Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্যের ব্যবচ্ছেদ অথবা হিরন্ময় নীরবতা – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. বায়ান্ন বাজারের তিপান্ন গল্প

    বায়ান্ন বাজারের তিপান্ন গল্প

    স্বর্ণগ্রস্ত

    ভর সন্ধ্যায় সহিদের অট্টহাসিটা পাশের গলি পর্যন্ত বিস্তৃত হলো। এলোমেলো চুল, পায়ে জীর্ণ স্যান্ডেল নিয়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক কালের জিগরি দোস্ত রন্টু।

    “কি করবি তুই? কারে মারবি?”

    কানের পাশে জুলফি মোচড়াতে লাগলো রন্টু। এই সহিদ যখন হাফপ্যান্ট পরে পাড়ার মাঠে ফুটবলে লাথি মারতো তখন সে অন্য পাড়ার ছেলেদের ঠ্যাঙাতো। ওর কাছেই প্রথমে রিভলবার দেখে সহিদ। তারপর একদিন ওর কাছেই বন্দুক-পিস্তলের হাতেখড়ি।

    “কথা কস্ না ক্যান?”

    উঠতি বয়সের এক ছোকরাকে আসতে দেখে চুপ মেরে গেল রন্টু। সহিদকে সম্ভ্রমের সাথে সালাম দিয়ে চলে গেল ছেলেটা। আলতো করে কেবল মাথা দোলালো সহিদ, এখন আর শব্দ করে সালামের জবাব দেয় না। সারাদিন অসংখ্য সালাম পায় সে।

    “কারে মারবার চা?” প্রশ্নটা আবারও করলো রন্টুর দোস্ত।

    “কাউরে মারনের লাইগা চাইতাছি না।”

    সন্দেহের দৃষ্টিতে বাল্যবন্ধুর দিকে তাকালো সহিদ। রন্টু এখন ছিঁচকে মাস্তানি আর টুকটাক চাঁদাবাজি করে বেড়ায়। আর সবই করে নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য।

    “আমারে ওইটা দে…খোদার কসম, রাইতেই জিনিসটা রিটান দিমু তরে।”

    তাচ্ছিল্যের হাসি হাসলো সহিদ। রন্টুর হাত ধরে সে এই লাইনে এসেছে সত্যি, কিন্তু আজ তার সাথে যোজন যোজন দূরত্ব। বিস্তর ফারাক। দুই বছর আগে স্বৈরাচারের পতনের পর জায়গামতো একে ওকে ধরে সরকারি দলে ঢুকে পড়ে সে, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই এলাকায় সবচেয়ে বড় নেতা বনে যায়। এখন সূত্রাপুর-কোতোয়ালী থানা তো ব্যাপারই না, এমনকি পোস্তাগোলা থেকে লালবাগ পর্যন্ত তার ক্ষমতা বিস্তৃত।

    “আমারে বিশ্বাস কইরা পুরা ঘটনা না কইলে তুই একটা গুলিও পাবি না।” অবশেষে সরাসরি বলল সহিদ।

    বন্ধুর মুখের দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থাকলো রন্টু। “বিশ্বাস তো করছিলাম একবার।”

    কথাটা বুঝতে একটুও বেগ পেলো না সহিদ। বছর তিনেক আগে এই রন্টু খোঁজ দিয়েছিল, ঢাকার আদালত প্রাঙ্গনের এক ভেন্ডার জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে। সহিদ তখন একটি ছাত্র সংগঠনের ক্যাডার। তার বন্দুক চালানোর দক্ষতা কিংবদন্তিতুল্য। রন্টুর কথামতো জাল-স্ট্যাম্প বিক্রেতাকে গিয়ে ধরলো, কাজও হলো কিন্তু বন্ধুকে এককালীন তিনহাজার টাকা ধরিয়ে দিয়ে সে বলেছিল, ফিরোজ নামের ওই জাল-স্ট্যাম্প বিক্রেতাকে যেন আর ডিস্টার্ব না করে। রন্টুর বুঝতে অসুবিধা হয়নি, জালিয়াতটার সাথে মাসোহারার ব্যবস্থা করে নিয়েছে তার জিগরি দোস্ত।

    তিক্ত স্মৃতিটা সহিদের মেজাজ খারাপ করে দিলো। কাটাকাটাভাবে বলল সে, “বিশ্বাস না করবার পারলে ফোট!”

    এ কথাটা আমলেই নিলো না রন্টু। “এই জিন্দেগিতে আমি যদি তর কোনো উপকার কইরা থাকি, তাইলে আমারে ওইটা দে, দোস্ত।”

    “কইলাম তো, পুরা কাহিনী না কইলে গুল্লিও পাবি না।”

    সহিদের বন্ধু তার চিরাচরিত হতাশার প্রকাশ ঘটালো একহাতের মুঠি দিয়ে আরেক হাতের তালুতে জোরে জোরে আঘাত করে। ছোটবেলা থেকেই রন্টুর আচার আচরণের মধ্যে একটু বেশি মাত্রায় নাটকীয়তা আর বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলার প্রবণতা আছে। তার কাছে কোনো অস্ত্র নেই, আছে শুধু চাপার জোর। এটা দিয়েও বেশ কাজ সেরে নেয় সে।

    “আমি যদি ঘটনাটা কই তাইলে তুই আমার লগে বেঈমানি করবি না তো?”

    সহিদের কপালে ভাঁজ পড়ল। “কী এমন ঘটনা যে, বেঈমানির কথা উঠতাছে?”

    কণ্ঠটা খাদে নামিয়ে নাটকীয় ভঙ্গিতে বলল রন্টু, “গালকাটা ইকবাল… আলিমভাই… এয়ারপোর্ট… বিস্কুট… মনে আছে তর?”

    অন্য অনেকের মতো এই গপ্পোটা সহিদও জানে। এক দিকে রায়সাহেববাজার থেকে কলতাবাজার, লক্ষীবাজার হয়ে শাখারিবাজার তাঁতীবাজার-বংশাল আর অন্য দিকে ফরাশগঞ্জ, চামারটুলি পেরিয়ে সূত্রাপুরের কাপড়ামাকানে গিয়েও গল্পটা ঘুরপাক খায়। এই গল্পের সবচেয়ে বড় কথক রন্টু নিজেই। স্বয়ং গালকাটা ইকবাল নাকি গল্পটা বলেছে তাকে।

    সাতাত্তর-আটাত্তর সালের দিকে এই এলাকার প্রভাবশালী ছাত্রনেতা ছিল আলীমভাই, তার ডানহাত গালকাটা ইকবাল একদিন জানালো, তার কাছে পাক্কা খবর আছে, সন্ধ্যার দিকে কুর্মিটোলা এয়ারপোর্ট থেকে স্বর্ণের একটি চালান ঢুকবে তাঁতীবাজারে। সম্ভত স্বর্ণ-ব্যবসায়িদের মধ্যে ঝগড়া ফ্যাসাদের কারনে খবরটা বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। ব্রিফকেস ভর্তি স্বর্ণের বিস্কুটের কথা শুনে আলীমভাই নড়েচড়ে ওঠে। একটা প্রাইভেটকার নিয়ে তারা দু-জন ওঁৎ পেতে থাকে এয়ারপোর্টের বাইরে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই দেখতে পায় ঐ সময় পুরনো ঢাকার তাদের প্রতিপক্ষ নিত্যানন্দ গ্রুপের সবচেয়ে বড় দুই ক্যাডার নিতাই আর বুলেট একটা জিপ নিয়ে হাজির। দৃশ্যটা দেখে আলীমভাই রেগে গেলেও গালকাটা ইকবাল জানায়, এতে বরং সুবিধাই হয়ে গেল, তাদেরকে আর কষ্ট করে স্বর্নব্যবসায়ীর হাত থেকে ব্রিফকেসটা ছিনিয়ে নিতে হবে না। আলীমভাই তার সাগরেদের ইঙ্গিতটা ঠিকই ধরতে পেরেছিল।

    যাইহোক, কাজ সেরে নিত্যানন্দ গ্রুপের ক্যাডার দু-জন যখন স্বর্ণভর্তি ব্রিফকেস নিয়ে পুরনো ঢাকায় ফিরছিল তখন গাড়ি দিয়ে তাদের পথরোধ করে ইকবাল। ব্রিফকেসভর্তি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেবার পর তারা বেশ ফুর্তির মেজাজে ছিল, এরকম ঘটনার আশঙ্কাও করেনি ঘুণাক্ষরে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গালকাটা ইকবাল গাড়ি থেকে নেমে পিস্তল দিয়ে গুলি করে মেরে ফেলে তাদের দুজনকে। ঘটনাটা নাকি চোখের পলকে ঘটিয়েছিল ইকবাল। রন্টু অবশ্য আরও নাটকীয়তা যোগ করে এই ঘটনাটা বয়ান করে সব সময়-এক সেকেন্ডে দুটো গুলি! দুটোই ঠিক কপালের মাঝখানে! স্পট ডেড!

    এই ঘটনার দু-বছর পর আলীমভাই রাজনীতি থেকে সরে গিয়ে হয়ে ওঠে বিশিষ্ট স্বর্ণ-ব্যবসায়ী! প্রতিটি ঐশ্বর্যের পেছনে যে একটি অপরাধ থাকে, এই গল্প তার আরেকটি উদাহরণ।

    “তুই কি কইবার চাস?” অনেকক্ষণ পর বলল সহিদ।

    “আমার কাছে পাক্কা খবর আছে, আইজকা রাইতে…আটটার পর একটা চালান ঢুকবো।”

    বন্ধুর দিকে অবিশ্বাসে চেয়ে রইলো সহিদ। “কয়জন থাকবো?”

    “একজনই।”

    চমকে উঠল সহিদ। “একজন!” তার কাছে অবশ্য ব্যাপারটা অস্বাভাবিকও মনে হলো না। স্মাগলারা একেবারে মামুলিভাবে মালামাল বহন করে যাতে সন্দেহের সৃষ্টি না হয়।

    “ইলিগ্যাল মাল…হালারপুতে চিল্লাইবারও পারবো না। আরামসে কামটা করন যাইবো।”

    “তুই একলা করবার পারবি?”

    আবারও মাথা ঝাঁকালো রন্টু। “হাতে পিস্তল থাকলে আমি কী করবার পারি তুই ত জানোসই।”

    সহিদ এটা জানে। কিন্তু সে-সবই অতীতের কথা। এখন যে রন্টু তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে সে নেশাখোর, ছিঁচকে মাস্তান, চিটিং-বাটপারি করে বেড়ানো একজন।

    “তুই কেমনে বুঝবি কোন লোকটা ক্যারি করতাছে?”

    মুচকি হাসলো রন্টু। “ক্যারিয়ারে আমি চিনি।”

    “ক্যাঠা?”

    “এইটা কইয়া দিলে আর থাকে কী?”

    সহিদ কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বলল, “আচ্ছা, এক শর্তে দিবার পারি।”

    “কি শর্ত?” চঞ্চল হয়ে উঠল রন্টুর চোখমুখ।

    “ফিফটি আমার ফিফটি তর।”

    সমস্ত চঞ্চলতা ফিকে হয়ে গেল রন্টুর, বন্ধুর দিকে স্থিরচোখে চেয়ে থেকে আচমকা বাঁকাহাসি দিয়ে উল্টো দিকে হাঁটা ধরলো সে।

    “কই যাস…খাড়া!” বন্ধুর পেছন পেছন কয়েক পা এগিয়ে গেল সহিদ। “খাড়া কইতাছি!”

    ঘুরে দাঁড়ালো রন্টু। “লালচটা একটু কমা…বুঝলি?” তজৰ্নী আর বুড়ো আঙুল এক করে পরিমাণটাও দেখিয়ে দিলো সে। “তুই তো সব পাইছোস…নেতা হইছোস, বিয়া করছোস…আইতে যাইতে মানুষ তরে সেলাম দেয়…আর কী চাস?”

    সহিদ কিছু বলল না। তবে শরমিন্দা হলো কি না তা-ও বোঝা গেল না।

    “একটা দান মারবার চান্স পাইছিলাম, মাগার তুই এইহানেও খাবলা মারবার চাস।”

    “ঠিক আছে, তুই ষাইট আমি চল্লিশ?”

    রন্টুর ঝাকড়া চুল দুলে উঠল। “একটা পিস্তল দিয়া হেল্প কইরা তুই এতগুলান বিস্কুট কেমনে চাস?”

    কয়েক মুহূর্তে চুপ থেকে সহিদ নতুন প্রস্তাব দিলো, “আমিও থাকলাম তর লগে? আমার মোটরসাইকেল আছে…চল, দুই বন্ধু মিলা কামটা করি?”

    “এইটা সম্ভব না।”

    “ক্যান?”

    “তুই এই এলাকার নেতা…সবৃতে তরে চিনে। ওই ক্যারিয়ার তরে দেখলেই হোগার কাপড় মাথায় তুইল্যা উল্টা দিকে সোড় দিবো।”

    মনে মনে সায় না দিয়ে পারলো না সহিদ। তাকে এই এলাকার ছেলে বুড়ো সবাই চেনে। আর অপরাধ জগতে তার চেহারাটা একটু বেশিই পরিচিত।

    “ঠিক আছে, আমি মোটরসাইকেল নিয়া একটু দূরে থাকলাম, কাম হওনের পর তুই আমার কাছে আয়া পড়বি?”

    থুতনি চুলকে মাথা নীচু করে ভাবতে লাগলো রন্টু।

    “গালকাটা ইকবাল কইলাম চোরের উপর বাটপারি করছিল,” আগের গল্পটার কথা স্মরণ করিয়ে দিলো তাকে। “তর লগেও তো এইরহম কিছু অইবার পারে?”

    “এই চালানের খবর আমি ছাড়া কেউ জানে না,” জোর দিয়ে বলল রন্টু।

    “তারপরও কোনো গ্যারান্টি নাই…কহন কী হয়া যায়…?”

    সহিদের কথা একটু ভেবে দেখলো সে। “ঠিক আছে, তুই বাইক লইয়া ভিক্টোরিয়াপার্কের সামনে থাকবি। কামটা আমি একলাই করুম। ব্রিফকেসটা লইয়াই আমি তর কাছে আয়া পড়ুম।”

    “তুই কই থাকবি?” সহিদ জানতে চাইলো।

    “শাখারি বাজারে ঢুকনের রাস্তায়।”

    “ঠিক আছে।”

    “তয় ফরটি-সিক্সটি না। থার্টি-সেভেনটি হইলে আছি।”

    মনে মনে হেসে উঠল সহিদ। জিনিস একবার হাতে আসার পর এই ভাগাভাগি উল্টে দেয়া যাবে। “তর কথাই সই।”

    .

    স্বর্ণফেরি

    অপেক্ষারত তিন যুবক রন্টুকে ঘরে ঢুকতে দেখে নড়েচড়ে বসলো। এদের মধ্যে সজল নামের ছেলেটার জ্বালায় অতীষ্ঠ এলাকাবাসী। দেড় বছর ধরে পুরনো ঢাকায় এই নতুন বালটা গজিয়েছে!

    রন্টু তার কোমর থেকে একটা সোনালি রঙের পিস্তল বের করতেই উঠে দাঁড়ালো সজল। অস্ত্রটার দিকে অবিশ্বাস্য চোখে চেয়ে রইলো সে। নিজেকে মাস্তান হিসেবে ভাবলেও এখনও বড়সর কোনো দান মারতে পারেনি। তবে পিস্তলটা দেখে তার মনে হচ্ছে সেই দিন সমাগত। আর কোনো কথা না বলে পকেট থেকে একটা টাকার বান্ডিল বাড়িয়ে দিলো সে। “জায়গামতোই আছে তাইলে?”

    “হ,” পিস্তলটা কোমরে গুঁজে টাকাগুলো পকেটে ভরে চুপচাপ ঘর থেকে বের হয়ে গেল রন্টু। কাজের সময় বেশি কথা বলে না কখনও।

    .

    স্বর্ণবিভ্রম

    সহিদ তার বাইকটা রেখে দাঁড়িয়ে আছে ভিক্টোরিয়াপার্কের সামনে। অস্থিরতায় বার বার হাতঘড়ি দেখছে সে। অস্ত্র ছাড়া নিজেকে কেমন অসহায় লাগে। সেই চৌদ্দ বছর বয়স থেকে অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। কোমরে ঐ জিনিসটা না থাকলে নিজেকে পুরুষই ভাবে না এখন। আর এখন তো তার শত্রুর সংখ্যাও কম নয়। বাধ্য হয়েও ওটা রাখতে হয় সব। সময়।

    একটু আগে রন্টুকে তার সোনালি রঙের পিস্তলটা দিয়ে দিয়েছে। কথামতো রাত সাড়ে আটটার মধ্যে ঘটনা ঘটবে, কিন্তু পৌনে ন-টা বেজে গেলেও রন্টুর দেখা নেই। অজানা আশঙ্কা দানা বাঁধছে তার মনে। কেন। জানি মনে হচ্ছে, নেশাখোর রন্টু তাকে টোপ দিয়ে দামি পিস্তলটা বাগিয়ে নিয়েছে। এখন সস্তাদরে বিক্রি করে নেশার টাকা জোগাড় করবে। কিন্তু এ কাজটা করলে রন্টু যে বিরাট বড় বোকামি করবে সে-ব্যাপারে তার মনে কোনো সন্দেহ নেই।

    এবার যদি উল্টাপাল্টা কিছু করে রন্টু তাহলে তার শাস্তি হবে কঠিন। গত বছর যে আকাম করে পার পেয়ে গেছিল সেটার কাছে আজকেরটার কোনো তুলনাই হয় না। ওটা ছিল নিছক একটা লোক ঠকানো কাজ। মহল্লার এক ধনীর বাড়ির সামনে রাখা মাইক্রোবাস দেখিয়ে পাড়ার। কলেজের এক ছেলেকে বলেছিল, এটা তার নিজের গাড়িভাড়া দেয়া হয়। ছেলেটা পিকনিকের গাড়ি ভাড়া চাইলে চার হাজার টাকা নিয়ে রন্টু বলেছিল, পরদিন সকালে গাড়িটা রেডি পাবে। কিন্তু পরদিন এলেও রন্টুর দেখা আর পায়নি সে। রন্টু তখন ময়মনসিংহ শহরে গাঙিনার পাড়ে তার আরেক জিগরি দোস্তের সাথে জমিয়ে ফেন্সি খাচ্ছে।

    এই ঘটনার প্রায় এক মাস পর রন্টু মহল্লায় এলে সহিদ আর এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করেনি। যদিও প্রতারিত ছেলেটা তার কাছেই বিচার দিয়েছিল। বাল্যবন্ধু হিসেবে ব্যাপারটা নিছক হাসি-তামাশার খোরাক বানিয়ে মাফ করে দিয়েছিল সে।

    কিন্তু এবার যদি সে এরকম কিছু করে…

    একটা দৃশ্য তার চিন্তাভাবনায় শুধু ব্যাঘাতই ঘটালো না, রীতিমতো ঝাঁকিও দিলো। তার দিকে এগিয়ে আসছে একটা বাইক। পরক্ষণেই বুঝতে পারলো-র নয়, বোকামি করে ফেলেছে সে নিজে!

    কিন্তু সহিদ কোনো কিছু করার আগেই বাইকের পেছনে বসা ছেলেটা তার দিকে পিস্তল তাক করে গুলি ছুঁড়লো।

    পাঁচটা গুলির মধ্যে প্রথম দুটো গুলির শব্দ শুনতে পেলো সহিদ।

    তার পর সব অন্ধকার।

    .

    স্বর্ণভ্রষ্ট

    নিজের ঘরে খিড়কি দিয়ে খাটের নীচ থেকে একটা ট্রাঙ্ক বের করে আনলো রন্টু। বিশ বছর ধরে পড়ে থাকলেও পিস্তলটা একদম নতুন দেখাচ্ছে। সহিদের মৃত্যুর পর ঠিক করেছিল, পিস্তলটার কথা সবাই ভুলে গেলে বিক্রি করে কিছু কামাবে। তারপর বেশ কয়েকবার বিক্রি করার কথা মাথায় এলেও কেন জানি করা হয়নি। তার কাছে মনে হতো, এই পিস্তলটা বিক্রি করে দিলে সে নিঃস্ব আর অক্ষম হয়ে যাবে। ট্রাঙ্কের ভেতরে রাখা এই অস্ত্রটাই তার একমাত্র আত্মবিশ্বাস হিসেবে কাজ করেছে এতগুলো বছর ধরে। আর এভাবেই বিশটি বছর পার হয়ে গেছে কেমন করে টেরই পায়নি।

    বেশ দেরিতে বিয়ে করেছে সে। তার একমাত্র মেয়েটার বয়স মাত্র আট। কঠিন অসুখ হয়েছে ওর। প্রচুর টাকার দরকার। ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন কারো সাথে তার সম্পর্ক নেই। অভাবি আর নিঃসঙ্গ একজন মানুষ সে। বউয়ের সাথে নিত্য ঝগড়া হয়। বড়ভাই তার দোকানে বসার সুযোগও দিয়েছিল কিন্তু দোকানের ক্যাশ থেকে টাকা চুরি করে নেশা করতে গিয়ে সেই চাকরির সাথে সাথে সম্পর্কটাও খুইয়েছে। পৈতৃক সম্পত্তির ভাগাভাগিতে দুটো ঘর পেয়েছে বলে বউ-বাচ্চা নিয়ে কোনমতে সংসার করে যাচ্ছে এখন।

    গতকাল অস্ত্রব্যবাসায়ী শুটার সামাদকে ফোন করে জানায় একটা বিদেশি পিস্তল বিক্রি করতে চায় সে। অভিজ্ঞ সামাদ পিস্তলের বিবরণ জেনে নিতে ভুল করেনি। সব শুনে কিছুক্ষণ পর তাকে ফোন দিয়ে জানায়, যদি ভালো দাম পেতে চায় তাহলে যেন আজ সকালে চলে আসে ওটা নিয়ে। তার সামনেই দরদাম করা হবে, বিক্রি থেকে বিশ পার্সেন্ট কমিশন দিতে হবে তাকে।

    তাই আজ অনেক বছর পর আবার কোমরে পিস্তল গুঁজে ঘর থেকে। বের হয়ে গেল রন্টু।

    .

    স্বর্ণভঙ্গ

    শুটার সামাদ প্রশংসার দৃষ্টিতে চেয়ে আছে সোনালি রঙের পিস্তলটার দিকে।

    “রেয়ার জিনিস…এখন আর এইসব মেশিন পাওয়া যায় না।”

    উসখুস করছে রন্টু। যতো তাড়াতাড়ি বিক্রি করে চলে যাবে ততই ভালো। এটা সে কোত্থেকে পেয়েছে-এমন প্রশ্ন করা হলে কোন গল্পটা বলবে ঠিক করে রেখেছে। গল্প বানানোর ব্যাপারে তার জুড়ি নেই।

    কিন্তু ঝানু ব্যবসায়ী সামাদ এ নিয়ে কোনো প্রশ্নই করলো না।

    “বিশ-বাইশ বছর তো হইবোই…না?”

    কথাটা শুনে রন্টুর বুক কেঁপে উঠল। বুঝতে পারলো, লম্বা একটা সময়ের পরও এই পিস্তলটার কথা সবাই ভুলে যায়নি। “কি কইতাছে…বুঝবার পারলাম না?”

    “আরে, তুমি দেখি ঘাবড়ায়া যাইতাছো,” রহস্যময় হাসি দিলো সামাদ। “বিশ-বাইশ বছর আগে সহিদের কাছে আমি এই জিনিসটা বেচছিলাম।”

    আলগোছে ঢোক গিললো রন্টু।

    “কতো বছর পর আবার মেশিনটা হাতে পাইলাম!” পিস্তলটায় পরশ বুলিয়ে বলল, “সহিদের খুব পছন্দ হইছিল…পঁচাত্তর হাজার টাকায় বেচছিলাম ওর কাছে।”

    রন্টু কোনো কথাই বলল না।

    “এইটা তুমি কেমনে পাইলা আমি কিন্তু জিগামু না,” সামাদ বলল। “এইসব জাননের কোনো দরকারও নাই আমার।”

    রন্টু হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো। সামাদ যে তার কমিশন বাড়ানোর জন্য এই চাল চালছে বুঝতে বাকি রইলো না। সে কিছু বলতে যাবে অমনি প্রায় নিঃশব্দে ঘরে ঢুকে পড়ল তিন যুবক। এদের মধ্যে একজনকে সে ভালো করেই চেনে। তাকে দেখেই দ্রুত বুঝে গেল সবটা। নিজেকে সামলে নেবার আপ্রান চেষ্টা করলো সে।

    “এই যে, ভাতিজা…তোমার আব্বার পিস্তল,” সোনালি রঙের পিস্তলটা তুলে ধরে বলল সামাদ। “আমি ওর কাছ থিকা শুইনাই বুঝবার পারছিলাম এইটা তোমার বাপের।”

    রন্টুর দিকে খুনেদৃষ্টি নিয়ে তাকালো ছেলেটা। এখানকার এক কলেজের ছাত্ররাজনীতি করা এই ছেলে বাবার পথেই হাঁটছে। সে এখন শুটার সামাদের একজন নিময়মিত ক্রেতা।

    “তাইলে আপনেই আমার বাবার লগে গাদ্দারিটা করছিলেন!”

    রন্টু অবিশ্বাসে হাত নাড়িয়ে অস্বীকার করলো, তার মুখ দিয়ে কথা বেরুচ্ছে না এখন।

    “বাপের কাছে মেশিন থাকলে কুনো হালার সাহস হইতো না তারে গুলি করনের…আপনেই তার মেশিনটা সরাইছিলেন সজল খানকিরপোলার লগে হাত মিলাইয়া!”

    দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে কাঁদো কাঁদো হয়ে রন্টু বলল, “তুমি এর কথা বিশ্বাস কইরা ফালাইলা!?” অবিশ্বাস্য ভঙ্গিতে সামাদের দিকে ইঙ্গিত করলো রন্টু।

    “হেরে বিশ্বাস না কইরা আপনেরে বিশ্বাস করুম আমি?! আমারে পাগলা কুত্তায় কামড়াইছেনি?”

    গভীর করে দম নিয়ে নিলো রন্টু। তার মাথাটা কাজ করছে না আগের মতো। কী বলবে বুঝে উঠতে পারছে না। “তাইলে হেরে বিশ্বাস কইরা তুমি বাপের দোস্তরে মারবার চাও!…আচ্ছা…মারো! মাগার তার আগে আমার দুইটা কথা হুনো,” অনেক চেষ্টা করছে চোখে পানি আনার কিন্তু আসছে না।

    সহিদের ছেলের ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের হাসি।

    “এই হালায় যে এত বড় গাদ্দারি করবো আমার লগে বুঝবার পারি নাই।”

    শুটার সামাদ কিছু বলতে যাবে তার আগেই সহিদের ছেলে হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিলো। “হে আপনের লগে কী গাদ্দারি করছে?”

    “খালি আমার লগে করলে তো কথা আছিল না…হালারপো তোমার বাপের লগেও গাদ্দারি করছে।”

    “তুই কী কইবার চাস!” গর্জে উঠল অস্ত্রব্যবসায়ী। সে বিশ্বাসই করতে পারছে না রন্টু এসব কী বলতে শুরু করেছে।

    হাত তুলে তাকে বিরত করলো সহিদের ছেলে জিতু। “হে কেমতে বেঈমান হইলো?” তার চোখেমুখে সন্দেহ।

    চেহারায় করুণ ভাব এনে, চোখদুটো ছলছল করে, যেখানে যতটুকু আবেগ আর নাটকীয়তা দেখানোর দরকার ততটুকুই দেখাতে দেখাতে রন্টু তার গল্পটা বলতে শুরু করলো :

    সামাদের কাছে যে সহিদের সোনালি পিস্তলটা আছে সেটা বহু আগেই জানতো সে। অভাবে পড়ে, নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য কিছুদিন আগে সামাদকে ভয় দেখিয়েছিল-সহিদের ছেলে এখন বড় হয়েছে, বাপের মতোই নামডাক করে ফেলেছে। সেই ছেলেকে সব বলে দিলে শুটার সামাদ ‘ফিনিশ’ হয়ে যাবে। এ কথা শুনে সামাদ সত্যি সত্যি ফিনিশ হবার ভয় পেয়ে তাকে কিছু টাকাও ধরিয়ে দেয়। সে ভালো করেই জানে, সহিদের ছেলে এসব জানতে পারলে তাকে আস্ত রাখবে না। গতকাল আবারও রন্টুর টাকার দরকার হলে সামাদকে ফোন করে, সামাদও তাকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য কিছু টাকা দেবে বলে আজ আসতে বলে দেয়। এ কারণেই সে আজ এসেছে। কিন্তু সামাদ যে বিরাট বড় চাল দিয়ে উল্টো সহিদের ছেলেকে ম্যানেজ করে ফেলেছে সে-ব্যাপারে রন্টুর কেননা ধারণাই ছিল না। এতোক্ষণ সে যা বলল তা একদম সত্যি-এর চেয়ে বড় সত্যি দুনিয়াতে আছে কি না রন্টুর জানা নেই। এর একবিন্দুও মিথ্যে নয়।

    রন্টু চেষ্টা করেও চোখে পানি আনতে পারেনি গল্পটা বলার সময়। আতঙ্কের সাথে সে দেখছে, তার কথা শুনে মিটি মিটি হাসছে সহিদের অল্পবয়সি ছেলেটা।

    ওদিকে শুটার সামাদ দাঁত বের করে হাসছে আর মা-বাপ তুলে গালি দিয়ে যাচ্ছে তাকে। “খানকিরপোলায় কয় কী! কাহিনী তো ভালাই বানাইবার পারে।”

    কিন্তু রন্টু এসব গায়ে না মেখে সহিদের ছেলের দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিলো। “তুমিই কও ভাতিজা, আমি কি এইরহম একটা দামি জিনিস বিশবছর ধইরা রাখমু? আমারে পাগলে কামড়াইছে? আমার কোনো আয়রোজগার নাই, এরে ওরে ফাপড় দিয়া চলি…আমার কাছে এই পিস্তলটা থাকলে এইটা আমি ইউজ করতাম না?”

    রন্টু দেখতে পেল সহিদের অল্পবয়সি ছেলেটার পিস্তল ধরা হাত উঠে আসছে তার কপাল বরাবর। “খানকির পোেলা…তুই আমারে এতিম করছো!” দাঁতে দাঁত পিষে বলল সে।

    প্রমাদ গুণলো রন্টু। এই জীবনে প্রথমবারের মত তার গল্পটা কোনো রকম প্রভাব বিস্তার করতে পারলো না। নিজেকে বড্ড অসহায় লাগছে তার। ভয়ে চোখ বন্ধ হয়ে এলো। জোর করে চোখদুটো খোলার কথা ভাবলো না। তার বন্ধ চোখে অন্ধকারেও ভেসে উঠল আট বছরের অসুস্থ মেয়েটার মুখ। তারপরই টপ টপ করে দুচোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল অবশেষে।

    একেবারে সত্যিকারের অশ্রু!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইনফার্নো – ড্যান ব্রাউন
    Next Article রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }