Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    মাইকেল মধুসূদন দত্ত এক পাতা গল্প70 Mins Read0
    ⤷

    তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য – প্রথম সর্গ

    তিলোত্তমাসম্ভব কাব‍্য
    প্রথম সর্গ

    ধবল নামেতে গিরি হিমাদ্রির শিরে—
    অভ্রভেদী, দেব-আত্মা, ভীষণদর্শন;
    সতত ধবলাকৃতি, অচল, অটল;
    যেন উর্দ্ধ্ববাহু সদা, শুভ্রবেশধারী,
    নিমগ্ন তপঃসাগরে ব্যোমকেশ শূলী—
    যোগিকুলধ্যেয় যোগী! নিকুঞ্জ, কানন,
    তরুরাজি, লতাবলী, মুকুল, কুসুম—
    অন্যান্য অচলভালে শোভে যে সকল,
    (যেন মরকতময় কনককিরীট)
    না পরে এ গিরি, সবে করি অবহেলা,
    বিমুখ পৃথিবীপতি পৃথ্বীসুখে যেন
    জিতেন্দ্রিয়! সুনাদিনী বিহঙ্গিনীদল,
    সুনাদী বিহঙ্গ, অলি মত্ত মধুলোভে,
    কভু নাহি ভ্রমে তথা! মৃগেন্দ্র কেশরী,—
    করীশ্বর,—গিরীশ্বরশরীর যাহার,—
    শার্দ্দুল, ভল্লুক, বনচর জীব যত—
    বনকমলিনী কুরঙ্গিণী সুলোচনা,—
    ফণিনী মণিকুন্তলা, বিষাকর ফণী,—
    না যায় নিকটে তার—বিকট শেখর
    অদূরে ঘোর তিমির গভীর গহ্‍বরে,
    কলকল করে জল মহাকোলাহলে,
    ভোগবতী স্রোতস্বতী পাতালে যেমতি
    কল্লোলিনী; ঘন স্বনে বহেন পবন,
    মহাকোপে লয়রূপে তমোগুণান্বিত,

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    বই পড়ুন
    বাংলা বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    Library
    বাংলা অডিওবুক

     

    নিশ্বাস ছাড়েন যেন সর্ব্বনাশকারী!
    দানব, মানব, যক্ষ, রক্ষ, দানবারি—
    দানবী, মানবী, দেবী, কিবা নিশাচরী
    সকলেরি অগম—দুর্গম দুর্গ যেন!
    দিবানিশি মেঘরাশি উড়ে চারি দিকে,
    ভূতনাথসঙ্গে রঙ্গে নাচে ভূত যেন।
    এ হেন নির্জ্জন স্থানে দেব পুরন্দর
    কেন গো বসিয়া আজি, কহ পদ্মাসনা
    বীণাপাণি? কবি, দেবি, তব পদাম্বুজে
    প্রণমি, জিজ্ঞাসে তোমা, কহ, দয়াময়ি!
    তব কৃপা-মন্দর দানব-দেব-বল,
    শেষের অশেষ দেহ—দেহ এ দাসেরে;
    এ বাক্‌সাগর আমি মথি সযতনে,
    লভি, মা, কবিতামৃত—নিরুপম সুধা!
    অকিঞ্চনে কর দয়া, বিশ্ববিনোদিনি!
    যে শশীর স্থান, মাতঃ, স্থাণুর ললাটে,
    তাঁহারি আভায় শোভে ফুলকুলদলে
    নিশার শিশিরবিন্দু, মুক্তাফলরূপে!—
    কহ, সতি;—কি না তুমি জান, জ্ঞানময়ি?—
    কোথা সে ত্রিদিব, যার ভোগ লভিবারে
    কঠোর তপস্যা নর করে যুগে যুগে,
    কত শত নরপতি রত অশ্বমেধে—
    সাগর বিপুলবংশ যে লোভেতে হত?
    কোথা সে অমরাপুরী কনকনগরী?
    কোথা বৈজয়ন্ত-ধাম, সুবর্ণ আলয়,
    প্রভায় মলিন যার ইন্দু, প্রভাকর?
    কোথা সে কনকাসন, রাজছত্র কোথা,
    রবির পরিধি যেন মেরু-শৃঙ্গোপরি—
    উভয় উজ্জ্বলতর উভয়ের তেজে?
    কোথা সে নন্দনবন, সুখের সদন।

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    Books
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বুক
    PDF

     

    কোথা পারিজাত-ফুল, ফুলকুলপতি?
    কোথা সে উর্ব্বশী, রূপে ঋষি-মনোহরা,
    চিত্রলেখা—জগৎজনের চিত্তে লেখা,
    মিশ্রকেশী—যার কেশ, কামের নিগড়,
    কি অমরে, কিবা নরে, না বাঁধে কাহারে?
    কোথায় কিন্নর? কোথা বিদ্যাধরদল?
    গন্ধর্ব্ব—মদনগর্ব্ব খর্ব্ব যার রূপে?
    চিত্ররথ—কামিনীকুলের মনোরথ—
    মহারথী? কোথা বজ্র, ভীমপ্রহরণ!
    যার দ্রুত ইরম্মদে, গভীর গর্জ্জনে,
    দেব-কলেবর কাপে করি থর থর;
    ভূধর অধীর সদা, চমকে ভুবন
    আতঙ্কে? কোথা সে ধনুঃ, ধনুঃকুলরাজা
    আভাময়, যার চারু-রত্ন-কান্তিছটা
    শোভে গো গগনশিরে (মেঘময় যবে)
    শিখিপুচ্ছচূড়া যেন হৃষীকেশকেশে!
    কোথায় পুষ্কর, আবর্ত্তক—ঘনেশ্বর?
    কোথায় মাতলি বলী? কোথা সে বিমান,
    মনোরথ পরাজিত যে রথের বেগে—
    গতি, ভাতি—উভয়েতে তড়িৎ লাঞ্ছিত?
    কোথায় গজেন্দ্র ঐরাবত? উচ্চৈঃশ্রবাঃ
    হয়েশ্বর, আশুগতি যথা আশুগতি?
    কোথায় পৌলোমী সতী, অনন্ত-যৌবনা,
    দেবেন্দ্র-হৃদয়-সরোবর-কমলিনী,
    দেব-কুল-লোচন-আনন্দময়ী দেবী,
    আয়তলোচনা? কোথা স্বর্ণ কল্পতরু,
    কামদ বিধাতা যথা, যার পূত পদ
    আনন্দে নন্দনবনে দেবী মন্দাকিনী
    ধোন্ সদা প্রবাহিণী কলকল কলে?—
    হায় রে, কোথায় আজি সে দেববিভব!

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    হায় রে, কোথায় আজি সে দেবমহিমা!
    দুর্দান্ত দানবদল, দৈববলে বলী,
    পরাভবি সুরদলে ঘোরতর রণে,
    পুরিয়াছে স্বর্গপুরী মহাকোলাহলে,
    বসিয়াছে দেবাসনে পামর দেবারি।
    যথা প্রলয়ের কালে, রুদ্রের নিশ্বাস
    বাতময়, উথলিলে জল সমাকুল,
    প্রবল তরঙ্গদল, তীর অতিক্রমি,
    বসুধার কুস্তুল হইতে লয় কাড়ি
    সুবর্ণকুসুম-লতা-মণ্ডিত মুকুট;—
    যে সুচারু শ্যামঅঙ্গ ঋতুকুলপতি
    গাঁথি নানা ফুলমালা সাজান আপনি
    আদরে, হরে প্লাবন তার আভরণ।
    সহস্রেক বৎসর যুঝিয়া দানবারি,
    প্রচণ্ড দিতিজ ভুজ প্রতাপে তাপিত,
    ভঙ্গ দিয়া বিমুখ হইলা সবে রণে—
    আকুল! পাবক যথা, বায়ু যাঁর সখা,
    সর্ব্বভুক্, প্রবেশিলে নিবিড় কাননে,
    মহাত্রাসে উর্দ্ধশ্বাসে পালায় কেশরী;
    মদকল নগদল, চঞ্চল সভয়ে,
    করভ করিণী ছাড়ি পালায় অমনি
    আশুগতি; মৃগাদন শার্দ্দুল, বরাহ,
    মহিষ, ভীষণ খড়্গী—অক্ষয়শরীরী,
    ভল্লুক বিকটাকার, দূরন্ত হিংসক
    পালায় ভৈরবরবে, ত্যজি বনরাজি;—
    পালায় কুরঙ্গ রঙ্গরসে ভঙ্গ দিয়া,
    ভুজঙ্গ, বিহঙ্গ, বেগে ধায় চারি দিকে;—
    মহাকোলাহলে চলে জীবন-তরঙ্গ,
    জীবনতরঙ্গ যথা পবনতাড়নে!
    অব্যর্থ কুলিশে ব্যর্থ দেখি সে সমরে,

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বই
    PDF
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা অডিওবুক
    বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    পালাইলা পরিহরি সংগ্রাম কুলিশী
    পুরন্দর; পালাইলা পাশী দেখি পাশে
    ম্রিয়মাণ, মন্ত্রবলে মহোরগ যেন!
    পালাইলা যক্ষনাথ ভীম গদা ফেলি,
    করী যেন করহীন! পালাইলা বেগে
    বাতাকারে মৃগপৃষ্ঠে বায়ুকুলপতি;
    জরজর-কলেবর, দুষ্টাসুর-স্পরে
    পালাইলা শিখি-পৃষ্ঠে শিখিবরাসন
    মহারথী; পালাইলা মহিষ বাহনে
    সর্ব্বঅন্তকারী যম, দন্ত কড়মড়ি,
    সাপটি প্রচণ্ড দণ্ড—ব্যর্থ এবে রণে।
    পালাইলা দেবগণ রণভূমি ত্যজি;
    জয় জয় নামে দৈত্য ভুবন পুরিল।
    দৈববলে বলী পাপী, মহা অহঙ্কারে
    প্রবেশিল স্বর্গপুরী—কনক নগরী,—
    দেবরাজাসনে, মরি, দেবারি বসিল!
    হায় রে, যে রতির মৃণাল-ভুজপাশ,
    (প্রেমের কুসুম-ডোর,) বাঁধিত সতত
    মধুসখে, স্মরহর-কোপানল যেন
    বিরহ-অনল রূপ ধরি, মহাতাপে
    দহিতে লাগিল এবে সে রতির হিয়া।
    সুন্দ উপসুন্দাসুর, সুরে পরাভবি,
    লণ্ড ভণ্ড করিল অখিল ভূমণ্ডল;
    ঔর্ব্বঋষি ক্রোধানল পশি যেন জলে,
    জ্বালাইলা জলেশ্বরে, নাশি জলচরে।
    তোমার এ বিধি, বিধি, কে পায়ে বুঝিতে,
    কিবা নরে, কি অমরে? বোধাগম্য তুমি
    ত্যজি দেববলদলে দেবদলপতি
    হিমাচলে মহাবল চলিলা একাকী;—
    যথা পক্ষরাজ বাজ, নির্দ্দয় কিরাত

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    বুক শেল্ফ
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য
    PDF
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের

     

    লুটিলে কুলায় তার পর্ব্বত-কন্দরে,
    শোকে অভিমানে মনে প্রমাদ গণিয়া,
    আকুল বিহঙ্গ, তুঙ্গ-গিরি-শৃঙ্গোপরি,
    কিম্বা উচ্চশাখ বৃক্ষশাখে বসে উড়ি;—
    ধবল অচলে এবে চলিলা বাসব।
    বিপদের কালজাল আসি বেড়ে যবে,
    মহতজনভরসা মহত যে জন।
    এই সুরপতি যবে ভীষণ অশনি-
    প্রহারে চূর্ণিয়াছিলা শৈল-কুল-পাখা
    হৈম, শৈলরাজস্থত মৈনাক পশিলা
    অতলজলধিতলে—মান বাঁচাইতে!
    যথা ঘোরতর বাত্যা, অস্থিরি নির্ঘোষে
    গভীর পয়োধি নীর, ধরি মহাবলে
    জলচর-কুলপতি মীনেন্দ্র তিমিরে,
    ফেলাইলে তুলে কূলে, মৎস্যনাথ তথা
    অসহায় মহামতি হয়েন অচল;
    অভিমানে শিলাসনে বসিলা আসিয়া
    জিষ্ণু-অজিষ্ণু গো আজি দানব-সংগ্রামে
    দানবীরি! মহারথী বসিলা একাকী;
    নিকটে বিকট বজ্র, ব্যর্থ এবে রণে,
    কমল চরণে পড়ি যায় গড়াগড়ি,
    প্রচণ্ড আঘাতে ক্ষতশরীর কেশরী
    শিখরী সমীপে যথা—ব্যথিত হৃদয়ে!
    কনক-নির্ম্মিত ধনু—রতন-মণ্ডিত,
    (কাদম্বিনী ধনী যারে পাইলে অমনি
    যতনে সীমন্তদেশে পরয়ে হরষে)
    অনাদরে শোভে, হায়, পর্ব্বতশিখরে,
    ধবল-ললাট-দেশ উজলি সুতেজে,
    শশিকলা উমাপতি-ললাট যেমতি।
    শুন্য তূণ—বারিশূন্য সাগর যেমনি,

     

     

    যবে ঋষি অগস্ত্য শুষিলা জলদলে
    ঘোর রোষে! শঙ্খ, যার নিনাদে আকুল
    দৈত্যকুল—করী-অরি-নিনাদে যেমতি
    করিবৃন্দ—নিরানন্দে নীরব সে এবে!
    হায় রে, অনাথ আজি ত্রিদিবের নাথ!
    হায় রে, গরিমাহীন গরিমা-নিধান!
    যে মিহির, তিমিরারি, কর-রত্ন-দানে
    ভূষেন রজনী-সখা, স্বর্ণতারাবলী,
    গ্রহরাশি,—রাহু আসি গ্রাসিয়াছে তাঁরে!
    এবে দিনমণি দেব, মৃদু-মন্দ-গতি,
    অস্তাচলে চালাইলা স্বর্ণ-চক্ররথ,
    বিশ্রাম বিলাস আশে মহীপতি যথা
    সাঙ্গ করি রাজ্য কার্য্য অবনীমণ্ডলে।
    শুধাইল নলিনীর প্রফুল্ল আনন,
    দুরূহ বিরহকাল কাল যেন দেখি
    সমুখে! মুদিলা আঁখি ফুলকুলেশ্বরী।
    মহাশোকে চক্রবাকী অবাক্ হইয়া,
    আইলো তরুর কোলে ভাসি নেত্রনীরে,
    একাকিনী—বিরহিণী—বিষণ্ণবদনা,
    বিধবা দুহিতা যেন জনকের গৃহে।
    মৃদুহাসি শশী সহ নিশি দিলা দেখা,
    তারাময় সিঁথি পরি সীমন্তে সুন্দরী;
    বন, উপবন, শৈল, জলাশয়, সরঃ,
    চন্দ্রিমার রজঃকান্তি কান্তিল সবারে।
    শোভিল বিমল জলে বিধুপরায়ণা
    কুমুদিনী; স্থলে শোভে বিশদবসনা
    ধুতুরা চির যোগিনী, অলি মধুলোভী
    কভু না পরশে যারে। উত্তরিলা ধীরে,
    বিরাম-দায়িনী নিদ্রা—রজনীর সখী—
    কুহকিনী স্বপ্নদেবী স্বজনীর সহ।

     

     

    বসুমতী সতী তাঁর চরণকমলে,
    জীবকুল লয়ে নমি নীরব হইলা।
    আইলা রজনী ধনী ধবল-শিখরে
    ধীরভাবে, ভীমা দেবী ভীম পাশে যথা
    মন্দগতি। গেলা সতী কৌমুদীবসনা
    শিলাতলে দেবরাজ বিরাজেন যথা।
    ধরি পাদপদ্মযুগ করপদ্মযুগে,
    কাঁদিয়া সাষ্টাঙ্গে দেবী প্রণাম করিলা
    দেবনাথে। অশ্রু-বিন্দু, ইন্দ্রের চরণে,
    শোভিল, শিশির যেন শতদল-দলে,
    জাগান অরুণে যবে ঊষা সাজাইতে
    একচক্ররথ, খুলি সুকমল-করে
    পূর্ব্বাশার হৈম দ্বার! আইলেন এবে
    নিদ্রাদেবী, সহ স্বপ্ন-দেবী সহচরী,
    পুষ্পদাম সহ, আহা, সৌরভ যেমতি।
    মৃদু মন্দ গন্ধবহ-বাহনে আরোহি,
    আসি উত্তরিলা দোঁহে যথা বজ্রপাণি;
    কিন্তু শোকাকুল হেরি দেবকুলনাথে,
    নিঃশব্দে বিনতভাবে দূরে দাঁড়াইলা,
    সুকিঙ্করীবৃন্দ যথা নরেন্দ্র সমীপে
    দাঁড়ায়,—উজ্জ্বল স্বর্ণপুতলীর দল।
    হেরি অসুরারি দেবে শোকের সাগরে
    মগ্ন, মগ্ন বিশ্ব যেন প্রনয়সন্সিলে,—
    কাঁদিতে কাঁদিতে নিশি নিদ্রা পানে চাহি,
    সুমধুর স্বরে শ্যামা কহিতে লাগিলা;—
    “হায় সখি, এ কি লীলা খেলিলা বিধাতা?
    দেবকুলেশ্বর যিনি, ত্রিদিবের পতি,
    এই শিলাময় দেশ—অগম, বিজন,
    ভয়ঙ্কর—মরি! এ কি সাজে লো তাঁহারে?
    হায় রে, যে কল্পতরু নন্দনকাননে,

     

     

    মন্দাকিনী তটিনীর স্বর্ণতটে শোভে
    প্রভাময়, কে ফেলে লো উপাড়ি তাহারে
    মরুভূমে? কার বুক না ফাটে লো দেখি
    এ মিহিরে ডুবিতে এ তিমির-সাগরে!”
    কহিতে কহিতে দেবী শর্ব্বরী সুন্দরী
    কাঁদিয়া তারাকুন্তলা ব্যাকুলা হইলা!
    শোকের তরঙ্গ যবে উথলে হৃদয়ে,
    ছিন্ন-তার বীণা সম নীরব রসনা;—
    অরে রে দারুণ শোক, এই তোর রীতি!
    শুনি যামিনীর বাণী, নিদ্রাদেবী তবে
    উত্তর করিলা সতী অমৃতভাষিণী,
    মধুপানে মাতি যেন মধুকরীশ্বরী
    মধুর গুঞ্জরে, আহা, নিকুঞ্জ পূরিলা;—
    “যা কহিলে সত্য, সখি, দেখি বুক ফাটে;
    বিধির নির্ব্বন্ধ কিন্তু কে পারে খণ্ডীতে?
    আইস এবে, তুমি, আমি, স্বপ্নদেবী সহ,
    কিঞ্চিৎ কালের তরে হরি, যদি পারি,
    এ বিষম শোকশেল, যতন করিয়া।
    ডাক তুমি, হে স্বজনি, মলয় পরনে;
    বল তারে স্বসৌরভ আগু আনিবারে;
    কহ তব সুধাংশুরে শুধা বরষিতে।
    যাই আমি, যদি পারি, মুদি, প্রিয়সখি,
    ও সহস্র আঁখি, মন্ত্রবলে কি কৌশলে।
    গড়ুক স্বপনদেবী মায়ায় পৌলোমী—
    মৃগাক্ষী, পীবরস্তনী, সুবিম্ব-অধরা,
    সুশোভিত কবরী মন্দারে, কৃশোদয়ী;
    বেড়ুক দেবেন্দ্রে সৃজি মায়ার নন্দন;
    মায়ার উর্ব্বশী জাসি, স্বর্ণবীণা করে,
    গায়ুক মধুর গীত মধু পঞ্চস্বরে;
    রম্ভা-উরু রম্ভা আসি নাচুক কৌতুকে।

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    বই
    অনলাইন বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    যে অবধি, নলিনীর বিরহে কাতর,
    নলিনীর সখা আসি নাহি দেন দেখা
    কনক উদয়াচল-শিখরে, উজলি
    দশ দিশ, হে স্বজনি, আইস তোমা দোঁহে,
    সাধিতে এ কার্য্য মোরা করি প্রাণপণ।”
    তবে নিশি, সহ নিদ্রা, স্বপ্ন কুহকিনী,
    হাত ধরাধরি করি, বেড়িলা বাসবে—
    সুবর্ণ চম্পকদাম গাঁথি যেন রতি
    দোলাইলা প্রাণপতি মদনের গলে!
    ধীরভাবে দেবীদল, বেড়িয়া দেবেশে,
    যাঁর যত তন্ত্র, মন্ত্র, ছিটা, ফোঁটা ছিল,
    একে একে লাগাইলা; কিন্তু দৈবদোষে,
    বিফল হইল সব; যামিনী অমনি,
    চঞ্চল বিস্ময়ে দেবী, মৃদু, কলস্বরে,—
    একাকিনী, সুনাদিনী কপোতী যেমতি
    কুহরে নিবিড় বনে—কহিতে লাগিল;—
    “কি আশ্চর্য, প্রিয়সখি, দেখিলাম আজি!
    কেবা জিনে ত্রিভুবনে আমা তিন জনে?
    চিরবিজয়িনী মোরা যাই লো যে স্থলে!
    সাগর মাঝারে, কিম্বা গহন বিপিনে,
    রাজসভা, রণভূমে, বাসরে, আসরে,
    কারাগারে, দুঃখ, সুখ, উভয় সদনে,
    করি জয় স্বর্গে, মর্ত্ত্যে, পাতালে, আমরা;
    কিন্তু সে প্রবল বল বৃথা হেথা এবে।”
    শুনি স্বপ্নদেবী হাসি—হাসে শশী যথা—
    কহিলা শ্যামা স্বজনী রজনীর প্রতি;
    “মিছে খেদ কেন, সখি, কর গো আপনি?
    দেবেন্দ্ররমণী ধনী পুলোমদুহিতা
    বিনা, আর কার সাধ্য নিবাইতে পারে
    এ জ্বলন্ত শোকানল? যদি আজ্ঞা দেহ,

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    পিডিএফ
    বাংলা গল্প
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    যাই আমি আনি হেথা সে চারুহাসিনী।
    হায়, সখি, পতিহীনা কপোতী যেমতি,
    তরুবর, শৃঙ্গধর সমীপে, বিলাপি
    চাহে কাস্তে সীমন্তিনী, বিরহবিধুরা,
    ভ্রান্তি-দূতী সহ সতী ভ্রমেন জগতে,
    শোকে! শুন মন দিয়া, রজনি স্বজনি,
    যদি আজ্ঞা কর তবে এখনি যাইব।”
    যাও বলি আদেশিলা শশাঙ্করঙ্গিণী।
    চলিলা স্বপনদেবী নীলাম্বর-পথে—
    বিমল তরলতর রূপে আলো করি
    দশ দিশ; আশুগতি গেলা কুহকিনী,
    ভূপতিত তারা যেন উঠিল আকাশে।
    গেলা চলি স্বপ্নদেবী মায়াবী সুন্দরী
    দ্রুতবেগে; বিভাবরী নিদ্রাদেবী সহ
    বসিলা ধবল শৃঙ্গে; আহা, কিবা শোভা!
    যুগল কমল, যেন জগৎ মোহিতে,
    ফুটিল এক মৃণালে ক্ষীর-সরোবরে!
    ধবল শিখরে বসি নিদ্রা, বিভাবরী,
    আকাশের পানে দোঁহে চাহিতে লাগিলা,
    হায় রে, চাতকী যথা সতৃষ্ণ নয়নে
    চাহে আকাশের পানে জলধারা-আশে!
    আচম্বিতে পূর্ব্বভাগে গগনমণ্ডল
    উজ্জ্বলিল, যেন দ্রুত পাবকের শিখা,
    ঠেলি ফেলি দুই পাশে তিমির-তরঙ্গ,
    উঠিল অম্বর-পথে; কিম্বা ত্বিষাম্পতি
    অরুণ সারথি সহ স্বর্ণচক্র রথে
    উদয় অচলে আসি দরশন দিলা।
    শতেক যোজন বেড়ি আলোক-মণ্ডল
    শোভিল আকাশে, যেন রঞ্জনের ছটা
    নীলোৎপল-দলে, কিম্বা নিকষে যেমতি

     

    আরও দেখুন
    লেখা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    PDF
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    Library
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    সুবর্ণের রেখা—লেখা বক্র চক্ররূপে।
    এ সুন্দর প্রভাকর পরিধি মাঝারে,
    মেঘাসনে বসি ওগো কোন্ সতী ওই?
    কেমনে, কহ, মা, শ্বেতকমলবাসিনি,
    কেমনে মানব আমি চাব ওঁর পানে?
    রবিচ্ছবি পানে, দেবি, কে পারে চাহিতে?
    এ দুর্ব্বল দাসে কর তব বলে বলী।
    চরণ যুগল শোভে মেঘবর-শিরে,
    নীল জলে রক্তোৎপল প্রফুল্লিত যথা,
    কিম্বা মাধবের বুকে কৌস্তুভ রতন।
    দশ চন্দ্র পড়ি রে রাজীব পদতলে,
    পূজা ছলে বসে তথা—সুখের সদন।
    কাঞ্চন-মুকুট শিরে—দিনমণি তাহে
    মণিরূপে শোভে ভানু; পৃষ্ঠে মন্দ দোলে
    বেণী,—কামবধূ রতি যে বেণী লইয়া
    গড়েন নিগড় সদা বাঁধিতে বাসবে!
    অনন্ত-যৌবন_দেব, বসন্ত যেমনি
    সাজায় মহীর দেহ, সুমধুর মাসে,
    উল্লাসে ইন্দ্রাণী পাশে বিরাজে সতত
    অনুচর, যোগাইয়া বিবিধ ভূষণ!
    অলিপংক্তি,—রতিপতি ধনুকের গুণ,—
    সে ধনুরাকার ধরি বসিয়াছে সুখে
    কমল নয়ন-যুগোপরি, মধু আশে
    নীরব!—হায় রে মরি! এ তিন ভুবনে
    কে পারে ফিরাতে আঁখি হেরি ও বদন!
    পদ্মরাগ-খচিত, পদ্মের পর্ণ সম
    পট্টবস্ত্র; সু-অঞ্চলে জ্বলে রত্নাবলী,
    বিজলীর ঝলা যেন অচঞ্চল সদা!
    সে আঁচল ইন্দ্রাণীর পীনস্তনোপরি
    ভাতে, কামকেতু যথা যবে কামসখা

    বসন্ত, হিমান্তে, ভারে উড়ায় কৌতুকে!
    ভূবনমোহিনী দেবী, বসি মেঘাসনে,
    আইলা অন্বয়পথে মৃদুমন্দগতি,—
    নীলাম্বু সাগর-মুখে নীলোৎপল-দলে
    যথা রমা সুকেশিনী কেশবাসনা,
    সুরাসুর মিলি যবে মথিলা সাগরে!
    হায়, ও কি অশ্রু কবি হেরে ও নয়নে?
    অরে রে বিকট কীট, নিদারুণ শোক,
    এ হেন কোমল ফুলে বাসা কি রে তোর—
    সর্ব্বভুক্ সম, হায়, তুই দুরাচার
    সর্ব্বভুক্? শূন্যমার্গে কাঁদেন বিষাদে
    একাকিনী স্বরীশ্বরী! চল, ঘনপতি!
    ঘন-কুলোত্তম তুমি, উড় দ্রুতবেগে।
    তুমি হে গন্ধমাদন, তোমার শিখরে
    ফলে সে দুর্লভ স্বর্ণলতিকা, পরশে
    যাহার, শোকের শক্তি-শেলাঘাত হতে
    লভিবেন পরিত্রাণ বাসব সুমতি!
    আইলা পৌলোমী সতী মেঘাসনে বসি,
    তেজোরাশি-বেষ্টিতা; নাদিল জলধর;
    সে গভীর নাদ শুনি, আকাশসম্ভবা
    প্রতিধ্বনি সপুলকে বিস্তারিলা তারে
    চারি দিকে; কুঞ্জবন, কন্দর, পর্ব্বত,
    নিবিড় কানন, দূর নগর, নগরী,
    সে স্বর-তরঙ্গ রঙ্গে পুরিল সবারে।
    চাতকিনী জয়ধ্বনি করিয়া উড়িল
    শূন্য পথে, হেরি দূরে প্রাণনাথে যথা
    বিরহবিধুরা বালা, ধায় তার পানে।
    নাচিতে লাগিল মত্ত শিখিনী সুখিনী:
    প্রকাশিল শিখী চারু চন্দ্রক-কলাপ;
    বলাকা, মালায় গাঁথা, আইলা ত্বরিতে

    যুড়িয়া আকাশপথ; সুবর্ণ কন্দলী—
    ফুলকুলবধূ সতী সদা লজ্জাবতী,
    মাথা তুলি শূন্যপানে চাহিয়া হাসিল;
    গোপিনী শুনি যেমনি মুরলীর ধ্বনি,
    চাহে গো নিকুঞ্জপানে, যবে ব্রজধামে,
    দাঁড়ায়ে কদম্বমূলে যমুনার কূলে,
    মৃদুস্বরে সুন্দরীরে ডাকেন মুরারি।
    ঘনাসন ত্যজি আশু নামিলা ইন্দ্রাণী
    ধবলের পদদেশে। এ কি চমৎকার?
    প্রভাকীর্ণ, তেজোময় কনকমণ্ডিত
    সোপান দেখিলা দেবী আপন সম্মুখে—
    মণি মুক্তা হীরক খচিত শত সিঁড়ি
    গড়ি যেন বিশ্বকর্ম্মা স্থাপিলা সেখানে।
    উঠিলেন ইন্দ্রপ্রিয়া মৃদু মন্দ গতি
    ধবল শিখরে সতী। আচম্বিতে তথা
    নয়ন-রঞ্জন এক নিকুঞ্জ শোভিল।
    বিবিধ কুসুমজাল, স্তবকে স্তবকে,
    বনরত্ন, মধুর সর্ববস্ব, স্মরধন,
    বিকশিয়া চারি দিকে হাসিতে লাগিল—
    নীল নভস্তলে হাসে তারাদল যথা।
    মধুকর-নিকর আনন্দধ্বনি করি
    মকরন্দ-লোভে অন্ধ আসি উত্তরিলা;
    বসন্তের কলকণ্ঠ গায়ক কোকিল
    বরষিলা স্বরসুধা; মলয় মারুত—
    ফুল-ফুল-নায়ক প্রবর সমীরণ—
    প্রতি অনুকূল-ফুল-শ্রবণ-কুহরে
    প্রেমের রহস্য আসি কহিতে লাগিলা;
    ছুটিল সৌরভ যেন রতির নিশ্বাস,
    মন্মথের মন যবে মখেন কামিনী
    পাতি প্রণয়ের ফাঁদ প্রণয়কৌতুকে

    বিরলে! বিশাল তরু, ব্রততী-রমণ,
    মঞ্জরিত ব্রততীর বাহুপাশে বাঁধা,
    দাঁড়াইল চারি দিকে, বীরবৃন্দ যথা;
    শত শত উৎস, রজস্তম্ভের আকারে
    উঠিয়া আকাশে, মুক্তাফল কলরবে
    বরষি, আর্দ্রিল অচলের বক্ষঃস্থল।
    সে সকল জলবিন্দু একত্র মিশিয়া,
    সৃজিল সত্বর এক রম্য সরোবর
    বিমল-সলিল-পূর্ণ; সে সরে হাসিল
    নলিনী, ভুলিয়া ধনী তপন-বিরহ
    ক্ষণকাল! কুমুদিনী, শশাঙ্ক-রঙ্গিণী,
    সুখের তরঙ্গে রঙ্গে ফুটিয়া ভাসিল!
    সে সরোদর্পণে তারা, তারানাথ সহ,
    সুতরল জলদলে কান্তি রজতেজে,
    শোভিল পুলকে—যেন নূতন গগনে!
    অবিলম্বে শন্বরারি-সখা ঋতুপতি
    উতরিলা সম্ভাষিতে ত্রিদিবের দেবী।—
    কার সঙ্গে এ কুঞ্জের দিব রে তুলনা?
    প্রাণপতি সহ রতি ভূঞ্জে রতি যথা,
    কি ছার সে কুঞ্জবন এ কুঞ্জের কাছে।
    কালিন্দী আনন্দময়ী তটিনীর তটে
    শোভে যে নিকুঞ্জবন—যথা প্রতিধ্বনি,
    বংশীধ্বনি শুনি ধনী—আকাশদুহিতা—
    শিখে সদা রাধানাম মাধবের মুখে,
    এ কুঞ্জের সহ তার তুলনা না খাটে।
    কি কহিবে কবি তবে এ কুঞ্জের শোভা?
    প্রমদার পাদপদ্ম-পরশে অশোক
    সুখে প্রসূনের হার পরে তরুবর;
    কামিনীর বিধুমুখ-শীধু-সিক্ত হলে,
    বকুল, ব্যাকুল তার মন রঞ্জাইতে,

    ফুল-আভরণে ভূষে আপনার বপু
    হরষে, নাগর যথা প্রেমলাভ আশে;—
    কিন্তু আজি ধবলের হের বাজি-খেলা।
    অরে রে বিজন, বন্ধ‍্য, ভয়ঙ্কর গিরি,
    হেরি এ নারীন্দু-পদ-অরবিন্দ-যুগ,
    আনন্দ সাগর-নীরে মজিলি কি তুই?
    স্মরহর দিগম্বর, স্মর প্রহরণে,
    হৈমবতী-সতী-রূপ-মাধুরী দেখিয়া,
    মাতিলা কি কামমদে তপ যাগ ছাড়ি?
    ত্যজি ভস্ম, চন্দন কি লেপিলা দেহেতে?
    ফেলি দূরে হাড়মালা, রত্ন কণ্ঠমালা
    পরিলা কি নীলকণ্ঠে, নীলকণ্ঠ ভব?—
    ধন্য রে অঙ্গনাকুল, বলিহারি তোরে!
    প্রবেশিলা কুঞ্জবনে পৌলোমী সুন্দরী;
    অলিকুল ঝঙ্কারিয়া ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ি,
    মকরন্দ-গন্ধে যেন আকুল হইয়া,
    বেড়িল বাসব-হৃৎ-সরসী-পদ্মিনীরে,
    স্বর্গের লভিতে মুখ স্বর্গপুরী যথা
    বেড়ে আসি দৈত্যদল! অদূরে সুন্দরী
    মনোরম পথ এক দেখিলা সম্মুখে।
    উভয় পারশে শোভে দীর্ঘ তরুরাজী,
    মুকুলিত-সুবর্ণ-লতিকা-বিভূষিত,
    বীর-দেহে শোভে যথা কনকের হার
    চকমকি! দেবদারু—শৈলশৃঙ্গ যথা
    উচ্চতর; লতাবধূ-লালসা রসাল,
    রসের সাগর তরু; মৌল—মধুদ্রুম;
    শোভাঞ্জন—জটাধর যথা জটাধর
    কপর্দ্দী; বদরী—যার স্নিগ্ধ তলে বসি,
    দ্বৈপায়ন, চিরজীবী যশঃসুধা পানে,
    কহেন মধুর স্বরে, ভুবন মোহিয়া,

    মহাভারতের কথা! কদম্ব সুর—
    করি চুরি কামিনীর সুরভি নিশ্বাস
    দিয়াছে মদন যার কুসুম-কলাপে,
    কেন না মন্মথ-মন মখেন যে ধনী,
    তাঁর কুচাকার ধরে সে ফুল-রতন!
    অশোক—বৈদেহি,_হায়, তব শোকে, দেবি,
    লোহিত বরণ আজু প্রসূন যাহার
    যথা বিলাপীর আঁখি! শিমূল—বিশাল
    বৃক্ষ, ক্ষত-দেহ যেন রণক্ষেত্রে রথী
    শোণিতার্দ্র! সইঙ্গুদী, তপোবনবাসী
    তাপস; শল্‌মলী; শাল; তাল, অভ্রভেদী
    চূড়াধর; নারীকেল, যার স্তনচয়
    মাতৃদুগ্ধসম রসে তোষে তৃষাতুরে!
    গুবাক; চালিতা; জাম, সুভ্রমররূপী
    ফল যার; উর্দ্ধশির তেঁতুল; কাঁঠাল,
    যার ফলে স্বর্ণকণা শোভে শত শত
    ধনদের গৃহে যেন! বংশ, শতচূড়,
    যাহার দুহিতা বংশী, অধর পরশে,
    গায় রে ললিত গীত সুমধুর স্বরে!
    খর্জ্জুর, কুম্ভীরনিভ ভীষণ মুরতি,
    তবু মধুরসে পূর্ণ! সতত থাকে রে
    সুগুণ কুদেহে ভবে বিধির বিধানে!
    তমাল—কালিন্দীকূলে যার ছায়াতলে
    সরস বসন্তকালে রাধাকান্ত হরি
    নাচেন যুবতী সহ! শমী—বরাঙ্গনা,
    বন-জ্যোৎস্না! আমলকী—বনস্থলী-সখী;
    গাম্ভারী—রোগান্তকারী যথা ধন্বন্তরি—
    দেবতাকুলের বৈদ্য! আর কব কত?
    চলিলা দেব-কামিনী মরাল-গামিনী;
    রুণুরুণু ধ্বনি করি কিঙ্কিণী বাজিল;

    শুনি সে মধুর বোল তরুদল যত,
    রতিভ্রমে পুষ্পাঞ্জলি শত হস্ত হতে
    বরষি, পুজিল স্তব্ধে রাঙা পা দুখানি।
    কোকিল কোকিলা সহ মিলি আরম্ভিল
    মদন-কীর্ত্তন-গান; চলিলা রূপসী—
    যেখানে সুরাঙাপদ অর্পিলা ললনা,
    কোকনদকুল ফুটি শোভিল সেখানে!
    অদূরে দেখিলা দেবী অতি মনোহর
    হৈম, মরকতময়, চারু সিংহাসন;
    তাহার উপরে তরুশাখাদল মিলি,
    আলিঙ্গিয়া পরস্পরে, প্রসারে কৌতুকে,
    নবীন পল্লবছত্র, প্রবালে খচিত,
    বেষ্টিত মাণিকরূপী মুকুলঝালরে;
    সুপ্ত পীতাম্বর-শিরে অনন্ত যেমতি
    (ফণীন্দ্র) অযুত ফণা ধরেন যতনে!
    চারি দিকে ফুটে ফুল; কিংশুক, কেতকী
    স্মর-প্রহরণ উভে; কেশর সুন্দর—
    রতিপতি করে যারে ধরেন আদরে,
    ধরেন কনকদণ্ড মহীপতি যথা;
    পাটলি—মদন-তূণ, পূর্ণ ফুল-শরে;
    মাধবিকা—যার পরিমল-মধু-আশে,
    অনিল উম্মত্ত সদা; নবীনা_মালিকা—
    কানন-আনন্দময়ী; চারু গন্ধরাজ—
    গন্ধের আকর, গন্ধ-মাদন যেমতি;
    চম্পক—যাহার আভা দেবী কি মানবী,
    কে না লোভে ত্রিভুবনে? লোহিতলোচনা
    জবা—মহিষমর্দ্দিনী আদরেন যারে;
    বকুল—আকুল অলি যার সুসৌরভে;
    কদম্ব—যাহার কান্তি দেখি, সুখে মজি,
    রতির কুচ-যুগল গড়িলা বিধাতা;

    রজনীগন্ধা—রজনী-কুন্তল-শোভিনী,
    শ্বেত, তব শ্বেতভুজ যথা, শ্বেতভুজে!
    কর্ণিকা—কোমল উরে যাহার বিলাসী
    (তপন-তাপেতে তাপী) শিলীমুখ, সুখে
    লভে সুবিরাম, যথা বিরাজেন রাজা
    সুপট্ট-শয়নে; হায়, কর্ণিকা অভাগা
    বরবর্ণ বৃথা যার সৌরভ বিহনে,
    সতীত্ব বিহনে যথা যুবতীযৌবন!
    কামিনী—যামিনী-সখী, বিশদ-বসনা
    ধুতুরা যোগিনী যথা, কিন্তু রতি-দূতী,
    রতি কাম সেবায় সতত ধনী রত!
    পলাশ—প্রবালে গড়া কুণ্ডলের রূপে
    ঝলকে যে ফুল বনস্থলী-কর্ণ-মূলে;
    তিলক—ভবানী-ভালে শশিকলা যথা
    সুন্দর! ঝুমুকা—যার চারু মূর্ত্তি গড়ি
    সুবর্ণে, প্রমদা কর্ণে পরে মহাদরে!—
    আর আর ফুল যত কে পারে বর্ণিতে?
    এ সব ফুলের মাঝে দেখিলা রূপসী
    শোভিছে অঙ্গনাকুল, ফুলরুচি হরি,
    রূপের আভায় আলো করি বনরাজী;—
    পর্ব্বতদুহিতা সবে—কনক-পুতলী,
    কমলবসনা, শিল্পে কমলকিরীট,
    কমল-ভূষণা, কমলায়ত-নয়না,
    কমলময়ী যেমনি কমল-বাসিনী
    ইন্দিরা! কাহার করে হৈম ধূপদান,
    তাহে পুড়ি গন্ধরস, কুন্দুরু, অগুরু,
    গন্ধামোদে আমোদিছে মুনিকুঞ্জবন,
    যেন মহাব্রতে ব্রতী বসুন্ধরা-পতি
    ধবল, ভূধরেশ্বর! কার হাতে শোভে
    স্বর্ণথালে পাদ্য অর্ঘ্য; কেহ বা বহিছে

    মণিময় পাত্রে ভরি মন্দাকিনী-বারি,
    কেহ বা চন্দন, চুয়া, কস্তুরী, কেশর,
    কেহ বা মদারদাম—তারাময় মালা!
    মৃদঙ্গ বাজায় কেহ রঙ্গরসে ঢলি;
    কোন ধনী, বীণাপাণি-গঞ্জিনী, পুলকে
    ধরি বীণা, বরিষিছে সুমধুর ধ্বনি;
    কামের কামিনী সমা কোন বামা ধরে
    রবাব, সঙ্গীত-রস-রসিত অর্ণব;
    বাজে কপিনাশ—দুঃখনাশ যার রবে;
    সপ্তস্বরা, সুমন্দিরা, আর যন্ত্র যত;—
    তম্বুরা—অম্বরপথে গম্ভীরে যেমতি
    গরজে জীমূত, নাচাইয়া ময়ূরীরে।
    দেখিয়া সতীরে, যত পার্ব্বতী যুবতী,
    নৃত্য করি মহানন্দে গাইতে লাগিলা,
    যথা যবে, আশ্বিন, হে মাস-বংশ-রাজা,
    আন তুমি গিরি-গৃহে গিরীশ-দুহিতা
    গৌরী, গিরিরাজ-রাণী মেনকা সুন্দরী,
    সহ সহচরীগণ, তিতি নেত্রনীরে,
    নাচেন গায়েন সুখে! হেরিয়া শচীরে
    অচিয়ে পার্ব্বতীদল গীত আরম্ভিলা।
    “স্বাগত, বিধুবদনা, বাসব-বাসনা!
    অমরাপুরী-ঈশ্বরি! এ পর্ব্বত-দেশে
    স্বাগত, ললনা, তুমি! তব দরশনে,
    ধবল অচল আজি অচল হরষে।
    শৈলকুল-শত্রু শত্রু, তব প্রাণপতি;
    কিন্তু যূথনাথ যুঝে যূথনাথ সহ—
    কেশরী কেশরী সঙ্গে যুদ্ধ-রঙ্গে রত।
    আইস, হে লাবণ্যবতি, দুহিতা যেমতি,
    আইসে নিজ পিত্রালয়ে নির্ভয় হৃদয়ে,
    কিম্বা বিহঙ্গিনী যথা বিপদের কালে,

    বহুবাহু তরু-কোলে! যাঁর অন্বেষণে
    ব্যগ্র তুমি, সে রতনে পাইবা এখনি—
    দেখ তব পুরন্দরে ওই সিংহাসনে!”
    নীরবিলা নগবালাদল, অরবিন্দ-
    ভূষণা। সম্মুখে দেবী কনক-আসনে,
    নন্দনকাননে যেন, দেখিলা বাসবে।
    অমনি রমণী, হেরি হৃদয়-রমণে,
    চলিলা দেবেশ-পাশে সত্বর গামিনী,
    প্রেম-কুতূহলে; যথা বরিষার কালে,
    শৈবলিনী, বিরহ-বিধুরা, ধায় রড়ে
    কল কল কলরবে সাগর উদ্দেশে,
    মর্জিতে প্রেমতরঙ্গ-রঙ্গে তরঙ্গিণী।
    যথা শুনি চিত্ত-বিনোদিনী বীণাধ্বনি,
    উল্লাসে ফণীন্দ্র জাগে, শুনিয়া অদূরে
    পৌলোমীর পদ-শব্দ—চির পরিচিত—
    উঠিলেন শচীপতি শচী-সমাগমে!
    উম্মীলিমা আখণ্ডল সহস্র লোচন,
    যথা নিশা-অবসানে মানস-সুসরঃ
    উম্মীলে কমল-ফুল; কিম্বা যথা যবে
    রজনী শ্যামাঙ্গী ধনী আইসে মৃদুগতি,
    খুলিয়া অযুত আঁখি গগন কৌতুকে
    সে শ্যাম বদন হেরে—ভাসি প্রেম-রসে!
    বাহু পসারিয়া দেব ত্রিদিবের পতি
    বাঁধিলা প্রণয়পাশে চারুহাসিনীরে
    যতনে, রতনাকর শশিকলা যথা,
    যবে ফুল-কুল-সখী হৈমময়ী ঊষা
    মুক্তাময় কুণ্ডল পরান ফুলকুলে!
    “কোথা সে ত্রিদির, নাথ?”—ভাসি নেত্রনীরে
    কহিতে লাগিলা শচী—“দারুণ বিধাতা
    হেন বাম মোর প্রতি কিসের কারণে?

    কিন্তু এবে, হে রমণ, হেরি বিধুমুখ,
    পাশরিল দাসী তার পূর্ব্বদুঃখ যত!
    কি ছার সে স্বর্গ? ছাই তার সুখভোগে!
    এ অধীনী সুখিনী কেবল তব পাশে!
    বাঁধিলে শৈবলবৃন্দ সরের শরীর,
    নলিনী কি ছাড়ে তারে? নিদাঘ যদ্যপি
    শুখায় সে জল, তবে নলিনীও মরে!
    আমি হে তোমারি, দেব!”—কাঁদিয়া কাঁদিয়া,
    নীরবিলা চন্দ্রাননা অশ্রুময় আঁখি;—
    চুম্বিলা সে সাশ্রু আঁখি দেব অসুরারি
    সোহাগে,—চুম্বয়ে যথা মলয়-অনিল
    উজ্জ্বল শিশির-বিন্দু কমল-লোচনে!
    “তোমারে পাইলে, প্রিয়ে, স্বর্গের বিরহ
    দুরূহ কি ভাবে কভু তোমার কিঙ্কর?
    তুমি যথা, স্বর্গ তথা!”—কহিলা সুস্বরে,
    বাসব, হরষে যথা গরজে কেশরী
    কৃশোদর, হেরি বীর পর্ব্বত-কন্দরে
    কেশরিণী কামিনীরে;—কহিলা সুমতি,—
    “তুমি যথা, স্বর্গ তথা, ত্রিদিবের দেবি!
    কিন্তু, প্রিয়ে, কহ এবে কুশল বারতা!
    কোথা জলনাথ? কোথা অলকার পতি?
    কোথা হৈমবতীসুত তারকসূদন,
    শমন, পবন, আর যত দেব-নেতা?
    কোথা চিত্ররথ? কহ, কেমনে জানিলা
    ধবল আশ্রয়ে আমি আশ্রয়ী, সুন্দরি?”
    উত্তর করিলা দেবী পুলোম-দুহিতা—
    মৃগাক্ষী, বিম্ব-অধরা, পীনপয়োধর।
    কৃশোদরী;—“মম ভাগ্যে, প্রাণ সখা, আজি
    দেখা মোর শূন্য মার্গে স্বপ্নদেবী সহ!
    পুষ্করের পৃষ্ঠে বসি, সৌদামিনী যেন,

    ভ্রমিতেছিনু এ বিশ্ব অনাথা হইয়া,
    স্বপ্ন মোরে দিল, নাথ, তোমার বারতা!
    সমরে বিমুখ, হায়, অমরের সেনা,
    ব্রহ্ম-লোকে স্মরে তোমা; চল, দেবপতি,
    অনতিবিলম্বে, নাথ, চল, মোর সাথে!”
    শুনি ইন্দ্রাণীর বাণী, দেবেন্দ্র অমনি
    স্মরিলা বিমানবরে; গম্ভীর নিনাদে
    আইল রথ, তেজঃপুঞ্জ, সে নিকুঞ্জবনে।
    বসিলা দেবদম্পতী পদ্মাসনোপরে।
    উঠিল আকাশে গর্জ্জি স্বর্ণ ব্যোমযান,
    আলো করি নভস্তল, বৈনতেয় যথা
    সুধানিধি সহ সুধা বহি সযতনে।

    ইতি শ্রীতিলোত্তমাসম্ভাবে কাব্যে ধবল-শিখরো নাম
    প্রথম মর্গ।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মাবতী নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article একেই কি বলে সভ্যতা? – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    Related Articles

    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    চতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    মেঘনাদবধ কাব্য – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    হেক্‌টর-বধ – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    একেই কি বলে সভ্যতা? – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    পদ্মাবতী নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }