Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প141 Mins Read0
    ⤷

    রানা! সাবধান!! – ১

    এক

    ঠিক সোয়া দু’বছর পরের কথা। আটষট্টি সালের পনেরোই জানুয়ারি। শীতের আমেজ রয়েছে পুরোপুরি।

    বিরক্ত মুখে ধীর পায়ে হাঁটছে রানা রেঙ্গ[]নের কুখ্যাত অঞ্চলের একটি নির্জন রাস্তা দিয়ে। রাস্তার একপাশে রেল লাইনের ওপর দাঁড়ানো কয়লা বোঝাই অসংখ্য ওয়াগন- অপর পাশে সারি সারি বন্ধ গুদাম ঘর। রানার পরনে নেভি ব্লু কালারের ট্রপিক্যাল স্যুট, মেরুন সিল্কের টাই, আর সোলের ভিতর স্টীলের পাত বসানো কালো অক্সফোর্ড শ্য।

    সকাল এগারোটার রোদ মিষ্টি-মিষ্টি লাগছে- কিন্তু রানার মনটা হয়ে আছে নিম-তেতো। কিছুতেই বুঝতে পারছে না কি অপরাধ সে করেছে যার জন্যে এই শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে ওকে। কিচ্ছু না, বুড়োর খেয়াল। যতটা সম্ভব খারাপ ভাষায় দুটো গাল দিল সে মেজর জেনারেল রাহাত খানের উদ্দেশে। তারপর রাস্তায় পড়ে থাকা পোয়াটেক ওজনের একখানা কয়লার টুকরোকে মারল কষে এক লাথি। ছিকে অনেক দূরে চলে গেল সেটা ফ্র্যাগমেন্টেশন বম্বের মত।

    একটু হালকা হলো মন। একটা সিগারেট ধরিয়ে নিয়ে আবার গোড়া থেকে ভাবতে আরম্ভ করল সে।

    কি কাজ? না, সোজা টোকিয়ো যাবে, সেখান থেকে বেইজিং- সেখানে মাসুদ রানার সম্মানে বিশেষ ভাবে আয়োজিত গোটা কয়েক কালচারাল মীটিং-এ পূর্ব পাকিস্তানের লোকগীতির ওপর পৌনে দু’শো লাইনের একটা মুখস্থ বক্তৃতা দেবে (যার বেশির ভাগ শই তার বোধশক্তির বাইরে)- তারপর সাংহাই এবং ক্যান্টনে একই বক্তৃতার পুনরাবৃত্তি করে হংকং আসবে প্লেনে। চোদ্দ তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় কউলুনের একটা বইয়ের দোকান থেকে একখানা ফ্রেণ্ডস্ নট মাস্টারস্ কিনবে, পরদিন সকালে রেঙ্গ]ন পৌঁছে নাম্‌দিং হসপিটালের গেট থেকে দক্ষিণ দিকে গুণে গুণে ছয়শো কদম হাঁটলে যে মোড়টা পড়বে সেই মোড়ের ওপর একটা সেকেণ্ড হ্যাণ্ড বইয়ের দোকানে লাল টুপি পরা সেলসম্যানের কাছে সেটা বিক্রি করে টাকাটা এবং সেইসাথে একটা সীলমোহর করা চিঠি নয়াদিল্লীর একখানা ঠিকানা লেখা খামে পুরে পোস্ট করে দিতে হবে। ব্যস, তারপর সারাদিন ওর ছুটি। এরপর কি করতে হবে জানানো হবে ওকে।

    আচ্ছা, কোনও মানে হয়? কাজটা যে-কোনও একটা বাচ্চা ছেলের পক্ষেও সহজ। অথচ এই সাধারণ একটা কাজের জন্যে কি তোড়জোর করে ডেকে আনা হয়েছিল তাকে মেজর জেনারেলের অফিস কামরায়। রানার কোনও ওজর আপত্তি শুনল না বুড়ো। এই কাজের জন্যে তার মাসুদ রানাকেই চাই। ভাবতে ভাবতে আবার গরম হয়ে উঠল রানা। অপমান। নিশ্চয়ই অপমান করতে চেয়েছে ওকে বুড়ো। অস্ফুট কণ্ঠে আবার একটা গাল দিল রানা বদ্ধকে। কিন্তু কয়লার টুকরো পেল না রাস্তায়। রেললাইনটা বামে সরে গেছে অনেকখানি, তালা ঝুলানো বন্ধ গুদামঘরগুলোও ছাড়িয়ে এসেছে। লক্ষ করেনি রানা- ডানধারে নদী দেখা যাচ্ছে একটা। ঠাণ্ডা মিষ্টি বাতাস এসে লাগল চোখেমুখে। বেশ ভাল লাগল ওর ঠাণ্ডা বাতাসটা।

    ঠিক সেই সময়ে ঘটল ঘটনাটা। নিজের চিন্তায় মশগুল ছিল, তাই নির্জন রাস্তায় পিছন থেকে তিনজন লোকের দ্রুত নিঃশব্দ পায়ে এগিয়ে আসা দেখতে পায়নি সে। যখন লক্ষ করল তখন দেরি হয়ে গেছে। আরও তিনজন এগিয়ে আসছে রাস্তার ডানধারের একটা প্রকাণ্ড বটগাছের আড়াল থেকে।

    ঝট্ করে ঘুরে দাঁড়াল রানা নিজের অজান্তেই- ঝাঁকি দিয়ে মাথাটা সরিয়ে নিল একপাশে। প্রথম বাড়িটা পড়ল ডান কাঁধের ওপর। শক্ত মোটা হান্টার। অবশ হয়ে গেল ডান হাত। সাথে সাথেই প্রচণ্ড এক মুষ্ট্যাঘাত এসে পড়ল ওর বাম চোয়ালে। টলে উঠল দুনিয়াটা রানার চোখের সামনে। ডানধারের তিনজনও এসে পড়েছে।

    শোলডার হোলস্টারে রাখা পিস্তলটা বের করবার চেষ্টা করল রানা- কিন্তু ডানহাতটা তুলতেই পারল না উপরে। কোন রকম চিন্তা-ভাবনার সময় নেই। আরক্ষা করতে হবে। পাশ থেকে একজনের ধাক্কায় ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাচ্ছিল রানা, সেই অবস্থাতেই প্রাণপণ শক্তিতে লাথি মারলো সে একজনের তলপেটে। ইচ্ছে ছিল মাটিতে পড়ে আরও কয়েকটা লাথি চালাবে এবং কোন এক সুযোগে পিস্তলটা বের করে ফেলবে। কিন্তু তা আর হলো না। মাঝ পথেই ধরে ফেলল একজন ওকে। নাকের ওপর রাবারের কি একটা জিনিস চেপে ধরল আরেকজন। দম বন্ধ করে রাখবার চেষ্টা করল রানা। কিন্তু পেটের উপর ধাঁই করে এক কিল পড়তেই বাধ্য হলো সে শ্বাস নিতে। কয়েক সেন্টিমিটার ইথাইল ক্লোরাইড এবং অক্সিজেন ঢুকে গেল রানার ফুসফুসে। অন্ধকার হয়ে এল চারদিক, রানার মনে হলো অতল সমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছে সে ক্রমশ। আরও অনেক গভীরে নামিয়ে দিল রানাকে ওরা মরফিনের একটা ইন্ট্রাভেনাস ইঞ্জেকশন দিয়ে।

    শক্তিশালী ইকো ১০X৫০ বিনকিউলারটা চোখ থেকে নামিয়ে ভয়ঙ্কর এক বাঁকা হাসি হাসল আধমাইল দূরে একটা বাড়ির ছাতে দাঁড়ানো একজন ধুতি-পাঞ্জাবী-জহরকোট পরিহিত কুৎসিত চেহারার লোক।

    .

    ধীরে ধীরে জ্ঞান ফিরে এল রানার। কপালের দুই পাশটা টিপ-টিপ করছে। মাথাটা ধরে আছে। জিভ, কণ্ঠতালু শুকিয়ে কাঠ। চোখ না খুলেই অনুভব করল, দুলছে সে শুয়ে শুয়ে। কুল-কুল শব্দ শোনা যাচ্ছে পানির। জলপথে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওকে। কোথায়?

    কারা এরা? রেড লাইটনিং টং? না দস্যু উ সেনের লোক? নাকি অন্য কোন দল? কোথায় ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওকে? কেন?

    চোখের পাতা সামান্য ফাঁক করে চাইল রানা। কেউ নেই। এবার আর একটু ফাঁক করে চাইল সে এদিক-ওদিক। একটা লঞ্চের কেবিনে মেঝের ওপর শুয়ে আছে সে। বাইরে প্রখর রোদ্দুর। ঘরে কেউ নেই। একটা কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে ওকে। বাজে কয়টা?

    উঠে বসতে গিয়ে বুঝতে পারল রানা ঘরে কোন লোক নেই কেন। একখানা লোহার খাটের পায়ার সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে ওর দুই হাত। তার ওপর ওর সমস্ত জামা-কাপড় খুলে নেয়া হয়েছে গা থেকে। পা-দুটো নাড়িয়ে দেখল সে, খোলাই আছে। জুতো জোড়াও পরাই আছে পায়ে। আশার আলো জ্বলে উঠল ওর মনের ভিতর। দুই মিনিটে হাতের বাঁধন খুলে ফেলতে পারবে সে।

    জুতো সুদ্ধ ডান পা-টা কম্বলের তলা থেকে বের করে ভাঁজ করে মুখের কাছে নিয়ে এল রানা। অল্প একটু চেষ্টার পরই দাঁতের ফাঁকে চলে এল জুতোর সোলে লুকিয়ে রাখা ছুরিটা। ঠিক সেই সময় ডেকের ওপর বুটের শব্দ শুনতে পেল সে। চট্ করে ছেড়ে দিল সে ছুরি; পিঠের তলায় নিয়ে নিল সেটাকে। কম্বলটা যতটা সম্ভব গায়ের ওপর ঠিক করে নিয়ে পড়ে থাকল সে চোখ বন্ধ করে। খুলে গেল কপাট।

    দুই আঙুলে চোখের পাতা টেনে পরীক্ষা করল লোকটা। আবছা মত দেখতে পেল রানা একটা নোংরা মঙ্গোলিয়ান মুখ। ঠোঁট দুটো ফাঁক হয়ে থাকায় দুইসারি নোংরা হলুদ দাঁত দেখা গেল- একটা দাঁত আবার সোনা দিয়ে বাঁধানো।

    চোখ ছেড়ে দিয়ে রানার চুলের ভিতর হাত চালিয়ে দিল এবার লোকটা। এক ঝাঁকিতে আধহাত উঁচুতে উঠে গেল রানার মাথা, ঠাস করে চড় পড়ল গালে। টু শব্দ না করে সহ্য করে নিল রানা। মাথাটা ঝুলতে থাকল চুলের মুঠি ধরা হাত থেকে।

    কি যেন গালি দিল লোকটা নিজস্ব ভাষায়, তারপর ছেড়ে দিল চুল। ঠাস করে মেঝেতে ঠুকে গেল রানার মাথা। হাতের বাঁধন পরীক্ষা করল লোকটা টেনে টেনে। পায়ের শব্দটা দূরে সরে গেল। দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল কেবিনের দরজা। মিলিয়ে গেল পদশব্দ।

    ধীরে ধীরে চোখ মেলে চাইল রানা। মিটমিট করে দু’ফোঁটা পানি ঝরিয়ে ফেলল চোখ থেকে। এবার আবার স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে সে সবকিছু। দ্রুত কাজ সারতে হবে। এরা যারাই হোক, কুটুম বাড়ির দাওয়াত খাওয়াতে যে নিয়ে যাচ্ছে না ওকে সেটা স্পষ্ট। অত্যন্ত শক্তিশালী কোনও দল। এদের প্রতিটি কাজে যেমন বিদ্যুৎ বেগ তেমনি নিখুঁত পারদর্শিতা।

    আধ মিনিটের মধ্যেই হাতের বাঁধন খুলে গেল রানার। ছুরিটা রেখে দিল যথাস্থানে। উঠে দাঁড়াতে যাবে ঠিক এমনি সময় পিছন থেকে কথা বলে উঠল একজন লোক।

    ‘চমৎকার! ভাল ট্রেনিং পেয়েছ তুমি, হে ছোকরা।’

    চমকে ফিরে চাইল রানা। ডানহাতে একখানা কোল্ট অটোমেটিক ধরে দাঁড়িয়ে আছে রানার লাথি খাওয়া দুর্ধর্ষ চেহারার লোকটা। বামহাতে একটা পর্দা ফাঁক করে হাসছে তার ভয়ঙ্কর হাসি। পিস্তলটা স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে আছে রানার কপালের দিকে। রানা বুঝল, ট্রিগার টিপতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না এই লোক। ধীর স্থিরভাবে কম্বলটা টেনে নিয়ে লজ্জা নিবারণ করল সে। তারপর শান্ত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল, ‘কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আমাকে? কে তোমরা?’

    ‘দুঃখিত। এর উত্তর দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’ দুই পা এগিয়ে ঘরের মধ্যে এসে দাঁড়াল লোকটা। পিস্তলটা সদা সতর্ক দৃষ্টি রাখছে রানার ওপর।

    ‘কেন?’ আবার প্রশ্ন করল রানা।

    মাথা নাড়ল শুধু লোকটা, কোন উত্তর দিল না।

    ‘বাজে কয়টা এখন?’ নিজের খালি কব্জির দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করল রানা। ‘সেটা বলতে আপত্তি নেই নিশ্চয়ই? কতক্ষণ অজ্ঞান ছিলাম আমি?’

    ‘ঘণ্টা চারেক। এখন বাজে সাড়ে তিনটে। রেঙ্গ]নের সাড়ে তিনশো মাইল উত্তরে মান্দালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে তোমাকে প্লেনে করে। এখন ইরাওয়াদ্দি নদীপথে আরও উত্তরে চলেছ। ব্যস, আর কোন তথ্য জানানো আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’

    রানা বুঝল ঘোড়েল লোক। ভুলেও একবার ঘড়ির দিকে চাইল না, পাছে সে একটা কিছু করে বসে।

    ‘আমার ঘড়ি আর জামা-কাপড় খুলে নিয়েছ কেন?’

    ‘যাতে পালাতে না পারো।

    ‘জামা-কাপড়ের ব্যাপার না হয় বুঝলাম, কিন্তু ঘড়িটা নিয়েছ কেন? ‘দেখো, মাসুদ রানা, তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানা আছে আমাদের। ঘড়িটা যুক্তিযুক্ত কারণেই সরানো হয়েছে।

    যেন কিছুই বুঝতে পারেনি, এমনি চোখ করে চেয়ে রইল রানা লোকটার দিকে। কিন্তু কারণ ব্যাখা করার কোন লক্ষণই প্রকাশ পেল না লোকটির মধ্যে। এ নিয়ে আর চাপাচাপি করল না রানা। অন্য পন্থা ধরল সে।

    ‘মাথাটা ভয়ঙ্কর ধরে আছে।’

    ‘দুঃখিত। মাথা ধরার ওষুধ এ লঞ্চে নেই,’ বলল লোকটা মৃদু হেসে। ‘সিগারেট আছে?’

    ‘না। সিগারেট খাই না আমি।’

    ‘আমার কোটের পকেটে একটা সিগারেট কেস আছে। যদি একটু কষ্ট করে এনে দিতে…’

    কোনও উত্তর না দিয়ে মৃদু হাসল লোকটা।

    ‘দরকার মনে করলে হাত দুটো বেঁধে রেখে যাও।’

    এবারও কোনও উৎসাহ দেখা গেল না লোকটার। দেয়ালের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল চুপচাপ। স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে আছে পিস্তলটা রানার কপালের দিকে।

    ‘তুমি কি মনে করছ সিগারেট আনতে গেলেই এই উলঙ্গ অবস্থায় পালিয়ে যাবো আমি? না হয় আর কাউকে দিয়ে আনিয়ে দাও।’

    ‘না,’ শান্ত কণ্ঠে বললো লোকটা। ‘তোমার সিগারেট কেস আমরা ভালমত পরীক্ষা করে দেখছি। ওর মধ্যে দুটো সিগারেটে আছে ম্যাগনেশিয়াম বম্ব। আর তোমার ঘড়িটাও ডি-ফিউজ করা হয়েছে। এখন নিশ্চয় বুঝতে পারছ তোমার ব্যাপারে কোনরকম ঝুঁকি কেন নিতে চাইছি না আমি?’

    রানা বুঝল, সহজ পাল্লা নয়। এদের চোখে ধুলো দেয়া সহজ হবে না। এবার সোজাসুজি চেষ্টা করল সে।

    ‘আমাকে পালাতে সাহায্য করো, তোমাকে দশ হাজার টাকা দেব- পৃথিবীর যে কারেন্সিতে চাও।’

    ‘তার চেয়ে প্রাণে বেঁচে থাকাটা অনেক সুখের। নয় কি? বাম হাতের কড়ে আঙুলের নক দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে কি যেন বের করবার চেষ্টা করছে লোকটা।

    এবার প্রাণভরে গালি দিল রানা লোকটাকে। অশ্লীল সব গালি। দেখা যাক রাগিয়ে দিয়ে কোনও সুবিধে হয় কিনা। রেগে গেলে হয়তো কিছু ভুল করবে।

    সত্যিই লাল হয়ে উঠল লোকটার হলুদ মুখ। ট্রিগারের ওপর আঙুলের চাপ বাড়ছে, সাদা হয়ে গেছে তর্জনীর নখ রক্ত সরে যাওয়ায়। এখন যে- কোনও মুহূর্তে গুলি করবে লোকটা। ওর হাতের দিকে চেয়ে আছে রানা, গুলিটা বেরুবার ঠিক আগের মুহূর্তেই লাফ দেবে সে। সমস্ত পেশীগুলো টান হয়ে গেছে রানার ধনুকের ছিলার মত।

    এমনি সময় সামলে নিল লোকটা। হাসবার চেষ্টা করল, কিন্তু দাঁত বেরোল শুধু, হাসি হলো না।

    ‘অপমান করতে চাও, করো। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো, তোমাকে জ্যান্ত রাখার হুকুম আছে আমাদের ওপর। কিন্তু কতখানি জ্যান্ত, সে সম্পর্কে কোন স্পষ্ট নির্দেশ নেই। কাজেই সাবধান। বেশি বাড়াবাড়ি করলে পরে অনুতাপ হবে।’

    উঠে দাঁড়াল রানা লোকটার দিকে পিছন ফিরে। জানালার দিকে যাচ্ছিল বাইরেটা দেখবার জন্যে- একটা বড় ঢেউয়ের ওপর পড়ে দুলে উঠল লঞ্চটা। টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যাচ্ছিল রানা। রানার দুরবস্থা দেখে মুচকি হাসি এসে পড়ল লোকটার ঠোঁটে। পরমুহূর্তেই ঝপাৎ করে রানার ছুঁড়ে দেয়া কম্বলটা ঢেকে ফেলল ওর চোখ মুখ। পাগলের মত কম্বল সরাবার চেষ্টা করছে সে। বিদ্যুৎগতিতে কাছে এসে দাঁড়াল রানা। প্রচণ্ড শক্তিতে লাথি মারল সে লোকটার হাঁটুর ওপর। খটাং করে মেঝেেেত পড়ল কোল্ট অটোমেটিক। কম্বল সরিয়ে ফেলল লোকটা। ঘাড়ের ওপর পড়ল এসে ভয়ঙ্কর এক জুডো চপ। নিঃশব্দে জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়ল সে মাটিতে।

    দুই মিনিটে লোকটার জ্যাকেট আর প্যান্ট খুলে পরে নিল রানা। পিস্ত লটা তুলে নিল মেঝে থেকে। তারপর বেরিয়ে এল বাইরে। নদীর তীরটা বেশি দূরে নয়। সিঁড়ি বেয়ে নেমে এল রানা ডেকের ওপর। কেউ নেই। রেলিং টপকে পিস্তলটা পকেটে রাখল সে। হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেল লঞ্চটার। ডাইভ দেবার জন্যে হাত দুটো যেই পিছনে নিয়েছে অমনি পিছন থেকে খপ্ করে ধরে ফেলল কেউ রানার দুই হাত। প্রচণ্ড শক্তি সে হাতে। খেলনার মত তুলে নিয়ে এল রানাকে রেলিং-এর এপারে। ছটফট করছে রানা বড়শি গাঁথা মৃগেল মাছের মত। ধড়াস করে ফেলা হলো ওকে ডেকের ওপর। পিস্তলটা বের করে নেয়া হলো পকেট থেকে। হ্যাণ্ডকাপ পরিয়ে দেয়া হলো হাতে। তারপর টেনে দাঁড় করিয়ে প্রচণ্ড জোরে এক থাবড়া মারা হলো ওর নাক-মুখ লক্ষ্য করে। কলকল করে রক্ত বেরিয়ে এল রানার নাক দিয়ে। চোখে আর কিছুই দেখতে পাচ্ছে না সে। সেই অবস্থায় ছেঁচড়ে টেনে নিয়ে চলল ওকে লোকটা ডেকের একপাশে।

    লঞ্চটা তখন একটা ঘাটে ভিড়েছে। ঝপট্ তক্তা বিছানো হলো। রানা দেখল পাঁচ-ছয়জন সশস্ত্র লোক দাঁড়িয়ে রয়েছে ঘাটে। ধাক্কা দিয়ে নামানো হলো ওকে। কিন্তু লঞ্চ থেকে আর কেউ নামল না। অবাক হয়ে পিছনে ফিরে দেখল রানা উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে তক্তা। বুঝল, ওদের কাজ এই পর্যন্তই শেষ। রানাকে ধরে দিয়ে গেল ওরা কারও হাতে। কার হাতে?

    পিছন থেকে রাইফেলের নলের গুঁতো পড়ল রানার পিঠে, ‘এগোও।’

    .

    নদীর তীর থেকে বেশ খানিকটা দূরে প্রকাণ্ড এক প্রাসাদে নিয়ে আসা হলো রানাকে। গেটের কাছে দাঁড়ানো সশস্ত্র প্রহরী। প্রশস্ত একটা ঘরে ঢুকে দাঁড়িয়ে পড়ল ওরা।

    একটা বড় সাইজের সেক্রেটারিয়েট টেবিলের ওপাশে চেয়ারে বসে চীনা সংবাদপত্র পড়ছে একজন লোক, মুখটা দেখা যাচ্ছে না। টেবিলের ওপর রানার দিকে মুখ করে রাখা আছে একখানা মাউজার। ধীরে ধীরে সরে গেল কাগজটা মুখের সামনে থেকে।

    লালচে ভাসা ভাসা ঘোলাটে চোখ, থ্যাবড়া নাক আর মড়ার মত ফ্যাকাসে ঠোঁট- একজন লোক স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে আছে রানার দিকে।

    চেয়ারে বসা লোকটার চেহারায় এমন এক ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর ভাব আছে যে নিজের অজান্তেই একবার শিউরে উঠল রানার সর্বশরীর। মানুষ তো নয়, অশরীরী অতপ্ত প্রো যেন একটা। এই লোক করতে পারে না এমন কাজ নেই। ঠাণ্ডা নিস্পৃহ দৃষ্টিটা যেন অন্তস্তল পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছে ওর।

    আধ মিনিট চুপচাপ রানার দিকে তাকিয়ে থেকে পিস্তলটা তুলে নিল সে হাতে। রানা এদিক-ওদিক চাইল- বসবার কোন ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ চেয়ার তুলে মারার কোন সুযোগ নেই।

    ‘আমার নাম মেজর টিং ফং। আমরা আসামীদের জন্যে বসবার কোন ব্যবস্থা রাখি না।’

    ‘আসামী?’ বিস্মিত দৃষ্টিতে চাইল রানা টিং ফং-এর হাতে ধরা মাউজারের দিকে। একটা সাইলেন্সার পাইপ পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে লাগাচ্ছে লোকটা পিস্তলের মুখে।

    ‘সাইলেন্সার ব্যবহার করি আমরা সাধারণত। নইলে বিচ্ছিরি শব্দ হয়।’ যেন আপন মনে বলছে টিং ফং। ‘চিন্তা করবেন না, আমার হাতের টিপ অব্যর্থ। খুব বেশি কষ্ট হবে না। এখানে এইঘরে আজ পর্যন্ত মোট…’

    ‘এটা কি রেড লাইটনিং টং-এর আস্তানা?’ হঠাৎ বাধা দিয়ে জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘রেড লাইটনিং টং? নাহ্। আপনি আমাদের টং-এর লোক বলে ভুল করেছিলেন বুঝি?’ মুচকে হাসল মেজর টিং ফং। ‘আমরা টং নই। আর এই আস্তানাটাও ঠিক আমাদের নয়। আপাতত কয়েকদিনের জন্যে আছি আমরা এখানে। আসলে এটা পাকিস্তান ও চাইনিজ সিক্রেট সার্ভিসের একটা যৌথ আস্তানা, মেজর মাসুদ রানা।

    উত্তরটা শুনে হতভম্ব হয়ে গেল রানা প্রথমে। তারপর অসম্ভব রাগ হলো ওর। তাহলে এইসব কাণ্ড করবার কি অর্থ?

    ‘আমার হাতকড়া খুলে দিতে বলুন,’ বলল রানা কঠোর কণ্ঠে।

    কোন উত্তর দিল না ভয়ঙ্কর লোকটা। সাইলেন্সার লাগানো পিস্তলটা এবার রানার বুকের দিকে সোজা তাক করে ধরল।

    ‘হাতকড়া খুলে দিন, মেজর টিং ফং। নইলে মস্ত বিপদে পড়বেন। কেন আমাকে ধরে আনা হয়েছে এখানে তার জবাবদিহি করতে হবে আপনাকে, আবার বলল রানা গম্ভীর কণ্ঠে

    লালচে ঘোলাটে চোখ মেলে চেয়ে রইল লোকটা রানার দিকে। এ কথার কোন জবাব দিল না। ঠোঁটের কোণে চাপা বাঁকা হাসি। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে ধীরে ধীরে বলল সে, ‘আমাদের চোখকে আপনি ফাঁকি দিতে পারেননি, মিস্টার মাসুদ রানা। আমরা ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্টের বিশ্বাসঘাতক ডাবল-এজেন্টদের নিয়ে ডিল করি। তাদের খুঁজে বের করে নির্মূল করবার দায়িত্ব আমাদের ওপর।’

    পিস্তলটা ঠিক হার্ট বরাবর চেয়ে আছে এখন।

    ‘কোনও দোষী লোক আজ পর্যন্ত আমাদের চোখকে ফাঁকি দিতে পারেনি। বুড়ো আঙুলের চাপে ক্লিক করে সেফটি ক্যাচ অফ হয়ে গেল।

    ‘দোষী লোক! কি বলছেন আপনি, মেজর…’

    ‘হ্যাঁ, দোষী। যেসব চীনা বা পাকিস্তানী সিক্রেট এজেন্ট নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তারাই কেবল আমাদের আসামী।’

    ‘এই জন্যেই কি আমাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে?’ থ হয়ে গেল রানা। ‘আমি বিশ্বাসঘাতক?’ আবার সেই রাগটা অনুভব করল রানা। ঘাড়ের কাছে কয়েকটা চুল শিরশির করে উঠল। ‘অসম্ভব!’

    ‘তাই নাকি?’ টিটকারির ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করল মেজর টিং ফং। তর্জনীর নখটা সাদা হয়ে আসছে আঙুলটা ট্রিগারের ওপর চেপে বসায়। আবার মুখ খুলল সে।

    ‘ঠিক আপনার মত সবাই অবাক হবার ভান করে। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তাদের মুখ থেকে সত্যি কথা বের করা যায় না।’

    ‘মাথা খারাপ হয়ে গেছে আপনার!’ রানার দৃঢ় ধারণা, ঠিক তাই হয়েছে লোকটার। ‘আমি, মাসুদ রানা… বিশ্বাসঘাতক!’

    রানার কথাগুলো যেন শুনতেই পায়নি এমনিভাবে নিজের কথা বলে চলল মেজর টিং ফং।

    ‘মানুষ মাত্রই নির্দোষ, নিষ্পাপ। আমার কপাল ভাল, কে ভাল কে মন্দ সে বিচারের ভার আমার ওপর নেই। আমার কাজ কেবল শাস্তি দেয়া। আমি হুকুমের চাকর।’

    লালচে ঘোলাটে চোখ দুটো লাল হয়ে উঠল। জ্বলজ্বল করছে যেন সেগুলো রক্ত পিপাসায়। ট্রিগারের ওপর চাপ বাড়ল আর একটু।

    ‘মৃত্যুর জন্যে প্রস্তুত হও, মাসুদ রানা!’

    টিপে দিল সে ট্রিগারটা।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১
    Next Article মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }