Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভেজাল

    উপন্যাস ছোটগল্প সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প14 Mins Read0

    ভেজাল

    পেছনের গাড়িটার খুব বেশি দোষ ছিল না। বেশ কয়েকবার হেডলাইট জ্বালিয়ে নিবিয়ে সিগন্যাল দিয়েছে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য। তবু সামনের ফিয়াট গাড়িটা হেলতে-দুলতে চলেছে রাস্তার মাঝখান দিয়ে। যেন ওদের পেরিয়ে আর কোনও গাড়ির যাওয়ার অধিকার নেই।

    আলো ফেললে দেখা যাচ্ছে, ফিয়াট গাড়িটায় রয়েছে দুজন। এক পুরুষ ও এক মহিলা, দুজনেই মাথা ঝাঁকাচ্ছে মাঝে-মাঝে, যেন খুব হাসাহাসিতে ব্যস্ত। সন্ধে হয়ে এসেছে, জঙ্গলের রাস্তা, এই রাস্তায় সকলেই ব্যস্ত থাকে, শুধু গাড়িটার কোনও তাড়া নেই মনে হয়।

    পেছনের জিপ গাড়িটা এক জায়গায় রাস্তাটা একটু চওড়া পেয়ে জোর হর্ন দিয়ে ওভারটেক করতে গেল। ফিয়াট গাড়িটা যেন কোনও অপটু ড্রাইভার চালাচ্ছে, বাঁ-দিকে যথেষ্ট জায়গা থাকতেও সে কেন যেন ডান দিকে চলে আসতে চাইল। তার পেছনের জিপটার সঙ্গে ধাক্কা খাবার ঠিক আগের মুহূর্তে সে হঠাৎ এমন সাপটে বাঁ-দিকে ঘোরালো যে আর তাল সামলাতে পারল না। রাস্তা ছেড়ে বাঁ-দিকের ঢালু দিয়ে গড়িয়ে নামতে লাগল নীচে।

    জিপটা তীব্র ব্রেক কষে থামিয়ে দিয়ে দারুণ বিস্ময়ের সঙ্গে তার ড্রাইভার বলল, কী হল? কোন উল্লুকের বাচ্চা চালাচ্ছে ওই গাড়িটা?

    জিপে চার-পাঁচ জন লোক। তাদের মুখগুলি উদগ্রীব। তারা রাস্তার বদলে ঘর-বাড়ি ভালোবাসে, তারা থামতে চায় না। তারা পৌঁছতে চায়।

    ড্রাইভারের পাশের লোকটি বলল, তুই ওকে টাচ করেছিস, টের পেলাম না তো। ড্রাইভার জোর দিয়ে বলল, মোটেই না। আমার গাড়ি ওই ফিয়াট একটুও টাচ করেনি। আমার ডান দিকে গাছ, আর একটু হলে আমারই অ্যাকসিডেন্ট হয়ে যেত!

    পাশের লোকটি বলল, নিশ্চয় ড্রাংক! নবাবের মতন সারা রাস্তা জুড়ে গাড়ি চালাচ্ছে!

    পেছন থেকে একজন বলল, একবার নেমে দেখবে নাকি ওদের কী হল?

    ড্রাইভারের পাশের লোকটি দলপতি। সে বলল, আমাদের কী দায় পড়েছে? আমাদের কোনও দোষ নেই। কিন্তু তুই ওদের সঙ্গে কথা বলতে যা, অমনি ওরা বলবে, আমরাই ওভার টেক করতে গিয়ে ওদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছি!

    পেছন থেকে আর-একজন বলল, রাস্তাটা এখানে বেশ উঁচু। দুপাশ ঢালু হয়ে অনেকখানি নেমে গেছে। ঠিক মতন হ্যান্ড ব্রেক না দিতে পারলে গড়িয়ে পড়ে যাবে!

    দলপতি বলল আমাদের ওসব ঝুটঝামেলায় যাওয়ার দরকার কী? শুধু-শুধু ফেঁসে যাব! তা ছাড়া আটটার মধ্যে না পৌঁছতে পারলে…চল। সুধীর চল…

    ড্রাইভার আবার স্টার্ট দিল। জিপ গাড়িটা হুশ করে মিলিয়ে গেল সামনের অন্ধকারে।

    ফিয়াট গাড়িটা গড়াতে-গড়াতে চলছে, প্রথমে স্টিয়ারিং-এ কপাল ঠুকে যাওয়ায় অজ্ঞান হয়ে গেছে অবনী। আর ভয়ে চিৎকার করছে কেতকী। তার প্রসাধন চর্চিত সুন্দর মুখখানি এখন আতঙ্কে বীভৎস, সে যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে মৃত্যু। পাহাড়ি রাস্তা নয়। এ-গাড়ি যেন। নেমে যাচ্ছে নরকে।

    একটা মহুয়া গাছে ধাক্কা লেগে গাড়িটা থামল। ঝনঝন করে ভেঙে গেল হেড লাইটের কাচ। রেডিয়েটার ফুটো হয়ে ঝরঝর করে পড়তে লাগল জল, কেতকীও চেতনা হারিয়েছে।

    কিছুক্ষণ বাদে কেতকীরই আগে জ্ঞান ফিরে এল। প্রথমেই তার মনে হল সে কি মরে গেছে? এই কী মৃত্যু! খুব বেশি যন্ত্রণা হল না তো! তারপর সে হাত বুলিয়ে দেখল, তার নাক-চোখ-চিবুক কিছুই নষ্ট হয়নি। পাশের দিকে তাকিয়ে দেখল, স্টিয়ারিং-এর ওপর এলিয়ে পড়ে আছে অবনী। তবে কি অবনী বেঁচে নেই! অবনীর গায়ে হাত ছোঁয়াতে গিয়েই কেতকী দেখতে পেল, ডান দিকে দাঁড়িয়ে আছেদুজন লোক। লুঙ্গি পরা, খালি গা।

    আবার বুকটা ধক করে উঠল কেতকীর। মুসলমান! গুণ্ডা! ওরা খুন করবে, তার আগে রেপ করবে!

    সে পাগলের মতন অবনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেলতে-ঠেলতে চ্যাঁচাতে লাগল, অবনী, শিগগির ওঠো, মরে যাব, আমরা মরে যাব, ওঠো…

    অবনীর শরীর নিথর। সেই অবস্থাতেও কেতকী দ্রুত চিন্তা করতে লাগল। অবনী সঙ্গে একটা রিভলভার রাখে, সেটা কোথায়, ড্যাসবোর্ডে না অবনীর পকেটে? সে রিভলভার চালাতে জানে না, তবু সেটা পেলে ওদের ভয় দেখাতে পারত।

    এবারে বাইরের লোক দুটির পাশে এসে দাঁড়াল একজন স্ত্রী লোক। সে জিগ্যেস করল, কী হল, বেঁচে আছে?

    স্ত্রী লোকটিকে দেখে কয়েক মুহূর্তের জন্যে চিৎকার থামাল কেতকী। তার খটকা লেগেছে ডাকাত দলের সঙ্গে কি স্ত্রীলোক থাকে?

    গাড়িটা কাত হয়ে গিয়েছিল, বাইরের তিনজন প্রাণপনে ঠেলে সেটা সোজা করে। একটা দরজা খুলে ফেলল। একজন পাঁজা কোলা করে অবনীকে তুলে নিয়ে শুইয়ে দিল ঘাসের ওপর।

    কেতকী এসব দেখে দৌড়ে গিয়ে ঝুঁকে পড়ল অবনীর বুকের কাছে। হ্যাঁ। অবনীর নিশ্বাস ঠিকই পড়ছে। কপালটা ফুলে গেছে তার। এছাড়া শরীরে আর কোনও ক্ষত নেই। খুব গোপনে কেতকী অবনীর প্যান্টের পকেট ও কোমর হাতড়েও দেখে নিল, না, রিভলভারটা অবনীর সঙ্গে নেই।

    একজন পুরুষ বলল, অজ্ঞান হয়ে গেছে গো! চোখে মুখে পানি দিতে হবে!

    স্ত্রীলোকটি বলল, আমাদের ঘরে নিয়ে চলো। এসো গো বউদি!

    মাত্র শ-দুয়েক গজ দূরেই একটা ছোট গ্রামের মতন। কাছাকাছি চার-পাঁচখানা ঘর, সামনে একটা ডোবা একটি গরুর গোয়াল। দুজন লোক ধরাধরি করে এনে অবনীকে শুইয়ে দিল। উঠোনে পাতা খাঁটিয়ার ওপর। স্ত্রী লোকটি একটা চকচকে পেতলের ঘটি ভরতি জল এনে কেতকীকে বলল। দাও গো বউদি। তুমি ভালো করে পানি ছিটিয়ে দাও!

    স্ত্রী লোকটি কেতকীর চেয়ে বয়েসে ঢের বড়। তবু সে বিশেষ ভূমিকায় কেতকীকে বউদি সম্বোধন করতে শুরু করেছে। অবনীর মাথায় ও চোখে এক ঘটি জল ঢেলে দেওয়ার পরেও কেতকী ওর। জামার বোতাম খুলে ওকে জলের ঝাপটা দিতে লাগল। তবু অবনীর জ্ঞান ফিরল না। কেতকীর খুব অসহায় লাগছে। এরা কেমন লোক এখনও বোঝা যাচ্ছে না। পুরুষগুলো প্যাট-প্যাট করে তাকিয়ে আছে তার শরীরের দিকে। অবনীর জ্ঞান না ফিরলে সে তো কিছুই করতে পারবে না।

    একজন বলল একটু গরম দুধ খাওয়ালে কাজ হত না?

    সঙ্গে-সঙ্গে আরও দু-তিনজন বলে উঠল, গরম দুধ, গরম দুধ খাওয়াও!

    গোয়াল ঘর থেকে একজন একটা গাভীকে নিয়ে এল বাইরে। আকাশে খানিকটা জ্যোৎস্না উঠেছে। সব কিছুই এখন ছায়া-ছায়া দেখায়।

    চ্যাঁ-চোঁ শব্দে দুধ দোওয়া হতে লাগল। কেতকী অনেকদিন এরকম দুধ দোওয়া দেখেনি। দুধ। দুইছে স্ত্রী লোকটি। এই উঠানেরই এক কোণে জ্বলছে একটা কাঠের উনুন। এদের বুঝি রান্না ঘর নেই? বৃষ্টি হলে কী করে? একটা ছোট ডেকচির অর্ধেকটা দুধে ভরে গেলে স্ত্রীলোকটি সেটাকে বসিয়ে দিল উনুনে।

    কেতকী দ্রুত অনেক কিছু চিন্তা করে যাচ্ছে। অবনী আসার পথে অনেকটা হুইস্কি খেয়েছে। বোতল থেকে নিট, এর পর দুধ খাওয়া কি ঠিক হবে? হুইস্কির পর দুধ কি চলে? বমি হয়ে যাবে না? দেখাই যাক না, বমি হলেও হয়তো তাতে খানিকটা উপকার হবে।

    এরা দুধ দুয়েই সঙ্গে-সঙ্গে উনুনে চড়িয়ে দিল! জল মেশাল না? জল না মেশানো খাঁটি দুধ কেউ খায় পৃথিবীতে? কেতকীর মনে পড়ল, ছেলেবেলায় সে তার মাকে দেখেছে, উনুনে দুধ গরম করার সময় মা নিজেই খানিকটা জল মিশিয়ে দিত। সবাইকে একটু-একটু দুধ দিতে গেলে জল মেশালে কুলোত না তার সঙ্গে গোয়ালারাও নিশ্চয়ই জল মেশাত।

    জঙ্গলের মধ্যে গ্রাম হলেও এদের কাছে কাচের গ্লাস আছে। একটা গ্লাস দুধে ভরতি করে, গরম হওয়ার জন্য সেটা একা ন্যাকড়া দিয়ে জড়িয়ে এনে স্ত্রীলোকটি বলল, একটু-একটু করে খাইয়ে দাও গো বউদি। আমি বাবুর মাথাটা তুলে ধরছি।

    অবনীয় গায়ে ছোট-ছোট চড় মেরে, তার ঠোঁট জোর করে ফাঁক করিয়ে দিয়ে তাতে খানিকটা গরম দুধ ঢালতেই অবনী ছটফটিয়ে উঠল। চোখ মেলে বলল, আরে কী হচ্ছে? এটা কী?

    কেতকী বলল, সব ঠিক হয়ে গেছে। তুমি দুধটা খেয়ে নাও!

    তারপর সে যোগ করল, একদম খাঁটি দুধ। এইমাত্র দেওয়া হল!

    অবনী চারপাশটা চোখ বুলিয়ে জিগ্যেস করল, কেতকী, কী হয়েছে?

    কেতকী বলল, গাড়ির অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে। মনে নেই? বেশি কিছু ক্ষতি হয়নি। এখন কেমন লাগছে?

    অবনী দু-তিন ঢোঁক দুধ খেল। তার বমি হল না বটে, কিন্তু এরপর হাত দিয়ে গ্লাসটা সরিয়ে দিয়ে বলল, আর না।

    ধপাশ করে সে শুয়ে পড়ল আবার।

    গ্লাসের বাকি দুধটা ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছে করল না কেতকীর। এঁটো দুধ, ওরা নিশ্চয়ই ফেলে দেবে। সে নিজেই একটু-একটু চুমুক দিতে লাগল। খাঁটি দুধের এরকম স্বাদ? এরকম দুধ সে জীবনে খায়নি।

    অবনী আবার চোখ বুজেছে। খানিক বাদেই তার একটু-একটু নাক ডাকতে লাগল।

    আরও কয়েকবার তাকে ঠ্যালাঠেলি করল কেতকী। অবনীর কোনও সাড়া নেই। এটা নেশার ঘুম। ওরকম ভাবে কাঁচা হুইস্কি খেতে কতবার বারণ করেছিল কেতকী। অবনী গর্ব করে। বলেছিল, সে কক্ষনো আউট হয় না।

    কেতকী দুর্বল গলায় জিগ্যেস করল, কাছাকাছি কোনও ডাক্তারখানা আছে?

    একজন বলল, এখানে তো ডাক্তার নেই, সেই শহরে যেতে হবে।

    আর-একজন বলল, একটু ঘুমিয়ে নিতে দাও না। ঠিক হয়ে যাবে।

    যার নাক ডাকে, সে তো গুরুতর অসুস্থ নয়। তা গ্রামের লোকেও বোঝে। কেতকীরও খুব ক্লান্ত লাগছে। কিন্তু সে তো এতগুলো চোখের সামনে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়তে পারে না।

    ছোটখাটো একটা ভিড় জমে গেছে তাদের ঘিরে। কেতকী ওদের সঙ্গে কথা বলছে টুকিটাকি। এটা একটা মুসলমান গোয়ালাদের গ্রাম। দুধ বিক্রিই জীবিকা। তবে দুধ নিয়ে এদের শহরে যেতে হয় না। প্রতিদিন সকালে পাইকার এসে এদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। সব মিশিয়ে মোট আটটি পরিবার। কিছু চাষের জমিও আছে।

    কয়েকটি অল্প বয়েসি মেয়ে একেবারে কাছে এসে পড়ল কেতকীর। কেতকীর দুকানে নকল হিরের দুল, আংটিতে ঝুটো মুক্তো, রোল্ড গোল্ডের ব্যান্ডের ঘড়ি, সেইসব ওরা অবাক হয়ে দেখছে।

    একজন বলল, বাবু আর দিদিমণিটা দুজনেই দেখতে কী সুন্দর! কেমন মানিয়েছে দ্যাখ। সিনেমার মতো!

    আর একজন জিজ্ঞাসা করল, তোমাদের কতদিন বিয়ে হয়েছে গো?

    একটু দ্বিধা করে কেতকী বলল, আড়াই বছর!

    –ছেলেমেয়ে হয়নি?

    কেতকী হেসে বলল, না!

    বয়স্কা স্ত্রী লোকটি এসে অন্যদের তাড়া দিয়ে বলল এই যা, যা, ওনাদের একটু বিশ্রাম নিতে দে! আল্লার দয়ায় বেঁচে গেছে।

    তারপর সে খানিকটা কুণ্ঠিতভাবে বলল, বউদি, তোমার খিদে পায়নি? রাত তো বাড়ছে। আমরা অল্পরাতে খেয়ে-দেয়ে শুয়ে পড়ি। খুব সকাল-সকাল উঠতে হয় তো। তোমাকে কী খেতে দিই, ভাত তো খাবে না।

    কেতকী জিগ্যেস করল, তোমরা রাত্রে কী খাও?

    স্ত্রীলোকটি বলল, আমরা তো এখন ভাত বানব, খাব। কিন্তু তোমরা…ঘরে তো চিড়ে-মুড়ি কিছু নাই আর।

    কেতকী ক্ষীণভাবে হাসল। এরা কী ভাবছে, এরা মুসলমান বলে কেতকীরা এদের হাতের ভাত খাবে না? অবনীর বাড়ির বাবুর্চি মুসলমান। স্টুডিওর অধিকাংশ কর্মীই মুসলমান। ওসব জায়গায় যাওয়ার সময় কে হিন্দু, কে মুসলমান মনেই থাকে না। গ্রামে বোধহয় এইসব তফাত এখনও চলে।

    এখন ভাত খাবার একটুও ইচ্ছে নেই। কোনওক্রমে এখান থেকে চলে যেতে পারলে হয়।

    ভয় আর লাগছে না বটে, অস্বস্তি হচ্ছে। কিন্তু যাওয়া হবে কী করে? অবনীর স্বভাব সে জানে, নেশার ঝোঁকে একবার অজ্ঞান হলে, দু-তিন ঘণ্টার আগে জ্ঞান ফিরবে না। আশ্চর্য নেশা, এতবড় একটা কাণ্ডের পরও কেউ ঘুমোতে পারে? অবনীনা জাগলে গাড়িটার কী অবস্থা হয়েছে, তাও বোঝা যাচ্ছে না।

    ভাত খেতে আপত্তি করলে এরা ভাববে কেতকী মুসলমানের হাতের ছোঁয়া খায় না। কী জ্বালা, এরা এত ভালো ব্যবহার করছে। কেতকী কৃত্রিম উৎসাহ দেখিয়ে বলল, হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভাত খাব না কেন?

    স্ত্রীলোকটি বিস্মিত-খুশির সঙ্গে বলল, খাবে? ভাত খাবে? চল এনে দিই, তুমি নিজেই ফুটিয়ে নাও তবে!

    কেতকী বলল, আলাদা রাঁধতে হবে কেন? একসঙ্গেই করে নাও, তোমাদের থেকেই একটু দিও।

    আমাদের পেঁকি ছাঁটা চাল, একটু লাল হয়, মোটা খেতে পারবে তো?

    চেঁকি ছাঁটা চাল তো খুব ভালো।

    পাশ থেকে একজন পুরুষ বলল ভাত তো খেতে বললে, খাবে কী দিয়ে? ওবেলার ডাল আর সবজি। সে কি ওনারা খেতে পারবেন?

    স্ত্রীলোকটি ঝংকার দিয়ে বলল, পুকুরে একবার জাল ফেলে দ্যাখ না, যদি দুটো মাছ পাস। দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে হাঁ করে দেখছিস কী? কত রাত হল খেয়াল আছে?

    কেতকী বারণ করতে গেল, কিন্তু কেউ কর্ণপাত করল না, দু-তিনজন হইহই করে চলে গেল।

    হঠাৎ বেশ জ্যোৎস্না উঠে গেছে। একেবারে অচেনা জায়গায়, এতগুলো মানুষের মধ্যে কেতকী কখনও বসে থাকেনি। তার খাঁটিয়ার চারপাশে বসে পড়েছে অনেকগুলো বাচ্চা এখন তারা কেউ কেতকীর হাত ধরেছে, কেউ তার হাত ধরে শাড়িটায় হাত বুলিয়ে দেখছে। তাদের গ্রামে এরকম মানুষ কখনও আসে না, তারা তাই একটা মজার খেলা পেয়েছে। শবনম নামে একটি কিশোরী। নানা প্রশ্ন করতে লাগল কেতকীকে। শহর সম্পর্কে তার দারুণ কৌতূহল। মেয়েটির মুখের গড়ন। অনেকটা পান পাতার মতন বেশ সুশ্রী, ঠিক মতন সাজগোজ করালে একে খুবই সুন্দর দেখাবে।

    পুকুরের পাড়ে একটা বেশ আনন্দ কলরব শোনা গেল। শবনম কেতকীর হাত ধরে টেনে বলল মাছ উঠেছে। চল দেখতে যাবে! এসো না!

    কেতকী উঠে গেল ওদের সঙ্গে। অবনীর নাম ডাকা থেমে গেছে সে কি চোখ বুজে সব শুনছে?

    একটা মাঝারি আকারের রুই মাছ ধরা পড়েছে! পুকুরটার চেহারা দেখলে মনেই হয় না যে এখানে এরকম মাছ থাকতে পারে। ছেলে-মেয়েদের চ্যাঁচামেচি শুনে বোঝা যায় যে এরকম মাছ ধরার ঘটনা খুবই বিরল। বিশেষ বিশেষ উৎসবেই হয়। কেতকীরা এসেছে বলে আজ এলাকার ছেলেমেয়েরাও একটুকরো মাছ খেতে পাবে।

    রান্না হয়ে গেল ঘণ্টাখানেকের মধ্যে। গরম ভাত, গরম মুসুরির ডাল আর পাতলা মাছের ঝোল। অবনীকে দু-একবার ডাকতেই সে উঠে পড়ল। তার কপালই ফুলে আছে এখনও, চোখও লাল।

    খাঁটিয়ার ওপরে বসেই খাওয়া। ভাতের থালা ওদের দুজনের হাতে তুলে দেওয়ার পর বয়স্কা মহিলাটি শবনম-এর কানে-কানে কী যেন বলল। সে ছুটে গিয়ে নিয়ে এল একটা টিনের কৌটো। তার থেকে কয়েক চামচ ঘি তুলে দেওয়া হল ওদের পাতে। টাটকা ঘিয়ের গন্ধে আমোদিত হয়ে গেল হাওয়া।

    প্রায় রাত্রেই অবনীর কিছু খাওয়া হয় না। আজ সে তৃপ্তি করে খেল। চর্বি কমাবার জন্য সে সপ্তাহে একদিন মাত্র কয়েক চামচ ভাত খায়, আজ সে ভাত চেয়ে নিল এবং দ্বিতীয়বার ঘি নিতেও সে আপত্তি করল না।

    খেয়ে উঠে হাত ধোওয়ার পর সে নিজে একটি সিগারেট ধরিয়ে তার প্যাকেট থেকে উদার হস্তে অন্যদের সিগারেট বিলিয়ে দিল। তারপর বলল। তোমরা ভাই অনেক উপকার করলে। এখন। একটু গাড়িটায় হাত লাগাবে?

    একটা বেশ বড় দল নিয়ে সে গেল গাড়িটার কাছে। গাড়িটার ইঞ্জিন চালু করতে কোনও অসুবিধে হল না। গাড়িতে একটা সাবান ছিল, সেটা দিয়ে কোনওক্রমে আটকানো হল রেডিয়েটারের ফুটো। হেডলাইট ছাড়াই কাজ চলে যাবে।

    কেতকী এসে বসল গাড়িতে। জানলার ধারে ব্যাকুল ভাবে দাঁড়িয়ে আছে শবনম আর অন্যান্য বাচ্চারা। অবনী ঘড়ি দেখল। মাত্র সাড়ে নটা। এ রাস্তা দিয়ে অনেক রাত পর্যন্ত গাড়ি চলে, ভয়ের কিছু নেই।

    গাড়ি থেকে খানিকটা সরে এসে সে মানিব্যাগটা বার করে প্রথমে দুটো পঞ্চাশ টাকার নোট দু আঙুলে তুলে একটু দ্বিধা করল। তারপর একটা রেখে দিয়ে বাকিটা তুলে সে মুরুব্বি জাতীয়। একজনের কাঁধ ধরে বলল, ভাই তোমরা যা উপকার করলে…কী আর বলব…এই সামান্য কিছু…

    লোকটি জিভ কেটে দু-পা পিছিয়ে গিয়ে বলল, না, না, এ কী বলছেন বাবু…আপনারা আমাদের মেহমান, এখন রমজান মাস…

    অবনী খানিকটা পিড়াপিড়ি করলে, লোকটি প্রবল মাথা নেড়ে আপত্তি জানাতে লাগল। এরপর আর কিছু করা যায় না, ব্যাগটা পকেটে ভরে ফেলল অবনী।

    ওপরের দিকে খাড়াভাবে রাস্তায় ওঠা যাবে না, পাশ দিয়ে-দিয়ে যেতে হবে খানিকটা। সেই রাস্তা ওরাই এগিয়ে দিল। গাড়ি চলার পর সঙ্গে-সঙ্গে কিছুক্ষণ দৌড়ে এল বাচ্চারা।

    ওপরের রাস্তায় উঠে স্বাচ্ছন্দে গাড়ি চলার পর একটি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল অবনী। কেতকীর সাংঘাতিক বিপদ হয়ে যেতে পারত আজ, কিন্তু শেষপর্যন্ত কিছুই হল না। কেতকীকে নিয়ে সারারাত বাড়ির বাইরে থাকতে হলেই তো একটা কেলেংকারি হয়ে যেত। নিজের স্ত্রীর কাছে কী জবাবদিহি করত অবনী? আর আহত হয়ে দুজনে একসঙ্গে যদি ভরতি হত হাসপাতালে, তাহলে সে খবর ছাপা হয়ে যেত অনেক কাগজে।

    আর-একটি সিগারেট ধরিয়ে অবনী বলল, বেশ লোকগুলো তাই না? সরল, হসপিটেবল। কেতকী জিগ্যেস করল, তুমি ওদের কিছু দিলে তো?

    ধোঁয়া ছেড়ে অবনী বলল, দিতে চাইলুম তো, নিল না কিছুতেই। অবশ্য বাচ্চাগুলোকে মিষ্টি খাবার জন্য কিছু দিয়ে এলে হত!

    কেতকী বলল, ইস, ওখানে একটি মেয়ের আমার হাতের চুড়িগুলো খুব পছন্দ হয়েছিল। এগুলোর এমন কিছু তো দাম নয়। ওকে দিয়ে দিলে পারতুম, তখন মনে পড়ল না। চল, একটু ফিরে যাবে?

    পাগল নাকি? এখন আবার অতটা নীচে নামা যায়? অনেক দেরি হয়ে যাবে না? জোরে চালিয়ে গেলে বারোটার মধ্যে বাড়ি পৌঁছে যাব!

    একটুক্ষণ চুপ করে থেকে কেতকী বলল, আজ যা ঘি খেলাম, এরকম ঘি জীবনে খাইনি বোধহয়। এত সুন্দর গন্ধ!

    অবনী বলল, খাঁটি ঘি, তবে বিক্রি করার আগে নিশ্চয়ই ভ্যাজাল মেশায়। এরকম খাঁটি জিনিস কেউ বাজারে ছাড়ে না আজকাল। লোকে স্বাদই বুঝবে না।

    দুধটাও এত ভালো। সদ্য দোওয়া দুধ।

    গয়লাপাড়া তো। এ দুধও যখন শহরে যায়, তখন আর এতটা খাঁটি থাকে না। মাছটারও কি ফাস্টক্লাস টেস্ট ছিল। একেবারে সদ্য-সদ্য পুকুর থেকে ধরা…অপূর্ব, তাই না? কোথায় আক্সিডেন্টে মারা যেতে বসেছিলুম, তার বদলে এমন সব চমৎকার খাবার পেঁকি ছাটা চালের গরম ভাত…। জানো কেতকী, এত টাটকা ভালো খাবার টাটা বিড়লাও খেতে পারে না বোধহয়। শহরে বসে তুমি যত টাকা দামই দাও, এরকম সবকিছু খাঁটি কিছুতেই জোগাড় করতে পারবে

    …তারা আমাদের কাছে কোনও পয়সাই নিল না…

    হঠাৎ হেঁচকি তুলে কাঁদতে আরম্ভ করে দিল কেতকী। অবাক হয়ে সেদিকে তাকিয়েও অবনী আবার রাস্তার দিকে মন দিল। আর একবার অ্যাক্সিডেন্ট না হয়! মদ খেয়ে সে আর কোনওদিন গাড়ি চালাবে না।

    একটু পরে সে একটা হাত বাড়িয়ে কেতকীর পিঠে চাপড় মেরে জিগ্যেস করল, এই কী হল?

    কেতকী দুদিকে মাথা ঝাঁকাল শুধু, মুখে কিছু বলল না।

    অবনীর মুখে শহুরে সভ্য মানুষের একটা হাসি ফুটে উঠল। সে বুঝেছে। সেন্টিমেন্ট একেবারে বাদ দেওয়া যায় না জীবন থেকে, তবে, একদিন সন্ধেবেলা অন্যরকম একটা ঘটনা ঘটল বলেই

    তো বদলে ফেলা যায় না জীবনটা। মানুষ তার জীবনে যে ফ্রেম তৈরি করে নেয়, তার থেকে নিজেও সে বেরুতে পারে না। এটাকেই বোধহয় নিয়তি বলে। আজকের সন্ধেবেলাটাকে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে ভুলে যাওয়াই ভালো!

    কেতকী বিজ্ঞাপনের মডেলের কাজ করে। আজ বিকেলেই একটা সুটিং ছিল। ক্যামেরার সামনে তাকে যত না বে-আব্রু হতে হয়, তার চেয়েও অনেক বেশি জামাকাপড় খুলতে হয় কয়েকটি বড় বড় ক্লায়েন্টের কাছে। নইলে কেতকীর মতন মেয়ে তো কতই আছে। সবাই কি কাজ পায়?

    অবনী একটি বিজ্ঞাপন কোম্পানির ম্যানেজার। বেবিফুড, চুলের তেল, সাবান, ঘি, সিগারেটের। মনোহারি বিজ্ঞাপন তৈরি করা তার কাজ। ওইসব বেবিফুড যে বাচ্চাদের পক্ষে ভালো নয়, ওই সব চুলের তেলে যে চুলের কোনও উপকারই হয় না, একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে অবনী কি তা জানে না? তবু কাজ হচ্ছে কাজ, জীবিকা হচ্ছে জীবিকা! এর মধ্যে সেন্টিমেন্টের স্থান নেই।

    কেতকীর পিঠে আর-একটা চাপড় মেরে সে হাসতে-হাসতে বলল, আমাদের ওরা স্বামী-স্ত্রী ভেবেছিল, তাই না? আদর্শদম্পতি! হা-হা-হা-হা।

    কেতকী মুখটা ফেরাল অবনীর দিকে। গ্লিসারিন না মেখেও তার চোখ দিয়ে বেশ ঝরঝর করে জল পড়ে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভূমি ও আকাশ
    Next Article মর্মমেদনার ছবি

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    ছোটগল্প বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    কাদা kada

    August 11, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী ছোটগল্প

    আসল বেনারসী ল্যাংড়া

    April 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }