Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প751 Mins Read0
    ⤷

    কাশীধাম – ১

    ১

    স্থান, কাল আর পাত্র।

    প্রথমেই চিহ্নিত করে নেওয়া যাক।

    স্থান : সেই যেখানে নাকি ভূমিকম্প হয় না—বাবা ঁবিশ্বনাথের ত্রিশূলপ্রান্তে চিহ্নিত মহানগরী কাশীধাম।

    কাল : 1696 শকাব্দ; সংবৎ : 1831—অর্থাৎ ফেরঙ্গমতে 1774 খ্রীষ্টাব্দ। সূর্য কুম্ভরাশিতে, তিথি কৃষ্ণা নবমী। হিসাব মতো ফরাসী দেশে ব্যাস্টিল দুর্গের পতন হতে যেমন পনের বছর বাকি, তেমনি পলাশীর যুদ্ধ সতের বছর অতীতের ঘটনা। কোম্পানির রাজত্ব সবে শিকড় গেড়ে বসছে। ইংলন্ডে তখন তৃতীয় জর্জ সিংহাসনে আসীন। রাজা রামমোহন রায় মাত্র দুই বৎসরের শিশু।

    পাত্র : না, পাত্র নয়, পাত্রী। কিন্তু তাঁর কথা পরে আসবে। আপাতত যার প্রসঙ্গ দিয়ে কাহিনী শুরু হচ্ছে তার নাম সুখিয়া—মহামহিম কাশীরাজ সরকারের বেতনভুক ‘হসিসিয়ূন’—সাদা-বাঙলায়—গুপ্তচর, প্রয়োজনে যাকে গুপ্তহত্যার কাজে নিয়োগ করা চলে।

    তিনতলা পাষাণ-হর্ম্য। গঙ্গাতীর। অসিঘাটের কাছাকাছি। আদ্যন্ত চুনা-পাথরে চুন-সুরকির মশলায় গাঁথা। দেখলে মনে হয় না এটা প্রমোদভবন, যেন—দুর্গ! এ অট্টালিকার পরিচয়’অসিঘাটের বাগানবাড়ি’। জনহীন, নির্বান্ধব পাষাণপুরী সারাটি দিন ঝিমায়। সন্ধ্যা সমাগমে তার নিদ্রাভঙ্গ হয়। তখন শোনা যায় কিছু কলগুঞ্জন। রাজকার্যে ক্লান্ত-তনু রাজাসাহেবের শুভাগমন ঘটে। বাগানের মালি ছুটে এসে সেলাম করে, ঘোড়ার লাগামটা ধরে। রাজাসাহেব ময়ূরপঙ্খী-নাগরা মমশিয়ে সোপান বেয়ে উঠে যান ফাঁকা ছাদে। আসে কিছু বয়স্য, আর আসে কিংখাবে-মোড়া পালকি চেপে নৃত্যগীত-পটিয়সী কিছু বেহেস্তের হুরী।

    সেটাই হচ্ছে সুখিয়ার চিন্তার কারণ।

    প্রয়োজনে সে রাজাসাহেবের শয়নকক্ষে বিনা-এত্তেলায় হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়তে পারে—সে অধিকার তার আছে—যদি তেমন-তেমন গোপন সংবাদ লুকানো থাকে তার আস্তিনের তলায়। রাজারানীর মিলন-মুহূর্তটাকে খাখান্ করে সে জানলা দিয়ে ঢুকে পড়তে পারে, যদি তার কুর্তার জেব্‌-এ লুকানো থাকে রাজহত্যার গোপন ষড়যন্ত্রের বার্তা। কিন্তু আজ সে যে খবরটি সংগ্রহ করে এনেছে তা চমকপ্রদ হলেও রাজাসাহেবের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িত নয়—শুধু তাঁর একটা কৌতূহল চরিতার্থ করতে। এ সময় রাজাসাহেবের সান্ধ্য-বিনোদনে ব্যাঘাত ঘটানো উচিত হবে কিনা ঠাওর করে উঠতে পারে না।

    অশ্বপৃষ্ঠে ওকে এগিয়ে আসতে দেখে লোহার-শিক দেওয়া বিরাট ফটকটা খুলে গেল। দ্বাররক্ষক ওকে চেনে। প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে অশ্বটিকে রজ্জুবদ্ধ করল। পায়ে পায়ে এগিয়ে এল। প্রমোদ-প্রাসাদে কোথাও আলো জ্বলছে না। শুধু খোলা ছাদে কিছু স্তিমিত আলোকরশ্মি। একটু কান করে শোনার চেষ্টা করল—না, তবলা বা ঘুঙুরের শব্দ উঠছে না। বাগানেও নেই কোনো কিংখাবে-মোড়া পালকি। তার মানে, নাচনেওয়ালীরা এখনো এসে পৌঁছায়নি। কিন্তু রাজাসাহেবের ঘোড়াটাকে দেখা যাচ্ছে।

    নজরে পড়ে সিঁড়ির ও প্রান্তে রামলগন বসে সিদ্ধি খুঁটছে। রামলগন রাজাসাহেবের দেহরক্ষী—মহিষাসুরের মতো চেহারা। ঈয়া পাকানো মৌচ, ঈয়া বুকের পাটা-—লাঠিয়াল-দলের সর্দার। ছেদিলাল শিলাপটে পেস্তাবাদাম জাতীয় কী যেন পিষছে।

    সুখিয়া সেদিকে এগিয়ে আসে। বলে, রাম-রাম লগনজী, ক্যা হালচাল?

    রামলগন একবার চোখ তুলে তাকায়। জবাব দেয় না।

    রাজসন্দর্শনে যাবার আগে একটি অনিবার্য প্রশ্ন থাকে। সেটা জেনে যাওয়াই প্রথা। গরজ বড় বালাই। সুখিয়া জানতে চায় : রাজাসাহেবের মেজাজ শরীফ?

    এবারও প্রত্যুত্তর করল না সর্দার-লেঠেল।

    সুখিয়া প্রশ্ন করে, উপর যাঁউ?

    —তোহার মর্জি!

    বোঝা গেল, রাজাসাহেবের মেজাজ যেমনই থাক, তাঁর খাশ দেহরক্ষীটির মেজাজ তিরিক্ষে। সুখিয়া পেশায় গুপ্তচর, রাজ্যের যাবতীয় তথ্যের হক-হদিস্ তার নখদর্পণে। তার জানা আছে, কী হেতুতে রামলগনের মেজাজ এতটা বিগড়ে আছে।

    তা তো হতেই পারে। রামলগনের স্বহস্তে বানানো ‘সিদ্ধির সুখ্যাতি তামাম কাশীধামে সুবিদিত—দশাশ্বমেধ ঘাটের মেঠাইওয়ালা তেওয়ারিজীর ‘জিলাইবী’ অথবা দড়িয়া-কা-পোলের ভুঁজাওয়ালার পিস্তা-কা-হালুয়ার মতো—’যো খায়া বহু পস্তায়া, যো নহী খায়া বহুভি পস্তায়া। অনেকের ধারণা—ঐ সিদ্ধির সিদ্ধিতেই রামলগন সর্দার-লেঠেলের পদে উন্নীত। না হলে ঈশান কৈবর্তের নোকরি-খতমের পরে এই বারাণসীধামে কি ‘পালওয়ানে’র আকাল পড়েছিল? কিন্তু রাজাসাহেব ইদানীং আর সিদ্ধির নেশায় মৌজ করেন না। বেশ কিছুদিন প্রয়াগ ক্যান্টনমেন্টে বাস করে যখন কাশীতে ফিরে এলেন তখন দেখা গেল তাঁর নেশাটিরও বদল হয়েছে। রাজারাজড়ার ব্যাপার—শয্যাসঙ্গিনীর মতো ওঁদের মাঝে মাঝে নেশারও বদল করতে হয়। ওঁর এখন ধারণা হয়েছে—সিদ্ধি-ভাঙ হচ্ছে নাবালকের আর গঞ্জিকা নাঙ্গা ফকিরের নেশা। বর্তমানে তিনি নাকি কী এক আজীব বিলাইতির মহব্বতে মাতোয়ারা—সুখিয়া বাপের জন্মে তার নাম শোনেনি—’শ্যামপিন’, না কী যেন নাম। আকবরী মোহর দিয়ে তা রাজাসাহেব আমদানি করেন ফেরঙ্গ ক্যান্টনমেন্ট থেকে।

    তা রাজাসাহেবের অমৃতে অরুচি হতে পারে, রামলগনের তো সেটা হয়নি। সে তার তিনপুরুষের সিদ্ধিকে ত্যাগ করতে পারে না। ইদানীং বেচারি গ্যাটের কড়ি গচ্চা দিয়ে নেশার যোগান দেয়। পারতপক্ষে রাজাসাহেবের সামনে আসে না আজকাল। সেই যেদিন ভাঙের ভাঁড়টা রাজাসাহেব ওর মাথা লক্ষ্য করে ছুঁড়ে মেরেছিলেন তার পর থেকে।

    সুখিয়া এসব বৃত্তান্ত জানে। তাই বলে, আমার জন্যেও এক লোটা ‘অরিৎ’ বানিও ভাই রামলগন। আমি তো রাজকাজে দেশ-বিদেশ ঘুরি—তোমার সিদ্ধির সুখ্যাতি দেখছি ইদানীং কাশীর বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে।

    খুশি হল রামলগন। বলে, সে সব ফেরার পথে হবে। তুমি যাও, ছাদে চলে যাও। ফেরার সময় মহাবীরজীর পরসাদ পেয়ে যেও। লেকিন এগো বাৎ শুনিহ সুখিয়া ভেইয়া—এক লোটা পী’লে তিন দিন তোমার নিদ্ টুটবে না। যতটুকু পরসাদ তোমার সহ্য হবে তা আমি নিজে হাতে মেপে দেব। সমঝা? যাও! উপর যাও!

    —নাচনেওয়ালী কসবিরা এসে পৌঁছায়নি তা তো দেখতেই পাচ্ছি। ছাদে আছেন কে কে?

    —কবিজী আছেন, আড্ডাধারী ঔর বটু।

    তিনজনই সুপরিচিত। রাজাসাহেবের তিন অন্তরঙ্গ ইয়ার দোস্ত। কবিজী, অর্থাৎ কাব্যতীর্থ ব্রাহ্মণ, রাজা-সাহেবের চেয়ে না হোক দশ বছরের বড়। তবু তিনি বয়স্যপদে বহাল। কারণ নবরসের প্রথম রসটিতে তাঁর দিল সর্বদাই টুবুটুবু—ঘনরসে পান্তুয়ার মতো। কাঁচা খিস্তিকে সুচারুরূপে কাব্যরস মণ্ডিত করার দুর্লভ প্রতিভা তাঁর এক্তিয়ারে। কাব্য আর খিস্তির ফারাকটা বোঝা যায় না। আড্ডাধারী রাজা সাহেবের ঘুন্সিযুগের বন্ধু। অর্থাৎ যে আমলে মাজায় কষি দেবারও প্রয়োজন ছিল না—স্রেফ ঘুসি। রাজা-সাহেবের উত্থান-পতনের সঙ্গে নিজের ভাগ্যকে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ফেলেছেন। ছায়ার মতো তাঁর পিছন পিছন ঘোরেন। কুপরামর্শের যোগান দিয়ে চলেন ক্রমাগত।

    তৃতীয় ব্যক্তি বটু। বামন। প্রাক্তন রাজামশায়ের বিদূষক। সচরাচর বিদষকের পদ লাভ করে পৈতাধারী বামুন। বটুকেশ্বর প্রামাণিক। অতি ধূর্ত লোক। প্রাক্তন কাশীনরেশ বলবন্ত সিং-এর গঙ্গাপ্রাপ্তির পর রাজ-সরকারের খোল-নলচে আদ্যন্ত পালটে গেছে। সেনাপতি বজ্রধর দেশত্যাগী, রাজপুরোহিত ‘গঙ্গারাম মিশ্র অপসারিত, মন্ত্রী বেপাত্তা। রাজার লাঠিয়াল-সর্দার ঈশান কৈবর্তকে সপরিবারে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল—কোনক্রমে সে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছে। তার বউটাই শুধু পুড়ে মারা যায়। বোধকরি এতদিনে সে তার পিতৃভূমি বঙ্গাল-মুলুকে ফিরে গেছে—কারণ তার ডাকাতির খবর আর ইদানীং পাওয়া যাচ্ছে না। যা বদলায় নি তা : বিদূষক! একমাত্র ব্যতিক্রম তাই বটুকেশ্বর প্রামাণিক! ভাঁড়ামোর পারদর্শিতায় সে কর্মচ্যুত হয়নি।

    সিঁড়ি বেয়ে, ছাদে পৌঁছে সুখিয়া আবার দাঁড়িয়ে পড়ে। ভারী পর্দার ফাঁকে একটা চোখ লাগিয়ে সে ওদিককার অবস্থাটা সমঝে নিতে চায়।

    ফাল্গুনের শেষাশেষি। দিব্যি ফুরফুরে গঙ্গার হাওয়া। ছাদে প্রকাণ্ড গদি বিছানো! তার উপর জাজিম। ইতস্তত বিক্ষিপ্ত মখমলে মোড়া খানকতক কামদার তাকিয়া। রাজাসাহেব অর্ধশয়ান। তাঁর হাতে আলবোলার ফরসি। সামনে মোরাদাবাদী কাজ-করা ধাতবপাত্রের উপর বিলাইতির বোতল আর পানপাত্র। একপাশে রাখা আছে কিছু বাদ্যযন্ত্র। একটা রূপার রেকাবিতে অপর্যাপ্ত জুঁই ফুল। বয়স্য তিনজন রাজাসাহেবকে ঘিরে। নর্তকীরা এখনো এসে পৌঁছায়নি।

    —কৌন? কৌন হ্যায়?—সবার আগে বটুকের নজর পড়েছে ভারী পর্দার নিচে একজোড়া নাগরাপরা পা। পর্দা সরিয়ে সুখিয়া ছাদে উঠে আসে। আভূমি নত হয়ে কুর্নিশ করে। লোকটা ধূর্ত—সাবেক রাজামশায়কে সে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করত। এখন কুর্নিশের কায়দা রপ্ত করেছে। জানে, রাজাসাহেবের ঐসব মোগলাই কেতা মনপসন্দ।

    রাজাসাহেব উর্দু-মেশানো হিন্দুস্থানীতে বললেন, ও! তুই! খবর নিয়ে এসেছিস?

    —জী সরকার। লেকিন খবরটা তো তেমন জরুরী নয়, এখনি হুজুরের দিল বিগড়ে দিতে চাই না। ওয়ার্না কাল সুবে আপনার খিদমতে…

    হুঙ্কার দিয়ে;ওঠেন রাজাসাহেব, হারামজাদা! কোন ব্যাপারটা জরুরী তা বিচার করব আমি! সমঝ গয়ে? বেতমিজ, গিদ্ধড়! তুই হুকুমের খিদ্‌মদ্‌গার। যা হুকুম হবে সিরেফ তামিল করে যাবি! বল, কী জেনে এসেছিস? জগু পণ্ডিত যা বলেছে তা সচ্?

    যুক্তকর গরুড়পক্ষীর মতো সুখিয়া দাঁড়িয়ে থাকে। বয়স্যের অধিকারে আড্ডাধারী রাজাসাহেবকে সস্নেহ ধমক দেয়, তোমার যেমন কাণ্ড, রাজাসাহেব! সুখিয়া হারামজাদা কি জানে—জগুয়া কী অভিযোগ করে গেছে? র’স, আমি জেরা করছি। অ্যাই সুখিয়া, তুই নিজে চোখে বিদ্যালঙ্কারকে দেখে এসেছিস?

    —জী সরকার!

    —কী করছিল র‍্যা? ছাত্তর ঠেঙাচ্ছিল?

    সুখিয়া ইতস্তত করে। না, কোন ছাত্রকে প্রহার করতে দেখেনি। স্বীকার করল সে কথা। সে শুধু দেখে এসেছে—বিদ্যালঙ্কার তাঁর চতুষ্পাঠীতে অধ্যাপনা করছিলেন।

    —ঐ হল! তারেই বলে ছাত্তর ঠ্যাঙানো! এখন বল দিনি—ওর ছাত্তরদের বয়স কত হবে? দশ, পনের, বিশ, বাইশ?

    —জী হাঁ। যেয়াদা ভি হো সক্‌তা।

    —আর বিদ্যালঙ্কারের বয়স?

    সুখিয়া মাথা চুলকায়। কী জবাব দেবে ঠাওর করে উঠতে পারে না।

    —আন্দাজে বল্ হারামজাদা! বিশ-পঁচিশ? নাকি ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ?

    —ঐসিনই হো সক্‌তা।

    কাব্যতীর্থ অট্টহাস্য করে ওঠে, বাঃ! বাঃ! তুই যে সমদর্শী হয়ে উঠলি রে সুখিয়া—সদন্নে বা কদন্নে বা লোষ্ট্রে বা কাঞ্চনে তথা’। অ্যাঁ? কাঁচা-মিঠে ‘কিশোরী রসাল’ আর

    শ্রোণীভারাদলসগমনা ‘পক্ক পনস’ তোর চোখে এক?

    আড্ডাধারী ওসব চটুলতায় বিচলিত না হয়ে প্রশ্ন করে, কী দেখলি বল? বিদ্যালঙ্কারের মাথা কামানো? টিকি দেখলি?

    —জী।

    বটুকেশ্বর উপর-পড়া হয়ে জানতে চায়, কত বড় টিকি দেখলি বল? দু’ চার আঙুল? বিঘৎখানেক? নাকি দেড় হাত?

    সুখিয়া সকলের দিকে পর্যায়ক্রমে তাকিয়ে দেখে। বটু বিদূষক। প্রথা বলে, তার প্রতি কথাতেই হেসে উঠতে হবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, তার কথায় কেউই এখন হাসছে না। সুখিয়ার মনে হল, প্রশ্নটা রসিকতা নয়, জবাবের অপেক্ষা রাখে। বলে, এনা বড়া হোগা শায়েদ!

    হাতের মুদ্রায় বিদ্যালঙ্কারের অর্কফলার দৈর্ঘ্যটা বোঝাবার চেষ্টা করে।

    আড্ডাধারী জানতে চায়, বিদ্যালঙ্কারের পরিধানে কী দেখলি? ধুতি পিরান?

    —জী!

    কাব্যতীর্থ প্রচণ্ড ধমক লাগায়, কী তখন থেকে শুধু ‘জী-জী’ করছিস্। বলি, তুই কি ‘জুজু’ দেখে এলি? ঠিক করে বল্ বেটা : পিরান না কামিজ, নাকি কুর্তা? অথবা ফতুয়া?

    সুখিয়ার সব কিছু গুলিয়ে যায়। ঐ চারটি অঙ্গাবরণ পুরুষে ঊর্ধ্বাঙ্গে পরিধান করে এটুকুই জানা আছে; তাদের পার্থক্যটা ঠিক কী, তা ওর জ্ঞানসীমার বাইরে। স্বীকার করল সে কথা।

    কাব্যতীর্থ এবার অন্বয়-ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দেয় যে, ‘পিরান’ হচ্ছে ঢিলে-ঢালা জামা—যা ভবিষ্যতে বিবর্তিত হবে পাঞ্জাবিতে; ‘কামিজ’ হচ্ছে ‘শার্ট’-এর আদিমরূপ; ‘কুর্তা হচ্ছে ফেরঙ্গ সৈনিকদের অঙ্গাবরণ—আঁটো-জামা। আর ফতুয়া—হাতকাটা গ্রীষ্মের পোশাক।

    এবার সুখিয়া নিবেদন করে—সেক্ষেত্রে বিদ্যালঙ্কারের গায়ে যে জামাটা দেখে এসেছে তাকে ‘পিরানই’ বলা উচিত।

    কাব্যতীর্থ আরও গভীরে প্রবেশ করতে চায়, আর পিরানের তলায়?

    সুখিয়া হালে পানি পায় না।

    —বলি, পিরানের তলায় কী দেখলি, বল?

    সুখিয়া নির্বাক!

    —বল্ হারামজাদা! পিরানের নিচে কী আছে তা দেখেছিলি? চোখে বা হাত চালিয়ে? এবারেও কেউ হাসছে না। কী বিড়ম্বনা! কোনটা রসিকতা আর কোনটা প্রশ্ন বোঝা ভার। সুখিয়া মাথা নেড়ে জানায়, সে কথা ও জানে না!

    কাব্যতীর্থ এবার ন্যায়তীর্থ হয়ে উঠতে চায়। প্রত্যক্ষ প্রমাণ, আনুমানিক প্রমাণ, ‘আনুভূতিক’ প্রমাণ! প্রশ্ন করে, তবে তুই কেমন করে বুঝলি বাপধন, যে তুই ন্যায্য সেই হটী বিদ্যালঙ্কারকেই দেখে এসেছিস? আর কোনও টুলো পণ্ডিতকে নয়?

    —সবাই তো বললে, উনিই বিদ্যালঙ্কার!

    —মানছি! সেটা তো অপ্রত্যক্ষ প্রমাণ। কিন্তু পিরানটা তুলে প্রত্যক্ষ প্রমাণ না পাওয়া ইস্তক তুই কী করে বুঝলি যে, সে স্ত্রীলোক? কামানো মাথায় চুট্‌কি দেখে?

    এবারেও কেউ হাসছে না। এমন একটা অশ্লীল ইঙ্গিতে। সুখিয়া জবাব দিল না। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়েই রইল।

    —তার মানে তুই বলতে চাস্ যে, পিরানের উপর থেকেই মর্মভেদী দৃষ্টিতে সেটা আন্দাজ করতে পারছিলি! কেমন?

    এবারও সুখিয়া মেদিনীনিবদ্ধদৃষ্টি।

    —কিরে ব্যাটা? তোর বাক্যি হরে গেল যে! তা উপর থেকে কী সমঝে নিলি তাই না হয় খুলে বল—বদরী, দাড়িম্ব, নাকি বাবা বিশ্বনাথের যা মনপসন্দ : যুগল পঙ্কবিশ্ব?

    এতক্ষণে রাজাসাহেব কথা বলে ওঠেন। কাব্যতীর্থকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, অ্যাই সুখিয়া, তুই শুধু বল—ঠিক লোককে দেখে এসেছিস্ তো?

    —জী হুজুর, গরিবপরবর!

    ধমক খেয়েও কাব্যতীর্থ ক্ষান্ত হল না। লোকটা জানে, কাব্যালোচনার নচের আড়ালে ক্রমাগত আদিরস পরিবেশনের জন্যই সে রাজসরকার থেকে বৃত্তিভোগী। বললে, ব্যাপারটা কিন্তু প্রমাণ হল না, রাজাসাহেব।

    রাজাসাহেব হাত নাড়লেন। মক্ষিকাবিতাড়নমুদ্রা। সুখিয়া মুক্তি পেল। খানদানি মোগলাই কায়দায় তিনবার কুর্নিশ করে তিনপা পিছু হটে পর্দার ওপাশে অন্তর্হিত হল।

    আড্ডাধারী বুঝে নিয়েছে রাজাসাহেবের মন এখন অন্য দিকে। কাব্যতীর্থের চটুলতায় তাঁর মন নেই। আড়চোখে তাঁর দিকে একনজর দেখে নিয়ে বলে, জগৎ পণ্ডিত তো তাহলে মিছে কথা বলেনি! এতদূর দুঃসাহস! একজন স্ত্রীলোক কাশীধামে এসে চতুষ্পাঠী খুলে বসেছে! পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে ছাত্তর ঠ্যাঙাচ্ছে।

    রাজা সাহেব বলেন, কাব্যতীর্থ! চ্যাঙড়ামি কর না। ভেবে চিন্তে বল তো—তোমার জ্ঞানমতে এমন ঘটনা কাশীধামে ইতিপূর্বে ঘটেছে?

    কাব্যতীর্থ এবার নিজেকে সামলে নেয়। গম্ভীর হয়ে প্রত্যুত্তর করে, আজ্ঞে না, রাজা-সাহেব! এমন বিচিত্র কথা আমি জীবনে শুনিনি!

    —শুধু ‘বিচিত্র’ নয়! অসামাজিক! অশাস্ত্রীয়!

    —তা তো বটেই। গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, ‘স্ত্রীষু দুষ্টাষু’ হলে ‘বর্ণসঙ্কর’ জন্মগ্রহণ করে। স্ত্রীলোকের দুষ্টামি কদাচ সহ্য করতে নেই। সুখিয়ার কথায় মনে হল মেয়েটি পূর্ণ- যৌবনা। কোন সাহসে সে প্রকাশ্যে পুরুষের বেশে, মাথা কামিয়ে, টিকি রেখে চতুষ্পাঠী খুলে বসে? মনুর সুনির্দিষ্ট বিধান আছে—স্ত্রীলোক শুধু সন্তানের জন্ম দেবে, তাদের স্তনদান করবে, লালন-পালন করবে, স্বামীর পদসেবা করবে …

    বটুকেশ্বরও বুঝে নিয়েছে। এ আসরে ভাঁড়ামি চলবে না। বললে, শুনেছি সে বিধবা। নিঃসন্তান!

    —তাহলে তার সহমরণে যাবার কথা। না হলে অন্তঃপুরের চতুঃসীমায় লুক্কায়িত থাকা! রাজাসাহেব জানতে চান, কোন দেশের লেড়কি? তৈলঙ্গী?

    —আজ্ঞে না। শুনেছি বঙ্গদেশের। রাঢ়খণ্ডের। ব্রাহ্মণ কন্যা। বালবিধবা …

    —বামুনের মেয়ে? বিধবা! সহমরণে যায়নি?

    —যায়নি যে, তা তো দেখাই যাচ্ছে।

    —কতদিন হল সে টোল খুলে বসেছে?

    —প্রায় ছয় মাস!

    —ছয় মাস! দোষ তোমাদের! আমি রাজকার্যে এলাহাবাদে ছিলাম। তোমরা কোনও ব্যবস্থা নাওনি! আমি ফিরে আসার পরেও কিছু জানাওনি। নেহাৎ জগাপণ্ডিত দরবার করতে এসেছিল তাই এতবড় অনাচারটা আমার গোচরে এল।

    আড্ডাধারী এক কথায় অভিযোগটা মেনে নেয়। বলে, তা ঠিক। আমাদের খবর নেওয়া উচিত ছিল তোমাকে জানানো উচিত ছিল। যাক, যা হবার তা তো হয়েই গেছে। এখন বল, কী কর্তব্য?

    রাজাসাহেব বলেন, তোমরাই আমার পরামর্শদাতা। প্রথমে তোমাদের অভিমতগুলো শুনি। কাব্যতীর্থ কী বল? কী শাস্তি দেওয়া উচিত বিদ্যালঙ্কারকে?

    কাব্যতীর্থ বলে, শূদ্র আর স্ত্রীলোকের বেদপাঠের অধিকার নাই। শ্রীরামচন্দ্র প্রথমটির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন তা শম্বুক উপাখ্যানে বাল্মীকি আমাদের শুনিয়ে গেছেন। দ্বিতীয়টির বিষয়ে কাশীনরেশ কী ব্যবস্থা নেন তাই আমরা এখন দেখব।

    —আর আড্ডাধারী? তোমার অভিমত?

    —না, রাজাসাহেব। আমি কাব্যতীর্থের সঙ্গে একমত নই। কাব্যতীর্থ স্পষ্ট ইঙ্গিত করেছে—শিরশ্ছেদ! তোমার শুভানুধ্যায়ী হিসাবে আমার পরামর্শ—অতটা বাড়াবাড়ি কর না!

    —কেন?

    —শম্বুক গোপনে বেদাভ্যাস করছিল। এ মেয়েটি করছে প্রকাশ্যে। কাশীর পণ্ডিতসমাজ তাকে ‘বিদ্যালঙ্কার’ উপাধি প্রদান করেছেন। এতবড় উপাধি আর কোনও স্ত্রীলোক কখনো পেয়েছে বলে আমি তো শুনিনি। না বয়স্য—শিরশ্ছেদ করাটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। আমি বলি—ওকে লঘুতর শাস্তি দাও। মাথা মুড়িয়ে, ঘোল ঢেলে, উল্টোগাধায় চড়িয়ে কাশীরাজ্যর সীমানার বাইরে বার করে দাও। কী বল বটু?

    বটু তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করে, আজ্ঞে না! তাতে আমার ঘোরতর আপত্তি! প্রথম কথা, অপরাধী শিখাবাদে মাথাটা নিজেই মুড়িয়ে রেখেছে। দ্বিতীয়ত তক্র অতি উপাদেয় পানীয়, অপচয় করা ঠিক নয়। তৃতীয়ত উল্টো গাধা? শাটিকের[১] বদলে শাটিকা[২] গাত্রাবরণী, চোলিকার পরিবর্তে পিরান, কুঞ্চিত কেশদামের বদলে ন্যাড়ামুণ্ডি—মহারাজ, উল্টোগাধার আর বাকিটা কী!

    [১ শাটিক—পুরুষদের পরিধেয় বস্ত্র = ধুতি। ২ শাটিকা—রমণীদের পরিধেয় বস্ত্র = শাড়ি]

    অড্ডাধারী বলে, তা বটে! এবার রাজা-সাহেবের অন্তিম ফতোয়াটা শোনা যাক।

    রাজাসাহেব সোজা হয়ে বসেন। বলেন, রসিকতা নয়, আড্ডাধারী। এ একটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। রাজশক্তি সচেতন না হলে সমাজে পাপ প্রবেশ করে। অপরাধ একা হটী বিদ্যালঙ্কার করেনি—করেছে কাশীর ঐ তথাকথিত পণ্ডিত-মূর্খরা! যারা ওকে চতুষ্পাঠী খুলে এই ধাষ্টামো দেখানোর পথ পরিষ্কার করে দিয়েছে। অত্যন্ত নির্মমভাবে আমাকে শাস্তি দিতে হবে! যাতে এ জাতীয় বেলেল্লাপনা আর কোন স্ত্রীলোক ভবিষ্যতে দেখাবার সাহস না পায়!

    —তার মানে মৃতুদণ্ড?

    —না! তার চেয়েও কঠিনতর দণ্ড! সময়ে তা জানতে পারবে তোমরা।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }