Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. যে কারণে লাশ ভেসে উঠতে পারে

    যে কারণে লাশ ভেসে উঠতে পারে

    প্রশ্নকর্তার দিকে ফ্যালফ্যাল চোখে চেয়ে আছে বুদ্ধ ডোম। একটু আগে তাকে কলোনির ঝুপড়ি ঘর থেকে ডেকে এনে এই মাইক্রোবাসে তোলার পর থেকেই ভয়ার্ত এক অভিব্যক্তি ম্যুরালের মতো স্থির হয়ে আছে তার চোখেমুখে। বিশ বছরের পেশাদারি জীবনে অসংখ্যবার সরকারি লোকজনদের মুখোমুখি হয়েছে, তাদের বেয়াক্কেল প্রশ্ন শুনে মনে মনে হেসেছে, গালিও দিয়েছে কিন্তু এমন প্রশ্ন কখনও শোনেনি।

    তার সামনে বসে আছে ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের এক লোক। তবে পুলিশের মতো তার সাথে যা-তা ব্যবহার করছে না। শুরু থেকেই এই লোকের ব্যবহারের মধ্যে ভদ্রগোছের কিছু একটা আছে, শুধু তুই-তোকারিটা বাদে।

    “সব লাশই পানিতে ভাসে, স্যার,” খুব আস্তে করে বললেও গাড়ির ভেতরে কথাটা জোরেই শোনালো। রাত প্রায় দেড়টা বাজে, মানুষজন তো দূরের কথা পথে নেড়িকুকুরও দেখা যাচ্ছে না।

    সরকারি লোকটি এমন বালখিল্য জবাব শুনে রেগে গেল না। গাড়িতে তোলার পর থেকেই এই ডোম ঘাবড়ে গেছে। বার বার বলেছে, সজ্ঞানে সে কোনো অপরাধ করেনি এই জীবনে। লাশ কাটাছেঁড়া করে জীবিকা অর্জন করে। খুবই তুচ্ছ একটি কাজ। অজান্তে যদি কোনো অপরাধ সে করেও থাকে তবে তার জন্য দায়ি হতে পারে তার কর্তারা। সে তো নিছক হুকুমের গোলাম।

    “তোর ভয়ের কিছু নেই,” প্রশ্নকর্তা অভয় দিলো বুদ্ধকে। “তুই খামোখা ভয় পাচ্ছিস। একটা বিপদে পড়ে তোর সাহায্য চাইছি…বুঝলি?” শেষ কথাটা ইচ্ছে করেই বলল। ডোমের মতো নগন্য লোকের কাছে একজন সরকারি তোক সাহায্য চাইছে-এটা শোনার পর এই ডোম কিছুটা স্বাভাবিক হবে। মানুষ যখন নিজের গুরুত্ব বুঝতে পারে তখন সে কিছুটা আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।

    কিন্তু বুদ্ধ ডোমের ফ্যালফ্যাল দৃষ্টি অপরিবর্তিত রইলো। অজানা এক আশংকা ঘাপটি মেরেছে তার ভেতরে।

    “উফ,” বিরক্ত হয়ে বলল সরকারি লোকটি। “এই গাড়িতে বসে থাকলে সিদ্ধ হয়ে যাবো।”

    “স্যার,” এই প্রথম গাড়ির ড্রাইভার কথা বলল পেছন ফিরে। “পার্কের ভিতরে গিয়া বসতে পারেন…ওইখানে বসার ব্যবস্থা আছে। আমি গাড়িটা ওইখানে নিয়া যাই?”

    গাড়িটা এখন দোয়েল চত্বরের কাছে তিন নেতার মাজারের সামনে।

    “এতো রাতে পার্কের গেট খোলা থাকেবে?”

    “পার্কের ভিতর যে মন্দিরটা আছে ওইটার মেইনগেট সারা রাইতই খোলা থাকে। আজেবাজে পোলাপান ওইখানে আকাম-কুকাম করে…আমাগো দেখলেই সব ফুটবো।”

    “ওকে, যাও,” হুকুম দিলো সরকারি লোকটি।

    কয়েক মুহূর্ত পরই পার্কের খোলা গেট দিয়ে ঢুকে পড়ল গাড়িটা। গেটের বেশ ভেতরে মন্দিরের সামনে কিছু ছেলেপেলে চেয়ারে বসে আড্ডা দিচ্ছে। প্রথমে ঘাড় উঁচু করে গাড়িটা ঢুকতে দেখলো তারপর যে যেদিকে পারলো দৌড়ে পালালো।

    “নাম্‌,” সরকারি লোকটি বলল। গাড়ি থেকে নেমে এইমাত্র পরিত্যক্ত হওয়া খালি চেয়ারগুলোর একটিতে বসে পড়ল সে।

    ছয়-সাতটি লাল রঙের প্লাস্টিকের চেয়ার। একটা চেয়ারের উপরে এক প্যাকেট বেনসন সিগারেট আর লাইটার। মাটিতে পড়ে আছে দুটো কেরু অ্যান্ড কেরু’র ভদকার বোতল, একটা পুরোপুরি খালি। আরও আছে মিনারেল ওয়াটারের এক লিটারের বোতল আর দুটো গ্লাস। একটা মাটিতে পড়ে ভেঙে গেছে এইমাত্র। ইশারা করে বুদ্ধকে চেয়ারে বসতে বলল সে।

    কিছু না বলে চুপচাপ একটা চেয়ারে বসে পড়ল বুদ্ধ।

    “সিগারেট খাবি?”

    স্থিরচোখে চেয়ে রইলো ডোম। বিড়ি, সিগারেট, মদ-গাঁজা, ভাং কী না খায় সে। কিন্তু খুব কষ্টে মাথা দুলিয়ে না করলো। এই লোকের সামনে এটা খাওয়ার কথা ভাবতেও পারছে না।

    একটা সিগারেট ধরালো সরকারি লোকটি। লম্বা করে টান দিয়ে তাকালো বহু দূরের আলোকিত বিজয় স্তম্ভের দিকে। রাতের এ সময়টাতে আলোকিত গ্লাস-টাওয়ারকে অশরীরি কিছু মনে হচ্ছে।

    “তুইও একটা ধরা, মাথাটা পরিস্কার হবে…” আদেশের সুরে বলল সরকারি লোকটি।

    বুদ্ধ একটা সিগারেট নিয়ে লাইটার দিয়ে ধরালো।’

    “তুই ঠিকই বলেছিস, সব লাশই পানিতে ভাসে,” আরেকটা লম্বা টান দিয়ে বলল। “প্রেমের মরা জলে ডোবে না-ফালতু একটা কথা। আসলে কোনো মরাই জলে ডোবে না।”

    বুদ্ধ চুপচাপ সিগারেট টেনে যেতে লাগলো। “যে লাশের গায়ে ইটের বস্তা পেঁচিয়ে ফেলা হয় সেই লাশও ডোবে না।”

    ডোম সিগারেট টানা থামিয়ে চেয়ে রইলো সরকারি লোকটির দিকে।

    “একটা নয় দুটো নয়…দশ-পনেরোটি ইট…তারপরও কীভাবে পানিতে ভেসে উঠলরে?”

    “লাশ পানিতে বেশিক্ষণ থাকলে ভিজা ফুইলা ওঠে, স্যার,” নরম গলায় বলল বুদ্ধ। “নাক, মুখ আর কান দিয়া পানি ঢুইকা বুক-প্যাট এমন ফুইলা যাইবো যে, দশ-পন্ডোটা ইটা থাকলেও ভাইসা উঠবো।”

    সরকারি লোকটি চেয়ে রইলো অশিক্ষিত ডোমের দিকে। “লাশগুলোর পেট যদি কেটে দেয়া থাকে, তাহলেও?”

    বুদ্ধের চোখে বিস্ময়। “কয়টা লাশ, স্যার?”

    সরকারি লোকটি সামান্য ভ্যাবাচ্যাকা খেলো। “লাশ কয়টা সেটা কথা নয়, কথা হলো পেট কেটে দেয়ার পরও লাশগুলো কীভাবে ভেসে উঠল।”

    সিগারেটটা বুদ্ধের আঙুলে আটকে আছে। “স্যার, লাশ খুবই আজব জিনিস। লাশের মইদ্যে অনেক আজব ব্যাপার থাকে। আপনি বিশ্বাস করবেন না, ভাববেন এইগুলা আমাগো মতোন মূর্খ লোকজনের ফালতু কথা।”

    “কী রকম আজব ব্যাপার থাকে?” শান্তকণ্ঠে জিজ্ঞেস করলো সারকারি লোকটি।

    “কখনও কখনও এমন লাশও পইছি যেটা দুইদিন পরও পচে নাই। আবার এমনও দেখছি, লাশের শরীর থেইকা খুশবু বাইর হইতাছে। কোনো দুগন্ধ নাই। হালকা একটা খুশবু।”

    “তুই মদ খেয়ে লাশ কাটিস তাই মাঝেমধ্যে তোর হেলুসিনেশান হয়। অডিও-ভিজুয়াল, এমনকি গন্ধেরও হেলুসিনেশান হতে পারে।”

    বুদ্ধ কোনো প্রতিবাদ করলো না। “গত বছর আমি একটা লাশ পাইছিলাম, স্যার। ছয়টা গুলি খায়া মরছে। মরার ছয়ঘণ্টা পর লাশটা কাটছিলাম, প্যাঁচপ্যাঁচ কইরা টাটকা রক্ত বাইর হইলো।”

    সরকারি লোকটি ভুরু কুচকে চেয়ে রইলো ডোমের দিকে।

    “আমাগো ডাক্তারসাব তো মদ খায় না, হে কিন্তু লাশটা দেইখা চুপ মাইরা গেছিল।”

    “তোর ঐ ডাক্তার এর কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি?”

    “উনি খালি কইলেন, আল্লাহর দুনিয়ায় অনেক কিছুই হয়…সব বোঝার ক্ষমতা মানুষের নাই। “

    সরকারি লোকটি চুপ থেকে বলল, “তুই জীবনে কতো লাশ কেটেছিস, বুদ্ধ?”

    একটু ভেবে নিলো ডোম। “ধরেন বারোশ’?”

    “কী বলিস?!” চোখ বড় বড় করে বলল প্রশ্নকর্তা। “পানিতে ভেজা লাশ কতোগুলো পেয়েছিস?”

    “ধরেন এক-দেড়শ’?”

    “মাইগড! আমি তাহলে যোগ্য লোকের কাছেই এসেছি।”

    এই প্রথম ঊনচল্লিশ বছরের বুদ্ধ ডোমের মুখে এক চিলতে হাসি দেখা গেল।

    “এতো লাশ কেটেছিস…তোর খারাপ লাগেনি?”

    “প্রথমদিকে লাগতো এখন আর লাগে না।”

    “কেন লাগে না?”

    “আমি তো লাশ কাটি…মরা মানুষের লাশ। জিন্দামানুষ হইলে না-হয় কথা আছিল।”

    আল্‌তো করে মাথা নেড়ে সায় দিলো লোকটি।

    “লাশের চায়া অসহায় আর কিছু নাই, স্যার। হেরা কোনো বাধা দিতে পারে না। মুখ ফুইটা কিছু কইতে পারে না। কান্না কান্না চোখে তাকাইতেও পারে না। খালি ইলিশ মাছের মতো তব্দা খাইয়া পইড়া থাকে।”

    “বাহ্, দারুণ কথা বললি তো,” সরকারি লোকটি বলল। “লাশের চেয়ে অসহায় আর কিছু নেই!”

    বুদ্ধ ডোম চুপ মেরে রইলো।

    “বুঝলি, ঐ লাশগুলোর আচরণ খুবই রহস্যজনক ছিল। মনে হয় তারা জীবন্ত মানুষের মতো সাঁতরে নদীতীরে এসে শুয়ে আছে!”

    “লাশগুলা নদীতে ফেলছে?”

    “হুম। বিরাট বড় এক নদীর মাঝখানে…তারপরও ভেসে উঠল!”

    “ফালানোর আগে কি হেরা পানির ঠাঁই মাইপা নিছিল?”

    সরকারি লোকটি স্থিরচোখে চেয়ে রইলো অশিক্ষিত ডোমের দিকে। “মনে হয় না।”

    “নদীর পানি একেক সময় একেক রকম থাকে। বর্ষাকালে বেশি, শীতকালে কম।”

    “এখন কি বর্ষাকাল?”

    “এইটা বৈশাখ মাস…বর্ষা এখনও আসে নাই।”

    “এই সময়ে নদীতে কেমন পানি থাকে?”

    “মোটামুটি।”

    “তাহলে মোটামুটি পানিতে ফেললেও কি লাশগুলো ভেসে উঠবে?”

    “মনে হয় কম পানির মইদ্যে ফালাইছে। নদীর মাঝখানেও অনেক সময় একহাত পানি থাকবার পারে। সেই পানিতে নৌকা চলবার পারে, স্যার। দিনের বেলায় হইলেও বুঝার কুনো উপায় থাকবো না। পানি যদি আয়নার মতো ফকফকা থাকে তাইলে বুঝা যায় ঠাঁই কতোটুকু।”

    “কাজটা হয়েছে গভীর রাতে। আর ওখানকার পানি খুবই নোংরা,” একটু থেমে আবার বলল, “ওরা নৌকা ব্যবহার করেনি…স্পিডবোট ব্যবহার করেছিল।”

    বুদ্ধ কিছু বলল না।

    “ধরে নিলাম একহাত পানিতেই ফেলে দেয়া হয়েছে, কিন্তু সাত-সাতটি লাশ নদীর মাঝখানে অগভীর জায়গায় ফেলে দিলেও কি তীরে এসে পড়বে? মনে রাখবি, প্রতিটি লাশের শরীরে দশ-পনেরোটি ইটভরা বস্তা বাঁধা ছিল।”

    ঠোঁট ওল্টালো ডোম। “তাইলে তো পাড়ের দিকে চইলা আসার কথা না। মনে হয় ইটের বস্তাগুলা খুইলা গেছিল।”

    “একটাও খোলেনি। যে গিট দিয়েছিল, খোলার কথাও নয়। সবগুলোই লাশের শরীরের সাথে বাঁধা ছিল।”

    “ও,” বুদ্ধ ডোম আর কথা খুঁজে পেলো না।

    সরকারি লোকটি আকাশের দিকে মুখ করে চেয়ে রইলো কিছুক্ষণ। “তোর কী মনে হয়?”

    “আমার মাথায় তো কিছুই ঢুকতাছে না,” আমতা আমতা করে বলল বিশ বছরের অভিজ্ঞ ডোম।

    “ওটা একটু খা, মাথাটা খুলবে।”

    মাটিতে পড়ে থাকা কেরুর বোতলের দিকে তাকালো বুদ্ধ। আনমনেই ঢোক গিললো সে।

    “আমি কিছু মনে করবো না,” আকাশের দিকে চেয়েই বলল। “কালকের দুপুরের আগে স্যারকে রিপোর্টটা দিতে হবে। লাশ কেন পানিতে ভেসে উঠল এটা নিয়ে খুব কথা হচ্ছে। এটার পেছনে নাকি বিরাট রহস্য আছে।”

    মদের বোতলটি তুলে নিয়ে কয়েক ঢোক পান করে ফেললো বুদ্ধ। “ভগবান চাইলে কীই না হয়, স্যার?”

    মাথা দোলালো সরকারি লোকটি। “এইসব আধ্যাত্মিক কথা বিশ্বাস করা যায় কিন্তু রিপোর্টে লেখা যায় না। এখন বল, অন্য কোনো কারণে কি লাশগুলো এভাবে মাঝনদী থেকে ভেসে পাড়ে চলে আসতে পারে?”

    “স্যার, আমি লাশকাটা লোক, লাশ কেমনে ভাইসা উঠে কইবার পারুম না। তয় আমার মনে হয় একভাবে এইটা সম্ভব।”

    “কিভাবে?” নড়েচড়ে বসলো সরকারি লোকটি।

    “ধরেন, লাশগুলা যখন নদীতে ফালাইতেছিল তখন নদীর পাড় থেইকা কেউ এইটা দেখছে?”

    “অতো রাতে কে দেখবে? জায়গাটা একেবারেই নির্জন। আর লাশগুলো ফেলা হয়েছে রাত দুটোর পর।”

    “যতো নির্জনই থাকুক, রাইত যতোই হোউক, কেউ না কেউ থাকবারই পারে। নদীর কুন্ পাড়ে কে বইসা বইসা মাছ ধরতেছিল, বিড়ি ফুঁকতেছিল কে জানবো, স্যার?”

    “তোর মাথায় এটা কেন এলো? মানে, কেউ লাশগুলো ফেলতে দেখেছে?” সরকারি লোকটি ভুরু কুঁচকে ফেললো।

    “আমার বয়স যখন বারো-তেরো বছর তখন এইরকম একটা ঘটনা ঘটছিল আমাগো গেরামে।”

    সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালো প্রশ্নকর্তা।

    “বাবায় আমারে মাছ ধরতে দিতো না। আমি করলাম কি, একদিন মাজরাইতে উইঠা আমার দোস্ত হানিরে লইয়া নদীর ধারে গেলাম। আগেই ঠিক করছিলাম দুইজনে মিলা সারা রাইত ছিপ দিয়া মাছ ধরুম। হানিফ কইছিল রাইতে নাকি বড় বড় মাছ পাওয়া যায়। তো, আমরা দুইজনে ছিপ নিয়া বইসা আছি, এমন সময় দেখি নদীতে একটা নৌকা… ছয়-সাতজন লোক…তারা ধরাধরি কইরা বস্তার মতো কিছু নদীতে ফালাইতাছে,” বুদ্ধ ডোম একটু থামলো। “ওইগুলা আসলে লাশ ছিল।”

    “ইন্টারেস্টিং।”

    “আবার হইতে পারে, খুব ভোরে কেউ মাছ ধরণের লাইগা জাল ফালাইলো, তার জালে লাশগুলান ধরা পড়ল…আমাগো গেরামের মথু জাউলার জালে এইরকম লাশ পাওয়া গেছিল।”

    “বুদ্ধ, তোর মাথা তো খুব পরিস্কার। মদ পেটে যেতে না যেতেই মাথা খুলে গেছে।”

    অশিক্ষিত ডোম মলিন হাসি দিলো।

    “ঠিক আছে। একজন নিশাচর দেখে ফেললো লাশগুলো ফেলা হচ্ছে, কিংবা কেউ মাছ ধরতে গিয়ে লাশগুলো খুঁজে পেয়েছে…তাহলে ওরা পুলিশে খবর না দিয়ে নিজেরা কেন লাশগুলো নদীর পাড়ে এনে রেখে দেবে?”

    বুদ্ধ ডোমের মুখে দেখা গেল বাঁকাহাসি। “স্যার, পাবলিক পুলিশূরে ডরায়। ওরা মনে করছে পুলিশে খবর দিলে ঝামেলা হইবো, বিরাট ভেজালের মইদ্যে পড়তে হইবো।”

    “হুম,” সরকারি লোকটি বলল। “তুই আর তোর বন্ধুও কি ঐ লাশগুলো নদী থেকে টেনে পাড়ে এনে রেখেছিলি?”

    “না, স্যার। আমাগো বয়স তখন খুব কম, আমরা এইটা কেমনে করুম?”

    “তাহলে তোরা গ্রামের সবাইকে বলে দিলি পরদিন?”

    “সবাইরে না, খালি একজনরে কইছি।”

    সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালো সরকারি লোকটি। “কাকে?”

    “মরণচাঁন নামের এক কানা বুইড়া আছিল আমাগো গেরামে। বুইড়া কান পাইতা সবার কথা শুনতো আর বাড়ায়া বাড়ায়া গপ করতো মানুষের কাছে। গল্ করা তার বাতিক আছিল।”

    সরকারি লোকটি বেশ মনোযোগ দিয়ে অশিক্ষিত ডোমের গল্প শুনে যাচ্ছে।

    “পরদিন খুব সকালে হানিফ ওই বুইড়ার সামনে গিয়া আমারে জোরে জোরে কইতে লাগলো, ‘নদীতে কাইল রাইতে তিনটা লাশ ফালাইতে দেখলাম। ঐ যে, হারুনের কারেন্ট জালটা পাতা আছে না…ঐটার ঠিক পঞ্চাশ হাত দূরে…’” বুদ্ধ ডোম একটু থামলো। “বুইড়া তো কান খাড়া কইরা সব শুইনা ফালাইলো, তারপর দুপুরের আগেই পুরা গেরাম জাইনা গেল, পাশের দশ গেরামও জাইনা গেল নদীর কুন জায়গায় তিনটা লাশ ফালাইছে।”

    ঠোঁট ওল্টালো সরকারি লোকটি। “ইন্টারেস্টিং ঘটনা।”

    “হ, স্যার। কিন্তু একদম সত্যি।”

    “তারপর কি লাশগুলো পাওয়া গেছিল?”

    “বিকালের আগেই সবগুলা পাওয়া গেছিল, স্যার।”

    “হুম,” মাথা নেড়ে সায় দিয়ে উদাস হয়ে গেল সরকারি লোকটি।

    “ভগবান চাইলে যতোই চেষ্টা করেন না ক্যান কাম হইবো না। লাশ ঠিকই ভাইসা উঠবো।”

    “ভগবান?” কপালে ভাঁজ পড়ে গেল সরকারি লোকটির। “ধুর!” হাত নেড়ে বাতিল করে দিলো কথাটা। “তোদের ভগবান যদি এতোই দয়ালু হতো তাহলে খুনগুলোই হতে দিতো না। লাশ ভাসিয়ে খুনিদের ফাঁসানোর চেয়ে আরও ভালো কিছু করতো।”

    “আমার বাপে কইছে ভগবান বাইরে থাকে না…মানুষের মইদ্যেই থাকে। আবার অসূরও থাকে মানুষের মইদ্যে। অসূর খুন করছে আর ভগবান সেইটা জানায়া দিছে।”

    “যা-ই হোক, ওটাই হয়েছে, আই অ্যাম কোয়াইট শিওর।”

    “কুনটা, স্যার?”

    “লাশগুলো ফেলে দেবার সময় কেউ দেখে ফেলেছে…কিংবা ভোরের দিকে কেউ মাছ ধরতে গিয়ে জালে পেয়েছে। এটাই সবথেকে ভালো এক্সপ্লানেশন। আমার ধারণা, সাতটা লাশ নদী থেকে টেনে পাড়ে এনে রাখতে কমপক্ষে তিন-চারজন লোকের দরকার পড়েছিল। আর ঐ লোকগুলো অবশ্যই আশেপাশের গ্রামে থাকে। কাল আমি সবকিছু বিস্তারিত

    জানাবো স্যারকে।”

    “আপনার স্যার?” নির্দোষভাবে প্রশ্নটা করলো বুদ্ধ।

    “ঠিক আমার স্যার না। আমার স্যারেরও স্যার…মানে, সব স্যারের স্যার…উনি অস্থির হয়ে উঠেছেন এই প্রশ্নটার জবাব খুঁজে পেতে।”

    সরকারি লোকটি আবারও আকাশের দিকে তাকলো। সাত-সাতটি লাশ কেন এতো প্রচেষ্টার পরও এভাবে ভেসে উঠল সেটা যেমন তার কাছে তেমনি উপর মহলের কাছেও বিরাট একটি রহস্য। এই রহস্য উন্মোচন করার জন্যই সারাটা দিন ব্যস্ত ছিল সে, কোনো কূল কিনারা করতে পারেনি। এখন এই অশিক্ষিত ডোমের সাথে কথা বলে মনে হচ্ছে কূল আর কিনারের সব কিছুই পরিস্কার।

    “চল, তোকে তোর বাসায় নামিয়ে দেই।”

    “আমি হাইটা যাইতে পারুম স্যার। এইহান থেইকা আমার কোয়ার্টার বেশি দূরে না।”

    একটু ভেবে মাথা নেড়ে সায় দিলো সরকারি লোকটি। “তাহলে কোয়ার্টারে ফিরে যা, তোকে ছেড়ে দিলাম।”

    বুদ্ধ ডোম পা বাড়ালো পার্কের গেটের দিকে। কিছুটা এগিয়ে যেতেই ঘুরে দাঁড়ালো সে।

    “স্যার, আপনেরে আমি একটা কথা ভুল কইছি।”

    সরকারি লোকটি ভুরু কপালে তুললো। “কী ভুল বলেছিস?”

    বুদ্ধ আস্তে করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “লাশের চায়াও অসহায় আছে।”

    স্থিরচোখে চেয়ে রইলো সরকারি লোকটি।

    “কিছু মানুষ! তারা লাশের চায়াও অসহায়।”

    বুদ্ধ ডোম আবার ঘুরে সামনের দিকে পা বাড়ালো। তার পেছনে পড়ে রইলো লাশের মতো ফাঁকা দৃষ্টির একজন মানুষ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইনফার্নো – ড্যান ব্রাউন
    Next Article রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }