Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤷

    ১. ইংরেজের কলকাতা তখন বেশ সরগরম

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    ইংরেজের কলকাতা তখন বেশ সরগরম। মনে হচ্ছে বাংলার একটা নতুন ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। অতীতের যাবতীয় শাসক ও শাসন ঘটিত অশান্তির অবসান ঘটেছে। বর্গিদের হাঙ্গামা বাগে এসেছে। ফাঁসুড়ে ও ঠেঙাড়েরা ইংরেজ দাপটে জব্দ। তিনটি বিভাজন–সুতানুটি, কলকাতা ও গোবিন্দপুর আর নেই। এখন শুধুই কলকাতা ইংরেজের রাজধানী। কলকাতার যুবকরা ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছেন। তাঁদের মানসিকতায় দ্রুত পরিবর্তন আসছে। প্রাচীনপন্থীদের দ্বারা অনুসৃত হিন্দুধর্ম তাঁদের সহ্য হচ্ছে না। শুধু শিক্ষা নয়, ধর্ম নিয়েও একটা দাপাদাপি শুরু হয়েছে। আদি ভট্টপল্লির কট্টর ব্রাহ্মণরা বলতে শুরু করেছেন–ফিরিঙ্গিদের সংস্পর্শে এসে উচ্ছন্নে যাওয়া কটা ছোঁড়া আমাদের ধর্মের পিণ্ডি চটকে দেবে দেখছি। পাদরিও এসে গেছেন। গির্জায় চলছে যিশুর ভজনা। আর চেষ্টা চলছে হিন্দুদের কীভাবে খ্রিস্টান করা যায়।

    বাঙালির প্রথম সারির কয়েকজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন গুণী মানুষ জাতির জাগরণে অগ্রণী হয়েছেন। রাজনৈতিক স্বাধীনতা হারালেও মনে প্রাণে দাস হতে বাঙালি যে রাজি নয় তা তাঁরা প্রতিপন্ন করবেন। বাহুবলে শাসন দখল করলেও আমাদের মনোবলের কাছে তোমরা পরাজিত হবে। তোমরা সভ্য হওয়ার বহু আগেই হিন্দুরা সর্ব অর্থে সুসভ্য হয়েছে। আমাদের ধর্ম, আমাদের সংস্কৃত ভাষা, আমাদের দর্শন তোমাদের এমন কিছু দিতে পারে যা তোমাদের কোনও কালে ছিল না। সভ্যতার সংজ্ঞা আমাদের কাছেই জানতে হবে। সুপ্রাচীন কাল থেকে আমাদের ওপর দিয়ে বিদেশি আক্রমণের যে ঝড় বয়ে গেছে তার ফলে আমরা কোণঠাসা। আত্মরক্ষার জন্য এমন কিছু সংস্কার তৈরি করতে হয়েছে যা হয়তো কুসংস্কার। নারী স্বাধীনতা আমরা হরণ করতে চাইনি, বিদেশি লালসার হাত থেকে সুরক্ষার জন্য তাঁদের অন্তঃপুরে থাকার নিরাপদ ব্যবস্থা করতে হয়েছে।

    জাগরণের কালের যুবকদের এইটিই হল প্রধান আক্রমণের স্থল। এর জন্য অপরিণত বুদ্ধিই হয়তো দায়ী। এই শতাব্দীতে, এই কলকাতা এমন একজন তরুণ শিক্ষককে পেয়েছিলেন। যাঁর সম্পর্কে অনেক ভুল ধারণা তৈরি হয়েছিল। রক্ষণশীল হিন্দু সমাজ তাঁকে ভালো চোখে

    দেখলেও তিনি এই ইতিহাসের এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও জাতিতে ফিরিঙ্গি। তাঁর শরীরে বিদেশি রক্ত। কিন্তু উনবিংশ শতাব্দীর ভারতে তাঁর মতো স্বদেশপ্রেমিক ভারতীয় আর কে ছিলেন! একমাত্র ডিরোজিও বলতে পারেন,

    স্বদেশ আমার, কিবা জ্যোতির মণ্ডলী
    ভূষিত ললাট তব; অস্ত গেছে চলি
    সেদিন তোমার হায়, সেই দিন-যবে
    দেবতা সমান পূজ্য ছিলে এই ভবে।
    কোথায় সে ব্যপদ! মহিমা কোথায়!
    গগনবিহারী পক্ষী ভূমিতে লুটায়।

    এই ডিরোজিওকে ঘিরে গড়ে উঠল শক্তিশালী এক যুবাগোষ্ঠী–ইয়ং বেঙ্গল। এই দলে যাঁরা ছিলেন পরবর্তীকালে তাঁদের সকলের নামের আগেই একটি করে বিশেষণ যুক্ত হয়েছে। যেমন, সত্যের উপাসক জ্ঞানবীর আচার্য কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের ডিমস্থিনিস রামগোপাল ঘোষ। বঙ্গদেশে স্ত্রীশিক্ষা প্রবর্তনের পুরোহিত, অদ্বিতীয় রাজনীতিক রাজা দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, সুতীক্ষ্ণ বুদ্ধিশালী রাজা দিগম্বর মিত্র, অকৃত্রিম সাহিত্যসেবক অদ্ভুতকর্মা প্যারীচাঁদ মিত্র, পরহিব্রত সাধু শিবচন্দ্র দেব, মনীষী রসিক কৃষ্ণ মল্লিক, নিষ্কলঙ্ক চরিত্র রামতনু লাহিড়ী। উনবিংশ শতাব্দীতে পরপর এতগুলি আলোকস্তম্ভ। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে একই সঙ্গে আলোকপাত। তাঁদের মধ্যে থেকে আমাদের সামনে একজন এসে দাঁড়াবেন, তিনি ইতিহাসের নায়ক রাজা দক্ষিণারঞ্জন।

    এইবার যেতে হবে দূর অতীতে। দুটি পরিবার একটি পরিবার ভট্টপল্লির মুখোপাধ্যায় বংশ, আর একটি কলকাতার গোপীমোহন ঠাকুরের বংশ। দুটি পরিবারের মধ্যে বৈবাহিক আদানপ্রদান হতে পারে না, কিন্তু হয়েছিল অতি নাটকীয় পরিস্থিতিতে। অনেকটা সেকালের উপন্যাসের মতো। পাত্রকে ধরে এনে প্রায় বন্দি করে কন্যা সম্প্রদান। মুখোপাধ্যায় বংশের পাত্র সম্রান্ত কুলীন আর ঠাকুর বংশ হল পিরালি। অর্থাৎ কোনও সময়ে, কোনও কারণে সামাজিকভাবে তাঁরা তাঁদের জাতি খুইয়েছিলেন। কোনও অপরাধ, সে অপরাধ স্লেচ্ছসংসর্গও হতে পারে। বল্লাল সেন যে কুল তালিকা ও মেল তৈরি করেছিলেন সেখানে পরবর্তীকালে দুটি বিভাজন ঘটেছিল। একটি হল, বিশুদ্ধ কুলীন, অন্যটি হল ভঙ্গ কুলীন। দ্বিতীয় বিভাজনটি একটু অদ্ভুত। এটি নেতিবাচক। কুল হারালেও কুলীন। সেই সময় বিশুদ্ধ কুল বজায় রাখা সম্ভব হত না। কারণ সমাজ জীবন তখন প্রসারিত হচ্ছে। বিদেশি সংমিশ্রণ ঘটছে, বিদেশি সংস্কৃতি ঢুকছে।

    কলকাতায় স্বতন্ত্র একটি ইতিহাস তৈরি করে গেছেন ঠাকুর পরিবার। একদিকে পাথুরিয়াঘাটার ঠাকুর বংশ আর একদিকে জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবার। এই পরিবারকে জগৎ বিখ্যাত করেছেন রবীন্দ্রনাথ। শুরুতে দুই ঠাকুর পরিবারই অর্থবিত্তে সমান ছিলেন। ঠাকুররা কলকাতায় এসেছিলেন যশোহর থেকে। তাঁদের আদি পুরুষ ভট্টনারায়ণ। আদিশূর কান্যকুজ থেকে যেসব ব্রাহ্মণদের এনেছিলেন তাঁদের মধ্যে ভট্টনারায়ণের পূর্বপুরুষরাও ছিলেন। ধাপে ধাপে নেমে এসেছেন। এই অবরোহণে এসে দাঁড়ালেন পঞ্চানন। তিনিই প্রথম ঠাকুর পদবি গ্রহণ করে কলকাতায় গোবিন্দপুরে এলেন। তাঁরই পুত্র জয়রাম। ইংরেজরা গোবিন্দপুর ফোর্ট তৈরি করবেন। জয়রামকে ইংরেজরা জায়গা দিলেন পাথুরিয়াঘাটাতে। ঠাকুর পরিবার তখনও দুই শাখাতে বিভক্ত হয়নি। জয়রামের চার পুত্র আনন্দীরাম, নীলমণি, দর্পনারায়ণ আর গোবিন্দরাম। একসময় নীলমণি পৃথক হয়ে সরে গেলেন জোড়াসাঁকোতে। অতিবিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের সূত্রপাত এইখানেই। অধস্তন চতুর্থ পুরুষে এলেন রবীন্দ্রনাথ। দর্পনারায়ণ সেকালের এক অতি সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি–চন্দননগরের ফরাসি সরকারের প্রতাপশালী দেওয়ান। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র গোপীমোহন।

    গোপীমোহন ঠাকুরের বিশাল বংশ। তাঁর ছয় পুত্র-সূর্যকুমার, চন্দ্রকুমার, নন্দকুমার, কালীকুমার, হরকুমার ও সুবিখ্যাত প্রসন্নকুমার ঠাকুর (সি.এস.আই)। দক্ষিণারঞ্জনের জন্য আমরা গোপীমোহন ঠাকুরের জ্যেষ্ঠ পুত্র সূর্যকুমারেই থাকব। তাঁর দুই কন্যা। ত্রিপুরাসুন্দরী ও শ্যামাসুন্দরী। গোপীমোহন ঠাকুরের ছয়পুত্রের কথা বলা হলেও তাঁর একটি কন্যা ছিল। নাম রেখেছিলেন ব্রহ্মময়ী। এখন গোপীমোহন সম্পর্কে আরও বলার আছে। তিনি শুধু ধনী ছিলেন না। অতি নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ। শুধু ধনী নন তাঁকে বলা হত ধনকুবের, আবার দানবীর। তিনি ছিলেন শক্তিসাধক। সেইখানেই এলেন এক কন্যা, নাম রাখলেন ব্রহ্মময়ী–মা এসেছেন, সেই চোখেই তিনি কন্যাকে দেখতেন। স্বভাবতই পিতার সমস্ত স্নেহ কন্যার ওপর আরোপিত হল। যখন পূজায় বসতেন তখন ধ্যানদৃষ্টিতে আজ্ঞাচক্রে যে মুখটি ফুটে উঠত, সেই মুখটি কন্যা ব্রহ্মময়ীর। তিনি বলতেন আমি বিশ্বজননীকে বলেছিলুম, তুমি কন্যারূপে আমার কাছে এসো। ব্রহ্মময়ীকেই তিনি অলংকারে ভূষিত করে মা কালীকেই প্রত্যক্ষ করতেন। প্রাসাদের সর্বত্র নূপুর পায়ে ঝমঝম করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। গৃহে আনন্দের হিল্লোল তুলছেন। সকলেই তাঁকে চোখে চোখে রাখতেন। সকলেই জানতেন তিনি জ্যান্ত মা।

    গোপীমোহন নিজে পণ্ডিত মানুষ। তিনটি ভাষায় সমান পারদর্শী সংস্কৃত, ফারসি ও উর্দু। ইংরেজিও জানতেন। ফরাসি ও পর্তুগিজ ভাষাও শিখেছিলেন। মহাসমারোহে তাঁর বাড়িতে যে দুর্গাপুজো হত, আকারে প্রকারে তার কোনও তুলনা ছিল না। হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান স্বীকৃত। দেশীয় শিল্প ও সাহিত্যের উন্নতির দিকে তাঁর বিশেষ দৃষ্টি ছিল। তিনি নিজে সংগীত অনুরাগী ছিলেন। যেসব বিশিষ্ট শিল্পীর সেবা করেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন–কালি মির্জা (কালীদাস মুখোপাধ্যায়), ল-কে কানা (লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাস), অঞ্জু খাঁ, লালা কেবল কিষণ। তিনি নিজে সুন্দর গান লিখতেন। নিজের বংশ সম্পর্কে তাঁর অত্যন্ত অভিমান ছিল। কোনওরকম তুচ্ছতাচ্ছিল্য সহ্য করতে পারতেন না। সেই মজার কলকাতায় বড়লোকদের মধ্যে অদ্ভুত অদ্ভুত সব চরিত্র ছিল। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন রাজা। রাজকৃষ্ণ। শোভাবাজারের মহারাজা রাজা নবকৃষ্ণ দেব বাহাদুরের পুত্র। হিন্দু ধর্মে তাঁর কোনও আস্থা ছিল না। হিন্দু আচার-ব্যবহার প্রকাশ্যে পদদলিত করে এক মুসলমান রমণীর সঙ্গে থাকতেন। সহবাসই বলা চলে। মুসলমান বাবুর্চি তাঁর আহারাদি প্রস্তুত করতেন। মুসলমানরাই তাঁর সভাসদ ও সহচর ছিলেন। মুসলমান কবিদের দিয়ে মহরমের গান রচনা করাতেন। প্রচুর খরচ করে মহরমে মিছিল বের করতেন। আর সেই শোভাযাত্রার একেবারে সামনে তিনি স্থান গ্রহণ করে ধার্মিক মুসলমানদের মতো বুক চাপড়াতে চাপড়াতে পদব্রজে শহর ভ্রমণ করতেন। আসল কথা কোনও ধর্মেই তাঁর বিশ্বাস ছিল না। মুসলমানরা ভাবতেন রাজা রাজকৃষ্ণ আমাদেরই সমাজের একজন। কিন্তু হিন্দুরা এই উচ্চবংশীয় ধনী মানুষটিকে ছেড়ে দিতে রাজি ছিলেন না। সেই সময়কার হিন্দু দলপতিরা রাজা রাজকৃষ্ণকে হিন্দু। পৰ্বাদির উৎসবে সাদরে নিমন্ত্রণ করতেন। রাজকৃষ্ণ উপেক্ষা করতেন না। এইবার সেই কথাটি গোপীমোহনের বংশঅভিমান, তাঁর বাড়ির সামনে দিয়ে হিন্দু পর্বের একটি শোভাযাত্রা চলেছে জাঁকজমকে ভরা। রাজা রাজকৃষ্ণও রয়েছেন। গোপীমোহন বারান্দায় বসে দেখছিলেন। থাকতে না পেরে রাজকৃষ্ণকে জিগ্যেস করলেন, রাজা আপনি কোন। দলের। কখনও দেখি হিন্দুর মিছিলে, কখনও আবার মুসলমানের। রাজা রাজকৃষ্ণ একটি চিমটি কাটা উত্তর দিলেন যাতে লুকিয়ে আছে গ্লানিসূচক একটি ভাব। অর্থাৎ তুমি তো পিরালি। রাজা হাসতে হাসতে বলছেন, সত্যিই তাই, আমাকে দু-দলেই দেখতে পাবেন। কিন্তু আপনি কোন দলে। কোনও দলেই তো আপনাকে দেখতে পাই না। আহত গোপীমোহন তাঁর পৈতেটি তুলে রাজাকে দেখিয়ে সগৌরবে বললেন, আশ্চর্য নয় রাজা, কিছুমাত্র আশ্চর্য নয়, আমার স্থান যেখানে, অতটা উঁচুতে আপনি কখনওই উঠতে পারবেন না।

    গোপীমোহন তাঁর বংশগৌরব সম্পর্কে অতিমাত্রায় সচেতন ছিলেন। তিনি শুধু ধার্মিক ছিলেন না, সাধনভজন করতেন। সংগীতচর্চা করতেন। দান-ধ্যান ও সংগীতের পৃষ্ঠপোষণ করতেন। –এতগুলি গুণের ধারা একত্রিত হয়ে তাঁর বংশধরদের মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছিল। এইটিই ঠাকুরদের বৈশিষ্ট্য। জোড়াসাঁকোয় যার বিকাশ হয়েছিল পুরোমাত্রায়।

    গোপীমোহনের ঐতিহাসিক কীর্তি মূলাজোড়ে মা ব্রহ্মময়ী মন্দির। সেকালেই যত অদ্ভুত অদ্ভুত কাণ্ড ঘটত। কোথায় কলকাতা আর কোথায় মূলাজোড়। আর মা কালী পেলেন। ব্রহ্মময়ী নাম। এর অন্তরালে অদ্ভুত এক ইতিহাস। গোপীমোহন তাঁর আদরের কন্যাটিকে সিংহাসনে বসিয়ে পূজা করতেন না। কন্যাটিকে রেখেছিলেন তাঁর ধ্যানে। এদিকে তাঁর খেলাধুলা ও লেখাপড়ার ব্যবস্থাও করেছিলেন। সেখানে কোনও ত্রুটি রাখেননি। পরিবারের সবাই অনুভব করেছিলেন ব্রহ্মময়ীর জন্মের পর থেকেই ঠাকুর পরিবারের যশ ও ঐশ্বর্য শতগুণ বেড়ে গেছে।

    সেই সময় গৌরীদানের প্রথা ছিল। অল্পবয়সেই মেয়েদের পাত্রস্থ করা হত। স্ত্রী এবং স্বামীর বয়সের যথেষ্ট ফারাক থাকত। কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তির বিবাহের বয়স এবং পাত্রীর বয়সের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। সকলেই সেইকালের বিখ্যাত ব্যক্তি। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর চোদ্দো বছর বয়সে বিবাহ করেছিলেন। স্ত্রীর বয়স ছিল ছয়। কেশবচন্দ্র সেন আঠারো। বছর বয়সে যাঁকে বিবাহ করলেন, তাঁর বয়স নয়। এগারো বছরের বঙ্কিমচন্দ্র বিবাহ করলেন পাঁচ বছরের এক বালিকাকে। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স উনিশ, স্ত্রীর বয়স আট। ভূদেব মুখোপাধ্যায় মোলো বছর বয়সে এগারো বছরের এক বালিকাকে বিবাহ করলেন। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স সতেরো, পাত্রীর বয়স সাত। উনিশ বছরের নবীনচন্দ্র সেন দশ বছরের একটি কন্যাকে বিবাহ করলেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর চোদ্দো, তাঁর স্ত্রীর বয়স আট। পনেরো বছরের অমৃতলাল বসু নয় বছরের এক বালিকাকে গ্রহণ করলেন।

    ব্রহ্মময়ী আট বছরে পড়েছেন। নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ গোপীমোহন শাস্ত্রবিধি লঙ্ঘন করতে পারবেন না। শাস্ত্রে বলছেন, অষ্টম বর্ষে ভবেৎ গৌরী। পাত্র নির্বাচন হয়ে গেল। বিবাহের দিনক্ষণ স্থির। গোপীমোহন শহরের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। তাঁর আদরের কন্যার বিবাহ সে এক রাজকীয় ব্যাপার। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব, কাজের লোকে রাজবাড়ি উৎসব মুখর। আজ ব্রহ্মময়ীর বিবাহ। পুরনারীরা জল সইতে যাচ্ছেন গঙ্গায়। কন্যাটিকেও স্নান করাবেন। সেকালের নিয়মানুসারে ব্রহ্মময়ী চলেছেন সুসজ্জিত পালকিতে আহিরিটোলার ঘাটে। পালকি জলে নামানো হল। সেকালের প্রথা অনুসারে ব্রহ্মময়ী পালকিতে বসেই স্নান করবেন। সঙ্গে এসেছেন বিশাল এক নারী বাহিনী। শঙ্খধ্বনি, উলু, অন্যান্য বাদ্যবাজনায় ভরা গঙ্গার কূলে সে এক মহা উৎসব। কারও কোনওদিকে খেয়াল নেই। প্রচুর হুড়োহুড়ি, জল ছোঁড়াছুঁড়ি। গঙ্গা আলোড়িত। হঠাৎ দেখা গেল ব্রহ্মময়ী পালকিতে নেই। সকলের অজ্ঞাতসারে জলে তলিয়ে গেছেন। তখন জোয়ার এসেছে গঙ্গায়। স্রোত চলেছে উত্তরদিকে। কোথায় ব্রহ্মময়ী! নিমেষে আনন্দ উৎসব স্তব্ধ। মুহূর্তেই সেই দুঃসংবাদ পৌঁছে গেল ঠাকুরবাড়িতে। উৎসব মুখর বাড়িতে নেমে এল শ্মশানের নীরবতা। উদ্ধারকারীর দল গঙ্গা তোলপাড় করে ফেললেন। কোথাও পাওয়া গেল না ব্রহ্মময়ীকে। দিন শেষ, রাত নামল। এল আর একটি দিন। এমন সময় খবর এল বহুদূরে মূলাজোড়ের গঙ্গার বাঁকে ব্রহ্মময়ীর প্রাণহীন দেহ পাওয়া গেছে।

    এই কন্যাটিই গোপীমোহনের প্রাণ ছিলেন। এক মুহূর্ত তাঁকে না দেখে থাকতে পারতেন না। কলকাতার সব মানুষই শোকস্তব্ধ। নিয়তির কী খেলা! গোপীমোহন সেই যে ঘরের দরজা বন্ধ করেছেন আর খোলানো যাচ্ছে না। আহার, নিদ্রা ত্যাগ। ভূমিতে শয্যা। সংকল্প করেছেন। জৈনরা যেমন করেন সেইভাবেই অন্নজল ত্যাগ করে প্রাণত্যাগ করবেন। একদিন গেল, দুদিন গেল, তিনদিনের দিন গভীর রাতে তাঁর অন্ধকার ঘরটি আলোয় বিচ্ছুরিত হল। ব্রহ্মময়ী দাঁড়িয়ে আছেন আলোর শরীর নিয়ে। অভিমান ভরে পিতাকে বলছেন, আমি তো তোমার কাছে থাকব বলেই এসেছিলাম, তুমিই আমাকে দূর করে দেওয়ার ব্যবস্থা করলে। তাই তো আমি পালিয়ে এসেছি। আমি কিন্তু তোমাকে ছেড়ে থাকতে পারব না। আমি মূলাজোড়ের গঙ্গাতীরে পাষাণ মূর্তিতে অবস্থান করছি। তুমি আমাকে সেখানেই প্রতিষ্ঠা করো। আমি তোমার হয়েই থাকব।

    গোপীমোহন অন্ধকারে আলোর দিশা পেলেন। তাঁকে স্বপ্ন দিয়েছেন। হঠাৎ বাঁচার উৎসাহ ফিরে এল। পরের দিনই তাঁর লোকজন নিয়ে সাত সকালেই বেরিয়ে পড়লেন মূলাজোড়ের উদ্দেশে। গঙ্গারতীরে জঙ্গলাকীর্ণ জনবসতিহীন নির্জন একটি স্থান। অনুসন্ধান করে সেইখানেই অতি অপূর্ব মূল্যবান কষ্টিপাথরে নির্মিত একটি বিগ্রহ পাওয়া গেল। বিস্ময়কর তাঁর রূপ।

    মূলাজোড় স্থানটি অখ্যাত না বিখ্যাত! প্রাচীন ইতিহাস কী বলছে! বাংলার ইতিহাসে একটি অন্ধকার যুগ আছে। শুরু ১২০৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে। বকতিয়ার খিলজি নদিয়া দখল করলেন। সেই থেকে ১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দুশো উননব্বই বছরকাল বাংলার ইতিহাসের এক অন্ধকারময় যুগ, গৌড়ের সিংহাসনে হুসেন শাহের রাজত্বকাল পর্যন্ত। এই ইতিহাসের অনেকটাই হারিয়ে গেছে। একটু একটু কোথাও পাওয়া যায়। কিন্তু কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা তা বলা শক্ত। একটি সত্য পাওয়া যায় যা অস্বীকার করার উপায় নেই–সর্বস্তরে নিরবচ্ছিন্ন অকাল। লুণ্ঠন, পীড়ন, নরহত্যা, নারী নির্যাতন, দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার, এসব প্রতিদিনের ঘটনা। রাজশক্তি তাকিয়েও দেখত না। কারণ তাদের নিজেদের অবস্থাও শোচনীয়। সেখানে সন্দেহ, অবিশ্বাস, ষড়যন্ত্র, বিদ্রোহ, গুপ্তহত্যা–সিংহাসনে নিশ্চিন্তে বসে থাকাটাই অসম্ভব। এই সময়কালের মধ্যে বাহান্ন জন রাজা গৌড়বঙ্গ শাসন করার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের মধ্যে ঊনত্রিশ জন সিংহাসনে বসেছেন আর নেমেছেন। কখনও। কয়েকদিন, কখনও বড়জোর চার বছর। আঠারো জন মরেছেন গুপ্ত ঘাতকের হাতে। পৃথিবীর ইতিহাসে যানজিরবিহীন। একথা মোগল সম্রাট বাবরের।

    নবদ্বীপেই প্রথম আঘাত, আর এই নবদ্বীপেই প্রথম জাগরণ। ১৪৮৬ সালের ফাগুন পূর্ণিমা। আবির্ভূত হলেন মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য। আলো হাতে এসে দাঁড়ালেন এক অমেয় পুরুষ সিংহ। শক্তির একটা তরঙ্গ খেলে গেল। ১৫১০ সালে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করে মানুষের কল্যাণে। নিজেকে উৎসর্গ করলেন। এরপর তাঁকে আর পাওয়া গেল না। শ্রীক্ষেত্রের সাধন জগতে নিজেকে বিলীন করে দিলেন। কিন্তু রয়ে গেল যে তরঙ্গ তিনি তুলেছিলেন সর্বক্ষেত্রে তার অভিঘাত। মহাপ্রভু গৌরবঙ্গ ত্যাগ করলেন, আর মাত্র সাত বছর পরেই শুরু হল আর এক সংকটের কাল। এবার বিদেশিদের হামলা। তারা সবাই বণিক, প্রথমে পর্তুগিজ। শুরু হল তাদের অবাধ বাণিজ্য। ১৫৭০ সালে সরস্বতী নদী বেগ হারাল। সপ্তগ্রামের ঐশ্বর্য ও বোলবোলা শেষ হল। এইবার হুগলি। পর্তুগিজরা এখানে জমিয়ে বসতে চাইল। স্বভাবে তারা হার্মাদ জলদস্যু। স্থায়ী কোনও পরিকল্পনা ছিল না। বাইরে তারা বণিক, অন্তরালে তারা দস্যু। এদের লুণ্ঠন ও উৎপীড়নে বাংলার ছোট ছোট গ্রামে দেখা দিল আতঙ্ক। জাহাজ বোঝাই নরনারী ও শিশু ইউরোপের বাজারে পাঠাতে লাগল ক্রীতদাস করে। নারীহরণ। এদের নিত্যকর্ম। প্রায় একশোটা বছর এইভাবেই কাটল। বাংলা হল শ্মশান। সেই সময় ভাগীরথীর দুই তীরে হুগলি থেকে দক্ষিণের শেষ মাথা পর্যন্ত বৃহৎ বন্দর ও বন্দরকেন্দ্রিক জনপদ ছাড়া গোটা অঞ্চলটাই ছিল জনশূন্য অরণ্য। ত্রাতা হিসাবে দেখা দিলেন মোগল। সম্রাট শাহজাহান। ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি পর্তুগিজদের নির্মূল করলেন। ১৬৫০ইংরেজ বণিকদের আবির্ভাব। আবার হুগলি, সেখানেই তাদের কুঠি স্থাপিত হল।

    বড় ইতিহাসের আড়ালে ছোট ছোট ইতিহাসও থাকে। মূলাজোড়ের কথা বলতে গিয়ে এসব প্রসঙ্গ আসছে কেন? কারণ একটাই, কোনও ঘটনা বিচ্ছিন্নভাবে একক থাকতে পারে না। গোপীমোহন ব্রহ্মময়ীর নির্দেশে মূলাজোড়ে মন্দির স্থাপন করবেন। অনেকটা জায়গা চাই। নদীর বাঁকে বিগ্রহটি বসেছিলেন ইঙ্গিত বহন করে। এই সেই স্থান। স্থান কোথায়! এ তো জলা আর জঙ্গল। ত্রিসীমানায় কোনও মানুষ নেই। এর চেয়ে শ্মশান যে ছিল ভালো।

    অতীত ইতিহাস ঘাঁটলে পাওয়া যায়, এই মূলাজোড় স্থানটি একসময় বিরাট কুখ্যাত জঙ্গলের একটি দিক। জঙ্গলটির নাম জয়চণ্ডীর জঙ্গল। তৎকালীন সীমানা ছিল এইরকম–উত্তরে প্রাচীন নদী বন্দর নবহট্ট, এখন যার নাম নৈহাটি। দক্ষিণে বর্তমানের বারাকপুর পর্যন্ত। এই জঙ্গলেরই বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে ছিল বর্তির বিল। দীর্ঘকাল ধরে এই জঙ্গলে আচার অনাচার উভয়ই চলছিল পুরোদমে। একদিকে কাঁপালিক আর অঘোরীদের হাড়হিম করা যত কাণ্ডকারখানা, আর অন্যদিকে কুখ্যাত সব ডাকাতের দল। এই উভয় সম্প্রদায়েরই লোক সমাজে বিচরণের কোনও সম্ভাবনা ছিল না। এই কাঁপালিকরা নরবলি দিতেন আর ডাকাতরা ডাকাতির আগে এই নরবলিতে উৎসাহ দিত। এই ধারা থেকেই মা কালীর আর একটি রূপ প্রকাশিত হল–ডাকাত কালী। এই অরণ্যের অধিষ্ঠাত্রী দেবী জয়চণ্ডী। সেই কারণেই বলা হত জয়চণ্ডীর জঙ্গল। এই দেবী কাঁপালিক ও ডাকাতদের দ্বারা পূজিত হতেন। গঙ্গার তীরে অবস্থান, তীরে বাঁধা থাকত দ্রুতগামী ছিপ। ডাকাতদের বাহন। গঙ্গার বুকে ডাকাতি করে নোয়াই খাল অথবা মুক্তাপুরের খাল ধরে এই অরণ্যে এসে আত্মগোপন করে থাকত। প্রয়োজন হলে জলপথেই পালাত।

    হুসেন শাহের রাজত্বকালে দেশে শাসন ব্যবস্থার উন্নতি হল। পলাশির যুদ্ধের পর শুরু হল প্রকৃত সুশাসন। কাঁপালিক, অঘোরী, ডাকাত সব উধাও। জয়চণ্ডীর জঙ্গল ক্রমশ ছোট হতে লাগল। চারপাশে শুরু হল সাধারণ মানুষের বসবাস। ডাকাত আর কাঁপালিকরা পালাবার সময় অষ্ঠধাতু নির্মিত মা জয়চণ্ডীর মূর্তিটি বিলের জলে বিসর্জন দিয়ে চলে গিয়েছিল। পরবর্তীকালে সেই মূর্তি উদ্ধার করে মন্দিরে স্থাপিত হয়। বহু মানুষের বিশ্বাস এই দেবী জাগ্রত, মানুষের কল্যাণসাধন করেন। চতুর্দিক থেকে মানুষ আসেন উৎসবে শামিল হতে। জয়চণ্ডীর মন্দির নৈহাটির একটি প্রসিদ্ধ স্থান।

    গঙ্গা নদীর বাঁকে যেখানে ব্রহ্মময়ীকে পাওয়া গেল, মন্দিরটি সেই জায়গায় হবে। হবে না হতেই হবে। জঙ্গলাকীর্ণ কিন্তু এর তো একজন অধিকারী থাকবেন! সেই সময়টা তো জমিদারদের কাল। জানা গেল এই অঞ্চলটি বিখ্যাত ভূস্বামী রামদেব নাগের বংশধরদের মৌজাভক্ত। বর্ধমান রাজার দেওয়ান রামদেব নাগ প্রজাপীড়নের জন্য বিখ্যাত। এই রামদেবের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়েছিলেন মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র। তিনি বর্ধমান মহারাজকে তাঁর সম্পর্কে লিখেছিলেন। লিখেছিলেন সংস্কৃত ভাষায় কবিতাতে। শিরোনাম নাগাস্টক। এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল। যথারীতি গোপীমোহন রামদেবের বংশধরদের কাছ থেকে কোনওরকম সাহায্য পেলেন না। জঙ্গলই হোক আর যাইহোক, জমি আপনাকে দেওয়া হবে না। আমাদের সম্পত্তি আমাদেরই থাকবে। বিষণ্ণ গোপীমোহন রাতে তাঁর কন্যাকে নিবেদন করলেন, মা, তুই বললি ওইখানে মন্দির করতে, ওরা যে জায়গা দিচ্ছে না। অবশেষে বহু অনুনয়, বিনয়ের পর জমি পেলেন। কী আনন্দ! চতুর্দিকে জঙ্গল। উলুখাগড়ার বন। আধুনিক দস্যু-তস্করও আছে। অজস্র সাপ। পাল পাল শেয়াল। জোয়ারের সময় চুঁইয়ে চুঁইয়ে গঙ্গার জল ঢুকে জলাভূমির মতো করে রেখেছে। ভাগীরথীতে প্রথমে দিলেন বাঁধ। দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরে যেমন পোস্তা তৈরি হয়েছিল ঠিক সেইরকম। তারপর প্রচুর মাটি ফেলে ঢালাই করে তৈরি হল মন্দিরের ভিত। অর্থের অভাব নেই। দক্ষ শিল্পী, কয়েক হাজার শ্রমিক হাজির করলেন সেই জায়গায়। গড়ে উঠল অতি সুন্দর নবরত্ন মন্দির। ১৮০৯ সাল। একটি পবিত্র দিনে মন্দিরের সিংহাসনে মহাসমারোহে আরোহণ করলেন দেবীব্ৰহ্মময়ী। গোপীমোহনের আদরিণী কন্যা, মহাশক্তিরূপিণী দেবী কালিকার রূপ ধারণ করলেন। কতদিন হয়ে গেল, আজও তিনি শত শত ভক্তের পূজা। পাচ্ছেন।

    এতবড় মন্দির পশ্চিমবঙ্গে খুব কমই আছে। সমতল ভিত্তির ওপর স্থাপিত এই নবরত্ন মন্দিরটি। এর দুদিকে, এপাশে-ওপাশে ছটি, ছটি করে দ্বাদশ শিবমন্দির। দক্ষিণে প্রশস্ত অঙ্গনে তিনটি দেউল। তিনজন শিব। হর, শঙ্কর ও শিব। প্রত্যেক বছর পৌষমাসে আজও বসে বিরাট মেলা। সহস্র ভক্ত নরনারী জোড়ামুলো দিয়ে মাকে পুজো করেন। এখানেই শেষ নয়। মন্দিরের পেছনে রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও আর একটি শিবদেউল। কালীমন্দিরের সামনে নাটমন্দির। তারপর বলিদানের স্থান। আর তারই নীচে গঙ্গার প্রবাহ।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }