Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিউ মার্কেটের ইতিহাস

    ইংরেজরা যখন প্রথম কলকাতায় আসে তখন তারা বাস করত বর্তমান বি-বা-দী বাগ অঞ্চলে। সেজন্য তারা তরিতরকারি ও মাছ-মাংস কিনতো লালবাজারে কিংবা টেরেটি বাজারে, আর পোশাক-আশাক ও অন্যান্য বিলাসদ্রব্য চীনা বাজারে। তখনকার দিনে চীনা বাজারে সব দোকানদারই ছিল বাঙালি আর খরিদ্দার ছিল সাহেব-মেম। চীনা বাজারের বাঙালি দোকানদারদের একটা অপবাদ ছিল; তারা নাকি সাহেব-মেমেদের ঠকাতো। অন্তত অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকের কলকাতার অধিবাসী সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি উইলিয়াম হিকি, সেই কথাই তাঁর স্মৃতিচারণে বলে গেছেন। এখানে প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখনীয় যে ঊনবিংশ শতাব্দীর ডিরোজিওর ‘ইয়ং বেঙ্গল’ ছাত্রমণ্ডলীর অন্যতম ও বিখ্যাত বাগ্মী রামগোপাল ঘোষের পিতারও চীনাবাজারে একটা বইয়ের দোকান ছিল।

    তারপর সাহেবরা যখন কসাইটোলা, ধর্মতলা ও চৌরঙ্গী অঞ্চলে বসবাস শুরু করল, তখন তারা তিনটে বাজার স্থাপন করল, শেরবরণের বাজার, চৌরঙ্গীর বাজার ও চাঁদনী চক। শেরবরণের বাজারটা ছিল, আজ যেখানে ‘স্টেটসম্যান’ অফিস অবস্থিত সেখানে। আর চৌরঙ্গীর বাজার ছিল, চৌরঙ্গী ধর্মতলা ষ্ট্রীটের সংযোগস্থলে। চৌরঙ্গী বাজারটা ছিল সবচেয়ে বড় বাজার। এই বাজারটা নীলামে হস্তান্তরের পর, এটার নূতন নামকরণ করা হয় ‘ধর্মতলা বাজার’। ১৭৯৯ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ এপ্রিল তারিখে নীলামদার টুলো অ্যাণ্ড কোম্পানি, বাজারটা নীলামের জন্য যে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, তা থেকে আমরা জানতে পারি যে, যে জমির ওপর বাজারটা অবস্থিত ছিল তার আয়তন ছিল নয় বিঘা। ওই বাজারে ২০৭টা পাকা দোকান ঘর, ১৪৩টা খিলানযুক্ত দোকান ঘর ও ৩৬টা খুব বড় কাঁচা গুদাম ঘর ছিল। বাজারের চৌহদ্দী সম্বন্ধে ওই বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল যে এটি “bounded by General Shibbert’s house on the east, by the Dhurrumtolah Road to the north, by the Chowringhee Road to the West, and by the Jaun Bazar Road to the south.”

    ১৮৮৭ খ্রীষ্টাব্দে পাথুরিয়াঘাটার যদুলাল মল্লিক এই বাজারটা কিনে নেন!

    শেরবরণ বাজার ও ধর্মতলা বাজার উঠে গেছে। কিন্তু চাঁদনী চক এখনও জীবিত। সারা ভারতের রাজধানী হিসাবে কলকাতার চৌরঙ্গী অঞ্চলে সাহেবরা যখন জেঁকে বসে, তখন তারা জিনিসপত্তর হয় ধর্মতলার বাজার, আর তা নয়তো চাঁদনী চক্ থেকে কিনত। কিন্তু অভিজাত সম্প্রদায়ের সাহেব-মেমরা কলকাতার বিশিষ্ট দোকান থেকেই তাদের জিনিসপত্তর কিনত। এসব দোকানে হয় পোশাক-আশাক-জুতা, আর তা নয়তো স্টেশনারি জিনিস, বিলাসদ্রব্য ও বই বিক্রি হত। র‍্যানকিন অ্যাণ্ড কোম্পানি পোশাক তৈরি করত, কাথবার্টসন অ্যাণ্ড হারপার জুতো তৈরি করত, ট্রেইল অ্যাণ্ড কোম্পানি স্টেশনারি জিনিস বেচত, আর ডবলিউ নিউম্যান ও থ্যাকার স্পিনকের দোকানে স্টেশনারি জিনিস ও বইপত্তর পাওয়া যেত। এ ছাড়া, বাজারের সমতুল কলকাতায় দু- তিনখানা বিভাগীয় দোকান ছিল। সবচেয়ে বড় বিভাগীয় দোকান ছিল হোয়াইটওয়ে লেডল-এর দোকান। আয়তনে দোকানটা যেমন ছিল বড়, ওর পণ্যসম্ভারও তেমনি ছিল বিচিত্র। এখানে যে কোনও জিনিস কিনতে পাওয়া যেত। হোয়াইটওয়ে লেডল ছাড়া, আরও তিনটে বিভাগীয় দোকান ছিল। সেগুলো হচ্ছে হল অ্যাণ্ড অ্যাণ্ডারসন, আর্মি অ্যাণ্ড নেভি স্টোরস ও ফ্রানসিস হ্যারিসন অ্যাণ্ড হ্যাদাওয়ের দোকান

    দেশী লোকদের সঙ্গে সাহেব-মেমরা ধর্মতলার বাজার ও চাঁদনী চক্ থেকে জিনিস কেনা অসুবিধা বোধ করল। দোকানদাররা শুধু যে ওজনে মারত তা নয়, দামেও ঠকাতো। সেজন্য ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দে সিভিলিয়ান সাহেবরা কলকাতা করপোরেশনের কাছে, এক বাজার প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন করে। ১৮৭১ খ্রীষ্টাব্দে এই আবেদন অনুক্রমে এক স্পেশাল কমিটি বসানো হয়। কমিটি সঙ্গে সঙ্গেই সাহেব-মেমেদের জন্য এক বাজার স্থাপনের সুপারিশ করে। কলকাতার অভিজাত পল্লী চৌরঙ্গীর লিওসে স্ট্রীট ও বারটরাম স্ট্রীটের সংযোগস্থলে দুই লক্ষ আঠারো হাজার টাকায় ২৫ বিঘা জমি কেনা হয়। সঙ্গে সঙ্গেই বাজার নির্মাণের কাজ আরম্ভ করে দেয় ঠিকাদার বার্ন অ্যাণ্ড কোম্পানি। ছয় লক্ষ পঁয়ষট্টি হাজার ন’শ পঞ্চাশ টাকা ব্যয়ে ১৮৭৩ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যেই বাজারের নির্মাণ কার্য সমাধা হয়ে যায়। আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারটা খোলা হয় ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দের পয়লা জানুয়ারি তারিখে। কোন কোন কাগজে লেখা হয়েছে বাজারটা সেপ্টেম্বর মাসে খোলা হয়েছিল, সেটা একেবারেই ভুল। আরও ভুল লেখা হয়েছে যে বাজারটার নাম প্ৰথমে হগ্ মার্কেট ছিল, পরে স্বাধীনোত্তরযুগে ওর নাম হয়েছে ‘নিউ মার্কেট’। এটা নতুন বাজার বলে গোড়া থেকেই এটার নাম ছিল ‘নিউ মার্কেট’। এ নামটার সঙ্গেই সেকালের ও একালের লোক বেশি পরিচিত। মাত্র ১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দে ২ ডিসেম্বর তারিখ থেকেই এর নামকরণ করা হয় ‘স্যার স্টুয়ার্ট হগ্ মার্কেট’ সংক্ষেপে হগ্ মার্কেট। স্যার স্টুয়ার্ট হগ্ ছিলেন কলকাতা করপোরেশনের চেয়ারম্যান, ১৮৬৬ খ্রীষ্টাব্দের ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। তাঁর আমলে এবং তাঁর চেষ্টাতেই বাজারটা নির্মিত হয়েছিল বলে, তাঁর অবসর গ্রহণের পর তাঁর সম্মানার্থে বাজারটার নামকরণ করা হয় ‘স্যার স্টুয়ার্ট হগ মার্কেট’। কলকাতা করপোরেশনের ‘প্রোট্রেট গ্যালারি’তে স্যার স্টুয়ার্ট হগের একখানা ব্রোমাইড ছবি টাঙানো আছে।

    নিউ মার্কেটই কলকাতার সর্বপ্রথম মিউনিসিপ্যাল মার্কেট। তারপর অবশ্য কলকাতা করপোরেশন আরও কতকগুলি বাজার স্থাপন করেছে। যথা ১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দে স্যার চার্লস অ্যালেন মার্কেট, ১৯১৭ খ্রীষ্টাব্দে কলেজ স্ট্রীট মার্কেট ১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দে লেক রোড মার্কেট, ১৯৩৮ খ্রীষ্টাব্দে গড়িয়াহাট রোড মার্কেট, ১৯৪০ খ্রীষ্টাব্দে পার্ক সার্কাস মার্কেট, ১৯৬৩ খ্রীষ্টাব্দে নিউ আলিপুর মার্কেট ও ১৯৭২ খ্রীষ্টাব্দে মানিকতলা মার্কেট। কিন্তু এতগুলো করপোরেশন মার্কেট স্থাপিত হলে কি হবে? এদের কোনটাই নিউ মার্কেটের সম্মান, মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করতে পারেনি। উল্লেখনীয় যে ১৯৬৮-৬৯ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত এসব বাজারগুলো থেকে করপোরেশনের লাভ হত, কিন্তু তারপর থেকে ক্রমাগতই লোকসান হচ্ছে।

    স্থাপত্যে নিউ মার্কেট এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে। এর নকশা তৈরি করেছিল ইষ্ট ইণ্ডিয়া রেলওয়ে কোম্পানির তৎকালীন আর্কিটেক্ট আর.বায়নে। এর জন্য তিনি পুরস্কার পেয়েছিলেন হাজার টাকার। আর মৌলিক সৌধটা তৈরি করেছিল বার্ন অ্যাণ্ড কোম্পানি। পরে এর অনেক সম্প্রসারণ ঘটেছে। খুব বড় রকমের সম্প্রসারণ ঘটে ১৯০৯ খ্রীষ্টাব্দে, যখন পাঁচ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৪৭ টাকা ব্যয়ে পূর্বদিকের ব্লকটা তৈরি করা হয়। উত্তরদিকের সম্প্রসারণ ঘটে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অব্যবহিত পূর্বে।

    রাজধানীর সাহেব-মেমদের বাজার বলেই, নিউ মার্কেটের ছিল এক বিশেষ মর্যাদা। বাঙালিরা যে নিউ মার্কেটে জিনিসপত্তর কিনতে যেত না, তা নয়। তবে তারা বিলেত- ফেরত ব্যারিষ্টার বা ওই শ্রেণীর বাঙালি। আজ সাহেবরা এদেশ থেকে চলে গিয়েছে বটে কিন্তু নিউ মার্কেট তার প্রাচীন ঐতিহ্য হারায়নি। এখন অনেক বাড়ির গৃহিনীরা নিউ মার্কেট থেকে জামা-কাপড় কিনে এনে, প্রতিবেশীদের কাছে গর্বের সঙ্গে বলেন—‘এটা নিউ মার্কেট থেকে কেনা!”

    নিউ মার্কেটে পাওয়া যায় না এমন কিছু নেই! একদিকে যেমন পাওয়া যায় তরিতরকারি-সবজি থেকে মাছ-মাংস ইত্যাদি। অপরদিকে তেমনই পাওয়া যায় রুটি, কেক্, ফলমূল, মেওয়া থেকে আরম্ভ করে পোশাক-আশাক, জুতো, বই, খবরের কাগজ, স্টেশনারি জিনিস ও নানারকম বিলাসদ্রব্য থেকে আরম্ভ করে হীরা-জহরত ও মূল্যবান অলঙ্কার পর্যন্ত। শুধু তাই নয়, আপনি যদি নিজের ওজন নিতে চান বা শক্তি পরীক্ষা করতে চান, তারও ব্যবস্থা আছে নিউ মার্কেটে। আগেও বাঙালি মেয়েরা নিউ মার্কেটে যেত, তবে জিনিস খরিদ করবার জন্য নয়। কালীঘাটের ফেরত চিড়িয়াখানা ও যাদুঘর দেখে, নিউ মার্কেটে ঢুকতো বাজারের জাঁকজমক দেখবার জন্য। তার মানে, নিউ মার্কেট কলকাতার একটা দ্রষ্টব্য স্থান ছিল। কিন্তু আজ সেখানে অন্য দৃশ্য। আজ মেয়েরা নিউ মার্কেটে যায় শাড়ি, ব্লাউজ, ছেলে-মেয়েদের জামা-জুতো ও নানারকম বিলাস দ্রব্য কিনতে। যারা কিনতে যায় তারা মনে মনে বেশ আত্মগরিমার সুখ পায়। দুশো টাকায় নিউ মার্কেট থেকে যে জিনিসটা তারা কিনবে, মার্কেটের বাইরের দোকানে সেটা হয়তো পঞ্চাশ টাকা কমে পাবে, কিন্তু ওই পঞ্চাশ টাকার জন্য তারা আত্মগরিমার সুখটা জলাঞ্জলি দেবে না।

    আগেকার দিনে নিউ মার্কেটে দেখেছি সাহেব-মেম, গোরা পল্টন ও গোরা জাহাজের নাবিক গিজগিজ করছে। আজ কিন্তু সে দৃশ্য আর সেখানে নেই।

    ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এক বিধ্বংসী আগুনে নিউ মার্কেটের এক অংশ পুড়ে যায়। কর্তৃপক্ষ, নিউ মার্কেটকে ভেঙে ওখানে একটা চারতলা বাড়ি তৈরি করবার প্রকল্প নিয়েছিল। মনে হয় তাতেই নেপথ্যে অগ্নিদেব অগ্নিশর্মা হয়ে উঠেছিলেন। নিউ মার্কেটের ঐতিহ্য মানুষের হাতে নষ্ট হয়ে যাবে, এটা বোধ হয় তিনি চান না, যে রকমভাবে মানুষ তার কুৎসিত পরিকল্পনায় নষ্ট করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন ঐতিহ্যমণ্ডিত সেনেট হাউসটাকে। সেজন্যই নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পড়ে মনে জেগে উঠেছিল— ‘অগ্নি স্বাহায় নমঃ’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }