারে তখন বাঙালীদের অনেক দোকান ছিল। বাজারে গিয়ে তাঁর সঙ্গিনী একটির পর একটি দোকান ঘুরে জিনিষপত্র একেবারে তছনছ করে ফেললেন, কিন্তু একটি পয়সারও কিছু জিনিষ কিনলেন না। দোকানদাররা অত্যন্ত বিরক্ত হল। শার্লত (উইলিয়াম হিকির স্ত্রী) আদৌ খুশি হন নি। অবশেষে দোকানদারদের কাছে সম্মান বাঁচাবার জন্য শার্লত কয়েকটি বিলাতী রিবন কেনেন। ব্যাপারটা আমি কিছুদিন পরে জানতে পারলাম, যখন ব্যবসায়ী গোপীদের তরফ থেকে অ্যাটর্নি হ্যামিলটন চিঠি লিখে জানালেন যে দু টুকরা রিবনের জন্য তাঁর ক্লায়েন্টের বত্রিশ সিক্কা টাকা অবিলম্বে আমাকে দিতে হবে, আরও পাঁচ টাকা তাঁর চিঠির খরচ সহ। তা না দিলে সুপ্রিম কোর্টে ওই টাকার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।’ তৎকালীন চীনাবাজারের আরও যে সব বাঙালী দোকানদারদের নাম আমরা জানি তাঁরা হচ্ছেন রেজকিওয়ালা বিপিন বিহারী রায়, ক্যাবিনেট বিক্রেতা কালীপ্রসাদ মুখুয্যে, পাঞ্চ-হাউসের মালিক কৃষ্ণদত্ত, পোষাক-পরিচ্ছদ ব্যবসায়ী কালাচাঁদ ঠাকুর, হুঁকোওয়ালা ভগবতী চরণ ঘোষ ও মিষ্টান্ন বিক্রেতা রামচন্দ্র দাস। এ ছাড়া চিল বাঙালীদের ভাল ভাল বইয়ের দোকান। এ সকল দোকানে পাওয়া যেত সদ্য প্রকাশিত বিদেশ থেকে আনীত ইংরেজি সাহিত্য ও বিজ্ঞানের বই। রামগোপাল ঘোষের পিতা গোবিন্দচন্দ্র ঘোষেরও চীনাবাজারে একটি বইয়ের দোকান ছিল। পরবর্তীকালে চীনাবাজারের এক বিখ্যাত বই আমদানীকারক ছিল সুর অ্যাণ্ড কোম্পানি। এটা এখনও জীবিত আছে।

    বর্তমান রাইটার্স বিল্ডিং-এর পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ ও ইণ্ডিয়া এক্সচেঞ্জ প্রেস-এর মধ্যবর্তী যে স্থানে জেমস ফিনলে কোম্পানির অফিস আছে, ওখানে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে একটা থিয়েটার ছিল। ওই থিয়েটারটা ১৮০৮ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত চলেছিল। তখন গোপীমোহন ঠাকুর ওই থিয়েটার বাড়ীটা ও তার আশপাশের জমিগুলা কিনে নিয়ে ওখানে একটা বাজার স্থাপন করেন। তার নামকরণ হয়েছিল নূতন চীনাবাজার। সেজন্যই রয়েল এক্সচেঞ্জ প্রেসের (বর্তমান ইণ্ডিয়া এক্সচেঞ্জ প্লেসের আগের নাম) নাম ছিল ‘নিউ চীনাবাজার স্ট্রীট’। ১৯১৫ খ্রীষ্টাব্দে রয়েল এক্সচেঞ্জের বাড়ী তৈরীর সময় পর্যন্ত এর নাম ‘নিউ চীনাবাজার স্ট্রীট’-ই ছিল। এই নাম অতীতে গোপীমোহন ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত বাজারের স্মৃতি বহন করত। ওই বাজারের গায়ে অবস্থিত এক মাঠে নিমগাছের তলায় কলকাতার প্রথম শেয়ার বাজার বসত।

    কলকাতার জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কলকাতায় আরও অনেক বাজার স্থাপিত হয়। এমন কি ১০০/২০০ গজের ব্যবধানে একাধিক বাজারের অস্তিত্বও আমাদের নজরে পড়ে। এ পরিস্থিতিটা অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ থেকেই উদ্ভূত হয়েছিল। কেননা, ধর্মতলা-চৌরঙ্গীর মোড় থেকে চাঁদনী চকের মধ্যে তিনটা বাজার ছিল, যথা শোরবরণ বাজার, চাঁদনী চক ও চৌরঙ্গীর বাজার। চৌরঙ্গীর বাজারকে অনেকে ধর্মতলার বাজারও বলত। তিনটা বাজারই অবশ্য বেশ বড় রকমের বাজার ছিল। চাঁদনী চক তো এখনও বিদ্যমান আছে। শোরবরণ বাজার লুপ্ত হয়ে গেছে। এটার অবস্থান ছিল চাঁদনী চকের কিছু পশ্চিমে, বর্তমান ‘ষ্টেটস্ম্যান হাউস’ ও ধর্মতলা স্ট্রীটের অন্তর্বর্তী জায়গায়। আর চৌরঙ্গীর বাজার ১৭৯৯ খ্রীষ্টাব্দে নীলামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। এর বিবরণ আমরা সমসাময়িক সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিজ্ঞাপন থেকে জানতে পারি। এই বাজারটা বিক্রয়ের জন্য ১৭৯৯ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ এপ্রিল তারিখে নীলামদার টুলো অ্যাণ্ড কোম্পানি একটা বিজ্ঞাপন দিয়েছিল। ওই বিজ্ঞাপন থেকে আমরা জানতে পারি যে, যে জমির ওপর বাজারটা অবস্থিত ছিল তার আয়তন ছিল নয় বিঘা। ওই বাজারে ২০৭টি পাকা দোকান ঘর, ১৪৩টা পাকা খিলানযুক্ত দোকান ঘর ও ৩৬টা খুব বড় কাঁচা গুদাম ঘর ছিল। আমরা আরও জানতে পারি ওই বাজার থেকে মাসিক ১০৪৩ টাকা ভাড়া আদায় হত। তৎকালীন মুদ্রামানের দিক থেকে এ টাকা কম নয়। বাজারের চৌহদ্দী সম্বন্ধে ওই বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল যে এটি “bounded by General Shibbert’s house on the east, by the Dhurrmtolah Road to the north, by the Chowringhee Road to the west, and by the Jaun Bazar Road to the south’’. তার মানে, বাজারটার পূর্ব দিকে ছিল জেনারেল শিবারটের বাড়ী, উত্তর দিকে ছিল ধর্মতলা রোড, পশ্চিম দিকে ছিল চৌরঙ্গী রোড ও দক্ষিণে জানবাজার রোড (বর্তমান সুরেন্দ্র ব্যানার্জি রোড)। ১৮৮৭ খ্রীষ্টাব্দে পাথুরিয়াঘাটার যদুলাল মল্লিক এ বাজারটা কিনে নিয়েছিলেন।

    ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে আমরা সমসাময়িক পত্রিকা থেকে গঙ্গার ধারে হাটখোলার কাছে একটা বাজারের নাম শুনি, যার নাম ছিল সুরের বাজার’। খুব সম্ভবত এ বাজারটা হাটখোলার ধনী পরিবার (যদের বাড়ীতে দুর্গাপূজায় ১০৮টা মহিষ বলি হত) সুরেদের বাজার ছিল। এই সময় ‘পোস্তা’ বন্দী করে ষ্ট্রাণ্ড রোডটা তৈরী হয়েছিল, এবং পোস্তার বাজারেরও উদ্ভব ঘটেছিল।

    আগে উল্লিখিত বাজারসমূহ ছাড়া, আরও একটা বাজারের নাম আমরা সমসাময়িক পত্রিকা থেকে পাই। সেটা হচ্ছে ঠনঠনিয়া বাজার। জানবাজারে যে একটা বাজার ছিল, তা আমরা আগেই উল্লেখ করেছি। ১৮২৮ খ্রীষ্টাব্দের ১৫ মার্চ তারিখের সংবাদপত্র থেকে আমরা জানতে পারি যে দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে জানবাজারে পশুপক্ষী ও মাংস বিক্রির জন্য আর একটা বাজার তৈরী হবে, এবং এ বাজারটা স্থাপনের জন্যে যে টাকার প্রয়োজন হবে তা ৩০০ অংশে বিভক্ত হয়ে সংগৃহীত হচ্ছে। এর অংশীদারদের মধ্যে মিষ্টার বেলী, স্যার চার্লস মেটকাফ ও কলকাতার সওদাগরী অফিসসমূহের অন্যান্য সাহেবদের নামের উল্লেখ ছিল। ১৮৪১ খ্রীষ্টাব্দের এক গেজেটিয়ার থেকে আমরা তৎকালীন বাজারগুলির নাম পাই। তবে সে সব বাজারের অধিকাংশই এখন উঠে গেছে। বাজারগুলির নাম—এন্টালি সাউথ রোডে অবস্থিত আরমেনিয়ান বাজার, বালিগঞ্জ বডিগার্ড লাইনের উত্তরে বালিগঞ্জ কা হাট, বাগবাজারে বাগবাজার, পদ্মপুকুর-এণ্টালির দক্ষিণ-পূর্বকোণে বীরু শীলের বাজার, বৌবাজার স্ট্রীটের দক্ষিণে বিশ্বনাথ মতিলালর বাজার, বৈঠকখানা গির্জার দক্ষিণে বৈঠকখানার বাজার, ৬০ নং বৌবাজার স্ট্রীটে বৌবাজার, ৩৪৪ নং চিৎপুর রোডে বোষ্টমচরণ মল্লিকের বাজার, ১৬ নং ধর্মতলা স্ট্রীটে চাঁদনি চক বাজার, গার্ডেনরীচে কর্ণেল পীয়ার্সের বাজার, কলিঙ্গের পশ্চিমে চাউলহাট্টাতে কলিঙ্গ বাজার, সিমলার কলভিন বাজার, মৌলালীর উল্টো দিকে দেবনারায়ণ দাসের বাজার, খিদিরপুরে দেওয়ান গোকুল ঘোষালের বাজার, ১নং ধর্মতলা স্ট্রীটে ধর্মতলা বাজার, হাড়িয়াবাগানের পূর্ব দিকে ফেনউইক বাজার, ফৌজদারী বালাখানার বাজার, ৩৩ মং চিৎপুর রোডে গোপাল মল্লিকের বাজার, ধর্মতলা ও জানবাজারের মাঝখানে গোপীবাবুর বাজার, ভবানীপুর রোডের উল্টো দিকে গঙ্গানারায়ণ সরকারের বাজার, পটলডাঙ্গায় হাজী কারবালাইয়ের বাজার, জানবাজার, ১৩ নং লোয়ার সারকুলার রোডে কাশী মল্লিকের বাজার, ৩৩৩ নং চিৎপুর রোডে লালবাবুর বাজার, ২০৯ নং মেছুয়াবাজার স্ট্রীটে মেছুয়াবাজার, কলেজ স্কোয়ারের পশ্চিমে মাধববাবুর বাজার, আপার সারকুলার রোডে মুনশী আমিলুদ্দিনের বাজার। মাধববাবুর বাজার এই সময়েই স্থাপিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কলুটোলার অন্যতম ধনকুবের মাধবচন্দ্র দত্ত। তিনি ও কলুটোলার অপর ধনকুবের মতিলাল শীল (উভয়েই সুবর্ণবণিক সমাজের লোক) কলুটোলা অঞ্চলে ড্রেন তৈরী করে দিয়েছিলেন। মাধববাবুর বাজার বিংশ শতাব্দীর বিশের দশক পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ওই বাজারটা ভেঙেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ বিল্ডিং তৈরী করা হয়েছে।

    উনিশ শতকে বিশ্বনাথ মতিলাল বৌবাজার অঞ্চলে একাধিক বাজার স্থাপন করেছিলেন। তার মধ্যে একটা বাজার স্থাপিত হয়েছিল, আজ যেখানে ‘কোলে মার্কেট’ অবস্থিত। কোলে মার্কেট বিংশ শতাব্দীতে নফর কোলের ছেলে ভূতনাথ কোলে স্থাপন করে। পাইকারী তরিতরকারি বিক্রয়ের জন্য এটা এখন কলকাতার সবচেয়ে বড় বাজার। কাছাকাছি আর দুটো বাজার আছে। একটা বৈঠকখানার বাজার ও আর একটা শিয়ালদহের বাজার।

    ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যাহ্রে আমহার্ষ্ট স্ট্রীটে দুটো বাজার ছিল। একটা মানিকতলা স্ট্রীটের কাছে চন্দ্র মুখার্জির বাজার ও আর একটা চাঁপাতলা সেকেণ্ড লেনের কাছে চাঁপাতলার ‘নতুন’ বাজার। সমসাময়িক কালেই ভবানীপুরে যদুবাবুর বাজার (এখন বিকৃত হয়ে জগুবাবুর বাজার হয়েছে) স্থাপিত হয়। ওখানে আগে একটা প্রকাণ্ড বাগানবাড়ী ছিল, সেটা রানী রাসমণি কিনে তাঁর দৌহিত্র (রানী রাসমণির দ্বিতীয় কন্যা কুমারী দাসীর ছেলে) যদুনাথ চৌধুরীকে দান করেন। তিনিই ওখানে একটা বাজার বসান। একটা বাজার বেলেঘাটায় ছিল, নাম পামার বাজার। এটা ক্যাপটেন ফ্রাঙ্ক পামার স্থাপন করেছিলেন। ওরই নিকটে এখন আছে মুনশী বাজার। খিদিরপুরেও কয়েকটা বাজার ছিল, যথা কুলীবাজার, অরফানগঞ্জ বাজার প্রভৃতি। গড়িয়াতেও একটা বাজার ছিল, যা থেকে গড়িয়াহাটার নাম হয়েছে।

    কলকাতার বাজারসমূহের ইতিহাসে এক নূতন পর্ব শুরু হয় যখন ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দের পয়লা জানুয়ারী তারিখে প্রথম মিউনিসিপাল মার্কেট খোলা হয়। কলকাতার অভিজাত পল্লী চৌরঙ্গীর লিওসে স্ট্রীট ও বার্টরাম স্ট্রীটের সংযোগ স্থলে একটা স্থাপিত হয়। নূতন বাজার বলে এটাকে ‘নিউ মার্কেট’ বলা হত। (এখনও বলা হয়)। কিন্তু ১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দের ২ ডিসেম্বর থেকে এর নামকরণ করা হয় ‘স্যার স্টুয়ার্ট হগ মার্কেট। স্যার স্টুয়ার্ট হগ ছিলেন করপোরেশনের চেয়ারম্যান (১৮৬৬ খ্রীষ্টাব্দে ৫ এপ্রিল থেকে ১৮৭৬ খ্রীষ্টাব্দের ১২ নভেম্বর পর্যন্ত)। ১৯০৯ খ্রীষ্টাব্দে হগ মার্কেটের বিস্তৃতিকরণ করা হয়। তারপর থেকে করপোরেশন আরও নয়টা বাজার স্থাপন করেছে। এ নয়টা বাজার হচ্ছে— (১) সার চার্লস অ্যালেন মার্কেট, চিৎপুর রোড (রবীন্দ্র সরণী) ১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দে স্থাপিত, (২) কলেজ স্ট্রীট মার্কেট (১৯১৭ খ্রীষ্টাব্দে স্থাপিত), (৩) এনটালী মার্কেট (১৯২৩ খ্রীষ্টাব্দে স্থাপিত), (৪) লেক রোড মার্কেট (১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দে স্থাপিত), (৫) পার্ক সার্কাস মার্কেট (১৯৪০ খ্রীষ্টাব্দে স্থাপিত), (৬) গড়িয়াহাট মার্কেট (১৯৩৮ খ্রীষ্টাব্দে স্থাপিত), (৭) নিউ আলিপুর মার্কেট (১৯৬৩ খ্ৰীষ্টাব্দে স্থাপিত), (৮) মানিকতলা মার্কেট (১৯৭২ খ্রীষ্টাব্দে স্থাপিত), (৯) বাঁশদ্রোণী বাজার।

    এই নয়টা মিউনিসিপাল মার্কেট ছাড়া, কলকাতায় বর্তমানে যে সব প্রাইভেট মার্কেট আছে, তাদের নাম যথাক্রমে—(১) বরানগর বাজার, (২) সিঁথির বাজার, (৩) দমদম বাজার, (৪) সাতপুকুর বাজার, (৫) চিৎপুর বিবি বাজার, (৬) চুনীবাবুর বাজার, (৭) আশুবাবুর বাজার, (৮) ইন্দ্র বিশ্বাস রোডের বাজার, (৯) শ্যামবাজার, (১০) অমিয়বাবুর বাজার, (১১) বাগবাজার, (১২) হাতিবাগান বাজার, (১৩) হরি সাহার বাজার, (১৪) উল্টাডাঙ্গা বাজার, (১৫) বাগমারী বাজার, (১৬) শোভাবাজার, (১৭) কাঁকুড়গাছির বাজার, (১৮) মানিকতলার সরকার বাজার, (১৯) রানী রাসমণির বাজার, (২০) বেনিয়াপুকুর বাজার, (২১) ফুলবাগান বাজার, (২২) মুচিবাজার, (২৩) ফেউইক বাজার, (২৪) মুনশীর বাজার, (২৫) ধাপার বাজার, (২৬) জয় হিন্দ বাজার, (২৭) টেরেটি বাজার, (২৮) বেলেঘাটার বাজার, (২৯) ঘোষবাগান বাজার, (৩০) ফুলবাগান বি সরকারের বাজার, (৩১) মল্লিক বাজার, (৩২) সুকিয়া স্ট্রীটের বাজার, (৩৩) সাতুবাবুর বাজার, (৩৪) মানী মার্কেট, (৩৫) রাজাবাজার, (৩৬) শিয়ালদহ বাজার, (৩৭) বৈঠকখানা বাজার, (৩৮) নেবুতলার বাজার, (৩৯) কোলে বাজার, (৪০) নতুন বাজার, (৪১) বর্মণ মার্কেট, (৪২) বড়বাজার, (৪৩) বৌবাজার, (৪৪) পোস্তার বাজার, (৪৫) চেতলার বাজার, (৪৬) কালীঘাটের বাজার, (৪৭) চেতলার C.I.T. মার্কেট, (৪৮) ক্ষীরোদ ঘোষের বাজার, (৪৯) সাদার্ন মার্কেট, (৫০) থিয়েটার রোডের এয়ারকনডিশনড্ বাজার, (৫১) কুলীবাজার, (৫২) কেওড়াতলা শ্মশান বাজার, (৫৩) ল্যান্সডাউন মার্কেট, (৫৪) খিদিরপুর বাজার, (৫৫) বেহালা বাজার, (৫৬) চারু বাজার, (৫৭) যদুবাবুর বাজার, (৫৮) টালিগঞ্জ বাজার, (৫৯) আনন্দ পালিত রোডের বাজার, (৬০) চাঁদনীর বাজার, (৬১) জানবাজার। এ ছাড়া, আরও ১০০টা বাজার আছে। সবগুলোর নাম দেওয়া সম্ভবপর নয়। তবে এখানে উল্লেখ করবার মত একটা কথা আছে। কলকাতার কোন কোন বাজার বাঙালীর হাত থেকে অবাঙালীর হাতে চলে যাচ্ছে। যেমন বাগবাজার। আগে এটা কাঞ্চনপুর এষ্টেটের হাতে ছিল। এখন অবাঙালী ‘মোদী’-দের হাতে, পাশের সমস্ত জমিগুলোও চিৎপুর রোডের মোড় পর্যন্ত হালওসিয়াদের হাতে গেছে।

    কতকগুলো জায়গায় বিশেষ রকমের পণ্য বিক্রয় হয়। সেগুলোকে সেই সেই জিনিষের বাজার বলা যেতে পারে। যেমন প্রতিমা তৈরী ও বিক্রি হয় কুমার টুলীতে। ছানা বিক্রি হয় সাতুবাবুর বাজারে। অগে বৌবাজারের মোড়েই ছানাপটি ছিল কিন্তু আজকাল ওখানে ছানার দোকান ক্রমশ হ্রাস পেয়ে আসছে। ক্ষীর পাওয়া যায় নতুন বাজার ও বড়বাজারে। চিনির বিক্রয় কেন্দ্র হচ্ছে বড়বাজার চিনিপটীতে। সোনারূপা বিক্রি হয় সোনাপটীতে। মেয়েদের অলঙ্কার নানা জয়গায় পাওয়া যায়, বিশেষ করে বৌবাজার অঞ্চলে। মেয়েদের শাড়ীও পাওয়া যায়, তবে নানা জায়গায়, ময়দান মার্কেটে, বিধান সরণীতে, গড়িয়াহাট রোডের মোড়ে, ঘড়ি বিক্রি হয় রাধাবাজার ও ডালহাউসী স্কোয়ার (বি-বা-দি বাগ অঞ্চলে। কাগজ ও ষ্টেশনারী জিনিস রাধাবাজারে। কাঁচ সোয়ালো লেনে। নানারকম আমদানীকৃত জিনিষ আগে বিক্রি হত মুরগীহাটায় ও দিল্লীপটীতে। এখন আমদানীকৃত জিনিষ হ্রাস পাওয়ায় এরা হরেকরমক জিনিষ বিক্রি করে। তবে এখন ওসব জিনিষ বিক্রির দোকানসমূহ কেন্দ্রীভূত হয়ে আছে ওখানকার বাগরী মার্কেটে। তুলা বিক্রি হয় তুলাপটীতে। কাপড় বিক্রি হয় সদাসুখ কাবরা ও বড়বাজারে। ফুল ও ফুলের মালা ফুলপটীতে। কাঠের ফারনিচার বৌবাজার ও শিয়ালদহে। আগে কাঠের খাট তৈরী ও বিক্রি হত এন্টালিতে। দোকানগুলো এখন স্থানান্তরিত হয়েছে আরও দক্ষিণে সি. আই. টি. রোডে। লোহালক্কড় বিক্রি হয় দর্মাহাটায় ও স্যানিটারী জিনিষ কলেজ স্ট্রীটে। পুরানো লোহালক্কড় বিক্রি হয় ঠনঠনিয়া ও মানিকতলায়। পুরানো মোটর পার্টস মল্লিক বাজারে। কাঠ বিক্রি হয় নিমতলায়। মশারী বিক্রি হয় চিৎপুর মশারীপটীতে ও চাঁদনীতে। বাদ্যযন্ত্র বিক্রি হয় চিৎপুরে লালবাজারের কাছে। বই বিক্রি হয় কলেজ ষ্ট্রীটে ও গরাণহাটায়। শেয়ার বিক্রি হয় ষ্টক এক্সচেঞ্জে। পাট ও চটের কেনাবেচা হয় জুট ও হেসিয়ান এক্সচেঞ্জে। চায়ের কেনাবেচা হয় মিশন রো-তে চায়ের নীলাম ঘরে। আর টাকার বাজার ছড়িয়ে আছে শহরের ব্যাঙ্কসমূহে।

    তবে শহরের ফুটপাতসমূহে এখন সব জিনিষই পাওয়া যায়, এবং ফুটপাতগুলোর দিকে তাকালে মনে হবে যে এ শহরটা একটা বিরাট বাজারে পরিণত হয়েছে। ফুটপাত ও রাস্তাজুড়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাজার বসে রয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }