Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤷

    রবিন হুড – ১

    এক

    দ্বিতীয় হেনরি যখন ইংল্যান্ডের রাজা, তখন ইংল্যান্ডের উত্তরে শুধু রাজাদের শিকারের জন্যে কতগুলি বন ছিল। অন্য কেউ বিনা হুকুমে এই বনে শিকার করলে তার প্রাণদণ্ড হত। বনে রক্ষকদের যিনি সর্দার থাকতেন, তাঁর ক্ষমতা কম ছিল না। তিনি জেলার প্রধান রাজকর্মচারী শেরিফ এবং প্রধান পাদরি বিশপের সঙ্গে ক্ষমতায় সমান ছিলেন।

    নটিংহাম শহরের কাছে সারউড বন এবং বার্নসডেল শহরের কাছে বার্নসডেল বন, এই দুটি বনই সকলের চেয়ে বড়। হিউ ফিটজুথ নামক এক ব্যক্তি স্ত্রী ও একমাত্র পুত্র রবার্টকে নিয়ে সেখানে বাস করতেন। তখন তিনিই এই বনের কর্তা ছিলেন।

    ১১৬০ খ্রিস্টাব্দে লকলি শহরে রবার্ট জন্মগ্রহণ করে। লকলি শহরে জন্ম হওয়ায়, অনেক সময় লোকে তাকে লকলি বলে ডাকত। রবের শরীরে যথেষ্ট শক্তি ছিল। সে দেখতেও বেশ সুশ্রী ছিল। রব ছোটবেলা থেকে বাবার সঙ্গে বনে-বনে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসত। ক্রমে একটু বড় হলে, সে তিরধনুক তৈরি করে, বনের রক্ষকদের মতো তির চালাতে আরম্ভ করল, এবং অতি অল্প দিনের মধ্যে বেশ নিপুণ তিরন্দাজ হয়ে উঠল।

    রব্ শীতকালে বাবার কাছে বসে কুখ্যাত দস্যুদলের গল্প শুনতে বড় ভালোবাসত। আবার বর্ষাকালে সে ঘরে বসে তার ধনুকের জন্য সুন্দর তির প্রস্তুত করে তাতে পালক বাঁধত।

    রবের মায়ের স্বভাব বড়ই কোমল ছিল। তিনি ভাবতেন রব বড় হয়ে রাজার দরবারে চাকরি করবে কিংবা পাদরি হবে। তাই ছেলেবেলা থেকে তার তিরধনুকের প্রতি এত আকর্ষণ দেখে তাঁর মনে কষ্ট হত। তিনি রবকে ভদ্রঘরের ছেলের উপযুক্ত সমস্ত শিক্ষাই দিয়েছিলেন, কিন্তু রবের কাছ তিরধনুকেরই বেশি আদর ছিল।

    নটিংহাম শহরের খুব কাছে গ্যামওয়েল লজে রবের কাকা থাকতেন। গ্যামওয়েল লজের কাছেই আরল অব হান্টিংডনের প্রাসাদ। রবের খুড়তুতো ভাই উইল এবং আরল অব হান্টিংডনের একমাত্র কন্যা ম্যারিয়ান, এই দুইজন রবের খেলার সাথী ছিল। কিন্তু এই আরলের সঙ্গে রবের বাবার বনিবনা ছিল না। শুনতে পাওয়া যায়, ম্যারিয়ানের বাবা নাকি রাজার সাহায্যে রবের বাবাকে তাড়িয়ে, আরল অব হান্টিংডন হয়েছিলেন। ম্যারিয়ান কিংবা রব এই শত্রুতা গ্রাহ্য করত না সবসময় এক সঙ্গে খেলা না করলে তাদের চলত না।

    নটিংহামের শেরিফ এবং হারফোর্ডের বিশপ এই দুইজন রবের বাবার শত্রু ছিলেন। আরল শেরিফ ও বিশপ তিন জনে পরামর্শ করে

    রবের বাবার নামে রাজার কানে অনেক কথা লাগালেন, এবং তার ফলে রবের বাবার কাজটি গেল।

    তখন শীতকাল। রবের বয়স সবেমাত্র উনিশ বছর। হঠাৎ একদিন সন্ধের পর, একজন নতুন লোক সর্দার হয়ে এসে তাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল। সঙ্গে-সঙ্গে শেরিফ মহাশয়ও রবের বাবাকে মিছিমিছি গ্রেপ্তার করে নটিংহামের জেলখানায় বন্দি করলেন। রব ও তার মা সে রাত্রে জেলখানাতেই থাকবার হুকুম পেলেন বটে, কিন্তু পরদিন সকালে খুব অভদ্রভাবে তাকে ও তার মাকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিল। তখন তাঁরা রবের কাকা স্কোয়ার জর্জের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিলেন।

    রবের মা’র শরীর আগে থেকে অসুস্থ থাকায় এই শীতের কষ্ট তাঁর সহ্য হল না। দু-মাস যেতে না যেতেই তার মৃত্যু হল। রবের দুঃখের সীমা থাকল না। শীতের পর বসন্ত আসতে না আসতেই তার বাবাও নটিংহামের জেলখানায় মারা গেলেন।

    এই দুর্ঘটনার পর দু-বছর কেটে গেল। রবের খুড়তুতো ভাই উইলকে তার বাবা স্কুলে পাঠিয়ে দিলেন। এদিকে রবের সঙ্গে ম্যারিয়ানের বন্ধুতার কথা জানতে পেরে, আরল অব হান্টিংডন ম্যারিয়ানকে রানি ইলিনরের সখীর কাজে নিযুক্ত করে দিলেন। ম্যারিয়ানও লন্ডন চলে গেলেন। রব বড়ই নিঃসহায় অবস্থায় পড়ল।

    স্কোয়ার জর্জ অবশ্য রবকে খুবই ভালোবাসতেন। কিন্তু সে মনের দুঃখে সর্বদা বনে-বনে ঘুরে বেড়াত। একদিন রব কাকা জর্জের সঙ্গে খেতে বসেছে, আহারাদির পর স্কোয়ার জর্জ বললেন, ‘বাবা রব! একটা খবর শুনেছ কি?’

    রব বলল,–’কী খবর কাকা?’

    স্কোয়ার জর্জ বললেন,—’ ‘নটিংহাম শহরে মেলা বসেছে। শেরিফ বলছেন যে, মেলায় তিরন্দাজদের একটা টুর্নামেন্টে খেলা হবে। সে টুর্নামেন্টে যারা ভালো তিরের খেলা দেখাতে পারবে রাজার বনে তাদের পাহারা দেওয়ার কাজ দেওয়া হবে। আর যে সবচেয়ে ভালো তির চালাবে, তাকে একটা সোনার তির পুরস্কার দেবেন। তুমি কেন যাও না বাবা? আর যদি পুরস্কারটা পাও, তবে না হয় তুমি যে মেয়েটিকে ভালোবাসো, তাকে সেটা দিও, কেমন?’ রব যে ম্যারিয়ানকে ভালোবাসে, সেটা স্কোয়ার জর্জ জানতেন।

    কাকার কথা শুনে রব একটু লজ্জিত হয়ে বলল, ‘কাকা! এ দারণ খবর, নিশ্চয়ই আমি যাব। রাজার বন পাহারা দেওয়ার কাজ যদি পাই তাহলে তো ভালোই, আমি তাই চাই। আমাকে যেতে দেবেন তো কাকা?’

    স্কোয়ার জর্জ বললেন,–’নিশ্চয়ই দেব বাবা! অবশ্য তোমার মা থাকলে কী বলতেন জানি না। কিন্তু আমি দেখছি, রাজার বন পাহারা দিতে পারলে তুমি বড় খুশি হবে। যাও বাবা! ভগবান তোমার ভালো করুন।’

    যুবক রব তার কাকাকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে, যাত্রার আয়োজন করতে গেল। ধনুকে নতুন গুণ পরিয়ে, বেছে, বেছে সোজা ডাল দিয়ে তিরগুলো বানিয়ে নিল।

    তারপর একদিন সকালে রব্ নটিংহাম যাত্রা করল। বনের মধ্য দিয়ে পথ, রবের মনে বড়ই ফূর্তি। শিষ দিয়ে গান করতে-করতে চলেছে। খানিক দূরে গিয়ে দেখতে পেল, একদল বনের পাহারাওয়ালা একটা ওক গাছের তলায় বসে মাংসের পিঠে খাচ্ছে। তাদের মধ্যে একজনকে দেখে রব চিনতে পারল। এই ব্যক্তিই বনের নতুন কর্তা হয়ে এসে তার বাবাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল।

    রব ভালোমন্দ কিছুই বলল না। সে আপন মনে চলে যেতে চাইল। কিন্তু দলপতি হঠাৎ রবকে দেখতে পেয়ে বলে উঠল,–’বাঃ, কী বাহাদুর বাচ্চা তিরন্দাজ রে! তোমার এই দু-আনা দামের ধনুক আর খেলনার মতো তির নিয়ে তুমি কোথায় যাচ্ছ হে ছোকরা? নটিংহামের মেলায় তির ছুড়তে যাচ্ছ বুঝি? হো হো হো হো।’

    সর্দারের ঠাট্টা শুনে রব রেগে গেল। বলল,–’কেন বাপু, এত ঠাট্টা কেন? তোমার ধনুকের চেয়ে কি আমার ধনুক খারাপ? আর তুমি কি মনে করো আমার চেয়ে ভালো তির চালাতে পারবে?’

    দলপতি ব্যাঙের সুরে বলল,–’তাই? আচ্ছা বাপু! তোমার বিদ্যেটা একটু দেখাও দেখি? আমি যেখানে বলব, ঠিক সেখানে যদি তোমার তির লাগাতে পারো, তাহলে তোমাকে কুড়িটা পেনি বকশিশ দেব! আর যদি না পারো, তাহলে তোমায় শাস্তি না দিয়ে ছাড়ব না।’ রব বলল, ‘আচ্ছা বেশ! বলো কোথায় তির লাগাব, যদি না পারি তাহলে আমার মাথা বাজি রইল।’

    ঠিক এই সময়ে প্রায় একশো গজ দূরে কতকগুলো হরিণ চরে বেড়াচ্ছিল। দলপতি মনে করল, এতদূরে রাজার হরিণগুলোর কোনও অনিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সে বলল,–’আচ্ছা! ওই দূরে যেখানে হরিণগুলো দেখছ যদি তার অর্ধেক পর্যন্তও তোমার তির চলে, তবে জানব তুমি বাহাদুর।’

    রব আর কথা বাড়াল না। ধনুকের গুণটি পরীক্ষা করে কান পর্যন্ত টেনে একটি তির ছেড়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে সর্বপ্রথম হরিণটি হঠাৎ শূন্যে লাফিয়ে উঠে, একেবারে সটান মাটিতে পড়ে ধড়ফড় করতে লাগল!

    এই অসম্ভব কাণ্ড দেখে সকলে একেবারে স্তম্ভিত। তখন দলপতি চেঁচিয়ে উঠল,–’জানো ছোকরা! তুমি কতদূর অন্যায় কাজ করেছ? রাজার হরিণ মারলে? এখন তোমার মাথা কাটা যাবে। যাও-যাও! শিগগির এখান থেকে সরে পড়ো, তোমার মুখ যেন আর দেখতে না পাই।’

    রবের রক্ত গরম হয়ে উঠল। ‘বটে, তোমার এমন নীচ স্বভাব? তা হবে না কেন, তোমাকে এখন আমি চিনতে পেরেছি। তুমিই তো আমার বাবার কাজটি কেড়ে নিয়ে, আমাদেরকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলে।’ এই কথা বলে সে তাড়াতাড়ি এগোল।

    দলপতি রেগে আগুন। সে তখনি ধনুক নিয়ে রবকে লক্ষ করে এক তির ছাড়ল। সৌভাগ্যবশত তির ছাড়বার সময় দলপতি হোঁচট খেয়েছিল বলেই রবের রক্ষা! তির তার কান ঘেঁষে এক গোছা চুল কেটে নিয়ে শনশন শব্দে চলে গেল।

    রব তক্ষুনি আক্রমণকারীর দিকে ফিরে বলল,—’আরে মশাই! মুখে শুধু বড়াই করলে কী হবে, আমার মতো তির চালাতে পারো না দেখছি। আচ্ছা দ্যাখো দেখি, আমার এ দু-আনার ধনুকের তির কেমন চলে?’

    বলতে না বলতে শনশন শব্দে রবের তির ছুটল এবং তক্ষুনি দলপতি বিকট চিৎকার করে মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল। আর নড়ল না!

    এতদিনে রব তার বাবার প্রতি অত্যাচারের প্রতিশোধ নিল বটে, কিন্তু সে এখন খুনের দায়ে পড়ল। বিশেষত রাজার কর্মচারীকে সে খুন করেছে! ধরা পড়লেই তার প্রাণদণ্ড নিশ্চিত।

    দলপতির অবস্থা দেখে অপর পাহারাওয়ালারা বিমূঢ়। তারা কর্তব্য স্থির করবার আগেই রব প্রাণপণে ছুটে বনের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে পড়ল।

    বনের একপাশে এক গরিব বিধবা স্ত্রীলোক থাকত। ছুটতে-ছুটতে ক্লান্ত হয়ে প্রায় সন্ধের সময় রব এই বৃদ্ধার কুটিরে এসে হাজির হল। বৃদ্ধার সঙ্গে রবের আগে থেকে পরিচয় ছিল কতবার সে রবকে আদর যত্ন করে খেতে দিয়েছে! তাকে এমন অবস্থায় ছুটে আসতে দেখে বৃদ্ধা বুঝতে পারল যে, সে বিপদগ্রস্ত। যা হোক যত্ন করে তাকে আহারাদি করালেন। রব একটু সুস্থির হয়ে বৃদ্ধাকে সব কথা বলল।

    রবের কথা শুনে বৃদ্ধা বলল,—’তাই তো বাবা! তোমার দেখছি ভারী বিপদ। আজকাল বড়লোকেরা গরিবের ওপর বড় অত্যাচার করে। এই দ্যাখো না, আমার ছেলে তিনটি এখন ডাকাত হয়ে পড়েছে। তাদের অপরাধ এই যে, খেতে পাই না দেখে, তারা একটা হরিণ মেরেছিল। কাজেই এখন তারা ডাকাত, বাড়ি-ঘর ছেড়ে বনে লুকিয়ে থাকে। তাদের কাছে শুনেছি, আরও নাকি চল্লিশজন লোক ডাকাত হয়ে এই বনে দলবেঁধে লুকিয়ে আছে।’

    রব বলল,—’বুড়ি মা, তারা কোথায় থাকে? আমি তাদের দলে মিশব।’

    বৃদ্ধা কিছুতেই রবকে সে কথা বলবে না, রবও ছাড়বে না। শেষে বৃদ্ধা বলল,—’—তুমি যদি আজ রাত্রে আমার বাড়িতে থাকো, তবে আমার ছেলেদের সঙ্গে তোমার দেখা হতে পারে। তারা আজ রাত্রে আমার কাছে আসবে।

    রব থেকে গেল। রাতে বৃদ্ধার তিনটি ছেলে এসে হাজির। তাদের সঙ্গে আলাপ পরিচয় করে রব বড়ই সন্তুষ্ট হল। রবের কাছ থেকে সব কথা শুনে, বিধবার ছেলে তিনটি যখন দেখল যে, রবের মনের ভাব তাদেরই মতো, তখন তাকে নিজেদের আড্ডার সন্ধান বলল, এবং প্রতিজ্ঞা করে নিল, সে কথা রব কাউকে বলবে না। আরও বলল,–’দ্যাখো রব! আমাদের দলের এখন একজন সর্দার চাই। তার বুদ্ধি-চোখ এবং হাত বেশ পাকা হবে। তাই আমরা মনে করেছি ডাকাত হয়েও শেরিফের টুর্নামেন্টে সকলকে হারিয়ে যে সেই সোনার তির পুরস্কার পাবে এবং ধরা পড়বে না, তাকেই আমরা সর্দার করব।’

    রব বলল,–’আচ্ছা! আমিও নটিংহামেই যাচ্ছিলাম, দেখি শেরিফ মহাশয়ের পুরস্কারটা পাই কি না।’

    রবের বয়স কম হলেও, তার তেজ ও উৎসাহ দেখে বৃদ্ধার ছেলেরা বলল,–’তুমি যদি শেরিফের সোনার তির জিতে আনতে পারো, তাহলে তোমাকেই আমাদের দলের সর্দার করব।’

    তখন সকলে মিলে পরামর্শ করল যে, রব ছদ্মবেশে নটিংহামে যাবে। রাজার লোককে খুন করেছে, এখন পোশাক পরিবর্তন না করে নটিংহামে গেলেই, শেরিফের লোক তাকে ধরে ফেলতে পারে।

    এদিকে নটিংহাম শহরে মেলা বসেছে। শেরিফ ঢ্যাঁড়া পিটিয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন, যে রবার্ট ফিটজুথ (রবের পুরো নাম) নামক ডাকাতকে ধরে দিতে পারবে, সে তিন হাজার টাকা পুরস্কার পাবে। মেলা লোকে পরিপূর্ণ। নানারূপ আমোদপ্রমোদেই সকলে ব্যস্ত, শেরিফের ঘোষণাপত্রের দিকে কারও মন নেই।

    শহরের চারদিকে প্রাচীর। শেরিফের লোক এবং বনের প্রহরীরা সতর্ক হয়ে দরজায় পাহারা দিচ্ছে। মাঝে-মাঝে শেরিফ নিজে এসে পুরস্কারের লোভ দেখিয়ে, অপরাধীকে গ্রেপ্তার করবার জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন। রবের বাবার প্রতি তার যে রাগ ছিল, তা এখন ছেলের ওপর পড়েছে।

    নটিংহামের মেলায় এই তির-খেলাটাই সকলের চাইতে জমকালো। বিকালবেলায় সোনার তির লাভ করবার জন্য কুড়িজন তিরন্দাজ এসে হাজির। তাদের মধ্যে একজন ভিখারিও ছিল। তার মুখখানি বড়ই বিমর্ষ, গায়ে নানা রং-এর কাপড় জড়ানো, হাতে ও মুখে ব্রাউন রং-এর ছাপ এবং মাথায় একটি হলদে রং-এর কপাল–ঢাকা টুপি (হুড)। তার অদ্ভুত চেহারা দেখে আর সে খোঁড়াতে-খোঁড়াতে আসছে দেখে সকলেই তাকে ঠাট্টা করতে লাগল।

    এই ভিখারিই আমাদের রব। সে খোঁড়া ভিখারি সেজে কখন যে শহরে ঢুকেছে, কেউ তা বুঝতে পারেনি। ভিখারির পাশেই একজন বলিষ্ঠ লোক দাঁড়িয়েছিল, তার একটি চোখে সবুজ কাপড় বাঁধা। তাকেও সকলে ঠাট্টা বিদ্রুপ করতে লাগল।

    টুর্নামেন্টের মাঠের চারধারে মাচা, তার ওপরে হাজার-হাজার লোক। সেই মাচার মাঝখানে শেরিফ মহাশয় তার মেয়েকে নিয়ে বসেছেন। শেরিফের আসনের একদিকে হারফোর্ডের বিশপ মহাশয় এবং অপর দিকে একটি সুন্দরী মহিলা। এই মহিলা রবের বাল্যকালের সাথী কুমারী ম্যারিয়ান। তিনি তার বাবা আর্ল অব হান্টিংডনের সঙ্গে টুর্নামেন্ট দেখতে এসে তারই পাশে চুপ করে বসে আছেন। ম্যারিয়ানকে দেখে রবের মন উৎসাহে নেচে উঠল।

    তারপর বিউগল বাজিয়ে সংকেত করামাত্র খেলা আরম্ভ হল। প্রথম টার্গেট ৪৫ গজ দূরে। টার্গেটের ঠিক মাঝখানে একটি কালো রঙের গোল দাগ, তার চারদিকে আর একটি গোল দাগ, আবার সেটাকেও ঘিরে আর একটি গোল দাগ। কুড়িজন তিরন্দাজের মধ্যে বারোজনের তির ভেতরকার দাগে বিঁধল। তার মধ্যে ভিখারির এবং সবুজ কাপড়ে এক চোখবাঁধা লোকটির তির অন্যদের চেয়ে ভেতরে পড়ল। দর্শকেরা সকলেই তাদের দুইজনকে খুব বাহবা দিল। তারপর টার্গেটটিকে ৬০ গজ দূরে রাখা হল। এবারে পাঁচজন তিরন্দাজের তির ভেতরের দাগে বিঁধল। ভিখারি ও চোখ-বাঁধা লোকটির তির, এবারেও অন্য তিনজনের চেয়ে ভেতরে পড়ল। ভিখারিকে দেখে আগের যারা ঠাট্টা করছিল, এখন তারাই আহ্লাদে চিৎকার করে উঠল। এইরকম অদ্ভুত ক্ষমতা দেখে অন্য তিরন্দাজদের মন দমে গেল এবং তারা আস্তে-আস্তে সরে পড়ল।

    চোখবাঁধা লোকটি যুবক রবের বাহাদুরি দেখে বলল,–’দ্যাখো ভাই! তোমার খাসা তিরের হাত, আমি হেরে গেলেও দুঃখ নেই। আমার নিশ্চয়ই বিশ্বাস, তুমি ওই দেমাকি লোক তিনটেকে হারিয়ে সোনার তির নিতে পারবে।’ এই সময় রবের চোখ হঠাৎ ম্যারিয়ানের ওপর পড়ল। ম্যারিয়ান অবশ্য তখনই মুখ ফিরিয়ে নিলেন, কিন্তু রবের মনে হল, যেন ম্যারিয়ান তাকে চিনেছে।

    এবারে টার্গেট অনেক দূরে। প্রথমবারে ভেতরের কালো দাগটি যত বড় দেখেছিল, এবারে সমস্ত টার্গেটই যেন ততটুকু। শেরিফ, আল এবং বিশপের তিরন্দাজ তিনজন খুব মনোযোগের সঙ্গেই তির ছুড়ল বটে, কিন্তু কারও তির ভেতরের দাগে লাগল না।

    তারপর রবের পালা। রব ভয়ে ভয়ে এসে দাঁড়াল। আকাশে মেঘ, তার ওপর আবার বাতাস, রবের ভাবনা হল, ‘না জানি কী হয়!’ এমন সময় ম্যারিয়ানের ওপর আবার তার দৃষ্টি পড়ল, ম্যারিয়ান একটু হাসলেন। রবের মনে হল, যেন ম্যারিয়ান তাকে সাহস দিচ্ছেন। তার মনে আবার উৎসাহ ফিরে আসল।

    ঠিক এই সময়ে বাতাসের জোর একটু কম হওয়ায় রব উৎসাহের সঙ্গে তির ছেড়ে দিল। তির শনশন শব্দে গিয়ে একেবারে লক্ষ্যের ঠিক মাঝখানে পড়ল। তখন সকলের কী আনন্দ! ‘ভিখারির জয়! ভিখারির জয়!’ চারদিকেই আনন্দধ্বনি!

    তারপর চোখ-বাঁধা লোকটির পালা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে বাতাসের গতিটার বড় খেয়াল করল না—তার তির ভেতরের দাগের বাইরে পড়ল। কিন্তু রব সোনার তির পাবে ভেবেই তার আনন্দ। রবকে বলল,—’দ্যাখো ভাই! আমি হেরেছি বলে কিছুই দুঃখ নেই।’ এই বলে সে হঠাৎ জনতার মধ্যে কোথায় যে মিশে গেল, তার কোনও দেখা পাওয়া গেল না।

    এরপর একজন লোক এসে পুরস্কার নেওয়ার জন্য রবকে শেরিফের কাছ নিয়ে গেল। শেরিফ রবকে লক্ষ করে বললেন,–’তোমার তো খুব ভালো তিরের হাত! তোমার নাম কী হে? রব বলল,—’আজ্ঞে হুজুর! লোকে আমাকে ‘ভ্রমণকারী রব’ বলে।’

    টুর্নামেন্টে যেসব মহিলা কৌতুক দেখতে আসেন, তাদের মধ্যে থেকে সে দিনের জন্য একজনকে রানি ঠিক করা হয়। শেরিফ প্রথম থেকে ভেবেছিলেন,—’তিরের খেলায় যে জিতবে সে তার মেয়েকেই রানি করবে। রবের হাতে সোনার তিরটি দিয়ে বললেন,–’এই তিরটি তোমাকে পুরস্কার দেওয়া হল, এখন এই মেয়েদের মধ্যে একজনকে রানি করো।’

    পাছে রব আর কারুকে রানি করে ফেলে, তাই পেছন দিক থেকে একজন এসে তার মুখ শেরিফের মেয়ের দিকে ফিরিয়ে দিল। কিন্তু রব তার সংকেত গ্রাহ্য করল না, সটান ম্যারিয়ানের সামনে গিয়ে সোনার তিরখানা তাকে দিয়ে তাকেই রানি করল।

    ম্যারিয়ান তার হাত থেকে তিরটি নিয়ে বললেন,–’হুড় পরা, রব। (Rob in the Hood) তোমাকে বহু ধন্যবাদ।’ এই বলে তিনি সোনার তিরটি মাথায় গুঁজে রাখলেন। চারদিক থেকে ‘ওই রানি! ওই রানি!’ বলে সবাই চিৎকার করে উঠল।

    শেরিফ আর সহ্য করতে না পেরে, ভিখারির ওপর নজর রাখবার জন্য প্রহরীদের বলে দিলেন। কিন্তু নজর রাখবে কী করে? ততক্ষণে সে জনতার মধ্যে কোথায় অদৃশ্য হয়ে পড়েছে।

    সেদিন সন্ধ্যার পর সারউড বনে একটি খোলা জায়গায়, চল্লিশজন দস্যু আগুনের চারদিকে বসে আহারান্তে গান করছিল, এমন সময় হঠাৎ রব সেখানে গিয়ে হাজির, তাকে শত্রু মনে করে সকলে লাফিয়ে উঠল। তখন রব বলল,–’ভাই, তোমরা ব্যস্ত হোয়ো না, আমি শত্রু নই। গরিব বিধবার ছেলে তিনটি এখানে থাকে, তাদের আমি খুঁজতে এসেছি।’

    বিধবার ছেলেরা রবকে চিনতে পেরে বলল,–আরে এ যে রব!’ এসো ভাই এসো, তুমি টুর্নামেন্টে জিতেছ আমরা সে খবর পেয়েছি। এখন বলো দেখি ভাই, মেলার খবর তোমার মুখে শুনি!’

    রব তখন হেসে বলল,—’সোনার তির তো পেয়েছি, শেরিফকেও নাকাল করতে কসুর করিনি। কিন্তু ভাই তির তো আমার কাছে নেই। বকশিশ পাওয়ার পর যাকে রানি করলাম তাকেই তিরটা দিয়ে দিয়েছি। রব দেখল, তার কথা যেন সকলে বিশ্বাস করল না। তখন আবার বলল, ‘আচ্ছা ভাই! তোমাদের দলেই তো থাকব বলে এসেছি, না হয় আমি একজন সামান্য তিরন্দাজ হয়েই থাকব।’

    রবের কথা শুনে দলের একজন লোক এগিয়ে এল। তাকে চিনতে রবের দেরি হল না, এ ব্যক্তি মেলার সেই এক চোখ বাঁধা তিরন্দাজ। সে রবকে বলল, ‘ভাই! তোমার বাহাদুরি আমি নিজের চোখে দেখে এসেছি। সোনার তির না-ই বা রইল তোমার কাছে, সেটা তো ভালো হাতেই পড়েছে। যাকে রানি করেছিলে, তিনি তোমাকে ‘রব ইন দি হুড’ নাম দিয়েছেন। তাই আমিও বলছি, ভাই রব ইন দি হুড়, আমার নাম উইল স্টাটলি, আমি তোমাকে ছাড়া আর কাকেও সর্দার বলে মানব না।’

    উইল স্টাটলিই দস্যুদলের মধ্যে সকলের শ্রেষ্ঠ তিরন্দাজ ছিল। তাকে রবের অধীন হতে দেখেই সকলের আহ্লাদের সীমা রইল না। তখন রবকে তারা ‘রবিন হুড’ নাম দিয়ে দলের সর্দার করে নিল। রবিন হুড প্রতিজ্ঞা করলেন যে, তিনি সবসময় তাদের নিয়মগুলি মেনে চলবেন। রবিন হুডকে একটি শিঙা দেওয়া হল; এই শিঙা তিনবার বাজালে, দস্যুদল যেখানেই থাকুক না কেন, তখনি এসে তার কাছে হাজির হবে।

    এইভাবে ‘রবিন হুড’ নাম ধরে রব দস্যুদলের দলপতি হয়ে রইলেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }