Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিপর্যস্ত কলকাতা

    সম্প্রতি কলকাতা শহর অনবরত বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছে প্লাবনের প্রভাবে। সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে জাব চার্ণক কলকাতা শহর প্রতিষ্ঠা করবার পর থেকে, কলকাতার ইতিহাসে যে দুর্দৈব ঘটনা ঘটেনি তা নয়। ঝড়, জল, ভূমিকম্প ও মহামারী দ্বারা কলকাতা বহুবারই আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু কলকাতার লোকেরা কোনদিন প্রকৃতির এ রকম মহারোষের সম্মুখীন হয়নি। বিস্মৃতির অতল গর্ভ থেকে কলকাতার দুদৈব ঘটনা সম্বন্ধে সবচেয়ে পুরানো বিবরণ যা আমার তুলে আনতে পারি, তা হচ্ছে ১৭৩৭ খ্রীষ্টাব্দের। ওই বছরে যে ঝড়-জল হয়েছিল, তাতে ধ্বসে পড়ে গিয়েছিল নব প্রতিষ্ঠিত শহরের অনেক ঘরবাড়ী। ভাগীরথী থেকে লবণ হ্রদ পর্যন্ত পূর্বদিকে যে খালটা চলে গিয়েছিল, তাতে অনেক নৌকা বিনষ্ট হয়েছিল। তারপর থেকেই ধর্মতলার পূর্বাংশের নাম হয় ডিঙ্গাভাঙ্গা। ওই ঝড়েই গোবিন্দরাম মিত্রের কুমারটুলির নবরত্ন মন্দির (যেটা শহীদ মিনারের চেয়েও উঁচু ছিল) ভূমিসাৎ হয়েছিল। কিন্তু তাতে কলকাতা শহরে প্লাবিত হয়নি। কেননা, তখনও কলকাতার ছিল গ্রাম্যরূপ। ঘরবাড়ীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। চারদিকেই ছিল বন-জঙ্গল, মাঠ, নদী-নালা, পুষ্করিণী ইত্যাদি। অত্যধিক বৃষ্টি হয়ে জল বেরিয়ে গিয়ে পড়ত হয় ভাগীরথীতে, আর তা নয় তো লবণ হ্রদে। তবে লবণ হ্রদের জল যখন উপচে যেত তখন শিয়ালদহ-বৈঠকখানা প্রভৃতি অঞ্চল প্লাবিত হত।

    ১৭৩৭ খ্রীষ্টাব্দের পর আমরা যে অতিবর্ষণের খবর পাই, তা হচ্ছে সোমবার একুশে জুন ১৭৫৬ খ্রীষ্টাব্দের। দিনটা হচ্ছে সিরাজ কর্তৃক কলকাতা অবরোধের পরদিন। ওই অবরোধের সময় যে-সকল লোক নিহত হয়েছিল, তাদের ফেলে দেওয়া হয়েছিল শহরের নর্দমা ও একটা গাড্ডার মধ্যে। পরদিন অতিবর্ষণের ফলে ওই সকল মৃতদেহ পচে গিয়ে শহরে এক মহামারীর সৃষ্টি করেছিল। শহরে আবার মহামারী ঘটেছিল ১৭৬২ খ্রীষ্টাব্দে। এই মহামারীতে শহরের দেশীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পঞ্চাশ হাজার লোক প্রায় হারিয়েছিল।

    এরই আট বছর পরে আসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর। এই দুর্ভিক্ষের সঙ্গে দেখা দেয় মহামারী। দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর ফলে কলকাতা শহরে ছিয়াত্তর হাজার লোক মারা যায়। মেকলে এর যে বর্ণনা দিয়েছেন সেটা খুবই ভয়াবহ—‘কলকাতার রাজপথ ও অলি-গলি সমূহ মৃতদেহে পরিপূর্ণ। কোথাও বা মৃতদেহ সৎকারের অভাবে পড়ে আছে- শকুনি-গৃধিনীর উদরস্থ হচ্ছে, কোথাও বা মুমুর্ষু ব্যক্তি পথের ধারে পড়ে আর্তনাদ করছে। যারা পারছে তারা গঙ্গার ধারে বালুকার উপর মৃতদেহ ফেলে রেখে যাচ্ছে। সৎকারের লোক নেই—সৎকার করে কে? এই মড়কের সময় জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পনের শত সাহেবও মারা যায়।’

    ১৭৮০ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। ১৮১৮ খ্রীষ্টাব্দে বাংলা সংবাদপত্রেরও আবির্ভাব হয়। কিন্তু সেকালের সংবাদপত্রে আমরা বড় রকমের কোন ঝড়-বৃষ্টির সংবাদ পাই না। বড় রকমের ঝড়-বৃষ্টির সংবাদ পাই ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দের পাঁচ অক্টোবর তারিখে। কলকাতা আক্রান্ত হয়েছিল এক অতিভীষণ ঝড় ও বর্ষণ দ্বারা। এই ঝড়ে কলকাতা বন্দরের অনেক জাহাজ বিনষ্ট হয়েছিল, শহরের বহু ঘরবাড়ী পড়ে গিয়েছিল এবং মদনমোহনতলার সামনে অবস্থিত ডাকাতে কালীর জোড়বাংলা মন্দিরটা ভূমিসাৎ হয়েছিল। ঝড়ের বেগ এত প্রবল ছিল যে শ্যামবাজারের খাল থেকে নৌকাগুলো উড়তে উড়তে উল্টাডাঙ্গায় গিয়ে পড়েছিল। এই ঝড়ে কলকাতা শহরের এরূপ ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছিল যে সেই ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ সম্বন্ধে কয়েকখানা রিপোর্ট ও বই প্রকাশিত হয়েছিল। যদিও ঝড়ের সঙ্গে অতিবর্ষণ হয়েছিল, তা সত্ত্বেও কলকাতা শহর প্লাবিত হয় নি।

    ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতা কেঁপে উঠল এক ভূমিকম্পে। কিন্তু তাতে কলকাতার বাহিরের যত ক্ষতি হয়েছিল, শহরের তত হয়নি।

    পরবর্তী নৈসর্গিক দুর্ঘটনা ঘটল ১৮৮৭ খ্রীষ্টাব্দে ২৫ মে তারিখে। এক ভীষণ ঘূর্ণিবার্তার প্রভাবে ভাগীরথীতে জলোচ্ছ্বাস হল স্ট্রাণ্ড রোডের ওপর বহু ডিঙ্গি বিক্ষিপ্ত হল; ইংলিশম্যান’ পত্রিকায় লিখিত হল যে আর সামান্য জল বাড়লেই হেয়ার স্ট্রীটে নৌকা চলাচল করবে। এই ঘূর্ণিবার্তার সময় ঘটেছিল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পুরীতে রথযাত্রা দেখবার জন্য (তখন রেলপথ হয়নি; পুরীর সঙ্গে প্রথম রেল সংযোগ হয় ১৮৯৯-তে) ‘স্যার জন লরেন্‌স’ নামক ম্যাকলীন কোম্পানির এক জাহাজে কলকাতা শহরের বিশিষ্ট অভিজাত পরিবারের ৮০০ মহিলা ও মধ্যবিত্ত ঘরের ২০০ মেয়ে ও পুরুষ যাত্রী বালেশ্বরে যাচ্ছিল। জাহাজখানা ডুবে যাওয়ায় সকলেরই সলিল সমাধি হয়। একজনও বাঁচেনি। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অভিভূত হয়ে কলকাতার কয়েকজন কোমলহৃদয়া ইংরেজ রমণী স্থাপিত করেছিলেন এক প্রস্তর-ফলক বড়বাজারের ছোট্টলাল দুর্গাপ্রসাদ ঘাটের দেওয়ালে। তাতে লেখা আছে — ইং ১৮৮৭ খ্রীষ্টাব্দের ২৫-এ মে তারিখের ঝটিকাতে ‘স্যার জন লরেন্‌স’ বাষ্পীয় জাহাজের সহিত যে সকল তীর্থযাত্রী অধিকাংশই স্ত্রীলোক, জলমগ্ন হইয়াছেন, তাঁহাদিগের স্মরণার্থে কয়েকজন ইংরেজ রমণী কর্তৃক এই প্রস্তর ফলকখানি উৎসর্গীকৃত হল’। এই ঘটনাকেই উপলক্ষ্য করে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন তাঁর ‘সিন্ধুতরঙ্গ’ কবিতা।

    তারপর কলকাতা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১২ জুন ১৮৯৬ খ্রীস্টাব্দের ভূমি কম্পে। তাতে কলকাতার বহু ঘরবাড়ি পড়ে যায়। ভূমিকম্পের সময় যাঁরা ঘোড়ায়-টানা ট্রামে করে যাতায়াত করেছিলেন, তাঁরা আহত হন আশপাশের বাড়ি থেকে ছিটকে আসা ভগ্নাংশের দ্বারা।

    এরই পদানুসরণে এসেছিল কলকাতায় ১৮৯৮ খ্রীষ্টাব্দে প্লেগের মহামারী। আক্রান্ত ব্যক্তিতে হাসপাতালসমূহ পূর্ণ হয়ে গেল। হাসপাতালে স্থানাভাবের জন্য সরকার কলকাতার বড় বড় বাড়ির ছাদের উপর আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসালয় স্থাপন করলেন। এদিকে সাহেব ডাক্তাররা এসে মেয়েদের ঊরু ও কটির সন্ধিস্থল পরীক্ষা করবে শুনে আতঙ্কিত হয়ে লোক শহর ত্যাগ করতে লাগল। রাতারাতি ছ্যাকড়া গাড়ির ভাড়া পঞ্চাশ গুণ হয়ে গেল। (কলকাতায় শেষ প্লেগের মহামারী ঘটেছিল ১৯৪৮ খ্রীষ্টাব্দে)

    কলকাতায় সবচেয়ে বড় রকমের অতিবর্ষণ ঘটেছিল ১৯০০ খ্রীষ্টাব্দে। সাতদিন অবিশ্রান্ত ধারায় বৃষ্টিপাত হয়েছিল। বাঙলার নদীনালা সব ভেসে গিয়েছিল। কিন্তু কলকাতা শহরে বন্যার জল জমে থাকেনি। এ সময়ের এক ঘটনার কথা উল্লেখ না করে থাকতে পারছি না। বর্ষণের পর যেদিন প্রথম রেল চলাচল শুরু হল, সেদিন একটি ছোট ছেলে রেল লাইনের ধার দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ তার নজরে পড়ল যে, রেল লাইনের খানিকটা অংশ বন্যার জলে ভেসে বেরিয়ে গেছে। দূরে রেলের বাঁশী বাজছে। ছেলেটির গায়ে ছিল একখানা লাল রঙের চাদর। সে রেল লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে লাল চাদরখানা নাড়তে লাগল। লাল চাদর দেখে ট্রেনখানা দাঁড়িয়ে গেল। সেদিন ওই ছোট ছেলেটির প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের জন্য হাজার হাজার যাত্রীর প্রাণরক্ষা হল।

    ১৯১৮ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় আবার কয়েক দিন অতিবর্ষণ হল। কিন্তু তাতে কলকাতা শহরে জল জমেনি। তবে গ্রামগঞ্জ বন্যার জলে ভেসে গিয়েছিল। সেই বন্যায় তারকেশ্বর মন্দিরের আধখানা জলের তলায় চলে গিয়েছিল।

    ওরই অনুগামী হয়ে ১৯১৮-১৯ খ্রীষ্টাব্দে এসেছিল ইনফ্যুয়েনজা মহামারী। ঘরে ঘরে মৃত্যু। কান্নার রোলে শহর নিনাদিত হয়ে উঠল। শবদাহের জন্য কাশী মিত্তির ও নিমতলাঘাটে আধ মাইলব্যাপী মড়ার খাটের লাইন পড়ে গেল।

    আবার ১৯২৫ খ্রীষ্টাব্দের বর্ষাকালে একদিন রাত্রে কলকাতায় হল অতিবর্ষণ। কলকাতার পুরানো বাড়িগুলোর নীচের তলা জলে ভরে গেল। আমরা যে বাড়িতে বাস করতাম সেটা তৈরী হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ পাদে। রাত্রে ঘুমের ঘোরে আমরা কিছুই টের পাইনি। সকালে উঠে দেখি, ঘরে খাটের তলায় এক হাঁটু জল। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি, ভিতর বাড়ির দালানে যে সব তক্তাপোষ ছিল, সেগুলো ভাসতে ভাসতে বারবাড়িতে চলে গিয়েছে। রাস্তায় কিন্তু জল জমেনি, যা জমেছিল তা নিষ্কাশিত হয়ে গিয়েছিল রাস্তার পয়ঃপ্রণালী দিয়ে।

    ১৯২৬ খ্রীষ্টাব্দের পর আর ইতিহাসের বিষয়বস্তু নয়। এটা পাঠকদের অভিজ্ঞতার বিষয়বস্তু। সেজন্য বিপর্যস্ত কলকাতার ইতিহাসের ছেদ এখানেই টেনে দিতে চাই। তবে এইটুকু বলতে চাই যে, গত পঞ্চাশ বছর কলকাতায় আকচার অতিবর্ষণ ঘটেছে। ১৯২৬ খ্রীষ্টাব্দের পর সবচেয়ে বড় অতিবর্ষণ ঘটেছিল ১৯৪৬ খ্ৰীষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে। তারপর ১৯৫৬, ১৯৫৯, ১৯৭০ ও ১৯৭৮ খ্রীষ্টাব্দে। কিন্তু অতিবর্ষণ ঘটলেও বিশেষ বিশেষ জায়গা (যেমন ঠনঠনিয়া কালিবাড়ির সামনে, লায়নস রেঞ্জ ও তার সন্নিহিত অঞ্চলে ও সেনট্রাল অ্যাভেন্যুতে দমকলের আড্ডার সামনে) ছাড়া কলকাতা জলবন্দী হত না। কলকাতা জলবন্দী হতে আরম্ভ হয়েছে মাত্র দশ-পনের বৎসর। পৌরসংস্থার অ্যাডমিনিসট্রেটর বলেন যে, ইদানীংকালে কলকাতা বছরে দশ বারো-বার জলমগ্ন হয়। কেন? এর উত্তর কলকাতার পয়ঃপ্রণালীর অপ্রতুলতা। কলকাতা যেভাবে বেড়ে গেছে (আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে) সে অনুপাতে তার পয়ঃপ্রণালী বাড়েনি। খাস কলকাতার ২৯.৪ বর্গমাইল আয়তনের মধ্যে মাত্র ২১.০৮ বর্গমাইলে পয়ঃপ্রণালী আছে। কলকাতার পয়ঃপ্রণালীর নলগুলির ব্যাস ৬ ইঞ্চি থেকে ১৮ ইঞ্চি। কিন্তু নলগুলির একচতুর্থাংশ ময়লাচ্ছন্ন হয়ে বুজে গেছে। এছাড়া কলকাতার মোট আয়তনের ৪৫ শতাংশে কোন পাকা নর্দমা নেই। এ-সব অঞ্চলের (যথা বাঙ্গুর কলোনী, লেক টাউন, সিঁথি প্রভৃতি) জল বাগজালার খালে গিয়ে পড়ে। খালটা অতিবর্ষণের সময় উপচে গেলে শহরের জলনিকাশ বন্ধ হয়ে যায়।

    সম্প্রতি কলকাতা বিপর্যস্ত হয়েছে আন্ত্রিক ও ভেজাল তেলজনিত ব্যাধির প্রকোপে।

    কিন্তু কলকাতাকে সবচেয়ে বিপদে ফেলেছে ডি. ভি. সি-র বাঁধসমূহ। এই বাঁধগুলি থেকে জল ছেড়ে দিলে দামোদরে বন্যা হয়। ষাট বছর পূর্বে ‘মডার্ন রিভিউ’ পত্রিকায় (১৯২৭, পৃষ্ঠা ৫৯৩) ‘দামোদরের বন্যায় কলকাতার বিপদ’ সম্বন্ধে একটা প্রবন্ধ লেখা হয়েছিল। কিন্তু সে প্রবন্ধের সতর্কবাণীতে কেউই কান দেননি। রাজনীতি ও তার পিছনে টাকা পয়সার লেনদেনকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। হরপ্পা, মহেঞ্জোদরো থেকে আরম্ভ করে প্রাচীন ভারতের অনেকগুলি শহরই বিলুপ্ত হয়ে গেছে বন্যা কবলিত হয়ে। জানিনা, কলকাতার কপালে কি লিখন আছে।

    তবে ঝড়, ঝাপট, বন্যা মহামারী ইত্যাদি ছাড়াও, কলকাতা আজ নানাভাবে বিপর্যন্ত। পথচারীদের ফুটপাথ দিয়ে হাটবার উপায় নেই, কেননা, কলকাতার অনেক রাস্তারই ফুটপাত আজ বাজারে পরিণত হয়েছে। কলকাতার অধিকাংশ টেলিফোনই আজ অচল। বাড়ীতে কোনরূপ বিপদ ঘটুক, বা আগুন লাগুক, আজ উপায় নেই থানায় টেলিফোন করে পুলিশের সাহায্যে প্রার্থনা করা, বা অ্যাম্বুলেনস্ ও দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া। যেখানে টেলিফোন অচল সেখানে জরুরী প্রয়োজনে ডাক্তার ডাকবারও উপায় নেই। টেলিফোনের পর ইলেকট্রিসিটির কথা ধরুন। কথায় কথায় লোডশেডিং। প্রান্তিক অঞ্চল সমূহে ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে কলের জলের ঘনিষ্ঠ আঁতাত। লোডশেডিং হলে পানীয় জল থেকে আরম্ভ করে রান্না, স্নান, পায়খানায় যাওয়া সবই বন্ধ। ছেলেদের লেখাপড়ার তো বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে ঘনঘন লোডশেডিং। লোডশেডিং যে মাত্র মানুষকে তিতিবিরক্ত করে তুলেছে তা নয়। সম্প্রতি কনভেন্ট রোডের পাস্তুর ইনষ্টিটিউটের এক সমীক্ষা থেকে জানতে পারা যায় যে লোডশেডিং জন্তু জানোয়ারকেও বিব্রত করে তুলেছে। লোডশেডিং-এর ফলে শহরে কুকুরে কামড়ানোর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    যানবাহনের অবস্থা আরও শোচনীয়। মাঝপথে বাসে ট্রামে ওঠা একেবারে অসম্ভব। নিজের গাড়ী থাকলেও নিস্তার নেই। জ্যামে আটকে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তেল পোড়াতে হয়। পেট্রল যে একটা দুষ্প্রাপ্য জাতীয় সম্পদ এবং এটা এভাবে নষ্ট হলে জাতির ক্ষতিই হয় এ বোধ কর্তৃপক্ষ মহলের কারোরই মাথায় ঢোকে না।

    রাস্তায় সব সময়ই চলেছে মিছিল, নানা রকম শ্লোগান দিতে দিতে। মিছিলের ফলাফল নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। আমাদের বক্তব্য মিছিলে আটকে পড়ে জীবনমরণের মুখোমুখী যে সব রোগী বা যারা প্রসব বেদনায় ছটফট করছে, তাদের যথা সময়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না। লোক যথাসময়ে কোর্ট-কাছারী, স্কুল-কলেজ, কর্মস্থল ও পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে যেতে পারছে না।

    ট্যাকসীর ভাড়া যত বাড়ছে, ট্যাকসী তত দুষ্প্রাপ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাছাড়া ট্যাকসীওয়ালাদের আছে জুলুম ও মরজি। উত্তরে যেতে চাইলে বলে দক্ষিণে যাব, আর দক্ষিণে যেতে চাইলে বলে উত্তরে যাব। আরোহীর বিনা অনুমতিতে সামনে প্যাসেঞ্জার তোলে। ভারতের আর কোন শহরে এ রকম অনাচার নেই।

    হাসপাতালগুলোয় আর সুচিকিৎসা হচ্ছে না। গ্লুকোজের বদলে কেরোসিন দেওয়া হচ্ছে, রোগীর জন্য বরাদ্দ ওষুধের হাত পা গজাচ্ছে এবং সেগুলো বাইরের ডাক্তারখানায় চলে যাচ্ছে। হাসপাতালের যন্ত্রসরঞ্জামও বাইরে পাচার হচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিম বঙ্গের পূর্তমন্ত্রী যতীন চক্রবর্তী মশায় সরেজমিনে গিয়ে হাসপাতালসমূহের যেসব অনাচার ও দুর্নীতি উদঘাটন করেছিলেন তা যে কোন স্বাধীন ও সভ্য দেশের পক্ষে ল ার বিষয়। এ ছাড়া বিনা নোটিশে অনবরতই হাসপাতালের কাজ বন্ধ হয়ে যাছে।

    তারপর আইনশৃঙ্খলা সম্বন্ধে কিছু না বলাই ভাল। লোকে পুলিশের কাছ থেকে ন্যায়সঙ্গত আচরণ পাচ্ছে না। মনে হয় পুলিশের একমাত্র কর্তব্যকর্ম হচ্ছে রাস্তার মোড়ে মোড়ে লরিওয়ালাদের কাছ থেকে পয়সা আদায় করা। যখন লরির ঝাঁক আসে, তখন সব লরিওয়ালাদের কাছ থেকে পয়সা আদায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের সিগনাল বন্ধ হয়ে থাকে। এটাও জ্যামের একটা কারণ। তা ছাড়া, খুন-জখম, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, রাহাজানি ও চুরি-ডাকাতি ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদন থেকে জানতে পারা যায় যে ১৯৭২ খ্রীষ্টাব্দে ডাকাতি ও রাহাজানির সংখ্যা ছিল ৭৭। ১৯৭৭ খ্রীষ্টাব্দে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ২২০১, ১৯৭৮-তে ২৩৬৮, ১৯৭৯-তে ২৪২৫, ১৯৮০-তে ২৫০৭ ও ১৯৮১-তে ২৫৮৯। এ যেন মনে হয় যে একটা বছর আর একটা বছরের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে। আগে ডাকাতদের লক্ষ্যস্থল ছিল ট্রেন, জুয়েলারীর দোকান, ব্যাঙ্ক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। এখন সাধারণ গৃহস্থের বাড়ীতেও ডাকাতির সংখ্যা ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে।

    কলকাতার রাস্তাঘাটের অবস্থাও খুব খারাপ। সাধারণ লোক তো নিজ চোখেই দেখতে পায় রাস্তাঘাট কিভাবে মেরামত হয়। কেবল কর্তৃপক্ষেরই এটা দেখবার মত চোখ নেই ঠিকাদারের বিল পাশ করবার সময়। তারপর সি.এম.ডি.এ. তো রাস্তাঘাটগুলোকে ভেঙে চুরমার করে ফেলছে। পাশের বাড়ীগুলোও দুর্বল হয়ে পড়ছে। শুধু সি.এম.ডি.এ. কেন? কলকাতার টেলিফোন, ইলেকট্রিসিটি, জলকল প্রভৃতির জন্য অনবরতই রাস্তা খোঁড়া হচ্ছে, এবং যেন তেন প্রকারেন সেগুলো ঢাকা দেওয়া হচ্ছে। পূর্বাবস্থায় আর ফিরিয়ে আনা হচ্ছে না। এখন কলকাতার রাস্তায় পর্বতপ্রমাণ জঞ্জাল জমে। নিয়মিত রাস্তা ঝাঁট দেওয়া হয় না। রাস্তায় জল দেওয়ার পাট তো উঠেই গেছে। তা ছাড়া, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা জলে ডুবে যায়।

    কলকাতার বন্দরের অবস্থাও খুব খারাপ। বড় জাহাজ আর কলকাতায় আসতে পরে না। ফলে, বড় বন্দর শহর হিসাবে কলকাতা আজ তার অতীত গৌরব হরাচ্ছে।

    এক কথায়, কলকাতা আজ নানাভাবে বিপর্যস্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }