Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ওল্ড র‍্যামন – জ্যাক শেফার

    জ্যাক শেফার এক পাতা গল্প75 Mins Read0
    ⤷

    ওল্ড র‍্যামন – ১

    এক

    ‘ভেড়ার মতন বোকা প্রাণী আর নাই,’ বলল বুড়ো র‍্যামন।

    ‘কেউ না। একটাও না।’

    ‘কেন, মুরগির বাচ্চা?’ বলল ছেলেটি।

    ‘মুরগির বাচ্চা?’ বলল বুড়ো র‍্যামন। ‘হ্যাঁ। মুরগির ছানারাও বোকা। কিন্তু ওরা তো প্রাণী না। ওরা হচ্ছে পাখি।’

    ‘পাখিরাও প্রাণীদের মধ্যে পড়ে,’ বলল ছেলেটি।

    ‘তোমার কচি মাথায় এসব বোকামি বুদ্ধি কে ঢুকিয়েছে?’

    ‘আমার স্কুলের বইতে পড়েছি।’

    ‘বইতে।’ বুড়ো র‍্যামন পেছনে খাট জুনিপারের পাতলা ছাউনিতে আরেকটুখানি ঝুঁকে বসল। চোখ তার শিরা বেরনো হাত দুটোর ওপর। প্রাচীন আঙুলগুলোর ভোঁতা নখ পরীক্ষা করছে। তবে তাই হবে। কিন্তু ওইসব বইয়ের কথায় আমার বয়সী কোন লোকের কিছু আসে যায় না। তোমরা বই পড়ো, ওইসব তোমাদের জন্যে। তুমি যখন বড় হবে, দাদা হবে তখন এমন কিছু বলবে না কোন বাচ্চা ছেলে যার ভুল ধরিয়ে দিতে পারে।’

    ফি বছর দূর দূরান্ত থেকে ভেড়াদের চরিয়ে আনতে হয়। তাতে ওদের গায়ে মাংস লাগে, ভাল পশম জন্মায়। এ কাজেই চলেছে বুড়ো র‍্যামন আর ছেলেটি।

    মাথার ওপরে স্বচ্ছ নীল আকাশ। প্রথম গ্রীষ্মের সোনালী সূর্যচ্ছটা বিছিয়ে পড়ে রয়েছে প্রকাণ্ড প্রান্তরটিতে, সর্বত্র তাড়া করে বেড়াচ্ছে ছায়াদের, জুনিপার সারির নামমাত্র ডাল-পালার মধ্য দিয়ে প্রবেশ করছে চুইয়ে চুইয়ে। ঠায় বসে বুড়ো র‍্যামন, আনতমস্তক, জরিপ করছে চামড়া কুঁচকানো হাতজোড়া, এবং ছেলেটি লক্ষ করছে ওকে। চওড়া ব্রিমের মোচাকৃতি একটা প্রাচীন হ্যাট বুড়োর মাথায় দেখতে পাচ্ছে ও, চিবুকের নিচে একটা দড়ি দিয়ে বাঁধা, চওড়া, সমতল মুখের গভীর আয়ত চোখ দুটো এখন নিচের দিকে চেয়ে, কুঁচকানো চামড়া ঠেলে বেরিয়ে এসেছে গালের হনু, সুদূর অতীতের কোন আঘাতে বুঝিবা একপাশে কাত হয়ে গেছে বুড়োর মস্ত নাকটা, চ্যাপ্টা সুবিশাল মুখের একপাশে একটা তির্যক খাঁজ। বহু আগের কোন ছুরির কাটা দাগ।

    ‘ভেড়ার ব্যাপারে তুমিই আমার বই,’ বলল ছেলেটি।

    ফাটা নখের ভেতর থেকে ধীরেসুস্থে বালির কণা বের করছে বুড়ো র‍্যামন। ‘কিভাবে? এই বুড়া তো বই-ই পড়তে জানে না।’

    ‘তুমি যেভাবে আমার বাবার ভেড়া দেখাশোনা করো সেভাবে আর কেউ পারে না। তুমি ভেড়ার বাচ্চা হারাও না। তোমার পালের ভেড়া যেমন স্বাস্থ্যবান তেমনি পশমী। বাবা বলে সে নাকি ছোটবেলা থেকে এটা দেখে আসছে। সেই ‘যখন থেকে তুমি আমার দাদার ভেড়া দেখাশোনা করছ।’

    বুড়ো মাথা তুলল ঝট করে।

    ‘আমার মনিব বলে একথা?’

    ‘বলে। আমাকে বলেছে: ‘তুমি এ বছর র‍্যামনের সঙ্গে যাবে। খালি বই পড়ে কিছু শেখা যায়? র‍্যামনকে দেখে হাতেকলমে শিখবে। ওর সঙ্গে যত কথা বলবে তত বেশি জানতে পারবে।’

    দূরে সূর্যরশ্মি কেঁপে কেঁপে যাচ্ছে দেখতে পাচ্ছে র‍্যামন, চোখ চলে যাচ্ছে ওর সুদূরে সবুজ অরণ্য-পাহাড়ের পাদদেশে। নীরবে, প্রায় নিস্পন্দভাবে, ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ভেড়ার পালটি জিরিয়ে নিচ্ছে অন্যান্য জুনিপারের পাতলা ছায়ায়। কুকুর দুটো আরেক টুকরো ছায়া বেছে নিয়ে নীরবে হ্যা-হ্যা করছে জিভ বের করে। মালবাহী গর্দভটা নিঃসাড়ে মাঝেমধ্যে লেজ নাড়ছে আর ঢুলছে আরেকটা জুনিপারের আড়ালে।

    ‘কিছু বলো না শুনি,’ বলল ছেলেটি। ‘আমার কান কিন্তু খোলা আছে।’

    দশ-এগারো বছর বয়সী ছেলেটির দিকে চাইল বুড়ো র‍্যামন। বুড়ো মুখটার বোম্বেটে, দুর্বৃত্তসুলভ কঠোর দাগগুলো এমুহূর্তে নরম হলো কিছুটা।

    ‘আর কোন জানোয়ার, অবশ্যই মুরগির বাচ্চা ছাড়া, ভেড়ার মতন এমন গাধা না।’ নিচু ডালগুলোয় হেলান দিয়ে বসল ও, চোখ বুজে গেছে, যেন বা মনের মধ্যে হাতড়াচ্ছে উপযুক্ত শব্দ। ‘ভেড়ার মতন। ভেড়ার পালের মতন না। পালও বোকা তবে অতটা না। ভেড়া, একটা ভেড়া, মানুষের কাটা আঙুলের মতন। আঙুলটার তখন আর দাম নাই। কিন্তু মানুষের অংশ হিসাবে দাম আছে। ভেড়ার ক্ষেত্রেও তাই। একটা ভেড়া একটা দলের অংশ ছাড়া আর কিছু না দলের কথা সর্বক্ষণ মাথায় রাখতে হবে তোমাকে। এই ভেড়াটা অথবা ওই ভেড়াটা না পুরা দলটা…যারা বই লেখে তাদের মতন করে তোমাকে বলতে পারছি না। কিন্তু ব্যাপারটা এইরকমই…একটা ভেড়া চিন্তা-ভাবনা করে না। সে এইটা করে ওইটা করে এবং তার কোন অর্থ থাকে না। কিন্তু দল চিন্তা করে। আর দল যা চিন্তা করে দলের প্রত্যেকটা ভেড়া সঙ্গে সঙ্গে এবং একসঙ্গে সেটা জানতে পারে। অদ্ভুত হলেও এটাই সত্য…’

    অলস মুহূর্তগুলো গড়িয়ে গড়িয়ে চলেছে, তেমনি হেলান দিয়ে নিশ্চুপ বসে বুড়ো র‍্যামন, পাশের ছায়াটায় পা গুটিয়ে বসা ছেলেটি। বুড়ো র‍্যামন খাট জুনিপারে পিঠের চাপ দিয়ে হঠাৎ উঠে দাঁড়াল। ‘দেখেছ? দলটা নড়াচড়া করছে। এই ভেড়াটা বা ওই ভেড়াটা না। পুরা দলটা। সব কয়টা এক সাথে। ওরা জানে দিনের সবচাইতে গরম সময়টা কেটে গেছে। দল এখন নড়ে চড়ে খাবার খোঁজার কথা ভাবছে। দেখতে পাচ্ছ, দলটা নিজেই কেমন একটা আকার নিচ্ছে?…ওই যে সবার সামনে থেরেসা, অন্যরা ওর পিছে পিছে। গত বছরও আমার সঙ্গে ছিল এবারও আছে কারণ ওকে সবাই মেনে চলে…ওই যে ওদিকে জুয়ানিটাকে অনুসরণ করছে অন্যরা। ওই পাশের ওইটা হচ্ছে মারিয়া, ওকেও নেতা মানে অনেকে। কিন্তু লক্ষ্য করো, সবাই কিন্তু ওরা একই দিকে যাচ্ছে। দলের দিকে…আমরা বেরিয়েছি মাত্র একদিন হলো অথচ এরইমধ্যে দলটা আকার পেতে লেগেছে। প্রতিটা ভেড়াই এখন নিজের জায়গা চেনে। আর এখন থেকে সবসময় এইরকমই হতে থাকবে। যারা আগে আছে তারাই আগে থাকবে। যারা পিছে আছে পিছেই থাকবে। আর সেইটাই ভাল। এখন যে অবস্থা, এর কোন উল্টাপাল্টা দেখলে বুঝতে হবে কোথাও কোন গোলমাল আছে, তখন সেটা খুঁজে বের করে মেটাতে হবে।

    জীর্ণ লাঠিটা তুলে নিয়ে ওটায় ভর দিয়ে দাঁড়াল বুড়ো র‍্যামন, ভেড়ার পালটার ধীর গতি নড়াচড়া লক্ষ করছে। ছেলেটি তার পাশে দাঁড়ানো। ভেড়াদের মৃদু ব্যা ব্যা শব্দ কানে আসছে ওদের, মাদী- ভেড়ারা তাদের তিন মাসের বাচ্চাদের কাছে ডাকছে, ছানাগুলো জীবনের প্রাণপ্রাচুর্যের আনন্দে পাল্টা আওয়াজ করছে, নড়ছে চড়ছে, এক কথায় সামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে গোটা দলটার। ছায়ার ফালিতে কুকুর দুটো নিথর পড়ে থাকলেও মাথা তোলা। চলমান ভেড়াদের পর্যবেক্ষণ করছে কমবয়সী কালো কুকুরটা। বুড়ো বাদামী কুকুরটা নিরীখ করছে বুড়ো র‍্যামনকে।

    ‘আমি বুঝি না,’ বলল ছেলেটি, ‘তুমি কোন্‌টা কোন্ ভেড়া চেনো কিভাবে?’

    বিস্ময়ে খানিকটা সিধে হলো র‍্যামন।

    ‘কারণ সবগুলাই যে আলাদা।’

    ‘আমি তো দেখছি একই রকম। একটা আরেকটার মত। বাচ্চাগুলোর সবে লোম গজাচ্ছে, ওগুলো ছোট আর বেশি ছটফটে। কিন্তু বুড়োগুলো তো সব একই রকম।’

    ‘এক রকম?’ বলল বুড়ো র‍্যামন। কিন্তু ওরা ঠিক- ঠিক মানুষের মতনই আলাদা। না। মানুষের মধ্যে তফাত বেশি অবশ্য ভেড়াদেরও তফাত আছে। আগে কখনও এইটা ভেবে দেখি নাই তবে ব্যাপারটা এমনই। ভাল মেষপালক ভেড়াদের সঙ্গে কয়েকদিন থাকলেই সবগুলাকে আলাদা করে চিনে নিতে পারে, তার কুকুরও পারে। আমি ঠিক ঠিক জানি না কারণ আগে কখনও এইটা মাথায় আসে নাই কিন্তু আমার মনে হয় এইটা একটা ভেড়ার কোন একটামাত্র ব্যাপার না। ভেড়াটার সবটা মিলিয়ে ব্যাপারটা ঘটে। ওইটার আকার, গায়ে কতখানি মাংস, কিভাবে হাঁটে, লোম জন্মায় কিভাবে, কানের গড়ন, লেজের মাপ, তাকায় কেমনে, খানা খায় কিভাবে। কোন একটা ব্যাপার না কিন্তু সবটা মিলিয়ে ওইটাকে চিনতে হয়। র‍্যামন আর কয়দিনের মধ্যে প্রত্যেকটাকে আলাদা করে চিনে নিবে। ব্যাপারটা তোমার কাছে নতুন। কিন্তু পাহাড়ে পৌঁছানোর পর দেখবে দলের অনেকগুলিকে চিনে ফেলেছ তুমি।’

    ওরা দু’জন পালটাকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে এসময় কালো কুকুরটা উঠে এক ছুটে এসে ছেলেটির গায়ে নাক ঘষতে শুরু করল। বুড়ো বাদামীটা জায়গা ছেড়ে নড়েনি, মাথা তুলে তখনও বুড়ো র‍্যামনকে দেখছে-

    ‘দেখেছ? দলটা মনে করছে দক্ষিণে জমি যেখানে হন্ডো অ্যারোয়োতে মিশেছে ওখানকার ঘাস উত্তম হবে। ওরা ঠিকই ভেবেছে। কিন্তু ওইটা প্রাইভেট রেঞ্জ। আমরা যে পাহাড়ে যাচ্ছি সেখানেও ভাল ঘাস আছে, অনেক সপ্তাহের খোরাক। আমাদেরকে পশ্চিমে যেতে হবে। কিন্তু সত্যিকারের পশ্চিমে না। র‍্যামন আর পেদ্রোর পক্ষেও ভেড়ার পাল নিয়ে সূর্যের চোখে যাত্রা করা সম্ভব না। দক্ষিণ-পশ্চিমে যাব আমরা। তারপর পাহাড়ের আড়ালে সূর্য ডুবে গেলে রাতের জন্যে রওনা হব ওজো ফ্রিয়োর দিকে।’

    বুড়ো কুকুরটার দিকে চেয়ে মাথা নাড়ল র‍্যামন। ওটা চকিতে উঠে পড়ে ধাওয়া লাগাল ভেড়াদের। কালো কুকুরটা চেয়ে চেয়ে দেখল উৎসাহ-উদ্বেগ নিয়ে লাফিয়ে সামনে এগোচ্ছে বাদামী কুকুরটা, সামনে পিছনে বারেবারে ছোটাছুটি করে তাড়া লাগাচ্ছে ভেড়ার পালটাকে। এবার দলটার ঠিক পিছনটায় থমকে দাঁড়িয়ে পিছু ফিরে চাইল। বুড়ো র‍্যামন বাঁ হাতটাকে কাঁধ অবধি তুলে সহসা সামনে ঝটকা মেরে চওড়া করে ঘুরাল, দক্ষিণ-পশ্চিম নির্দেশ করল আসলে। বাদামী কুকুরটা এক ছুটে দলের বাঁ পাশে গিয়ে দলনেত্রীদের পাশে থেমে পড়ল, তারপর কাঁধ দিয়ে আলতো গুঁড়ো মারতে লাগল ওদের পাঁজরে, দক্ষিণে যেতে তাগাদা দিচ্ছে। ওর দেখাদেখি কালো কুকুরটাও তাড়া দিতে লাগল ভেড়াগুলোকে, গুঁতো মারছে, ঘেউ ঘেউ করছে গলা ফাটিয়ে।

    লাঠিতে আরেকটু ঝোঁক দিল বুড়ো র‍্যামন।

    ‘আস্তে আস্তে, বিড়বিড় করছে। ‘আই, ওই স্যাঞ্চো। পেদ্রোকে দেখে কি কিছু শিখবে না?…এবার…যথেষ্ট হয়েছে। বুড়ো র‍্যামন মুখে দু’আঙুল পুরে শিস বাজাল। বাদামী কুকুরটা থেমে ঘুরে চাইল

    বুড়ো র‍্যামন ডান হাতটা সোজাসুজি মাথার ওপর তুলে দলটা এখন যেদিকে যাচ্ছে সেদিকটা নির্দেশ করল। বাদামী কুকুরটা দৌড়ে সামনে দলের ডান ধারে চলে গেল। কালো কুকুরটা ওটার পিছু নিল। বাদামীটা ঘুরে কালোটার উদ্দেশে দাঁত খিঁচাল, এবং কালোটা অপ্রস্তুত হয়ে পিছু হটে বাঁয়ে সরে গেল। দুটো কুকুরকে দু’পাশে নিয়ে দলটা ধীরেসুস্থে এগিয়ে চলল দক্ষিণ পশ্চিম লক্ষ্য করে।

    গর্দভটার লীড রোপ ধরতে ছেলেটিকে এবার ইশারা করল বুড়ো র‍্যামন।

    ‘আমরা এখন পিছে পিছে যাব। দলটা এখন ভাবছে ওরা যেইদিকে যেতে চেয়েছিল আমরা সেইদিকেই ওদেরকে তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু ওরা খুব আস্তে ধীরে যাবে। ঠিকই আছে, কারণ রাস্তা থেকে খাবার জোগাড় করতে হবে তো, কিন্তু এরা বেশি আস্তে যাচ্ছে। চারদিন, হয়তো পাঁচদিন আমাদেরকে তাড়া লাগিয়ে যেতে হবে। হালকাভাবে। মোলায়েমভাবে। কোন দলকে তাড়িয়ে নিতে নাই, দরকার ছাড়া ছোটাতে নাই। এইটা গরুর বা ঘোড়ার দলের মতন না। তাড়িয়ে নিলে ভাল খাবার পেলেও চরতে পারে না ওরা, ফলে গায়ে শুকিয়ে যায়। কিন্তু আস্তে ধীরে তাড়িয়ে নিলে ওরা মনে করে আমরা ওদের ইচ্ছাতেই চলছি। জোর্নাডা সেকা, মানে ওই শুকনা জায়গাটা পার না হওয়া পর্যন্ত পিছন থেকে হালকা তাড়া দিয়ে যাব আমরা। ওইটা পার হলে পর সামনে চলে যাব। দলটা বুঝবে সামনেই ভাল জমি আছে, তাই তাড়াহুড়া করবে নিজেরাই। হয়তো পাহাড়ী ঘাসের গন্ধ পেয়ে যাবে ওরা। থেরেসা, জুয়ানিটা আর মারিয়ার যদি গত বছরের কথা মনে থাকে তো সেইটা বাকি দলও একই সঙ্গে জেনে যাবে। কিন্তু খাবার নাই তাও যদি তাড়াহুড়া করে তখন সামনে গিয়ে ঠেকাতে হবে আমাদের…’

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Next Article আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Our Picks

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }