Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পিপলী বেগম – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প50 Mins Read0
    ⤷

    ১. তারা তিন বোন — তিলু, বিলু, নীলু

    পিপলী বেগম – হুমায়ূন আহমেদ

    তারা তিন বোন –তিলু, বিলু, নীলু। সবচে বড় হল তিলু, সে ভিকারুননেসা স্কুলে ক্লাস সেভেনে পড়ে। খুব শান্ত মেয়ে।

    তারপর বিলু, সেও ভিকারুননেসা স্কুলে পড়ে। ক্লাস থ্রী। সে মোটেও শান্ত না। দারুণ হৈ চৈ করে। কদিন আগে সিঁড়ি থেকে পড়ে হাত ভেঙেছে। ভাঙ্গা হাত প্লাস্টার করে এখন তার গলায় ঝোলানো। বিলু খুব খুশি। হাতের প্লাস্টারে ছবি আঁকতে পারছে।

    সবচে ছোট নীলু। এবার তার স্কুলে ভর্তি হবার কথা ছিল। অনেক কটা স্কুলে টেস্ট দিয়েও এলাউ হয় নি। নীলু খুব কেঁদেছিল। নীলুর বাবা মতিন সাহেব বলেছেন –মা পচা স্কুলগুলিতে তোমাকে পড়তে হবে না। আমিই তোমাকে পড়াব। নীলু অবাক হয়ে বলেছে, তুমি কি করে পড়াবে? তুমি তো মাস্টার না। তুমি ডাক্তার।

    ডাক্তাররাও পড়াতে পারে মা।

    না পারে না।

    নীলুর কথাই ঠিক হয়েছে। মতিন সাহেব পড়াতে পারছেন না। সময় পাচ্ছেন না। তিনি সেই সকালে যান, ফিরতে রাত এগারোটা বাজে। তিলু বিলু ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুম ঘুম চোখে জেগে থাকে নীলু। মতিন সাহেব ঘরে ঢুকতেই সে বলে, বাবা আমাকে পড়াবে না?

    অবশ্যই পড়াব মা।

    বই নিয়ে আসব?

    আজতো অনেক রাত হয়ে গেছে। কাল থেকে আমরা শুরু করব।

    আচ্ছা।

    কালও শুরু করা যায় না, আরো দেরি হয়। তিলু বিলুর মা শাহানা একদিন বললেন, তুমি কয়েকদিন হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বাসায় থাকোতো। বাচ্চারা তোমার চেহারা ভুলে যাচ্ছে। একদিন দেখা যাবে রাস্তার কাউকে দেখে চেঁচিয়ে উঠবে –বাবা! বাবা!

    মতিন সাহেব সত্যি সত্যি ছুটি নিয়েছেন। দুদিনের ছুটি। বাচ্চাদের সঙ্গে তিনি গত দুদিন ধরে আছেন। ওদের সঙ্গে চোর-পুলিশ খেলেছেন। মনোপালি খেলেছেন, নাম-দেশ-ফুল-ফল খেলেছেন। এখন সন্ধ্যা। মেয়েরা বাবাকে ঘিরে বসেছে। বাইরে ঝুম বৃষ্টি। ইলেকট্রিসিটি চলে গেছে। ঘরে মোম জ্বালানো হয়েছে। গল্প শোনার রাত। মেয়েরা গল্প শুনতে চায়। মতিন সাহেব পড়েছেন বিপদে। কোন গল্পই তাঁর মনে আসছে না। পাঁচ মিনিট ধরে তিনি মাথা চুলকাচ্ছেন। মাথা চুলকালে ছেলেবেলায় শোনা কোন গল্প মনে পড়তে পারে –এই তাঁর ক্ষীণ আশা। মাথা চুলকানোয় কোন লাভ হচ্ছে না। তিলু বলল, কি হল বাবা, শুরু কর। তুমি না বলেছিলে আমাদের সব কথা শুনবে।

    কি শুরু করব?

    কি আবার, গল্প।

    কিসের গল্প শুনতে চাও? ভূতের?

    বিলু বলল, ভূতের গল্প আমি মরলেও শুনব না। একটা বাঘের গল্প বল, বাবা।

    মতিন সাহেব ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলেন। যদি ছাদের দিকে তাকালে কিছু মনে পড়ে!

    কি হল বাবা?

    মনে করার চেষ্টা করছি।

    মনে আসছে না?

    উঁহু।

    একবার শুরু করে দাও। শুরু করলেই দেখবে মনে পড়বে।

    কিভাবে শুরু করব?

    বল –এক দেশে ছিল এক বাঘ।

    মতিন সাহেব নড়েচড়ে বসলেন। বৃষ্টি আরো চেপে আসছে। কে জানে ঝড় শুরু হবে কি-না। তিনি অসহায় গলায় বললেন, তোর মা ফেরার পর গল্প শুরু করলে কেমন হয়? সেও শুনতে পেত।

    নীলু বলল, মা আজ রাতে ফিরবে না, বাবা। মা ছোটমামার বাসা থেকে টেলিফোন করেছে। সে মামার বাসায় আটকা পড়েছে। বাড়ির সামনে এক-কোমর পানি। মা কাল ভোরে আসবে। মা বলেছে তুমি যেন আমাদের দেখেশুনে রাখ।

    বলিস কি? এ তো আরেক যন্ত্রণা হল।

    কোন যন্ত্রণা হয়নি, বাবা। তোমাকে কিছু দেখতে হবে না। তুমি গল্প বললেই হবে। তিন জনের জন্যে তিনটা গল্প। শুরু কর —

    রাতের খাবারের কি ব্যবস্থা হবে।

    মা রান্না করে রেখে গেছে। খিদে লাগলে আমরা খেয়ে নেব।

    কি রান্না?

    খিচুড়ি আর ডিমের তরকারী।

    হাসের ডিম না মুরগীর ডিম?

    বাবা তুমি ইচ্ছা করে –অন্য কথা বলছ। গল্প শুরু কর।

    রাতের খাওয়ার পর শুরু করলে কেমন হয়?

    খুব খারাপ হয়। শুরু কর বাবা।

    মতিন সাহেব বললেন –এক দেশে ছিল এক পিপড়া …

    তিলু চেঁচিয়ে বলল, বাবা তুমি কি বললে? কি ছিল?

    পিপড়া।

    পিপড়া? তুমি পিপড়ার গল্প বলবে?

    হু।

    পিপড়ার কি কোন গল্প হয়, বাবা?

    বাঘের গল্প যদি হয়, হাতির গল্প যদি হয় তাহলে পিপড়ারও গল্প হয়।

    বিলু বলল, এত ছোট একটা জিনিস চোখেই দেখা যায় না।

    মতিন সাহেব বললেন, ভূতও তো চোখে দেখা যায় না। পিপড়া ছোট হলেও দেখা যায়।

    তিলু বিলু বলল, আমরা পিপড়ার গল্প শুনব না। শুধু নীলু বলল, সে শুনবে। নীলু বলল, বাবা, তুমি আবার বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলবে না তো?

    অসম্ভব। বানিয়ে বলব না।

    সত্যি গল্প?

    গল্প সব সময় সত্যি হয়। গল্প কখনো মিথ্যা হয় না।

    তিলু বিলু বলল, সব গল্পই কি সত্যি?

    অবশ্যই সত্যি।

    একটা গল্পে যখন বাঘ কথা বলে সেটাও কি সত্যি?

    সেটাও সত্যি। এমনি পৃথিবী আর গল্পের পৃথিবী –দুটি আলাদা পৃথিবী। দুটি পৃথিবীই সত্যি। আমাদের পৃথিবীতে বাঘ কথা বলে না, কিন্তু গল্পের পৃথিবীতে বলে। বুঝতে পারলে?

    তিলু বিলু মাথা নাড়ল না, তবে নীলু মাথা নাড়ল অর্থাৎ সে বুঝেছে। বিলু বলল, বাবা দেখ নীলু কিছু না বুঝেই মাথা নাড়ছে। মতিন সাহেব বললেন, আমার ধারণা নীলু ঠিকই বুঝেছে ছোট বলেই যে সে কিছু বুঝবে না তা তো না। বরং ছোটরাই অনেক বেশি বোঝে।

    মতিন সাহেব গল্প শুরু করলেন।

    .

    এক দেশে ছিল এক পিপড়া। মেয়ে পিপড়া। তার নাম পিপলী বেগম। বয়স খুব বেশি না, মানুষের হিসেবে তার বয়স তের বছর। দেখতে সে খুব সুন্দর। সবচে সুন্দর তার চোখ। ঝকঝকে নীল। চোখ দেখলেই বোঝা যায় পিপলী বেগমের খুব বুদ্ধি। স্কুলের পরীক্ষায় সে সব সময় ফার্স্ট হয়। শুধু সেবার পরীক্ষায় খুব খারাপ করল। অঙ্কে পেল মাত্র ১৯। ভূগোলে তেইশ। তাদের আপা পিপলীকে অফিসঘুরে ডেকে নিয়ে গেলেন।

    নীলু বলল, বাবা, ওদের স্কুল আছে?

    অবশ্যই আছে। স্কুল থাকবে না কেন? স্কুল আছে, কলেজ আছে। সেখানে সবাইকে পড়াশোনা করতে হয়।

    ওদের স্কুলগুলি কেমন বাবা?

    ওদের স্কুলগুলি বেশির ভাগই রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের মত। খোলা ময়দানে ক্লাস হয়। কখনো গাছের নিচে। কখনো গাছে। তবে ঝড়-বাদলার দিনে স্কুলঘরে।

    ওদের স্কুলঘর আছে?

    আছে। দুতলা-তিনতলা স্কুলঘর। পিপড়ারা যে খুব সুন্দর বাড়ি বানাতে পারে তা তুমি জান না?

    না।

    ওরা মাটির নিচে বাড়ি বানায়। সুন্দর সুন্দর বাড়ি। বাড়িতে পানি আছে –ইলেকট্রিসিটি আছে।

    তিলু রাগী গলায় বলল, বাবা, তুমি বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলা শুরু করেছ। ওরা ইলেকট্রিসিটি কোথায় পাবে?

    মতিন সাহেব হাসিমুখে বললেন, ওদের ইলেকট্রিসিটি মানুষের ইলেকট্রিসিটির মত না। এক ধরনের পচা কাঠ আছে, অন্ধকারে জ্বলে। ওরা করে কি –ঐসব কাঠের ছোট ছোট টুকরা নিজেদের বাড়ির হলরুমে রাখে। ওদের মিটিং-টিটিং তো সব হলঘরে হয় –এই জন্যেই শুধু হলঘরে আলোর ব্যবস্থা।

    বিলু বলল, বাবার কথা আমার মোটেই বিশ্বাস হচ্ছেনা। মনে হচ্ছে বাবা বানিয়ে বানিয়ে বলছে। তিলু বলল, আমার কেন জানি বিশ্বাস হচ্ছে।

    নীলু বলল, বাহ্, বাবার সব কথা আমার বিশ্বাস হচ্ছে। বাবা তুমি বল। পিপড়াদের কি মজা তাই না বাবা।

    মজা তো বটেই। আমরা মানুষ ছাড়া অন্য সবাইকে খুব ছোট করে দেখি। ছোট করে দেখা ঠিক নয়। বুঝলে মা? প্রাণীদেরও বুদ্ধি আছে। অনেক বুদ্ধি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুষদের বুদ্ধির চেয়েও বেশি। বাবুই পাখি কি করে জান?

    না। কি করে?

    ওরা ওদের বাড়িতে জোনাকি পোকা ধরে রাখে। প্রথমে খানিকটা গোবর নিয়ে যায়, সেই গোবরে জোনাকি পোকা পুঁতে দেয়। এতে ঘর আলো হয়।

    বাবুই পাখিদেরও কি স্কুল আছে?

    সবারই স্কুল আছে। সবাইকে শিখতে হয়। তবে পিপড়াদের স্কুল হল খুব ভাল স্কুল। এরা অনেক কিছু শেখায়।

    বিলু বলল, কি কি শেখায়?

    অঙ্ক তো শিখতেই হয়। হিসেব-নিকেশ না শিখলে চলবে কেন? তারপর শিখতে হয় মাটিবিদ্যা। ওরা মাটিতে থাকে, মাটি দিয়ে ঘর বানায় –মাটিবিদ্যা শিখলে চলবে কেন? ওদের ভূগোল খুব বেশি বেশি পড়তে হয়। কোন জায়গাটা কি রকম তা না জানলে ওদের চলে না। আবহাওয়া জানতে হয় –কখন বৃষ্টি হবে, কখন ঝড় হবে …

    তিলু বলল, বাবা, ওদের কি সায়েন্স, আর্টস আছে?

    আছে। তবে আর্টস পড়ে খুব কম পিপড়া। যারা অসম্ভব জ্ঞানী তারাই শুধু আর্টস পড়ে। ওদের কাজ হচ্ছে চিন্তা করা।

    কি চিন্তা করে?

    নানান বিষয় নিয়ে চিন্তা করে। পিপড়া কেন পৃথিবীতে তৈরি করা হল, এদের কি প্রয়োজন ছিল। এইসব ….।

    নীলু বলল, পিপড়া হওয়া তো বাবা খুব মজা।

    মজা তো বটেই। তারপর শোন কি হল, স্কুলের বড় আপা পিপলী বেগমকে ডেকে নিয়ে গেলেন। বড় আপা বললেন, পিপলী, তোমার রেজাল্ট এত খারাপ হল কেন? অঙ্কে উনিশ, ভূগোলে তেইশ। ব্যাপারটা কি বল তো?

    পিপলী বলল, পড়তে আমার ভাল লাগে না, আপা।

    বড় আপা অবাক হয়ে বললেন, কি বললে?

    পড়তে ভাল লাগে না।

    বড় আপা অবাক হয়ে পিপলীর দিকে তাকিয়ে রইলেন। এই প্রথম একজনকে পাওয়া গেল যার পড়তে ভাল লাগে না। পিপড়ারা মানুষের মত। তাদের সবারই পড়তে খুব ভাল লাগে। এমন একজনকেও পাওয়া যায় না, যার পড়তে ভাল লাগে না। শুধু পিপলী বেগমকে পাওয়া গেল।

    বিলু বাবার কানের কাছে মুখ এনে ফিস ফিস করে বলল, বাবা আমারো পড়তে ভাল লাগে না। মতিন সাহেব বললেন, তোমার কথাতো এখন হচ্ছে না। এখন পিপলী বেগমের কথা হচ্ছে। তোমার কথা পরে শুনব। যা বলছিলাম –পিপলীর পড়তে ভাল লাগে না শুনে বড় আপা বললেন, এত অদ্ভুত কথা তো আমি জন্মেও শুনিনি। তোমার কি সত্যি সত্যি পড়তে ভাল লাগে না? নাকি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছ?

    আমার সত্যি সত্যি পড়তে ভাল লাগে না। পড়ার কথা মনে হলেই রাগ লাগে। স্কুলে আসতেও ইচ্ছা করে না। অদ্ভুত অদ্ভুত সব ইচ্ছা হয়।

    অদ্ভুত ইচ্ছা হয়? কি রকম অদ্ভুত ইচ্ছা?

    বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা করে। অনেক, অনেক দূরে চলে যেতে ইচ্ছা করে। পৃথিবীটা ঘুরে দেখতে ইচ্ছা করে।

    বড় আপা চেঁচিয়ে বললেন, কি দেখতে ইচ্ছা করে?

    সবচে বেশি দেখতে ইচ্ছা করে মানুষদের।

    মানুষদের দেখতে ইচ্ছা করে! তুমি তো ভয়ংকর কথা বললে! মানুষরা ভয়াবহ জীব। এদের কাছ থেকে দূরে থাকতে হয়। অনেক দূরে। মানুষ কি করে জান? পিপড়া দেখলে পায়ে পিষে মেরে ফেলে। বিশেষ করে মানুষদের হোট ছোট বাচ্চারা পিপড়া মা’রতে খুব ভালবাসে।

    তবু আমার মানুষ দেখতে ইচ্ছা করে। ওদের কত বুদ্ধি!

    মানুষদের বুদ্ধি আছে। এই অদ্ভুত কথা তোমাকে কে বলল, পিপলী? এই পৃথিবীতে সবচে বোকা হল মানুষরা। আমরা যেমন খাবার ভাগাভাগি করে খাই, ওরা তা করে না। কোন কোন মানুষের বাড়িতে প্রচুর খাবার। আবার কারো কারো বাড়িতে কোন খাবার নেই। কারো কারো থাকার জন্যে বাড়ি আছে, কারো কারো নেই –তারা থাকে পথে, গাছের নিচে। পিঁপড়াদের বেলায় এই জিনিস কখনো হবে না। কখনো না।

    তবু আমার মানুষ দেখতে ইচ্ছা করে। ওদের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করে।

    ওদের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করে?

    হু। ওদেরকে বলতে ইচ্ছা করে এই যে মানুষ, তোমাদের এত বুদ্ধি কিন্তু তোমরা এমন কেন?

    কি সর্বনাশের কথা! কি সর্বনাশের কথা! তোমার শরীর ভাল আছে তো পিপলী বেগম? অনেক সময় শরীর খারাপ হলে উদ্ভট চিন্তা-ভাবনা মাথায় আসে। তোমার কি রাতে ভাল ঘুম হয়?

    মাঝে মাঝে ঘুম হয় না। মন খারাপ লাগে।

    যা ভেবেছি তাই। তোমার শরীর খারাপ। শরীর খারাপ হলেই মন খারাপ হয়। কারণ মন বলে আলাদা কিছু নেই। আমার ধারনা তোমার শরীর খুবই খারাপ।

    আমার শরীর ভালই আছে আপা।

    তুমি বললে তো হবে না। ডাক্তার এসে দেখে বলুক। আমরা ধারণা তোমার জটিল কোন রোগ হয়েছে। খুব জটিল। এসো মা, তুমি এই টেবিলে শুয়ে থাক। আমি স্কুলের ডাক্তারকে খবর দিচ্ছি। ডাক্তার সাহেব এসে দেখুক।

    বিলু বলল, বাবা, পিপড়াদের ডাক্তার আছে?

    মতিন সাহেব বললেন, পিপড়াদের তুমি এত তুচ্ছ ভাবছ কেন মা? ওদের ডাক্তার আছে –ওদের হাসপাতাল পর্যন্ত আছে। ওদের যে বসতবাড়ি, সেই বসতবাড়ির একটা তলা হল ওদের হাসপাতাল। হাসপাতালে রুগ্ন, অসুস্থ পিপড়ারা থাকে। অসুখ-বিসুখ ওদের বেশি হয় না, কিন্তু একসিডেন্ট খুব বেশি। বেশির ভাগ রোগী আসে হাত ভাঙা, পা ভাঙা। অর্থাৎ পঙ্গু হাসপাতাল।

    তারপর কি হল শোন। পিপলী বেগমের বড় আপা খুব ব্যস্ত হয়ে ডাক্তার ডেকে পাঠালেন। পিপলীকে শুইয়ে রাখলেন টেবিলের উপর। বড় আপার চিন্তার সীমা রইল না। স্কুলের দুজন ডাক্তার এসে নানাভাবে দেখলেন। জিভ দেখলেন, কান দেখলেন, গলা দেখলেন। ব্লাড প্রেসার মাপলেন। একটা ছোট্ট কাঠের হাতুরী দিয়ে টুক করে পিপলীর হাঁটুতে বাড়ি দিয়ে রিফ্লেক্স এ্যাকশান দেখলেন।

    বড় আপা ভীত গলায় বললেন, কি দেখলেন ডাক্তার সাহেব? আমার খুব চিন্তা লাগছে। এতদিন ধরে স্কুলে পড়াচ্ছি, এমন তো কখনো শুনিনি! পিপলীর শরীর কি খুব বেশি খারাপ?

    ডাক্তার সাহেব গম্ভীর মুখে বললেন, শরীরে তেমন কিছু পাচ্ছি না। বুকে কফ জমে আছে। ঠাণ্ডা লেগেছে বোধহয়। অবশ্যি ব্লাড প্রেসার নরমালের চেয়ে সামান্য নিচে। ভালমত খাওয়া-দাওয়া করতে হবে। ওকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিন। দিনকয় বিছানায় শুয়ে বিশ্রাম নিক।

    বেড রেস্টে থাকুক।

    নীলু বলল, বাবা পিপড়ারা কি ইংরেজীও জানে?

    দু একটা শব্দ জানে।

    ওরা কোন ভাষায় কথা বলে বাবা? বাংলা ভাষা?

    না ওদের ভাষা হচ্ছে পিপ-ভাষা। তোমরা কথা কিন্তু বেশি বলছ মা। এত কথা বললে গল্প বলব কখন।

    আর কথা বলব না বাবা তুমি গল্প শুরু কর।

    বড় আপা ঠিক করলেন পিপলীকে ছুটি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেবেন। সাতদিনের ছুটি। পড়াশোনার ক্ষতি হবে। কি আর করা! বাড়তি ক্লাস নিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে দিতে হবে। তাছাড়া রাণীমাকে খবরটা দিতে হবে। এতবড় ঘটনা রাণী মাকে না জানালে হবে না।

    নীলু বলল, ওদের রাজা-রাণী আছে?

    রাজা নেই, রাণী আছে। রাণীর ভয়ংকর ক্ষমতা। পিপড়াদের কারোর অতি সামান্য কিছু হলেও রাণীকে জানাতে হয়। কি কথা ছিল মা? বেশি প্রশ্ন করবে না। তুমি একের পর এক প্রশ্ন করেই যাচ্ছ। যাই হোক, তারপর কি হল শোন –বড় আপা বললেন, পিপলী, তোমার ব্যাপারটা তো রাণী-মাকে জানাতে হয়। আমি নিজেই গিয়ে জানাব। উনি কি করবেন তা তো জানি না। হয়ত তোমাকে ডেকে পাঠাবেন। তোমার কি কখনো রাণী-মা’র সঙ্গে দেখা হয়েছে?

    না।

    তাহলে রাণী-মা’র সঙ্গে কথা বলার নিয়ম-কানুন খুব ভাল করে শিখে রাখ। কথা বলবে খুব আদবের সঙ্গে। খুব জোরেও বলবে না, আবার ফিসফিস করেও বলবে না। মনে থাকবে?

    থাকবে।

    রাণী-মা’র বাড়ির চারপাশে লাল দাগ দেয়া। বৃত্তের মত। কখনো ভুলেও সেই লাল দাগের ভেতরে যাবে না। লাল দাগের ভেতরে যাওয়া মানেই মহাসর্বনাশ।

    কি সর্বনাশ?

    সারা জীবনের জন্যে নির্বাসনদণ্ড। পিপীলিকা সমাজে মৃত্যুদণ্ড নেই। মৃত্যুদণ্ড থাকলে, মৃত্যুদণ্ডই হত। খুব মনে রাখবে –লাল দাগ।

    পিপলী বলল, রাণী-মা দেখতে কেমন?

    জানি না কেমন। আমরা কেউ কখনো দেখিনি। কেউ দেখা করতে গেলে উনি প্রাসাদের জানালার সামনে এসে বসেন। সেই জানালায় পর্দা দেয়া। কেউ তাকে দেখতে পায় না। তাছাড়া জানালার দিকে তাকানোও এক ধরনের অসভ্যতা। তাকালেও নির্বাসনদণ্ড হতে পারে। অনেকের হয়েছে।

    এত কঠিন নিয়ম-কানুন কেন?

    কি আশ্চর্য! রাণী-মা’র নিয়ম-কানুন কঠিন হবে না? উনি কি আর তোমার আমার মত সাধারণ? ও আচ্ছা, বলতে ভুলে গেছি —রাণী-মা যদি কথায় কথায় কোন হাসির কথা বলেন, তাহলে হাসবে কিন্তু খুব শব্দ করে হাসবে না।

    শব্দ করে হাসলে কি হয়?

    অসভ্যতা হয়। উনার সামনে অসভ্যতা করা যায় না।

    উনি কি হাসির কথা বলেন?

    বলবেন না কেন? বলেন। একবার কি হল শোন –আমি রাণী-মা’র সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছি। উনি এমন এক হাসির গল্প বললেন যে আমার মরে যাবার মত অবস্থা। এত হাসি আসছে, হাসতেও পারছি না –হাসলে যদি বেয়াদবী হয়। রাণী-মা আমার অবস্থা বুঝতে পেরে বললেন, আচ্ছা এখন যাও। অন্য একদিন এসো। আমি ছুটি পেয়ে দৌড়ে রাস্তায় এসে হো হো করে হাসলাম।

    পিপলী বলল, রাণী-মা কি আমাকেও হাসির গল্প বলবেন?

    তা তো জানি না পিপলী। তোমার সঙ্গে উনি কি গল্প করবেন তা উনিই জানেন। তবে একটা কথা মনে রেখ –রাণীমা কোন প্রশ্ন করলে সত্যি জবাব দেবে। ভুলেও মিথ্যা বলবে না, কিংবা চুপ করে থাকবে না।

    জি আচ্ছা।

    আর রাণী-মা’র সঙ্গে কথা বলার আগে দুহাতে মাথা চেপে ধরে বলবে –হে পিপড়া সম্প্রদায়ের মহান রাণী। আপনার মঙ্গল হোক। কল্যাণ হোক। মনে থাকবে?

    থাকবে।

    আচ্ছা, এখন বাসায় চলে যাও। বাসায় গিয়ে তৈরি হয়ে থেকো। কে জানে তিনি হয়ত আজই তোমাকে ডাকবেন। তোমার ভয় করছে না তো আবার?

    একটু একটু করছে।

    তা ভয় তো করবেই। আমার এত বয়স হল –এখনো রাণী-মা’র কাছে যাওয়ার কথা উঠলে শরীর কাঁপতে থাকে। এই দেখ, আমার শুড় দু’টা কাঁপছে। দেখতে পাচ্ছ?

    পাচ্ছি।

    রাণী-মা’র সামনে গঁড় কাঁপানো আবার এক ধরনের অসভ্যতা। তবে তিনি কিছু মনে করেন না –এটাই ভরসা।

    বড় আপা রাণী-মা’র বাড়ির দিকে রওনা হলেন। পিপলী রওনা হল তার। বাড়ির দিকে।

    .

    পিপলীরা এক রুমের একটা ফ্ল্যাটে থাকে। সে, তার মা আর তার দাদীমা। দাদীমা’র অনেক বয়স হয়েছে। তিনি এখন চোখেও দেখেন না, কানেও খুব কম শুনেন। তবে কথা বলতে পারেন। দিনরাত বক বক করেন। কেউ তার কথা শুনছে কি শুনছে না তা নিয়ে তাঁর মাথাব্যথা নেই। কথা বলেই যাচ্ছেন, বলেই যাচ্ছেন। পিপলী রাতে দাদীমা’র সঙ্গে শোয়। মাঝে মাঝে দাদীমা তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে বলেন, একটা মজার ইতিহাস মনে হয়েছে রে পিপলী, শোন।

    আমার শুনতে ইচ্ছা করছে না দাদীমা।

    কি বললি?

    আমার শুনতে ইচ্ছা করছে না।

    কি বলছিস একটু চেঁচিয়ে বল না।

    চেঁচিয়েই তো বলছি। তুমি কানে শুনতে না পেলে কি করব? আমার ঘুম পাচ্ছে। গল্প শুনতে ইচ্ছা করছে না।

    বড়ই মজার ইতিহাস। একটু শোন লক্ষ্মী মেয়ে। তোর মত বয়সে আমি একবার হারিয়ে গিয়েছিলাম, বুঝলি? কি হল শোন। কদিন খুব বৃষ্টি হল। বৃষ্টিতে আমাদের ঘরবাড়ি সব পানিতে ডুবে গেল। রাণী-মা বললেন, এই বাড়িঘর ছেড়ে নতুন জায়গায় যেতে হবে। নতুন আবাস বানাতে হবে। বলে রাণী-মা খুব কাঁদতে লাগলেন।

    কোন রাণীমা? আমাদের এখনকার রাণী-মা?

    উঁহু, উনার আগের জন।

    রাণী হুকুম দিলেন –আমরা সব খাবার-দাবার নিয়ে তৈরি হলাম। রাণী মা’র কাছে বিদায় নিতে গেলাম। রাণী-মা চিৎকার করে কাঁদতে লাগলেন। আহা রে! কি কান্না! সেই কান্নার শব্দে পাষাণ গলে যায়। আমরাও খুব কাঁদলাম।

    পিপলী অবাক হয়ে বলল, রাণীমা কাঁদছিলেন কেন?

    রাণী-মা কাঁদছিলেন, কারণ, আমরা সবাই নতুন জায়গায় যাব –কিন্তু রাণী-মা যেতে পারবেন না।

    উনি যেতে পারবেন না কেন?

    রাণীদের বাড়ি ছেড়ে যাবার নিয়ম নেই। তাঁকে সেখানেই থাকতে হবে। বাড়িঘর পানিতে ডুবে গেলে তাঁকেও পানিতে ডুবে মরতে হবে। কাজেই আমরা রাণী-মাকে ফেলে রেখে কাঁদতে কাঁদতে রওনা হলাম। আহা, কি কষ্ট! যাবার পথে আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম। সে এক বিচিত্র ইতিহাস। শুনবি?

    বিচিত্র ইতিহাস শুনব না। তুমি ঐ রাণী-মা’র কথা বল।

    আহারে বড় ভাল রাণী ছিল। আমরা উনার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসবার সময়, তিনি আমাদের সবাইকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলেন।

    তোমাকেও চুমুদিলেন।

    হ্যা দিলেন। ভাল কথা আরেকটা মজার গল্প মনে হয়েছে। শুধু যে মজার তাই না, বিচিত্র ইতিহাস বলি?

    না। ঘুম পাচ্ছে।

    ছড়া শুনবি?

    না।

    বৃষ্টির ছড়া একটা শোন না। মজা লাগবে।

    আমার এখন বৃষ্টির ছড়া শুনতে ইচ্ছা করছে না, দাদীমা। ঘুমুতে ইচ্ছা করছে।

    ছড়া শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়। ছড়া শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়তে অনেক বেশি মজা। বৃষ্টি যখন অসি আসি করে তখন এই ছড়া সুর করে পড়তে হয়। এই ছড়া পড়লে বৃষ্টি আসে না —

    যা বৃষ্টি যা,
    যেখান থেকে এসেছিলি
    সেইখানেতে যা।
    সেইখানে তোর মা আছে
    মায়ের কাছে আদর আছে।
    যা বৃষ্টি যা।
    মায়ের কোলে বসে বসে
    মায়ের আদর খা।

    ⤷
    1 2 3
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনৌকাডুবি – চলিত ভাষার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article পেন্সিলে আঁকা পরী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }