Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কি করে মহানগরী হ’ল?

    ১৬৯০ খ্রীষ্টাব্দে জোব চার্ণক কলকাতায় এলেন তৃতীয় বার। তখন থেকেই কলকাতায় ইংরেজদের স্থায়ী বসবাস শুরু হল। তখন কলকাতা মানে তিনখানা পাশাপাশি গ্রাম, সুতানটি, কলকাতা ও গোবিন্দপুর। ১৬৯৮ খ্রীষ্টাব্দে ইংরেজরা ১৬ হাজার টাকায় এই তিনখানা গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কিনে নিয়ে কলকাতার জমিদার হয়। ১৭০৬ খ্ৰীষ্টাব্দে কলকাতার কালেক্টর বা জমিদার একটা সমীক্ষা করান। ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, কলকাতার তখন মোট আয়তন ছিল ৫০৭৭ বিঘা। এই ৫০৭৭ বিঘা জমির মধ্যে মাত্র ৮৪১ বিঘা ১০ কাঠায় ঘরবাড়ি ছিল। বাকি জমির ১৫২৫ বিঘায় ছিল ধানক্ষেত, ৪৮৬ বিঘায় বাগান বাগিচা, ২৫০ বিঘায় হত কলার চাষ। ১৮৭ বিঘায় তামাকের চাষ, ১৫০ বিঘায় তরিতরকারির চাষ, ৩০৭ বিঘা ব্রহ্মোত্তর জমি, ১৬৭ বিঘা সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির এলাকাভুক্ত, ১১৬ বিঘায় ছিল রাস্তাঘাট, পুকুর, কুয়া ইত্যাদি, আর ১১৪৪ বিঘা পতিত জমি। এই হচ্ছে কলকাতার আদিরূপ। বলা বাহুল্য এ রূপটা হচ্ছে গ্রাম্যরূপ।

    ১৬৯৮ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতার জমিদারি কেনবার পর ইংরেজরা এখানে একটা দুর্গ নির্মাণ করে। দুর্গবিশিষ্ট জায়গায় বেশি নিরাপত্তা পাওয়া যাবে ভেবে অনেকেই কলকাতায় এসে বাস শুরু করে। ইংরেজরা তাদের জমি বিলি করে প্রজাস্বত্ব ভিত্তিতে। নির্ধারিত দিনের মধ্যে খাজনা না দিলে, জমি ক্রোক করা হত ও অপরকে বিলি করা হত। জমি পুনরুদ্ধারের কোনও অধিকার ছিল না। জমি অপরকে বেচবারও কোনও অধিকার ছিল না। ১৭১৫ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতার জনসংখ্যা ছিল ১২,০০০। আরমেনিয়ান ও পর্তুগীজরাই কলকাতার প্রাচীন অধিবাসী। আর ছিল এদেশী লোক। তারপর এসেছিল ইংরেজরা। এরা সকলেই ছিল বণিক। দেশী লোক যারা কলকাতায় এসে বসবাস করল, তারা অধিকাংশই এইসব বণিকদের দাসদাসী। আর ছিল পালকিবাহকের দল। ইংরেজরা যেসব চাকর-বাকর নিযুক্ত করল তারা হচ্ছে দারোয়ান, সরকার, পিওন, হরকরা. ছাতা বরদার, হুকা বরদার, খানসামা ইত্যাদি। এছাড়া ছিল ইংরেজদের কেরানি, ভলি. গোমস্তা প্রভৃতির দল। এই ক্রমবর্ধমান জনতার নিত্যনৈমিত্তিক প্রয়োজন মেটাবার জন্য! শহরে এল দোকানদার, মহাজন, নাপিত, পুরোহিত, ধোবা, মুনশি, ঠিকাদার, দালাল প্রভৃতি নানা শ্রেণীর লোক। শহরে এরা সবাই বসতি স্থাপন করল। তার জন্য তৈরি করল ঘরবাড়ি। ঘরবাড়ি তৈরির জন্য এল ঘরামি, রাজমিস্ত্রি ইত্যাদি। শহরের নানা জায়গায় স্থাপিত হল মুদির দোকান, তামাক ও গুলটিকের দোকান। এমন কি ১৭০৩ খ্রীষ্টাব্দের মে মাসে শহরে দু’-খানা গাঁজার দোকান খোলবারও লাইসেন্স দেওয়া হল। গাঁজার দোকান ছাড়া শহরে ‘আরক’ নামে এক প্রকার তীব্র মদের দোকানেরও লাইসেন্স দেওয়া হল। দু’জন লাইসেন্স পেল বিবি ডোমিনগো অ্যাশ ও গোবিন্দ শুঁড়ি।

    ইংরেজদের জমিদারী পরিচালনার ভার দেওয়া হল একজন কালেক্টরের ওপর। আর তাকে সাহায্য করবার জন্য নিযুক্ত করা হল একজন এদেশী কালেক্টর, নাম ‘ব্ল্যাক কালেক্টর’ বা ‘কালা কালেক্টর’। তার মাহিনা ছিল চার টাকা। কিন্তু জ্বরে কী করে? পিলেয় মেরে দিত। দুহাতে তারা ঘুষ নিত। একবার সহকারী কালেক্টর গোবিন্দরাম মিত্র কালেক্টরের মুখের ওপরই বলেছিল— সহকারীদের এরূপ ঘুষ নেওয়ার অধিকার সব সময়েই আছে, কেননা, তাদের যা বেতন দেওয়া হয়, তাতে তাদের পদমর্যাদা বজায় রেখে চলা যায় না।’ গঙ্গার ধারে কুমারটুলিতে গোবিন্দরামের বিরাট বসতবাড়ি ও নয়-চূড়াবিশিষ্ট এক কালী মন্দির ছিল। কালী মন্দিরের উচ্চতা ছিল বর্তমান শহিদ মিনারের চেয়েও বেশি। বিদেশীদের কাছে এটা ছিল কলকাতার দিকচিহ্ন। তারা এটাকে ‘দি প্যাগডা’ বলত। প্রথম সহকারী কালেক্টর নন্দরাম সেনও একটা বড় শিবমন্দির করেছিলেন।

    ১৭০৩ খ্রীষ্টাব্দের কোম্পানির আয়ব্যয়ের খাতায় দেখা যায় যে তখন শহর কোতোয়ালের (বর্তমান পুলিস কমিশনারের পূর্বসূরি) মাহিনা ছিল চার টাকা ও প্রত্যেক পুলিশ রক্ষীর বেতন ছিল মাত্র দু’টাকা। ওই বছরে কোম্পানির গোমস্তার মাহিনা ছিল এক টাকা নয় আনা। কোম্পানির সেরেস্তার জন্য এক মাসে কাগজ কেনা হয়েছিল ছয় আনার ও কালি দু আনার।

    শহরের অবস্থা ছিল খুবই অস্বাস্থ্যকর। কলেরা, জ্বর ও বসন্ত নিত্য লেগে থাকত। শহরে সাহেবদের জন্য একটা সুন্দর হাসপাতাল ছিল বটে, তবে সেখানে যারা যেত, তারা আর ফিরে আসত না।

    আদালতও একটা ছিল, কিন্তু কোন জেলখানা ছিল না। চোর ও খুনীদের শাস্তি দেওয়া হত গঙ্গার ওপারে হাওড়ায় ‘দ্বীপান্তর’ করে। ১৭১৭ খ্রীষ্টাব্দে ইংরেজরা দিল্লির বাদশাহ ফারুকশিয়ারের কাছ থেকে ফরমান পাবার পর, ১৭২৬ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় মেয়রস্ কোর্ট নামে এক আদালত স্থাপিত হয়। পরে ১৭৭৪ খ্রীষ্টাব্দে সুপ্রীম কোর্ট স্থাপিত হয়। পরের বছরের ৫ আগস্ট তারিখে এখানেই অনুষ্ঠিত হয় প্রথম ব্রহ্মহত্য, মহারাজ নন্দকুমারের ফাঁসি। পাছে ব্রহ্মহত্যার পাপ তাদের অসায় বলে, কলকাতার লোক সেদিন গঙ্গার অপর পারে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে সাহেবেরা খুব মিতব্যয়ী ও সংযমী ছিল। কিন্তু পলাশীর যুদ্ধের (১৭৫৭) পর মোটা ঘুষের টাকায় তারা খুব বিলাসপরাণ হয়ে ওঠে। তারা তখন এক একজন ‘নবাব’ হয়ে দাঁড়ায়। কলকাতাকে তারা ভোগবিলাসের কেন্দ্র করে তোলে।

    কেবল যে সাহেবরাই ঘুষ নিত তা নয়। এদেশী দেওয়ানরাও। তারাই কলকাতার অভিজাত পরিবারসমূহের প্রতিষ্ঠাতা। তারা যে ঐশ্বর্যের মধ্যে হাবুডুবু খেতেন, তা তাদের বেতনের দিকে তাকালে বুঝতে পারা যাবে কোথা থেকে টাকা আসত তাদের ভোগবিলাসের জন্য।

    ১৭৬৮ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় ১৭টা বাজার ছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল ‘বড়বাজার’। তার পরই সুতানটির বাজার। সুতানটির বাজার সপ্তাহে দুদিন বসতো— বৃহস্পতিবার ও রবিবার। লোহালক্কড়ের জিনিস থেকে আরম্ভ করে শাকসবজি, কাপড়, জুতা, মাছ, তেল, নুন, ঘি, সবকিছুই বিক্রি হত সুতানটির বাজারে। সেকালে জিনিসপত্তরের দাম খুবই সস্তা ছিল। ১৭৬৩ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতার বাজার দর ছিল—চাল ১.৮৭ মণ, ডাল ২.৫০ মণ, ঘি ১৫.৪১ মণ, সরষের তেল ৮.৪৪ মণ, নুন ১.২৫ মণ, ময়দা ৩.৩৭ মণ, চিনি ৭.১৫ মণ, মিষ্টান্ন মেঠাই ১০.০০ মণ ও মোরব্বা ১৯.০০ টাকা মণ। একটা গোটা খাসির দাম ছিল এক টাকা।

    সাধারণ ভদ্র গৃহস্থের জীবনযাত্রা ছিল খুব সরল। বারমাসে তারা তের পার্বণ করত। প্রত্যহ তারা গঙ্গাস্নান করত। মেয়েরা ছিল অসূর্যম্পশ্যা। তারা অন্তঃপুরেই থাকত। তাদের কোন অন্তর্বাস ছিল না, তারা পাছাপেড়ে শাড়ি পরত। পুরুষরা পরত ধুতি, গায়ে দিত চাদর ও মাথায় বাঁধত পাগড়ি।

    প্রথম একশ বছরের মধ্যে কলকাতার অনেক পরিবর্তন ঘটল। ১৭৭৩ খ্রীষ্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস্ গভর্নর-জেনারেল নিযুক্ত হবার পর কলকাতা ভারতের রাজধানীর মর্যাদা পেল। কলকাতা এক জনবহুল শহর হল। ১৭১৬ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতার জনসংখ্যা ছিল ১২,০০০। ১৭৮৯ খ্রীষ্টাব্দে ৬০০,০০০। ১৭০৬ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় আটখানা পাকাবাড়ি ও ৮,০০০ কাঁচাবাড়ি ছিল। ১৭৫৬ খ্রীষ্টাব্দে ৪৯৮ পাকাবাড়ি ও ১৪,৪৫০ কাঁচাবাড়ি ছিল। আগে সাহেবপাড়া ছিল বি-বা-দী বাগ ও চীনাবাজার অঞ্চলে। শতাব্দীর শেষ দুই দশকে চৌরঙ্গী অঞ্চলে। আগে কলকাতায় ঘোড়ার গাড়ি ছিল না। ঘোড়ার গাড়ি চলতে থাকে হেস্টিংস-এর আমলে। দেশী লোকদের মধ্যে মহারাজ নবকৃষ্ণই প্রথম ঘোড়ার গাড়ি কেনেন। হেস্টিংস-এর আমলে ১৭৭৪ খ্রীষ্টাব্দে চিঠিপত্তর পাঠাবার জন্য একটা ডাকবিভাগও খোলা হয়। ১৭৮০ খ্রীষ্টাব্দে ঘোড়দৌড়েরও প্রচলন হয়। বাংলা হরফে বই ছাপাও হয়। তবে স্কুল কলেজ ছিল না। ছিল পাঠশালা, চতুষ্পাঠী, মকতাব ও মাদ্রাসা। ১৭৮০ খ্রীষ্টাব্দে হিকি প্রথম সংবাদপত্র ‘গেজেট’ প্রকাশ করেন। এদেশী লোকদের জন্য একটা হাসপাতালও (বর্তমান মেয়ো হাসপাতালের জনক) স্থাপিত হয়। একেবারে শতাব্দীর শেষে রাজভবনও নির্মিত হতে থাকে। তারপর প্রচেষ্টা চলে কলকাতাকে রূপান্তরিত করবার।

    উনিশ শতকের প্রারম্ভ থেকেই লটারী করে কলকাতাকে রূপান্তরিত করবার চেষ্টা হয়। ১৮০৫ থেকে ১৮১৭ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে লটারীর টাকায় অনেক পুকুর কাটানো হয়। টাউন হল (১৮০৬-১৩) নির্মিত হয় ও বেলেঘাটা খালের সংস্কার করা হয়। ১৮১৭ খ্রীষ্টাব্দে একটা স্থায়ী লটারী কমিটি গঠিত হয় এবং তারাই প্রথম এক বৃহৎ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এই কমিটির কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত ছিল কলকাতার সাহেব-পাড়াকে তৈরি করা। এটা তৈরি হয়েছিল ক্যামাক স্ট্রীট অঞ্চলের বস্তিগুলোকে উচ্ছেদ করে। তাছাড়া ১৮১৭ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১৮২১ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে তারা তৈরি করেছিল ব্যাপারীটোলা (ওয়েলিংটন স্কোয়ার অঞ্চল), হেস্টিংস ও হেয়ার স্ট্রীট, ম্যাংগো লেন ও কসাই- টোলা, ক্রীক রো, ফ্রি স্কুল স্ট্রীট, কিড স্ট্রীট, উড স্ট্রীট, ইলিয়ট রোড, পার্ক স্ট্রীট ও চৌরঙ্গী অঞ্চল। গোলদিঘি বা কলেজ স্কোয়ার অঞ্চলও তারা সুসংস্কৃত করেছিল। ময়রা স্কোয়ার থেকে বৌবাজার পর্যন্ত একটা নূতন রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল, যার নাম দেওয়া হয়েছিল ওয়েলিংটন স্ট্রীট। তারপর ১৮২১ খ্রীষ্টাব্দের পর ওই রাস্তাটাকে সোজা টেনে আনা হয়েছিল (কলেজ স্ট্রীট ও কর্ণওয়ালিস স্ট্রীট) শ্যামবাজার পর্যন্ত চার্নকের রাস্তার (পরবর্তীকালের ব্যারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড) সঙ্গে মিলিত করবার জন্য? কলকাতায় এসময় পাকাবাড়ির তুলনায় মাটির বাড়ির সংখ্যাই ছিল বেশি।

    ইতিমধ্যে বেসরকারী উদ্যোগে ১৮১৭ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় হিন্দু কলেজ স্থাপিত হয়ে গিয়েছিল। ১৮২৪ খ্রীষ্টাব্দে সরকারী উদ্যোগে সংস্কৃত কলেজ ও ১৮৩৫ খ্রীষ্টাব্দে মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়েছিল। ১৮৪৮ খ্রীষ্টাব্দে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মিত হয়। ১৮৪৯ খ্রীষ্টাব্দে স্ত্রীশিক্ষার জন্য নেটিভ ফিমেল স্কুল (পরবর্তীকালের বেথুন কলেজ) স্থাপিত হয়। ১৮৫৪ খ্রীষ্টাব্দে সরকার হিন্দু কলেজ অধিগ্রহণ করেন ও ওর নামকরণ করেন প্রেসিডেন্সী কলেজ। ১৮৫৭ খ্রীষ্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ১৮৬২ খ্রীষ্টাব্দে সুপ্রীম কোর্টকে রূপান্তরিত করে হাইকোর্ট স্থাপন করা হয়। ১৮৬২ থেকে ১৮৭২-এর মধ্যে বর্তমান হাই কোর্ট ভবন তৈরি করা হয়।

    ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দে ফ্রি স্কুল স্ট্রীটকে বাড়িয়ে ধর্মতলা স্ট্রীটের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। ১৮৬৫ খ্রীষ্টাব্দে ক্যানিং স্ট্রীট, ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দে বিডন স্ট্রীট, ১৮৭৩ খ্রীষ্টাব্দে গ্রে স্ট্রীট ও ১৮৯০ খ্রীষ্টাব্দে হ্যারিসন রোড নির্মিত হয়।

    কলকাতার রাস্তায় জল দেওয়া শুরু হয়েছিল ১৮১৮ খ্রীষ্টাব্দের ১৯শে ফেব্রুয়ারী তারিখ থেকে। প্রথম জল দেওয়া হয় চিৎপুর রোডে। তার কিছু পরেই কলকাতার রাস্তায় তেলের আলো জ্বালা হয়। ১৮৫৭ খ্রীষ্টাব্দের ৫ জুলাই থেকে গ্যাসের আলো ও ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দের ৮ জুলাই থেকে কলকাতা শহরে পরিশোধিত জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। এর জন্য কতকগুলো জলাধার সৃষ্টি করা হয়। তারপর ১৯১১ খ্রীষ্টাব্দের ১৬ মে তারিখ থেকে টালায় একটা পাম্পিং স্টেশন কার্যকর করা হয়। জল নিকাশের জন্য ১৮৬১-৭৫-তে কলকাতা মাটির তলায় ড্রেন পাইপ বসানো হয়। ১৮৭৬ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতা করপোরেশন গঠিত হবার পর থেকে কলকাতার রাস্তাঘাট ও ড্রেন সংস্কার, জল সরবরাহের ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যরক্ষা, প্রাইমারী বিদ্যালয়, মিউনিসিপাল মার্কেট, পার্কগুলোর তদারকী করা ইত্যাদির ভার কলকাতা করপোরেশনের ওপরই ন্যস্ত আছে।

    কলকাতায় ঘোড়ার ট্রামের প্রবর্তন হয় ১৮৭৩ খ্রীষ্টাব্দের ২৪শে ফেব্রুয়ারী থেকে। ১৯০২ খ্রীষ্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর থেকে ট্রাম টানবার জন্য ঘোড়ার বদলে বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহৃত হয়। ১৮৯৬ সাল থেকে কলকাতায় মোটর গাড়ির প্রচলন হয় ও ১৯২১ খ্রীষ্টাব্দ থেকে রিকশ গাড়ির। ১৯২৪ থেকে কলকাতায় বাস সারভিসের প্রবর্তন হয়। কলকাতায় বাইসাইকেল চলেছিল ১৮৮৯ খ্রীষ্টাব্দ থেকে। টেলিগ্রাফের প্রবর্তন হয়েছিল ১৮৫২ থেকে, টেলিফোনের ১৮৭৭ থেকে, ইলেকট্রিসিটি ১৯০০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে, বেতারবাণী ১৯২৬ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ও টেলিভিশন ১৯৫৭ থেকে। চক্র রেল ও পাতাল রেল চালু করা হল ১৯৮৬-৮৭ সাল থেকে। কলকাতায় প্রথম ফুটপাত তৈরি হয় ১৮৬১-৬২ খ্রীষ্টাব্দে ওল্ড কোর্ট হাউস স্ট্রীটে রাজভবনের সামনে। তারপর সব বড় রাস্তার ধারে। কলকাতার ফুটপাতগুলোকে সীমেণ্ট দিয়ে বাঁধানো হয় প্রথম বিশ্ব-যুদ্ধের সময়।

    কলকাতায় প্রথম মিউনিসিপাল মার্কেট খোলা হয় ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দের ১ জানুয়ারী তারিখে চৌরঙ্গীর লিওসে স্ট্রীট ও বার্টরাম স্ট্রীটের সংযোগস্থলে। নূতন বাজার বলে একে নিউ মার্কেট বলা হয়। কলকাতায় এখন আরও আটটা মিউনিসিপাল মার্কেট আছে। শবদাহের জন্য কলকাতায় চারটা ঘাট আছে—কাশীপুর, বাগবাজার, নিমতলা ও কেওড়াতলায়। ১৯৫৬ খ্রীষ্টাব্দের ৭ আগস্ট তারিখে কলকাতায় প্রথম ইলেকট্রিক ক্রিমেটরিয়ামের উদ্বোধন হয় কেওড়াতলায়।

    কলকাতাকে মহানগরীতে পরিণত করার কাজ প্রধানত শুরু হয় ১৯১২ খ্রীষ্টাব্দে ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট অ্যাকট পাশ হবার পর। প্রথম তৈরি করা হয় শহরের বুক চিরে একটা বড় রাস্তা (এখনকার চিত্তরঞ্জন অ্যাভেন্যু)। পরে ওই রাস্তা বিস্তৃত করে তৈরি করা হয় যতীন্দ্রমোহন অ্যাভেন্যু ও গিরিশ অ্যাভেন্যু। চিত্তরঞ্জন অ্যাভেন্যু ও যতীন্দ্রমোহন অ্যাভেন্যুর সংযোগস্থল থেকে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় পর্যন্ত তৈরি করা হয় ভূপেন বোস অ্যাভেন্যু। পূর্বদিকে শ্যামবাজার ব্রিজ রোড বিস্তৃত করে নাম দেওয়া হয় আর, জি, কর রোড। পূর্বদিকে এক কচুরিপানাপূর্ণ জলাভূমি ভরাট করে তৈরি করা হল রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রীট। উত্তর থেকে দক্ষিণে যেমন রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রীট তৈরি হল, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকেও কয়েকটা রাস্তা তৈরি করা হল। একটা গ্রে স্ট্রীট থেকে কালীকৃষ্ণ ঠাকুর স্ট্রীট পর্যন্ত নাম বি. কে. পাল অ্যাভেন্যু। আর একটা পোস্তার মোড় থেকে পূর্ব দিকে সিমলা ভেদ করে মানিকতলার খালের ওপার পর্যন্ত। এর এক অংশের নাম হল বিবেকানন্দ রোড ও অপর অংশের নাম মানিকতলা মেন রোড। আরও একটা রাস্তা মিশন রো থেকে ওয়েলিংটন স্কোয়ার পর্যন্ত, নাম দেওয়া হল মিশন রো এক্সটেনশন ও গণেশ অ্যাভেন্যু। ওদিকে এণ্টালী ও পার্ক সার্কাস অঞ্চলকে ভেঙে তছনছ করে ফেলা হল। ওদিকটার নূতন রূপ দেওয়া হল এবং পূর্বদিকে ভি. আই. পি. রোড নামে এক নূতন রাস্তা নির্মাণ করা হল। কিন্তু সবচেয়ে বড় কাজ যা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট করল, সেটা হচ্ছে শহরের দক্ষিণে হোগালা বন কেটে একটা সম্পূর্ণ নুতন অভিজাত পল্লী সৃষ্টি। এই নূতন পল্লীর হৃৎপিণ্ডের ভিতর যে রাস্তাটা তৈরি করা হল, তার নাম দেওয়া হল রাসবিহারী অ্যাভেন্যু এবং শীঘ্রই এ রাস্তায় ট্রাম চলাচল শুরু হল। বড় একটা হল ‘লেক’ তৈরী করা হল, এবং তার সঙ্গে সংযোগ করা হল লেক রোড। তারপর তৈরি করা হল শহরের সবচেয়ে চওড়া রাস্তা সাদার্ন অ্যাভেন্যু। বস্তুতঃ ১৯১২ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট যে উন্নয়নমূলক কর্মসূচী গ্রহণ করল, তার ফলে শহরের চেহারাটা সম্পূর্ণভাবে বদলে গেল।

    কলকাতার পাকা বাড়িগুলো আগে পশ্চাদগামী হত, একটা মহলের পর আর একটা মহল। নিমাই মল্লিকের ছিল সাত মহল বাড়ি। এখন বাড়িগুলো তৈরী হয় উর্ধগামী। এক তলের ওপর আর এক তল। চ্যাটার্জি ইনটারন্যাশনালের বাড়ি হচ্ছে ২৪-তল।

    এখন কলকাতাকে মহানগরীতে পরিণত করবার দায়িত্ব নিয়েছে কলিকাতা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, সংক্ষেপে আমরা যাকে বলি সি. এম. ডি. এ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }