Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প365 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কলকাতার বাবু কালচার

    বাবু-কালচারটা কি, এবং এই কালচারের নায়কদের কি কি লক্ষণ ছিল, তার একটা অনুপম বর্ণনা দিয়ে গেছেন শিবনাথ শাস্ত্রী। বাবু সমাজ সম্বন্ধে তিনি লিখেছেন, “তাঁহারা পারসী ও স্বপ্ন ইংরেজী শিক্ষার প্রভাবে প্রাচীন ধর্মে আস্থাহীন হইয়া ভোগে সুখেই দিন কাটাইত। ইহাদের বহিরাকৃতি কি কিছু বর্ণনা করিব? মুখে, ভূপার্শ্বে ও নেত্রকোণে নৈশ অত্যাচারের চিহ্নস্বরূপ কালিমারেখা। শিরে তরঙ্গায়িত বাবরি চুল, দাঁতে মিশি, পরিধানে ফিনফিনে কালো পেড়ে ধুতি। অঙ্গে অতি উৎকৃষ্ট মসলিন বা কেমরিকের বেনিয়ান, গলদেশে উত্তমরূপে চুনট করা উড়ানী ও পায়ে পুরু ব্যগলস সমন্বিত চীনেবাড়ীর জুতা। এই বাবুরা দিনে ঘুমাইয়া, ঘুড়ি উড়াইয়া, বুলবুলের লড়াই দেখিয়া, সেতার, এসরাজ, বীণা ইত্যাদি বাজাইয়া, কবি হাফ আখড়াই, পাঁচালী প্রভৃতি শুনিয়া রাত্রে বারাঙ্গনাদিগের আলয়ে গীতবাদ্য ও আমোদ করিয়া কাল কাটাইত, এবং খড়দহের মেলা, মাহেশের স্নানযাত্রা প্রভৃতির সময় কলিকাতা হইতে বারাঙ্গনাদিগকে লইয়া দলে দলে নৌকাযোগে আমোদ করিয়া আসিত।”

    আগে বলেছি যে, এই বাবু সমাজের উদ্ভব কলকাতা শহরেই ঘটেছিল। ইংরেজরা যখন কলকাতায় এসে শহর প্রতিষ্ঠা করে, তখন তাদের সংস্পর্শে এসে যারা রাতারাতি বড়লোক হয়, তাদের প্রভাবেই ‘বাবু-সমাজ’ গড়ে উঠেছিল। ‘বাবু সমাজ’ নামটা দিয়েছিল গ্রামের লোকেরা। কেননা, বাবু সমাজের আচার-ব্যবহার, চিত্তবৃত্তি, বাক্‌কৌশল, বেশভূষা, পোষাক-আশাক ও জীবনযাত্রা প্রণালী চমক লাগিয়ে দিয়েছিল গ্রামের লোকদের। ধনপ্রাচুর্যের অভিমান-অহংকারের ওপরই এ সমাজের ওপরতলা প্রতিষ্ঠিত ছিল। ১৮২৩ খ্রীষ্টাব্দে ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ‘কলিকাতা কমলালয়’ বইয়ে কলকাতার বাবু সমাজের পয়সা উপায়ের নানারকম পন্থার উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন—‘এরা বনিয়াদী বড় মানুষ নয়, ঠিকাদারী, জুয়াচুরি, পোদ্দারী, পরকীয়া রমণী সংঘটন ইত্যাদি পন্থা অবলম্বন করে বড়লোক হয়েছেন।’

    মুখ্যত, দেওয়ানী ও বেনিয়ানগিরিই এদের পেশা ছিল। দেওয়ানী ছিল চাকরী বা গোলামী করা। মনিবের হয়ে তারা মনিবের ব্যবসা (প্রধানত লবণ ও আফিমের ব্যবসা) দেখতেন, জমিদারীর তদারকী করতেন, এবং ক্ষেত্রবিশেষে অন্য কাজকর্মের দায়িত্ব পালন করতেন। এক কথায়, দেওয়ানরাই ছিল মনিবের কর্মক্ষেত্রের প্রত্যক্ষ হর্তাকর্তা বিধাতা। দেওয়ানদের অর্থপ্রাচুর্যের বহর দেখে বেশ বুঝা যায় যে তারা চুরি-চামারী করে মনিবের টাকা রীতিমত ফাঁক করে দিত। আর, বেনিয়ানী ছিল, যাকে বলে মহাজনী কারবার। এরা বণ্ড লিখিয়ে নিয়ে সাহেবসুবোদের টাকা ধার দিত। বিলাসিতার জন্য সাহেবদের প্রায়ই টাকার দরকার হত, এবং সে সময় তারা বেনিয়ানদের শরণাপন্ন হত। ব্যবসার জন্য মূলধন নিয়োগই হউক, বা পণ্যদ্রব্য কেনাবেচার কারণেই হউক, সাহেবদের পদে পদে বেনিয়ানদের ওপর নির্ভর করতে হত। এরূপ টাকা ধার দেবার জন্য বেনিয়ানদের মাঝে মাঝে মার খেতেও হত। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধার দেওয়া টাকার অঙ্কটা সুদে আসলে এমনভাবে স্ফীত হয়ে উঠত যে তারা অল্পকালের মধ্যেই বড়লোক হয়ে দাঁড়াত। ভবানীচরণ এঁদের ‘বনিয়াদী বড় মানুষ নয়’ বললেও, এরাই কলকাতা শহরের বনিয়াদী পরিবার-সমূহের প্রতিষ্ঠাতা হয়ে দাঁড়ায়। পদের ও ধনের গরিমা প্রদর্শন করাই এদের বৈশিষ্ট্য ছিল। এমন কি পূজাপার্বণও এদের কাছে ধনগরিমা প্রদর্শনের মাধ্যম হয়ে উঠেছিল। ভবাণীচরণ বলেছেন, ‘কলকাতার দুর্গোৎসব দেবার্চনা না বলে, ঝাড় উৎসব, বাতি উৎসব, কবি উৎসব, বাঈ উৎসব, কিম্বা স্ত্রীর গহনা উৎসব ও বস্ত্রোৎসব বলিলেও বলা যায়।’ এক একজন ছেলেমেয়ের বিয়েতে বা বাপমায়ের শ্রাদ্ধে দু লক্ষ থেকে দশ লক্ষ টাকা ব্যয় করত। অনেকে আবার সখ করে বিড়ালের বিয়েতেও এরূপ পরিমাণ অর্থ ব্যয় করত। পয়সা উপার্জনে ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতা লাভের জন্য, তারা এইসব উৎসবে সাহেব-মেমদের নিমন্ত্রণ করত। এবং তাদের আপ্যায়নের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ সুরাপান ও নিষিদ্ধ খানাপিনার ব্যবস্থা করত।

    ইংরেজদের সংস্পর্শে এসে ‘বাবু সমাজ’ আচারভ্রষ্ট হয়েছিল বটে, কিন্তু গোড়া থেকেই এরা এমন একটা কৌশল অবলম্বন করেছিল, যাতে এদের ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে নিষ্ঠাবান সমাজের কেউ কিছু না বলতে পারে। এরা বড় বড় পণ্ডিতদের কলকাতায় এনে নিজেদের পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁদের দিয়ে টোল ও চতুস্পাঠী স্থাপন করিয়েছিল। এই সকল অধ্যাপকের বিধানের একটা নিদর্শন ১৮২১ খ্রীষ্টাব্দের ৭ জুলাই তারিখের ‘সমাচার দর্পণ’-এর স্তম্ভে ছাপা হয়েছিল। ‘বাবু জিজ্ঞাসা করেন, ভট্টাচার্য মহাশয় সুরাপানে কি পাপ হয়? উত্তর : ইহাতে পাপ হয় যে বলে, তাহার পাপ হয়। ইহার প্রমাণ আগম ও তন্ত্রের দুইটা বচন আভ্যাস দিলেন, পাঠ করিলেন এবং কহিলেন মদ্য ব্যতিরেকে উপাসনাই হয় না। বলরাম ঠাকুরও মদ্যপান করিয়াছিলেন। বাবু তুষ্ট হইয়া ভট্টাচার্যকে টোল করিয়া দিলেন।’ ভবাণীচরণও একটা দৃষ্টান্ত দিয়েছেন। এক বাঙ্গাল ব্রাহ্মণ বাবুকে উপদেশ দিচ্ছে যে পরদার ও যবনী বেশ্যা সম্ভোগে ও সুরাপানে পাপ হয়। কুলপুরোহিত শিরোমণি তাকে নির্বোধ বলে গালি দিয়ে বলছেন——আগতা ভৈরবীচক্রে সর্বেবর্ণা দ্বিজোত্তমাঃ। পীত্বা পীত্বা পুনঃ পীত্বা পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে। মাতৃযোনীং পরিত্যজ্য বিহরেৎ সর্বযোনিষু ইত্যাদি।”

    শিবনাথ শাস্ত্রী বাবু সমাজের যে বর্ণনা দিয়েছেন, সেটা বিশেষভাবে প্রযুক্ত এই সমাজের প্রতিষ্ঠাতাদের বংশধরদের ক্ষেত্রে। এই বংশধররা কিভাবে শিক্ষিত হতেন, তার একটা পরিচয় পাওয়া যায় ‘সমাচার দর্পণ’-এর ১৮২১ খ্রীষ্টাব্দের ২৪ ফেব্রুয়ারী ও ৯ জুন তারিখের সংখ্যাদ্বয়ে প্রকাশিত ‘বাবুর উপাখ্যান’ থেকে। এই উপাখ্যানে বিবৃত হয়েছে, চক্রবর্তী একজন অতি বড় ধনবান কুলীন ব্রাহ্মণ ছিলেন। প্রথমাবস্থায় তিনি নানা রাজকীয় ও জমিদারী সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত থেকে ধনোপার্জন করেছিলেন। তারপর তিনি আফিমের কুঠির দেওয়ানী কর্মে নিযুক্ত হন। কৃত্রিম অকৃত্রিম আফিম তৈরী করে প্রভূত অর্থ উপার্জন করেন। পুত্রের জন্মের সময় তিনি যথেষ্ট দানাদি করেন ও বাড়িতে টিকটিকির নাচ ও ভেকের গান ইত্যাদি মাঙ্গলিক কর্ম করেন। অন্নপ্রাশনের সময় পুত্রের নামকরণের ব্যাপারে সভাসদ পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। কুলাচার্য বললেন, ইনি কুলীনের ঔরসে জাত আর কুলীনের নয় লক্ষণ যথা ‘আচারো বিনয়ো বিদ্যা প্রতিষ্ঠা তীর্থদর্শনং। নিষ্ঠা বৃত্তিস্তপোদানং নবধা কুললক্ষণম’ এই পুত্রের আছে, সেই হেতু এঁর নাম তিলকচন্দ্র রাখা হউক। কিন্তু প্রতিবাদের ঝড় তুলে বিদ্যালংকার বললেন, “আপনার এত ঐশ্বর্যে এ সন্তান হইয়াছে ইনি বাবু হইবেন। আমি গণনাদ্বারা অনুভব করিতেছি যে বাবুদের যে নয় লক্ষণ যথা—‘ঘুড়ী তুড়ী জস দান আখড়া বুলবুলি মনিয়া গান। অষ্টাহে বনভোজন এই নবধা বাবুর লক্ষণ” এই পুত্রে রহিয়াছে অতএব ইহার নাম বাবু রাখা হউক। অতঃপর সমন্বয় করে বাবুর নাম রাখা হল তিলকচন্দ্রবাবু। তারপর পুত্র বড় হতে লাগল, কথা বলতে শিখল। তিলকচন্দ্র সকলকেই কটুবাক্য বলে ও মারে। তাকে দমন না করে, সকলেই তাতে আহ্লাদ করে। তিলকচন্দ্রবাবু কোন অপকর্ম করলে তাকে শাস্তি না দিয়ে চক্রবর্তী দেওয়ান শিখিয়ে দেন যে, ‘তুমি কহ আমি করি নাই।’ এইরূপে বাবুকে নিয়ে সর্বদাই আমোদ হয়। তখন তিনি ‘বাবু’ নামে খ্যাত হলেন, কেহ আর তিলকচন্দ্ৰ বলে না। চক্রবর্তী বাবুকে লেখাপড়া শেখালেন না, বল্লেন ‘বামুনের ছেলে গায়ত্রী শিখলেই যথেষ্ট, যা সম্পত্তি রেখে যাব যদি রক্ষা করে খেতে পার কখনও দুঃখ পাবে না। ভাবলেন ‘পুত্রের অদৃষ্টে যাহা থাকে তাহাই হইবে, আমি দেখিতে আসিব না।’ ষোল বছর বয়স হবার পর বাবুর অনেক মোসাহেব ও উমেদার জুটে গেল। এদিকে চক্রবর্তী দেওয়ানেরও দেহান্ত হল। বাবু তখন ধনাধিপতি হয়ে, নিজেই কর্তা হলেন। বাবু সমস্ত রাত্রি বেশ্যালয়ে থাকেন। দীনদুঃখী আত্মীয়-স্বজনেরা যদি বাবুর নিকট আসে, বাবু তাদের ইংরাজী ঘুষা মারেন এবং কহেন যে ‘হামারা পিট্রল লে আও’ এই প্রকার ভয়ানক শব্দ করেন, তাতে দীন দুঃখীরা পলায়ন করে। বাবু কেবলই স্ত্রীলোকের সন্ধানে থাকেন। সেজন্য বাবুর নিকট যদি কোন লোক আসিয়া কয় যে অমুক লোক এই প্রকার দায়গ্রস্ত। বাবু তৎক্ষণাৎ গাড়ি আরোহণ করিয়া তাহার বাটীতে গিয়ে কহেন যে, এ তোমার কোন দায়, আমি সকল উদ্ধার করিব কিন্তু এইক্ষণে কিছু অস্পষ্ট থাকহ আর বৈঠকখানায় কেন বসিয়াছ বাটীর ভিতর চল সেইখানেই পরামর্শ করিব। বাটীর ভিতর গিয়া মিথ্যা আশ্বাসবাক্যে আকাশের চন্দ্র হাতে দিয়া স্ত্রীলোক কোন দিকে থাকে তাহার অনুসন্ধান করেন এবং ঐ চেষ্টাতে প্রত্যহ যাতায়াত করেন।

    তারপর ‘বাবু কালচার’কে আশ্রয় করে কয়েকখানা বই লেখা হল। বইগুলি প্রকাশিত হল ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে। বইগুলার নাম ‘কলিকাতা কমলালয়’, ‘নববাবুবিলাস’, ‘নববিবি বিলাস’ ও ‘দূতীবিলাস’। সমষ্টিগতভাবে এই বইগুলিকে ‘বাবু কালচার’-এর মহাভারত বলা যেতে পারে। বইগুলি সবই লিখেছিলেন স্বনামে ও বেনামে ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    যেহেতু ‘নববাবুবিলাস’ হচ্ছে সমসাময়িক কালের বাবু কালচারের একখানা বিশ্বস্ত দর্পণ, সেজন্য ওতে বাবুর যে পরিচয় পাওয়া যায়; তা সংক্ষেপে এখানে বিবৃত করা হচ্ছে। বাবুর মোসাহেবরা বাবুকে উপদেশ দিচ্ছে—”শুন বাবু টাকা থাকিলেই হয় না। ইহার সকল ধারা আছে। আমি অনেক বাবুগিরি করিয়াছি এবং বাবুগিরি জারিজুরি করিয়াছি এবং অনেক বাবুর সহিত ফিরিয়াছি, রাজা গুরুদাস, রাজা ইন্দ্রনাথ, রাজা লোকনাথ, তনুবাবু, রামহরিবাবু, বেণীমাধববাবু প্রভৃতি ইহাদিগের মজলিস শিখাইয়াছি এবং যেরূপে বাবুগিরি করিতে হয় তাহাও জানাইয়াছি। এক্ষণে বৃদ্ধাবস্থা প্রাপ্ত তথাপি ইচ্ছা হয় তুমি যেরূপে উত্তম বাবু হও এমত শিক্ষা দিই।’

    ‘প্রথম উপদেশ। যে সকল ভট্টাচার্যরা আসিয়া সর্বদা টাকা দাও, টাকা দাও, ঐ কথা বই আর অন্য কথা বলে না, তাহাদের কথায় কান দিবে না। আমার পিতার শ্রাদ্ধের সময় উহারা যখন কহিল, বাবু শ্রাদ্ধের কি করিব। আমি জিজ্ঞাসা করিলাম যে শ্রাদ্ধের ফল কি? উহারা বলিল, পিতৃলোকের তৃপ্তি হয়। আমি বলিলাম, কোনকালেও শুনি নাই যে মরা গরুতে ঘাস জল খাইয়া থাকে। ভট্টাচার্য শেষে কহিল বাবুজী আর কিছু কর না কর, পিণ্ডদানটা করা আবশ্যক,তাহাতে আমি কহিলাম আজ আমি উত্তম বুদ্ধিমতী পরমধার্মিকা বকনাপিয়ারীর নিকট যাইব তাহারা যেরূপ পরামর্শ দিবে সেরূপ করিব। বকনাপিয়ারী আমাকে কহিল, ‘তুমি এক কর্ম কর এক ব্রাহ্মণকে ফুরাইয়া দাও, শ্রাদ্ধ দশপিণ্ড ব্রাহ্মণ ভোজনাদি যত কর্ম সেই করিবেক। আমিও তাবত কর্ম ফুরাইয়া দিলাম। অতএব নির্বোধ ভট্টাচার্যেরা আগমন করিলে কদাচ আসিতে আজ্ঞা হয় বসিতে আজ্ঞা হয় এরূপ বাক্য বলিবে না, যদ্যপি কিঞ্চিৎ দিতে হয়, তবে কহিবা সময়ানুসারে আসিবে। এইরূপ মাসেক দুই প্রতারণা করিয়া কিঞ্চিৎ দিবা।’

    (এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ভবানীচরণ বকনাপিয়ারীকে ‘বেশ্যাপ্রধানা বলে বর্ণনা করেছেন। মনে হয় যে, ১৮৭২ খ্রীষ্টাব্দে জনৈক ‘ভাঁড়’ ‘সচিত্র গুলজারনগর’ (সম্প্রতি শ্রদ্ধেয় চিত্তরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয় সুলিখিত ভূমিকা ও টীকা সমেত সম্পাদন করেছেন) নামে যে ব্যঙ্গাত্মক নকসা করেছিলেন, তাতে তিনি ভবানীচরণের ‘নববাবুবিলাস’ থেকেই ‘বকনাপিয়ারী’র নামটা আত্মসাৎ করেছিলেন। চিত্তরঞ্জনবাবু বা অন্য কারুর নজরে এটা পড়েনি।

    দ্বিতীয় উপদেশ। গাওনা বাজনা কিছু শিক্ষা কর যাহাতে জিউ খুশী থাকিবে এবং যত বারাঙ্গনা আছে তাহাদিগের বাটীতে মধ্যে মধ্যে যাতায়াত করিয়া ঐ বারাঙ্গনা- দিগের সর্বদা ধনাদি দ্বারা তুষ্ট রাখিবে, কিন্তু যবনী বারাঙ্গনা সম্ভোগ করিবে; কারণ, তাহারা পেঁয়াজ রসুন আহার করে সেই হেতু তাহাদিগের সহিত সম্ভোগে যত মজা পাইবে এরূপ অন্য কোন রাঁড়েই পাইবে না। যদি বল যবনী বেশ্যা গমন করিলে পাপ হইবে তাহা কদাচ মনে করিবে না। যাদের পূর্বজন্মে অনেক তপস্যা থাকে তাহারাই উত্তম স্ত্রী সম্ভোগ করে। যদি বেশ্যা গমনে পাপ থাকিত, তবে কি উর্বশী, মেনকা, রম্ভা, তিলোত্তমা প্রভৃতি বেশ্যার সৃষ্টি হইত। তারপর পয়ার ছন্দে বললেন—‘কর গিয়া বেশ্যাবাজি, যদি বল কর্ম পাজি, মন শুচি হলে পাপ নয়। যাহার যাহাতে রুচি, সেই দ্রব্য তারে শুচি, তার তাতে হয় সুখোদয়। অন্য অন্য সুখের সৃষ্টি, করি বিধি পরে মিষ্টি, করিলেন সুখের সৃজন। বেশ্যাকচ বিমর্দন, যতনেতে আলিঙ্গন, আর তার শ্রীমুখ চুম্বন। বেশ্যার আলয়ে বাস, এইরূপ দিবানিশি,তুমি বাবু কর আচরণ। ইহাতে অন্যথা কভু মনে না ভাবিবে বাবু, হইবেক দুঃখ বিমোচন।’ (এখানে উল্লেখযোগ্য যে, সমসাময়িককালে রাজা রামমোহন রায়ের এক যবনী রক্ষিতা ছিল। উমানন্দন ঠাকুরের এক প্রশ্নের উত্তরে রাজা রামমোহন রায় বলেছিলেন যে, ওরূপ যবনী রক্ষিতা শৈবমতে বিবাহিতা স্ত্রীর সামিল। ওই সময় আর একজন বড়লোক প্রসিদ্ধা বাইজী নিকীকে হাজার টাকা মাসিক মাহিনায় রক্ষিতা রেখেছিলেন।)

    তৃতীয় উপদেশ। প্রতি রবিবারে বাগানে যাইবা মৎস্য ধরিবা সকের যাত্রা শুনিবা নামজাদা বেশ্যা ও বাই ইয়ারদিগকে নিমন্ত্রণ করিয়া বাগানে আনাইবা বহুমূল্য বস্ত্র, হার, হীরকাঙ্গুরীয়া ইত্যাদি দিয়া তুষ্ট করিবা। দেখিবে কি মজা হয়।

    চতুর্থ উপদেশ। যাহার চারি ‘প’ পরিপূর্ণ হইবে তিনি হাফ বাবু হইবেন। চারি ‘প’ হইতেছে পাশা, পায়রা, পরদার ও পোষাক। ইহার সহিত যাহার চারি ‘খ’ পরিপূর্ণ হইবে তিনি পুরা বাবু হইবেন। চারি ‘খ’ হইতেছে খুশি, খানকী, খানা, খয়রাত।’

    এরপর বাবু এই উপদেশমত উড়তে লাগলেন। টাকার খাকতি পড়ায় মহাজনের কাছ থেকে টাকা ধার করলেন। মহাজনেরা আর যখন টাকা ধার দিল না তখন স্ত্রীর গহনা চুরি করলেন। তারপর বাবু রিক্তহস্ত হলেন। বেশ্যালয় থেকে তাড়িয়ে দিল ও দুমাসের খোরাকী বাবদ বাবুর নামে নালিশ করল। বাবুর দুমাস জেল হল। বাবুর পিতা টাকা দিয়ে বাবুকে খালাস করে নিয়ে এলেন। তারপর পিতার পরলোকপ্রাপ্তি হলে, মুখাগ্নি করে বাড়ী এলেন। আত্মীয়-কুটুম্ব সকলে বলল, উহার জাত গিয়াছে, উহার বাটী যাওয়া হইবেক না? ইহা শুনিয়া গল-লগ্নীকৃতবাসা হইয়া দ্বারে দ্বারে ভ্রমণ করিলেন। শ্রাদ্ধের উপলক্ষে সমন্বয় হইল। তারপরে এক বাটী বানাইবার পরামর্শ করিলেন। যে বিষয় ছিল, বাটী বানাইতে খরচ হইয়া গেল, অবশিষ্ট কিছু বিষয় থাকিল পাঁচটি কন্যা সন্তানের বিবাহ দিতে হইবেক। বাবু ভাবিলেন, একদিনও স্ত্রীর সহিত বাস করিলাম না, তথাপি এ কি যাতনা। কন্যাদিগের বিবাহ না দিলে জাতি রক্ষা হয় না, ক্রমে পাঁচ কন্যার বিবাহ দিলেন, ধনের শেষ হইল। পরিবার প্রতিপালনার্থ দায়গ্রস্ত হইলেন। শেষে বাটীর পাট্টা বন্ধক কর্জ সুদ সমেত অনেক টাকা দেনা হইল। মহাজন বাটী বিক্রয় করিয়া লইলে আখেরে টালার বাগানে কোন ভাগ্যবানের অধিকারে বাস করিয়া কোনরূপে শেষ জীবন কাটাইলেন।’ এই হচ্ছে বাবু কালচারের নায়কদের জীবনচরিত। কারুর এক পুরুষেই এরূপ ঘটেছে, কারুর আবার দু-তিন পুরুষে।

    বাবু কালচারের ঠিক কবে থেকে সূচনা হয়েছিল, তা বলা কঠিন। তবে মনে হয় এর সূত্রপাত হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় পাদে, আর পরিসমাপ্তি ঘটেছিল ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ পাদে। বোধ হয়, প্রথম বাবু ছিলেন কলকাতার কালেকটরের সহকারী গোবিন্দরাম মিত্র, যার রতন, ললিতা ও মতি নামে তিন রক্ষিতার নাম আমরা পাই সিরাজ কর্তৃক কলকাতা আক্রমণের জন্য যে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল, তার তালিকায়। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ পাদে বাগবাজারের বিখ্যাত ধনী ভুবনমোহন নিয়োগী। (যিনি প্রথম সাধারণ রঙ্গালয় স্থাপন করেছিলেন ও ‘নোট’ পুড়িয়ে সিগারেট ধরাতেন ও সরস্বতী পূজার বিসর্জন উপলক্ষে চিৎপুর রোডের উভয় পার্শ্বস্থ বারাঙ্গনাদের মধ্যে এক হাজার জোড়া বেনারসী শাড়ী বিতরণ করেছিলেন। মহাশয়ই ছিলেন কলকাতার শেষ ‘বাবু।’

    ভবানীচরণ বাবুদের যে বর্ণনা দিয়েছেন তা ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশের দশকের। ঊনবিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের চিত্র আমরা পাই দুখানা বই থেকে। একখানা হচ্ছে বিদ্যাভূণীকৃত ‘বাবু নাটক’, আর একখানা হচ্ছে টেকচাঁদ ঠাকুর রচিত ‘আলালের ঘরের দুলাল’।

    ষাটের দশক পর্যন্ত বাবু সমাজ ও তার কালচারের প্রতিপত্তি যে পুরামাত্রায় ছিল, তা আমরা ‘হুতোম পেঁচার নক্‌শা’ থেকে জানতে পারি। হুতোম এই বাবুদের সম্বন্ধে লিখেছেন—‘বেশ্যাবাজিটা আজকাল এ শহরে বড়মানুষের এলবাস পোষাকের মধ্যে গণ্য। কলকাতার অনেক প্রকৃত হিন্দু দলপতি ও রাজারাজড়ারা রাত্তিরে নিজ বিবাহিত স্ত্রীর মুখ দেখেন না, বাড়ীর প্রধান আমলা দাওয়ান মুচ্ছদীরা যেমন হুজুরদের হয়ে বিষয়কর্ম দেখেন—স্ত্রীর রক্ষণাবেক্ষণের ভারও তাদের ওপর আইনমত অর্শায়, সুতরাং তাঁরা ছাড়বেন কেন?…ছোকরাগোছের কোন কোন বাবুরা বাপ-মার ভয়ে আপনার শোবার ঘরে একজন চাকর বা বেয়ারাকে শুতে বলে আপনি বেরিয়ে যান। চাকর দরজায় খিল দিয়ে ঘরের মেঝেয় শুয়ে থাকে, স্ত্রী তুলসীপাতা ব্যবহার করে খাটে শুয়ে থাকেন।…বড় মানুষের বাড়ির পাশে একটি গৃহস্থের সুন্দরী বউ কি মেয়ে নিয়ে বাস করবার যো নেই; তা হলে দশদিনেই সেই সুন্দরী টাকা ও সুখের লোভে কুলে জলাঞ্জলি দেবে। …শহরের বড়মানুষেরা অনেকে এমনি লম্পট যে, স্ত্রী ও রক্ষিতা মেয়েমানুষ ভোগেও সন্তুষ্ট নন, তাতেও সেই নরাধম রাক্ষসদের কামক্ষুধার নিবৃত্তি হয় না–শেষে ভগ্নী, ভাগ্নী ও বাড়ির যুবতী মাত্রেই তার ভোগে লাগে….অনেক বড়মানুষের বাড়ি মাসে একটি করে ভ্রূণ হত্যা হয়।’

    তবে বাবু কালচারের শীঘ্রই পতন ঘটেছিল। এর সহায়ক ছিল শিক্ষার বিস্তার ও ভবানীচরণ যাদের বড়লোকদের নীচেরতলার লোক বলে উচ্চমধ্যবিত্ত সমাজ নামে অভিহিত করেছিলেন, তাদের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার ফলে। এই সমাজের ছেলেরা ইংরেজি শিক্ষা লাভ করে কেউ ডাক্তার, কেউ উকিল, কেউ এটর্নী, কেউ বৈজ্ঞানিক, কেউ ইঞ্জিনীয়ার, আর কেউ কেরানী হয়েছিল। তার মানে বাবু সমাজকে পশ্চাদপটে হটিয়ে দিয়েছিল একটা শিক্ষিত পেশাদারী সমাজ। এই সমাজই ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ পাদ থেকে বিংশ শতাব্দীর বর্তমান কাল পর্যন্ত সাহিত্যিক, সাংবাদিক, বৈজ্ঞনিক, আইনজীবী, রাজনীতিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী তৈরী করেছিল। এদেশে বিত্ত ও বিদ্যার সমন্বয় এরাই ঘটিয়েছে। দেশের উন্নতি এদের ওপরই নির্ভর করেছে। এরাই শেষ পর্যন্ত সাধিত করেছিল এদেশ থেকে ইংরেজের মহাপ্রস্থান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
    Next Article মহাভারত ও সিন্ধুসভ্যতা – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }