Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা

    ঠিক তখনই আমি দৃশ্যটা দেখেছিলাম।

    রাত আড়াইটা হবে হয়তো, আশেপাশের সবগুলো বাড়ি ঘুম দিয়েছে। জানালাগুলোও নির্মিলিত। যেগুলো খোলা আছে সেগুলোর ভেতরটাও অন্ধকারে পরিপূর্ণ। তবে টানা দু’ঘণ্টার লোডশেডিং শেষে কিছু কিছু বাড়ির খোলা অংশ, বারান্দা আর দরজার সামনে লালচে আলোর বাল্ব জ্বলে উঠেছিল। বিদ্যুৎ চলে যাবার পর থেকেই বড় জানালাটার সামনে বসে গিটার নিয়ে টুংটাং করে যাচ্ছিলাম আমি, ক্লান্তি আর ভ্যাপসা গরমে আনমনা হয়ে গেছিলাম হয়তো, দুচোখে একটু ঘুমও চলে এসেছিল সম্ভবত, তারপর আচমকা বিদ্যুৎ চলে এলে দৃশ্যটা আমার চোখের সামনে ভেসে উঠল।

    একেবারেই অচিন্তনীয়, লোমহর্ষক একটি দৃশ্য!

    আমার শিক্ষা, বিশ্বাস আর সংস্কারহীন মনমানসিকতা মারাত্মকভাবে হোঁচট খেলো সঙ্গে সঙ্গে। কয়েক মুহূর্তের জন্যে দমবন্ধ হয়ে গেছিল আমার, হয়তো চোখের পলকও থমকে গেছিল। টের পেয়েছিলাম গায়ের সমস্ত পশম দাঁড়িয়ে গেছে। ঐ মুহূর্তটি এখন পুরোপুরি বর্ণনা করা সম্ভব নয়। বিস্ফারিত দৃষ্টি নিয়ে আমি দেখছিলাম, আমার চোখের সামনে গলায় ফাঁস দেয়া এক তরুণীর নিথর দেহ ঝুলছে! মৃদু বাতাসে দুলছে সেটা! যদিও আমি নিশ্চিত ছিলাম, গ্রীষ্মের ঐ ভ্যাপসা গরমের রাতে কোনো বাতাস বইছিল না কিন্তু সমস্ত যুক্তিবুদ্ধি বিলোপ করে দেয়া সেই ঘটনা আমাকে প্রবলভাবে নাড়িয়ে দিলো।

    ঐ দিন দুপুর বেলায় পাশের বাড়ির কিশোরী মেয়ে নুমার রহস্যজনক আত্মহত্যার ঘটনাটি যদি না ঘটতো, ঐ দৃশ্যটি আমাকে এতোটা বিপর্যস্ত করে তুলতো না। আমি কুসংস্কারহীন আর খুবই শক্ত মনের মানুষ। শৈশব থেকেই ভুত-প্রেতসহ যাবতীয় আজগুবি জিনিসে বিশ্বাস নেই আমার। পুরনো ঢাকার এক গলিতে থাকি, নিজেকে চিপাগলির পোলাপান হিসেবে পরিচয় দিতে একটুও কুণ্ঠিত নই। গ্রামে যদি গাছপালা আর ঝোঁপঝাঁড়ে ভুত-প্রেত থাকে তো, এখানকার চিপায়-চাপায় কুসংস্কার আর অশরীরীরা ঘুরে বেড়ায়। আর তাদের এই বিচরণের গল্প যুগযুগ ধরে মুরুব্বিদের মুখে মুখে বেঁচে থাকে। তাই প্রথমে ভেবেছিলাম দৃষ্টি বিভ্রমের শিকার হয়েছি, ভুরু কুঁচকে ভালো করে দেখার চেষ্টা করতেই ভুল ভাঙলো আমার। তখনও আমার চোখে কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি, চশমা নামের কোনো বস্তু অযাচিতভাবে কান-নাক চেপে বসেনি। তাছাড়া দৃশ্যটি আমার জানালা থেকে মাত্র বিশ-পঁচিশ গজ দূরে থাকা এক দেয়ালে প্রক্ষেপিত হচ্ছিল, স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছিলাম সেটা!

    ঐদিন সকালে আমার পাশের বাড়ির কিশোরী মেয়ে নুমার নিথর দেহ তার স্বামীর বাড়ির শোবার ঘরে কেউ একজন আবিষ্কার করে। আমি নিশ্চিত, আবিষ্কার করার মুহূর্তে গগনবিদারী চিৎকার দেয়া হয়েছিল তখন, সেটা ইচ্ছাকৃত কিংবা ভান করেই হোক না কেন। যে বাড়ির বৌদের দেহ সিলিং ফ্যান থেকে দড়ি দিয়ে ঝুলতে দেখা যায় তাদের পক্ষে এমন আচরন করাটাই স্বাভাবিক।

    তো, দড়ি থেকে নামার নিথর দেহ নামানোর পর পুলিশে খবর দেয়া হয়, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। নুমা যখন লাশকাটা ঘরে পড়েছিল তখন হত্যা না আত্মহত্যা-এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে চলছিল তুমুল বাকবিতণ্ডা। ব্যাপারটা মারামারি আর নতুন কোনো খুনখারাবির দিকেও গড়াতে পারতো। নুমার পরিবারের অজস্র অভিযোগ আর প্রশ্নের জবাবে তার স্বামীর পরিবারের লোকজন তোতাপাখির মতো একটা কথাই শুধু বলে গেছে : অল্পবয়সি অভিমানী মেয়ে, স্বামীর সাথে ঝগড়া করে গলায় ফাঁস দিয়েছে।

    এই সরল ব্যাখ্যায় খুব অল্প কিছু লোকজনই সন্তুষ্ট হয়েছিল অবশ্য। নুমার মহাক্ষমতাধর স্বামী আর তার পরিবারের লোকজন ‘পুলিশকে ম্যানেজ করে ফেলেছে’-এ রকম কথা মহল্লার মানুষ বলাবলি করতে শুরু করেছিল সকাল থেকেই। সবাই ধরে নিয়েছিল, মেয়েটাকে তার স্বামী খুন করে সিলিংফ্যানে লাশ ঝুলিয়ে দিয়েছে। এটা কোনো আত্মহত্যা হতেই পারে না।

    নুমার মৃত্যুর সংবাদ মহল্লায় পৌঁছাতেই বাড়ির পাশে মসজিদ থেকে বার বার ঘোষণা দেয়া হতে থাকে, আব্দুল মালেকের ছোটো মেয়ে নুমা ইন্তেকাল করেছে…তার জানাজা হবে আগামীকাল আসর ওয়াক্তে।

    ব্যাপারটা খুবই অদ্ভুত, বিছানায় শুয়ে রোগভোগ করে মারা যাক, নির্মাণাধীন ভবনের উপর থেকে আস্ত ইট পড়ে দুভার্গ্যক্রমে মরুক, গণপিটুনী খেয়ে, গুলি খেয়ে, বিষ খেয়ে কিংবা উষ্টা খেয়ে মরুক না কেন, মসজিদের মুয়াজ্জিন সেগুলোকে একটিমাত্র শব্দ ‘ইন্তেকাল’ বলে ঘোষনা করবে!

    সত্যি বলতে, এভাবে মসজিদের মাইকে মহল্লাবাসীর মৃত্যুসংবাদ জারি করাটা সামাজিক রেওয়াজ হলেও সংবেদনশীল মানুষের কাছে এটা এক ধরণের মানসিক চাপ তৈরি করে। আমিও সেরকম চাপ নিয়ে ভোরের দিকে ক্লান্তিতে আসা ঘুম থেকে জেগে উঠেছিলাম। নুমাদের বাড়ি থেকে মসজিদের ইমাম আর মুয়াজ্জিনের খাবার পাঠানো হতো সপ্তাহে একবার-সম্ভবত সেজন্যেই কি না জানি না, আর সব মৃত্যুর চেয়ে কিশোরী নুমার হৃদয়বিদারক মৃত্যুসংবাদ একটু বেশি করেই প্রচার করা হলো মাইকে!

    নুমার মৃত্যুসংবাদ শুনে আমি বেশ অস্থির হয়ে উঠেছিলাম। মেয়েটাকে চোখের সামনে বেড়ে উঠতে দেখেছি যে!

    মসজিদের মাইকে মৃত্যুর সংবাদ ঘোষণা দিলেই মহল্লার বয়োজ্যেষ্ঠ আর তুখোড় রসবোধসম্পন্ন বুড়ো টেনু বেপারি খুব সহজ ভঙ্গিতে বলে উঠতো : ‘মহল্লায় আজরাইল হান্দাইছে। এইবার ঢুকছে কুঞ্জবাবু লেইন দিয়া…কুন দিক দিয়া বের অয় ক্যাঠায় জানে! আজরাইল কইলাম দুই একটা লগে কইরা লইয়া যাইবো। মিয়ারা, বুগিচুগি ছাইড়া ভালা হইয়া যাও!’ তার কথা আর ভঙ্গিতে মৃত্যুর মতো হিমশীতল, ভয়ানক ব্যাপারটিও আমাদের কাছে চোর-পুলিশ খেলার মতো মনে হতো। অবশ্য নুমার মৃত্যুর অনেক আগেই বেচারা টেনু বেপারি আজরাইলের সঙ্গি হয়েছিল।

    যাইহোক, ময়নাতদন্ত শেষে মেয়েটির লাশ ঐ দিন দুপুরেই চলে আসে তার জন্মস্থানে। আমাদের মহল্লা তো বটেই, আশেপাশের কয়েক মহল্লার নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ-শিশুর দল ছুটে আসে নুমার লাশ দেখতে। লাশ দেখার দলে আমিও যে কখন চুপিসারে ঢুকে পড়েছিলাম জানি না। আমার স্পষ্ট মনে আছে, লাইন ধরে ধরে এক এক করে নুমার ‘খাটোলা’র পাশে এসে যখন দাঁড়ালাম, দেখতে পেলাম নিষ্পাপ কিশোরী মেয়েটা অভিমানে গাল ফুলিয়ে ঘুমাচ্ছে। তার কানের পাশে কালচে দাগ। আমার কল্পনায় ভেসে উঠেছিল নুমার হিংস্র স্বামী সজোরে চড় থাপ্পর মারছে মেয়েটাকে। কয়েক সেকেন্ডের সেই দৃশ্য, তারপরই পেছন থেকে তাড়া, আমি আস্তে করে চলে আসি নুমাদের বাড়ি থেকে।

    আমার চোখে বার বার ভেসে উঠতে থাকে নুমার নিষ্পাপ চেহারাটা। ঐদিন বাকি সময়টা আমার কেবলই নুমার কথা মনে হতে থাকে। এমন নয় যে, কিশোরী মেয়েটির সাথে আমার বেশ সখ্যতা ছিল, তবে পাশের বাড়ির বাসিন্দা হবার কারণে চোখের সামনেই ওকে বেড়ে উঠতে দেখেছি। দেখা হলে হয়তো ফিক করে নিষ্পাপ হাসি দিতো, আমাদের মতো বড়দের কার্যকলাপ দেখতো জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে। কখনও হয়তো আগ বাড়িয়ে এটা ওটা জিজ্ঞেসও করতো। পৌষ সংক্রান্তির ঘুড়ি উৎসবের দিন আকাশে ভেসে থাকা নানা রঙের লড়াকু সব ঘুড়ির দিকে চেয়ে থাকতো অপার বিস্ময় নিয়ে, তারপর মোক্ষম একটি প্রশ্ন করে বিব্রত করতো আমাকে : ‘আপনে সাকরাইনের ঘুড়ি উড়ান না ক্যালা?’

    নুমার অর্বাচীন মা-বাবা যদি বড়লোক বাড়ির সাথে আত্মীয়তা করার মোহে আক্রান্ত না হতো, সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ফুটফুটে মেয়েটিকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে না দিতো, তাহলে আরও কিছুটা সময় ওকে বেড়ে উঠতে দেখতাম চোখের সামনে। কিশোরী থেকে যুবতী হতো সে, হয়তো পাশের বাড়ির কোনো ছেলের সাথে লুকিয় লুকিয়ে প্রেমও করতো। তখন হয়তো তার গুণ্ডাপ্রকৃতির চাচারা, বড়ভায়েরা হম্বিতম্বি করে বলতো : ‘খানকিরপোলার অ্যাতো বড় কইলজা আমার বইনের লগে…!’ আরেকটি জম্পেশ ঘটনার অবতারণা হতো মহল্লায়। আর আমরা রসালো আড্ডায় চা-সিগারেট, ডালপুরি খেতে খেতে এ নিয়ে কতো আলাপেই না মশগুল হয়ে উঠতাম!

    আবার এমনও হতে পারতো, নুমা বেড়ে উঠল শিক্ষিত-মার্জিত এক তরুণী হিসেবে। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে তাদের বংশের প্রথম মেয়ে হিসেবে পা রাখলো বিশ্ববিদ্যালয়ে, আমাদেরই পরিচিত কোনো ছেলের প্রেমে পড়ে গেল সে। এ নিয়ে হয়তো আমাদের মধ্যে কেউ কেউ গোপন ঈর্ষায়ও পুড়তো।

    কিন্তু সেরকম কিছু হয়নি।

    সদ্য কৈশোরে পা দেয়া নুমা একদিন লাল টকটকে বেনারসি শাড়ি পরে শ্বশুড়বাড়ি চলে যায়। বেশ জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছিল ওর। আকবর বাবুচির সুস্বাদু মোরগ পোলাও আর ঘন বোরহানির স্বাদ নিতে নিতে প্রায় সাত-আট শ লোকের সাথে আমিও দেখেছি নুমাকে তুলে দেয়া হচ্ছে এক ধনীর দুলালের হাতে। নুমার প্রাপ্তবয়স্ক স্বামীর চেহারাটা শেরওয়ানি আর পাগড়ির ফাঁকফোকর দিয়ে কিছুক্ষণের জন্যে দেখতে পেয়েছিলাম। কেন জানি মনে হয়েছিল, একটা বেজির সামনে জ্যান্ত কোনো টাকি মাছ রেখে দেয়া হয়েছে!

    নুমার বিয়ের পরদিন, যেদিন তার বৌভাতের অনুষ্ঠান হবার কথা, সেদিন খুব সকালে আমি আর আমার মহল্লার এক বন্ধু পাড়ার মাঠে ফুটবল খেলে ক্লান্ত হয়ে জিরোচ্ছিলাম কারোর বাড়ির সামনে বসে। মাঠাওয়ালা সুবল ঘোষ যথারীতি আমাদের দুজনের জন্য দু-গ্লাস মাঠা দিলে আমরা সত্যিকারের পৌরুষ জাহির করার জন্য এক ঢোকে পুরোটা গলাধঃকরণ করেছি মাত্র, তখনও আমাদের ঠোঁটে মাঠা লেগে রয়েছে, মোছার ফুরসতই পাইনি, দেখতে পেলাম অভাবনীয় একটি দৃশ্য : গতকাল যে নুমাকে বিশাল আয়োজন করে স্বামীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছিল, সেই কিশোরী বধূ সাতসকালে রিক্সায় করে একা একা চলে এসেছে মায়ের বাড়িতে! নববধূর চোখেমুখে বিপর্যস্ততার ছাপ প্রকট। হাতের লাল টকটকে মেহেদী খুব সুন্দর দেখালেও চোখের কাজল লেপ্টে একাকার। তার পরনে তখনও সেই বেনারসি শাড়ি, কিন্তু সেটা যেন অনিপুন হাতে পরা হয়েছে!

    নুমার রিক্সাটা থামলো ঠিক আমাদের সামনেই কিন্তু আমাদের দিকে তাকানোর মতো অবস্থায় ছিল না সে। রিকশাওয়ালাকে ভাড়ার টাকা না দিয়েই ভয়ার্ত ইঁদুরের মতো এক দৌড়ে চলে গেল সে তার চিরচেনা গর্তে-যেখানে সে জন্মেছে, বেড়ে উঠেছে!

    বেচারা রিকশাওয়ালা হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে চেয়ে রইলো, কিন্তু আমাদের হতবুদ্ধিকর অবস্থা তারচেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। আমি আর আমার বন্ধু থ বনে গেলাম। ভুলে গেলাম মুখে লেগে থাকা সফেদ মাঠার কিছু অংশ মুছতে। মাঠাওয়ালা চলে গেলে কয়েক মুহূর্ত পর আমার বাকপটু সেই বন্ধু বিজ্ঞের মতো জানালো, নুমা বেজি দেখে ভয়

    পেয়েছে। তার মতো কিশোরীর পক্ষে বাসরঘরের রোমাঞ্চ বোঝার কথা নয়, কিন্তু ওর প্রাপ্তবয়স্ক স্বামী হয়তো ওসবের আদ্যোপান্ত এক রাতেই বোঝানোর উদ্যোগ নিয়েছিল।

    কিছুক্ষণ পরই নুমার বড়ভাই ঘুমঘুম চোখে বেরিয়ে আসে বাড়ি থেকে। আমাদের সমবয়সি ছিল সে, দেখা হলে দু-চারটা কথা হতো কিন্তু ঐ দিন যেন ইচ্ছে করেই আমাদের চোখের দিকে তাকালো না, পাছে আমরা কোনো অযাচিত প্রশ্ন করে বসি! রিকশাওয়ালাকে তার প্রাপ্য ভাড়া মিটিয়ে সোজা চলে গেল বাড়ির ভেতরে।

    আমি আর আমার বন্ধু আরও কিছু সম্ভাব্য গালগল্প দাঁড় করিয়ে যার যার বাসায় চলে গেলাম। নিজের ঘরে এসে বুঝতে পারলাম, নুমাদের বাড়িতে ততোক্ষণে হৈচৈ শুরু হয়ে গেছে। সবাই চেষ্টা করছে চাপাকণ্ঠে কথার বলার কিন্তু অনভ্যাস আর অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না। আমার ঘরের জানালার উল্টো দিকেই নুমাদের বাড়ি, নুমার সদ্য অধিকার হারানো ঘরটা একেবারেই আমার জানালা বরাবর, তাই জানালার সামনে দাঁড়িয়ে কান পাততে হলো না-নুমার এক জাহাবাজ চাচীর গমগম করা কণ্ঠ মসজিদের মাইকের মতোই শোনাচ্ছিল তখন।

    আমার দুর্মুখ বন্ধুর কথাই ঠিক, বেজি দেখে ভয় পেয়েছে নুমা!

    মেয়েটার চাচীর কথা শুনে মনে হলো সে-ও বেজি দেখে ভয় পেয়েছিল বাসরঘরে। আরও বোঝা গেল, এরকম ভয় যুগ যুগ ধরে অসংখ্য মেয়ে পেয়ে আসছে। এটা একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা। মেয়েদের জন্য!

    ঐদিন আমি যখন দুপুরবেলায় কলেজ থেকে ফিরছি তখন দেখি নুমাদের বাড়ির সামনে কালো রঙের একটি প্রাইভেটকার দাঁড়িয়ে আছে। নিজের বাড়ির দরজার সামনে আসতেই কিছু লোকের গুঞ্জন কানে গেল। থমকে দাঁড়ালাম। একটু পরই দেখতে পেলাম, নুমাদের বাড়ি থেকে দশ বারোজন লোক বেরিয়ে আসছে, বেশিরভাগই তার জ্ঞাতি ভাইবোন আর আত্মীয়স্বজন। দলটার সামনে নুমার সদ্যস্বামী হয়ে ওঠা লোকটি!-বেজীর মালিক কিংবা স্বয়ং বেজী! মাঝখানে নুমা লাল টকটকে বেনারসি পরে মাথা নীচু করে ভীরু পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে কালো গাড়িটার দিকে।

    বুঝতে পারলাম, নুমার মা-চাচী-খালারা ইতিমধ্যেই মেয়েটাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে, বেজি দেখে ভয় পাবার কিছু নেই। তারাও প্রথম প্রথম বেজি দেখে ভয় পেয়েছিল। এটা একেবারেই স্বাভাবিক ব্যাপার। অল্পবয়সি মেয়ে, বেজি দেখলে তো ভয় পাবেই, তাই বলে বিয়ের পরদিন সাতসকালে শ্বশুড়বাড়ি থেকে এভাবে নিজের বাড়িতে চলে আসবে? যাকগে, তার বয়স কম, তাই ছেলেপক্ষ ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেছে। ছেলেপক্ষের এমন উদারতায় নামার বাড়ির লোকজন কৃতজ্ঞতায় মাথা নুয়ে ফেললো যেন।

    ঐ দিন দ্বিতীয়বারের মতো বেনারসি শাড়ি পরে নুমা চলে গেল স্বামীর বাড়িতে। তারপর নুমাকে আমি আর জীবিত অবস্থায় কখনও দেখিনি। হয়তো বিয়ের পর স্বামীর সাথে মায়ের বাড়িতে বেশ কয়েকবার বেড়াতে এসেছিল, দু-তিন দিন থেকেও গেছে কিন্তু সে-খবর আমার জানা ছিল না। নুমার ঘরটা ওর বিয়ের পর পরই বেদখল হয়ে যায়, সুতরাং সেই ঘরের জানালার সামনেও তাকে আর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখিনি। কিংবা কে জানে, জানালার সামনে দাঁড়ানোর অধিকার সে হারিয়ে ফেলেছিল হয়তো। আবার এমনও হতে পারে, জানালার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার মতো ছেলেমানুষ আর ছিল না সে।

    বিয়ের প্রায় ছয়মাস পর সেই ছোট্ট নুমাকে দেখলাম অভিমান করে শুয়ে আছে। জিজ্ঞাসু দৃষ্টি নিয়ে আকাশে ঘুড়ি দেখছে না, আমার দিকে তাকিয়ে ফিক করে হাসছেও না। যেন তার অল্পবয়সি দেহমনের উপরে সংসার নামের বিরাট বোঝা চাপিয়ে দেয়ার জন্য খুব অভিমান করেছে, মুখ ফিরিয়ে রেখেছে সবার থেকে, চোখ বন্ধ করে রেখেছে আমাদের সাথে কথা বলবে না বলে। আমরা কেউই তার জীবনটাকে গুরুত্ব দেইনি, তার স্বপ্নের খোঁজ রাখিনি। সমাজ-সংস্কার আর বয়োজ্যেষ্ঠদের ইচ্ছে-অনিচ্ছেকে সে মাথা পেতে নিলেও এখন আর মেনে নিতে পারছে না, তাই ঠিক করেছে আমাদের সাথে থাকবে না। শীতল খাটোলায় করে চলে যাবে বহু দূরে!

    নুমার ঘরের দক্ষিণ দিকের দেয়ালে ঝুলে থাকা এক তরুণীর ফাঁস লাগা অবয়বটি ঠিক কতোক্ষণ ধরে দেখেছিলাম জানি না। বিপরীত দিক থেকে একটি লালচে বাল্বের আলোয় ঝুলে থাকা দেহের ছায়াটি আমার চোখের সামনে অনেক ভীতি আর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। আমার কাছে না ছিল সেই সব প্রশ্নের জবাব, না ছিল ভীতি দূর করার মতো সাহস। তারপরও ভয়ার্ত আমি অনেকটা সময় নিয়ে ঝুলে থাকা ছায়াটি ভালো করে দেখেও বুঝতে পারলাম না, ওটা নুমার নাকি অন্য কারোর দেহ!

    বলতে লজ্জা নেই, আমি জানালা থেকে সরে আসি প্রচণ্ড ভয় পেয়ে। সে-রাতে আমার আর ঘুম আসেনি কিন্তু জানালা দিয়ে বাইরে তাকানোর সাহসও হয়নি আর। ভোরের আজানের পর ক্লান্তিতে আমার চোখে ঘুম চলে আসে। মায়ের তাড়া খেয়ে যখন ঘুম থেকে উঠলাম সকাল নয়টা বাজে। ‘সারা দুনিয়া উইঠ্যা গেছে আর নবাবসাহেব এহনও ঘুমাইতাছে!’-মায়ের এমন কথার জবাব সব সময়ই আমার ঠোঁটে লেগে থাকে : জননী আমার ভূ-গোলে একদমই কাঁচা। একই সাথে, একই সময়ে সারা দুনিয়ার মানুষ ঘুম থেকে ওঠে না। উঠতে পারে না। পৃথিবীর অর্ধেক যখন রাতে ডুবে থাকে তখন বাকি অর্ধেক দিনের আলোয় আলোকিত।

    তবে ঐদিন সকালে এরকম কিছুই বলিনি। চুপচাপ জানালা দিয়ে নুমার ঘরের দক্ষিণ দিকের দেয়ালে তাকিয়েছিলাম শুধু।

    কিন্তু ওখানে তখন কিছু নেই!

    গতরাতে আমার মা বলেছিল, পাশের বাড়িতে এক অল্পবয়সি মেয়ে অপঘাতে মারা গেছে, আর এদিকে আমি সদ্য কলেজ পড়ুয়া ছেলে, দোতলার ঘরে একা থাকি। নুমার আত্মা রাতের বেলায় ঘুরে বেড়াবে তার বাড়ির আশেপাশে। অল্পবয়সি আত্মাদের ঝোঁক নাকি থাকে অল্পবয়সি ছেলেদের দিকেই! এরকম জরুরি জ্ঞান তারা উত্তরাধিকার সূত্রে শতশত বছর ধরে লালন করে আসছে। সুতরাং এরকম সময় আমার সাথে মা হিসেবে তার থাকা উচিত।

    আমি অবশ্য ওরকম কিছু লালন করিনি কখনও। আমার মায়ের এই উদ্বেগকে নিছক কুংস্কার হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছিলাম। কাচুমাচু হয়ে আমার মা চলে গেছিল নীচতলায় নিজের ঘরে। কষ্ট পেয়েছিল নিশ্চয়। সন্তান যতো বড় হচ্ছে ততোই দুর্বোধ্য হয়ে যাচ্ছে-নিশ্চয়ই এমনটাই ভেবে থাকবে।

    তাহলে কি আমার মায়ের কথাই ঠিক? প্রশ্নটা স্বাভাবিকভাবেই উঁকি দিতে শুরু করে আমার মধ্যে। কিন্তু এটা কী করে সম্ভব! আমি তো জানি, আত্মা-প্রেতাত্মা বলে কিছু নেই। সবটাই দুর্বল মানুষের বিশ্বাস। অন্ধবিশ্বাস।

    কিন্তু নিজের চোখকে অবিশ্বাস করি কীভাবে? অন্যের বলা অতিপ্রাকৃত গল্প শুনে উড়িয়ে দেয়া সহজ, ওটাকে বানোয়াট আর দৃষ্টিবিভ্রম বলে ব্যাখ্যা করাও কঠিন কাজ নয়, কিন্তু গতরাতের দেখা ঐ দৃশ্যটাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়া কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছিল না আমার পক্ষে।

    ভালো করেই জানতাম অমীমাংসিত ঘটনাই রহস্যের জন্ম দেয়। ঝিম। মেরে বসে রইলাম অনেকক্ষণ। দাঁত ব্রাশ করে নাস্তা করতে হবে কিন্তু আমার মধ্যে সেরকম কোনো তাড়া নেই। অবশেষে অনেক ভেবে সেই রহস্যের সমাধান করার সিদ্ধান্ত নিলাম আমি। একটা আশঙ্কা জেঁকে বসেছিল আমার মধ্যে-গত রাতের রহস্যটি উন্মোচন করতে না পারলে কুসংস্কারগ্রস্তদের সুকঠিন খাঁচায় চিড়িয়া হিসেবে ঢুকে পড়বো!

    নাস্তা না করেই হুট করে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলাম আমি। ছোটোবেলায় হরহামেশা চলে যেতে পারতাম নুমাদের বাড়িতে, কিন্তু এখন প্রয়োজন ছাড়া যাওয়া হয় না। তাই খুব সঙ্কোচ হচ্ছিল তবে রহস্য ভেদ করার তীব্র ইচ্ছার কাছে সঙ্কোচের পরাজয় ঘটলো সেদিন।

    আমার ভাগ্য ভালো, শোকে মুহ্যমান বাড়িটি তখনও ঘুমিয়ে আছে। পুরনো দিনের বিশাল বাড়ি ওদের। বাড়ির বাইরের দিকে একটা সিঁড়ি আছে। আমি সেই সিঁড়ি দিয়ে উঠে গেলাম। টের পেলাম উত্তেজনায় টগবগ করছি। কী প্রত্যাশা করছি আমি? যৌক্তিক ব্যাখ্যা? নাকি অতিপ্রাকৃত কোনো কিছু?

    নুমার ঘরের দক্ষিণ দিকের দেয়ালের উল্টো দিকে যে ছাদটা আছে সেখানে উঠে গেলাম। এটা তাদের বাড়ির বৈঠকখানার ছাদ। ছাদটা বেশ বড়সর, একপাশে ছোট্ট একটা ঘর আছে। নিজেকে যুক্তিবাদি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করলেও মনের কোণে কেন জানি অতিপ্রাকৃত কিছু প্রত্যাশা করছিলাম আমি।

    তাই ছাদে চোখ বুলিয়ে আমি একই সাথে হতাশ আর আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠলাম।

    কী দেখেছিলাম আমি?

    ছাদে কাপড় শুকানোর জন্য দড়ি টানা ছিল আর তাতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল একটি প্লাস্টিকের কন্যা-পুতুল! সোনালি-বাদামি চুলের ওরকম অ্যাংলো পুতুল তখন প্রায় সব বাচ্চার খেলনা ছিল, ঘরে ঘরে মিলতো সেসব। সম্ভবত নুমার ছোটো চাচার পিচ্চি মেয়েটার পুতুল ময়লা হয়ে গেলে সেটা ধুয়ে দড়িতে শুকোতে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু একটা পুতুল দড়িতে কিভাবে ঝোলাবে-এই সমস্যার সমাধান কেউ করেছিল, পুতুলটার গলায় আরেকটা দড়ি পেচিয়ে সেটা দড়িতে গিট দেবার মাধ্যমে! আক্ষরিক অর্থে পুতুলটাকে নোংরা হবার জন্য ফাঁসি দেয়া হয়েছিল আর কি!

    পুতুলটার উত্তর দিকে, খুব কাছে একটা ঘর ছিল, সেই ঘরের দরজার উপরে লালচে বাল্ব লাগানো। ব্যাপারটা আমার কাছে মুহূর্তে পরিস্কার হয়ে গেল। বাল্বের আলোয় পুতুলের ছায়া পড়েছে, একটু দূরে থাকা উত্তর দিকের দেয়ালে। অনেকটা সিনেমার প্রজেক্টরের মতোই কাজ করেছে সেটা! আর কাকতালিয়ভাবে, বাল্ব থেকে পুতুল, পুতুল থেকে উত্তর দিকের দেয়ালের দূরত্ব এমনই ছিল যে, ছোট্ট খেলনাটার ছায়া প্রায় একজন মানুষের আকৃতিতে পরিণত হয়েছিল।

    রহস্যটা ভেদ করার কথা সবাইকে জানানোর আগেই আবিষ্কার করলাম, গত রাতে আমিই একমাত্র দর্শক ছিলাম না! আমার বাড়ির আশেপাশে আরও দুয়েকজন ওটা দেখেছে। যারা দেখেছে তারা সবাই কুসংস্কারগ্রস্ত-ভুত কিংবা অতিপ্রাকৃতে বিশ্বাসী লোকজন। তারা বলাবলি করতে শুরু করলো, নুমার অতৃপ্ত আত্মা ফিরে এসেছে! ফাঁসিতে ঝুলছে-এরকম দৃশ্য দেখা গেছে। তাকে যে আসলে মারা হয়েছে, সে যে হত্যাকাণ্ডের শিকার-এটা তারই নিদর্শন। যতদিন খুনের বিচার না হবে, এভাবেই তার আত্মা ঘুরে বেড়াবে, তার ফাঁস দেয়া লাশ দেখা যাবে রাতের বেলায়।

    এসব কথার সাথে দ্বিমত পোষণ করার মতো মানুষ খুব বেশি ছিল না আমার মহল্লায়। থাকলেও তারা হয়তো চুপ মেরে থাকতো আমার মতো। হয়তো তারাও মনে করতো, রহস্যের ব্যবচ্ছেদ হওয়ার চেয়েও জরুরি হলো, নুমার গল্পটা এভাবেই ঘুরে ফিরুক মানুষের মুখে মুখে। মেয়েটার প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে সেটা টিকে থাকুক আধিভৌতিক গল্প হয়েই। সবাই জানুক, অপরাধ করলে অতৃপ্ত আত্মা তার কারিকুরি দেখানো শুরু করে, অপরাধিকে শাস্তি দিতে সে বদ্ধপরিকর।

    তাই আমিও রহস্যের ব্যবচ্ছেদ করার পরও বেছে নিলাম নীরবতা।

    এক হিরন্ময় নীরবতা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইনফার্নো – ড্যান ব্রাউন
    Next Article রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }