Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালী-টোলা – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প47 Mins Read0
    ⤷

    ১. টিকিট কালেক্টরের হাতে টিকিট দিয়ে

    টিকিট কালেক্টরের হাতে টিকিট দিয়ে সুবোধবাবু এক পা এগুতে না এগুতেই প্রায় শতখানেক রিকশাওয়ালা ওঁকে ছেঁকে ধরল। কেউ কেউ হাত ধরে বলে, আইয়ে বাবুজি, চলিয়ে বাবুজি। কেউ কেউ আবার ওঁর হাতের ছোট সুটকেসটা নিয়ে টানাটানি করতে করতে জিজ্ঞেস করল, কাঁহা যানা সাব?

    শুধু ওঁকে না, সব প্যাসেঞ্জারকেই ওরা ঘিরে ধরছে। কী করবে ওরা? এ শহরে কোন রিকশাওয়ালাই দিন-রাত্তির খেটে দশ-বারো টাকার বেশি কামাই করতে পারে না। মালিকের পাওনা মিটিয়ে বিবি-বাচ্চার পেট চালানোই দায়। যা দিনকাল পড়েছে!

    সারা দিনরাত্তিরে দশ-বারোটা ট্রেন আসে ঠিকই কিন্তু ভোরবেলার এই গাড়িতেই সব চাইতে বেশি প্যাসেঞ্জারের আসা-যাওয়া হয়। তাইতো এই গাড়ির প্যাসেঞ্জার ধরতে না পারলে রিকশাওয়ালাদের সারা সকালটাই মাটি হয়ে যাবে। কিন্তু এত রিকশার প্যাসেঞ্জার কি আছে?

    সুবোধবাবু খানিকটা এগিয়ে শেষ পর্যন্ত একজন বয়স্ক রিকশাওয়ালার কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলেন। কী করবেন? কতজনের টানাটানি কতক্ষণ সহ্য করা যায়?

    শিকার ধরার মহানন্দে রিকশা ওয়ালা এক লাফে সীটে উঠেই একটু পিছন ফিরে জিজ্ঞেস করল, কাঁহা যানা সাব?

    বাঙালীটোলা।

    ডান পা দিয়ে প্যাডেলে জোরে একটা চাপ দিয়েই আবার প্রশ্ন করে, কিসকা ঘর যানা সাব?

    রাজাবাবু কা কোঠি। সুবোধবাবু একটু থেমেই বললেন, উকিল মহেন্দ্রবাবুর বাড়ি। চেনো তো?

    ট্রেনের প্যাসেঞ্জার নিয়ে অনেকগুলো রিক্শা এক সঙ্গে বেরিয়েছে বলে রাস্তায় বেশ ভিড়। ক্রীং ক্রীং করে বেল বাজিয়ে, চিৎকার করে এরই মধ্যে সুবোধবাবুর রিকশাওয়ালা একটু এগিয়ে বলে, সব পুরানা বাঙালীবাবুদের কোঠি আমি চিনি। আর রাজাবাবুর ছোট ছেলের কোচোয়ান ছিল তো আমার বড় চাচা।

    সুবোধবাবু সিগারেট ধরিয়েই বলেন, তাই নাকি?

    আমি নিজেও তো ঝন্টুবাবুর কাছে কাজ করেছি।

    আচ্ছা!

    আচ্ছা বললেও সুবোধবাবু কিন্তু ঝন্টুবাবুকে চেনেন না। নামও শোনেননি কোনদিন। এই রাজাবাবুর পরিবারের বিষয়ে উনি কোন কিছুই জানেন না। ওঁদের কাউকে চেনেনও না। শুধু মহেন্দ্রবাবুর সঙ্গেই মাত্র মাস কয়েক আগে মেজ মাসীমার ওখানে আলাপ হয়েছে। তাও নেহাতই হঠাৎ।

    সুবোধবাবুকে ওঁর মা অনেকদিন ধরেই বলছিলেন, হ্যাঁরে আদু, তুই হরদম হিল্লী-দিল্লী ঘুরছিস আর যাতায়াতের পথে একবার রাচীতে নেমে মেজদিকে একটু দেখতে পারিস না? উনি একটু থেমে বললেন, এই মেজ মাসী কি তোদের জন্য কম করেছে?

    সুবোধবাবু একজন প্রবীণ অধ্যাপক। ওঁর বহু ছাত্র নানা জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছেন। তাদের অনেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত। কেউ কেউ খ্যাতিমানও। তাইতো তাদের অনুরোধে বা চাপে সুবোধবাবুকে নানা কারণে ছুটতে হয় এখানে-ওখানে। প্রায় সারা দেশেই বলা যায় কিন্তু সত্যি রাঁচী যাবার অবকাশ বা সুযোগ হয় না। উনি ওঁর মাকে বললেন, দেখি, যদি সম্ভব হয় সামনের বার নাগপুর থেকে ফেরার সময় টাটায় নেমে রাঁচী ঘুরে আসিব।

    ঐ মেজ মাসীর ওখানে গিয়েই হঠাৎ মহেন্দ্রবাবুর সঙ্গে আলাপ। পরিচয় ও ঠিক নয়। একথা-সেকথার পর মেজ মাসী ওঁকে জিজ্ঞেস করলেন, হারে আদু, ছেলের বিয়ে দিবি না?

    সুবোধবাবু একটু হেসে বললেন, মা তো নাতির বিয়ে দেবার জন্য পাগল হয়ে উঠেছেন কিন্তু কোন মেয়েকেই মা বা তার নাতির পছন্দ হচ্ছে না।

    মেজ মাসী সঙ্গে সঙ্গে মহেন্দ্রবাবুর দিকে তাকিয়ে এক গাল হাসি হেসে বললেন, কি মহিম, ঘটকালী করব নাকি?

    মহেন্দ্রবাবু একটু সকৃতজ্ঞ হাসি হেসে বললেন, যদি ওঁরা দয়া করে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক করতে চান

    ওঁকে কথাটা শেষ করতে না দিয়েই মেজ মাসী বেশ আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বলেন, তোদের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক করা তো ভাগ্যের ব্যাপার। হাজার হোক তোরা রাজা অবলাকান্তের নাতি!

    কথাটা শুনে অর্থনীতির যশস্বী অধ্যাপক সুবোধবাবু মুগ্ধ হতে পারেন না। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে এই বিংশ শতাব্দীর গোড়া পর্যন্ত বাংলা-বিহার-উত্তরপ্রদেশে যেসব বাঙালী পরিবার খ্যাতি অর্জন করেছে, তাঁদের কজন উত্তরপুরুষ সেই খ্যাতি, গৌরব অম্লান রাখতে পেরেছেন? তবে উনি মুখে কিছু বললেন না। চুপ করে থাকেন।

    পারিবারিক গৌরবের ইঙ্গিত পেয়েও সুবোধবাবুর মধ্যে বিন্দুমাত্র কোন প্রতিক্রিয়া না দেখে মহেন্দ্রবাবু মনে মনে একটু ব্যথা অনুভব করেন। কিন্তু হাজার হোক উকিল তো! মনের ভাব মনের মধ্যেই লুকিয়ে একটু গদ্গদ হয়ে বললেন, আমার কন্যাটিকে যদি দয়া করে ওঁরা পছন্দ করেন…

    এবার ও মেজ মাসী মাঝপথে কথা বলেন, তোদের বংশে কি কুচ্ছিত ছেলেমেয়ে জন্মেছে?

    এবার সুবোধবাবু মনে মনে সত্যি একটু বিরক্ত হন।

    মেজ মাসী বলে যান, তাছাড়া মহিম, তোর মেয়ে তো সাক্ষাৎ রাজকন্যা? ও ছুঁড়ীর মত রূপসী তো চোখে পড়ে না।

    এত বাড়াবাড়িতে বোধ হয় মহেন্দ্রবাবুও একটু কুণ্ঠিত না হয়ে পারেন না। বলেন, না, না, পিসী, অত বলবেন না। তবে হ্যাঁ, আমার মেয়েটি মোটামুটি সুন্দরী। দেখলে হয়তো অপছন্দ হবে না।

    এতক্ষণ পর বোধ হয় মেজ মাসীর হুঁশ হয়েছে, শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের দিকে একটু বেশী ঝোল টেনেছেন। তাই উনি এবার মহেন্দ্রবাবুর দিকে তাকিয়ে বললেন, বুঝলি মহিম, আমার বাবা তো আমাদের কোন বোনকেই আজেবাজে পরিবারে বা পাত্রের হাতে দেননি।

    সেকি আমি জানি না? মোসাহেবীর সুরে মহেন্দ্রবাবু মন্তব্য করেন।

    এই আদুর বাবা কলকাতায় গবরমেন্টের কলেজে সব চাইতে বড় প্রফেসার ছিলেন। রিটায়ার করার দশ-বারো বছর আগে প্রিন্সিপ্যাল হন। এই আদু তো কত বছর বিলেতে থেকে পড়াশুনা করেছে!…

    সুবোধবাবু একটু হেসে বলেন, মেজ মাসী, বাবার বা আমার কথা বলে কি হবে? আসলে পাত্রটিকে যদি ওঁদের পছন্দ হয়…

    মহেন্দ্রবাবু গগদ হয়ে বললেন, কি যে বলেন আপনি?

    মেজ মাসী একটু শাসন করার ভান করে বলেন, আঃ! আমাকে বলতে দে। এবার উনি রাজা অবলাকান্তর নাতির দিকে তাকিয়ে বলেন, শোন মহিম, আদুর ছেলেও বিলেত থেকে পাস করে এসেছে। হীরের টুকরো আমার নাতি! যেমন রূপ, তেমন গুণ!

    বাপ-ঠাকুর্দার মতই..

    ডাক্তার অঘোরনাথ চৌধুরীর দ্বিতীয়া কন্যা যোগমায়া দেবীর এই একটি রোগ! বড্ড কথা বলেন। শুধু তাই নয়। অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগও দেন না। মহেন্দ্রবাবুকে আবার বাধা দিয়ে বললেন, ও ছেলে বাপ-ঠাকুর্দার চাইতে অনেক বেশী নাম করবে। বাপ-ঠাকুর্দা আর কখানা বই লিখেছে? ঐ কচি ছেলে এর মধ্যেই পাঁচ-সাতটা মোটা মোটা বই…

    সুবোধবাবু একটু সংশোধন করে দেন, না মেজ মাসী, বাবুলের মাত্র দুটো বই বেরিয়েছে।

    ঐ একই ব্যাপার! এই বয়সেই যদি মোটা মোটা দুটো বই লিখে থাকে, তাহলে…

    যাই হোক ঐ রাঁচীতে মহেন্দ্রবাবুর সঙ্গে সুবোধবাবুর আলাপ হয়। যোগমায়া দেবী পূজা করতে গেলে মহেন্দ্রবাবু সবিনয়ে নিবেদন করেন, পারিবারিক ব্যাপারে বেশী আর কি বলব? তবে আমার ঠাকুর্দা বিহার-উত্তরপ্রদেশের প্রবাসী বাঙালীসমাজে সত্যি গণ্যমান্য পুরুষ ছিলেন। আর আমি সামান্য উকিল..

    সামান্য কেন হবেন? সুবোধবাবু একবার ওঁর আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে একটু হেসে বলেন, আপনাকে দেখে তো স্যার আশুতোষের কথা মনে পড়ে যায়।

    কি যে বলেন!

    আপনার কটি সন্তান?

    আমার তিনটি কন্যা। বড় মেয়েটির বিয়ে দিয়েছি বছর দুয়েক আগে। আমার দ্বিতীয় কন্যাটি এই বছরই এম. এ. পাস করল।

    বাঃ! শিক্ষাবিদ সুবোধবাবু শুনে খুশিই হন।

    এবং শুনে খুশি হবেন, ফার্স্ট ক্লাসই পেয়েছে।

    খুব ভাল।

    মহেন্দ্রবাবু আরও অনেক কথা বলতে যাচ্ছিলেন কিন্তু সুবোধবাবু বললেন, অত কিছু বলার প্রয়োজন নেই। মোটামুটি শিক্ষিতা ও সুন্দরী মেয়েই আমরা চাই।

    উনি এবার নিজের পুত্রের বিষয়ে বলেন, হাজার হোক আপনি মেয়ের বিয়ে দেবেন। নিশ্চয়ই পাত্রকে ভাল করে দেখে-শুনে নেবেন।…

    অত দেখাশুনার কি আছে? পিসীর কাছে যা শুনলাম…

    উনি যাই বলুন, আপনি না দেখেশুনে একটি ছেলের হাতে অমন ভাল মেয়েকে তুলে দেবেন কেন। সুবোধবাবু একটু থেমে বলেন, আমার ছেলেটি স্বাস্থ্যবান এবং সুপুরুষও বলতে পারেন। ও প্রেসিডেন্সি থেকে পাস করে এল-এস-ই থেকে মাস্টার্স করেছে।

    এল-এস-ই মানে?

    প্রশ্ন শুনে সুবোধবাবু একটু দুঃখই পান। তবে সঙ্গে সঙ্গে বলেন, লণ্ডন স্কুল অব ইকনমিক্স।

    ও!

    এখন জে-এন-ইউ তে পড়ায়। মাইনে—

    জে-এন-ইউ তে কী?

    ওঃ! সরি! জে-এন-ইউ মানে দিল্লীর জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি।

    আচ্ছা! আচ্ছা!

    এল-এস-ই এবং জে-এন-ইউ সম্পর্কে ভদ্রলোকের প্রশ্ন শুনেই সুবোধবাবু স্পষ্ট বুঝলেন, ওঁদের পারিবারিক ঐতিহ্যের গঙ্গা এখনও প্রবাহিত থাকলেও শিক্ষাদীক্ষারা ধারা ফল্গুর মতই বিলুপ্ত! বি. এ. এম. এ. পাস করলেই কি শিক্ষিত বা সংস্কৃতিবান হওয়া যায়?

    যাই হোক রাঁচীতে আলাপ-আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধবাবু দিল্লী রওনা হবার আগে ওঁকে চিঠি দেন, আপনার পত্রের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আমার মা ও তার নাতি যাকে পছন্দ করবেন, তাকেই পুত্রবধূ করে ঘরে আনব কিন্তু আপনারা দূরের বাসিন্দা বলে ওরা দুজনেই আমার উপর প্রাথমিক নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছেন

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সেমিনারে যোগ দেবার জন্য আমি আগামী সোমবার দিল্লী যাচ্ছি। পনেরই পর্যন্ত সেমিনার চলবে। দিল্লীতে আমারও কিছু কাজ আছে। তাছাড়া পুত্রের আগামী বইটির পাণ্ডুলিপিও পড়তে হবে। যাইহোক মোটামুটি কুড়ি বাইশ তারিখ নাগাদ দিল্লী থেকে রওনা হয়ে আপনাদের ওখানে আসব বলে মনস্থির করেছি। ইচ্ছা আছে, একবেলা আপনাদের কাছে থেকেই কলকাতা রওনা হব। এখানে আমার অনেক কাজ।

    সেই সুবাদেই সুবোধবাবু বহু প্রবাসী বাঙালীর উজ্জ্বল স্মৃতি বিজড়িত এই শহরে এসেছেন।

    বৃদ্ধ রিকশাওয়ালা রিকশার প্যাডেল ঘুরোতে ঘুরোতেই আপন মনে একটু হেসে বলে, ঝণ্টুবাবু বহুত মজাদার আদমী ছিলেন। ইয়ার-দোস্তদের নিয়ে লাচ-গান শোনার জন্য উনি কত রুপেয় খরচা করতেন।

    সুবোধবাবু একটু হাসেন।

    ও একটু থেমেই বেশ গর্বের সঙ্গে বলে, জানেন সাব, ঝন্টুবাবুর শরাব বিলাইত থেকে আসত।

    উনি একটু উৎসাহ দেবার সুরেই বলেন, সত্যি?

    আরে সাব, আমি কি আপনাকে ঝুট বলব? এ শহরের সবাই ওঁর কথা জানে।

    এদিক-ওদিক ঘুরে-ফিরে রিক্শা এগিয়ে চলে। রিকশাওয়ালা আপন মনেই বলে যায়, আরে সাব, রহিশ আদমীদের কারবারই আলাদা! ঝণ্টুবাবুর দুটো বিবি ছিল, দু-তিনটে আওরাতকেও উনি রেখেছিলেন। এছাড়া লক্ষ্ণৌ-কাশী থেকেও বাইজী এনে কয়েক মাস নিজের কাছে রাখতেন।

    শুনেই সুবোধবাবুর সারা শরীর ঘিনঘিন করে ওঠে। রাগও হয়। একবার মনে মনে ভাবেন, যে পরিবারে ঝণ্টুবাবুর মত সুসন্তান জন্মেছেন, সেই পরিবারের মেয়েকে উনি পুত্রবধূ করে ঘরে আনতে পারেন না। আবার সঙ্গে সঙ্গে মনে হয়, যে কোন বড় পরিবারেই এ ধরনের দু-একটি রত্ন থাকতেই পারে কিন্তু তাদের জন্য নিরপরাধ বংশধররা শাস্তি পাবে কেন?

    হঠাৎ উনি প্রশ্ন করেন, তুমি কি ঝণ্টুবাবুর কাজ ছেড়ে দিয়েছিলে?

    ছেড়ে দেব না? বৃদ্ধ রিক্শাওয়ালার সুরই বদলে গেল। বলল, সাব, বলতে শরম হয়।

    শরম লাগলেও ও থামে না। বলে, একদিন রাত্রে শরাব খেয়ে উনি আমার বিবির ইজ্জত নষ্ট করতে আসেন।

    সুবোধবাবু মুখ বিকৃত করে অজান্তেই বলেন, ইস!

    …সাব, তখন আমি জোয়ান বেটা! বিবিও জোয়ান লেড়কী। কোন বাল-বাচ্চাও হয়নি। ঝণ্টুবাবুর ঐ কাণ্ড দেখে আমার মাথায় খুন চড়ে গেল। ভুলে গেলাম উনি আমার মালিক আছেন। হাতের কাছেই একটা বাঁশ পেয়ে আমি দমাদম ওঁকে পেটাতে শুরু করি।

    ও একবার নিঃশ্বাস নিয়ে আবার বলে, তারপর ঝন্টুবাবুর হুকুমে দুটো দারোয়ান চাবুক দিয়ে মারতে মারতে আমাকে আধমরা করার পর…

    বল কী?

    রিকশা চালাতে চালাতেই ও মুহূর্তের জন্য পিছন ফিরে বলল, ভগবান কী কসম সাব! সব সাচ হ্যায়।

    তুমি কিছু বললে না?

    আমি গরীব অদমী। আমি কি বলব? ও বোধহয় একটু হাসে। বলে, সাব, ঝণ্টুবাবু সেদিন রাত্রে আমাকে আর আমার বিবিকে নাংগা করে বের করে দেন।

    শুনে সুবোধবাবুর মত শান্ত মানুষেরও রক্ত যেন টগবগ করে ফুটতে থাকে। নিজেকে একটু সামলে নিয়ে জিজ্ঞেস করেন, এ কতদিন আগেকার ঘটনা?

    সাব, তখন আংরেজ জমানা। লড়াই ভী চলছিল!

    উনি বুঝতে পারেন, যুদ্ধের সময়ের কথা।

    হঠাৎ রিক্শাটা মোড় ঘুরে ঢালু রাস্তায় এসে খুব জোরে ছুটতে শুরু করল কিন্তু বেশি দূর যাবার আগেই রিকশাওয়ালা ব্রেক কষে একটা বিরাট দোতলা বাড়ির সামনের মাঠে ঢুকল।

    এই কি রাজাবাবুর বাড়ি?

    হাঁ সাব!

    গাড়িবারান্দার নিচে রিকশা থামতে না থামতেই মহেন্দ্রবাবু প্রায় ছুটে এসে অভ্যর্থনা করলেন, আসুন, আসুন।

    ছোট্ট সুটকেসটা পাশে নামিয়ে রেখেই রিকশাওয়ালা দু হাত জোড় করে মহেন্দ্রবাবুকে বলল, প্রণাম সাহাব।

    হাজার হোক রাজাবাবুর বংশধর! একজন তুচ্ছ রিকশাওয়ালার দিকে মুহূর্তের জন্য নজর দেওয়াও বোধহয় অমার্জনীয় অপরাধ। তাই মহেন্দ্রবাবু ওর কথায় কান দিলেন না।

    সুবোধবাবু রিকশা থেকে নামার আগেই দুটো টাকা রিকশাওয়ালার দিকে এগিয়ে দিতেই মহেন্দ্রবাবু হঠাৎ যেন ক্ষেপে উঠলেন, আহা হা! মোটে ষাট পয়সা ভাড়া।

    সুবোধবাবু একটু হেসে বললেন, আমি অর্থনীতির অধ্যাপক। আমি জানি কতটুকু পরিশ্রম করলে কি পারিশ্রমিক পাওয়া উচিত। এবার উনি রিকশাওয়ালার হাতে দু-টাকার নোটটি গুঁজে দিয়ে বললেন, আমি দিচ্ছি। তুমি রেখে দাও। সাহেব একটুও রাগ করবেন না।

    কন্যার বিয়ের ব্যাপার না হলে মহেন্দ্রবাবু নিশ্চয়ই এত বড় অন্যায় বরদাস্ত করতেন না। উনি বেশ গর্বের সঙ্গেই বললেন, আগে কোন গাড়ি-ঘোড়া এ বাড়িতে ঢুকলে ধন্য মনে করত। জোর করলেও কেউ ভাড়া নিত না।

    একজন চাকর সুটকেসটি নিয়ে প্রায় দৌড়ে দোতলায় উঠল।

    মহেন্দ্রবাবু সম্মানিত অতিথিকে নিয়ে ধীর পদক্ষেপে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে একটু ব্যঙ্গের হাসি হেসে বলেন, এই রিকশাওয়ালা হারামজাদাই এক কালে আমার বাবাকে দুবেলা মালিশ করত।

    আচ্ছা?

    হ্যাঁ সুবোধবাবু!

    ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্যাচেলার – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article প্রেয়সী – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }