Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. ছিট ফিরোজের বিবাহসক্রান্ত জটিলতার উপাখ্যান

    ছিট ফিরোজের বিবাহসক্রান্ত জটিলতার উপাখ্যান

    বালপ্রাপ্ত হবার পর দক্ষিণ মৈষণ্ডির ছেলেপেলেদের জন্য একটি অঘোষিত কর্মকাণ্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে ছিট ফিরোজকে বহুল চর্চিত সেই প্রশ্নটি করা। কিংবা বলা যেতে পারে, ছিট ফিরোজ নামে পঞ্চাশোর্ধ চিরকুমার লোকটিকে ঐ প্রশ্ন করার মধ্য দিয়ে এই মহল্লার ছেলেপেলেরা যেন জানান দিয়ে দেয় তারা বালপ্রাপ্ত হয়ে গেছে।

    একটু আগে এ গলি থেকে ও গলিতে যাবার সময়ও দেখেছি সদ্য গোঁফ ওঠা ছেলেছোকরাদের তিন-চারজনের একটি দল ঘিরে আছে ছিট ফিরোজকে। ছেলেগুলো কী জানতে চাইছে সেটা শোনার জন্য আমাকে পকেট থেকে মোবাইলফোন বের করে কারোর সাথে কথা বলার ভান করতে হয়নি। কিংবা একটু দূর থেকে কান খাড়া করে তাদের কথোপকথনও শোনার দরকার পড়েনি। তারা কী বলবে আর ছিট ফিরোজ কী জবাব দেবে আমি জানি-এ কথা ও কথা বলার পর ছেলেদের মধ্য থেকে একজন ছিট ফিরোজকে কোন প্রশ্নটা করবে সেটা কল্পনা করতে আমার একটুও বেগ পেতে হয় না এখন :

    “আচ্ছা আঙ্কেল, আপনে বিয়া করলেন না কেলা?”

    ভালো করেই জানি, ফিরোজ ছেলেগুলোর মুখের দিকে তাকিয়ে এমন ভঙ্গি করবে যেন মনে মনে একটা কথাই আওড়াচ্ছে সে : হালারপো, তর বাপেরে আমি মামু কইয়া ডাকি! তবে চোখেমুখে আক্ষেপ নিয়ে সব সময়ই বলবে : “আরে মিয়া, কেমনে বিয়া করুম! এই মহল্লার লাইগ্যা আমার কপালে বিয়া জুটলো না!” এভাবেই শুরু করবে সে।

    “কেলা, এই মহল্লায় কী করছে?”

    ফিরোজকে ঘিরে থাকা ছেলেগুলোর মধ্য থেকে একজন এই প্রশ্নটা করবে, আর তখন প্রশ্নকারিসহ বাকিদের চোখেমুখে থাকবে মহল্লার অনুভূতিতে আঘাত লাগার স্পষ্ট অভিব্যক্তি।

    “কী করে নাইক্কা তাই কও!” আরও আক্ষেপ ঝরিয়ে বলবে ফিরোজ।

    “বিয়া করবেন আপনে…মহল্লার কী?” কোনো একজন জানতে চাইবে। বাকিরা নির্ঘাত মাথা নেড়ে সায় দেবে তখন। তাদের মধ্যে অন্য আরেকজন হয়তো বলবে : “সুন্দর-মুন্দর দেইখ্যা একটা মাইয়া পছন্দ কইরা বিয়া কইরা ফালাইতেন…কুন হালায় কী করতো?”

    “ওই মিয়া, আমি কি তোমগো মতোন পেরেম-পিরিতি করনের পোলা?” ফিরোজ অনেকটা তেঁতে উঠে বলবে।

    “পেরেম করা কি গুনাহূনি? কত্তো মানুষ করতাছে।” এ কথা বলার মতো একাধিক ছেলে সব সময়ই থাকবে ফিরোজের আশেপাশে।

    “আহা, গুনাহ অইবো কেলা…মাগার আমি তো এইসব করার পোলা না। ছাদে গিয়া, স্কুলের সামনে খাড়াইয়া মাইয়াগো লগে টাঙ্কি মারছিনি জীবনে?”

    এ কথার পর সবাই একযোগে মাথা নেড়ে জানাবে, আসলেই ছিট ফিরোজকে এসব কাজ করতে দেখেনি কেউ।

    “শিক্ষিত্ পোলাপাইনের মতো ছেরিগো লগে পড়ালেখাও তো করি নাইক্কা।”

    ছিট ফিরোজের স্কুলজীবন যে খুবই সংক্ষিপ্ত সেটা দক্ষিণ মৈষণ্ডি কেন, ধোলাইখাল থেকে শুরু করে নারিন্দার মানুষও জানে।

    এরপর ফিরোজ কী বলে তা শোনার জন্য সবাই অপেক্ষা করবে।

    “কুনো ছেরিরে চক্করে ফালানোর মতো পোলা কি আমি?” বুকে একটা চাপড় মেরে বলবে ফিরোজ। “পেরেম-পিরিতি করনের টাইম আছিলনি আমার?”

    ছেলেছোকরারা তখন প্রতিবাদ করে উঠবে। “আরে, পেরেম ছাড়া কি কেউ বিয়া করে না?”

    তখন অন্য একজন বলবে, “আপনের বাপে, আমার বাপে যেমনে করছে তেমনে করতেন?”

    তারপর হয়তো এমন কথাও শোনা যাবে, “আপনের বাড়ির লোকজন ঘটক লাগায়া দিতো…কত্তো মাইয়ার খোঁজ দিতো ঐ হালায় ঘটক।”

    “হ, আলী হোসেন ঘটক তো আপনের কিমুনজানি ফুপা অয়…” এ কথা যোগ করতেও কেউ ভুল করবে না। দক্ষিণ মৈষণ্ডির ঘটক মাইগা আলী হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই বিয়েশাদি করিয়ে যাচ্ছে। “হেরে কামে লাগায়া দিতেন?”

    “কী কও না কও…যেইটা জানো না ওইটা লইয়া কথা কইবা না। আমার বাড়ির লোকজন হোগার কাপড় মাথায় উঠায়া মাইয়া খুঁজছে! ওই মাইগা আলী হোসেনূরেভি কামে লাইগাইছিল…”

    “তাইলে?” ছেলেছোকরাদের একজন বলবে তখন।

    “আবার কী! আমার মায়েরা-বইনেরা সুন্দর, আদব-লেহাজ জানা ভালা বংশের কতো মাইয়া পসন্দ করছে…হাজার-হাজার মাইয়া দেখছে…দেখতে দেখতে ঢাকা খালি কইরা ফালাইছে…ঢাকার বাইরেভি দেখছে!”

    কথা সত্য। মহল্লার সবাই তা জানে। তাকে ঘিরে থাকা ছেলেছোকরারাও জানে, যদিও তাদের অনেকের জন্মের আগের ঘটনা এটি। তাদের চোখেমুখে তখন চাপা হাসি থাকবে। কেউ কেউ মুখ টিপে হেসেও দিতে পারে। কারণ দক্ষিণ মৈষণ্ডি মহল্লায় একটি গল্প বেশ মুখে মুখে ফেরে : এই ছিট ফিরোজ মাত্র বাইশ বছর বয়সে পাত্রি দেখা শুরু করেছিল। তার বয়স যখন তেতাল্লিশ তখন নরসিংদীর এক গ্রামে মেয়ে দেখতে গিয়ে ফিরোজ আর তার পরিবারের লোকজন বিরাট এক লজ্জার মুখে পড়ে যায়। মেয়ের মা নাকি ফিরোজকে দেখামাত্রই কপালে চোখ তুলে বলেছিল-”হায়। আল্লাহ! এই ব্যাটা তো আমারেও দেখতে আসছিল!” এই ঘটনার পর লজ্জায় অপমানে মেয়ে দেখা বাদ দিয়ে দেয় ছিট ফিরোজ।

    “এত মাইয়া দেখলেন…তাইলে বিয়া অইলো না ক্যান, আঙ্কেল?” এই ন্যায্য প্রশ্নটি যে-কেউ করবে তাকে।

    “আরে, অইবো কেমতে! মাইয়া পাইছে আর গ্যাছে! কাহিনী ঐহানেই শ্যাষ!” চোখেমুখে তিক্ত ভাব এনে জানাবে ফিরোজ।

    “বুঝলাম না?” কোনো একজন বলবে তখন।

    “মনে করো, আমার মায়েরা-বইনেরা একটা আদব-লেহাজজানা সিজিল মাইয়া পসন্দ করলো, হের পর মাইয়ার বাপ-ভায়েরা কি জামাইর খোঁজ-খবর লইবো না? নাকি খুশিতে দাঁত বাইর কইরা পাছা খাওজ্যাইতে খাওজ্যাইতে কইবো, ‘হ, আমরা রাজি! এক্ষনই এক কাপড়ে মাইয়া লইয়া বাড়িত যানগিয়া! “।

    “এইটা ক্যান কইবো! পোলার ব্যাপারে এটু খোঁজখবর নিবো তো।”

    “হ, নিবো না? আজিব! আমার বইনের বিয়ার সম্বন্ধ আইলে আমিও ঐপোলার চৌদ্দগুষ্টির হিস্টোরি বাইর কইরা ফালাইতাম।” ফিরোজ বলবে তখন। “পোলায় কাগো লগে ওঠবস করে, কই যায় কী করে, কুনো খারাপ অভ্যাস আছে কিনা…সব জাইনা নিতাম।”

    তাকে ঘিরে ছেলেছোকরার দল অবশ্যই মাথা নেড়ে আরও একবার সায় দেবে। কারণ এরকম সময় দক্ষিণ মৈষণ্ডির কেউ ছিট ফিরোজের কথার সাথে দ্বিমত পোষণ করবে না।

    “তো, মাইয়ার বাপে-ভায়েরাভি আমার ব্যাপারে একটু খোঁজ-খবর লওনের লাইগ্যা এই মহল্লায় আইছে…এরে ওরে জিগাইছে পোলা কিমুন…স্বভাব-চরিত্র ভালানি…আয়রোজগার কিমুন করে…এইসব তো জিগাইবোই, জিগাইবো না?”

    “হ, জিগাইবো তো।”

    আমি জানি, ছিট ফিরোজ তখন একটু বিরতি দেবে, তারপর বহু পুরনো আক্ষেপের সাথে, ঠিক একই রকম পুরনো ক্ষোভ মিশিয়ে চোখমুখ খিচে বলবে, “তহন এই মহল্লার চ্যাংড়া পোলাপান কী করছে জানো?” ‘জানো’ শব্দটার উপরে সে সমস্ত ক্রোধ জড়ো করে মুখ থেকে নিঃসৃত করবে।

    “কী করছে?” ছেলেছোকরারা কখনও বলবে না, তারা এটা পিচ্চিকাল থেকেই জানে। বহুল চর্চিত গল্পটি তারা ফিরোজের মুখ থেকেই শুনতে চাইবে সব সময়।

    ছিট ফিরোজের মুখে তিক্ততা উঠে আসবে। “বালপাকনা পোলাপান ঠোঁট উল্টায়া তহন কইছে : ‘কুন ফিরোজের কথা জিগাইতাছেন? হোগা ফিরোজ, মগা ফিরোজ নাকি ছিট ফিরোজ?’”

    তাকে ঘিরে থাকা ছেলেছোকরারা এ কথা শুনে একটু মজা পাবেই পাবে। কেউ কেউ হেসেও ফেলবে। কারণ এই তিন জাতের ফিরোজের কথা শুনে মেয়েপক্ষের লোকজনের চেহারা কী রকম হতো সেটা তারা নিখুঁতভাবেই কল্পনা করে নিতে পারে। এদের মধ্যে কে যে কতো কম খারাপ, আর কাকে যে জামাই হিসেবে কোনোমতে মেনে নেয়া যায় সেটা নিয়ে মেয়ের বাপ-ভায়েরা নিশ্চয় কঠিন সঙ্কটে পড়ে যেত!

    যাইহোক, ফিরোজ তখন বলবে, “বুঝে এইবার! হোগা ফিরোজ তো পোলাপানের হোগা মাইরা ফেমাস হইছে পাকিস্তান আমল থেইক্যাই! এহন তো মামদারপোয়ে হজ্ব কইরা হাজী অয়া গ্যাছে…দিন-রাইত মাথায় টুপি লাগায়া ঘোরে…টুপি ছাড়া হাগামুতাও করে না!” কথাটা বলে চারপাশে তাকিয়ে কণ্ঠটা নিচে নামিয়ে বলবে, “মাগার পুরানা খাইসলতটা কইলাম যায় নাইক্কা…আরও দশবার হজ্ব করলেও যাইবো না…” এরপর একদলা থুতু পাশের ড্রেনে নিক্ষেপ করে বলবে, “হালায় একটা খবিস, বুঝছো?”

    ছেলেপেলেরা এ কথার সাথেও সায় দেবে। হোগা ফিরোজ নামের এক মুরুব্বি আছে এই মহল্লায়, দোলাইখালের চোরাই পার্টসের বড় ব্যবসায়ি। তার অধীনে আছে সত্তুর-আশিজনের মতো জাঁদরেল চোর। অল্পবয়সি ছেলেপেলেদের সাথে খারাপ কাজ করতে ওস্তাদ এই মুরুব্বি-কেতাবি ভাষায় যাকে পেডেরাস্ট বলে। দক্ষিণ মৈষণ্ডির অলিগলি থেকে শুরু করে দোলাইখালে একটা গল্প চড়ে বেড়ায়-এই ফিরোজ এখনও তার অধীনে থাকা পিচ্চি-পাচ্চাদের ফুসলিয়ে ‘আকাম-কুকাম করে। আড়ালে আবডালে সবাই তাকে হোগা ফিরোজ বলেই ডাকে।

    “…আর মগা ফিরোজ তো পয়দাই হইছে ভ্যাবলা হইয়া…ওর কথা কী কমু!” এরপর ফিরোজ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলবে এটা।

    ডালপুরি-আলুপুরি বিক্রেতা শুক্কুর আলীর মানসিক প্রতিবন্ধি ছেলেকে দক্ষিণ মৈষণ্ডির সবাই মগা ফিরোজ বলে ডাকে। যখন তখন পাদ দেবার ব্যাপারটি বাদ দিলে তার মধ্যে আর কোনো গুণ নেই। সেই গুণও সব সময় তার ডাকে সাড়া দেয় না, সাড়া দিয়ে বসে প্রকৃতি! প্রায়শই জোর করে পাদ দিয়ে সবাইকে তাক লাগাতে গিয়ে ব্যর্থ হয় সে। এভাবে প্রায়শই প্যান্ট নষ্ট করে ফেলে।

    ফিরোজ একটি দীর্ঘ বিরতি দেবে এ সময়। টান টান উত্তেজনায় সবাই চেয়ে থাকবে তার দিকে। কেউ কোনো জবাব দেবে না। এটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, ভবিষ্যতেও দক্ষিণ মৈষণ্ডি মহল্লার ছেলেপেলেরা এমনটাই করবে।

    তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে চোখমুখ খিচে ফিরোজ বলবে, “কুনো বাপ ভাই যদি জানবার পারে পোলারে মহল্লার মাইষে ছিট কইয়া ডাকে তাইলে জিগাইবো না, ক্যান ছিট কয়?” ফিরোজের সপ্রশ্নমুখভঙ্গি তখন প্যান্টো মাইম করা শিল্পীর মতো হয়ে যাবে।

    “হ আঙ্কেল, জিগাইবোই তো।” কাচুমাচু খেয়ে কোনো একজন বলবে। কিংবা সবাই সমস্বরেও বলতে পারে কথাটা।

    তখন বামহাতটা কোমরের উপর রেখে ডানহাত শূন্যে নাচিয়ে মাথা একটু কাত করে নাটকীয় ভঙ্গি করবে ফিরোজ। “এইবার বুঝো তাইলে!” তারপর আবারও চোখেমুখে তিক্ততা এনে বলবে, “মহল্লার পোটা পোলাপাইনে রসাইয়া রসাইয়া কিস্সা হুনাইয়া দিছে তহন, আমি কতো বড় ছিট! ল্যাংটাকালে কী করছিলাম…চ্যাংড়া বয়সে কী করছি…” আক্ষেপে মাথা দোলাবে সে। “ঐ যে, খাব্বুশ শাহর লগে মারামারি করার সময় আমি যে ওর কান কামড়ায়া দিছিলাম…এইটা তো কইতো সবৃতের আগে।”

    দক্ষিণ মৈষণ্ডির এককালেরর মাস্তান হাবলা কাদিরা-যার মৃত্যুর পর পর মসজিদের ঘোষণা শুনে মহল্লার বেশিরভাগ মানুষ জানতে পেরেছিল তার পিতৃপ্রদত্ত নাম আসলে খাশ শাহ্। তো এই খাব্বুশের সাথে ফিরোজের একবার কঠিন ঝগড়া বেঁধে গেছিল। কিন্তু তার সাথে পেরে না উঠে ছিট ফিরোজ তার কান কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেছিল নরখাদকের মতো নারকীয় ভঙ্গিতে। এই কান কামড়ানোর ঘটনাটিই একমাত্র ঘটনা নয় যার কারণে তাকে স্থায়িভাবে ছিট উপাধি দিয়েছে মহল্লাবাসি।

    সবচাইতে মুখরোচক গল্পটির জন্ম আটাত্তর সালের দিকে, দেশে তখন সামরিক শাসন চলছে। কৈশরোত্তীর্ণ ফিরোজ তার বড়ভায়ের মোটরসাইকেল নিয়ে একদিন মহা আনন্দে যাচ্ছিল ভজহরি সাহা স্ট্রিটের দিকে, তখন এক পুলিশ সার্জেন্ট তার মোটরবাইক থামিয়ে লাইসেন্স আর অন্যান্য কাগজপত্র আছে কি না জানতে চায়। ফিরোজ এসব কিছুই দেখাতে পারেনি। ভাইয়ের মোটরসাইকেল মাঝেমধ্যে চালায় সে। ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবে কোত্থেকে! আর কাগজপত্র তো সব তার ভাইয়ের কাছে! এ কথা শুনে সার্জেন্ট ধরে নিয়েছিল বাইকটা সম্ভবত চোরাই। যদিও অনেক অনুনয় বিনয় করে ফিরোজ আসল সত্যটা বার বার বলে গেছে, কিন্তু কঠিন হৃদয়ের পুলিশ তাতে গলেনি। বাইকটা সিজ করে থানায় নিয়ে যাবার জন্য উদ্যত হয় সে, আর ঠিক তখনই ফিরোজ নিজের প্যান্ট আর আন্ডারওয়্যার খুলে হাঁটুর নিচে নামিয়ে দিয়ে দিগম্বর হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে সার্জেন্টের সামনে। চোখে দ্রুত অশ্রু এনে কাঁদো কাঁদো হয়ে করজোরে মাফ চাইতে শুরু করে। সার্জেন্ট বেচারা এমন আকস্মিক কাণ্ডে পুরোপুরি ভড়কে গেছিল। হতভম্ব হয়ে গুলিস্তানের কামানের মতো স্থির দাঁড়িয়েছিল কয়েক মুহূর্ত। কিন্তু পুলিশ বেচারা সম্বিত ফিরে পাবার আগেই মিলিটারির একটি জিপ এসে থামে সেখানে।

    ঘটনার পরে ফিরোজ বলেছে, দূর থেকে ঐ জিপটা আসতে দেখেই নাকি এমন কাণ্ড করার বুদ্ধি তার মাথায় এসেছিল।

    যাইহোক, ঐ জিপ থেকে নেমে এসে এক মেজরসাহেব রেগেমেগে জানতে চায়, এসব কী হচ্ছে! সার্জেন্ট কিছু বলতে যাবার আগেই ছিট ফিরোজ অশ্রুসজল চোখে মেজরকে জানায়, তার বড়ভায়ের বাইকটা শখ করে একটু চালাচ্ছিল সে, আর এই হৃদয়হীন সার্জেন্ট এরকম সামান্য অপরাধের জন্য তাকে তার এলাকায় দিগম্বর করে দাঁড় করিয়ে শাস্তি দিচ্ছে। এখন তার কী হবে! তার তো মানসম্মান সব শেষ! এই জীবনে তার আর বিয়ে হবে না!

    ফিরোজের অভিনয়ে মেজর এতটাই পটে গেছিল যে, সার্জেন্টকে উচিত শিক্ষা দিতে জিপে করে তুলে নিয়ে যায় তখনই, তবে তার আগে ফিরোজের কাছে মাফ চাইতে বাধ্য করে তাকে।

    মেজরসাহেব চলে যাবার পর ছিট ফিরোজ বিজয়ির ভঙ্গিতে প্যান্ট আর আন্ডারওয়্যার পরে ফুরফুরে মেজাজে বাইকটা নিয়ে জয়কালী মন্দিরের দিকে চলে গেলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কমপক্ষে দশ-বারোজন লোক হাসতে হাসতে একে অন্যের গায়ের উপরে গিয়ে পড়েছিল। তারাই পরবর্তি কালে ফিরোজের এই ‘ল্যাঙটা কাণ্ডের গল্পটি মহল্লায় রটিয়ে দেবার গুরু দায়িত্ব পালন করে।

    এরকম আরও অসংখ্য ঘটনা আছে তাকে ঘিরে। পোঙটা পোলাপানরা কোন পাত্রিপক্ষের কার কাছে কোন ঘটনাটি বলেছে সেটা ফিরোজ কিংবা দক্ষিণ মৈষণ্ডির কেউ জানে না। তবে তারা নিচুকণ্ঠে সতর্কভাবে আশেপাশে তাকিয়ে সবচাইতে চমকপ্রদ ঘটনাগুলোই হয়তো রসিয়ে রসিয়ে বলেছে-এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।

    “আরও কতো কী যে কইছে ক্যাঠায় জানে!” আবারও একদলা ঘৃণার থুতু পাশের ড্রেনে ফেলে বলবে তখন ফিরোজ।

    তাকে ঘিরে থাকা ছেলেপেলেরা মুখভার করে মাথা নেড়ে সায় দেবে। কারো কারো অভিনয় কাঁচা হলেও বেশিরভাগই দুর্দান্তভাবে অভিব্যক্তি দিতে পারবে একেবারে পাকা অভিনেতার মতো।

    “এই কথা হুননের পর কুনো বাপ তার মাইয়ারে আমার লগে বিয়া দিবো?”

    ফিরোজের এমন অগ্নিমূর্তি দেখে ছেলেছোকরারা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মাথা নেড়ে সায় দেবে। চেষ্টা করবে চোখেমুখে আফসোসের অভিব্যক্তি দিতে কিন্তু আমি জানি, সেটা তারা পুরোপুরি সফলভাবে করতে পারবে না। কারোর অভিনয় খুব কাঁচা হবে।

    “এর লাইগ্যাই আমার বিয়া হইলো না!” একেবারে অকৃত্রিম দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফিরোজ কথাটা বলবে। “এইবার যাও…নিজেগো কাম করো গিয়া। এইসব হুননের দরকার নাই।”

    ছেলেছোকরারা তখন পৈশাচিক আনন্দ পেয়ে একে অন্যের দিকে চোখ টিপে হাসতে হাসতে চলে যাবে শুকুর আলীর ডালপুরির দোকানে কিংবা ইজরাইল মিয়ার ঢাকা হেয়ার কাটিং সেলুনের দিকে। কখনও কখনও অন্য কোথাও যেতে পারে। সেটা কোনো ব্যাপার না। আসল ব্যাপার হলো, তারা খুব আমুদে থাকবে পরবর্তি আধঘণ্টা।

    আমি সব সময় ছিট ফিরোজকে এভাবেই বলতে দেখেছি। এখন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে চাকরি করি; সেই ক্লাস সেভেনে যখন পড়ি তখন প্রথমবার তাকে এই আখ্যানটি বলতে শুনেছিলাম। গলির মাথায় দাঁড়িয়ে আছে ফিরোজ, তাকে ঘিরে আছে কিছু বালপ্রাপ্ত ছেলেপেলে, চোখেমুখে মহাবিরক্তি থাকলেও প্রবল উৎসাহের সাথেই নিজের বিয়ে না হবার আখ্যানটি বলে যাচ্ছে সে। তার এই আখ্যানটি কখনও একনাগারে শুনিনি আমি। বার কয়েক শেষটুকু শুনেছি, কখনও শুনেছি মাঝখানের অংশ। প্রথম অংশটা হয়তো অনেক পরে শুনে থাকবো। তাতে অবশ্য বুঝতে একটুও বেগ পেতে হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ছিট ফিরোজ ঠিক একই ভঙ্গিতে, একই কায়দায় এটা বলে যাচ্ছে। কোন শব্দে কতোটা জোর দেবে, কখন বিরতি দেবে, কিংবা কোন কথাটা বলার সময় তার শারীরিক ভাষা কেমন হবে সেটা যেন যুগ যুগ ধরে হ্যামলেট চরিত্রে অভিনয় করা দক্ষ মঞ্চাভিনেতার মতোই রপ্ত করে ফেলেছে সে। তাই সব সময় চলতি পথে যেতে যেতে একটু একটু করে শুনলেও পুরো আখ্যানটি বুঝে নিতে কোনো সমস্যা হয়নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইনফার্নো – ড্যান ব্রাউন
    Next Article রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }