Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প436 Mins Read0
    ⤷

    ০১. মানুষের জীবনে এমন এক একটা ঘটনা

    তাতল সৈকতে – কিরীটী অমনিবাস – নীহাররঞ্জন রায়

    মানুষের জীবনে এমন এক একটা ঘটনা দৈবাত ঘটে যায় যা একটা দুঃস্বপ্নের মতই যেন বাকি জীবনে কখনই সে ভুলতে পারে না। ডাঃ সমর সেনও তার জীবনের এক মধ্যরাত্রির অনুরূপ একটি ঘটনা আজ পর্যন্ত ভুলতে তো পারেইনি, এমন কি আজও যেন মধ্যে মধ্যে তার নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটিয়ে তার মনের মধ্যে অদ্ভুত এক আলোড়নের সৃষ্টি করে। মধ্যে মধ্যে আজও নিদ্রার ঘোরে যেন ডাঃ সমর সেনকে সেই দুঃস্বপ্নটা আতঙ্কিত করে তোলে।

    মনে হয় অন্ধকারের মধ্যে যেন কে তার দিকে চেয়ে আছে।

    পলকহীন, স্থির নিষ্কম্প, বিভীষিকাময় দুই চক্ষুর কঠিন মৌন দৃষ্টি যেন তারই দিকে তাকিয়ে আছে। এ দৃষ্টি যেন এ জগতের নয়, কোন প্রেতলোকের বায়বীয় দেহের।

    হাড় জাগানো বলিরেখাঙ্কিত মুখ : ফ্যাকাশে রক্তহীন লোল চর্ম। বিস্ত কাঁচাপাকা চুলগুলি বলিরেখাঙ্কিত কপালের উপরে নেমে এসেছে।

    আর ঐ সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ে সেই লোকটির বক্ষে সমূলে বিদ্ধ হয়ে আছে একখানি কালো বাঁটওয়ালা ছোরা।

    .

    ডাঃ সমর সেনের ঘুমটা আজও আবার ভেঙে গেল।

    নিস্তব্ধ মধ্যরাত্রি। ঘরের মধ্যে ও বাইরে অন্ধকার থমথম করছে। নিচ্ছিদ্র জমাট কালো কালির মত নিবিড় অন্ধকার।

    তারপরই ডাঃ সমর সেন স্পষ্ট শুনতে পায় বদ্ধ দরজার গায়ে মৃদু করাঘাত করতে করতে কে যেন মৃদু কণ্ঠে ডাকছে, ডাক্তার সাব, ডাক্তার সাব–

    কে?

    সে রাত্রেও ঠিক অমনি শয়নঘরের বন্ধ দরজার গায়ে মৃদু অথচ স্পষ্ট করাঘাতের শব্দে আচমকা ডাক্তারের ঘুমটা ভেঙে গিয়েছিল।

    একটা জটিল অপারেশনের ব্যাপারে সমস্তটা দ্বিপ্রহর ও সন্ধ্যা রাত্রি পর্যন্ত ব্যস্ত থেকে পরিশ্রান্ত ডাক্তার তাড়াতাড়িই গিয়ে শয্যা গ্রহণ করেছিল এবং ঘুমিয়ে পড়েছিল।

    হঠাৎ দরজায় করাঘাতের শব্দ ও সেই সঙ্গে কে যেন ডাকছে, সাব, ডাক্তার সাব—

    একটা বিশ্রী অস্বস্তির সঙ্গে ডাঃ সেন শয্যার উপর উঠে বসে, কে?

    সাব আমি শিবু। একটা জরুরী কল এসেছে।

    কল! এত রাত্রে জরুরী কল!

    একান্ত বিরক্তচিত্তেই ডাঃ সেন শয্যা থেকে মেঝের উপরে নেমে দাঁড়ায়। মাঘের শেষ, তবে বিহার অঞ্চল বলেই শীতের প্রকোপ যেন একটু বেশীই দাঁত বসায়। খাটের বাজু থেকে গরম ড্রেসিং গাউনটা টেনে নিয়ে গায়ে চাপাতে চাপাতে বিরক্তির সঙ্গেই ঘরের দ্বার অর্গলমুক্ত করে বাইরে এসে দাঁড়াল, কে? কোতা থেকে কল এসেছে?

    একেবারে গাড়ি নিয়ে এসেছে সাহেব। আমি বাইরের ঘরে বসতে দিয়েছি। বিনীতভাবে ভৃত্য শিবদাস বলে।

    শিবদাস ডাক্তারের কমবাইণ্ড হ্যাণ্ড।

    ডাঃ সেন বাইরের দিকে পা বাড়ায়।

    একতলা বাংলো প্যাটার্নের ছোটখাটো বাড়িটা। সামনে ও পেছনের দিকে নাতিপ্ৰশস্ত বারান্দা, বারান্দা অতিক্রম করে ডাক্তার ঘরের সামনে এসে ভারী পদাটা তুলে ভিতরে ঢুকল।

    ঘরের অত্যুজ্জ্বল আলোয় ডাঃ সেন আগন্তুকের প্রতি দৃষ্টিপাত করে।

    গলাবন্ধ কালো রঙের একটা কোট গায়ে, মাথায় উলের মাঙ্কি ক্যাপ এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক ঘরের মধ্যে একটা সোফার উপর পা তুলে দিয়ে শীতে জবুথবু ভাবে বসে।

    ডাঃ সেনের পদশব্দে লোকটি উঠে দাঁড়ায় : নমস্কার। আপনিই বোধ হয় ডাঃ সেন?

    হ্যাঁ।

    বলছিলাম কি, এখুনি আজ্ঞে, আপনাকে একটিবার শ্রীনিলয়ে যেতে হবে।

    শ্রীনিলয়! কার বাড়ি? ভ্রূকুঞ্চিত করে ডাক্তার প্রশ্ন করে।

    বলছিলাম কি, সাত-সাতটা কোল মাইনসের প্রোপাইটার রায় বাহাদুর দুর্যোধন চৌধুরীর নাম শোনেননি আজ্ঞে?

    না। শোনবার সৌভাগ্য হয়নি। একটু ব্যঙ্গভরেই যেন জবাবটা দেয় ডাঃ সেন। তা কেষ্টা কি, কারই বা অসুখ?

    বলছিলাম কি, অধীন সামান্য তশীলদার। সংবাদ তো জানি না আজ্ঞে, তবে রায়বাহাদুরেরই অসুখ—তিনিই আজ্ঞে রোগী।

    হুঁ। এখান থেকে আপনার শ্রীনিলয় কতদূর?

    তা মাইল দশেক পথ হবে।

    ফিস্ কিন্তু আড়াইশো টাকা নেব।

    তাই পাবেন। বলছিলাম কি, একটু তাড়াতাড়ি করলে—

    বসুন। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আমি আসছি।

    ডাক্তার ঘর হতে বের হয়ে গেল।

    লোকটিকে বাইরের ঘরে বসতে বলে শয়নঘরে ঢুকে বেশ বদলাতে বদলাতে ডাক্তার কলটির কথাই ভাবছিল।

    সত্যি কথা বলতে কি ডাক্তার একটু যেন বিস্মিতই হয়। এ তল্লাটে আড়াইশো টাকা ফিস এক কথায় দিতে রাজী হয়! তাছাড়া ডাঃ সেন বৎসরখানেক হয় এখানে এসে প্র্যাকটিস শুরু করেছে, কিন্তু কই রায়বাহাদুর দুযোধন চৌধুরী বা শ্রীনিলয়ের নাম ইতিপূর্বে কখনও শুনেছে বলে তো মনে পড়ে না। তাই যেন কিছুটা কৌতূহল জাগে মনের মধ্যে।

    পাঁচ মিনিটের মধ্যেই প্রস্তুত হয়ে ডাক্তার পুনরায় বসবার ঘরে ফিরে এসে বলে, চলুন। আগে সেই বৃদ্ধ ও পশ্চাতে ডাঃ সেন তাকে অনুসরণ করে ওরা বাইরে এসে দাঁড়ায়। আকাশে স্বল্প জ্যোৎস্না পাতলা একটা কুয়াশার আবরণের তলায় যেন মৃতি হয়ে পড়ে আছে। কুয়াশাচ্ছন্ন সেই মৃদু জ্যোৎস্নালোকে ডাক্তার দেখতে পায় গেটের অনতিদূরে কালো রঙের একখানা সুবৃহৎ প্যাকার্ড-গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে তূপীকৃত একটা ছায়ার মতই।

    বৃদ্ধই এগিয়ে গিয়ে গাড়ির সামনে উপবিষ্ট ড্রাইভারকে সম্বোধন করে বলে, রামনরেশ, দরজাটা খুলে দাও।

    ডাক শুনেই ড্রাইভার নিঃশব্দে গাড়ি থেকে নেমে এসে দরজা খুলে দিল।

    উঠুন ডাক্তারবাবু।

    আগে ডাক্তার ও পশ্চাতে বৃদ্ধ গাড়ির মধ্যে উঠে বসে অতঃপর।

    গাড়ির দরজা বন্ধ করে দিয়ে রামনরেশও গাড়িতে উঠে বসে স্টার্ট দিল।

    গাড়ি নিঃশব্দ গতিতে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণ দিকে বাঁক নিয়ে মেটাল রোডের উপর পড়তেই স্পীড় নেয় প্রায় ঘণ্টায় পঞ্চাশ মাইলের কাছাকাছি।

    নিস্তব্ধ মৃদু কুয়াশা ঘেরা, স্বল্প চন্দ্রালোকিত মধ্যরাত্রি।

    মেটালে বাঁধানো মসৃণ উঁচু-নীচু পাহাড়ী পথ।

    সুতীব্র হেড লাইটের আলো ফেলে গাড়ি ছুটছে হুঁ হুঁ করে গন্তব্যপথে।

    ডাক্তার পকেট থেকে চামড়ার সিগার কেসটা বের করে একটা সিগারে অগ্নিসংযোগ করল।

    জ্বলন্ত সিগারে গোটা দুই টান দিয়ে পাশে উপবিষ্ট বৃদ্ধের দিকে আড়চোখে একবার তাকিয়ে। মৃদু কণ্ঠে প্রশ্ন করল, আপনার নামটা জানতে পারি কি?

    বিলক্ষণ। শ্রীকুণ্ডলেশ্বর শম। ব্রাহ্মণ, বারেন্দ্র শ্রেণী–কাশ্যপ গোত্র–

    ভদ্রলোকের নামের সঙ্গে সঙ্গে গোত্রের পরিচয়টা পর্যন্ত পেয়ে ডাক্তার যে একটু বিস্মিত হয়নি তা নয়। তাই কিছুক্ষণ অতঃপর চুপ করেই থাকে। তারপর আবার প্রশ্ন করে, হুঁ, আচ্ছা কুণ্ডলেশ্বরবাবু, রায়বাহাদুরের অসুখটা কি কিছুই জানেন না আপনি?

    বলছিলাম কি আজ্ঞে, জানিও বটে আবার জানি নাও বটে।

    কুণ্ডলেশ্বরের কথায় ডাক্তার এবার যেন একটু বেশ কৌতূহলী হয়ে ওঠে এবং অন্তরের কৌতূহলটা চেপে রাখতে না পেরে প্রশ্ন করে, কি রকম? জানেন অথচ আবার জানেনও না!

    আজ্ঞে তাই।

    হুঁ, তা কতদিন রায়বাহাদুরের ওখানে কাজ করছেন?

    তা বিশ বৎসর। হ্যাঁ, তা বলছিলাম কি, তাই হবে বইকি।

    ওঃ, তবে তো অনেক দিন আছেন। অনেক দিনকার পুরনো লোক আপনি।

    তা তো বটেই। তবে বলছিলাম কি আজ্ঞে, নিজে যখন যাচ্ছেন সবই তো আজ্ঞে স্বচক্ষে দেখবেন আর জানতেও পারবেন আজ্ঞে।

    ডাঃ সেন বুঝতে পারে যে কোন কারণেই হোক কুণ্ডলেশ্বর রায়বাহাদুরের রোগের সংবাদটি তাকে দিতে ইচ্ছুক নয় আপাততঃ।

    এরপর আর পীড়াপীড়ি করাটা শোভন দেখায় না, অতএব নিঃশব্দে সে ধূমপানই করতে থাকে।

    .

    ইউরোপ থেকে বহু কষ্টে নিজের চেষ্টায় এফ.আর.সি.এস হয়ে এসে কলকাতা শহরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য সচেষ্ট হয় ডাঃ সমর সেন নবীন উদ্যমে ও আশায়, কিন্তু দু বছর ধৈর্য ধরে থেকেও যখন প্র্যাকটিসের ব্যাপারে বিশেষ কোন সুবিধাই করতে পারল না ডাঃ  সমর সেন—এবং প্রায় উপবাসের সামিল—অর্থাৎ যে বস্তুটি হলে স্থূলভাবে এ জগতে বেঁচে থাকা চলে সেই অর্থের অনটনটা ক্রমশঃ এমন জটিল হয়ে উঠতে লাগল যে উপবাসও বটে, সেই সঙ্গে অস্তিত্বটুকুও যাবার যোগাড় তখন বিলাতী খেতাবটা পকেটস্থ করে এক প্রকার বাধ্য। হয়েই মহানগরীর মায়া ত্যাগ করেছিল সে। তারপর কিছুদিন ধরে অনেক ভেবে সে কোন এক ধনী বন্ধুর কাছ থেকে হাজার দুই টাকা ধার করে বিহারের এই খনিপ্রধান অঞ্চলে এসে ডেরা বেঁধে প্রাটি শুরু করল।

    এবারে বোধ হয় ভাগ্যদেবী সুপ্রসন্ন ছিলেন। বৎসরখানেকের মধ্যেই সুচিকিৎসক হিসাবে সমর সেনের নামটা আশপাশে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল।

    এবং ইতিমধ্যে চার-পাঁচ মাইলের মধ্যে যত ধনী কোল মাইনসের প্রোপাইটার সকলের সঙ্গে অল্পবিস্তর পরিচয় ঘটেছিল কিন্তু আজ পর্যন্ত রায়বাহাদুর দুযযাধন চৌধুরীর নাম তো সে শোনননি।

    বিচিত্র কৌতূহলকে কেন্দ্র করে সময়ের মনের মধ্যে নানাবিধ চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল। কুণ্ডলেশ্বর শমা নিস্তব্ধ নিঝুম হয়ে তার পাশেই বসে আছে।

    অন্ধকারে আর একবার চোখ ঘুরিয়ে তাকাল সমর কুণ্ডলেশ্বরের দিকে, কিন্তু দেখা গেল লোকটার মুখ। ভদ্রলোকের নামটিও অদ্ভুত। নিঃশব্দ গতিতে দামী গাড়ি মসৃণ রাস্তার উপর দিয়ে যেন হাওয়ার বেগে ছুটে চলেছে। আঁকাবাবাঁকা উচুনীচু পথ। একটানা গাড়ির ইঞ্জিনের একটা চাপা গোঁ গোঁ শব্দ ও হাওয়ার সোঁ সোঁ শব্দের সংমিশ্রণ। মধ্যরাত্রে ঘুম ভেঙে তোলায় চোখের পাতায় ঘুম যেন তখনও জড়িয়ে আছে।

    এবং গাড়ির দোলায় কখন একসময় বুঝি ঘুমিয়েও পড়েছিল সমর—হঠাৎ একটা মৃদু ঝাঁকুনি ও একটা দীর্ঘ বিশ্রী চিৎকারে তন্দ্রা ছুটে গেল।

    উঁ! উঁ!

    কুয়াশাচ্ছন্ন সামান্য যেটুকু চন্দ্রকিরণ প্রকৃতি জুড়ে এতক্ষণ স্বপ্নের মতই বিরাজ করছিল, ইতিমধ্যে সেটুকুও যেন কখন নিভে গিয়েছে।

    থমথমে অন্ধকারে বিশ্রী চিৎকারের শব্দটা যেন ভৌতিক এক বিভীষিকার মত রাত্রির অন্ধকারকে চিরে দিয়ে গেল।

    সমর চমকে চোখ মেলে তাকায়। ড্রাইভার রামনরেশ ততক্ষণে গাড়ি থামিয়ে নেমে দাঁড়িয়ে হাতল ঘুরিয়ে গাড়ির দরজা খুলে দিয়েছে।

    বলছিলাম কি আজ্ঞে, শ্রীনিলয়ে এসে গেছি ডাক্তারবাবু–নামুন আজ্ঞে।

    কুণ্ডলেশ্বরের কথায় সমর গাড়ি থেকে নামে। পোটিকোর নীচে গাড়ি দাঁড়িয়েছে। সামনেই টানা দীর্ঘ বারান্দা লোহার রেলিং দিয়ে ঘেরা।

    স্বল্প-শক্তির একটা প্রজ্বলিত বৈদ্যুতিক বাতি পোটিকোর সিলিং থেকে ঝুলছে, তারই মৃদু আলোয় বারান্দার কিয়দংশ ও সম্মুখের পোর্টিকো আলো-আঁধারিতে যেন অদ্ভুত একটা রহস্যে নিবিড় হয়ে উঠেছে।

    সমর গাড়ির ভেতর থেকে তার ডাক্তারী ব্যাগটা নামাতে যেতেই কুণ্ডলেশ্বর বাধা দিল, থাক। বলছিলাম কি আজ্ঞে, কৈরালাপ্রসাদই নামিয়ে আনবেখন। চলুন।

    কুণ্ডলেশ্বরের ইঙ্গিতে সমর সিঁড়ি অতিক্রম করে বারান্দা-পথে অগ্রসর হয়। আগে কুণ্ডলেশ্বর, পেছনে সমর। দীর্ঘ বারান্দা অতিক্রম করে কুণ্ডলেশ্বরকে অনুসরণ করে একসময় উভয়ে প্রকাণ্ড একটা বন্ধ দরজার সামনে এসে দাঁড়ায়।

    দরজার গায়ে কলিং বেল টিপতেই অল্পক্ষণ পরে নিঃশব্দে বৃহৎ দ্বার উন্মুক্ত হল।

    চলুন—

    প্রকাণ্ড একটা হলঘর। একটি মাত্র স্বল্প-শক্তির নীলাভ বৈদ্যুতিক বাতির আলোয় ঘরটা স্বল্পালোকিত। বারেকের জন্য চোখ তুলে সমর ঘরের চতুর্দিকে একবার দৃষ্টিপাত করল।

    ঐশ্বর্যের প্রাচুর্যে সমগ্র ঘরখানি যেন একেবারে ঠাসা, তবে রুচি বা শৃঙ্খলার কোন চিহ্নই পরিলক্ষিত হয় না। মেঝেতে পুরু গালিচা বিস্তৃত: বড় বড় কারুকার্যমণ্ডিত মেহগনি কাঠের আলমারি গোটাচারেক। একপাশে খানপাঁচেক সোফা। একপাশে প্রকাণ্ড একটি শ্বেতপাথরের টেবিল টেবিলের দুদিকে খান আষ্টেক চেয়ার।

    এক কোণে একটি ট্যান করা বৃহৎ ব্যাঘ্রমূর্তি জিঘাংসায় ধারাল দন্ত বিকশিত করে আছে। কাঁচের চোখ দুটো ধকধক করে জ্বলছে নীলাভ দ্যুতিতে।

    দেওয়ালের সর্বত্র বড় বড় সব বিদেশী নরনারীর তৈলচিত্র।

    বেশীর ভাগই ইংরাজ অধীশ্বর ও অধীশ্বরীদের। এক কোণে সুবৃহৎ পাথরের স্ট্যাণ্ডে একটি সুদৃশ্য দামী জামান ক্লক দণ্ডায়মান। ঐ সময় হঠাৎ ঢং ঢং করে রাত দুটো ঘোষণা করল ক্লকটা। ক্লকের সঙ্কেতধ্বনি যেমন গম্ভীর তেমনি মিষ্টি।

    ঘড়ির ঘণ্টাধ্বনিটা প্রায় মিলিয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই অদ্ভুত বামন আকৃতির এক নেপালী ভৃত্য ঘরের মধ্যে এসে প্রবেশ করতেই কুণ্ডলেশ্বর তাকে সম্বোধন করে বলে, সিক্রিটারীবাবুকে সংবাদ দে কৈরালা, ডাক্তারবাবু এসেছেন।

    ডাক্তার সাকা উপরমে লে যানে কো হুকুম হায়, কৈরালা বলে।

    ও, বলছিলাম কি, তাহলে আজ্ঞে যান ওর সঙ্গেই। আমি আপনার ব্যাগটি পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    সহসা এমন সময় আবার সেই পূর্বের বিশ্রী চিৎকারটা রাত্রির অন্ধকারে শোনা গেল।

    ও কিসের চিৎকার কুণ্ডলেশ্বরবাবু? সমর প্রশ্ন না করে আর পারে না।

    আজ্ঞে, নাইটকীপার হুম্ সিং পাহারা দিচ্ছে। আজ্ঞে তাহলে বলছিলাম কি আপনি যান—

    নাইটকীপার?

    হ্যাঁ, নাইটকীপার হুম্ সিং সারারাত জেগে অমনি করে শ্রীনিলয় পাহারা দেয়।

    চলিয়ে ডাক্তার সাব—

    কৈরালাপ্রসাদের ডাকে সমরের সম্বিৎ যেন আবার ফিরে আসে। আত্মগত চিন্তায় সে কেমন যেন একটু অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিল।

    চল—

    কৈরালাপ্রসাদকে অনুসরণ করে সমর।

    হলঘরটি অতিক্রম করে উভয়ে আর একটি স্বল্পালোকিত দীর্ঘ লম্বা বারান্দায় এসে দাঁড়ায়। এত বড় বারান্দায় কেবলমাত্র একটি সিলিং থেকে ঝুলন্ত স্বল্প-শক্তির বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলছে, সে আলোয় অন্ধকার তো দূরীভূত হয়ইনি বরং অন্ধকার আরও যেন ঘন ও রহস্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    সমরের কেমন বিস্ময় বোধ হচ্ছিল। এত বড় জাঁকজমকপূর্ণ ধনীর প্রাসাদতুল্য বাড়ি অথচ আলোর ব্যবস্থা এত কম কেন!

    আর আলোর ব্যবস্থায় অহেতুক এই কার্পণ্যই বা কেন! এর কারণই বা কি?

    শুধু আলোর ব্যবস্থাই যে কম তাই নয়, সমস্ত বাড়িটা জুড়ে অদ্ভুত একটা স্তব্ধতাও যেন থম থম করছে।

    মনে হয় যেন এ কারও কোন বাড়ি বা বাসস্থান নয়, কোলাহলমুখরিত নগরীর দূরপ্রান্তে পরিত্যক্ত ভয়াবহ এক নিঃশব্দ বিরাট কোন এক কবরখানা।

    রাত্রির অন্ধকারে সেখানে কালো বাদুড়ের ডানার মত ছড়িয়ে পড়ে নিঃসীম কালো শুন্যতা। অশরীরী প্রেতের নিঃশব্দ পদবিক্ষেপে ও দীর্ঘশ্বাসে সেখানকার বায়ুতরঙ্গ হিমানীর মত ঠাণ্ডা, সবাঙ্গে শিহরণ জাগায়, প্রতি রোমকূপে রোমকূপে ভীতির অনুভূতি তোলে।

    বলাই বাহুল্য সিঁড়িপথেও তেমন আলোর ব্যবস্থা নেই। মৃদু আলোছায়াচ্ছন্ন প্রশস্ত সিঁড়িপথ অতিক্রম করে বামন আকৃতির কৈরালাপ্রসাদকে অনুসরণ করে দ্বিতলে অনুরূপ একটি দীর্ঘ বারান্দার প্রান্তে এসে সমর দাঁড়ায় এবং সেখানে পৌঁছেই বামন কৈরালাপ্রসাদ ঘুরে দাঁড়ায় এবং চাপা কণ্ঠে বলে, চলে যান, সামনেই ঘর।

    কথা কটি বলে এবং দ্বিতীয় কোন বাক্যোচ্চারণে সমরকে অবকাশ মাত্রও না দিয়ে নিমেষে অত্যন্ত দ্রুতপদে কৈরালাপ্রসাদ সিঁড়িপথ দিয়ে নেমে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    ঘটনার অত্যন্ত দ্রুত আকস্মিকতায় সমর যেন কতকটা হতবুদ্ধি ও বিহ্বল হয়ে আলোছায়াচ্ছন্ন বারান্দার প্রান্তে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে।

    সম্মুখে পর পর অনেকগুলি ঘরের দরজা। কৈরালাপ্রসাদ বলে গেল সামনের ঘরে যেতে কিন্তু কোন্ ঘরে সে যাবে!

    হতবুদ্ধি সমর যন্ত্রচালিতের মতই কতকটা অগ্রসর হয়ে প্রথম বন্ধ দরজাটার গায়ে হাত দিয়ে ঈষৎ ঠেলা দিতেই দরজা খুলে গেল এবং সঙ্গে সঙ্গে মধুর বীণাযন্ত্রসহযোগে অপূর্ব সুমিষ্ট নারীকণ্ঠসঙ্গীতের একটা ঝাপটা কানে এসে প্রবেশ করে : খুল খুল যায় বাজুবন্দ।

    সঙ্গীত ও সেই সুরের আকর্ষণে বোধ হয় মন্ত্রমুগ্ধের মত অত্যুজ্জ্বল আলোকোদ্ভাসিত সেই কক্ষের উন্মুক্ত দ্বারপথেই ভিতরে গিয়ে দাঁড়ায় সমর।

    উজ্জ্বল বৈদ্যুতিক আলোর প্রভায় সমগ্র কক্ষখানি যেন ঝলমল করছিল।

    বাড়ির সর্বত্র অন্ধকার অথচ ঐ কক্ষটি যেন আলোয় ঝলমল। তাছাড়া রোগী দেখতে এই মধ্যরাত্রে যে বাড়িতে সে এসেছে সেই বাড়িরই কোন ঘরে ঐ রকম সঙ্গীতের আনন্দ বসবে ব্যাপারটা সহসা যেন কেমন সমর সেনের বোধগম্য হয় না। তাই কতকটা বিস্ময় বিমূঢ় হয়ে সে দাঁড়িয়ে যায়।

    সমস্ত মেঝে জুড়ে দামী গালিচা বিস্তৃত এবং মাঝখানে ফরাস বিছানো। সেই ফরাসের উপর অপূর্ব সুন্দরী এক যুবতী কোলের কাছে বীণা নিয়ে বীণে সুরঝঙ্কারের সঙ্গে নিজের মধুস্রাবী কণ্ঠস্বরকে গঙ্গা-যমুনার ধারার মতই মিলিয়ে দিয়েছে।

    অদূরে উপবিষ্ট পঞ্চাশের ঊর্ধ্বেই হবে, এক অতীব সুশ্রী ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত শ্যামকান্তি প্রৌঢ় ব্যক্তি।

    প্রৌঢ়ের কাঁধের উপর দামী একখানা কাশ্মীরী শাল কাঁধ থেকে মাটিতে নেমেছে। প্রৌঢ়ের হাতে একটি কাঁচের রঙীন সুরা-ভর্তি পাত্র, পেগ গ্লাস।

    যন্ত্র ও কণ্ঠের মিলিত সুরধারা যেন সুধাক্ষরণ করছিল কক্ষমধ্যে।

    গায়িকার সুরেলা কণ্ঠ তখনও মিনতি করছে বারংবার : খুল খু যায় বাজুবন্দু। সুরের ধারায় সম্মোহিত সমর যেন সব কিছু ভুলে যায়।

    সে যেন ভুলে যায় কেন সে এখানে এসেছে। সে যে একজন ডাক্তার এবং বিশেষ একটি রোগীর সঙ্কটময় পরিস্থিতির দরুন তাকে এই মধ্যরাত্রে ঘুম ভাঙিয়ে ডেকে আনা হয়েছে, কিছুই যেন মনে পড়ে না।

    কতক্ষণ ঐ ভাবে মন্ত্রমুগ্ধের মত দাঁড়িয়ে ছিল সমর তার নিজেরও মনে নেই হঠাৎ চমকে ওঠে পিঠের ওপর যেন কার অলক্ষিত মৃদু করস্পর্শে।

    চমকে তাকায় সমর সেন, তার ঠিক পিছনেই দাঁড়িয়ে থোগা ডিগডিগে এক ব্যক্তি,দৈর্ঘ্য প্রায় ছ ফুটেরও ইঞ্চিখানেক বোধ হয় বেশী হবে। যেমন দৈর্ঘ্যে সেই অনুপাতে প্রস্থে একেবারে শূন্যের কোঠায় বললেও চলে।

    মাথার চুল ছোট ছোট করে কদমছাঁট করা। শকুনের মত দীর্ঘ বাঁকানো নাসিকা ও ক্ষুদ্র গোলাকার চোখ। চোখের দৃষ্টি স্থির ঘষা কাঁচের ন্যায় ফ্যাকাসে প্রাণহীন। সহসা দেখলে প্রেতের চাউনি বলেই মনে হয়।

    মুখের দু পাশের হনু দুটি বিশ্রীভাবে সজাগ হয়ে আছে। দাড়ি নিখুঁতভাবে কামানো।

    ডান হাতের হাড় বের করা শিরাবহুল তর্জনীটি ওষ্ঠের ওপর স্থাপন করে ইশারায় লোকটি সমরকে কথা বলতে নিষেধ জানাল এবং স্থির ঘষা কাঁচের মত ফ্যাকাসে দৃষ্টি দিয়ে যেন বলে—আমার সঙ্গে আসুন।

    কতকটা যন্ত্রচালিতের মতই সমর দ্বিতীয় আর বাক্যব্যয় না করে লোকটিকে অনুসরণ করে বাইরের স্বল্পালোকিত বারান্দায় এসে দাঁড়াল।

    স্প্রিং অ্যাকশনে ঘরের দরজাটা পুনরায় ততক্ষণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }