Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. শেষ থার্টিফার্স্ট

    শেষ থার্টিফার্স্ট

    বেঁচে থাকতে হলে খুন করতে হয়। তাবৎ প্রাণীকূলের দিকে তাকালে এই সত্যটা আরও বেশি করে চোখে পড়ে।

    নিজেকে আরও একবার আশ্বস্ত করলো আহাব। আর মাত্র একটি খুন তাকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে আরও এক শতাব্দী!

    কোমরে হাত বুলিয়ে স্মার্ট-গ্নকটা আরও একবার টের পেলো সে। কখনও ভাবেনি এরকম জিনিস সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়াবে। অথচ আজ তিনদিন ধরে জিনিসটা তার সার্বক্ষণিক সঙ্গি। প্রথম দিনেই প্রথম খুনটা করতে পেরেছিল-পরিত্যক্ত সংসদ ভবন এলাকায় এক ভবঘুরে ছিল লোকটা। ভেবেছিল বাকি দু-দিনে অনায়াসে খুঁজে পাবে আরেকজনকে, কিন্তু গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত শত শত মানুষজনকে টার্গেট করলেও সবগুলোই বাতিল করা হয়েছে। হয় তারা ফাউন্ডেশনের ক্লায়েন্ট, নয়তো ক্লায়েন্টের পরিবার-পরিজন।

    একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো তার ভেতর থেকে। আকাশের দিকে মুখ তুলে তাকালো। রাতের কালো আকাশ ফ্যাকাশে করে দিয়েছে ঢাকা শহরের শতসহস্র হলোগ্রাফিক প্রজেকশন। তবে সে নিশ্চিত, আকাশজুড়ে তারার মেলা আছে। আরও আছে পুলিশের সার্ভিলেন্স ড্রোন। বহুকাল আগেই টহল পুলিশ উঠে গেছে। হাজার হাজার ড্রোন এখন পৃথিবীর শহরময় উড়ে বেড়ায়। তীক্ষ্ণ নজরদারি করে জনগণের উপর। পুব আকাশের বিশাল হলোগ্রাফিক ঘড়িটা রাতের আকাশে জ্বল জ্বল করে একটা সংখ্যা দেখাচ্ছে :

    ২০৯৯

    আর মাত্র এক ঘণ্টা পরই সংখ্যাটি বদলে যাবে, পৃথিবী প্রবেশ করবে নতুন শতকে। সেই সাথে কি শেষ হয়ে যাবে তার দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার পাগলামিটাও?

    আবারও হাঁটতে শুরু করলো আহাব। দুদিন ধরে তার চোখ টার্গেট খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তার সমবয়সি যার দিকেই ফোকাস করেছে কয়েক সেকেন্ড পর চোখের সামনে ভেসে উঠেছে একটি অসহ্যবাক্য : যোগ্য টার্গেট নয়।

    ঠিক তার সমবয়সি আরেকজনকে খুঁজে বের করতে হবে। সমলিঙ্গেরও হতে হবে। থার্টিফাস্ট নাইটে শহরের এই প্রাণকেন্দ্রে জড়ো হওয়া প্রচুর মানুষজনের ভেতর থেকে এমন একজন মানুষ অনায়াসে বেছে নিতে পারবে সে-একটু আগে তাকে এমনটাই বলা হয়েছে ফাউন্ডেশন থেকে। ইদানিং এত মানুষ ফাউন্ডেশনের দ্বারস্থ হচ্ছে বলে অবাকই হলো সে। সারা দুনিয়ার কেউ বুঝি বাকি নেই। তাহলে গুজবটাই সত্যি। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই ফাউন্ডেশন নীরবে কাজ করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। মানুষের আয়ুষ্কাল তিনগুণ বাড়িয়ে দেবার কাজটি নাকি বেশ সফলভাবেই করতে পারে তারা। তবে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি পায় না বলে আন্ডারগ্রাউন্ডে কাজ করে।

    নিজেদের ক্লায়েন্টের ব্যাপারে ফাউন্ডেশন বেশ দায়িত্বশীল। নানা রকম শর্ত জুড়ে দেয় তারা-শিশু, বিপরীতলিঙ্গ, ক্লায়েন্ট, ক্লায়েন্টর পোষ্য আর সমাজে অত্যধিক মেধাবি হিসেবে পরিচিত ব্লু-কার্ডধারীদের কোনোভাবেই টার্গেট করা যাবে না। এ কারণে চারপাশে অসংখ্য মানুষজন থাকলেও আহাবের পক্ষে হুট করে স্মার্ট-গ্লকটা ব্যবহার করা হয়ে উঠছে না। অথচ প্রথম যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফাউন্ডেশনের সাথে যোগাযোগ করবে তখন ভাবতেও পারেনি কাজটা তার জন্যে কতোটা কঠিন হতে পারে।

    ফাউন্ডেশনের কাজকারবার সম্পর্কে একটা গুঞ্জন অনেকদিন ধরেই শুনে আসছিল কিন্তু ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড-ওয়েবে তাদের কোনো টিকিটাও খুঁজে পায়নি। অবশেষে তার বন্ধু সঞ্জয় জানায়, ফাউন্ডেশন যেহেতু বেআইনি একটি প্রতিষ্ঠান তাই সরকারের কোপানল থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য ডার্ক-ওয়েব ছাড়া আর কোথাও তাদেরকে পাওয়া যাবে না। তো ডার্কওয়েব জিনিসটাও তো গোপন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই ওটা পৃথিবীর সবগুলো সরকারের কড়া নজরদারির মধ্যেও টিকে আছে। দিন দিন ভীষণ জনপ্রিয়ও হয়ে উঠছে। সব ধরণের বেআইনি জিনিস আর সেবা পাওয়া যায় ওখানে। সরকারগুলো ডার্ক-ওয়েবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও দিন দিন সেইসব পদক্ষেপ দুর্বল হয়ে পড়ছে। তারা এখন ব্যস্ত হলিয়েনদের নিয়ে। কিভাবে তাদেরকে চিহ্নিত করবে, বিতাড়িত করবে, সেটা মস্ত বড় এক প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। হলিয়েনরা নাকি ধীরে ধীরে সমগ্র পৃথিবী গ্রাস করে নেবার দুরভিসন্ধি করছে!

    আহাব জানে, সারা বিশ্বের রাজনীতিকেরাই নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এমন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব কপচায়, আর জনগণের বিরাট অংশ এটা বিশ্বাসও করে। অথচ আজ থেকে ষাটবছর আগে যখন মঙ্গলগ্রহে অনুজীবের উপস্থিতির প্রমাণ পেলো সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা তখন আনন্দে মেতে উঠেছিল। তারা ধারণা করেছিল, নিকট ভবিষ্যতে বৰ্হিজীবদের সাথে কন্ট্যাক্ট করতে সক্ষম হবে মানুষ, আর সেটাই হয়েছিল দশ বছর পর দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে পৃথিবীর মানুষ অপার্থিব জীবদের দেখা পায়। অবাক করা বিষয় হলো, শত বছরের হাজার হাজার কল্পকাহিনীতে বর্ণিত অদ্ভুত, কিম্ভুতকিমাকার কোন প্রাণী নয়, পৃথিবীতে পা রাখে মানুষসদৃশ বহির্জীবেরা। দেখতে হুবহু মানুষের মতো এইসব অপার্থিব প্রাণী বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল, কিন্তু এরপরই তাদের পথ ধরে চলে এলো হলিয়েনরা। দেখতে মানুষের মতো হলে কী হবে, প্রচণ্ড শত্রুভাবাপন্ন এইসব বৰ্হিজীব শুরু থেকেই মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে ইচ্ছুক ছিল না। সেজন্যেই মানুষজন তাদেরকে ‘হস্টাইল-এলিয়েন’ নামে ডাকতে আরম্ভ করে। কালক্রমে সংক্ষিপ্ত হয়ে হলিয়েন শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে যায়। আজকাল মা বাবারা সন্তানদেরকে হলিয়েনের গল্প শুনিয়ে ভয় দেখায়, ঘুম পাড়ায়। প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় হলিয়েন ধরা পড়ে। তাদেরকে অবৈধভাবে পৃথিবীতে থাকার জন্য বিচারও করা হয়, কিন্তু ফৌজদারি কোন মামলায় জড়ানো যায় না। এর কারণ জন্মগতভাবে খুন করার মতো নার্ভ নিয়ে জন্মায় না হলিয়েনরা। মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমত্তা থাকলে কী হবে, এই একটা জায়গায় ভীষণ দুর্বল তারা। মানুষের সাথে কোনরকম যুদ্ধে না জড়িয়ে তারা মিশে যাবার চেষ্টা করে। আর মানুষের মতো দেখতে বলে খুব সহজে তাদেরকে চিহ্নিতও করা যায় না। এর ফলে সারা পৃথিবীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে তারা। বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে পৃথিবীর সরকারগুলো তাদেরকে চিহ্নিত করার কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছে। মানুষের তৈরি অত্যাধুনিক রাডার ফাঁকি দিয়ে সবার অলক্ষ্যে প্রতিদিন শত শত হলিয়েন শিপ অবতরণ করে পৃথিবীর নানা প্রান্তে। মানুষজন থেকে হলিয়েনদের খুঁজে বের করাটা তাই খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। গুজব আছে, সরকারের ভেতরেই নাকি ঘাপটি মেরে আছে অসংখ্য হলিয়েন! আর মিডিয়ার প্রায় পুরোটাই দখল করে নিয়েছে তারা।

    যা হোক, এইসব অপার্থিব-মানবদের বিরুদ্ধে অভিযানে ব্যস্ত থাকলেও পৃথিবীর প্রগতি থেমে থাকেনি। বরং ধৃত হলিয়েনদের কাছ থেকে তাদের উন্নত প্রযুক্তি আর বিজ্ঞান ব্যবহার করে দিন দিন মানবসভ্যতা উন্নতির শিখরে উঠে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা ল্যাবরেটরিতে গবেষণা করে দেখেছে, একজন মানুষের সাথে আরেকজন মানুষের সর্বোচ্চ জেনেটিক্যালি প্রভেদ হচ্ছে ০.১%, আর মানুষের সাথে শিম্পাঞ্জির প্রভেদ মাত্র ১.২%। সেদিক থেকে দেখলে হলিয়েনরা বেশ এগিয়ে আছে। মানুষের চেয়ে তারা ২.৫৬% উন্নত। সংখ্যাটা সাধারণ মানুষের কাছে নেহায়েত কম মনে হলেও বিজ্ঞানীদের কাছে এটা রীতিমতো মাউন্ট এভারেস্টতুল্য পার্থক্য। ধৃত হলিয়েনদের ইন্টেরোগেট করে তাদের অগ্রসর চিন্তাভাবনা জেনে নেয় মানুষ। হলিয়েনদের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে বিরাট বড় বড় আবিষ্কারও করা হয়েছে। ক্যান্সার বলে কিছু নেই এখন। এইডস রোগ হয়ে গেছে সর্দি কাশির মতো সাময়িক ভোগান্তি। অঙ্গহানি নিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তার দিন শেষ হয়েছে আরও দশ বছর আগেই। কেটে যাওয়া অঙ্গ ধীরে ধীরে গজাতে শুরু করে এখন। দৃষ্টিশক্তি হারানোর ভয় চলে গেলেও প্রচুর মানুষ চশমা নামক বস্তুটা আঁকড়ে আছে, কারণ স্মার্ট-গ্লাস জীবনযাত্রার অনেক কিছুই সহজ করে দিয়েছে।

    এরকম উল্লম্ফন যখন চলছে তখন ‘ফাউন্ডেশন’ নামের একটি গুপ্তসংস্থার কথা শোনা যেতে শুরু করে। তারা নাকি হলিয়েনদের কাছ থেকে বহুল কাঙ্খিত অমৃতের সন্ধান পেয়ে গেছে। মানুষকে পুরোপুরি অমর করতে না পারলেও বেঁচে থাকার আয়ু প্রায় তিনগুন করার কাজটি সফলভাবে করতে সক্ষম এখন। তারা এমনও দাবি করছে, আজ যে মানুষটি তাদের অমৃতের স্বাদ নেবে সে তার জীবনকালের দুই তৃতীয়াংশ শেষ করার আগেই ফাউন্ডেশন তাদের দীর্ঘায়ুর প্রযুক্তির আরও উল্কর্ষ সাধন করতে সক্ষম হবে। তখন হয়তো দ্বিতীয়বারের মতো অমৃতের সেবা পেয়ে মানুষ আরও একবার নিজেদের আয়ুষ্কাল কয়েকগুন বাড়িয়ে নিতে পারবে। এভাবে চলতে থাকলে অমরত্বের দেখা পাওয়াটা অসম্ভব কিছু হবে না।

    তো, অনেক কষ্টে ফাউন্ডেশনের সাথে যোগাযোগ করার পর আহাব খুব অবাক হয়ে গেছিল। কাজটা এত সহজে হয়ে যাবে ভাবতেও পারেনি। একদম বিনা-খরচে নির্বাচিত কিছু মানুষ এ সেবা পাবে যদি তারা ফাউন্ডেশনের অদ্ভুত আর যৌক্তিক শর্তটা মেনে নেয়।

    তুমি তিনগুণ সময় বাঁচতে চাও, ভালো কথা, কিন্তু পৃথিবীর রিসোর্স খুবই সীমিত। লক্ষকোটি মানুষ তিন-চারগুণ আয়ু নিয়ে বেঁচে থাকলে সমগ্র পৃথিবীর রিসোর্সের উপরে বিরাট প্রভাব ফেলবে, সুতরাং তিনগুণ আয়ু চাইলে কমপক্ষে দু-জন মানুষকে সরিয়ে দিতে হবে দুনিয়া থেকে। আর কাজটা করতে হবে তোমাকেই।

    সহজ সমাধান। একদম যৌক্তিক। অন্তত ফাউন্ডেশনের মোটিভেশন ক্লাস করার সময় তেমনটাই মনে হয়েছিল তার। কিন্তু দু-দুটো খন করা এখন আর সহজ কোন কাজ বলে মনে হচ্ছে না, বিশেষ করে ফাউন্ডেশনের ক্লায়েন্টের সংখ্যা যখন হু হু করে বেড়ে চলেছে। এই দুই দশকে তারা ঠিক

    কী পরিমাণ মানুষকে এই সেবা দিয়েছে সেটা জানা না গেলেও আহাব এখন। বুঝতে পারছে, সংখ্যাটা গুজবের চেয়ে অনেক অনেক বেশিই হবে। এই বাংলাদেশেও যে তাদের এত ক্লায়েন্ট থাকতে পারে তার জানা ছিল না। তার নাকের উপরে চেপে বসা চশমাসদৃশ স্মার্ট-গ্লাস প্রতিটি টার্গেটের ফেসিয়াল রিকগনিশন করে ফাউন্ডেশনে পাঠিয়ে দিচ্ছে, আর সেখান থেকে তাকে অবিরাম জানানো হচ্ছে, টার্গেটকে ‘ইগনোর করার জন্য। এভাবে শত শত টার্গেট ইগনোর করা হয়েছে বিগত দু-দিনে। যোগ্য টার্গেট দেখা পাওয়ামাত্রই তার চোখে ভেসে উঠবে ‘গো’ লেখাটা। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে স্মার্ট-গ্লক। তারপর টার্গেটের দিকে সেটা তাক করে শুধু ট্রিগার চেপে দিলেই হবে-এমন ইস্ট্রাকশনই সবাইকে দেয়া হয়।

    কিন্তু আহাব এখন বুঝতে পারছে, এই মিশনে ব্যর্থ হবে সে। দুনিয়া ভরে গেছে ফাউন্ডেশনের ক্লায়েন্ট আর তাদের পোষ্যদের দিয়ে।

    এটা কীভাবে সম্ভব? এত ক্লায়েন্ট তো হবার কথা নয়। তাহলে পৃথিবীর সীমিত রিসোর্সের উপরে ভীষণ চাপ পড়বে না? মোটিভেশন ক্লাসের কথাগুলো মনে পড়ে গেল তার। ফাউন্ডেশনের কথা আর কাজে মিল পাচ্ছে না।

    এ নিয়ে ভাবতে ভাবতে উত্তরার পুরনো এয়ারপোর্টের কাছে চলে এলো। জায়গাটা এখন সুবিশাল একটি স্কয়ার। সেই স্কয়ারের চারপাশে তৈরি করা হয়েছে নতুন চারটি উপ-শহর। দূর থেকে দেখতে পাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে স্কয়ারে। আর মাত্র কিছুক্ষণ পরই নতুন শতকের আগমণ উদযাপন করবে তারা।

    এমন সময় তার মাথার ভেতরে একটা কণ্ঠস্বর বলে উঠল :

    মনে হচ্ছে না তুমি সফল হবে। সময় কিন্তু ফুরিয়ে যাচ্ছে।

    আহাব বুঝতে পারলো ফাউন্ডেশনের সেই লোকটি তাকে কল করেছে। তার নিউরো-ফোনে। মস্তিষ্কে ছোট্ট একটি চিপসের মাধ্যমে ইস্প্যান্ট করা এটি, মুখ ফুটে কিছু না বলেই কথাবার্তা চালিয়ে নেয়া যায়।

    হুম। মনে হচ্ছে আমার কপাল খারাপ।

    এখনও হাতে কিছুটা সময় আছে। তুমি চাইলে আমরা তোমাকে সাহায্য করতে পারি।

    কিভাবে?

    শর্তগুলো শিথিল করে দিতে পারি তোমার জন্য। আমরা চাই না আমাদের কোন ক্লায়েন্ট ব্যর্থ হোক। এখন যেকোন একজন হলেই হবে। লিঙ্গ-বয়সের কোন বাধা নেই।

    একটু ভাবলো আহাব।

    ভাবার মতো সময় নেই তোমার কাছে।

    আহাব জানে, এর অর্থ নারী-শিশু কিংবা যেকোন বয়সি টার্গেট হলেই হবে। দ্বিধা এসে ভর করলেও সে রাজি হয়ে গেল। তাকে বাঁচতে হবে। অনেক বছর!

    বুদ্ধিমানের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এগিয়ে যাও তাহলে। সময় নষ্ট কোরো না।

    কণ্ঠটা উধাও হয়ে গেল। আহাব কথামতোই এগিয়ে যেতে শুরু করলো স্কয়ারের দিকে, কিন্তু নতুন একটি দ্বিধা ভর করলো তার মধ্যে। ফাউন্ডেশন শর্ত শিথিল করে দিয়েছে-কিন্তু কেন? কোথায় গেল তাদের সেইসব নীতিবাক্য? মোটিভেশন!

    স্মার্টগ্লাসের ভেতর দিয়ে এক যুবকের দিকে নজর দিতেই তার চোখের সামনে ভেসে উঠল কাঙ্খিত সেই লেখাটি : যোগ্য টার্গেট!

    তার সমবয়সি চশমা পরা এক যুবক পথের পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে সামনের স্কয়ারটা দেখছে। সেই যুবকের পেছনে, কয়েক হাত দূরে এসেই থমকে গেল আহাব।

    ফেশিয়াল রিকগনিশন ছাড়াই টার্গেট বেছে নেয়া হয়েছে!

    শর্ত শিথিলের নমুনা? কিন্তু এটা কী করে সম্ভব? এই যুবক। ফাউন্ডেশনের ক্লায়েন্ট কি না সেটা তো নিশ্চিত হতে হবে, নাকি?

    আহাব টের পেল তার কোমরে থাকা স্মার্ট-কটা অ্যাক্টিভেট হয়ে গেছে, কিন্তু সেটা হাতে তুলে নিলো না। ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্য নিয়ে তার মনে সংশয় তৈরি হয়েছে, তা-ও আবার শেষ মুহূর্তে এসে। সময় ঘনিয়ে আসছে। নতুন বছর, নতুন আয়ুষ্কাল। আর মাত্র এক ক্লিক দূরে!

    হঠাৎ তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবক ঘুরে দাঁড়ালো। স্মার্টগ্লাসের ভেতর দিয়ে তীক্ষ্ণচোখে তাকালো সে। আহাব কিছু বুঝে ওঠার আগেই কোমর থেকে একটা স্মার্ট-গ্লক বের করে নিলো যুবক।

    “আমরা বিরাট বড় ভুল করে ফেলেছি,” আহাব বলল।

    সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালো যুবক। তার গ্লকটা উঠে আসছে।

    “ফাউন্ডেশন!…ওটা…” গলা ধরে এলো তার।

    “ফাউন্ডেশন কি…?” যুবকের ভুরু কুঁচকে গেল।

    “স-সব ভুল! ওরা আমাদের সবাইকে শেষ করে দেবে!”

    “কাদের কথা বলছো?”

    “মানুষ! ওরা একটা মানুষও রাখবে না।” আহাবের ভাবনা খুব দ্রুত খেলে যাচ্ছে এখন। সবটাই বুঝতে পারছে বিদ্যুৎগতিতে।

    গ্লক ধরা যুবক বুঝতে না পেরে চেয়ে রইলো কয়েক মুহূর্ত।

    “ক্লায়েন্ট ক্লায়েন্টকে টার্গেট করতে পারে না! কিন্তু সেটাই হচ্ছে এখন! বুঝতে পারছো?”

    যুবকের মধ্যে দ্বিধা দেখা গেল। “শর্ত শিথিল করা হয়েছে…যে কেউ হলেই-”

    “হ্যা!” কথার মাঝখানেই বলল আহাব। “জানি! কিন্তু কেন? ক্লায়েন্ট যদি ক্লায়েন্টকে হত্যা করে তবে বেঁচে থাকবে কে?”

    যুবক ধন্দে পড়ে গেল।

    “ফাউন্ডেশনের কোন ক্লায়েন্টই নিরাপদ নয়! বুঝতে পারছো?” দাঁতে দাঁত পিষে বলল সে। “ওরা মানুষ না!”

    “মানুষ না?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলো আহাব। “ওরা হলিয়েন! আমি নিশ্চিত।”

    “হলিয়েন?” যুবক যেন বিশ্বাসই করতে পারছে না।

    “ফাউন্ডেশন…অমরত্ব…আসলে সবটাই ভাওতাবাজি!”

    যুবক দ্রুত ভেবে যাচ্ছে, ভাঁজ পড়ছে তার মসৃণ কপালে।

    “আমরা সবাই ফাঁদে পড়ে গেছি। পৃথিবী ছেয়ে গেছে হলিয়েনে। খুব কম মানুষই আছে এখন!” উদভ্রান্তের মতো বলে গেল কথাগুলো।

    “পাগল!” যুবক বলে উঠল। “তুমি আমার সাথে চালাকি করছো। কিন্তু কোন লাভ নেই। আমি এখনই তোমাকে”।

    “আমি কীভাবে চালাকি করলাম! আমি তো আমার গ্লকটা হাতেই নেইনি। ইচ্ছে করলে তোমাকে পেছন থেকে খুব সহজেই শেষ করে দিতে পারতাম। পারতাম না?”

    যুবক ঢোক গিলল।

    “কিন্তু আমি সেটা করিনি। শেষ মুহূর্তে আমি ফাউন্ডেশনের শয়তানিটা ধরে ফেলেছি।”

    “তুমি যা বলছে তার কী প্রমাণ আছে?”

    “প্রমাণ! এই যে তুমি-আমি! আমরা দুজনেই ফাউন্ডেশনের ক্লায়েন্ট। আমরা দুজনেই আবার টার্গেট!”

    যুবক নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরলো।

    “আমার আর মাত্র একটা টার্গেট হলেই হয়ে যেত কিন্তু আমি বুঝে গেছি…আমি আর এর মধ্যে নেই।”

    “আমারও একটা টার্গেট বাকি…তুমি হতে পারো আমার সেই দুর্লভ শিকার।”

    “আর তোমরা হতে পারো আমার বাকি দুটো শিকার!”

    নতুন একটা কণ্ঠ শুনে আহাব আর যুবক ফিরে তাকালো। তাদের থেকে কয়েক হাত দূরে, ডানদিকে গ্লুক তাক করে দাঁড়িয়ে আছে আরেক যুবক। কখন এসে দাঁড়িয়েছে টেরই পায়নি। সেই যুবকের মুখে বিজয়ির হাসি।

    দু-জন গ্লকধারী যুবকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে আহাব। কিন্তু সে নিরস্ত্র। কোমর থেকে গ্লকটা তুলে নেবার কথা চিন্তাও করছে না এখন।

    “ফাউন্ডেশন আমাদের সবাইকে ফাঁদে ফেলে দিয়েছে!” কেবল এটাই বলতে পারলো সে। একদম শান্ত ভঙ্গিতে। নতুন যুবককে বোঝানোর মতো সময় পাবে কি না জানে না। “অমরত্বের ফাঁদে!”

    সঙ্গে সঙ্গে স্কয়ার থেকে হৈহট্টগোল শোনা গেল। তারা তিনজনেই ফিরে তাকালো সেদিকে। শত শত, হাজার হাজার মানুষ মুখ তুলে তাকিয়ে আছে পুব-আকাশের দিকে। বিশাল হলোগ্রাফিক ঘড়িটা কাউন্টডাউন শুরু করে দিয়েছে।

    ১০…

    ৯…

    “ফাউন্ডেশন…আসলে ওটা হলিয়েনরা চালায়!” বেশ শান্তকণ্ঠে, পরাজিত সৈনিকের মতো কথাটা বলল আহাব। ভালো করেই জানে, দু-জন যুবকের মধ্যে সর্বোচ্চ একজন তার কথাটা বিশ্বাস করবে।

    “হা-হা-হা!” অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল তৃতীয় যুবক। “মৃত্যুমুখে দাঁড়িয়ে মানুষ কতোেরকমই না চালাকি করে!”

    “মৃত্যুমুখে তো তুমিও দাঁড়িয়ে আছো!” প্রথম যুবক তার গ্লকটা নেড়ে বলল।

    হাসি থেমে গেল সেই যুবকের। তার চোখে ভীষণ তাড়া। পুব আকাশের দিকে তাকালো চকিতে।

    আহাব জানে, এখনই ক্লিক করে শব্দটা হবে। কমপক্ষে দুটো। কিংবা তারচেয়েও বেশি।

    সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার পটকা আর আতসবাজির শব্দে প্রকম্পিত হলো পুরো স্কয়ারটি। আহাব বুঝতে পারলো না তার দু-পাশ থেকে ক্লিক করে কোন শব্দ হয়েছে কিনা। সে জানে, স্মার্ট-গ্লকে যে বুলেট ব্যবহার করা হয় সেটা কোন রকম মৃত্যুযন্ত্রনা দেয় না, আস্তে করে ঘুমে ঢলে পড়ে মানুষ।

    ঢলে পড়ার আগে পুব আকাশের দিকে তাকালো সে।

    সেখানে কিছু নেই। কালো। অন্ধকার। জান্তব উল্লাস, আতসবাজি আর পটকার শব্দ হচ্ছে।

    তারপরই কয়েকটি হলোগ্রাফিক সংখ্যা ভেসে উঠল।

    ০০০০

    নতুন যুগের সূচনা হলো এইমাত্র। কিন্তু সেটা মানুষের যুগ নয়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইনফার্নো – ড্যান ব্রাউন
    Next Article রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }