Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤷

    ০১. রবীন্দ্রনাথ এখানে এসেছিলেন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে এসেছিলেন

    যে গল্পটা বলব সেটা আষাঢ়ের গল্পের মতো শোনাবে, কিন্তু আদতে এটা আষাঢ়ের গল্প নয়!

    কয়েক বছর আগের ঘটনা, উত্তরবঙ্গে এক বন্ধুর বিয়ের দাওয়াতে যাচ্ছিলাম, ভেবেছিলাম নিজের গাড়িতে করে গেলে ভ্রমণটা বেশি সাচ্ছন্দের হবে কিন্তু তৃতীয়বারের মতো যখন গাড়িটা বিগড়ে গেল তখন বুঝতে পারলাম, নিজের গাড়ি নিয়ে বের হওয়াটা ঠিক হয়নি। দীর্ঘযাত্রায় বাস-ট্রেনই ভালো।

    এর আগে আরো দু’বার ড্রাইভার অনেক চেষ্টা করে সারিয়ে তুলেছিল গাড়িটা, তবে তৃতীয়বারের মতো সে সফল হবে না বলেই মনে হল। পথে বেশ কিছু জায়গায় পানি জমেছিল, ইঞ্জিনের ভেতর ঢুকে গেছে নিশ্চয়। মাঝরাতে বিরাণ এক মহাসড়কে থমকে গেল আমার যাত্রা। গাড়িতে বসেই বাইরে চোখ বুলালাম, অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ল না। আজ সকাল কে বৃষ্টি পড়ছে, মাঝেমধ্যে সেটার প্রকোপ কমলেও আবার পূর্ণ তেজে শুরু হয়ে যাচ্ছে।

    আবছা আলোয় আন্দাজ করতে পারলাম, ধানিজমি আর ডোবানালা ছাড়া আশেপাশে কিছু নেই। গাছপালার ফাঁকফোকর দিয়ে বহু দূরে থাকা গেরস্থের বাড়ির আলোকিত জানালাগুলো ছোট ছোট বিন্দুর মতো দেখায়, আমি সেগুলো দেখার আশায় চোখ কুঁচকালাম। কিছু নেই, গাঢ় অন্ধকার ছাড়া।

    ড্রাইভার সলিম হাল ছেড়ে দেবার পাত্র নয়, গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে ইঞ্জিন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। আমি কিছুক্ষণ গাড়ির ভেতরে বসে থেকে বের হয়ে এলাম। ক্লান্তি আর ক্ষিদে আমাকে অস্থির করে তুলেছে সেই কখন থেকে। বৃষ্টির প্রকোপও কমে এসেছে। হতাশ হয়ে পিচের উপর লাথি মারতেই আমার দিকে তাকালো ড্রাইভার।

    “ধারেকাছে কি খাবারের দোকান-টোকান পাওয়া যাবে?”

    “জানি না, স্যার,” ঠোঁট উল্টে জবাব দিল সে।

    এ এরকম জায়গায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত হবার কথা, কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার, আমার যত চিন্তা উদরপূর্তি নিয়ে! পরিচিতজনরা তো আর সাধেই খাদক বলে না আমাকে। সামনে একটু হেঁটে গেলাম আনমনেই। চোখে পড়ল কিছু একটা। বেশ দূরে, রাস্তার পাশে জ্বলজ্বল করছে একটা সাইন।

    “আমি একটু সামনে গেলাম,” ড্রাইভারকে বললাম বেশ জোরে। “খাবারের দোকান আছে কি না দেখি।”

    “বেশি দূরে যায়েন না, স্যার..আর একটু পরই গাড়ি ঠিক করবার পারুম।”

    অনেকটা পথ এগোতেই থমকে দাঁড়ালাম অদ্ভুত সাইনটার দেখে।

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি!

    জীবনে এ রকম কোন রেস্টুরেন্টের কথা শুনিনি, দেখার তো প্রশ্নই ওঠে না। কপোরেট জগতের মানুষ আমি। কত শত ধান্দাবাজিই না জানি, কিন্তু এমন প্রত্যন্ত অঞ্চলে, মহাসড়কের পাশে উদ্ভট নামের এই রেস্টুরেন্টটা দিল কোন ধান্দাবাজ! কৌতূহল নিয়েই ওটার দিকে এগিয়ে গেলাম।

    মহাসড়কের পাশে চমৎকার একটি বাংলো বাড়ির মতো একতলার এই রেস্টুরেন্টটির সামনে আছে বারান্দা, সেই বারান্দার উপরে টিনের ছাউনি। বড় বড় ফ্রেঞ্চ জানালা আর নক্সা করা বিশাল একটি কাঠের দরজা। বাইরে থেকে জানালা দিয় ভেতরটা আলোকিত দেখে দরজা ঠেলে ঢুকে পড়তেই থমকে গেলাম। রেস্টুরেন্টের ভেতরটায় বেশ স্বল্প আলো জ্বলছে। সাজসজ্জা আর পরিবেশ একদমই ভিন্ন, প্রতিটি রাউন্ড টেবিল ঘিরে আছে তিন-চারটা করে চেয়ার। কিন্তু কোনো কাস্টমার নেই। ওয়েটারও দেখা যাচ্ছে না। সম্ভবত দেরি করে ফেলেছি-আক্ষেপ আর হতাশায় দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল।

    এমন সময় ঘরের শেষ মাথা থেকে এক যুবক বেরিয়ে এল।

    “বন্ধ হয়ে গেছে নাকি?” হতাশার সুর আমার কণ্ঠে।

    “না, তবে একটু পরই বন্ধ করে দেব,” বলেই একটা মেনু সামনের টেবিলের উপর রাখল সে। “বসুন।”

    টেবিলে বসেই আমি মেনুর দিকে নজর দিলাম।

    .

    মুশকান’স কারি।

    মুশকান’স সুপ অব লাইফ!

    মুশকান’স হাইব্রিড ক্র্যামচপ!

    মুশকান’স গোল্ডেন ড্রিঙ্কস!

    মুশকান’স জাস্ট টি!

    .

    সব খাবারের আগেই মুশকান! “আচ্ছা, এই মুশকানটা কী?”

    “উনি আমাদের রেস্টুরেন্টের মালিক…আবার শেফও।”

    এরকম প্রত্যন্ত অঞ্চলে একজন মহিলা রেস্টুরেন্ট চালাচ্ছে, সে নিজে আবার শেফ-অবাকই হলাম। দ্রুত মেনুতে চোখ বোলালাম। একেবারে শেষে এসে আমার চোখ আটকে গেল। মূল মেনুতে এটা ছিল না, পরে কাগজে প্রিন্ট করে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।

    রবীন্দ্র নৈশভোজ!

    এটাও খাবারের নাম? মর্মাহতই হলাম। সর্বজন শ্রদ্ধেয় কবিকে যথেচ্ছ ব্যবহার করেছে এর মালেকীন।

    “এটা কি?”

    “রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে এক টেবিলে বসে ডিনার করার অফার।”

    এ জীবনে খুবই এমন উদ্ভট কথা শুনেছি। “তুমি আমার সাথে মশকরা করছ?” রেগেমেগেই বললাম। ক্ষুধার্ত মানুষ এমনিতেই চট করে রেগে যায়।

    “স্যার, আজকে এই অফারটা দিয়েছেন আমাদের মালেকীন নিজে,” বেশ জোর দিয়ে বলল ওয়েটার।

    “আচ্ছা,” আমিও পাল্টা বললাম। “তাহলে এই অফারটার পাশে মূল্য লেখা নেই কেন?”

    “এটা আসলে উনিই বলতে পারবেন। আমি জানি না।”

    আমার ভুরু কপালে উঠে গেল। “আচ্ছা, আমি যদি এই অফারটা এখন নেই, তাহলে রবীন্দ্রনাথ এখানে এসে আমার সঙ্গে বসে ডিনার করবেন?”

    “উনি করবেন না, আপনি করবেন।”

    অনেক কষ্টে রাগ দমন করলাম। “হুঁ, বুঝেছি।” জেদ চেপে গেল আমার মধ্যে। “আমি এই অফারটা নিচ্ছি তাহলে।”

    ওয়েটার কিছু না বলে চলে গেল।

    এর শেষ না দেখে আজ যাব না। আমি নিশ্চিত, কী হবে। ইউরোপ আমেরিকায় এ রকম প্রাঙ্ক করতে দেখেছি। এরা কোন্ কৌশলটা খাটাবে সেটাও বুঝতে পারছি। সত্যি এক বুড়ো এখানে চলে আসবে একটু পর…

    হঠাৎ ঘরটা ভরে উঠল সুবাসে। চমকে ডান পাশে তাকালাম।

    অনিন্দ্য সুন্দর এক নারী অভিজাত পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে আমার দিকে। সাদা-লালের জামদানি শাড়ি, চুলগুলো সুন্দর করে খোঁপা করা।

    কর্তৃত্বপূর্ণ ভাব নিয়ে আমার বিপরীতে একটা চেয়ারে বসে পড়ল সেই মহিলা।

    “তাহলে আপনি ওঁর সাথে ডিনার করতে চাইছেন?” তার কণ্ঠ সুললিত।

    “হ্যা! তবে দেখতে কিছুটা রবীন্দ্রনাথের মত কারো সঙ্গে নয়,” বললাম তাকে। “আমার ধারণা, সেই লোকের নামও হবে রবীন্দ্রনাথ! তখন আমাকে বলবেন, মেনুতে লেখা ছিল রবীন্দ্র নৈশভোজ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা বলেননি।”

    মুচকি হাসল রহস্যময়ী।

    “আর ঐ নকল রবীন্দ্রনাথের পদবীটা হবে দাস, রায়, বসু…এ রকম কিছু একটা।”

    “আপনার সঙ্গে এ রকম কিছু করা হবে না,” মুশকান নামের মহিলা আশ্বস্ত করে বলল আমাকে।

    “তাহলে নোবেলজয়ী কবিই আসছেন?! মৃত্যুর আশি বছর পর? ওয়াও!”

    “হুম।” আলতো করে মাথা নেড়ে সায় দিল মুশকান।

    অদ্ভুত ব্যাপার, আমার কাছে মনে হল, মহিলা সত্যিই বলছে!

    “কিন্তু এটা কী করে সম্ভব! প্ল্যানচ্যাটে মৃত মানুষের আত্মা ডেকে আনার কথা শুনেছি…আপনি কি সে রকম কিছু করবেন নাকি?”

    আমার কথাটার মধ্যে প্রচ্ছন্ন টিটকারি ছিল।

    “আপনি এই অফারটা নিচ্ছেন তো?” আমার কথার জবাব না দিয়ে জানতে চাইল সে।

    “রবীন্দ্রনাথের ভূতের সাথে নৈশভোজ? হ্যাঁ। মনে হচ্ছে দারুণ ব্যাপারই হবে সেটা।”

    “আমারও তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।”

    ওয়েটার ফিরে এল আবার।

    “আপনি খাবারের অর্ডার করুন…আমি আসছি,” মুশকান নামের মহিলা চলে গেল রেস্টুরেন্টের ভেতরে।

    ঝটপট কিছু খাবার অর্ডার দিয়ে দিলাম। হালকা ভলিউমে জনপ্রিয় একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত ভেসে বেড়াতে লাগল ঘরে। একটু পরই ট্রে’তে করে গরম ভাত, মাংস আর ডাল নিয়ে হাজির ওয়েটার।

    আর কিছু না ভেবে উদর পূর্তি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। একটু পরই আবিষ্কার করলাম, যা খাচ্ছি তা এক কথায় অসাধারণ। সত্যি বলতে, মাংসটা গরুর নাকি খাসির সেটাও ধরতে পারলাম না। আর মাংস থেকে যে ঘ্রাণ আসছে সেটা আমার রুচি আরো বাড়িয়ে দিচ্ছিল। আমার খাওয়ার মাঝখানে আবারো চলে এল সেই রহস্যময়ী নারী। এবার তার খোঁপায় বেলি ফুলের মালা, কপালে সিঁদুররঙা টিপ আর চোখে সুন্দর করে কাজল দেয়া। কখনও কোনো নারীকে এত সুন্দ্র করে কাজল দিতে দেখিনি।

    আগের জায়গায় বসে গভীর করে নিশ্বাস নিয়ে নিল মুশকান। “আপনি খেতে থাকুন…আমি ওঁকে ডাকছি।”

    ব্যাপারটা অদ্ভুত আর অসৌজন্যমূলক বলে মনে হল আমার কাছে। হোক না রবীন্দ্রনাথের ভূত, তার সামনে বসে আমি গাপুসগুপুস খাবো?

    মিউজিক প্লেয়ারের গান থেমে গেল, আর সুললিত কণ্ঠে গাইতে শুরু করল মুশকান নিজে :

    এসো এসো আমার ঘরে এসো আমার ঘরে
    এসো এসো আমার ঘরে এসো আমার ঘরে…
    বাহির হয়ে এসো
    বাহির হয়ে এসো তুমি যে আছ অন্তরে।

    অসাধারণ তার গায়কী। আমি মুগ্ধ হয়ে শুনে গেলাম।

    “এসো আমার ঘরে
    এসো এসো আমার ঘরে এসো আমার ঘরে
    স্বপন দুয়ার খুলে এসো অরুণ-আলোকে
    এসো মুগ্ধ এ চোখে।
    ক্ষণকালের আভাস হতে
    চিরকালের তরে
    এসো আমার ঘরে…”

    “আকুল হয়ে কেন যে ডাকো…সাড়া না দিয়ে পারিনে! হোক না সেটা ক্ষকালের আবাস হতে…!”

    একটা মিহি কণ্ঠ শুনে আমি চমকে তাকালাম রেস্টুরেন্টের দরজার দিকে। দৃশ্যটা দেখামাত্র গায়ের সমস্ত রোমকূপ দাঁড়িয়ে গেল। ভূত দেখে নয়, আমি রবীন্দ্রনাথকে দেখে ভড়কে গেলাম। যেন বহুল পরিচিত ছবি থেকে উঠে এসেছেন তিনি, এগিয়ে আসছেন আমাদের টেবিলের দিকে। ধূতি-পাঞ্জাবি পরা। গায়ের একটা চাদর জড়িয়ে রেখেছেন। দেখেই সম্ভ্রম জেগে উঠল। দাঁড়িয়ে সম্মান জানানো উচিত, কিন্তু আমার সেই বোধশক্তি লোপ পেয়ে গেল।

    মুশকানের চোখমুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল রবীন্দ্রনাথকে দেখে। “আমাদের অতিথির পাশে বোসো!”

    কবি আমার ঠিক পাশেই বসে পড়লেন।

    “একটা শর্ত আছে,” আমাকে বলল মুশকান। “আপনি ওঁকে কোনো প্রশ্ন করতে পারবেন না।”

    আমি হা হয়ে গেলাম। এর আগে কখনও ভেবে দেখিনি, প্রশ্ন ছাড়া কথা বলা কতটা অসম্ভব ব্যাপার।

    “আর ওঁ ডিনারও করবে না…আপনি খেতে থাকুন।”

    আমি কিছুই বলতে পারলাম না। একটা ঘোরের মধ্যে নিপতিত হয়ে কাছ থেকে রবীন্দ্রনাথকে দেখতে লাগলাম। সফেদ চুল-দাড়ি, বলিরেখায় পূর্ণ মুখায়ব। আলতো করে আমার দিকে তাকালেন কবি। স্মিত হাসি তার ঠোঁটে।

    “কিন্তু ওর মনে তো হাজারও প্রশ্ন ঘুরছে!”

    “তোমাকে এভাবে দেখলে সেটাই কি স্বাভাবিক নয়?” মুশকান এমনভাবে কথা বলল যেন কবির সাথে তার অনেক দিনের চেনাজানা।

    “মানুষ প্রশ্নের জলে আকণ্ঠ ডুবে থাকে সারা জনম। এমন কি মৃত্যুর পরও…” দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে এল কবির ভেতর থেকে। “কত প্রশ্নের উত্তর যে জানিনে এখনও!”

    “তুমি তো সত্য আর সুন্দরের পূজারী…এত প্রশ্ন কেন তোমার মাথায় ঘোরে…এখনও?”

    আবারো স্মিত হাসলেন কবি। “সুন্দরের পূজারী হতে কোনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হয় না কিন্তু ঐ যে বললে, সত্য…ওটার তত্ত্ব-তালাশ করতে হলে শত সহস্র প্রশ্নের উদয় হয়, উত্তরও জানতে হয়।”

    আবিষ্কার করলাম-মুশকান আর রবীন্দ্রনাথই কথা বলে যাচ্ছে-আমি যেন ঘরের আসবাব হয়ে গেছি।

    “আপনি কিন্তু খাচ্ছেন না, তাড়া দিল মুশকান।

    ঢোক গিলোম আমি। রবীন্দ্রনাথের ভূতের পাশে বসে কেউ কি খেতে পারে? সে খাবার যত সুস্বাদুই হোক না কেন! তারপরও বাধ্যছেলের মত খেতে শুরু করলাম আবার। এছাড়া আমার কিছু করারও নেই–প্রশ্ন না করে কথা। বলা? কীভাবে সম্ভব!

    “এই সুন্দরপুরে ওঁর আসার কথা ছিল, কিন্তু ওঁর মেয়ে মাধবীলতা মারা গেছিল, তাই আর আসা হয়নি।”

    আমার উদ্দেশে বলল মুশকান, আমি খেতে খেতেই তাকালাম। জায়গাটার নাম তাহলে সুন্দরপুর।

    কবি একটু বিষণ্ণ হয়ে উঠলেন।

    “ক্ষমা কোরো আমাকে,” মুশকান বলল। “আজকের দিনে কথাটা তোলা ঠিক হয়নি।”

    “না। ঠিক আছে।” মিহি কণ্ঠে বললেও কবির দীর্ঘশ্বাস শুনতে পেলাম যেন।

    “সেদিক থেকে দেখলে, এই রেস্টুরেন্টের নামটা একদম ঠিকই আছে।”

    মৃত এক কবি জীবিত অবস্থায় আমার পাশে বসে আছেন, আর আমি গলাধকরণ করছি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্বাদের খাবার-পুরো ব্যাপারটা যেন মতে নয়, অমর্ত্যলোকে ঘটছে!

    মুশকান আর রবীন্দ্রনাথ-আদৌ যদি ওটা রবীন্দ্রনাথ হয়ে থাকে তো-অনেক বিষয় নিয়ে আলাপ করলেও সে সবের খুব কমই আমার মনে আছে, শুধু মনে আছে হঠাৎ করে রেস্টুরেন্টের বাইরে গাড়ির হর্ন বাজার শব্দ শুনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠলেন কবি। চলে যাবার আগে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন : “অনেক কথা বলার ছিল কিন্তু বলতে পারলাম না। তার কোন দরকারও নেই। যা বলার বলে গেছি আমি। শুধু একটা কথা বলি আরেকবার-দেশ মানে মৃন্ময় নয়, চিন্ময়…এ কথা তোমরা কখনও ভুলে যেয়ো না!”

    তার পর যেভাবে এসেছিলেন সেভাবেই তিনি চলে গেলেন আমাকে সম্মোহনের মধ্যে রেখেই।

    “কত দিতে হবে?” অনেকক্ষণ পর ধাতস্থ হয়ে মুশকানকে জিজ্ঞেস করলাম আমি।

    “কিছু দিতে হবে না। বছরে এই সময়ে মাত্র একজনই এ রকম নৈশভোজ করার সুযোগ পায় এখানে। এ বছর আপনি হলেন সেই ভাগ্যবানএকজন। আপনি তাড়াতাড়ি চলে যান। আপনাকে খুঁজতে আপনার লোক এসে পড়েছে।”

    অগত্যা অদ্ভুত সেই রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে এলাম আমি। বাইরে এসে দেখি আমার ড্রাইভার সলিম গাড়ি নিয়ে চলে এসেছে।

    “এখানে কি করতাছেন, স্যার?”

    “এ-এই তো…খাবার খেলাম।”

    সলিম আমার দিকে তাকিয়ে রইল বিস্ফারিত চোখে। “এইটা তো বন্ধ, খাইলেন কেমনে?!”

    পেছনে ফিরে দেখি, সাইনটা জ্বলছে না। জীর্ণ একটি স্থাপনা দাঁড়িয়ে আছে। দরজা-জানালা ভাঙা।

    চুপচাপ গাড়িতে গিয়ে বসে পড়লাম। ড্রাইভার একটা এফএম রেডিও অন করতেই এক তরুণী আরজে বলে উঠল :

    “আজ ২২শে শ্রাবণ…কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়াণ দিবস…”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইনফার্নো – ড্যান ব্রাউন
    Next Article রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }