Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. সুন্দরবনে যেভাবে শুয়োরের দল জায়গা করে নিলো

    সুন্দরবনে যেভাবে শুয়োরের দল জায়গা করে নিলো

    এক সময় নামের মতোই সুন্দর ছিল সুন্দরবন। সেই বনের পশু-পাখি খুব একটা চিন্তা-ভাবনা না করেই দিনাতিপাত করতো। বনের রাজা বাঘ মহাসুখে ঘুরে বেড়াতে নিজের রাজত্বে। সুন্দর সুন্দর হরিণের দল নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে দেখতে বনের সৌন্দর্য। খেলাধুলা করে তাদের দিন যে কীভাবে কেটে যেতো বুঝতেই পারতো না। বানর-হনুমান-উল্লুকের দল বাঁদরামি করতো মনের আনন্দে। বনগরুরা দল বেঁধে ঘুরে বেড়াতো এখানে সেখানে। গাছে গাছে হাজারো পাখি, কীট-পতঙ্গের মেলা, আর মৌমাছির দল ঝাঁক বেঁধে চাক তৈরি করতো এ-গাছে ও-গাছে। জলে কুমীর সাঁতার কাটতো, আর নাম জানা-নাজানা মাছেরা গিজগিজ করতো জলাশয়গুলোতে। বনটি পৃথিবীর সবচাইতে সেরা আর সুন্দর না হলেও এর অধিবাসীরা একে দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ বন বলেই মনে করতো। তাদের বিশ্বাস ছিল এ পৃথিবীর আর কোথাও এমন একটিও বন নেই!

    তো, এই বনে সবার নিজস্ব জায়গা থাকলেও শূয়োরদের কোনো নির্দিষ্ট স্থান ছিল না। তারা এখানে ওখানে বিচ্ছিন্নভাবে ঘুরে বেড়াতো অনেকটা অনাহূত যাযাবরের মতো। তাদের সংখ্যাও ছিল বেশ কম, শক্তিতেও ছিল দুর্বল কিন্তু তার চাইতেও বড় কথা, বনের কেউ তাদেরকে পছন্দ করতো না।

    একটা শূয়োর হয়তো আরাম করার জন্য চমৎকার একটি গাছের নিচে গিয়ে বিশ্রাম নিতে গেল সঙ্গে সঙ্গে সেই গাছের পাখ-পাখালি আর অন্য পশুরা তাদের তাড়িয়ে দিতো। মহাশক্তিশালী বাঘের ধারেকাছেও তারা ঘেষতে পারতো না। বনগরুরাও শিং উঁচিয়ে তেড়ে আসতো তাদের দেখামাত্র। এমনকি বনের সবচাইতে নিরীহ প্রাণী হরিণদের আবাসস্থলের কাছাকাছি স্বচ্ছ কোনো জলের হ্রদ দেখে তৃষ্ণা মেটাতে গেলেও হরিণের দল তাদের দুরদুর করে তাড়িয়ে দিতো সেখান থেকে। এমনই ছিল তাদের অবস্থা। নিজেদের কোনো আবাস নেই। দল বেঁধে কোথাও আস্তানা গাড়বে তারও কোনো উপায় নেই। সবার নিজস্ব ঠিকানা থাকলেও তাদের কোনো স্থান ছিল না সেই বনে। এই দেখে দেখে সুন্দর নামটার প্রতিই তাদের বিরাগ তৈরি হয়ে যায়।

    এভাবেই চলছিল সবকিছু, কিন্তু একদিন সবচাইতে প্রবীণ এক শূয়োর, যাকে শূয়োররা সবাই বেশ সম্ভ্রম করে, শূয়োরদের মধ্যে যে অধিকতর শূয়োর, সেই বয়োবৃদ্ধ রতই শূয়োরদের একটি মহাসভার ডাক দিলো। বনের সব বিচ্ছিন্ন শূয়োর গোপনে নির্জন এক জায়গায় গিয়ে মিলিত হলো নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে। কালো-সাদা-বাদামি, দাঁতাল, বুনো আর নাদুস নুদুস, সব ধরণের শূয়োরই হাজির হলো সেই সভায়। রতইকে সবাই চেনে, জানে, মানে। তার বুদ্ধিমত্তার উপরে সবার আস্থা আছে।

    রতই সময় মতো এসে হাজির হলো মহাসভায়। কোনো কালক্ষেপন না। করেই সে তার বক্তৃতা দিতে শুরু করলো।

    “প্রিয় শূয়োর ভায়েরা, বোনেরা আমার,” মহাসভার দিকে ঝাপসা চোখে তাকালো রতই। তার ধারণার চেয়েও বেশি শূয়োর এসেছে। ঝুলে যাওয়া ঠোঁটে হাসির আভা দেখা গেল। “আপনারা সবাই জানেন এই সুন্দরবনে অনেক প্রাণীই আছে, তারা সবাই এখানে এমনভাবে বিচরণ করে যেন এটা তাদেরই বাড়ি! কিন্তু একমাত্র আমরা-এই শূয়োরেরা এখানে অনাহূত অতিথি। যেন আমরা এখানকার কেউ নই! আমাদের নিজেদের কোনো জায়গাও নাই!”

    সমস্বরে শূয়োরের দল ঘোৎঘোৎ করে সায় দিলো। “নাই! নাই! নাই!”

    “সবাই আমাদেরকে অচ্ছুৎ ভাবে। আমাদের ছায়া মারাতেও ঘেন্না করে। কোথাও আমাদের কোনো জায়গা হয় না। সবাই দুরদুর করে তাড়িয়ে দেয় আমাদের।”

    “একদম ঠিক!” চিৎকার করে বলে উঠল এক দাঁতাল শূয়োের। সবাই তাকে ভয় পায়। শূয়োরদের মধ্যে মাস্তান সে।

    “আমি একদিন আড়াল থেকে শুনেছি,” মিহি গলায় বলল এক শুকনো শূয়োর, তার কথা ভালোমতো শোনার জন্য সবাই চুপ মেরে গেল। কান খাড়া করতে হলো দূরে বসা শূয়োরদের। “চিত্রল হরিণদের নেতার কাছে এক হরিণ এসে বিচার দিচ্ছে তাকে নাকি অন্য একটা হরিণ ‘শূয়োরেরবাচ্চা’ বলে গালি দিয়েছে।”

    রাগে ঘোৎ ঘোৎ করে উঠল শূয়োরের পাল।

    “আমাদের নাম ধরে ওরা গালি দেয়!” হুঙ্কার দিয়ে বলল অন্য একটি শূয়োর।

    “এটা কি নতুন কিছু?” দাঁত নেই এমন বৃদ্ধ এক শূয়োর বলল। “আমি তো জন্মের পর থেকেই এটা শুনে আসছি।”

    “আমিও শুনেছি! আমিও শুনেছি! আমিও শুনেছি!” চারপাশে রীতিমতো হৈ হল্লা শুরু হয়ে গেল।

    রতই হাত তুলে সবাইকে শান্ত হতে বলল। “আমরা সবাই এসব জানি। আমাদের উচিত, আসল প্রসঙ্গে ফিরে যাওয়া।”

    “আসল প্রসঙ্গ?” এ নিয়ে আবারও ফিসফাস শুরু হয়ে গেল। অনেকে। জানেই না কেন তারা এখানে জড়ো হয়েছে।

    যে শূয়োরটি রতই’র মহাসভার কথা শূয়োর থেকে শূয়োরদের মধ্যে। এলান করেছে সে উঠে দাঁড়ালো। “এই বনে সামান্য একটা বাবুই পাখিরও বাসা আছে, পিপড়াদেরও মাথা গোজার ঠাঁই হয়, ইঁদুর-বেড়ালেরও আস্তানা থাকে শুধু আমাদেরই এরকম কিছু নেই।”

    “ঠিক-ঠিক-ঠিক!” চারপাশ থেকে রব উঠল।

    মাথা নেড়ে সায় দিলো রতই। এটাই সে চেয়েছিল। আসল প্রসঙ্গে চলে আসতে হবে দ্রুত। আর শূয়োরদের সবাই যেন এ নিয়ে একইকণ্ঠে একই সুর তোলে-এখন সে যেটা প্রস্তাব করবে সেটা বাস্তবায়নের জন্য এই ঐক্যবদ্ধতার খুবই দরকার রয়েছে। এই অবস্থা জন্মের পর থেকেই আমি দেখে আসছি। আজ আমি বৃদ্ধ। কয় বছরই বাঁচবো বলেন!”

    “জানি-জানি-জানি! বেশিদিন আর নেই!”

    আবারও সমস্বরে বলে উঠল শূয়োরের দল। তবে এবারের ঐকতানটি রতইর খুব একটা মনোপুত হলো না। একটু রুষ্ট হলেও কাজের কথায় চলে এলো। “জীবনের এই শেষ সময়ে এসে আমি বুঝতে পেরেছি এতোদিন ধরে আমার পূর্বশূয়োরেরা ভুল করে গেছে। আমরাও সেই ভুল করে যাচ্ছি–”

    “আমরা কী ভুল করছি?” দাঁতালটা আবারও চিৎকার করে বলে উঠল। কেউ কিছু বলছে না, শুধু সে-ই মাতব্বরি করছে এই মহাসভায়। “একটু খোলাসা করে বলেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয় রতই।”

    হাত তুলে দাঁতালকে আশ্বস্ত করলো মহাসভা আহ্বানকারি প্রবীণ শূয়োর। “এই যে সব পশু-পাখির নিজস্ব ঠিকানা থাকলেও এই সুন্দরবনে আমাদের কোনো ঠিকানা নেই…আমি সেটার কথা বলছি।”

    “এখানে আমাদের কী ভুল আছে বুঝলাম না!” দাঁতাল আবারও চেঁচিয়ে উঠল। মহাসভার চারপাশে চোখ বুলালে কিছু ভীতু শূয়োর তার কথার সাথে তাল মিলিয়ে “ঠিক-ঠিক-ঠিক!” আওয়াজ তুললো একসাথে।

    “বাঘের মতো আমাদের গায়ে অতো শক্তি নেই। ওরকম অদম্য সাহস আর রাজকীয় স্বভাবও নেই। হরিণদের মতো আমরা মিলেমিশে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে একসাথে থাকার কথা চিন্তাও করতে পারি না। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কথা বাদই দিলাম। বানরদের মতো গাছেগাছে ভাতৃত্ববোধ তৈরি করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। জলের কুমীর আর মাছেদের মতো আমরা কোনোকালেই একতাবদ্ধ ছিলাম না। পাখিদের মতো আমরা স্বাধীনও নই। পিপড়া, মৌমাছি আর ভীমরুলদের মতো পরিশ্রম করার স্বভাবও আমাদের নেই…”

    দাঁতালের একনাগারে বলে যাওয়ার পরও রতই অধৈর্য হয়ে উঠল না, মনোযোগ দিয়ে চুপচাপ শুনে গেল।

    “…আমরা সামান্য বাবুইপাখির মতো বাসা বানাতে জানি না। মাকড়ের মতো জাল বুনতে পারি না। বনগরুদের মতো সমাজও তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছি। আপনি যদি এগুলোকে ভুল বলেন তাহলে আমি বলবো, এই ভুল শোধরানো সম্ভব নয়। এগুলোই আমাদের খাসলত। চৌদ্দশূয়োর ধরে এগুলো আমাদের রক্তে প্রবাহিত। আপনার এক ডাকে, এক সভায় এসব খাসলত বদলাবে না।”

    “হ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যা!” আবারও রব উঠল চারপাশ থেকে। “বদলাবে না! বদলাবে না! বদলাবে না!”

    দাঁতাল খুব খুশি হলো মহাসভার সকল শূয়োর তার কথার সাথে তাল মেলাচ্ছে দেখে। রতই হতে পারে শূয়োরদের মধ্যে সবচাইতে বড় শূয়োর, তার অনেক বয়স হতে পারে, অভিজ্ঞতা আর খচ্চরিপনায় সে হতে পারে সমৃদ্ধ কিন্তু দুঃসাহস আর হিংস্রতায় তার ধারেকাছেও না। সবাই তাকে সমঝে চলে। তার উদ্যত সাদা দাঁত দুটো দেখলে নিরীহ শূয়োরদের বুকে কাঁপন ধরে যায়।

    “এক মহাসভা কেন, হাজারটা মহাসভা ডাকলেও লাভ হবে না।”

    “ঠিক-ঠিক-ঠিক!” চারপাশ কেঁপে আওয়াজ তুললো শূয়োরের দল।

    “আমি পনেরো মাইল দূর থেকে অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে এখানে এসেছি রতইর কথা শুনতে,” মিনমিনে গলায় এক শূয়োর বলল। সে বসে আছে দাঁতালের ঠিক পাশেই। “উনার উপর আমাদের আস্থা আছে।” দাঁতাল তার দিকে তাকালে মিনমিনে গলার শূয়োরটা বলে উঠল, “আপনার উপরেও আমার ভরসা আছে। মানে, আপনি যা বললেন তারও তো যুক্তি আছে!”

    দাঁতাল বাঁকা হাসি হেসে রতইর দিকে তাকালো। সমীহ, ভীতি, আতঙ্ক দেখলেই তার ভালো লাগে।

    “আমি তো আরেকটুর জন্যে প্রাণটাই খোয়াতাম,” দাঁতালের থেকে একটু দূরে বসে থাকা নাদুসনুদুস এক শূয়োর বলে উঠল। “ক্ষুধার্ত এক বাঘ আমাকে তাড়া করেছিল…ভাবুন একবার!”

    “হুঁ!” দাঁতাল গজগজ করে বলল। “বনের রাজা বাঘ কখনও শূয়োর খায় নাকি! যত্তোসব ফালতু কথা।”

    হাত তুলে সবাইকে শান্ত হতে বলল রতই। “আমি আমাদের শত বছরের স্বভাব বদলের কথা বলছি না,” হালকা অনুযোগের স্বরেই বলল সে। “আপনারা আগে আমার কথা শুনুন, তারপর এসব প্রশ্ন করবেন।”

    “মহামান্য রতই আগে বলুন,” শূয়োরের দল বলে উঠল চারপাশ থেকে। “আমরা তার কথা শুনতে চাই।”

    “আমি ভালো করেই জানি আমাদের শূয়োরস্বভাব এতো সহজে দূর হবে না।”

    “হবে না! হবে না! হবে না! হতেই পারে না!” রতইর সাথে সায় দিয়ে আবারও রব উঠল মহাসভায়।

    “স্বভাব বদলানো এতো সহজ না!” শেষ কথাটা চিৎকার করে বলল ভরাটকণ্ঠের এক শূয়োর। “আমরা বাঘ নই। বানরও নই। হরিণ হবার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা যা আমরা তা-ই।”

    “বেয়াদবি নেবেন না, মহামান্য রতই,” দাঁতাল আবারও মাথাচাড়া দিয়ে বলে উঠল। “স্বভাব না বদলালে আমরা আমাদের ভাগ্য বদলাবো কী করে?”

    কয়েক মুহূর্তের জন্যে দুচোখ বন্ধ নিজের ভেতরের রাগটা প্রশমিত করলো প্রবীণ শূয়োর। অল্পবয়সিদের মতো মাথাগরম করলে তার চলবে না।

    “আমরা আমাদের স্বভাবটাকে কাজে লাগিয়েই ভাগ্য বদলাবো,” গম্ভীর কণ্ঠে বলল সে।

    চারপাশ থেকে ঘোঘোৎ করে উঠল কয়েকশ’ শূয়োর। দাঁতাল বুঝতে না পেরে বেকুবের মতো চেয়ে রইলো রতইর দিকে।

    “আমি জানি আপনারা আমার কথা বুঝতে পারছেন না,” গলাটা একটু কেশে নিলো এবার। “মনোযোগ দিয়ে আমার কথা শুনুন তাহলেই বুঝতে পারবেন আমি কী বলতে চাইছি।”

    মহাসভার প্রায় সমস্ত শূয়োর একযোগে মাথা নেড়ে সায় দিলো।

    “আমাদের যেমন শূয়োরস্বভাব তেমনি বনের অন্য পশু-পাখিদেরও রয়েছে নিজস্ব স্বভাব। বাঘের স্বভাব কিন্তু বানরের মতো নয়। হরিণের স্বভাব কাকের মতো হয় না। কুমীরের স্বভাব নিশ্চয় বাজপাখির সাথে মেলে না!”

    “একদমই মেলে না,” এককোণ থেকে একটা মাঝবয়সি শূয়োর বলে উঠল। “প্রত্যেকেই প্রত্যেকের মতো। কেউ কারো মতো নয়।”

    মাথা নেড়ে সায় দিলো রতই। “ঠিক। আর এই কথাটিই আমি বলতে চাচ্ছি। আমারা আমাদের মতোই থাকবো। বরং বলতে পারেন, আমরা শূয়োরেরা আরও বেশি করে শূয়োর হয়ে উঠবো…তবেই কেবল আমাদের দুর্ভাগ্যের দিন শেষ হবে! এই সুন্দর বনে কায়েম হবে আমাদের রাজত্ব!”

    কয়েকশ’ শূয়োর মুখ চাওয়াচাওয়ি করলো এ সময়। রাজত্ব কায়েম?! এটা তারা স্বপ্নেও ভাবেনি।

    “মহামান্য রতই, একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?” শূয়োরদের মধ্যে কেউ বলে উঠল।

    “বলছি। আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন উপস্থিত সবাই।”

    পিনপতন নীরবতা নেমে এলো মহাসভায়।

    “এই সুন্দরবনে একটি ভালো এবং সুবিধাজক জায়গা খুঁজে বের করবো আমরা। আশা করি আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা এরকম জায়গার খবর রাখে।”

    “রাখি! রাখি! রাখি!”

    প্রায় ত্রিশ-চল্লিশটি শূয়োর বলে উঠল দাঁত কেলিয়ে।

    “ওরকম একটি জায়গায় গিয়ে আমরা সব শূয়োর জড়ো হবে। ওটাই হবে আমাদের স্থায়ি ঠিকানা।”

    দাঁতাল শূয়োর অনেকক্ষণ ধরে চুপ মেরে ছিল, সে মাথা চাড়া দিলো। আবার। “এমন কোনো সুন্দর আর সুবিধাজনক জায়গা নেই যেটা বিরাণ। পড়ে আছে। হয় কোনো বাঘ, বনগরু, কিংবা হরিণের দল ওখানে থাকে। তারা কি আমাদের এতো সহজে জায়গা ছেড়ে দেবে? কোনোদিনও দেবে না। যদি দিতো তাহলে বহু আগেই আমরা এরকম একটা জায়গা দখল করে নিতে পারতাম।”

    “ঠিক! ঠিক! ঠিক!”

    আবারও রব উঠল সম্মিলিতভাবে।

    “কেউ আমাদেরকে জায়গা ছেড়ে দেবে না। তাদেরকে আমরা বাধ্য করবো।”

    রতইর কথা শুনে কয়েকশ’ শূয়োর মুখ চাওয়াচাওয়ি করলো দ্বিতীয়বারের মতো।

    “কিন্তু কীভাবে?” অন্য এক বয়স্ক শূয়োর বলে উঠল। “আমরা কি তাদের সাথে লড়াই করবো?”

    লড়াইয়ের কথা শুনে দাঁতাল শূয়োর একটু বিব্রত হলো যেন। শূয়োরদের মধ্যে মাস্তানি করলেও বনের অন্যান্য পশুদের সাথে মারামারি করার কথা সে কল্পনাও করতে পারে না।

    “শূয়োররা কি কোনোদিন লড়াই করে জিততে পারবে?” অন্য এক শূয়োর যোগ করলো।

    “পারবে না! পারবে না! পারবে না!”

    রতই হাত তুলে কোলাহল থামিয়ে দিলো। “আমি লড়াই করার কথা বলিনি। আগে আমার কথা ধৈর্য ধরে শুনুন…তারপর এসব প্রশ্ন করলে আমি খুশি হবো।”

    “উনাকে আগে বলতে দিন! আমরা উনার কথা শুনতে এসেছি।” একপাশ থেকে একদল বলে উঠল।

    কয়েক মুহূর্তেই আবারও নেমে এলো পিনপতন নীরবতা।

    “আগেই বলেছি, চমৎকার একটি জায়গা নির্বাচন করে আমরা ওখানে আস্তানা গাড়বো। কিন্তু আমার শূয়োর ভায়েরা ঠিকই বলেছে, এরকম জায়গায় কেউ না কেউ আগে থেকেই দখল করে রেখেছে। কে না জানে, এই বনের সবচাইতে ভালো জায়গাগুলো ঐ বনের রাজা বাঘ, বনগরু আর হরিণসহ নামিদামি পশুদের করায়ত্তে আছে। এটাও ঠিক, আমরা ওদের সাথে কোনোভাবেই পেরে উঠবো না। তাহলে আমরা কী করবো? আমি অনেক ভেবেছি এ নিয়ে। আমার যৌবনের সমস্ত সময়টাই ব্যয় করেছি একটা উপায় খুঁজে বের করার জন্য। অবশেষে এই বৃদ্ধবয়সে এসে আমি এর জবাব পেয়েছি। এখন আমি আপনাদের সবাইকে সে-কথাই বলবো।” রতই একটু থামলো। পিনপতন নীরবতা বজায় আছে দেখে খুশিই হলো সে। “আমরা শূয়োরেরদল ঐ নির্বাচিত জায়গায় পৌঁছানোমাত্রই শুরু করে দেবো শূয়োরিক কাজকারবার!”

    পলকহীন চোখে চেয়ে রইলো শূয়োরেরদল। তারা ভালো করেই জানে শূয়োরিক কাজকারবার জিনিসটা কী।

    “প্রত্যেক শূয়োরকে বলছি, যার যেমন সাধ্যে কুলায় হাগা-মুতা করে জায়গাটা কিছুক্ষণের মধ্যেই একেবারে নাস্তানাবুদ করে ফেলবে। সেই হাগা-মুতার মধ্যে শূয়োরের দল যেন ইচ্ছেমতো গড়াগড়ি খায়, নিজেদের শরীর যতোটুকু সম্ভব নোংরা করে ফেলে! এমন নোংরা করতে হবে যেন বনের রাজা আমাদের দেখামাত্র একশ হাত দূর দিয়ে চলে যায় নাক-মুখ বন্ধ করে। ঘেন্নায় যেন তার শরীর কেঁপে ওঠে। মনে রাখবে, তার রাজকীয় স্বভাব আর হামবড়া ভাব রয়েছে। সে আমাদের ধারেকাছেও ঘেষবে না।”

    শত শত শূয়োরের চোখ চকচক করে উঠল।

    “একদম ঘেষবে না! ঘেষতে পারবে না! ঘেষা সম্ভবও না!” সুর তুললো অনেকেই।

    “শূয়োরভাই ও বোনেরা, তোমরা শুধু জায়গাটা নোংরাই করবে না, সেইসাথে চিল্লাফাল্লা করে এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে যেন নিরীহ আর শান্ত পশু হরিণের দল এক মাইল দূর থেকে আমাদের দিকে বিরক্তি নিয়ে তাকায়।”

    “হরিণেরদল দশ মাইল দূর থেকেই পালাবে!” এক শূয়োর উল্লাসে বলে উঠল। হাসতে হাসতে অন্য শূয়োরের গায়ে ঢলে পড়ল সে।

    “পালাবে! পালাবে! পালাবে!”

    আবারও সুর উঠল মহাসভায়। “পালাতেই হবে!”

    রতইয়ের মুখে হাসি ফুটে উঠল এ সময়। “শূয়োরেরদল এমন সব বিশৃঙ্খল কাজ করবে, এমন সব হট্টগোল আর নোংরামি করবে যে, বনের বাকি পশুদের আমাদের চৌহদ্দির মধ্যে আসার রুচি হবে না।”

    কয়েকশ’ পোড়খাওয়া শূয়োর একে অন্যের দিকে হাসিহাসি মুখে তাকালো।

    “আমরা যদি আমাদের শূয়োরস্বভাবটি সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রয়োগ করতে পারি তাহলেই সফল হবো। এরজন্যে লড়াই কিংবা সংগ্রামের কোনো দরকারই হবে না। বিনাযুদ্ধে আমরা পেয়ে যাবো সুবিশাল মেদিনী!”

    “জয় রতই!” এক বলিষ্ঠ শূয়োর চিৎকার করে বলে উঠল।

    “জয় রতই! জয় রতই! জয় রতই!”

    প্রবীণ শূয়োর রতই তৃপ্তির হাসি দিলো। সে জানে তার উদ্দেশ্য পূরণ হবে খুব শীঘ্রই।

    “তাহলে আমরা এখন কী করবো, মাননীয় রতই?” দাঁতাল বলে উঠল হাসিহাসি মুখে।

    “কথা অনেক হয়েছে, এবার কাজের সময়।”

    “এবার কাজের সময়!” চিৎকার করে বলল অন্য এক শূয়োর।

    “এখান থেকে আধক্রোশ দূরে ছোট্ট যে নদীটা বয়ে গেছে, সেখানে বিশাল একটি খোলা প্রান্তর আছে। চারপাশে চমৎকার সব বৃক্ষরাজি। জায়গাটা আমি বহুদিন থেকে চিনি। ওখানে খাদ্যের কোনো সংকট হবে না। আমরা অনেক আরামে দিনাতিপাত করতে পারবো। ওটাই হবে আমাদের আখড়া।”

    “ওখানে কারা থাকে, মহামান্য রতই?” ভয়ে ভয়ে মিনমিনে গলায় এক শূয়োর জানতে চাইলো।

    “একপাল চিত্রল হরিণ!”

    “হা-হা-হা!”

    রব উঠল মহাসভায়।

    কেউ একজন মাতালের মতো অন্য একটা শূয়োরের গায়ে হেলিয়ে পড়ে বলে উঠল, “সুন্দর আর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা বেকুব হরিণের দল!”

    দাঁতালকে দ্বিধাগ্রস্ত দেখে রতই ভর্ৎসনার সুরে বলে উঠল, “অপেক্ষা কিসের? যাও! শুরু করে দাও! দেখিয়ে দাও কে কতো বড় শূয়োর!”

    শূয়োরেরদলটি মহাসভা থেকে সদলবলে রওনা দিলো নদীর পাড়ে চিত্রলহরিণদের সেই জায়গার উদ্দেশ্যে। রতইর কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করলো তারা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জায়গাটাকে শূয়োরের খোয়াড় বানিয়ে তুললো।

    চিত্রাহরিণের দল দূর থেকে নিজেদের জায়গাটাকে নোংরা নর্দমা হয়ে যেতে দেখে নাক সিঁটকে দূরে কোথাও সরে গেল। এরকম নোংরা জায়গায় থাকার কথা তারা চিন্তাও করতে পারে না।

    বনের রাজা বাঘ খাবারের সন্ধানে ঐ এলাকার পাশ দিয়ে যাবার সময় দুর্গন্ধে নাক-মুখ বন্ধ করে দৌড়ে পালালো। এমন বাজে গন্ধ সে কোনোদিন পায়নি। চারপাশে যতো গাছ-গাছালি ছিল সেখানকার বানর-হনুমান-উল্লুক আর পাখিদের দল ছি-ছি করতে করতে পাড়ি দিলো অন্য কোথাও।

    খুব দ্রুতই শূয়োরেরদল বুঝে গেল সুন্দরবনে নিজেদের জন্যে একটা স্থায়ি জায়গা পেয়ে গেছে তারা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইনফার্নো – ড্যান ব্রাউন
    Next Article রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }