Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কবিতাসমগ্র ১ – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প201 Mins Read0
    ⤷

    শেষ চিঠি

    দ্বিতীয় সংস্করণ: আগস্ট ২০১৩
    সপ্তর্ষি প্রকাশন। ৫১ সীতারাম ঘোষ স্ট্রিট, কলকাতা ৯। পৃ. ২২, মূল্য: ৬০ টাকা।
    প্রথম প্রকাশ: প্রথম আলো প্রকাশন, ২০০০
    প্রথম সপ্তর্ষি প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
    প্রচ্ছদ: বিপ্লব মণ্ডল
    উৎসর্গ: যে-ঘর আমার এসব লেখার সাক্ষী ছিল, তাকে

    কাব্যগ্রন্থের প্রারম্ভে কবি বলেছেন—
    সেটা ছিল ১৯৯৯। ‘প্রথম আলো’ নামে একখানা কবিতার কাগজ সম্পাদনা করতেন বীথি চট্টোপাধ্যায় ও তরুণ চট্টোপাধ্যায়। সে-বছর তাঁরা মনস্থ করলেন, যে-সমস্ত কমবয়েসি কবির কোনও বই নেই, তাঁদের মধ্যে থেকে বেশ কিছু কবির বই প্রকাশ করবেন ‘প্রথম আলো’-র পক্ষ থেকে। আমার কাছেও, কেন কে জানে, পাণ্ডুলিপি চাইলেন তাঁরা। আমার ধারণা ছিল না, এমনকী আমার লেখাও বই আকারে ছাপা হতে পারে। বীথিদি তরুণদার প্রস্তাবে, সেই কারণেই, বেশ সংকুচিত বোধ করেছিলাম। অনেকখানি দ্বিধা আর ১৬ পাতার একখানা পাণ্ডুলিপি জমাও দিয়েছিলাম।

    আরও অনেকের পাশাপাশি ২০০০ সালের বইমেলায় তাঁরা প্রকাশ করেছিলেন আমারও পুস্তিকা, নাম ছিল ‘শেষ চিঠি’। কয়েক বছর যাবৎ এই পুস্তিকার কোনও অস্তিত্ব ছিল না, আমিও নিশ্চিন্ত ছিলাম। কোনও এক অজ্ঞাত কারণে সপ্তর্ষি প্রকাশন তার পুনর্মুদ্রণের ঝুঁকি নিতে চায়। আমার সংকোচ, এবারও, ধোপে টেকেনি। তবু, আশায় ছিলাম, কারণ আমার কাছে এ-পুস্তিকার একটিও নমুনা ছিল না। দুঃখের বিষয় সপ্তর্ষির কর্ণধার স্বাতী রায়চৌধুরী আর সৌরভের কাছে ছিল। সুতরাং আবার প্রকাশ। প্রথমবারের তুলনায় আমার সংকোচ কিছুটা কম, এ কথা বলতে পারছি না।

    শ্রীজাত

    .

    সূচি

    এ বছর বর্ষা এল, নিষ্ঠা, তোমার জ্বরের ঘোর, হাওয়ামোরগের মন, স্মৃতির অভাবে, স্বপ্নের সময়, কেয়া, মার্জনাসোপান, প্রার্থনা, আজ তোর গ্রাম থেকে, দুপুরে ঘুমের বদলে, অন্ধের ফানুস, পবনের পার, শেষ চিঠি, প্রথম কবিতা, হাভানা, কসরত, শিবির থেকে উদ্ধার করা কবিতা, আজও…, প্রহরী, যদি, তীর্থ তপোবন, পুকুরের ধারে, কাহিনি, ও শ্যাম, বন্ধুদের কথা, শয়তানের চোখ, দেবতার হাত

    .

    এ বছর বর্ষা এল

    জুলাই মাসের নীচে মৈথিলি ভাষার মতো মিটিমিটি আলো

    জ্বেলে গিয়েছিলে তুমি। সে বছর কী কারণে বর্ষা হল খুব

    বাজের আওয়াজে যত ভয় থাকে, সব ওই চুলে শুষে নিয়ে

    নতুন মায়ের মতো বুকের ভারের নীচে টেনে নিতে মুখ…

    এ বছর বর্ষা এল সেইসব কথা নিয়ে। তুমি কি এখনও

    ঢিলেঢালা জামা পরে দরজায় হেলান দিয়ে সন্ধে হওয়া দ্যাখো?

    কী জানি কী হয় রোজ সন্ধেবেলা, একসময়ে সবকিছু ভুলে

    নতুন মায়ের ঠোঁটে আগেকার মতো চুমু খেতে ইচ্ছে করে…

    নিষ্ঠা

    আমার ভিতরে নিষ্ঠা ঘুরে গেলে আমি তাকে শোনাতে পারিনি

    আভোগী রাগের কষ্ট। পাখা থেকে শুধু নীচে টান ফেলে দিয়ে

    অসহায় বুঝিয়েছি আমিও ছিলাম, কিন্তু কিছুতে তেমন

    দ্রবীভূত নই বলে দেব কী যে, ইচ্ছে হয় পুষ্প করে দিই

    সবার কণ্ঠের আলো আর তা পারি না দ্যাখো দরজার ওপারে

    ঘুমের পাথর ঠেলে চলাচল করে দিনে রাত্রে করাঘাত—

    এসব কিছু না তার কখনও কিছু না শুধু কীভাবে বোঝাবে,

    তারও ঠান্ডা হয়ে আসে বোধশক্তি আধখাওয়া কোষের ভিতর…

    তোমার জ্বরের ঘোর

    ‘দারুণ সুন্দর’ বলে তারিফ করেছি তাই বেড়েই চলেছে

    তোমার জ্বরের ঘোর। আজ তুমি ভাল করে কথাও বলোনি।

    কেবল বিছানা জুড়ে নীরবতা শুয়ে রইলে সারাটা দুপুর

    কথার বদলে উড়ল দু’খানি বইয়ের পাতা ওলট-পালট

    আমিও বলিনি। এই ‘না-কথা’র পিছু-পিছু তাড়া করে আসে

    গ্রামীণ ভাবনারাশি, গোরুর গাড়ির নীচে ঝোলানো লন্ঠন

    দেখি সে উদাত্তগতি পলকে উধাও আর সারামাঠ জুড়ে

    তোমার জ্বরের ঘোর, আমার তারিফ, আর সাক্ষী কাশফুল…

    হাওয়ামোরগের মন

    হাওয়ামোরগের মন দোল খায় নিচু-নিচু খেতের ভিতর

    সূর্য সে পড়োশি চেনা আর যত রেখারশ্মি আপনজনের,

    গম হয়ে ধান হয়ে ভেদ করে গেছে তারও অতীত বোধহয়

    বেশ, তবু চঞ্চু দিয়ে অর্ধেক রসদ শেষ করে দিতে দিতে

    অবাক পুবদিকটুকু মেনে নিতে হয় লাল ঝুঁটির জ্বালায়

    না হলে সে কবে টানাপালকের শানে ভর দিয়ে উড়ে যেত—

    যেখানে কখনও কোনও ‘হ্যাঁ বুঝি,’ ‘না বুঝি’ নেই, সূর্য ডুবে গেলে

    হাজার হাওয়ামোরগ নিশ্চিন্তে মাটিতে নামে, গল্প করে, গায়…

    স্মৃতির অভাবে

    যতই চিঠির খামে হাত রেখে তুলে নাও, যতই এড়াও

    আজও কিন্তু পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ গায় অতীতের গান।

    শস্যের সকালধোওয়া ইচ্ছে থেকে সিঁড়িনামা পায়ের অতল

    আশ্চর্য বাধিত হয় দিনরাত ভেসে আসা মূর্ছার সুবাসে

    নিজেই সেতুর পাশে আলস্যে হেলান দিয়ে, নিজেই, জীবন

    প্রতিটি কণার নামে হিসেব ফিরিয়ে দেয় যেভাবেই হোক;

    আজ বহুদিন হল যাকে তুমি ভুলে গেছ স্মৃতির অভাবে,

    একদিন সে-ও ফিরে এসেছিল দরজায় টোকা দেবে বলে

    স্বপ্নের সময়

    ঘোড়ার খুরের নীচে হিরের পালিশ তার চমক জানায়

    যেভাবে জানলার পর্দা বিদেশি বাতাস এলে বেশি বেশি ওড়ে,

    কৌটোর ভিতর সব কেটে রাখা সুপুরি ভ্রমর হয়ে গেলে

    ঘুম পায়। পাহাড়ি বাঁকের মুখে বসে থাকা বৃদ্ধটির মুখ

    মনে পড়ে বারবার। যেন সে সংকেত থেকে ভাষায় আসার

    মাঝপথে আটকে গিয়ে বিড়ি ধরিয়েছে, আর সেইসব ধোঁয়া

    স্লেটের কালোর মধ্যে মৃত-মৃত বাচ্চাদের আঁকিবুকি হয়ে

    আমাকে জড়িয়ে ধরে আজ রাতে কীভাবে যে অস্থির করেছে!

    কেয়া

    রুমালের শেষপ্রান্তে তোমার সুবাসটুকু ধরে রাখি, কেয়া

    তোমার কোলের কাছে আমার বন্ধুকে আমি প্রেমিক পেলাম।

    দেহাতি গঠন আর চান্দি টিপ মনে থাকবে, মনে থাকবে দেখা,

    যে-দেখা গাছের নীচে শান্তিমতো কবিতার কাঁকর কুড়নো,

    ভরদুপুরের ট্রাম যে-দেখার পাশ দিয়ে ক্লান্তি ফিরি করে

    আর যে-দেখার সঙ্গে বাড়ি ফিরে কান্না ছিল, সেইভাবে চেয়ে

    দেখেছি নতুন করে রাতজাগা, বালিশের ভরাট আদরে

    দেখেছি আকাশে কোনও তারা নেই ছোট্ট একটা নাকছাবি ছাড়া…

    মার্জনাসোপান

    কে করে মার্জনা বলো জিভের ভিতরে জল ঢোকার পরেও

    ঢেকে দেয় ও সোপান চেনে বলে যত তিথি সকলে কেমন

    চুপচাপ বুঝি সব আদরে সময় নেয় যতেক সম্ভব

    কিন্তু শেষে অল্প আলো নেভায় ছোটবেলার উতল তড়িৎ

    কী বেশে ধরায় শক্ত প্রীতির তুষার কোনও-না-কোনও কারণে

    গাছ যে অনন্ত চিতা সে-ও চেনে নিশাচল ভীতির উদয়

    এখন বারান্দা কালো বিছানা দুশ্চিন্তা করে মার্জনাসোপান

    দেখা সে অনেক হবে ভবিষ্যতে অবনত ক্রীড়ায়-ক্রীড়ায়

    প্রার্থনা

    পুষ্পের দোহাই, তার কথা যেন মনে থাকে সারাটা জীবন

    যেন তার ধৈর্য থেকে ছুটি নেয় ছায়াঘেরা দীর্ঘ শনিবার

    কত কবিতার বই, ক্যাসেট, বারান্দা, কত মেঘের পিদিম

    যেন না ফুরোয়, যেন সঙ্গে থাকে পাশাপাশি ঘুম থেকে ওঠা,

    সে দিন, মুহূর্ত, ছবি পালটে-পালটে দেয়ালের ওপাশের মুখ

    এপাশে টাঙায় যেন, রোজ রাতে ঘরে ফিরে বিছানায় শুয়ে

    নতুন পায়ের পাতা তৈরি হওয়া অব্দি আমি যেন বেঁচে থাকি—

    আর এই প্রার্থনায় লুকনো চিঠির কথা যেন সেন া বোঝে…

    আজ তোর গ্রাম থেকে

    আজ তোর গ্রাম থেকে হেরে এল ছোট ছোট পুষ্করের দল

    জলে ডোবা কাদামাঠ বলে দিল ফিরে যেতে, বিদায় জানাল—

    কিন্তু কী আশ্চর্য দ্যাখ, ওদের চোখের পাতা খুলতে পারল না!

    ওরা তো অমন ক’রে শুয়ে থাকতে গেছে, সোনা, খেলে দিতে গেছে

    যে-খেলা পায়রার ছায়া, মুক্তো-মুক্তো, দানা-দানা, বরফ-বরফ

    বোঝেনি, কেবল তোর ভালমন্দ, ভেবেছিল প্রেমের কবিতা

    দেখালেই খেলা হবে, জেতা হবে…দিনশেষে কাকভেজা ভিজে

    আজ তোর গ্রাম থেকে হেরে এল কতকিছু, আমারই পাঠানো…

    দুপুরে ঘুমের বদলে

    আমাকে শেখার জন্যে ধার করে নিয়েছিল সে-বাড়ির মেয়ে।

    টেবিলে রাখার পর উন্মন ধরে না তার, ভেজা চুল ঝেড়ে

    সে বোঝাতে চেয়েছিল— প্রেম আছে, আছে…ফর্সা, নরম আঙুলে

    চিঠি লিখতে যাবে যেই, হঠাৎ পিছন থেকে মিশে ওঠে ভাই—

    দুপুর সে-ভাইয়ের মুখে তুলে ধরে সবজান্তা দিদির কুসুম,

    এদিকে টেবিলে আমি, প্রেম আছে…আছে… ভেবে রইলাম টেবিলে,

    আর সেই দাহক দৃশ্য দেখতে বেলা পড়ে এল, তখন বুঝলাম,

    জন্ম-জন্ম ধরে এই মেয়েটির সমস্ত শিরা ব্লেড দিয়ে কাটা…

    অন্ধের ফানুস

    অন্ধের ফানুস তাই ভেসে চলে দিকে দিকে মিথ্যে ঘ্রাণ নিয়ে

    যার সে-বাণিজ্যইচ্ছা উদ্ভিদের শুভেচ্ছায় সুরভিনন্দিত

    নজরে দুর্গের পর দুর্গ কি খেতের পর আরও চৌকো খেত

    অথবা তুলোর স্বাদ আলো হয়ে ডুবে থাকে দুধের বাটিতে

    সে শুধু নম্রতাটুকু হাত নেড়ে ফেলে গেছে নিজেদের বাড়ি

    বাকি যা চলেছে অন্য কিছুর আশায় দূরে সবুজে-সাদায়—

    নেবে কি দয়ার পর্দা ঢাকা দেওয়া রোদ্দুরের মেয়েটির ছাতা,

    যদি তার দৃষ্টি থেকে থোকা থোকা আগুনের ফুল ঝরে পড়ে…

    পবনের পার

    শেষ হাওয়াটুকু দেবে বলে আমি বসে আছি পবনের পার

    জামার এপার থেকে ওপার চলেছে ঝিম্ যাত্রীদের দল,

    যখন চাঁদের নীচে জল জমে ফোঁটা ফোঁটা জ্যোৎস্নার পানীয়

    টুপ করে ঝরে যাবে বলেই অপেক্ষা করছে নদীর উপর—

    তীরের কুয়াশা এসে শুষে নেয় সে-দৃশ্যের বাকি আবছায়া,

    শুধু এক সীমান্তের দাগ চলে পায়ে পায়ে রহস্যের দিকে

    জানি এ সমস্ত আর জানি এই মাঝরাত চিরস্থির, তবু,

    শেষ হাওয়াটুকু দেবে বলে আমি বসে আছি পবনের পার…

    শেষ চিঠি

    সময় বোঝাতে কোন অজানা স্টেশনে প্রেম দু’বার দাঁড়ায়?

    যেখানে অনেকে নেই, তোমার চশমার কাচ মুছে দিতে গিয়ে

    চোখ দেখা হয়েছিল। আজ সেই রাতভ’র চোখ মনে এলে,

    সব কষ্ট একসঙ্গে মনে পড়ে, মনে পড়ে তোমার বুকের

    জলপদ্মদুটি কত দুঃখ লেগে তবে গন্ধ ফিরিয়ে নিয়েছে

    যেন সে-গন্ধের নীচে ডুবে মরে গেছে চোখ, অন্ধ হয়ে গিয়ে

    আমি আজ ফিরে যাচ্ছি। অজানা স্টেশন থেকে ফিরে যাচ্ছি। কাল

    এই মুক্তি এনে দেবে নতুন বন্ধন, তুমি ভালবেসে নিও—

    প্রথম কবিতা

    বইয়ের প্রথম পাতা। প্রথম কবিতা। তুমি হাতে করে তুলে

    কৌতূহলে পড়ে দেখছ এখন কেমন আমি, বদলে গেছি কিনা—

    কতদিন দেখা হয়নি। ভাল আছ? আমি আছি, ওই একরকম…

    তোমাদের বাড়ি যেতে ভুলে গেছি, মনে আছে, আমাকেও তুমি

    ভালর সুড়ঙ্গগুলো গোপনে দেখিয়েছিলে, আজ সেই ভাল

    মাথায় পালক হয়ে লেগে আছে, বাকিটুকু তোমার কথায়

    সময় পেরিয়ে নেয় কোনওমতে, আর আমিও বালিশ জড়িয়ে

    ভাবি যে তোমার কাছে শুয়ে আছি…জল আসে…খুব জল আসে…

    হাভানা

    ওদিকে আলোর ঢেউ, এদিকে এলিয়ে থাকা আমার শরীর

    মাঝে যে-সমুদ্র, তার ঠিকানা পালটানো হবে কাল ভোরবেলা।

    বালি চিনতে অসুবিধে ছিল যত আজ তা-ও মিথ্যে হয়ে গেল

    আশঙ্কা, পায়ের ছাপ, এরা তো থেকেই থাকে। নতুন হিসেবে

    দূরেই যে-বাংলো, তারও জানলা থেকে সব চুল উড়ে পড়ে মুখে

    বালি চিনতে অসুবিধে ছিল বলে কেউ নেই কোথাও, কোত্থাও—

    ওদিকে আলোর ঢেউ, এদিকে এলিয়ে থাকা আমার শরীর,

    মাঝের পানীয়টুকু হাভানার সুরে-সুরে সুদূর কেনি-জি…

    কসরত

    শিকলের বাক্য একটা চুম্বন ছেড়েছে সবে, সেইমাত্র সিঁড়ি

    ঘুরে গিয়ে আটকে দিল। ধ্বনিপদ্ম এইসব কসরত শেখায়

    পুরনো কাগজপত্র, আলো, হাত, কোলবালিশ, রেকর্ডের পিন

    ছিটকে গিয়ে সে নতুন দৃশ্য তৈরি হল আর দৃশ্য তো দৃশ্যই

    একা কুণ্ঠা কতদূর সহ্য করা যায় তার লুকোচুরি মার

    আর তো খাবে না, সোজা লাইন ভেঙে ঢুকে আসবে ট্রেনের আওয়াজ

    কী বলে, তখন দৃশ্য অভিজ্ঞতা হতে গিয়ে ডানধার ঘেঁষে

    ছড়াবে যে-কুৎসা, তার নীচে রাস্তা…ঘিরে আছে শিকলের সিঁড়ি…

    শিবির থেকে উদ্ধার করা কবিতা

    সমস্ত যুদ্ধের শীর্ষে বসে থাকে পাখি, তার সন্ধেবেলা হয়।

    যত যত খাদ্য লাগে, সে দ্যাখে উপর থেকে-পাওয়া যাচ্ছে কি না

    লতাপাতাওলা টুপি এখানে-ওখানে প’ড়ে। চিঠির কাগজও…

    পাহাড়ের ব্রহ্মতালু অলীক আলোয় ভাসে, হলকা গলে পড়ে…

    আজ আর এখান থেকে চাষবাস দেখা যায় না; তুমি কোনওমতে

    এলে না বলেই। নয়তো এতদিন ঝমাঝম যুদ্ধ দেখে দেখে

    আস্ত ভালবাসা আমি গিলেই ফেলেছি। তুমি ছাউনিতে এলে

    রাত্রে হাত ধরে আমি তোমাকে আমার দেহ পার করাতাম…

    আজও…

    যন্ত্রণা আসার হলে আজও আসবে, কক্ষ তার ধূপের ভিতর

    গলিত নীলের শিষ ধরে রাখে, অসুখের আগের প্রহর

    সকল মাঠের দিকে মুখ ফিরিয়েছে, মুখ তিলের দু’পাশে

    ছোট হয়ে মিশে যায়, যাবে, যাকে মুখ বলে চেনাই যাবে না

    আর কালো, ছুঁচলো ঘুমের পারে ভেসে ওঠা করসুপ্ত চোখ

    তুলোবুক, আস্থা, ব্যথাদূরের আদলে তিনরাত্রি বাস করে

    ডাবের ভিতরে প্রাণ ভরে নিয়ে যাবে, ঠিক নিয়ে যাবে, তিল,—

    যন্ত্রণা আসার হলে আজও আসবে, আজও কিছু আটকানো যাবে না…

    প্রহরী

    ঘুমোতে দিইনি কিছু। সাপের মাথার মণি হারাবার পর

    জেগে বসে থাকতে হয় সারারাত, যদি কোনও অভিশাপ আসে!

    কৃষকের পেশিময় ছদ্মনাম মাঠ থেকে, কাদা থেকে উঠে

    ঢুকে আসে এই ঘরে। গাছের কোটর থেকে অন্ধকার এসে

    মুড়ে দিয়ে যায় ঊরু, পেট, বুক; জেগে থাকা চিন্তাটুকু শুধু

    বোঝে বিষ উড়ে আসছে অসম্ভব গতিবেগে, সেইকথা ভেবে,

    ভয় আর গন্ধ আর অদ্ভুত রোমাঞ্চ হয়। আধো-অন্ধকারে

    জীবনে প্রথমবার নারীকে বিবস্ত্র দেখে যেরকম লাগে…

    যদি

    সময় বিশেষে যদি ভাল থাকে কেউ, যদি সেরে যায় রোগ,

    আলোর গতির যদি ঝরে পড়া থাকে, যদি কথা থাকে কোনও,

    মুখের মালিন্যটুকু বকুলফুলের মতো সাজিয়ে রাখায়

    ভাল যে বেসেছে, তাকে ভোলার কৌশল যদি মনে এসে থাকে,

    যদি কোনও কোল থেকে গড়িয়ে নামার বেলা মুঠো খুলে সব

    চিঠিপত্র পড়ে যায়, যদি দুপুরের পর বিকেল না হয়,

    তাকিয়ে থাকার পর তাকিয়ে থাকাই যদি কাজ হয়, আর

    ঘুমের সময়টুকু যদি শুধু ঘুমই আসে, তবে তা-ই হোক…

    তীর্থ তপোবন

    কে জানে, তোমারই শাস্ত্র ফুটে আছে বসতির দু’ধারে আমার

    যে ধরি পোশাকি ক্ষুদ্র তৎপর জোনাকিঋতু পাতায় পাতায়

    বলি অক্ষরের তন্দ্রা মাটিতে লুটোতে থাক, কেন সে কারওর

    গভীর ঘরের নীচে আলোখড় মুখে ক’রে কষ্ট পেতে যাবে

    আর যে ক’জন তাপ সম্মুখে ঝরেছে শেষ দিনের ভিতর

    তাদের কোথায় নেবে কত দ্বিধাভোর যাবে স্বজল পেরিয়ে

    তবে মিথ্যা কী তোমার ওপারে রয়েছে পড়ে, এদিকে এখানে

    আমাকে দু’ধারে রেখে সে-ইচ্ছায় ভিজে ওঠে তীর্থ তপোবন…

    পুকুরের ধারে

    আমাদের প্রেম ছিল স্বস্তিহীন পুকুরের শেষ দুটি মাছ।

    জল ঠিক চুম্বনের গন্ধ পেত, আর পেত তরঙ্গ রঙিন,

    তরঙ্গ ছড়িয়ে যেত রাত রাত, গ্রাম গ্রাম, চিঠি চিঠি, দূর…

    আমাদের প্রেম, তার শ্যাওলা আর অস্থিভাঙা ধূপের প্যাকেট

    মনমরা গাছেদের গায়ে গায়ে বিলি হত, এগাছ-ওগাছ

    যেতে যেতে একদিন কখন, কোথায় শেষ ধূপকাঠিখানি

    আড়াল হয়েছে মাত্র, আর সেই গন্ধে, ঝাঁঝে আজ সন্ধেবেলা

    পুকুরের ধারে এসে জড়ো হয় কৌতূহলী গ্রামের মানুষ…

    কাহিনি

    সে যত পুলকভূমি অস্তে ফেলেছিল, তার দ্বিগুণ পরাগ

    কীভাবে কুড়িয়ে পেল পথের ওপাশে,-আজ সে এক কাহিনি।

    কীভাবে বিশ্বাস তিনটে সন্ধ্যার উপরে উঠে দাঁড়াল সরল—

    দেখল নীচে চিরন্তন জল; বর্ষাফলকের গায়ে বিলম্বিত

    ছন্দে সে প্রথম তির ভেঙে ভেঙে সম্প্রদান করেছে অবোধ,

    এখন যেন কী মনে নিয়েছে উদাসছায়া ব্রতহীন হেঁটে

    দাঁড়িয়েছে অল্প ঝুঁকে। যে প্রশান্ত, দাঁড়িয়েছে সে-ই, আজও সে-ই,

    তুমি কাঁদবে জেনেও যে হাত ধরে ফেলেছিল, লুকোতে পারেনি…

    ও শ্যাম

    ও শ্যাম, আঙিনা জোড়া বরষা নেমেছে আজি সম্মুখে তোমার

    বাঁশির ভেতরে রাস্তা, গলি, বাড়ি, উপচে পড়া বাচ্চাদের মুখ

    ধীরে ধীরে ভিজে যাচ্ছে, গলে যাচ্ছে, আর তুমি মাঝরাস্তা দিয়ে

    অপূর্ব আপনমনে সে-বাঁশি বাজাচ্ছ, শ্যাম, লীলা না ছলনা?

    যে জানে তোমায়, জানে তুমি আসছ, বাঁশিওলা, টুপি, ওভারকোট

    গত শতাব্দীর, চোখে ধুলোচশমা, তুমি আসছ বর্ষার ছুটিতে

    রাস্তার ভেতরে গলি, বাড়িভর্তি বাচ্চাদের মুখে মুখে বাঁশি—

    বাঁশির ভেতরে রাস্তা, গলি, বাড়ি, উপচে পড়া বাচ্চাদের মুখ…

    বন্ধুদের কথা

    বন্ধুদের নামে-নামে আলো থাকে। বন্ধুদের বাড়িদের নামে

    ছোট-বড় রাস্তা হয়। বন্ধুদের খুঁজে-পাওয়া পরিরা প্রত্যেকে

    আলাদা-আলাদা ভাল। তাদের চুলের গন্ধে রাত শুরু হয়।

    সবই বন্ধুদের হাতে ছোঁয়া লেগে জানা যায়; বন্ধুদের হাতে

    নানারকমের আলতো রহস্য লুকনো থাকে, বন্ধুরা সবাই

    ছোট সমুদ্রের ধারে কখনও বেড়াতে যায়-তারপর তাদের

    পরিদের সঙ্গে আমি কথা বলে জানতে পারি, কতটা, কেমন

    ভাল হলে তবে ওরা আমাকেও সঙ্গে নিত, না নিয়ে যেত না…

    শয়তানের চোখ

    শয়তানের চোখ দেখলে বোঝা যায়, শেষ কবে কবিতা লিখেছে।

    হাতে বহু বছরের আঙুল, নখের ডগা, রক্তের পচন…

    লোমের ঝালর ঠেলে মাটিমাখা দুটো চোখ আলোদের দিকে

    এগিয়ে দিয়ে সে থাকে কর্কশ পাথরে ঘেরা নিজের গুহায়;

    আস্তে-আস্তে সন্ধে হয়, পৃথিবীর টিমটিমে অন্ধকার নামে

    তারপর সে-ও তার মনখারাপের মোম জ্বেলে নিয়ে, একা

    হাজার রাজ্যের পুথি, পুরনো কয়েকটা খাতা গুছিয়ে-টুছিয়ে

    ঝোলা কাঁধে চুপচাপ কখন যে হাজির হয় পাঠের আসরে…

    দেবতার হাত

    সাবধানে হাতের লেখা নকল করেছি আমি। দেবতার হাত।

    যেন সে-বৈষম্যটুকু মুছে যেতে পারে, যেন সে-ভাষার রোদে

    স্নান সেরে এসে তুমি সামান্য চাদর গায়ে বসে থাকতে পারো—

    কখন কী মনে আসবে, কোথায় লুটিয়ে পড়বে নতুন শব্দেরা

    সেই ভেবে তৈরি থাকি, অবাক দু’চোখ দ্যাখে দেবতার হাত

    টগরগাছের ডাল হয়ে গেছে, সাদা রং, ও সাদা, তোমার

    কত কী রেখেছি মনে, গন্ধে-গন্ধে ভরে আছে দেবতার ঘর,

    কারও সঙ্গে কোনওদিন দেখা হলে তুমি তার লেখা দেখে দিও—

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পরশুরাম গল্পসমগ্র – রাজশেখর বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }