Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জলঙ্গীর অন্ধকারে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প273 Mins Read0
    ⤷

    জলঙ্গীর অন্ধকারে – ১

    গাড়ির গতি একটু কমিয়ে মল্লার বলল, ‘ডান দিকের গাছের মাথার দিকে দেখ৷ কত বড় বড় বাদুড় ঝুলছে!’

    মল্লারের কথা শুনে চূর্ণী আর সোহম গাড়ির ভিতর থেকে সেই বিরাট গাছটার দিকে তাকাতেই দেখতে পেল গাছের মাথার দিকের ডালগুলো থেকে সার সার বাদুড় ঝুলছে! চূর্ণী সেদিকে তাকিয়ে বলল, ‘কলকাতা চিড়িয়াখানাতে একটা গাছে বাদুড় ঝোলে আমি দেখেছি৷ কিন্তু এত বড় বড় বাদুড় আমি কোনওদিন দেখিনি৷ যেন কেউ বড় বড় কালো ছাতা টাঙিয়ে রেখেছে গাছটার মাথায়!’

    চূর্ণীর কথা শুনে সোহম বলল, ‘এমনও হতে পারে এই বাদুড়গুলো ভ্যাম্পায়ার৷ রাত নামলেই ওরা নীচে নেমে আসে শিকারের খোঁজে৷ রক্তপানের লোভে৷ কেউ কেউ হয়তো মানুষ বা অন্য প্রাণীর রূপও ধরে৷ তারপর খিদে মিটিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগে আবার নিরীহ প্রাণীর মতো গাছে গিয়ে বসে৷ রক্তচোষা বা ভ্যাম্পায়ার বলেই ওদের এমন বিরাট বিরাট চেহারা৷’

    সোহম কথাটা মজা করে বললেও চূর্ণী মৃদু আতঙ্কিত স্বরে তাকে বলল, ‘দেখ সোহম, তোকে কতদিন না বলেছি ওসব কথা নিয়ে আমার সঙ্গে মজা করবি না৷ রাতে একলা ঘরে থাকি৷ তখন আমার এসব কথা মনে পড়ে, ভয় লাগে৷ রাতে লাইট জ্বালিয়ে শুতে হয়, ঘুম আসে না৷’

    গাড়ির গতি আবার বাড়িয়ে দিয়ে মল্লার তাদের দু’জনের কথার মাঝে ফুট কেটে বলল, ‘আর তিন মাস পর যখন তোদের বিয়ে হবে তখন তো আর চূর্ণীকে একলা থাকতে হবে না৷ তখন তোরা দু’জন জমিয়ে ভূত-ভ্যাম্পায়ারের গল্প করতে পারবি৷’

    একথা শুনে চূর্ণী রাগ প্রকাশ করে মল্লারকে বলল, ‘যাক, তোকে আর এ ব্যাপারে তাল দিতে হবে না৷ কৃষ্ণনগর পেরিয়ে এলাম তা প্রায় দু’ঘণ্টা হল! যাচ্ছি তো যাচ্ছি! রাস্তায় একজন লোকও দেখছি না৷ তমসাময় শাস্ত্রীর আশ্রমটা আর কতদূর?’

    গাড়ির ড্যাশ বোর্ডে রাখা মোবাইলের দিকে তাকিয়ে নিয়ে মল্লার জবাব দিল! ‘প্রায় চলে এসেছি৷ গুগল ম্যাপ বলছে ‘নবজীবন আশ্রম’ অর্থাৎ তমসাময়ের আশ্রম আর মাত্র তিন কিলোমিটার৷ তাছাড়া গাছের ফাঁক দিয়ে ওই যে কিছু দূরে নদীটাও দেখা যাচ্ছে৷ ওটাই নিশ্চয়ই জলঙ্গী নদী৷ তমসাময় বলেছেন তাঁর অনাথ আশ্রমটা একেবারে নাকি জলঙ্গীর গায়েই৷’

    শীতের বিকেল৷ বেলা সাড়ে চারটে বাজতে না বাজতেই আলো বেশ নরম হয়ে এসেছে৷ কাঁচা রাস্তার বাঁ-পাশে গাছপালা, বড় বড় ঝোপ জঙ্গলের আড়াল থেকে মাঝে মাঝেই উঁকি দিচ্ছে নদীটা৷ বিকেলের আলোতে চিকচিক করছে নদীর জল৷ সেদিকে তাকিয়ে দেখতে দেখতে সোহম বলল, ‘লোকটার নামটা কিন্তু বেশ অদ্ভুত—তমসাময়! তমসা মানে তো অন্ধকার৷ অর্থাৎ লোকটার নাম, অন্ধকারময়, ঘোর অন্ধকার! আমি তমসাহরণ, শুনেছি, মেয়েদের নাম তমসা হয় শুনেছি কিন্তু কোনও ছেলের নাম তমসাময় শুনিনি৷ যদিও আমার বাংলাভাষার জ্ঞান খুব কম৷ সুযোগ পেলে একবার ভদ্রলোককে তাঁর নামের অর্থ জিগ্যেস করব৷’

    মল্লার বলল, ‘ওনার নাম যাই হোক না কেন, যদি দেখি লোকটা সৎ, সত্যিই অনাথ বাচ্চাদের জন্য কাজ করছেন তবে টাকাটা দিয়ে যাব৷ চেকবই তো আমরা সঙ্গেই এনেছি৷’

    চূর্ণী বলল, ‘ঠিক বলেছিস৷ বেশ কয়েকটা আশ্রম তো এর আগে দেখলাম আমরা৷ অধিকাংশই তো অনাথ আশ্রমের নামে ব্যবসা ফেঁদেছে অথবা ঠগবাজ! এ আশ্রমটা যদি তেমন না হয়, সত্যিই অনাথ শিশুদের জন্য কাজ করে তবে এদেরকেই টাকাটা দিয়ে যাব৷ এরপর তো বিয়ের জোগাড় যন্তরের কাজ শুরু করতে হবে৷ তার ওপর আবার অফিসের কাজের চাপ আছে৷ এরপর আর এ কাজের জন্য সময় বের করা মুশকিল হয়ে যাবে৷

    মল্লার বলল, ‘শুনছি, আমার নাকি নর্থ বেঙ্গলে বদলির অর্ডার আসতে পারে৷ তখন আমারও বেশ কয়েক মাস অফিস বাদ দিয়ে অন্য কাজ করা চাপের হয়ে যাবে৷’—এ কথা বলে সে এগিয়ে নিয়ে যেতে লাগল গাড়ি৷ আর তার সঙ্গে সঙ্গে নদীটাও যেন তাদের আরও কাছে এগিয়ে আসতে লাগল৷

    মল্লার, সোহম ও চূর্ণী তিন বন্ধু৷ বছর পাঁচেক আগে সোশ্যাল মিডিয়া অর্থাৎ ফেসবুকে প্রথম যোগাযোগ হয় এই দুই তরুণ আর তরুণীর৷ ক্রমে ক্রমে তাদের ব্যক্তিগত স্তরে আলাপ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে৷ আর কদিন পর তো সোহম আর চূর্ণী এ বন্ধুত্বের গণ্ডি অতিক্রম করে সামাজিকভাবে পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে সারা জীবনের জন্য আবদ্ধ হতে চলেছে৷

    ফেসবুকে পরিচয় হলেও তাদের তিনজনের এই গাঢ় বন্ধুত্ব গড়ে ওঠার পিছনে বিশেষ একটা কারণ আছে৷ তা হল, শৈশবে তাদের প্রত্যেকরই জীবন কেটেছ পিতৃ-মাতৃহীন বা অনাথ পরিচয়ে৷

    মল্লারের বাবা-মা তার শৈশবেই মারা যান৷ তারপর এক দুঃসম্পর্কীয় আত্মীয়র কাছে বেড়ে ওঠে মল্লার৷

    সোহম বছর পাঁচেক বয়সে গঙ্গাসাগর মেলাতে কোনও গ্রাম থেকে এসে হারিয়ে গিয়েছিল৷ তার বাবা-মায়ের কোনও সন্ধান না মেলায় সোমহের শেষ পর্যন্ত স্থান হয় এক অনাথালয়ে৷

    চূর্ণীরও তাদের মতনই ব্যাপার৷ শৈশবে সে পিতা-মাতাকে হারায়৷ সম্ভবত কন্যাসন্তান বলেই আত্মীয়পরিজন তার দায় নিতে চায়নি৷ মিশনারি অনাথাশ্রমে তার স্থান হয়৷

    এই পিতৃ-মাতৃহীন অনাথ পরিচয়ই তাদের তিনজনের মধ্যে গাঢ় বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি৷ কারণ, তাদের শৈশব কৈশোরের যন্ত্রণার কথা তারা নিজেরা যেমনভাবে বুঝতে পারে তা বাইরের লোকরা কিছুটা বুঝলেও সম্পূর্ণভাবে ঠিক উপলব্ধি করতে পারে না৷ এছাড়া আরও একটা ব্যাপারে তাদের অদ্ভুত মিল আছে৷ অনেকক্ষেত্রেই এইসব অনাথরা যেমন সমাজের গোলোকধাঁধায় বা অন্ধকার ভবিষ্যতে নিজেদেরকে হারিয়ে ফেলে, এদের তিনজনের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তেমন হয়নি৷ শৈশব-কৈশোরের সব দুঃখ যন্ত্রণা কষ্টকে অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত যুবক বয়সেই তারা জীবন যুদ্ধে জয় লাভ করেছে বলা যায়৷ তিনজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি অতিক্রম করেছে, সফলভাবে প্রবেশ করেছে কর্মক্ষেত্রে৷

    মল্লার চাকরি করে একটা সরকারি ব্যাঙ্কে৷ সোহম আর চূর্ণী দু’জনেই আলাদা আলাদা দুটো মাল্টিন্যাশনাল সংস্থায় বেশ উচ্চপদে কর্মরত৷ আজ আর তারা কোনও অনাথ আশ্রম বা অন্য লোকের আশ্রয়ে থাকে না৷ আজ তাদের প্রত্যেকেরই নিজের ঠিকানা আছে৷ সবথেকে বড় কথা আজ প্রত্যেকেই নিজের পরিচয়ে পরিচিত, প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সমাজে৷ তবে পিতা-মাতাহীন শৈশব, কৈশোরের যন্ত্রণার কথা তারা আজ হাজার আনন্দের মধ্যেও ভোলেনি৷ অনাথ বাচ্চাদের কথা শুনলেই নিজেদের ফেলে আসা দিনের কথা ভেবে অসহায় শিশুদের প্রতি অন্তরের টান অনুভব করে তারা৷ আর তাই তাদের জন্য কিছু করতে তিনজনই গত তিন বছর ধরে নিজেদের টাকা জমিয়ে একটা ফান্ড গড়ে তুলেছে৷ সে টাকাটা বর্তমানে বেশ মোটা অঙ্কে এসে ঠেকেছে৷ পাঁচ লাখ টাকা!

    সবাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ টাকাটা কোনও সম্বলহীন অনাথ আশ্রমে দান করবে৷ এমন আশ্রম, যারা সরকারি বা বড় প্রতিষ্ঠানের সাহায্য পায় না অথচ অনাথ শিশুদের জন্য সত্যিই কাজ করার চেষ্টা করে চলেছে৷ এই মর্মে কয়েক মাস আগে তারা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল৷ সেই বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়ে সাহায্যের আর্জি জানিয়ে বেশ কিছু আবেদনপত্র এসেছিল তাদের কাছে৷ সেই সব আবেদনের যথার্থতা যাচাই করার জন্য মাসখানেক ধরে সময় সুযোগ বুঝে বেশ কয়েকটি আশ্রম ইতিপূর্বে ঘুরে বেড়িয়েছে৷ কিন্তু সে সব আশ্রমের কাউকেই তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত বলে মনে হয়নি৷ কোনও আশ্রম দেখে মনে হয়েছে সেটা আসলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান৷ অনাথ শিশুদের সামনে রেখে মুনাফা লোটার জন্য আশ্রম খোলা হয়েছে৷ কোনও আশ্রম সম্পর্কে খবর নিয়ে জানা গেছে তারা নানা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রভূত অর্থ সাহায্য পায়৷ আর একবার এক অনাথ শিশুদের আশ্রমে গিয়ে তো সকলে শেষ পর্যন্ত হতভম্ব হয়ে গেছিল৷

    গ্রাম লাগোয়া একটা মফস্‌সল শহরে পুরনো দিনের একটা বিরাট বাড়িতে ছিল সেই আশ্রম৷ এক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন গড়ে তোলা হয়েছে৷ নতুন আশ্রম, তাই টাকার দরকার৷ এমনই দাবি করা হয়েছিল৷ আবেদন সাড়া দিয়ে মল্লাররা আশ্রম পরিদর্শনের জন্য সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিল৷ তাদের সামনে হাজির করা হল সাত-আট জন দশ-বারো বছর বয়সি ছেলেকে৷ প্রত্যেকেরই শরীর-স্বাস্থ্য বেশ সুন্দর, পোশাক-আশাক বেশ পরিপাটি, প্রত্যেকেরই হাসিখুশি মুখ৷ তাদের দেখে মল্লার-সোহম-চূর্ণী, তিনজনেরই মনে হয়েছিল আশ্রম কর্তৃপক্ষ তাদের বেশ যত্নে রাখেন৷ নতুন আশ্রম হলেও তার পরিবেশ পরিস্থিতিও বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন৷ এসব দেখে তারা মোটামুটি এক প্রকার সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেলেছিল যে ওই আশ্রমকেই টাকাটা দেবে৷ কিন্তু এতগুলো টাকার ব্যাপার বলে কথা৷ তাই তারা আশ্রমের ব্যাপারটা শেষ একবার ভালো করে পরখ করে নেবে বলে ঠিক করেছিল। নিজেরা খাবার ও থাকার টাকা দিয়ে দু’দিন সেখানে থেকে যাবে৷ আশ্রম কর্তৃপক্ষ প্রথমে ওদের থাকতে দিতে ইতস্তত করলেও শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছিল টাকা হাতছাড়া হওয়ার ভয়ে৷ হয়তো ভেবেছিল শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা তারা সামলে নেবে৷

    সে আশ্রমে প্রথম দিনে তাদের তিনজনের চোখে কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়েনি৷ কিন্তু দ্বিতীয় দিন সকাল থেকেই বাচ্চা ছেলেগুলোর মধ্যে কেমন যেন অস্থির ভাব দেখতে পেল৷ দ্বিতীয় দিন আশ্রম কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকবার বলার চেষ্টা করল টাকাটা তাদের দিয়ে দিলে ভালো হয়৷ কারণ, স্থানীয় ব্যাঙ্ক নাকি মেরামতির কারণে পরদিন থেকে বেশ কিছু দিনের জন্য বন্ধ থাকবে, তাই চেকটা আগে দিলে তারা ওদিন ব্যাঙ্কে জমা দিতে পারে৷ ওদের কথা শুনে কেমন যেন একটা সন্দেহ জেগেছিল মল্লারদের মনে, আর সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল পরদিন সকালে৷ সেদিন রাতে কয়েকজন বাচ্চার কান্নার শব্দ কানে এসেছিল৷ আর রাত কাটতেই সেখানে এসে হাজির হয়েছিল বেশ কয়েকজন লোক৷ তাদের থেকে মল্লাররা জানতে পারে যারা তাদেরকে আশ্রম কর্তৃপক্ষ বলে পরিচয় দিয়েছিল তারা সেই বাড়িটা কয়েক দিনের জন্য ভাড়া নিয়েছিল স্থানীয় একজনের কাছ থেকে৷

    বাড়িটা কোনও অনাথ আশ্রম নয়৷ আর সেই বাচ্চাগুলোও কেউ অনাথ শিশু নয়৷ অনাথ শিশু সাজিয়ে আনা হয়েছিল স্থানীয় গ্রাম থেকে ওদের বাপ-মাকে কিছু টাকা দিয়ে৷ এক রাতের জন্য৷ কিন্তু দু’রাত কেটে যাওয়াতে সকালবেলায় বাচ্চাদের নিতে এসেছে তাদের বাবারা৷ পুরো ব্যাপারটাই আসলে জালিয়াতি করে পয়সা হাতানোর মতলব ছিল৷ সেই ঠগবাজরা অবশ্য ধরা পড়ার আশঙ্কায় ভোরের আলো ফোটার আগেই চম্পট দিয়েছিল৷ অনাথ আশ্রম দেখতে গিয়ে এমন বিচিত্র অভিজ্ঞতাও হয়েছিল মল্লারদের৷

    তবে যে আশ্রমগুলোকে অর্থ সাহায্য করার জন্য ইতিপূর্বে মল্লার-সোহম-চূর্ণীরা গিয়েছিল, সে আশ্রমগুলো সবই ছিল, কলকাতা বা কলকাতা থেকে ঘণ্টা দু-তিন সময়ের দূরত্বে৷ কিন্তু এত দূরে আশ্রম দেখতে কোনও দিন তারা যায়নি৷ এ জায়গার দূরত্ব কলকাতা থেকে অনেকটা৷ নদীয়া জেলার উত্তরে একদম শেষ প্রান্তে মুর্শিদাবাদ জেলার লাগোয়া অঞ্চল৷ দু’ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে গাড়ি নিয়ে এখানে পৌঁছতে৷ সেই বাদুড়ঝোলা গাছটা অতিক্রম করার মিনিট পনেরো পর সত্যিই অনেকটা কাছে চলে এল নদীটা৷ তারপর চোখে পড়ল উঁচু দরমার বেড়া দিয়ে ঘেরা একটা জমি৷ তার ভিতরে খড়ের ছাদওয়ালা বেশ কিছু ঘর আর গাছপালা দেখা যাচ্ছে৷ তা দেখে মল্লার বলল, ‘আমরা পৌঁছে গেছি এবার৷’

    সেই বেড়ার গা বেয়ে গাড়ি নিয়ে একটু এগতেই ভিতরে ঢোকার প্রবেশপথ চোখে পড়ল৷ মুলি বাঁশের বেড়ার তৈরি বেশ বড় একাট দরজা৷ তার পাশেই একটা বাঁশে আটকানো একটা টিনের সাইন বোর্ড৷ হলুদ রঙের সাইন বোর্ডে কালো রঙে লেখা ‘নবজীবন আশ্রম’৷ প্রবেশ পথের সামনে দাঁড়িয়ে গাড়ির হর্ন বাজাতে লাগল মল্লার৷

    বেশ কয়েকবার হর্ন বাজানোর পর দরজার ঝাপ ভিতর থেকে খুলে গেল৷ ঝাপের আড়াল থেকে বাইরে বেরিয়ে মল্লারদের গাড়িটার দিকে এগিয়ে এল একটা বাচ্চা ছেলে৷ কিন্তু সে গাড়ির সামনে আসতে মল্লাররা বুঝতে পারল যে সে আসলে একজন খর্বাকৃতি লোক৷ চলতি কথায় তাকে বামন বলে৷ লোকটার দাড়ি গোঁফ কামানো বা নেই বলে প্রথম দর্শনে তাকে বাচ্চা ছেলে বলে মনে হয়েছিল৷ মল্লার লোকটার উদ্দেশে বলল, ‘আমরা কলকাতা থেকে আসছি৷’

    লোকটা যেন অবগত ছিল মল্লারদের আসার ব্যাপারে৷ গাড়ির ভিতরটা সে এক ঝলক উঁকি দিয়ে দেখে নিয়ে বলল, ‘আসুন বাবুরা, ভিতরে আসুন৷’

    লোকটা এরপর বাঁশের বেড়াটা গাড়ি নিয়ে যাওয়ার মতো ফাঁক করে দিল৷ মল্লাররা গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করল আশ্রমের ভিতর৷ তারপর বামন লোকটাকে অনুসরণ করে ধীর গতিতে এগতে লাগল৷ ভিতরে ঢুকেই তারা বুঝতে পারল নদীর প্রায় কোল ঘেঁষে অন্তত চার-পাঁচ বিঘা জমি নিয়ে গড়ে উঠেছে আশ্রমটা৷ আয়তাকার জমিটার মাঝে একাট ফাঁকা জায়গা৷ তার কেন্দ্রস্থলে টিনের ছাউনি দেওয়া বাঁশের বেড়ার একটা বেশ বড় বাড়ি বা ঘর৷ আর তাকে কেন্দ্র করে ফাঁকা জমিটার চারপাশে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু ঘর৷ মাটির উঠান, দেওয়াল বাঁশের তৈরি৷ মাথায় খড়ের চাল৷ আশ্রমের মধ্যে বেশ কিছু ছোট-বড় গাছও দাঁড়িয়ে আছে৷ কয়েক জায়গাতে বেড়ার গা ঘেঁষে শাক, কপি ইত্যাদি শীতের সব্জিরও চাষ করা হয়েছে৷ গাড়ির ভিতর থেকেই বাইরে তাকিয়ে তারা বুঝতে পারল আশ্রম কথাটা মনে পড়লেই মনের মধ্যে যেমন ভাবনা ভেসে ওঠে, এ জায়গাটা ঠিক তেমনই৷ এ জাগাটা তাদের দেখা আগের আশ্রমগুলোর মতো আলো বাতাসহীন কংক্রিটের কাঠামো নয়৷

    লোকটার পিছন পিছন গাড়িটা এগিয়ে নিয়ে আশ্রমের কেন্দ্রস্থলে টিনের বাড়িটার সামনে এল মল্লাররা৷ বামন লোকটা এবার হাতের ইশারাতে বাড়িটার এক পাশে একটা ফাঁকা জায়গাতে গাড়িটা রাখতে বলল৷ তার কথা মতো সেখানে গাড়ি থামিয়ে তারা তিনজন নেমে পড়ল গাড়ি থেকে৷ তারপর লোকটাকে অনুসরণ করে এগলো টিনের ছাউনিওয়ালা বাড়িটার দিকে৷ সেদিকে এগতে এগতে চূর্ণী আঙুল তুলে একটা দিকে দেখিয়ে বলল, ‘ওই দেখ—৷’ তার দৃষ্টি অনুসরণ করে সেদিকে তাকাল মল্লার আর সোহম৷ সেদিকে বেড়ার সীমানা ঘেঁষে অনেকটা ব্যারাকের মতো দেখতে একটা লম্বাটে ধরনের ঘর বা বাড়ি৷ আশ্রমের অন্য আরও বাড়িগুলোলের মতো সে বাড়ির দেওয়ালও বাঁশের তৈরি, মাথায় খড়ের ছাদ৷ সামনে মাটির দাওয়া বা ঘরে প্রবেশ করার জন্য উঁচু বারান্দা৷ আর সেই দাওয়াতে সার বেঁধে পা ঝুলিয়ে বসে আছে যারা তাদের কারও গায়ে হাফ হাতা সোয়েটার বা সস্তা দামের চাদর জড়ানো৷ খালি পা৷ শেষ বিকেলের আলো এসে পড়েছে তাদের মুখে৷ সেই আলোতে কেমন যেন মায়াময় দেখাচ্ছে সেই মুখগুলো৷ মল্লারদের দিকে দূর থেকে উৎসুকভাবে তাকিয়ে আছে তারা৷ মল্লাররা তাদের দেখে অনুমান করল, ছেলেগুলো আশ্রমিক অনাথ বাচ্চার দল৷

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটেম্পল – ম্যাথিউ রীলি
    Next Article অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৪ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }