Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প754 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাহেবের তলোয়ার

    সাহেবের তলোয়ার

    গোঁসাইনি?

    –আইজ্ঞা।

    –আইলানি?

    –আইজ্ঞা আইলাম।

    –বহ বহ, খবর বার্তা কও।

    –খবর বার্তা ভালো নয়। রাসুবাবু ঘাড় কাইত করলেন না।

    –কও কী? মাইনকা ঢিপির মইধ্যে পড়লাম নাকি হে গোঁসাই?

    –আইজ্ঞা মাইনকা ঢিপি বইলাই তো মনে হয়।

    –পাকঘরে একখান চুপি মাইরা দেইখ্যা আসো তো, তাইন পাকঘরে নাকি!

    –আইজ্ঞা চুপি মারতে হইব না। এইখান থিক্যাই ছ্যাক ছোঁক শব্দ পাইতেছি।

    –তা হইলে নিশ্চিন্তে কথা কওন যায়। রাসুবাবু কয় কী?

    –এয়ারলিং মানে জানেন?

    –এয়ারলিং? না হে গোঁসাই। ইংরাজি শব্দ নাকি?

    –তাই তো মনে হয়। কইলেন, এইটা হইল আমাগো এয়ারলিং। বেচুম ক্যান? এইটা বেচলে তো নিজেরেও বেচন যায়।

    –ঘাড়খানা অখনও তেড়াই আছে, না?

    –আইজ্ঞা। আমারে তো একরকম খেদাইয়াই দিলেন। কইলেন, পরেশরে গিয়া কইও, তার যে টাকার গমর হইছে হেইটা আমি জানি। কিন্তু টাকা দিয়া কি সব কিনন যায় হে?

    –এত বড় কথা?

    –আইজ্ঞা, কথা উনি বড়ই কন।

    –ফুটানি যায় নাই। আর সব গেছে, ফুটানি যায় নাই।

    অন্ধকার চেপে বসেছে চারদিকে। ঘর থেকে একটা লণ্ঠনের আলোর চৌখুপি এসে পড়েছে। উঠোনে। তার আভায় দেখা যাচ্ছে, উঠোনে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে আছে দুটো দিশি কুকুর। উত্তর আর পুবদিকে আরও দু-খানা ঘর। আশেপাশে কচু বন, বাঁশঝাড়। জোনাকি পোকা উড়ছে খুব। মশার শব্দ হচ্ছে। শীতের প্রথম দিককার কুয়াশাও ঘন হয়ে আছে চারদিকে। একটা মাছ ভাজার গন্ধ ভাসছে চারদিকে। পরেশ ঘোষ তার নিবন্ত কোটায় দুটো নিষ্ফল টান দিয়ে একটা হাঁক মারল, বুচি রে, তামুক সাইজ্যা দিয়া যা।

    ফ্রক-পরা আট নয় বছরের একটা মেয়ে এসে হুঁকো থেকে কলকেট তুলে নিয়ে গেল। মাছ। ভাজার গন্ধটা বড়ই ভালো লাগছিল কানু গোঁসাইয়ের। সারাদিন ঘুরে তার পেটে এখন উথাল। পাথাল খিদে। বাড়ি ফিরতে এখনও দেড় মাইল পথ। নাকটা তুলে গন্ধটা প্রাণ ভরে শুকছিল সে। বুচি এসে হুঁকোর মাথায় কলকে বসিয়ে গেল।

    –তামুক খাইবা গোঁসাই?

    –ন, থাউক গা।

    –রাসু আমার টাকা দেখত্যাছে, কিন্তু আর কিছু দেখে না ক্যান কও না? প্যাটে গামছা বাইন্ধা, উদয়াস্ত খাইট্যা তবে না দুইটা পয়সার মুখ দেখছি। কেউ কইতে পারব পরেশ ঘোষের ফুটানি আছে?

    –আমি কই কী, আপনি নিজে একবার গিয়া খাড়ান। আপনে গিয়া খাড়াইলে রাসুবাবু না কইতে পারবেন না।

    পরেশ মাথা নেড়ে বলল , উপায় নাই হে গোঁসাই।

    –ক্যান, কাইজ্যা হইছে নাকি?

    –কাইজ্যা বলে কাইজ্যা? তার সামনে যাওনের উপায় নাই।

    –হইছে কী কইবেন তো?

    –শোনবা?

    –কইয়া ফ্যালান।

    অখন কওন যায়। পুরোনো ঘটনা তো, অখন কইলে দোষ নাই।

    পরেশ ঘোষ কিছুক্ষণ তামাকে টান দিল। গুড়ুক গুড়ুক মিষ্টি শব্দের সঙ্গে এসে মিশল প্যাঁচার ডাক। মাছ ভাজার গন্ধটা মিইয়ে গিয়ে জিরা বাটা লঙ্কা আর হলুদের টগবগ করা ঝোলের টাটকা গন্ধটা ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। কানু গোঁসাইয়ের পেটের অস্বস্তিটা বাড়ল। এই শীতের মরসুমে মেলা মাছ উঠছে বাজারে। তেলাল সরপুঁটি, ভ্যাদা, ট্যাংরা, কই। একটু ধনেপাতা ছিটিয়ে রাঁধলে অমত। কিন্তু কানু গোঁসাইয়ের ট্যাঁকের জোর নেই। বাড়ি ফিরে চারটি ভাত আর একটু শাকপাত, কচু, ঘেঁচু জুটলেই বহুত। পরেশ ঘোষ আজ কিছু দেবে। দিলে কাল না হয় দুর্গা বলে কিনেই ফেলবে একটু মাছ। গন্ধটা তাকে বড় কাহিল করে ফেলেছে।

    –রাসুর বইন চন্দ্রিমার কথা শোনছ?

    –খুব শুনছি। কুসারি পাড়ায় শ্রীশদাসের লগে বিয়া হইছে যার।

    –হেই। তার লগে আমার একখান সম্বন্ধ আইছিল।

    –নাকি?

    –সতেরো আঠারো বছর আগেকার কথা। বিয়া পাকা, আশীর্বাদও হইয়া গেছিল, নিমন্ত্রণের চিঠিও বিলি হইয়া গেছে, এমন সময়ে আমার পিতৃদেব একখান কাণ্ড কইরা বইলেন। পাঁচ হাজার টাকা নগদের কথা আছিল, কিন্তু তাইন হঠাৎ বাইক্যা বইস্যা কইলেন, আমাগো দক্ষিণের ঘর ভাইঙ্গা পড়ছে, ঘর না মেরামত করলে পোলা আর বউ থাকব কই? সুতরাং ঘর তোলনের লিগ্যা আরও পাঁচ হাজার লাগব।

    –ছিল না?

    –পাঁজ হাজার কি ফাইজলামি নাকি হে, গোঁসাই? রাসুর বাপের অবস্থা তখন পড়তি, ঘরে কর্জ কইরাই বিয়া দিতাছিল। গেল বিয়া ভাইঙ্গা।

    –ইস রে! চন্দ্রিমা তো শুনছি খুব সুন্দরী।

    –আরে হেই লিগ্যাই তো বাবার লগে আমার বনে নাই। বুড়া টাকা–টাকা কইরা দাপাইয়াই মইরা গেল। শ্যাষে কুলতলির এই কুচ্ছিৎটারে আমার গলায় আইন্যা ঝুলাইয়া দিল।

    –কী যে কন! বউঠাইন তো লক্ষ্মীপ্রতিমা।

    –তোমার মাথা। যেমন রূপ তেমনই গলার জোর। মাথার চুলগুলি কি আমার উইঠ্যা গেল সাধে? এই মাগির লিগ্যা উঠতে–বসতে অশান্তি।

    কী যে কন ঘোমশায়? –মাগির গায়ের রংখান দেখছ? লণ্ঠনের কালি, ধলা না হইল, এমন কালাও মানুষ হয়? আর দেখো এই মাগির লিগ্যাই রাসুর পায়ে তেল দিতে হইতাছে।

    –বৃত্তান্তখান কী?

    –কী লেন, কী দেন, কী বৃত্তান্ত কইতে গেলে রাইত ফুরাইব। সংক্ষেপে কই, আমার শালা ব্রাউন নামে কোন এক সাহেবের লগে নারায়নগঞ্জে স্টিমার কোম্পানি খুলছে। পয়সা লুটতাছে মন্দ না। তবে সাহেবটার বাতিক আছে। গ্রামে গঞ্জে ঘুররা কেবল পুরোনো জিনিস খুইজ্যা বেড়ায়। রাসুর বাড়িতে গিয়াও হানা দিচ্ছিল। পুরোনো তরোয়ালখান দেইখ্যা খুব পছন্দ। শুনছি এক হাজার টাকায় কিনতেও চাইছিল। রাসু দেয় নাই।

    –তাই কেন?

    –খাড়াও, কথা অখনও শেষ হয় নাই।

    রাসুর লগে না পাইরা অখন আমার শালা রামপদরে ধরছে সাহেব। যত টাকা লাগে লাগুক, তরোয়ালখান তার লাগব।

    –সাহেব কততে উঠব?

    –ওই যে তোমারে যা কইয়া দিছি, তিন হাজার। তিন হাজারে ষাইট বিঘা জমি হয়। সোজা কথা নাকি? সাহেবটা পাগল বইল্যা শ্যান টাকাটা জলে ফালাইতে চাইত্যাছে।

    খিদেটা হঠাৎ যেন উধাও হল কানু গোঁসাইয়ের। টাকার কথা শুনতে তার ভালোই লাগে। একটা তরোয়ালের এত দাম হতে পারে তা তার ধারণায় ছিল না। সোনার কাজ করা, রুপোর খাপে মোড়া তরোয়ালটা নাকি রাসুদের পূর্বপুরুষের সম্পত্তি। বিস্তর পুরোনো। কিন্তু দামটাও বেজায় বেশি হয়ে যাচ্ছে।

    সে বলল , সাহেবটা পাগলই।

    –আর কইও না। সাহেব কইছে, তরোয়ারলখানা না পাইলে রামপদর লগে আর কারবারই করব না। আর হেই লিগ্যাই রামপদর গুণধরী বইন, আমার অর্ধাঙ্গিনী আমারে উঠতে বইতে তিষ্ঠাইতে দিতাছেনা।

    –রামপদ নিজে যায় না ক্যান?

    –গেছিল। খেদাইয়া দিছে।

    –খেদাইয়া দিল ক্যান? রামপদ তো আর আমার মতো ছাতামাতা মানুষ না।

    –আর কইওনা হে গোসাই। রামপদ একটা বলদামি কইরা ফালাইছিল। গিয়া কথায় কথায় কইয়া ফালাইছে পরেশ ঘোষ আমার ভগ্নীপতি। ভাবছিল আমার নাম কইলে রাসু ভড়কাইব। আর যাইবা কই? এই মারে কি সেই মারে। কইছে কী জানো?

    –আইজ্ঞা, ভালো কথা না নিশ্চয়ই?

    –কইছে তোমরা ভগ্নীপতির বংশ খারাপ, তোমার ভগ্নীপতি হারামি, আরও কত কথা। মুখ তো না, ফ্যান ছিটাল।

    –আইজ্ঞা, রাসুবাবুর বায়ু একটু চড়া। হইব না ক্যান কন। কত বড় বংশ অ্যাছিল। হাতি ফান্দে পড়ছে ঠিকই, তবে অখনও হামবড়াইটা তো যায় নাই।

    –আরে রাসু হইল ফোতত কাপ্তান। অর আছেটা কী? বংশ ধুইয়া কী জল খাইব?

    –আইজ্ঞা, কথাটা ঠিকই। শোনলাম গত মাসেও পঞ্চাশবিঘা জমি বেইচ্যা কর্জ শোধ করতে হইছে। সোনাদানাও বোধহয় আর বেশি কিছু নাই।

    –আরে, থাকব কইথিকা? বেইচ্যা-বেইচ্যাই তো এতকাল খাইল। অকাল কুষ্মাণ্ড আর কারে কয়? তবু ফুটানি ছাড়ে না।

    –আইজ্ঞা, যা কইছেন।

    মাছের ঝোল নেমে গেছে উনুন থেকে। এবার একটা সোনামুগ ডালের গন্ধ ছড়াচ্ছে। জ্বালাতন আর কাকে বলে। এ সব গন্ধের পর বাড়ি ফিরে কচুর ঝোল দিয়ে আউস চালের মোটা ভাত কি মুখে রুচবে?

    –কিছু দিবেন নাকি ঘোষমশায়?

    পরেশ কোটা বাঁশের খুঁটির গায়ে ঝুলিয়ে রেখে বলল , আরে রও দিমু। কিন্তু কামটা উদ্ধার কইর‍্যা দাও।

    –ক্যামনে?

    –য্যামনে পারো। কথার লড়চড় হইব না। যদি তরোয়ালখানা বাগাইয়া আনতে পারো, তোমারে কড়কড়া পঞ্চাশটা টাকা দিমু।

    –পঞ্চাশ?

    –ক্যান, পঞ্চাশ কি কম হইল?

    –আইজ্ঞা না, কথাটা ভালো শুনতে পাই নাই বইলাই আর একবার শুইন্যা নিলাম।

    –যাওন আহনের খরচা আলাদা দিমু। কিন্তু কামটা উদ্ধার কইরা দাও। রামপদ পরশু দিন আইয়া মেলা কাকতি মিনতি কইরা গেছে। সাহেব যদি তারে খেদায় তবে তার গণেশ উল্টাইব। খোঁটার জোরে যেমন মেড়া কোন্দে, তেমন আমাগো রামপদ কোন্দেব্রাউনের জোরে।

    –বুঝছি।

    –আরও একটু বুইঝা যাও। এই যে কালি মাগিরে লইয়া ঘর করি সেই মাগি কিন্তু আমারে খাবলাইয়া খাইত্যাচে। তার ভাইরে উদ্ধার করতে না পারলে আমার আর শান্তিতে ঘরে বইয়া তামুকটুকু খাওনেরও উপায় থাকব না। কাজ কারবার লাটে উঠব। বোঝলা?

    –ভাবতে দ্যান।

    –বেশি ভাবতে হইব না। আমি জানি তুমি বুদ্ধিমান লোক। উপায় একটা করতে পারবাই।

    –একটা চোরারে কামে লাগামু ঘোষমশায়? –চোর! কও কী?

    –আইজ্ঞা, এই মাইনকা টিপি থিক্যা রক্ষা পাইতে হইলে আর উপায় কী? লাটু দাসেরে চিনেন?

    –হবিবগঞ্জের লাটু নাকি?

    –আইজ্ঞা। তারে লাগাইলে হয়। ব্যাটার খুব নামডাক। আমার লগে চিনা আছে। পরেশ পাল মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে থেকে বলল , আরে বাঃ, এই মতলব তো আমার মাথায় আসে নাই হে গোঁসাই? তা হইলে তারেই লাগাও।

    –দশ বিশটাকা খর্চ লাগব কিন্তু।

    –ঠিক আছে। জিনিসটা আইন্যা আগে আমার হাতে দাও। খর্চ তো আছে। খাড়াও, তোমার দক্ষিণাটা দিতাছি।

    মুগডালের গন্ধ তীব্র হচ্ছে। এ তো শুধু সেদ্ধর গন্ধ। এরপর ফুটন্ত ডালে জিরেবাটা, আদাবটা আর হলুদ পড়বে। তারপর পড়বে ঘি দিয়ে জিরে ফোড়ন। ওঃ, তখন যা গন্ধ ছাড়বে না, গোলাপ ফুলকে বলবে ওদিকে থাক।

    পাঁচটা টাকা আশা করেনি কানু গোঁসাই। দুটো-একটা টাকাই জোটে। আজ পাঁচ টাকা পেয়ে বুকটা নেচে উঠল।

    –গোঁসাই, কাইল সকালেই গিয়া লাটুরে ধইরা ফালাও। দেরি কইরো না। সাহেবের মতিগতি কুনদিন বদলাইয়া যায় ঠিক কী?

    কানু গোঁসাই উঠে পড়ল। তার ট্যাঁকে ঘড়ি নেই ঠিকই, কিন্তু সময়ের আন্দাজ আছে। এখন রাত বড় জোর নটা। এ সময়ে চাঁদিপুরের রতন জেলে নদীয়াল মাছ ধরে এনে ঘাটে বসে। ভাগ বাঁটোয়ারা করে। অনেক সময়ে পাওয়া যায়। চার-ছ’আনার মাছ কিনতে পারলে আজ রাতে পেট ভরে দুটো ভাত খাওয়া যাবে।

    –সে বলল , তা হইলে আসি গিয়া ঘোষমশয়।

    –আহ গিয়া। মনে থাকে য্যান–

    না, মাছ পেল না কানু গোঁসাই, ঘরে ফিরে ঠান্ডা ভাত আর মানকচুর ঝোলই খেতে হল। তা হোক, পকেটে পাঁচটা টাকা থাকায় আজ তেমন খারাপ লাগল না। মনটা নাচলে সবই ভালো লাগে।

    মনের নাচ বন্ধ হল যখন হবিগঞ্জের ঘাটে লাটুর সঙ্গে দেখা হল পরদিন দুপুরে। রোগা ছোটখাটো চালাক চেহারার লাটু কথাটা শুনেই বলে উঠল, খ্যাফচেন নাকি গোঁসাই? রাসুবাবুর যে বন্দুক আছে হেইটা নি জানেন?

    –বন্দুক? বন্দুকের ভয় পাও নাকি রে বাসি? তা হইলে আর কাজটা করলা কী?

    –না মশয়, পাঁচ-সাত টাকায় আমার পোষাইব না।

    –কত চাও?

    –পঞ্চাশ টাকা দিলে ভাইব্বা দেখতে পারি।

    পঞ্চাশ? পঞ্চাশ দিলে আর কানুর থাকে কী? সে বলল , এক বিঘা জমির দাম চাও?

    –আমি চামু ক্যান? আপনে চুরিধারি করেন নাই, আপনে বুঝবেন ক্যামনে চোরের কাম কত কঠিন।

    –আইজ্ঞা, বিশটাকাই দিমু।

    –আপনার এত পয়সা হইল কবে? করেন তো পুরুতগিরি।

    –আরে কাম আমার না, আমি নিমিত্ত মাত্র।

    –হেইরে বুঝছি। আপনার পিছনে কেডা আছে কন তো।

    –কওন যাইব না হে।

    –তা হইলে মাপ করবেন মশয়, পারুম না।

    –পোষাইল না নাকি হে? কামটা তো কঠিন না হে। একখান তরোয়াল বাইর কইরা আনবা।

    –বন্দুক ফুটাইলে তো প্রাণটা আপনার যাইব না, যাইব তো আমার। বালবাচ্চা লইয়া ঘর করি মশয়, গুল্লি খাইয়া মারতে পারুম না।

    লাটুকে যতটা বীর ভেবেছিল কানু, ততটা বীর সে নয় দেখে একটু হতাশই হল। সন্ধেবেলা ফের পরেশ ঘোষের কাছে এসে বলল , না ঘোষমশয়, লাটু একখান ভেড়ুয়া।

    পরেশ ঘোষ তামাকটা একটু ঘন ঘনই খায়। উত্তেজিত হলে টানটাও দেয় উপর্যপুরি। বেশ কিছুক্ষণ তামাক খেয়ে বলল , তুমিই একবার চেষ্টা কইরা দেখবানাকি?

    আজ ফুলকপি সাঁতলানোর মাতাল গন্ধটা আসছিল। আহা, নতুন কপি, তার গন্ধই আলাদা। ঘোষের কথাটা কানেই গেল না। ফুলকপির গন্ধ কথাটা খেয়ে নিল।

    –কিছু কইলেন নাকি ঘোষমশয়?

    –কইলাম। ঠেকায় পড়লে মাইনষে কী না করে?

    –যা কইছেন। কিন্তু কামটা কী?

    –লাটুর বদলে তুমিই লাইমা পড়।

    –বুঝাইয়া কন।

    –আরে, কৃষ্ণও তো ননী মাখন চুরি করত। করত না?

    –আইজ্ঞা।

    –হেই কথাই কই। তুমি চালাক মানুষ, লাটু পারলে তুমিই বা না পারবা ক্যান? রাসুর বাড়ির তো ঝুরঝুরা অবস্থা, বিড়ালের লাথিতে কপাট ভাইঙ্গা পড়ে। আমি কই রাত বিরাইতে গিয়া যদি ভিতরে ঢুইক্যা পড়, কাম ফরসা।

    কানু গোঁসাই বিষণ্ণ মুখ করে বলল , চোরও হইতে কন? এই দুই হাতে পূজা করি।

    –শোনো হে বাপু, মূল্য দিলে দোষ থাকে না। চুরি তো নিজের লিগ্যা করবা না, আমার লিগ্যা করবা। তার মূল্য ধইরা দিলে আর দোষ থাকব না। তুমি নিমিত্ত মাত্র।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে কানু বলে, আমি গরিব ঠিকই, তবে পইচ্যা যাই নাই ঘোষমশয়।

    –চুরির বুদ্ধিটা কিন্তু তুমিই দিছিলা।

    –তা দিছিলাম।

    –তা হইলে আমার দোষ কী কও।

    –দোষ আমার কপালের।

    –চেইতো না হে গোঁসাই। মাথা ঠান্ডা কর।

    –চেতি নাই। ভাবতাছি আসলে কথাটা কইলেন কেমনে। গরিবরে কি হলই কওন যায়?

    –দোষের কথা কিছু কই নাই। মাথা ঠান্ডা কইরা ভাবলেই দিশা পাইবা। যাউকগা, কাজটা তো উদ্ধার করতে হইব। একখান বুদ্ধি বাইর কর।

    কানু গোঁসাই ফের ফুলকপির গন্ধ পাচ্ছিল। এবার ঝোলের গন্ধ। নতুন আলু দিয়েই বোধ হয় হচ্ছে ঝোলটা। কই মাছ দিয়ে কি? হতেও পারে। ফুলকপি দিয়ে কই মাছ দেবভোগ্য। একটা ঢোঁক গিলে ফেলল কানু গোঁসাই।

    –কিছু ভাবলা গোঁসাই? আগে ব্রাহ্মণরাই আছিল পরামর্শদাতা। তাগো বুদ্ধিতেই সমাজ চলত। তাগো ট্যাকে পয়সা নাই, গায়ে জোর নাই, কিন্তু বুদ্ধি আছিল ক্ষুরধার।

    –আইজ্ঞা।

    –কামটা উদ্ধার কইরা দাও গোঁসাই।

    –রামপদর কি খুবই বিপদ ঘোষমশয়?

    –বছরে ব্রাউন সাহেবের টার্ন ওভার জানো? লাখ টাকার ওপরে। রামপদ কম কইরাও বছরে ত্রিশ চল্লিশ হাজার টাকা কামায়। ব্রাউন যদি তারে ছাড়ে তা হইলে রামপদরে গলায় দড়ি দিতে হইব। বোঝলা?

    –মেলা টাকা।

    টাকার গল্প শুনতে কানু গোঁসাই খুবই ভালোবাসে। রামপদ বছরে ত্রিশ-চল্লিশ হাজার টাকা কামায় শুনে কান জুড়িয়ে গেল। বড়লোকের দুঃখ সে সইতে পারে না। বড়লোকেরা তো আর এমনি–এমনি বড়লোক হয়নি, ভগবান তাদের দিয়েছেন বলেই না তারা বড়লোক।

    পরেশ ঘোষ কোটা মুখ থেকে সরিয়ে বলল , হ, মেলা টাকা। এখন তুমিই কও গোঁসাই, ব্রাউন সাহেব রামপদরে ছাড়লে রামপদ যদি গলায় দড়ি দেয়, তা হইলে তার বইন আমারে পিছার বাড়ি না দিয়া ছাড়ব?

    –ব্রাউন সাহেব তিন হাজার টাকার ওপরে উঠব?

    –কইতে পারি না। তবে তিন হাজারে যে উঠেছে এইটাই আমার বিশ্বাস হইতে চায় না।

    –সমস্যা কী জানেন? রাসুবাবু টাকারে টাকা মনে করে না। ছিড়া ত্যানা পইরা থাকলেও অহঙ্কার যায় নাই।

    –ঘাড় ত্যাড়া হারামজাদা। একখান জং ধরা তরোয়াল পইড়া আছে, হেইটা দিয়া তর হইব কী রে নিব্বইংশার পো?

    –এয়ারলিংনা কী জানি কইছিল।

    –হ, এয়ারলিং না ঘোড়ার ডিম।

    তরোয়ালখান অর ইসের মইধ্যে ঢুকাইয়া দিতে পারলে মেজাজটা আমার ঠান্ডা হইত।

    –আইচ্ছা, ঘোমশয়, রামপদর বিয়া দিতে আছেন না ক্যান? সাতাইশ-আটাইশ বছর বয়স তো হইল।

    –নবাবপুত্তুর বিয়া করলে তো? কইয়া দিছে বিয়া টিয়া করব না, কেবল টাকা কামাইব। টাকারেই বিয়ে করছে ধইরালও।

    হ্যাঁ, কইমাছই বটে। এইবার ঝোলের গন্ধে কই মাছের গায়ের গন্ধও যেন পেল কানু গোঁসাই। কই মাছের সঙ্গে ফুলকপির বিয়েটা যেন রাজযোটক। নাঃ, আর বসে থাকলে কচুর ঝোল আর ভাত মুখে রুচবে না। কানু উঠে পড়ল।

    –গেলা গিয়া নাকি? –

    -আইজ্ঞা।

    –খাড়াও, তোমারে কিছু দিই।

    আজ দুটো টাকা এল হাতে। খারাপ কী!

    পরদিন বাইশপুরের ঘাটে গিয়ে রামপদকে ধরল কানু। ধরা সোজা কথা নয়। রামপদ ব্যস্ত মানুষ। মালের স্টিমারে এখানে সেখানে বেঘোরে ঘুরতে হয়। তাকে ধরতে তিন চার জায়গায়। হানা দিতে হল কানুকে। শেষে খবর পেল, ব্রাউন সাহেবের লঞ্চ বাইশপুরের ঘাটে মাল নামাচ্ছে। রামপদ সেখানে। দুপুরে সেইখানে গিয়ে হাজির হল কানু। রামপদ দাঁড়িয়ে পাটের গাঁট গুনছিল। গোনা শেষ করতে সময় লাগল। ততক্ষণে নদীর ঠান্ডা হাওয়ায় ফের শীত ধরে গেছে কানুর।

    –রামপদ, কথা আছে।

    –আসেন গোঁসাইদা, লনচে আইস্যা বসেন।

    –বহনের সময় নাই। মেলা কাম।

    –কী কাম?

    –তোমারই কাম। ব্রাউন সাহেবের তরোয়ালখান লইয়াই কথা।

    রামপদর মুখ উজ্জ্বল হল, কিছু উপায় করলেন? সাহেব তো আমার মাথা খাইয়া ফালাইল। কইয়া দিছে এক মাসের মইধ্যে তরোয়াল না পাইলে আমারে ত্যাজ্যপুত্র করব।

    –আমার লগে তোমারে একখানে যাইতে হইব।

    –কোনখানে?

    –যেইখানে লইয়া যামু। যা কই শোনবা।

    –তা যাইতে পারি। বাইশপুর থিক্যা মাল উঠব। লঞ্চ খান দুই দিন এইখানেই থাকব।

    –তা হইলে লও, অখনই বাইর হইয়া পড়ি।

    –চলেন। তার আগে নদীতে ডুব দিয়া চাইট্টা ভাত খাইয়া লই। আপনেও আসেন, কাজরী মাছের ঝোল দিয়া ভাত।

    অনেকদিন পর কাজরী মাছ। জিব থেকে পেট অবধি যেন পদ্মার ঢেউ খেলে গেল আজ কানুর।

    –যাইবেন কই গোঁসাইদাদা?

    –রাসুর কাছেই যামু।

    –সর্বনাশ, আমারে দ্যাখলে তো তার ঊনপঞ্চাশ বায়ু কূপিত হইব।

    –জানি, তবে তোমর লিগ্যা একখান শ্যাষ চেষ্টা তো করতে হইব। তোমার ভগ্নীপতিও ঠেকায় পড়ছে তোমারে লইয়া। মাইনকা ঢিপি।

    –আইজ্ঞা। তরোয়ালখান না পাইলে সাহেব যে কী করব আর না করব তার ঠিক নাই। আমার সোনার কারবার ছারেখারে যাইব গোঁসাইদা।

    –বুঝছি। অখন লও, এখখান ডিঙ্গা ভাড়া করো। রাসুর গ্রাম বেশ দূরে না।

    ডিঙেয় বসে কানুর একটু ভাতঘুম হল। তার ফাঁকে-ফাঁকে রামপদর কিছু দুখের কথা। বড়লোকের দুঃখ কানুর ঠিক সয় না। দুঃখ–টুঃখ যা কিছু তা এই তার মতো গরিবরাই করবে। বড়লোকদের দুঃখ হওয়ার দরকার কী? ভগবান তো তাদের দুঃখ করার জন্য পাঠাইনি। এই সাদা সাপটা ব্যাপারটা কানু পাকা বুঝেছে।

    রাসুর দেখা পাওয়া গেল তার বাগানে। খুরপি হাতে বাগানে ফুলগাছের জমি উসকোচ্ছে। বিশাল বাগান, বিশাল বাড়ি তবে পড়তি অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়। বাড়ির গায়ে চাপড়া খসে পড়ে খোস পাঁচড়ার মতো দাগ। বাগানের ঘের–পাঁচিল বহু জায়গায় ভেঙে পড়েছে, সেখানে কঞ্চির বেড়া দেওয়া। না, রাসুর অবস্থা খারাপই। শুধু হামবড়াই ছাড়া কিছু নেই।

    –নমস্কার রাসুবাবু।

    –কেডা রে? আরে গোঁসাই! আবার আইছ?

    –আইলাম রাসুবাবু।

    –আবার তরোয়ালের খোঁজে নাকি? পরেশ তোমায় কত টাকায় কিনছে কও তো?

    –আইজ্ঞা, আমার মতো মাইনষের দাম কী কন?

    –তোমারে তো কইয়াই দিছি, টাকার মলম দিয়া আমারে নরম করতে পারব না। টাকা আমি জীবনে মেলা দেখছি।

    –আইজ্ঞা, একখান কথার মানে জিগাইতে আইছি।

    –কী কথা?

    হেইদিন যে কইলেন তরোয়ালখান আপনগো এয়ারলিং–হেই কথাটার মানে কী?

    রাসু কিছুক্ষণ বেকুবের মতো চেয়ে থেকে বলল , কইছিলাম নাকি?

    –কইছিলেন, পরেশবাবুও কথাটার মানে জানে না।

    রাসু মাথা নেড়ে বলল , আমিও জানি না। ব্রাউন সাহেব কইছিল, হেইরেই কইলাম।

    কানু হেসে বলল , আমি রামপদরে জিগাইছিলাম। হ্যায় কিন্তু জানে।

    –কী জানে?

    –এয়ারলিং মানে হইতাছে বংশের স্মারক। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দ্রব্য।

    –তাই নাকি?

    –আইজ্ঞা।

    –তাতে হইল কী?

    –কইতাছিলাম, আপনের তো একখান মাইয়া, পোলা নাই। আপনেরটা পাইব কেডা?

    –ক্যান কমলি পাবি।

    –হেই কথাই কইতে আইলাম। কমলিই যদি পায় তা হইলে তো আর বংশে জিনিসটা থাকব। বেহাতি হইবই।

    –তরোয়ালখান লইয়া আর মাথা ঘামাইও না হে গোঁসাই। এখন আস গিয়া। আমার কাম আছে।

    –আমি কই কি, তরোয়ালখান দিয়া গিটঠুটা কাইট্যা ফালান।

    –তার মানে?

    –কমলির বয়স চৌদ্দো গিয়া পনেরোয় পড়ছে। ঠিক কইছি?

    –হ, হঠাৎ কমলির বয়স লইয়া কথা ক্যান?

    –গিটঠুটা কাটনের লিগ্যা। রামপদ পাত্র ভালো। বছরে ত্রিশ-চল্লিশ হাজার টাকা রোজগার।

    –কও কী? পরেশ ঘোষের মতো ছোটলোক যার ভগ্নীপতি তার লগে মাইয়ার বিয়া?

    –আইজ্ঞা, পরেশ ঘোষের বংশ খারাপ হইলে কি তার শ্বশুরবাড়িতেও দোষ অর্শায়? আপনে তো আহাম্মক নন, একটু ভাইব্যা দেখেন।

    রাসুর মুখটা একটু ঝুলে পড়ল, গলার স্বরটাও নেমে গেল, ফান্দে ফালাইতে আইছ নাকি হে?

    –আইজ্ঞা। ফান্দে না ফালাইলে সংসার চলে কেমনে? হল্পলেই হলরে ফান্দে ফালায়। সংসারের নিয়ম।

    –দেখো হে, রামপদ পাত্র খারাপ না। কিন্তু তার বাপেও যদি পরেশ ঘোষের বাপের মতো হারামজাদা হয় তা হইলে?

    –রামপদর বাপ নাই। বিধবা মা আছে। রামপদ বিয়া টিয়া না করিয়া জীবনটা কাটাইব বইল্যা ঠিক কইরা ফালাইছিল। তারেও ফান্দে ফালাইতে হইছে।

    –রাজি আছে?

    –আইজ্ঞা, রাজি না হইলে সাহেব যে তারে ত্যাজ্যপুত্র করব।

    –নাকি? মাইয়া না দেইখ্যাই রাজি হইল?

    –দেখে নাই কে কইল? কমলি ওই জামতলায় এক্কাদোক্কা খেলত্যাছে। লইয়া গিয়া দেখাইয়া দিছি। কী আর কমু, ওইরকম সুন্দরী মাইয়া পছন্দ না হইয়া উপায় কী? রামপদর তো অখন লোল পড়তাছে।

    –রামপদ! তারে লইয়া আইছ নাকি?

    –আনছি। হ্যায় ডিঙ্গায় বইস্যা আছে। আপনেরে ভয় পায়।

    –আরে, আরে, কী কাণ্ড! যাও, যাও, তারে লইয়া আস। এই বাড়ির একটা মান মর্যাদা আছে।

    রামপদ এল, ভারী লাজুক মুখ, মুখে রক্তাভাও। আর রাসুর মুখেও আজ অমায়িক হাসি। রামপদরাজি, রাসুরাজি, তলোয়ারও রাজি। চারদিকটায় যেন আজ রাজি–জি ভাব।

    কথাবার্তা একরকম পাকাই হয়ে গেল। এমনকি রাসু বিয়েটা মাঘ মাসে পিছিয়ে দিতে চেয়েছিল, রামপদই মৃদু স্বরে বলল , না, অঘ্রানেই হউক।

    ফেরার সময়ে রাসু আড়ালে ডেকে বলল , না হে গোঁসাই, তুমি বাহাদুর লোক, এক কোপে দুই গিটই কাটলা। এক গাল হেসে কানু বলল , আইজ্ঞা, আমি বড়লোকের দুঃখ সহ্য করতে পারি না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ২৫টি সেরা ভূত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }