Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৬৩. লেক ট্যাঙ্গানিকার তীরে – সাইমুম সিরিজ #৬৩

    লেখক এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤷

    লেক ট্যাঙ্গানিকার তীরে – ১

    ১

    ইব্রাহিম চাওসিকো একটা ট্রে নিয়ে প্রবেশ করল অফিস-কাম-ড্রইংরুমে। ট্রেতে দুটো কফির মগ, দুই হাফপ্লেটে বাদাম।

    ট্রেটা সামনের সোফায় রেখে চায়ের টেবিলটা মেয়েটার দিকে এগিয়ে দিল। তারপর ট্রে থেকে একটা কফির মগ ও বাদামের হাফপ্লেট মেয়েটার সামনে টেবিলে নিয়ে রাখল। বলল, কফি খেয়ে নিন।

    মেয়েটা চোখ তুলে তাকাল আবিদ ইব্রাহিম চাওসিকোর দিকে। ইব্রাহিম চাওসিকোর চোখ দুটি নামানো।

    মেয়েটা ধন্যবাদ দিতে গিয়েও পারল না। মেয়েটার জড়সড় অবস্থা যেন আরো বাড়ল।

    আবিদ ইব্রাহিম চাওসিকো মেয়েটির সামনে থেকে ফিরে গিয়ে তার সোফায় বসল। টেনে নিল ট্রেটা। মেয়েটার দিকে পলকের জন্যে তাকিয়ে প্লেট থেকে বাদাম নিয়ে চিবোতে লাগল। মেয়েটিও কয়েকটা বাদাম হাতে নিয়ে কফির কাপে চুমুক দিয়েছে।

    আবিদ ইব্রাহিম চাওসিকো কফির মগে একটা চুমুক দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এগোলো ওয়াশ রুমের দিকে।

    মেয়েটির চোখে পড়েছিল ইব্রাহিম চাওসিকোর ব্যাপারটা।

    মেয়েটিও উঠে দাঁড়াল। বাধা দেয়ার ভংগিতে হাত তুলে বলল, আমি…।

    কথা শেষ করতে পারল না মেয়েটি। তার কণ্ঠ জড়তা এসে জড়িয়ে ধরেছে।

    আপনি বসুন। আমি আসছি। বলল ইব্রাহিম চাওসিকো।

    চরম অস্বস্তি ও আতঙ্কের সাথে লজ্জাও এসে যোগ হলো মেয়েটির মধ্যে। ছেলেটির দ্র ব্যবহারে মেয়েটির মন কখনো আশ্বস্ত হতে চাইছে আবার কখনো তার মন বলছে তার কাপড় শুকাতে দেবে ছেলেটা, এত ভালো তো। ভালো নয়। খুব খারাপ মানুষরাও শুরুতে ভ্ৰদ্ৰতা ও তোষণের আশ্রয় নিতে, পারে। তোষণ ওদের একটা অস্ত্র। আতংক আরো বাড়ল মেয়েটার মধ্যে। মনের এই কাঁপুনি ধরা আতংক নিয়েই স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে কফি পান করছে মেয়েটা।

    তিন চার মিনিটের মধ্যে ফিরে এলো ইব্রাহিম চাওসিকো। সোফায় বসে কফির কাপ তুলে নিল হাতে। বলল, খুব গরম কফি আমি খাই না তাই একটু সময় নিলাম। কথা অনেকটা স্বগোতোক্তির মতো।

    মেয়েটা তাকিয়েছিল ইব্রাহিম চাওসিকোর দিকে। ইব্রাহিম চাওসিকো কথা বলছিল কফির দিকে তাকিয়ে।

    মেয়েটা কিছু বলল না। তার মন চাইছে, ছেলেটা তার সাথে কথা বলার সুযোগ না পাক। ভয় তাতে বাড়বে বলে মনে করছে মেয়েটা।

    দুজনে কফি খাচ্ছে। কারো মুখে কোনো কথা নেই। বাইরে ঝড়-বৃষ্টির ভীতিকর শব্দ। প্রচণ্ড অস্বস্তিতে ভুগছে ইব্রাহিম চাওসিকোর মন। সারা রাত ঝড়-বৃষ্টি থামবে না- এই চিন্তা মনের অস্বস্তিকে ক্রমে বাড়িয়ে তুলছে। একটা বিষয় তার জন্যে সান্ত্বনার যে, মেয়েটার মধ্যে গায়েপড়া বাঁচাল ভাব সে। দেখছে না। আর তাদের একত্রবাস বাইরের কেউ দেখার নেই। খামারের ভেতরে কাজের লোকরা আছে কিন্তু তারা সেখানে তাদের নিয়ে ব্যস্ত।

    কফি খাওয়া হয়ে গেল দুজনের। ইব্রাহিম চাওসিকো ট্রেতে করে সব নিয়ে ভেতরে চলে গেল। ফিরে এলো কমিনিট পর।

    অফিসের দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে মেয়েটিকে লক্ষ করে ইব্রাহিম চাওসিকো বলল, এখন সাতটা বাজে। ঝড়-বৃষ্টি ছাড়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আপনি রেস্ট নিন। এ পাশের কক্ষটি বেড রুম হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ওখানেই আপনি রেস্ট নিন। আমি ওদিকে আছি।

    বেড রুমে রেস্ট নিতে বলা শুনে মেয়েটির চোখে-মুখে নতুন করে একটা ভীতির ভাব ছড়িয়ে পড়ল।

    তাকাল মেয়েটি কক্ষের দিকে। মুখে কিছুই বলতে পারল না।

    ইব্রাহিম চাওসিকো বেড রুমের পশ্চিম প্যাসেজ দিয়ে উত্তরের ওপাশে চলে গেল। ওদিকেই কিচেন, ডাইনিং ও স্টোর রুম।

    মেয়েটি তার সোফায় বসেই রইল।

    সময় কাটাবার মতো কিছু নেই তার কাছে। মোবাইলটা ভিজেঁ গেছে। তা আবার গাড়ির সিটে ভুল করে রেখে এসেছে। একবার বেড রুমে গিয়ে রেস্ট নিতে তার মন চাচ্ছে। পরক্ষণেই মন বলছে, একজন বেড রুমে রেস্ট নিতে আহ্বান জানিয়েছে বলেই সে যাবে কেন? এটা এক ধরনের প্রশ্রয় হতে পারে।

    বসে থাকল মেয়েটি।

    মাঝে মাঝেই সে তাকাচ্ছে ছেলেটা যেদিকে চলে গেছে সেই পথের দিকে। এক সময় সোফায় হেলান দিল সে। বাইরে ঝড়ের একটানা শোঁ শো শব্দ, তার সাথে অবিরাম বৃষ্টির ঝমঝমে আওয়াজ।

    সোফার হাতলে ছড়িয়ে রাখা ডানবাহুর উপর মাথা এলিয়ে শুয়েছে। মেয়েটা। নিজের অজান্তেই সে এক সময় ঘুমিয়ে পড়ল।

    হ্যালো, হ্যালো শুনছেন? গলার বড়সড় শব্দে ধড়মড় করে সোজা হয়ে বসল মেয়েটা। শব্দ অনুসরণে মেয়েটার চোখ গিয়ে পড়ল ইব্রাহিম চাওসিকোর উপর।

    জড়সড় হয়ে বসা মেয়েটার চোখে-মুখে ভয়মিশ্রিত বিব্রতভাব ফুটে উঠেছে। বলল মেয়েটা, স্যরি, আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

    শোবার জায়গা ছিল, ভালো করে শুতে পারতেন।

    একটু থামল ইব্রাহিম চাওসিকো। সংগে সংগেই আবার বলল, এখন রাত দশটা বাজে। ওয়েদার ফোরকাস্ট অনুসারে ঝড়-বৃষ্টি আরো বাড়বে। এই অবস্থায় আমার আপনার কারোই বাইরে যাবার সুযোগ নেই। বসে থাকার চেয়ে কিছু খেয়ে নিয়ে শুয়ে পড়াই ভালো।

    মেয়েটার বুক হাতুড়ি পেটার মতো ধকধক করে উঠল। মেয়েটা মনে মনে বলল, আমি শুতে চাই না, যেভাবে আছি সেভাবেই থাকতে চাই। কিন্তু মুখে কিছুই বলল না।

    ইব্রাহিম চাওসিকোই আবার কথা বলল, আপনি চাইলে মুখ-হাত ধুয়ে নিতে পারেন। আমি খাবার নিয়ে আসছি।

    বলে ইব্রাহিম চাওসিকো আগের মতোই ভেতরে চলে গেল। যাওয়ার আগে সে বেড রুম থেকে আরেকটা চায়ের টেবিল এনে নিজের সোফার সামনে রাখল।

    প্রায় সাত-আট মিনিট পর একটা বড় ট্রেতে করে খাবার নিয়ে ফিরে এলো ইব্রাহিম চাওসিকো। ট্রেটা নিজের টেবিলে রাখল। দুইটা প্লেটে দুটো করে চারটা নানরুটি, দুটো হাফ প্লেটে দুটো করে ডিমের মামলেট, দুটো হাফ প্লেটে সালাদ এবং দুই বোতল মিনারেল ওয়াটার।

    নিজের খাবার সে নিজের টেবিলে নামিয়ে রেখে বাকি খাবার মেয়েটার টেবিলে নামিয়ে দিয়ে বলল, ফ্রিজে রান্না করা কিছুই নেই। গোশত আছে কিন্তু রান্না করা নয়। দুপুরে আনা নানরুটি গরম করে এনেছি। এ দিয়েই রাত চালাতে হবে। আপনার টেস্ট সম্পর্কে কিছুই জানি না, এতে চলবে তো?

    – মেয়েটা ইব্রাহিম চাওসিকোর কাজ-কর্ম দেখছিল। সে অবাক হলো, এত কিছুর মধ্যে একবারও সে তার মুখের উপর চোখ ফেলেনি। একটা জড়সড় ভাব থাকলেও খুবই স্বাভাবিকভাবে সে কাজ করছে। খাবার সম্পর্কে বলার সময়ও সে টেবিলের খাবারের দিকে চোখ রেখেছিল, তার মুখের দিকে নয়।

    কিছু জড়তা কাটল মেয়েটার মনের। বলল, না, এই যথেষ্ট। খুব ভালো খাবার। আপনি অনেক কষ্ট করেছেন। ধন্যবাদ।

    ধন্যবাদ পাবার মতো কিছু করিনি। যা ছিল তাই নিয়ে এসেছি। বলল ইব্রাহিম চাওসিকো।

    ডিম ভেজেছেন, সালাদ তৈরি করেছেন। আমি এসব করতে পারতাম না।

    আমিও পারব বলে ভাবিনি। মা, ভাবিদের করতে দেখেছি। এই দেখাটাই ছিল আমার সম্বল।

    একটু থেমেই ইব্রাহিম চাওসিকো বলে উঠল, ঠিক আছে খেয়ে নিন। আমার খাবার ওদিকে আছে।

    বলেই ইব্রাহিম চাওসিকো তার টেবিলের দিকে এগোলো।

    এতগুলো কথার মধ্যে ছেলেটা একবারও তার চোখে চোখ ফেলেনি। চোখে চোখ পড়তেই সে চোখ নামিয়ে নিয়েছে।

    মেয়েটার মনের ভয় ও আতংকের বন্ধ দরজা অনেকটাই খুলে গেছে। সে

    অনেকখানি সহজ হতে পেরেছে। তার মনে হয়েছে, সাদাটে-সোনালি বর্ণের এই সুন্দর স্বাস্থ্যবান ছেলেটি খুবই লাজুক। এই পরিবেশে ছেলেদের এমন সংযত আচরণ তার কাছে কল্পনার বাইরে।

    খাওয়া শেষ হয়ে গেল।

    ইব্রাহিম চাওসিকো ট্রেতে করে সবকিছু নিয়ে ভেতরে রেখে এসে বলল, ঝড়-বৃষ্টি আরো বেড়েছে। আবহাওয়া আরো খারাপই হবে। রাত এখানে। কাটানোর বিকল্প নেই। আপনি বিশ্রাম নিন, আমি ওপাশে আছি।

    চলে যাবার জন্যে ঘুরে দাঁড়িয়েই থেমে গেল সে। মুখটা পেছন দিকে ঘুরিয়ে বলল, কোনো অসুবিধা নেই বেডের সবকিছু পাল্টে দিয়েছি।

    বলেই ইব্রাহিম চাওসিকো ওপাশের দিকে চলে গেল।

    মেয়েটার মুখে নতুন করে বিব্রতভাব ফুটে উঠল। লজ্জাও পেল। মনে। মনে ভাবল, ছেলেটা তাহলে কি ভাবল যে, আমি বেডের কারণেই বেড রুমে যাচ্ছি না! কিন্তু আমার সমস্যা তো বেড় নয়, বেড়ে যাওয়াই তো আমার জন্যে ভাবনার বিষয়।

    ইব্রাহিম চাওসিকো চলে গেলে কিছুটা সময় নিয়ে মেয়েটা সোফা থেকে উঠল। একটু এগিয়ে ইব্রাহিম চাওসিকো যে দিকে চলে গেল, সে দিকে একটু উঁকি দিল ওদিকে কি আছে দেখার জন্যে। কিন্তু কিছুই দেখতে পেল না। বেডরুমের পশ্চিম পাশ দিয়ে যে প্যাসেজটা উত্তর দিকে এগিয়ে গেছে, বেড় রুমের উত্তর পাশের দেয়াল বরাবর তার মাথায় একটা দরজা। দরজাটা বন্ধ।

    ঘুরে দাঁড়িয়ে মেয়েটা বেড রুমের দিকে এগোলো।

    বাইরে ঝড়-বৃষ্টির প্রচণ্ড দাপাদাপি। মনে হচ্ছে যেন কাঁচের জানালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়বে। বিদ্যুৎচমক ও বজ্রপাতের কড় কড় আওয়াজ ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি করেছে। নিশ্চয় এই ফার্ম হাউজে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা নেই, ভাবনা এলো মেয়েটার মনে। সেই সাথে মনে ভয়েরও সৃষ্টি হলো। তাড়াতাড়ি সে বেড রুমের দরজার পর্দা ফাঁক করে ভেতরটা দেখে ভিতরে ঢুকে গেল।। ঘরে একটা মাত্র বেড। ঘরের পুব প্রান্তে উত্তর দেয়ালের সাথে একটা টেবিল। আর দক্ষিণ দেয়ালে কাপড় রাখার জন্যে একটা হ্যাঁঙার। ঘরের পশ্চিম প্রান্তে উত্তর দেয়ালে একটা দরজা। ওই দরজাটা বোধ হয় বাড়ির ওদিকে যাবার পথ, যে দিকে ছেলেটি গেছে।

    মেয়েটা বেডের দিকে এগোলো। বেড কভার একেবারে ভাঁজহীন, ফ্রেশ। বালিশের কভারও তাই।

    হঠাৎ ফার্ম হাউজটির কোথাও যেন বজ্রপাত হলো।

    মেয়েটা ভীষণ চমকে উঠে আছড়ে পড়ল বেডের উপর। দুহাতে আঁকড়ে ধরল বালিশটি।

    ঝড়, বজ্র-বৃষ্টির ঘনঘটা যেন বেড়ে গেল।

    শুয়ে পড়েছে মেয়েটি। দুহাতে শক্ত করে বালিশ ধরে আছে। এখন তার মনে হচ্ছে ছেলেটা তার চোখের সামনে কোথাও থাকলে ভালো হতো, সাহস পেত সে। ভাবতে গিয়ে আবার কেঁপে উঠল তার মন। ছেলেটাকে কাছে চাওয়ার মধ্যে আরো বড় বিপদ আছে।

    শীত করছে মেয়েটার। পায়ের দিকে সুন্দর ভাঁজ করে রাখা একটা চাদর টেনে গায়ে দিল। চাদরটাও ফ্রেশ। একটা হালকা সুগন্ধ তার নাকে লাগল। ভালো লাগা এই সুগন্ধ সে বেডেও পেয়েছে। মন তার বলে উঠল, নতদৃষ্টি ছেলেটা যেন কিছুই দেখে না, কিন্তু সব দিকেই তার নজর আছে। তার রুচিবোধও প্রশংসনীয়। কে ছেলেটা? তার ভব্যতা, ভদ্রতার আড়ালে অন্যকিছু নেই তো! থাকারই কথা। এমন পরিবেশে কোনো ছেলে বা পুরুষই বিশ্বাস্য নয়। গায়ের চাদরকে দেহের সাথে আরো জড়িয়ে ধরল মেয়েটা।

    ঠক ঠক শব্দে ঘুম ভাঙল মেয়েটার। চোখ খুলে চারদিকে তাকিয়ে ধড়মড় করে উঠে বসল সে। প্রথমে চোখে মুখে একটা বিমূঢ় ভাব আসলেও পর মুহূর্তেই তা কেটে গেল এবং মনে পড়ল সব।

    দরজার কাঠের প্যানেলে আঙুলের আঘাতে ঠক ঠক শব্দ হচ্ছিল। মেয়েটি উঠে বসতেই দরজার পর্দার ওপাশ থেকে কণ্ঠ ভেসে এলো, কফি এনেছি নিয়ে নিন।

    মেয়েটির ভেতর থেকে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস বেরিয়ে এলো, যাক ছেলেটিই তাকে কফি নিতে ডাকছে।

    অনেকটা যন্ত্র-চালিতের মতো মেয়েটি বেড থেকে নামল। দরজার পর্দা ফাঁক করে সামনে তাকাল। মনে হলো ট্রে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ছেলেটা। একবার তাকিয়েই চোখ নিচু করেছে সে। ট্রেতে কফির কাপ এবং একটা হাফপ্লেটে কিছু বিস্কুট।

    মেয়েটি ছেলেটার হাত থেকে ট্রেটা নিয়ে পিছু হটে ঘরের ভেতরে ঢুকে গেল।

    ট্রেটা রেখে আপনি একটু আসুন, প্লিজ দরজাটা লাগিয়ে দেবেন। বলল। ইব্রাহিম চাওসিকো।

    চমকে উঠল মেয়েটা, এই ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে সে কি বাইরে যাবে? বিস্ময়ের চেয়ে মেয়েটা কিছুটা ভীতই হয়ে পড়ল।

    সে তাড়াতাড়ি কফির ট্রে টেবিলে রেখে দরজায় ছুটে গেল। বলল, আপনি কি এই ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে বাইরে যাবেন?

    না আমি বাইরের দরজার কথা বলছি না, ভেতরের একটা দরজার কথা বলছি। বলল ইব্রাহিম চাওসিকো শান্ত কণ্ঠে মেয়েটির দিকে না তাকিয়েই।

    কথা শেষ করেই আবার সে বলে উঠল, আসুন। বলে হাঁটতে শুরু করল ইব্রাহিম চাওসিকো। মেয়েটি তার পিছু নিল।

    অফিস রুম থেকে বাড়ির উত্তর অংশে যাবার পথে প্যাসেজের মুখে একটা দরজা। ইব্রাহিম চাওসিকো দরজার ওপারে গিয়ে ফিরে দাঁড়িয়ে মেয়েটিকে বলল, দরজা বন্ধ করে ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে দিন। আপনার শোবার ঘরের উত্তর দিকের দরজাতেও ছিটকিনি লাগিয়ে দেবেন।

    মেয়েটি ব্যাপারটা বুঝতে পারল। এই মহাদুর্যোগের রাতে একাকিত্বের একটা ভয় মেয়েটাকে পেয়ে বসল। ছিটকিনি না লাগালে হয় না কথাটা বলতে গিয়েও থেমে গেল মেয়েটা। অন্যরকম একটা অস্বস্তি তার মনে উঁকি দিল।

    দরজায় ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে ঘরে ফিরে এলো মেয়েটা। বসল চেয়ারে। সামনে টেবিলে কফির কাপ থেকে ধোঁয়া উঠছে।

    কফির কাপটি তুলে নিয়ে একটা চুমুক দিল কফির কাপে। পর পর কয়েকটা চুমুক দিয়ে কফির কাপটা রাখল পিরিচের উপর। টেবিলের ওপাশে একটা বইয়ের দিকে চোখ গেল তার। বইটা হাতে তুলে নিল। চোখ বুলাল বইটার নামের উপর।

    স্পেস-ন্যাচার বইটার নাম।

    বইটা নিশ্চয় ছেলেটার? এত কঠিন বিষয়ের বই সে পড়ে! বিস্ময়ের ধাক্কা খেল মেয়েটি।

    বইটির পাতা উল্টাল সে।

    এত দেখছি আমাদের ভিক্টর ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরির বই! ছেলেটি কি তাহলে আমাদের ভিক্টর ইউনিভার্সিটির ছাত্র! বিস্ময়ের আরেকটা ধাক্কা খেল সে। ছেলেটা তাহলে আমাকে চিনল না কেন? ভিক্টর ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর এবং বুজুমবুরার নাম্বার ওয়ান ব্যক্তিত্ব ফাদার স্টিফেন ফেবিয়ানের মেয়ে আনা আরিয়াকে চেনে না এমন খুব কম ছেলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে।

    বুকে এবার সাহস ফিরে পেল আনা আরিয়া মেয়েটি।

    সেই সাথে ছেলেটি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসাও জাগল তার মনে। ছেলেটির নাম কি, কোন্ বিভাগে, কোন্ ইয়ারে পড়ে? কি ধরনের ছেলেরে বাবা তার নামও বলেনি, আমার নামও জিজ্ঞেস করেনি! কফি খাওয়া শেষ হলো তার।

    কফির কাপটা সরিয়ে রেখে এবার বইয়ের দিকে মন দিল আনা আরিয়া। বইটি স্পেস সাইন্সের একটা মৌলিক বই। মহাশূন্যের গঠন, মহাকাশ-বস্তু, অর্থাৎ মহাশূন্যের বিভিন্ন কণার চরিত্র, কাজ, দৃশ্যমান মহাবিশ্বের ঘনত্ব ও ভারসাম্যের বিস্ময়কর ঐক্য ইত্যাদি সব জটিল, গাণিতিক আলোচনা বইটিতে আছে। বইটি বন্ধ করতে করতে আনা আরিয়া ভাবল, অবশ্যই ছেলেটি বিজ্ঞানের ছাত্র।

    বইটি টেবিলের একপাশে ঠেলে দিয়ে উঠে দাঁড়াল আনা আরিয়া।

    ঘুরে দাঁড়িয়ে তাকাল বেডের দিকে।

    নিখুঁতভাবে বেডটি পাতা। সাদা ধবধবে চাদর। ছেলেটির রুচি আছে মনে মনে বলল আনা আরিয়া। সাদা চাদর তারও পছন্দ।

    বেডের দিকে এগোলো আনা আরিয়া। বেডে বসতে গিয়ে অস্বস্তিতে ভরে গেল আনা আরিয়ার মন। সে এভাবে অন্যের বেডে কখনো শোয়নি। ছেলেদের বেডের তো কথাই নেই।

    সংকোচ, অস্বস্তি নিয়েই সে শুয়ে পড়তে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো উত্তর দিকের দরজার কথা, যা ছেলেটি বন্ধ রাখতে বলেছিল।

    খাট থেকে নেমে দরজার দিকে এগোলো। দরজা খোলা, ছিটকিনি দেয়া নেই।

    মনটা আঁৎকে উঠল আনা আরিয়ার। ছেলেটা বন্ধ করতে না বললে তো। দরজা খোলাই থাকত। শুয়ে পড়ল আনা আরিয়া।

    একটা হালকা সুন্দর গন্ধে মনটা ভরে গেল তার। গন্ধটা একটু পরিচিত মনে হলো, কোথাও যেন পেয়েছে। মনে পড়ে গেল, ছেলেটা খাবার ও নাস্তা দেয়ার সময় কাছাকাছি এলে এই গন্ধই সে পেয়েছে।

    গন্ধের কথা ভাবতে গিয়ে ছেলেটার চেহারাও তার মনে ভেসে উঠল। সুন্দর গন্ধটা তার চেহারার সাথে মানানসই। হঠাৎ ক্ষোভের সৃষ্টি হলো আনা আরিয়ার মনে। ছেলেটা নামও বলেনি, নাম জিজ্ঞেসও করেনি। এমনকি ভালো করে চোখও তোলেনি সে আনা আরিয়ার দিকে। আনা আরিয়া কি দেখার মতো নয়? সুন্দরী হিসেবে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ছেলের সৌজন্য বোধ পর্যন্ত থাকবে না? নামও বলবে না, জিজ্ঞাসাও করবে না আমার নাম? তাকিয়ে দেখার মতো স্বাভাবিক কাজটাও করবে না? এটা এক ধরনের অবজ্ঞাও হতে পারে। এটা অপমানকর, কষ্টদায়ক। সেই সাথে মন আবার বলল, সুন্দরী তুমি এটা ভাবতেই পার। যাকে অপমানকর ও কষ্টদায়ক বলছ, তা-ই তোমার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করেছে। ভেবে দেখ, প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ঘেরা এই বাড়ি তোমার জন্যে একেবারেই অরক্ষিত। ছেলেটা যদি এর সুযোগ…।

    বুঝতে পেরেছি। তুমি ঠিক বলেছ, কিন্তু তোমাকে মানতে হবে এটা আমার নারী-সত্তার পরাজয়ও। আকর্ষণের কথা বাদ দিলাম, আমি যেন তার মধ্যে সামান্য কৌতূহলও সৃষ্টি করতে পারিনি। বলল আনা আরিয়া।

    ভেতর থেকে সেই মনটা চোখ রাঙিয়ে বলল, তোমার নারী-সত্তার পরাজয় হয়নি, সে সম্মান দিয়েছে তোমার সত্তাকে।

    কোন উত্তর দিল না আনা আরিয়া। চোখ বুজল।

    সুন্দর সুগন্ধের হালকা পরশ রাজ্যের ঘুম নিয়ে এলো তার দুচোখ জুড়ে, কোনো উদ্বেগ নয় প্রশান্তির ঘুম।

    যখন ঘুম ভাঙল, তখন ঘরের ভেতরটাও ফর্সা। বাইরে ঝড়-বৃষ্টির দাপট নেই। উঠল আনা আরিয়া।

    ঘরের পুব জানালা দিয়ে দেখল, সুন্দর সোনালি সকাল। রাস্তাঘাট থেকে পানি নেমে গেছে। সুর্য উঠেছে বেশ কিছু আগে। দেরি হয়ে গেছে, আরো আগে তার ওঠা দরকার ছিল। সে ছুটে গেল উত্তরের দরজায়।

    দরজা খুলে দেখল, ছেলেটা ডাইনিং টেবিলে চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুমাচ্ছে।

    হ্যালো, মিস্টার। দরজায় দাঁড়িয়েই ডাকল আনা আরিয়া ছেলেটাকে। দুবার ডাকল আনা আরিয়া, সাড়া নেই।

    দরজা থেকে সরে এসে তাড়াতাড়ি ঢুকল ওয়াশ রুমে। তার কাপড় চোপড় শুকায়নি, দেখল সে।

    ভেজা কাপড় সে দলা পাকিয়ে নিল। বেরিয়ে এলো সে ঘর থেকে। বাইরের দরজার লক-সিস্টেমটা ভালো। লক করে বেরিয়ে এসে দরজা টেনে দিলেই দরজা লক হয়ে যাবে।

    দরজা লক করে বেরিয়ে এলো আনা আরিয়া।

    মনে প্রবল একটা অস্বস্তি অনুভব করল সে। ছেলেটাকে বলা হলো না। কি মনে করবে সে! কৃতজ্ঞ সে ছেলেটার কাছে। শুধু আশ্রয় দিয়েছে বা খাবার দিয়েছে তা নয়। অবিশ্বাস্য এক নিরাপত্তা পেয়েছে সে তার কাছে। প্রথম দিকে সে নিজেও মনে করেছে, ঝড়-বৃষ্টি ঘেরা পরিবেশে নির্জন এই বাড়িতে তার কুমারী জীবনের আজকেই শেষ রাত। কিন্তু বিস্ময়কর পবিত্র এই ছেলেটা। সে চোখ তুলে আমাকে একবার দেখারও চেষ্টা করেনি। দুটি দরজা দিয়েই সে আমার কাছে আসতে পারতো, কিন্তু আমাকে দিয়েই আমার দিকে ঢোকার দুটি দরজাই সে বন্ধ করিয়ে নিয়েছে। দেবদূতরা এত ভালো কিনা জানি না, তবে কোনো পুরুষ এমন হতে পারে সে আগে দেখেনি। ছেলে বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ মনে হওয়া ছেলে বন্ধুদের চোখেও সে। লোভের ছোঁয়া দেখেছে। বিস্ময়কর এই ভালো ছেলেটা কোত্থেকে উদয় হলো!

    যাবার সময় ছেলেটাকে ধন্যবাদ না দিতে পারায় মনটা সত্যি খারাপ হয়ে গেল আনা আরিয়ার।

    রাস্তায় উঠে এলো আনা আরিয়া। গাড়িটা রাস্তায়, বেশ দূরে। আনা আরিয়া দ্রুত হাঁটতে লাগল সেদিকে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৬৪. বিপদে বুজুমবুরা – সাইমুম সিরিজ #৬৪
    Next Article ৬২. আবার আফ্রিকার অন্ধকারে – সাইমুম সিরিজ #৬২

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }