Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কোর্ট কাছারি ও আইনবিদ

    সমসাময়িক নথীপত্র থেকে আমরা জানতে পারি যে ১৭০৪ খ্রীষ্টাব্দের আগস্ট মাসে কোম্পানি কলকাতায় একটা আদালত স্থাপন করেছিলেন। প্রতি শনিবার সকাল ন’টা থেকে বেলা বারটা পর্যন্ত ওই আদালত বসত। ওই আদালতের শাস্তিবিধান পদ্ধতি ছিল অদ্ভুত। কেননা ১৭০৬ খ্রীষ্টাব্দের আগস্ট মাসে আমরা দেখতে পাই যে কতগুলো চোর ও খুনী আসামী সম্বন্ধে আদালত রায় দিচ্ছে যে তাদের গালে ছেঁকা দিয়ে চিহ্নিত করে নদীর অপর পারে ছেড়ে দিয়ে আসা হউক। বোধ হয় মেয়রস্ কোর্ট স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত এই আদালত কার্যকর ছিল।

    ইংলণ্ডের রাজা প্রথম জর্জের আমলে এক রাজকীয় সনদানুসারে কলকাতায় ১৭২৬ খ্রীষ্টাব্দে মেয়রস্ কোর্ট স্থাপিত হয়। এই আদালতে বিচারকার্য নির্বাহের জন্য একজন মেয়র ও নয়জন সহকারী বিচারক বা অ্যালডারম্যান নিযুক্ত হত। মেয়রস কোর্টের জন্য কোন নির্দিষ্ট বাড়ী ছিল না। মাসিক ত্রিশ টাকা ভাড়ায় একটা চ্যারিটি স্কুল’ ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। এই স্কুল বাড়ীটার জমির ওপরই বর্তমান সেণ্ট এ .জ চার্চ অবস্থিত। মেয়রস্ কোর্টে প্রধানত ইংরেজদের বিষয়সম্পত্তিঘটিত দাওয়ানী মোকদমারই শুনানী হত এবং এর এলাকা কলকাতার সীমানার মধ্যেই নিবদ্ধ ছিল। এই আদালতের রায় চূড়ান্ত ছিল না। এর ওপরে কোর্ট অভ্ আপীল নামে আর একটা আদালত ছিল। এ ছাড়া, সেকালে কোর্ট অভ্ কোয়াটার সেসনস্ নামে একটা ফৌজদারী আদালতও ছিল।

    ১৭৫৩ খ্রীষ্টাব্দের ৮ জানুয়ারী তারিখের এক রাজকীয় সনদ বলে ‘কোর্ট অভ্ রিকুয়েষ্টস্’ নামে এক আদালত স্থাপিত হয়। এখানে প্রথম ২০ টাকার অনধিক দাবীর মুফরাক্কা মামলাসমূহের বিচার হত। এরই বংশধর হচ্ছে বর্তমান ছোট আদালত বা স্মল কজেস কোর্ট।

    দেওয়ানী পাবার পর ইংরেজরা দাওয়ানী ও ফৌজদারী মামলাসমূহ বিচারের ভার নিজেদের হাতে নেন। এজন্য মফস্বলে কোর্ট স্থাপিত হয়। ওই সব কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করবার জন্য কোম্পানি কলকাতায় সদর নিজামত ও সদর দাওয়ানী আদালত স্থাপন করেন। এই আদালতদ্বয় ‘সদর আদালত’ নামে পরিচিত ছিল, এবং এর অবস্থান ছিল বর্তমান সদর স্ট্রীটে, ও পরে রেকোর্সের দক্ষিণে। তারপর ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দের ২৬ মার্চ তারিখে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপিত হয়। পুরানো মেয়রস্ কোর্ট ভবনেই সুপ্রিম কোর্ট প্রথম অবস্থিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধান বিচারপতি ও তিনজন সহকারী বিচারক ছিল। পরে সহকারী বিচারকদের সংখ্যা কার্যত দুই করা হয়। পরে (১৭৮০ থেকে ১৭৮৪ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে) সুপ্রিম কোর্টের জন্য বর্তমান হাইকোর্টের পশ্চিমাংশের ভূমিতে সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব ভবন নির্মিত হয়। এই নূতন ভবনের নীচের তলায় অন্যান্য কোর্টের অধিবেশন হত, আর দোতলায় দায়রা কোর্ট বসত। সুপ্রিম কোর্টের একতিয়ার (Jurisdiction) ছিল মারহাট্টা ডিচের অন্তর্ভুক্ত শহর কলকাতা’। ১৮৬২ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ মে তারিখে হাইকোর্ট গঠিত হবার পর সদর নিজামত আদালত ও সদর দাওয়ানী আদালত সমেত সুপ্রিম কোর্ট তুলে দেওয়া হয়। নবগঠিত হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন স্যার বারনস্ পিকক্। তাঁর অধীনে আরও বারো জন জজ (puisne judges) নিযুক্ত হন। পরের বছর (১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দে) একজন ভারতীয় জজ ও নিয়োগ করা হয়। (পরে দেখুন)।

    বর্তমান হাইকোর্ট ভবনের নির্মাণ কার্য শুরু হয় ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসে, আর এর নির্মাণ কার্য শেষ হয় ১৮৭২ খ্রীষ্টাব্দের মে মাসে। এর স্থপতি ছিলেন সরকারী আর্কিটেক্ট মিষ্টার ওয়ালটার গ্র্যানভিল। যে জমিটার ওপর হাইকোর্ট বাড়ীটা তৈরী হয়, তার পশ্চিম ভাগে অবস্থিত ছিল সেকালের সুপ্রিম কোর্টের বাড়ী। পুরানো সুপ্রিম কোর্টের সামনে (পূর্বদিকে) ছিল একটা খুব সরু গলি। ওই গলির পূর্বদিকে (বর্তমান হাইকোর্ট ভবনের পূর্বাংশ) চিল তিনখানা সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির বাসভবন। এ তিনটা বসতবাটী ছিল লঙভিল ক্লার্ক, উইলিয়াম ম্যাকফারসন ও জেমস্ উইলিয়াম কলভিল-দের। এঁদের মধ্যে লঙভিল ক্লার্কই ১৮২৫ খ্রীষ্টাব্দে বার লাইব্রেরী স্থাপন করেছিলেন। উইলিয়াম ম্যাকফারসন ছিলেন ১৮৬৪ থেকে ১৮৭৭ পর্যন্ত হাইকোর্টের জজ স্যার আরথার জর্জ ম্যাকফারসনের ভাই। আর জেমস উইলিয়াম কলভিল ছিলেন ১৮৪৬ খ্রীষ্টাব্দে অ্যাডভোকেট জেনারেল ও ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৫ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের জজ। ওই তিনখানা বাড়ী, সরু গলিটা ও সুপ্রিম কোর্টের পুরানো বাড়ী, এ সবই বর্তমান হাইকোর্টের গর্ভে চলে গিয়েছে।

    হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠিত হবার পর এর ওপর অর্পিত হয় সুপ্রিম কোর্টের ‘জুরি- সডিকশন’—তার মানে মারহাট্টা ডিচ বেষ্টিত শহর কলকাতার এলাকা। এটাই হাইকোর্টের ‘অরিজিনাল সাইড’-এর এলাকা। ‘আপীলেট সাইড’-এর ‘জুরিসডিকশন’ রাখা হয় সমগ্র বাঙলা, বিহার, ওড়িষা, ছোটনাগপুর ও আসাম (প্রায় দুই লক্ষ বর্গ মাইল )। পরে স্বতন্ত্র প্রদেশসমূহ গঠিত হবার পর এই ‘জুরিসডিকশন’ সঙ্কুচিত করা হয়। ‘অরিজিনাল সাইড’-এ কোন মামলার মাত্র প্রাথমিক আর্জি পেশ করা হয়। আর ‘আপীলেট সাইড’-এ ভিন্ন ভিন্ন স্থানের নিম্নতর কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল পেশ করা চলে। ফৌজদারী মামলার শুনানী দায়রা অধিবেশনে হয়।

    প্রথমে হাইকোর্টের মাত্র ১২ জন জজ ছিলেন। তারপর এই সংখ্যা বাড়ানো হয়। সূচনায় হাইকোর্টের সব জজই ইংরেজ জজ ছিলেন। ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দে রাজা রামমোহন রায়ের পুত্র রামপ্রসাদ রায়কে প্রথম দেশীয় জজ নিযুক্ত করা হয়। কিন্তু পদাসীন হবার পূর্বেই তাঁর মৃত্যু ঘটায় শম্ভুনাথ পণ্ডিত নামে একজন কাশ্মীরি ব্রাহ্মণই হাইকোর্টের প্রথম দেশীয় জজ হন। ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দে রমেশচন্দ্র মিত্র কিছুদিনের জন্য হাইকোর্টের অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। মুসলমানদের মধ্যে আমীর আলি ১৮৮৯ খ্রীষ্টাব্দে হাইকোর্টের প্রথম মুসলমান জজ নিযুক্ত হন। বর্তমান শতাব্দীর সত্তরের দশকে শ্রীমতী জ্যোতির্ময়ী নাগ ও মতী পদ্ম। খাস্তগীর হাইকোর্টের প্রথম মহিলা জজ নিযুক্ত হন। পরে আরও দুজন মহিলা জজ নিযুক্ত হযেছেন।

    হাইকোর্টের উকিলদের আগে ‘ভকিল’ বলা হত। এ ছাড়া ছিল ইংলণ্ডের ‘ব্যারিষ্টার’ ও আয়ারল্যাণ্ডের ‘অ্যাডভোকেট’ (ব্যারিষ্টারের সমগোত্রীয় দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ এই অর্থে ‘অ্যাডভোকেট’ ছিলেন)। আনুমানিক ষাট বৎসর পূর্বে (২০ নভেম্বর, ১৯২৪ খ্রীষ্টাব্দ থেকে) ‘ভকিল’দের আখ্যা পরিবর্তন করে ‘অ্যাডভোকেট’ রাখা হয়।

    হাইকোর্টের (তার পূর্বগামী সুপ্রিম কোর্ট সমেত) ইংরেজ জজদের মধ্যে স্বানামধন্য হয়ে আছেন উইলিয়াম জোনস্, এলিজা ইমপে, রবার্ট চ্যাম্বারস্, হেনরী রাসেল, বার্নস্ পীকক, আরথার জর্জ ম্যাকফারসন, চালর্স জ্যাকসন,জন প্যাকসটন নরম্যান, ওয়ালটার মরগান, ফ্রানসিস্ উইলিয়াম ম্যাকলীন, উইলিয়াম ডাককিন, এডওয়ার্ড হাইড, জন উডরফ, জন অ্যানষ্ট্রা টার, বাকল্যাণ্ড ও প্যানক্রিজ। আরও অনেক ইংরেজ জজ যাদের নাম এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, তাঁরা হচ্ছেন ফ্রানসিস ম্যাগনাটেন, উইলিয়াম বরোজ, হেনরী ব্লসেট, ক্রিষ্টোফার পুলার, এণ্টনী বুলার, রিচার্ড গার্থ, উইলিয়াম কোমার পেথেরাম, চালর্স বিনি ট্রেভর, জন রাসেল কলভিন, হেনরী উইলমট সেটন, লরেন, পীল, জন হারবার্ট হ্যারিংটন, এডওয়ার্ড রায়ন, চার্লস এডওয়ার্ড গ্রে, গ্রেগরী চার্লস পল প্রমুখ। একজন জজের মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা এখানে উল্লেখ করতে হয়। ঘটনাটা ঘটেছিল ১৮৭১ খ্রীষ্টাব্দে। হাইকোর্টের ‘অরিজিনাল সাইড’-এর ভবনটি তখন তৈরী হচ্ছে। হাইকোর্টের অধিবেশন বসছে টাউন হলে। চীফ জাষ্টিস নরম্যান টাউন হলের সিঁড়ি দিয়ে উঠছেন। এমন সময় একজন উন্মত্ত মুসলমান তাঁকে হত্যা করে।

    হাইকোর্টের এদেশীয় বিচারপতিদের মধ্যে যাঁরা স্মরণীয় হয়ে আছেন তাঁরা হচ্ছেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত, রমেশচন্দ্র মিত্র, আমীর আলি, দ্বারকানাথ মিত্র, চন্দ্রমাধব ঘোষ, গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, আশুতোষ চৌধুরী, চারুচন্দ্র বিশ্বাস, মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়, রাধাবিনোদ পাল, ফণিভূষণ বক্রবর্তী, বিনোদচন্দ্র মিত্র, সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। বিনোদচন্দ্র মিত্র ইংলণ্ডের প্রিভি কাউনসিলেরও বিচারপতি হয়েছিলেন।

    হাইকোর্টের বিখ্যাত আইনবিদদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রমাপ্রসাদ রায়, শম্ভুনাথ পণ্ডিত, রমেশচন্দ্র মিত্র, আমীর আলি, দ্বারকানাথ মিত্র, কালীমোহন দাশ, হেমচন্দ্ৰ বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রৈলোক্যনাথ মিত্র, গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, আশুতোষ চৌধুরী, মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়, রাধাবিনোদ পাল, সত্যেন্দ্রপ্রসন্ন সিংহ, চিত্তরঞ্জন দাশ, ব্যেমকেশ চক্রবর্তী, উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ফণিভূষণ চক্রবর্তী, অতুলচন্দ্র গুপ্ত, কিরণশঙ্কর রায়, শরৎচন্দ্র বসু, তুলসীচরণ গোস্বামী, কুমুদনাথ চৌধুরী, গোপালচন্দ্র সরকার, জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুর, তারকনাথ পালিত, রাসবিহারী ঘোষ, দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্মলচন্দ্র চন্দ্র,

    নাথ দাস, নৃপেন্দ্রনাথ সরকার, ভূপেন্দ্রনাথ বসু, যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত, মতী পদ্মা চ্যাটার্জি প্রভৃতি। দুজন স্বনামধন্য ইংরেজ ব্যারিষ্টার যাঁদের সঙ্গে বর্তমান লেখকের আলাপ ছিল, তাঁরা হচ্ছেন ল্যাংফোর্ড জেমস্ ও ডবলিউ কে. পেজ।

    ১৭৫৩ খ্রীষ্টাব্দের ৮ জানুয়ারী তারিখের রাজকীয় সনদ দ্বারা কলকাতায় যে কোর্ট অভ্ রিকুয়েষ্ট স্থাপিত হয়েছিল, তারই উত্তরাধিকারী হচ্ছে কলকাতার স্মল কজেস্ কোর্ট বা ছোট আদালত। ১৮৮৪ খ্রীষ্টাব্দের ২৬ মার্চ তারিখে যখন সুপ্রিম কোর্ট স্থাপিত হয়, তখন প্রেসিডেন্সী টাউনসমূহে (কলিকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ) অবস্থিত কোর্ট অভ্ রিকুয়েষ্টগুলি সুপ্রিম কোর্টের অধীনে ন্যস্ত হয়। রিকুয়েষ্ট-এর মাত্রা ২০ টাকা ও পরে ১০০ টাকার অনধিক দাবীযুক্ত মামলার বিচার করবার অধিকার ছিল। পরে ইহা ৪০০ টাকায় বৃদ্ধি করা হয়। কোর্ট অভ্ রিকুষ্টেস্-এ মামলা করবার অনেক অসুবিধা ছিল, এবং ১৮৩৮ খ্রীষ্টাব্দে ‘ক্যালকাটা ট্রেডারস্ এসোসিয়েশন’ সেগুলির প্রতি কোম্পানির কাউনসিলের প্রেসিডেন্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারপর অনেক জল ঘোলা হবার পর সরকার ১৮৫০ খ্রীষ্টাব্দের নয় অম্বর আইন বলে কোর্ট অভ্ রিকুয়েষ্টসকে ‘স্মল কজেস্ কোর্ট, বা ছোট আদালতে পরিণত করে। মামলার দাবীর সীমা ৪০০ টাকায় রাখা হয়। পরে ১৮৬৮ খ্রীষ্টাব্দে ১০০০ টাকায় ও ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দে ২০০০ টাকায় বর্ধিত করা হয়। আগে ছোট আদালত প্রতিদিনই বসত, কিন্তু গ্রীষ্মকালে ১ থেকে ১৫ মে ও শীতকালে ১৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আদালত বন্ধ থাকত। বন্ধের সময় জরুরী মামলা সমূহ দায়ের করবার জন্য ১৮৫৪ খ্রীষ্টাব্দে একটি ‘ভেকেশন বেঞ্চ’ সৃষ্টি হয়।

    কোর্ট অভ্ রিকুয়েষ্ট-এর ঋণের টাকা অনাদায়ে জেল দেবার ক্ষমতা ছিল। ১৮১৯ খ্রীষ্টাব্দের ২৯ অকটোবর তারিখের এক সরকারী ঘোষণা থেকে আমরা জানতে পারি যে জেলের পরিমাণ নিম্নলিখিত রূপ ছিল— দশ টাকার ঋণের জন্য এক মাস জেল, পঞ্চাশ টাকা ঋণের জন্য পাঁচ মাস জেল, ২০০ টাকার অধিক ঋণের জন্য এক মাস জেল। ১৮২৭ খ্রীষ্টাব্দে ছোট আদালতের জেলখানায় ৩৪ জন বন্দী ছিল, তার মধ্যে ৬ জন ইরেজ, ৭ জুন মুসলমান ও ২১ জন হিন্দু। এদের ঋণের পরিমাণ ছিল তিন টাকা থেকে ৩৭০ টাকা। বন্দীদের ভরণপোষণের জন্য পাওনাদারদের প্রত্যহ দেড় আনা করে দিতে হত। যদি এই খরচ একদিন দেওয়া না হত, তা হলে বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হত।

    ১৮২৮ খ্রীষ্টাব্দে কোর্ট অভ্ রিকুরেষ্ট-এ শপথ গ্রহণ করাবার জন্য একজন গঙ্গাজলী ব্রাহ্মণ ও একজন কোরানী মোল্লা নিযুক্ত হয়। ১৮৪০ খ্রীষ্টাব্দের এক বিবরণী থেকে জানতে পারা যায় যে কোর্ট অভ্ রিকুয়েষ্ট-এর শতকরা ২৫ ভাগ মামলা ওড়িয়া কাপড় ব্যবসায়রা করত।

    আগেই বলা হয়েছে যে কোর্ট অভ্ রিকুয়েষ্ট-এর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছে স্মল কজেস্ কোর্ট বা ছোট আদালত। ছোট আদালত বলবার উদ্দেশ্য এই যে, যে সব মামলা দাবীর পরিমাণ অতিরিক্ত হওয়ার দরুণ স্মল কজেস্ কোর্টে করা যেত না, সেগুলি বড় আদালত বা হাইকোর্টে করতে হত। কিন্তু দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মূল্য স্ফীতির ফলে পাওনাদারদের দাবীর পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায়, হাইকোর্টে এরূপ মামলার বোঝা ক্রমশ বেড়ে যেতে থাকে। হাইকোর্টের ‘অরিজিনাল সাইড’-এ মামলার বোঝা লাঘব করবার জন্য জুডিসিয়াল রিফরম কমিটির সুপারিশক্রমে ও W.B.Acts XX ও XXI of 1953 অনুসারে ১৯৫৭ খ্রীষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারী তারিখে কলকাতার টাউন হলে সিটি সিভিল অ্যাণ্ড সেসনস্ কোর্টের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন হাইকোর্টের তদানীন্তন প্ৰধান বিচারপতি পি. বি. চক্রবর্তী। পরে ২ ও ৩ নং হেষ্টিংস স্ট্রীটের (বর্তমানে কে. এস. রায় রোড) বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়। সিটি কোর্টের স্বানামধন্য আইনবিদদের মধ্যে উল্লেখনীয় পূর্ণেন্দুশেখর বসু, এ. কে. মিত্র., এন. বি. ব্যানার্জী, চন্দ্রনারায়ণ লায়েক (পরে হাইকোর্টের জজ), চাঁদমোহন চক্রবর্তী, অশোককুমার চক্রবর্তী, প্রভাতকুমার বোস, ডঃ হেমেন্দ্ৰনাথ দাশগুপ্ত, অশোকলাল বোস, স্নেহেশকুমার সুর, জে. এল. চ্যাটার্জি, বি. বি. মিত্র, এস. এন. দাশগুপ্ত, কে. কে. মিত্র, বি. সি. ঘোষ (সিটি কোর্টের প্রথম প্রধান জজ) বিভুতোষ ব্যানার্জি, বিজয়কৃষ্ণ বসু, কে. সি. মুখার্জি, তিনকড়ি সরকার, উমাপদ মৈত্র, সুনীলকুমার ঘোষ, বৈদ্যনাথ সরকার, নরেশচন্দ্র ব্যানার্জি, শ্যামলেন্দুমোহন রায়, অজিতকুমার বোস, দেবীপ্রসাদ মুখার্জি, সুকুমার গুহ ঠাকুরতা, মনোরঞ্জন দাস, নারায়ণচন্দ্র দাশ শর্মা, বদ্রীনারায়ণ সুর, বৈদ্যনাথ সরকার, প্রশান্তকুমার সিংহ, সৌধেন্দুকুমার বসু, দেবীপ্রসাদ কর, বীরেন্দ্রকুমার গুপ্ত, শচীকান্ত হাজারি (পরে হাইকোর্টের জজ) প্রমুখ।

    আগেই বলা হয়েছে যে হাইকোর্টের জুরিসডিকশন-এর পূর্বসীমা হচ্ছে মারহাট্টা ডিচ বা পরবর্তীকালে তার ওপর নির্মিত সারকুলার রোড (এখন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রোড ও আচার্য জগদীশচন্দ্র রোড)। সারকুলার রোডের পূর্বদিক যে সকল থানার অন্তর্ভুক্ত, সে সকল অঞ্চল শিয়ালদহ কোর্টের অধীনস্থ। ঠিক কবে শিয়ালদহ কোর্ট স্থাপিত হয়েছিল, তা আমাদের সঠিক জানা নেই। তবে নানারকম অনুমানের ভিত্তিতে নারায়ণচন্দ্র রায় বলেন যে ১৮১৪ খ্রীষ্টাব্দে ১৪নং রেগুলেশন বলে কলকাতার শহরতলীর জন্য যে সকল জেলা আদালত (ডিস্ট্রিক্ট কোর্টস) স্থাপিত হয়েছিল, শিয়ালদহের বর্তমান মুন্সেফ কোর্ট তারই বংশধর। শিয়ালদহের মুন্সেফ কোর্ট ২৪ পরগণার অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখনীয় যে ১৭৯৩ খ্রীষ্টাব্দের দুই, তিন ও নয় নম্বর রেগুলেশনস্ অনুযায়ী ২৪ পরগণায় দাওয়ানী, ফৌজদারী ও রাজস্ব আদালতসমূহ স্থাপিত হয়েছিল। এই সকল আদালতের একতিয়ার কলকাতা (মারহাট্টা ডিচ বেষ্টিত) শহরের বাহিরে ছিল। ১৮০০ খ্রীষ্টাব্দে ২৪ পরগণার দাওয়ানী আদলত সমূহের এলাকাধীন অধিকার (Jurisdiction) নদীয়া ও হুগলী জেলার ওপর ন্যস্ত হয়। ১৮০৬ খ্রীষ্টাব্দে ২৪ পরগণার দাওয়ানী আদালতসমূহ আবার পুনর্গঠিত হয়। ১৮০৮ খ্রীষ্টাব্দের দশ আইন অনুযায়ী ২৪ পরগণার ম্যাজিষ্ট্রেটকে সুপারিনটেণ্ডেণ্ট অভ্ পুলিশ নিযুক্ত করা হয় ও ১৮১১ খ্রীষ্টাব্দে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা জজের পদদ্বয় একত্রিত করা হয়। ১৮১৪ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ নং রেগুলেশন অনুযায়ী ২৪ পরগণাকে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়—(১) কলকাতা শহরতলীর অন্তর্ভুক্ত চিৎপুর, মানিকতলা, তেজেরহাট, নৌহাজরি ও সালকিয়া (বর্তমান হাওড়া জেলায় অবস্থিত) ও (২) ২৪ পরগণার অবশিষ্টাংশ। ১৮৩২ খ্রীষ্টাব্দের ৮নং রেগুলেশন অনুযায়ী এই দুই ভাগকে আবার পুনর্মিলিত করা হয়। ১৮৩৪ খ্রীষ্টাব্দে নদীয়া ও যশোহরের কিয়দংশ ২৪ পরগণার সহিত সংযুক্ত করা হয়, এবং ২৪ পরগণাকে দুটি ভিন্ন মেজেষ্টিরিয়াল ভাগে বিভক্ত করা হয়—(১) আলিপুর ও (২) বারাসাত। ১৮৬১ খ্রীষ্টাব্দে এই দুই বিভাগকে আবার পুনর্মিলিত করা হয় ও আটটি মহকুমায় বিভক্ত করা হয়। যথা,(১) আলিপুর, (২) বারাসাত, (৩) বারাকপুর, (৪) বারুইপুর, (৫) বসিরহাট, (৬) ডায়মণ্ডহারবার, (৭) দমদম ও (৮) সাতক্ষীরা। ১৯০৪ খ্রীষ্টাব্দে বারাকপুর ও বারাসাতের কিছু অংশকে আলিপুর সদরের অধীনস্থ করা হয়।

    বর্তমানে শিয়ালদহের দাওয়ানী আদালত দুই অংশে বিভক্ত—(১) একজন সাবজজের অধীনে স্মল কজেস্ কোর্ট ও (২) ৫ জন মুন্সেফের কোর্ট। বোধ হয় ১৮৮৭ খ্রীষ্টাব্দের নয় নম্বর আইন অনুযায়ী শিয়ালদহের বর্তমান স্মল কজেস কোর্ট গঠিত হয়েছিল, যদিও এর পূর্ব থেকেই যে এর অস্তিত্ব ছিল, তা আইনের নজীর থেকে অবগত হওয়া যায়। অবশ্য ১৮৪০ খ্রীষ্টাব্দের পূর্বে এর নাম ছিল শিয়ালদহ ও হাওড়া দাওয়ানী আদলত। ১৮৪৩ খ্রীষ্টাব্দে হাওড়ায় একটি মুন্সেফ কোর্ট স্থাপিত হয়, এবং তাকে হুগলী জেলা জজের অধীনস্থ করা হয়।

    শিয়ালদহ স্মল কজেস্ কোর্টের বর্তমান এলাকা (jurisdiction) কাশীপুর, চিৎপুর, মানিকতলা, বেলিয়াঘাটা, এণ্টালী, বেনিয়াপুকুর, বালীগঞ্জ, ভবানীপুর, টালিগঞ্জ, আলিপুর, ওয়াটগঞ্জ, গার্ডেনরীচ, করেয়া, একবালপুর, সাউথ পয়েন্ট ও নিউ আলিপুর প্রভৃতি থানাসমূহ।

    শিয়ালদহ কোর্টের স্বনামধন্য আইনজীবিদের মধ্যে উল্লেখনীয় যতীন্দ্রনাথ রায়, তারাপদ ঘোষ, খগেন্দ্রনাথ দে, দেবব্রত মৈত্র, সুধাংশু হোর, শশধর চক্রবর্তী, শরৎচন্দ্র মুখার্জি, মনমোহন মৈত্র, রমেশচন্দ্র গাঙ্গুলী, গিরিজা প্রসন্ন ব্যানার্জি, প্রমোদকুমার ব্যানার্জি, ধীরেন্দ্রনাথ চ্যাটার্জি, দুলালচন্দ্র মুখার্জি, বীরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, নারায়ণ চন্দ্র রায়, উপেন্দ্রনাথ রায় প্রমুখ।

    শিয়ালদহে একটি পুলিশ কোর্টও আছে, কিন্তু তা সন্নিহিত স্বতন্ত্র ভবনে অবস্থিত। এখানে মাত্র ফৌজদারী মামলার বিচার হয়।

    কলকাতা শহরের ফৌজদারী মামলার বিচার হয় প্রেসিডেন্সী ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে। ১৯১৪ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত লালবাজার পুলিশ হেডকোয়ার্টারের পূর্বাংশে প্রেসিডেন্সী ম্যাজিষ্ট্রেটের কোর্ট ও মিউনিসিপ্যাল কোর্ট—এই দুই আদালত অবস্থিত ছিল। ১৯১৪ খ্রীষ্টাব্দের পর কলকাতায় তিনটি প্রেসিডেন্সী ম্যাজিষ্ট্রেটের কোর্ট স্থাপিত হয়। প্রথমটি ব্যাঙ্কশাল ষ্ট্রীটে, দ্বিতীয়টি কিড ষ্ট্রীটে ও তৃতীয়টি জোড়াবাগানে ডাফ্ কলেজের প্রাক্তন ভবনে। ১৯১৭ খ্রীষ্টাব্দে কিড ষ্ট্রীটের আদালত তুলে দেওয়া হয় এবং ওই আদালতের তদানীন্তন ম্যাজিষ্ট্রেট মিঃ B. Keys-কে জোড়াবাগান আদালতে স্থানান্তরিত করা হয়। প্রথমে, তাঁর পদের নাম দেওয়া হয় সেকেণ্ড প্রেসিডেন্সী ম্যাজিষ্টেট, কিন্তু পরে পরিবর্তন করে বলা হয় অ্যাডিশন্যাল চীফ প্রেসিডেন্সী ম্যাজিষ্ট্রেট। ১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দে জোড়াবাগান আদালত তুলে, ওই আদালতকে ব্যাঙ্কশাল ষ্ট্রীটের আদালতের সঙ্গে মিলিত করা হয়। তখন থেকে কলকাতায় একটাই প্রেসিডেন্সী ম্যাজিষ্ট্রেটের কোর্ট আছে। বর্তমানে প্রেসিডেন্সী ম্যাজিস্ট্রেটের নাম মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট করা হয়েছে। অতীতকালে যে সকল লব্ধপ্রতিষ্ঠ উকিল প্রেসিডেন্সী ম্যাজিষ্ট্রেটের কোর্টে প্র্যাকটিস করে গেছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখনীয় মিঃ ম্যানুয়েল, মিঃ ক্র্যাসেনবরো, মিঃ এফ. একস্ ডি. সিলভা, কালী পালিত, তারকনাথ সাধু, যতীন মোহন ঘোষ, সুরেশচন্দ্র মিত্র, কৃষ্ণলাল দত্ত, জ্ঞানচন্দ্র গুহ, পশুপতি ভট্টাচার্য, কেশবচন্দ্র গুপ্ত, দেবেন্দ্রনাথ দাস, মনোজমোহন বোস, সুরেন্দ্রনাথ দত্ত, ললিত মোহন দে, মহেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, সুরেশচন্দ্র পালিত, যোগেন্দ্রনাথ মিত্র প্রমুখ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }