Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জাদুর লাটিম – নাগিব মাহফুজ

    নাগিব মাহফুজ এক পাতা গল্প53 Mins Read0
    ⤷

    জাদুর লাটিম – দৃশ্য ১

    দৃশ্য : ১

    চরিত্র : একজন উদ্ভট লোক; সে আসলে একজন দুষ্ট বন্দি জ্বিন। তার নাম ইফরিদ। দ্বিতীয়জন চাবুক হাতে শহরের গভর্নর তৃতীয়জন : শহরের ব্যবসায়ী সানানের মেয়ে মেহেরজান।

    (মঞ্চের এক কোণায় উদ্ভট চেহারা আর পোশাকের একজন ভীত ত্রস্ত লোক কুজো হয়ে বসে থাকবে। সে হলো গভর্নরের হাতে বন্দি জ্বিন সিনগাম। ফ্লাস লাইট তার উপর। সারা মঞ্চ অন্ধকার। কিছুক্ষণ সে গুনগুন করে কাঁদবে। তারপর আবার অট্ট হাসিতে ফেটে উঠবে।)

    জ্বিন ইফরিদ : এইবার এইবার একটা পথ আমি বের করবই। আহ এই বন্দিদশা থেকে মুক্ত আমাকে হতেই হবে। আর কতকাল আমি এই বন্দি দশায় থাকব। নাহ আর সহ্য হচ্ছে না। গভর্নর তোর হাত থেকে আমি মুক্ত হবোই। আমি একটা একটা করে তোর কর্মের শোধ নেব শয়তান। হা হা হা হা। হা হা

    (অন্ধকার মঞ্চে কারো পায়ের শব্দ শোনা যাবে। ঠক ঠক করে হেঁটে এদিকেই আসছে। পায়ের শব্দ শুনে জ্বিন ইফরিদ তার হাসি থামিয়ে দিবে। ভয়ে কুঁচকে একদম কুণ্ডুলি পাকিয়ে মঞ্চের এক কোণায় বসে পড়বে। অন্ধকারের লোকটা কুজো হয়ে বসে থাকা জ্বিন ইফরিদের কাছে এসে দাঁড়াবে। আধো আলো আধো অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকবে সে। তার হাতে সোনালি রঙের একটা চাবুক। চাবুকটাকে তিনি একবার বাতাসে ঝাকি দিবে। এতে করে উদ্ভট পোশাকের ভীত জ্বিন আরো ভয় পেয়ে যাবে। ভয়ে সে আরো পেছনে সরে যাবে। তারপর অনুনয় বিনয় করে বলবে…)

    জ্বিন ইফরিদ : দয়া করুন হুজুর দয়া করুন। আপনার হাতের ঐ চাবুকটাকে সরান। আমি ওটা দেখলে ভীষণ ভয় পাই।

    গভর্নর : (হা হা হা অট্ট হাসি দিয়ে) বলিস কি তুই আমাকে ভয় পাস? তবে তোর মনে এত হাসি লাগে কোত্থেকে উজবুক।

    জ্বিন ইফরিদ : আপনাকে নয়, ভয় পাই ঐ চাবুকটাকে।

    গভর্নর : এত বড় কথা। আমাকে ভয় পাস না?

    (গভর্নর হাতের চাবুকটা একবার বাতাসে ঘুড়িয়ে আনবেন।)

    জ্বিন ইফরিদ : আপনাকেও ভয় পাই। তবে আরো বেশি ভয় পাই ঐ চাবুকটাকে।

    গভর্নর : এই চাবুকটাকে তুই ভয় পাস বলেই তো আজ আমার এত ক্ষমতা। সুলতান থেকে শুরু করে পথের ভিখারি সবাই আমাকে এত তোয়াজ করে।

    (গভর্নর হাতের চাবুক দিয়ে বাতাসে আঘাত করবেন)

    জ্বিন ইফরিদ : ঐ চাবুকটা দেখলে আমার কলিজা শুকিয়ে যায়। তলপেটে ভীষণ চাপ অনুভব করি।

    গভর্নর : হা হা হা হা। তুই আগুনের তৈরি জ্বিন, তোর তলপেটে চাপ হলেই কি আর না হলেই কি? আচ্ছা এই চাবুকটাকে তুই এত ভয় পাস কেন? জ্বিন ইফরিদ : ওটাতো আর যেন তেন চাবুক না। স্বয়ং সোলায়মান নবী এই চাবুক দিয়ে আমাদের শাসন করতেন। এই চাবুকটা তার কাছেই নিরাপদ ছিল। দামী অস্ত্র কি আর চোর বাটপারদের কাছে থাকতে আছে।

    গভর্নর : খামোশ শয়তান। (বাতাসে চাবুকটা আরেকবার শপাং করে ঘুরিয়ে আনবেন।)  আমি খারাপ মানুষ? এত বড় সাহস তোর!

    জ্বিন ইফরিদ : আপনি খারাপ হলে জগতে আর ভালো কে আছে? আমি আপনার গোলাম।

    গভর্নর : যথেষ্ট হয়েছে। কোন কাজতো ইদানিং ঠিকমত করতে পারছিস না।

    জ্বিন ইফরিদ : অন্ধকারের ভেতর দিয়ে একবার দ্রুত হামা দিয়ে এসে আবার গভর্নরের সামনে হাঁটু গেড়ে হাত জোর করে বসে পরবে।) আপনি যা বলবেন আমি তাই করব। তবে একটা অনুরোধ চাবুকটা একটু দূরে রাখুন। বড্ড ভয় পাই ওটাকে। ওটা দেখলেই তলপেটে ভীষণ … (হঠাৎ করেই কথার মাঝখানে জ্বিন থেমে যাবে)

    গভর্নর : আচ্ছা ঠিক আছে। আমি চাবুকটাকে সরিয়ে রাখছি। এবার আমাকে বল সুলতানকে দিয়ে যে কাজটা করাতে চাইছিলাম সেটার খবর কি?

    জ্বিন ইফরিদ : কিছুতেই আমি সুলতানের কাছে যেতে পারছি না।

    গভর্নর : কেন? কি হয়েছে?

    জ্বিন ইফরিদ : মহামান্য সুলতানের আশেপাশে এখন দুজন অতি সৎ আর কামেল জ্বিন ঘোরাফেরা করে। ওদের জন্য আমি সুলতানের প্রাসাদের কাছেই যেতে পারি না।

    গভর্নর : আহ! নতুন এই আপদ আবার কোত্থেকে এলো সুলতানের দরবারে?

    জ্বিন ইফরিদ : মহামান্য সুলতানের প্রিয়তমা স্ত্রী শাহেরজাদির কাজ এটা। তিনি এই সৎ কামেল জ্বিন দুটোকে সুলতানের রক্ষায় নিয়োজিত করেছেন। এরা সবসময় সুলতানের দুই হাতের মত তার দুই পাশে হাঁটা চলা করে। আমার উপস্থিতি টের পেলে সব বুঝে ফেলবে। তখন সুলতানের কাছে আপনার গোপন রহস্য সব ফাঁস হয়ে যাবে।

    গভর্নর : মিথ্যে বলছিস নাতো?

    জ্বিন ইফরিদ : না হুজুর। আমি চোর হতে পারি কিন্তু মিথ্যা বলি না। আপনার জন্য সুসংবাদও আছে।

    গভর্নর : সুসংবাদ?

    জ্বিন ইফরিদ : ব্যবসায়ী সানানের মেয়েকে আমি রাজি করাতে পেরেছি। গভর্নর : আহা কতদিন এমন একটা সুসংবাদ শুনিনি। রাজি হয়েছে আমার প্ৰিয়তমা।

    জ্বিন ইফরিদ : জ্বি হুজুর রাজি হয়েছে। তবে কতদিন রাজি থাকবে সেটা হলো মূল বিষয়।

    তরুণী মেয়ে। মনের জোর অনেক। তার উপর ওর মাথার ভেতর বসে আছে আরেকজন। যার প্রেমে সে হাবুডুবু খাচ্ছে সব সময়।

    গভর্নর : কে সেই বদবখত না লায়েক।

    জ্বিন ইফরিদ : আপনার শহরের পুলিশ গামাস আল বালতি। সে লোক ভালো আবার সাহসী।
    সাহসীদেরকে মেয়েরা একটু বেশি পছন্দ করে।

    গভর্নর : চুপ বেটা ফাজিল। আমার কি সাহস কম? কই মেহেরজানতো আমাকে কিছুতেই পছন্দ করে না। এই উজবুক পুলিশটাকে এই শহর থেকে ভাগাতে হবে। আমারটা খেয়ে আমারটা পরে আবার আমার খাবারের দিকেই হাত বাড়াচ্ছে। এত সাহস?

    জ্বিন ইফরিদ : আমি থাকতে আপনি তার কিছু করতে পারবেন না।

    গভর্নর : কি বললি?

    জ্বিন ইফরিদ : (জিভ কেটে বলবে) ও ভুল হয়ে গেছে হুজুর, আমি থাকতে ও আপনার কিছু করতে পারবে না।

    গভর্নর : (মাথা ঝুলিয়ে গম্ভীর ভংগীতে) হুমম।

    জ্বিন ইফরিদ : (খিক খিক করে হেসে একটু রহস্যময়ভাবে বলবে) আপনার প্রাণপাখি কিন্তু আপনার বাগানেই সন্ধ্যার আঁধারে চাঁদের মিহি আলোতে ঘুর ঘুর ঘুরঘুর করছে।

    গভর্নর : আমার প্রাণ পাখি?

    জ্বিন ইফরিদ : হ্যাঁ। মেহেরজান।

    গভর্নর : (কিছুটা উত্তেজিত হয়ে) কোথায় কোথায় সে?

    জ্বিন ইফরিদ : জানালা দিয়ে একটু বাইরে তাকান।

    গভর্নর : (উত্তেজিত হয়ে হাতের চাবুকটা আবার বাতাসে একবার সপাং করে ঘুরিয়ে আনবেন।) যা ভাগ এখান থেকে।

    জ্বিন ইফরিদ : ওরে বাপরে। এখনি যাচ্ছি আমি।

    (জ্বিন হুরমুড়িয়ে অন্ধকারে মিলিয়ে যাবে। তারপর পুরো মঞ্চে আলো ফুটে উঠবে। দেখা যাবে সুন্দরী এক তরুণি মঞ্চের অন্য পাশে মৃদু পায়ে হাঁটছে। তার হাঁটা চলায় এক রকম অস্বস্তি আর ভয়। হাঁটতে হাঁটতে সে গভর্নরের সামনে এসে থমকে দাঁড়াবে। গভর্নর এক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।)

    গভর্নর : মেহেরজান তুমি এসেছ?

    মেহেরজান : আমাকে কেন ডেকেছেন?

    গভর্নর : তোমাকে সেটা খুলে বলতে হবে? আর কতভাবে বলব মেহেরজান। দেখো আমার কত শান শওকত, কত ক্ষমতা। চারদিকে কত লোক লস্কর। অথচ দেখো আমার মনে কোন শান্তি নেই। কোন ভালোবাসা নেই।

    মেহেরজান : কেন আপনার তিনজন বিবি কি আপনার মনে কোন রঙ লাগাতে পারেনি?

    গভর্নর : ধুররর.. ওদের কথা আবার এখানে উঠছে কেন? ঐ সব গাছে আর সবুজ পাতা ধরবে না, ওদের শাখায় আর কোন কোকিল এসে বসন্তের গান গাইবে না।

    মেহেরজান : কোকিল বুঝি শুধু আমার শাখায় এসেই বসবে? মধুর সুরে গান গাইবে।

    গভর্নর : তুমি যেখানে যাবে সেখানে সব সময় চির বসন্তের বাতাস বইবে। চারপাশের গাছ গাছালি সবুজ পাতায় ছেয়ে যাবে। তুমি হলে পৃথিবীর সব চেয়ে রূপসী সুন্দরী।

    মেহেরজান : আর আপনি হলেন সবচেয়ে কুৎসিত পুরুষ।

    গভর্নর : কী? এত সাহস তোমার?

    মেহেরজান : আপনি আমার পিতার বয়সি। কন্যার বয়সি একটা মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাতে আপনার বুক কাঁপে না। লজ্জা লাগে না? কিভাবে পারেন আপনি? সুলতানের সাম্রাজ্যে আপনার মত একটা দুঃশ্চরিত্র এখনো কিভাবে টিকে আছে সেটা ভেবে আমি অবাক হই।

    গভর্নর : তুমি সীমা অতিক্রম করছ।

    মেহেরজান : দুষ্ট জ্বিনদেরকে হাতের মুঠোয় রেখে আপনি শহরের সমস্ত অন্যায় করে যাচ্ছেন। দুষ্ট জ্বিনদের ভয়ে কেউ কোন কথা বলতে পারে না।

    গভর্নর : কে বলেছে তোমাকে এই সব কথা?

    মেহেরজান : কথা বাতাসে ছড়িয়ে যাচ্ছে। আপনি কালো যাদু দিয়ে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন। শহরের প্রধান পুলিশকে আপনার অনুগত করে অন্যায় কাজ করাতে চাইছেন। সে খুব সৎ লোক, অথচ আপনি তাকে মোটেও পছন্দ করেন না।

    গভর্নর : পুলিশ প্রধান খুব সৎ লোক আর আমি অসৎ, দুশ্চরিত্র, লম্পট?

    মেহেরজান : ঠিক তাই।

    গভর্নর : খামোশ মেহেরজান। আমি এই মুহূর্তে তোমার গর্দান নিতে পারি।

    মেহেরজান : আমি তা জানি। আমি আপনার আরো অনেক কুকীর্তির কথা জানি।

    অন্যায়ভাবে আপনি কত গর্দান নামিয়েছেন তাদের কথাও আমি জানি। যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন কেউ একজন ফিসফিস করে আমাকে এই সব কথা বলে। সেই কণ্ঠস্বরটা সব সময় বলতে থাকে আপনাকে যেন আমি বিয়ে করি। আমি নিশ্চিত এটা আপনার কালো যাদু।

    গভর্নর : (কয়েক কদম হাঁটা হাঁটি করে একটু শান্ত হয়ে আসবে। তারপর নরম স্বরে বলবে) মেহেরজান তুমি বাড়িতে যাও। রাতে হয়ত তোমার ভালো ঘুম হয়নি। তাই মাথা গরম হয়ে আছে। আমার কোন কালো যাদু নেই। আমি সাধারণ একজন গভর্নর।

    (হাঁটতে হাঁটতে মেহেরজানের কাছে যাবে। তারপর তার হাত ধরে বলবে।) প্রিয়তমা, শান্ত মাথায় আমার কথাটা একটু চিন্তা করো।

    পৃথিবীর সমস্ত কিছুর বিনিময়ে আমি তোমাকে চাই।

    মেহেরজান : (এক ঝটকা দিয়ে হাত সরিয়ে দূরে সরে যাবে।) আপনি আমাকে কখনোই পাবেন না।

    (মেহেরজান খট খট করে পা ফেলে চলে যাবে। গভর্নর অস্থিরভাবে কয়েক কদম হাঁটবে। তারপর দাঁত চিবিয়ে চিবিয়ে বেশ কয়েকবার জ্বিন ইফরিদকে ডাকবে।) গভর্নর : ইফরিদ ইফরিদ কোথায় তুই হতচ্ছারা শয়তান নচ্ছার।

    (জ্বিন ইফরিদ ছুটে আসবে।)

    জ্বিন ইফরিদ : সব সময় ছায়ার মত আপনার সাথেই আছি।

    গভর্নর : চুপ থাক মিথ্যুক বাটপার।

    জ্বিন ইফরিদ : আমি সবসময় চেষ্টা করি আপনার মত হতে।

    গভর্নর : আবার মুখে মুখে কথা? আমার কালো যাদুর কথা শহরের লোকজনের মুখে মুখে। তুই নাকি মেহেরজানকে ফিসফিস করে এই সব বলেছিস। এতবড় সাহস তোর।

    জ্বিন ইফরিদ : (কাঁপতে কাঁপতে) হুজুর মিথ্যে কথা। মেহেরজান মিথ্যে বলছে।

    গভর্নর : কি! মেহেরজান মিথ্যে বলছে আর তুই সত্যি বলছিস। তবে রে হতচ্ছারা।

    (গভর্নর আস্তিনের কোটর থেকে যাদুর চাবুকটা বের করবে। তারপর সেটা দিয়ে জ্বিন ইফরিদকে আঘাত করবে। ইফরিদ সেই আঘাতে বেশ কয়েকবার গড়াগড়ি খাবে। জ্বিনকে মেরে গভর্নর হাপিয়ে উঠবে।)

    (গভর্নর হন হন করে চলে যাবে।)

    (জ্বিন ইফরিদ যন্ত্রণাকাতর চোখ মুখ নিয়ে উঠে বসবে। যন্ত্রণায় কিছুক্ষণ কোঁকাবে। হঠাৎ করেই তার চেহারা থেকে যন্ত্রণার ছাপ চলে গিয়ে ফুটে উঠবে প্রতিশোধের হিংস্র রূপ। অত্যন্ত দৃঢ় কণ্ঠে সে বলবে)

    জ্বিন : আমি প্রতিশোধ নেব। তোমার অপঘাতে মৃত্যুই পারে, আমাকে রক্ষা করতে। আহ! গভর্নর কেউ তোমাকে আর রক্ষা করতে পারবে না। হা হা হা হা হা হা।

    (হাসতে হাসতে জ্বিন চলে যাবে।)

    দৃশ্য : ২

    (নগরপ্রধান চিন্তিত হয়ে মঞ্চের এক কোনে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকবে। তারপর দু এক কদম হেঁটে সামনে আসবে। আবার এক কদম পেছনে গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকবে। খুব চিন্তিত সে। এর মধ্যেই নগরপ্রধানের বড় বউ মধ্য বয়স্কা একজন মঞ্চে এসে ঢুকবে। এসেই খেঁকিয়ে উঠবে।)

    বড় বউ : কি হলো আবার তোমার। নতুন ভেক ধরেছ। আবার ভিমরতিতে ধরল নাকি।

    গভর্নর : আহ বড় বউ যাওতো এখন। সারা শহরের শান্তি নিয়ে আমাকে ভাবতে হয়।

    বড় বউ : শহরের শান্তি নিয়ে ভাবতে ভাবতে তো তুমি ঘরের শান্তি নষ্ট করে ফেলছ।

    গভর্নর : কি করলাম আমি।

    বড় বউ : বাকিতো কিছু রাখোনি।

    গভর্নর : যতদিন যাচ্ছে তোমার কণ্ঠস্বর আরো কর্কশ হচ্ছে।

    বড় বউ : আমার কণ্ঠস্বর এখন তোমার কাছে কর্কশই মনে হবে। এখন কোকিলকণ্ঠী হলো ওই মেয়েটা।

    গভর্নর : শুনেছি সে নাকি অনেক সুন্দরী।

    বড় বউ : মেয়েটার তেজ আছে শুনেছি। আমাদের মত এত সহজে ওকে বাগে আনতে পারবে না।

    গভর্নর : তোমাকে কে বলেছে এত কথা।

    বড় বউ : তোমার প্রাণাধিক ছোট বউ। তুমি আবার বিয়ের কথা বললে সে নাকি বনবাসে যাবে।

    গভর্নর : ডাকো ছোট বউকে।

    বড় বউ : ছোটো এই ছোটো এই দিকে আয়।

    (ছোট বউ মঞ্চে ঢুকেই ফোস করে উঠবে)

    ছোট বউ : এত ডাকা ডাকি কেন? বাড়িতে তো আসমান ভেঙে পড়েনি।

    বড় বউ : আসমান ভাঙেনি তবে তোর কপাল ভাঙতে যাচ্ছে।

    ছোট বউ : কার এত সাহস আমার কপাল ভাঙতে আসে।

    বড় বউ : আমাদের প্রাণ প্রিয় স্বামী, আর একটি ছোট বউয়ের আয়োজন করছেন।

    গভর্নর : আহা তোমরা থামবে। কি সব আবোল তাবোল বকছ।

    বড় বউ : তুমি বলোনি ব্যবসায়ী সানানের মেয়ে দেখতে অনেক রূপসী। গভর্নর : সেতো নগরের সবাই জানে।

    বড় বউ : রূপসী মেয়ে দেখলেই শহরের সবাই বিয়ে করার জন্য হামলে পড়ে না।

    গভর্নর : আমি বুঝি সুন্দরী দেখলেই হামলে পড়ি?

    বড় বউ : তাইতো পড়ো।

    গভর্নর : তুমি থামবে।

    ছোট বউ : বড় বউ ঠিক কথাই বলছে। এই সংসারে যদি আর কেউ আসে আমি তোমার ঘরে আগুন লাগিয়ে দিবে।

    গভর্নর : পরিষ্কার করে বলবে কি হয়েছে?

    ছোট বউ : তুমি সানানের মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ঘোট পাকাচ্ছ না?

    গভর্নর : কে বলেছে এই সব কথা?

    ছোট বউ : মেজো দিদি বলেছে।

    নগরপ্রধান : ডাকো মেজো বউকে। মেজো বউ, এই মেজো।

    (মেজো বউ খুব শান্ত ভংগিতে মঞ্চে এসে ঢুকবে। বিনীত ভাষায় বলবে)

    মেজো বউ : আমাকে ডেকেছেন?

    গভর্নর : এত নরম করে কথা বলেইতো আমার মাথাটা খেয়েছিলে। একটা মিচকা শয়তান। আমি কখন বলেছি ব্যবসায়ী সানানের মেয়েকে আমি বিয়ে করব।

    মেজো বউ : তা বলেননি। তবে যে সব কাজ করছেন তা দেখে আমি বুঝতে পারছি আপনি আবারো বিয়ে করতে যাচ্ছেন। আকাশে মেঘ জমলেই তো মানুষ বৃষ্টির আশংকা করে।

    গভর্নর : উফ এই বউটা আমার জীবন ধ্বংস করে দিল। এইরকম নিমচা অতি চালাক মেয়ে কোন সংসারের জন্যই ভালো না। বলো আমি কখন কি করেছি?

    মেজো বউ : আপনার খাস কামরায় আজ ব্যবসায়ী সানানের মেয়েকে ডেকে পাঠিয়েছেন। অস্বীকার করতে পারবেন?

    (ধরা পড়ে গেছে ভেবে নগরপ্রধানের চেহারাটা খুব হাস্যকরভাবে মলিন হয়ে আসবে। সে চেষ্টা করবে নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে।)

    নগরপ্রধান : (আমতা আমতা করে) হ্যাঁ সে এসেছিল। ওর বাবার সাথে আমার জরুরি কাজ আছে। নগরপ্রধান হিসেবে নগরের শান্তি আর উন্নয়নে আমাকে অনেক ধরনের কাজ করতে হয়।

    মেজো বউ : নগর উন্নয়ন করতে গিয়ে সুন্দরীদের সাথে বুঝি খুব নরম গলায় কথা বলতে হয়?

    গভর্নর : মানুষের উন্নতির জন্য আমি সবার সাথেই নরম সুরে কথা বলি।

    মেজো বউ : তাতো দেখতেই পাচ্ছি। নরম নরম কথা বলেইতো তুমি একের পর এক আমাদেরকে নিয়ে আসলে।

    (ছোট বউ মাঝখানে এসে তাদের কথা থামিয়ে দিবে। স্বভাবসুলভ ভাবে সে খেকিয়ে উঠবে)

    ছোট বউ : তুমি থামো। আমাকে কথা বলতে দাও।

    (ছোট বউয়ের ধমকের সুরে কথা শুনে নগরপ্রধান একটু সরে দাঁড়াবে।)

    ছোট বউ : এই সত্যি করে বলো, তুমি কি আরেকটা বিয়ে করতে যাচ্ছ?

    গভর্নর : (আমতা আমতা করে)। হ্যাঁ, না না তা তা করতে যাব কেন?

    ছোট বউ : তাহলে সানানের মেয়েকে আজ বিয়ের প্রস্তাব দিলে কেন? (নগরপ্রধান এইবার ক্ষেপে উঠবেন)

    গভর্নর : ও তাহলে আমার বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরি হচ্ছে। এত সাহস তোমাদের।

    ছোট বউ : তুমি আমাদের কপাল পুড়াবে আর আমরা গোয়েন্দাগিরি করলে দোষ।

    গভর্নর : আমি এই শহরের প্রধান। আমি যা খুশি তাই করব। সানানের মেয়েকে বিয়ে করব। দেখি কে কি করো।

    (নগরপ্রধান খটখট করে মঞ্চ থেকে বের হয়ে যাবেন। ছোট বউ নাকি সুরে কাঁদতে থাকবে।)

    ছোট বউ : আমি এখন কোথায় যাব?

    মেজো বউ : এখন মজা বোঝ। আমার কপালটাতো তুই পুড়েছিলি।

    (বড় বউ তাদের মাঝে এসে কথা বলা শুরু করবে।)

    বড় বউ : আমি রানির মত একা ছিলাম তোরা এসে আমার সোনার সংসার ভাঙলি। এখন মজা বোঝ।

    (তারপর তিনজনই গলা ধরে কাঁদতে থাকবে। তখনি খিক খিক করে হাসতে হাসতে মঞ্চে ঢুকবে উদ্ভট পোশাকের জ্বিন ইফরিদ)

    জ্বিন ইফরিদ : আহা কি মজা। নগরপ্রধানের ঘরে আগুন লেগেছে। আহা কি দারুণ এক বুদ্ধি এসেছে মাথায়। পরাধীনতার শৃঙ্খল কে পরিবে পায়? হায় কে পরিবে পায়… হা হা হা হা।

    (মঞ্চ কাঁপিয়ে হাসতে হাসতে জ্বিন বের হয়ে যাবে।)

    দৃশ্য : ৩

    চরিত্র: ব্যবসায়ী সানান ও জ্বিন সিনগাম

    (অন্ধকার ঘর। বিছানার উপর জানালা দিয়ে হাল্কা আলো আসছে বাইরে থেকে সানানের ঘুম ভেঙে যাবে। সে বিছানা থেকে উঠবে। পাশেই তার স্ত্রী শুয়ে আছে। সানান মেঝের লম্বা গালিচার উপর দিয়ে আস্তে আস্তে দু এক কদম হাঁটার পর তার পায়ের তলায় নরম আর একটু উঁচু কিছু একটা পড়বে। সেটাতে পা দিয়েই সে হোঁচট খেয়ে পড়বে। ভয়ে ভয়ে আধো অন্ধকারে সানান উঠে দাঁড়াবে।)

    সানান : এ এ এটা কি (সানানের কণ্ঠে ভয়ার্ত স্বর)

    (সাথে সাথেই অন্ধকারে খুব রুক্ষ আর কঠোর একটা স্বর ভেসে আসবে।)

    অদৃশ্য কণ্ঠ : চোখের মাথা খেয়েছিস বেটা অন্ধ? তুই আমার মাথাটা পাড়িয়ে দিয়েছিস।

    (সানান অদৃশ্য গলার স্বর শুনে চারদিকে তাকাবে। ভয়ে সে কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে বসে পরবে।)

    সানান : তু তু তুমি কে?

    অদৃশ্য কণ্ঠ : আমি ইফরিদ। শহুরে জ্বিন।

    সানান : আমার ঘরে কি করছ?

    জ্বিন : সেটা কি তোকে বলতে হবে বেয়াদব। তুই আমাকে প্রশ্ন করার কে?

    সানান : ভুল হয়ে গেছে।

    জ্বিন সিনগাম : তুই অনেক বড় অন্যায় করেছিস। পা দিয়ে আমার মাথা মাড়িয়ে দিয়েছিস।

    সানান : আমি? কখন?

    জ্বিন : মাথা পাড়িয়ে তর্ক করছিস উজবুক। শাস্তি তোকে পেতেই হবে।

    (সানান কাঁপতে কাঁপতে বলবে)

    সানান : দয়া করুন। আপনার মাথা পাড়িয়ে দেয়ার মত সাহস আর স্পর্ধা কোনটাই আমার নেই।

    জ্বিন : চুপ উজবুক। কথা দিয়ে তুই আমাকে ভোলাতে চাইছিস।

    সানান : ক্ষমা করুন আমাকে। আমি শপথ করে বলছি…

    জ্বিন : কোনো ব্যবসায়ীর শপথে আমি বিশ্বাস করি না। তুই অনেক চালু একটা লোক। কথার রস দিয়ে তুই মানুষকে ভুলিয়ে দিস। আমাকে সেটা পারবি না।

    সানান : আমি আপনার করুণা ভিক্ষে করছি।

    জ্বিন সিনগাম : ক্ষমার জন্য অবশ্যই তোকে দাম দিতে হবে।

    সানান : আপনি যা চান আমি তাই দিব।

    জ্বিন : তাহলে শহরের গভর্নর খালিল হামদানিকে খুন করতে হবে।

    সানান : এটা কি করে সম্ভব? সে শহরের ক্ষমতাবান গভর্নর। প্রহরীদের বেষ্টনিতে সবসময় থাকে।

    জ্বিন : তাহলে তোর কোন ক্ষমা নেই।

    সানান : ক্ষমা করুন মাননীয় জ্বিন। সারা জীবনে একটা মশাও আমি মেরে দেখিনি। সেখানে কিভাবে আস্ত একটা মানুষকে মেরে ফেলব। আমি পারব না হুজুর!

    জ্বিন : চুপ হতচ্ছারা। শয়তান গভর্নরকে হত্যা না করলে সে তোকে হত্যা করবে। তোর মেয়েকে বিয়ে করবে। তোর ছেলেকে বিদ্রোহীদের দলে ভিড়িয়ে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুলাবে।

    সানান : কি বলছেন এই সব। আমার বিশ্বাস হয় না।

    জ্বিন সিনগাম : গভর্নর যখন তার প্রাসাদে ডেকে তোকে এই সব বলবে তখন বিশ্বাস হবে তোর। আমার কথা শোন। সব ব্যবস্থা আমি করে দেব। কোন ভয় নেই তোর। আমার কথা যদি না শুনিস তাহলে গর্ভনরের আগে আমিই তোকে ধ্বংস করে দেব। আমার মাথা পাড়িয়ে তুই কোনভাবে পার পেয়ে যাবি না। আর গভর্নরকে হত্যা করতে পারলে তুই সরাসরি ওই স্বর্গে চলে যাবি। ওখানে অপরূপ সব সুন্দরী সুরা হাতে অপেক্ষা করছে তোর জন্য। হি হি হি

    সানান : আমি আপনার ইচ্ছের গোলাম। যা বলবেন তাই করব।

    জ্বিন : খুব ভালো কথা। যা এখন ঘুমাতে যা।

    (সানান মোহগ্রস্থ হয়ে হাঁটতে হাঁটতে তার বিছানায় যাবে। তারপর লম্বা হয়ে শুয়ে পড়বে।)

    দৃশ্য : ৪

    চরিত্র : ব্যবসায়ী সানান, স্ত্রী, কন্যা মেহেরজান, পুত্র ফাদিল

    (সকাল হয়ে গেছে। সানান বিছানায় ঘুমাচ্ছে। তার স্ত্রী এসে ডাকাডাকি করবে) স্ত্রী : এই তুমি এখনো ঘুম থেকে উঠছ না কেন? কখনোতো এত সময় পর্যন্ত ঘুমাও না। কি হলো ওঠো।

    (সানান ধরফরিয়ে ঘুম থেকে উঠবে। বিভ্রান্তের মত চারপাশে তাকাবে।)

    স্ত্রী : কি হলো এমন ভাবে কি দেখছ? কি হয়েছে আজ তোমার।

    সানান : আমি খুব ভয়ংকর একটা দুঃস্বপ্ন দেখলাম।

    স্ত্রী : ঘুমানোর সময় একটু ওপরওয়ালার নাম নিয়ে ঘুমিও। সব সময় শুধু ব্যবসার চিন্তা। ব্যবসা ব্যবসা আর ব্যবসা।

    সানান : না না। না। জ্বিন আমাকে ভয় দেখাচ্ছে।

    স্ত্রী : তোমার মাথাটা আসলেই গেছে। সারা রাত তুমি আমার পাশেই ছিলে। দেখলাম মরার মত ঘুমাচ্ছ।

    সানান : বিশ্বাস করো ওর সাথে কথা বার্তা হলো। জ্বিনটা আমাকে অদ্ভুত সব কথা বলে ভয় দেখাচ্ছে। আমাকে বলছে মানুষ খুন করতে। কি ভয়ংকর কথা।

    (সানান মুখ ধোয়ার জন্য উঠে দাঁড়াবে। তখন পেছন থেকে তার স্ত্রী কিছু একটা দেখে চিৎকার করে উঠবে।)

    স্ত্রী : ওকি ওকি তোমার হাতে ওটা কিসের দাগ?

    (সানান অবাক হয়ে তার হাতের দিকে তাকিয়ে থাকবে)

    স্ত্রী : তোমার হাতে কামড় দিয়েছে কে? গতকালও তোমার হাত ভালো ছিল।

    (সানান নিজের হাতের ক্ষত অংশ দেখে ভয়ে কাঁদতে থাকবে)

    সানান : বউ সত্যি সত্যি জ্বিনের সাথে কথা হয়েছিল। এটা জ্বিনেরই কাজ। উফ কি ভয়ংকর অবস্থা। বউ আমি শেষ। আমার আর কোন আশা নেই।

    স্ত্রী : এভাবে ভেঙে পড়ো না। কখনো শুনেছ জ্বিন মানুষকে কামড়ে এমন ক্ষত করেছে?

    সানান : তাহলে কামড়ের দাগ কোত্থেকে এলো? কোনো পাগলা কুকুর কামড়ে দিয়েছে না কি?

    স্ত্রী : শোনো রাতের বেলা কোন পোকা মাকড় তোমাকে কামড়েছে। ভয় পেয়ো না।

    সানান : তুমি বুঝতে পারছ না। জ্বিন এই কাজ করেছে।

    স্ত্রী : তোমার বন্ধু ইব্রাহিম ডাক্তারের কাছে যাও। মাথা গরম করো না।

    সানান : তুমি ঠিক বলেছ।

    (এর মধ্যেই ঘুম থেকে উঠে টলতে টলতে সানানের ছেলে ঘরে ঢুকবে। সানান একটু শাসনের সুরে ছেলের সাথে কথা বলবে।)

    সানান : এই যে জমিদার পুত্র ঘুম থেকে উঠে টলতে টলতে তার বাবার সামনে দিয়ে যাচ্ছে।

    ফাদিল : কি করব বাবা রাতে ভালো ঘুম হয়নি।

    সানান : কেন?

    ফাদিল : গতকাল পুলিশ প্রধান গামাস আমাকে বলল সাবধানে চলতে। শহরে কি সব ঝামেলা হচ্ছে। নানা ধরনের বিদ্রোহী গ্রুপ নাকি ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ প্রধান আমাকে বলেছে যেন আমি তাদের কাছ থেকে দূরে দূরে থাকি।

    সানান : ভালো কথা বলেছে। পুলিশ প্রধানের সাথে আমার দেখা করাটা জরুরি।

    (সানান হাতের ব্যথায় আবারো ককিয়ে উঠবে।)

    ফাদিল : কি হয়েছে বাবা?

    সানান : ও কিছু না। হাতে একটু ব্যথা।

    ফাদিল : কই দেখি দেখি। দেখেতো মনে হচ্ছে কুকুর কামড়ে দিয়েছে। কিভাবে হলো। তুমি আজকেই ইব্রাহিম চাচার সাথে দেখা করবে।

    সানান : ও নিয়ে তুমি চিন্তা করো না।

    (সানান বিছানা থেকে উঠে বাইরে চলে যাবে। সবাই যার যার ঘরে যাবে।)

    ⤷
    1 2 3
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরণজয়ী – নসীম হিজাযী
    Next Article প্রিলিউড টু ফাউণ্ডেশন -আইজাক আসিমভ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }