Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤷

    খোলস – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ছোটো গল্প (ডার্ক ফ্যান্টাসি থ্রিলার)

    জায়গাটার আসল নামটা বলা ঠিক হবে না। ধরুন তামাবাড়ি…. তামাবাড়ি ফরেস্ট। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরে সরু একচিলতে জায়গা। ম্যাপের দিকে তাকালে মনে হয়, একদিক থেকে ভুটান আর অন্যদিক থেকে বাঙলাদেশ দুই আঙুলের চিমটিতে তামাবাড়িকে ধরে রেখেছে। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হেঁটে গেলে ভালো করে বোঝাও যায় না কখন কোন্ দেশের মাটির ওপর দিয়ে যাচ্ছি।

    সীমানা বলে তো কিছু নেই। মাটির রং এক নদী-নালা – গাছপালার চেহারা এক। সর্বোপরি মানুষগুলোর পোশাক-আশাক, চেহারা, খাদ্যাখাদ্য সবই এক।

    ভারতীয় হোক, ভুটানিজ হোক কিংবা বাংলাদেশি, সকলেরই চেহারায় মঙ্গোলয়েড লক্ষণ স্পষ্ট। সরু চোখ, চ্যাপটা নাক, হলদেটে গায়ের চামড়া। মেয়েরা লুঙ্গির মতো করে শাড়ি পরে আর ছেলেরা চাপা পাজামা, না হলে হাফপ্যান্ট। হিন্দু, ইসলাম, বৌদ্ধ, খৃস্টান ওসব ধর্ম তামাবাড়িতে চলে না। ওখানে সবাই আদিম পৌত্তলিক। একেক উপজাতি একেক ধরনের প্রাণী বা বৃক্ষের উপাসনা করে, যাকে নৃতত্ত্বের পরিভাষায় বলা হয় ‘টোটেম’। কারুর টোটেম চিতাবাঘ, কারুর টোটেম শালগাছ— এইরকম।

    নেশার প্রকোপ অত্যন্ত বেশি। সংস্কার খুবই ঢিলাঢালা। সন্ধের পর থেকে কাউকেই প্রকৃতিস্থ অবস্থায় পাওয়া যায় না— সে ছেলেই হোক কিংবা মেয়ে। আর রাতে একটি মেয়েকে যে শুধু তার স্বামী কিংবা বয়ফ্রেন্ডের বিছানাতেই দেখতে পাওয়া যাবে এমনও কোনো কথা নেই। সে মেয়ের যাকে পছন্দ তার সঙ্গেই শোবে।

    তামাবাড়ি সম্বন্ধে আমার এত কিছু জানার কথা ছিল না, বিশেষত এ-কাহিনি যখনকার, অর্থাৎ আজ থেকে কুড়ি বছর আগে। জেনেছিলাম যে, তার কারণ আমার প্রাণের বন্ধু তরুণ সামন্তর পোস্টিং হয়েছিল ওখানে, ওই তামাবাড়িতে।

    তরুণ আমার কলেজের বন্ধু। আমাদের দু-জনেরই অরিজিনাল বাড়ি মেদিনীপুরে। সূর্য সেন স্ট্রিটে একই মেসবাড়িতে দু-জনেই থাকতাম। ফলে বন্ধুত্বটা ছিল একেবারে যাকে বলে প্রাণের বন্ধুত্ব। কলেজ থেকে পাস করে বেরোনোর পর দু-জনেই একটা বছর জান লড়িয়ে চাকরির পরীক্ষার প্রিপারেশন নিয়েছিলাম। তারই ফলশ্রুতি, এক বছরের মাথায় তরুণ চাকরি পেয়ে গেল ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিসে আর আমি ব্যাঙ্কে। মজার ব্যাপার, দু-জনেরই প্রথম পোস্টিংও হল উত্তরবঙ্গে। তবে আমার পোস্টিং হল জলপাইগুড়ির কাছে বেলাকোবার, যেটা মোটামুটি বড়ো শহর আর তরুণের পোস্টিং হল এতক্ষণ যে জায়গার কথা বলছি সেই তামাবাড়ি বিট অফিসে।

    দু-হাজার পাঁচ সালের কথা বলছি। মোবাইল ফোন তখন চালু হয়ে গেলেও তামাবাড়িতে টাওয়ার পৌঁছতে তখনও অনেক দেরি। তরুণের ভরসা ছিল বিট অফিসের ল্যান্ডলাইন।

    আমাদের মধ্যে সপ্তাহে একবার অন্তত ফোনে কথা হল। ওর কথা থেকে বুঝতাম ভয়ংকর ডিপ্রেসনে ভুগছে। খালি বলত, “আর পারছি নারে বুদ্ধ। চারপাশের মানুষগুলোর সঙ্গে এত ভাষার ব্যবধান, কালচারের ব্যবধান কথাই বলতে পারি না। দিনের পর দিন কথা না বলে কেউ থাকতে পারে, বল। তার ওপরে পরিবেশটাও কেমন যেন। যেন জোম্বিদের দেশ। সূর্য অস্ত যাওয়ার পরে রাস্তাঘাটে যাকেই দেখবি মনে হবে একটা মৃতদেহ। দৃষ্টিহীন চোখে তোর পাশ দিয়ে চলে যাবে, ফিরেও তাকাব না।”

    ওর মনোবল বাড়ানোর জন্যে বলতাম, “তিনটে বছর একটু দাঁতে দাঁত দিয়ে কাটিয়ে দে ভাই। দেখবি পরের পোস্টিংটাই ভদ্রস্থ জায়গায় হবে। এসব চাকরির নিয়মই তাই। তখন বাংলো, গাড়ি, লোকলস্কর আর সুন্দরী বউ নিয়ে সাহেবের মতো জীবন কাটাবি।”

    ও আমাকে তুমুল খিস্তি দিত। বলত, “তবু একবার আসতে পারছিস না এখানে? দুটো দিন কাটিয়ে যেতে পারছিস না আমার সঙ্গে। অথচ মাত্র আশি কিলোমিটার দুরে রয়েছিস।”

    ওকে বোঝাতে যেতাম, “আমারও তো নতুন চাকরি, তরুণ। পুরো ব্র্যাঞ্চের কাজ সিনিয়ররা আমার ঘাড়ে ফেলে দিয়েছে। বিশ্বাস কর, রবিবারেও অফিসে বসে….।” কথা শেষ করতে না দিয়েই ও ফোন কেটে দিত।

    কিন্তু দু-হাজার পাঁচের মে মাসে এমন একটা ঘটনা ঘটল যে, আমাকে ছুটে যেতেই হল তামাবাড়ি।

    *****

    ফোনটা এসেছিল বিকেলের দিকে, আমার মোবাইলেই। নম্বরটা তামাবাড়ি বিট অফিসের। ন্যাচরালি ভেবেছিলাম তরুণের ফোন। কিন্তু না। ফোন করেছিল তরুণের অধস্তন এক ফরেস্ট-গার্ড। তাঁর নাম ভুলে গেছি। পদবী ছিল গুরুং। যা-ই হোক, সেই গুরুং মহা উত্তেজিত হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করল, সামন্তসাহেব আমার এখানে মানে বেলাকোবায় এসে উঠেছেন কী না।

    আমি বললাম, “কই না তো। আসার তো কোনো কথাও ছিল না। কেন, কী হয়েছে?”

    “বারো ঘণ্টা হয়ে গেল, উনি নিখোঁজ। ওনাকে আশেপাশে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”

    একটু বিরক্ত হয়েই বললাম, “আপনাদের ডিপার্টমেন্টকে জানিয়েছেন? একজন অফিসারকে খুঁজে পাওয়া না গেলে তাদেরই তো প্রথম স্টেপ নেওয়ার কথা।”

    গুরুং কাঁদোকাঁদো গলায় বলল, “জানিয়েছি স্যার। কিন্তু ওদের আসতে দেরি হবে। এখন টাইগার সেন্সাস চলছে। কোনো স্টাফ ফাঁকা নেই। তাছাড়া ওনারা ব্যাপারটায় গুরুত্বও দিচ্ছেন না। ভাবছেন, সামন্তসাহেব কোথাও ফূর্তি করতে গেছেন। আবার নিজে থেকেই ফিরে আসবেন। কিন্তু স্যার…।”

    “কিন্তু কী? বলুন।”

    “স্যার, সামন্তসাহেবের থাকার ঘরের টেবিলে পেপারওয়েটের নীচে একটা কাগজ চাপা দিয়ে রাখা আছে। কী লেখা আছে বুঝতে পারছি না, কারণ লেখাগুলো বাংলায়। কুড ইট… কুড ইট বি আ সুইসাইড নোট?”

    গুরুংয়ের কথা শুনে আমি সত্যিকারেই কেঁপে উঠলাম। তরুণ কী আত্মহত্যার মতো একটা চূড়ান্ত বোকামির কাজ করে বসতে পারে? ওখানে না গেলে বোঝা যাবে না। গুরুংকে বললাম, “আমি কাল সকালেই রওনা দিচ্ছি। পিপিং অবধি রাস্তা আমি চিনি। তুমি ঠিক দুপুর দুটোর সময় ওখানে একজন লোক রেখ, যে আমাকে বাকি পথটা রাস্তা চিনিয়ে নিয়ে যাবে।”

    ও বলল, “কাকে আর রাখব? আমি নিজেই থাকব।” পরদিন ভোরে বেলাকোবা থেকে বাস ধরে জয়ন্তী গেলাম। জয়ন্তী থেকে একটা পথচলতি পিডব্লিউডির জিপকে হাতে-পায়ে ধরে ডুয়ার্সের গহন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পৌঁছলাম হাতিবাড়ি। সেখান থেকে আবার খরস্রোতা রায়ডাক নদীকে ডানপাশে রেখে, প্রায় তিনঘণ্টা দমতোড় চড়াই ভেঙে পৌঁছলাম পিপিং।

    ভুটান আর পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে অবস্থিত পিপিং কুড়ি বছর আগে ছিল একটা নির্জন পাহাড়ি গ্রাম। পিপিং নদীর ব্রিজ পেরিয়ে গ্রামে ঢুকবার মুখে দুটি মাত্র দোকান, একটি শুয়োরের মাংসের, অন্যটি দেশি মদের।

    দেশি মদের দোকানটার সামনে কাঠের বেঞ্চিতে সবুজ রঙের দেশি আরকের একটা বোতল হাতের মুঠোয় ধরে যে নেপালি ছেলেটি বসেছিল, গায়ে যার ফরেস্ট-ডিপার্টমেন্টের জলপাই রঙের উর্দি, সে আমাকে দেখেই লাফিয়ে উঠে স্যালুট করল। বোতলটা লুকিয়ে ফেলল কিটব্যাগের মধ্যে। সেই গুরুং।

    আমরা ব্রিজ পেরিয়ে ভুটানের দিকে না গিয়ে নদীর তীর ধরে ক্রমশ গভীর বনের মধ্যে ঢুকে পড়ছিলাম। হাঁটতে-হাঁটতে টুকটাক গল্প করছিলাম গুরুংয়ের সঙ্গে। একটা জিনিস বুঝতে পারছিলাম— ছেলেটা নেশাখোর হতে পারে, কিন্তু তরুণের প্রতি ওর ভালোবাসায় কোনো খাদ নেই।

    জানবার চেষ্টা করছিলাম ওদের চাকুরিস্থলের হালচাল কেমন। ও তরুণের কথাগুলোরই পুনরাবৃত্তি করল। বলল, “জঙ্গলের জানোয়ার নিয়ে কোনো প্রবলেম নেই স্যার। মানুষগুলোকে নিয়েই প্রবলেম। অদ্ভুত মানুষজন। এখনও নরবলি দেয়, জানেন?”

    চমকে উঠলাম, “বল কী!”

    “হ্যাঁ স্যার। অন্য উপজাতির লোককে একলা পেলে ধরে এনে নিজেদের টোটেমের সামনে বলি দিয়ে দেবে। বেশ কটা এরকম কেস হয়েছে। এত রিমোট জায়গা, পুলিশ-মিলিটারিও আসতে চায় না। তাহলে আর কে ওদের আটকাবে?”

    মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, “তরুণকে যদি একা পায় … “ গুরুং হা হা করে উঠল। বলল, “ওই ভয়টা নেই স্যার। আমরা বাইরের লোক। আমাদের ভাষা আলাদা, আমাদের চামড়ার রং আলাদা, তাই আমরা ওদের চোখে অপবিত্র। অপবিত্র জিনিস ওরা ঠাকুরের ভোগে দেবে না।”

    কিছুটা নিশ্চিন্ত হলাম।

    *****

    মাত্র তিনটি কাঠের ঘর নিয়ে তামাবাড়ি বিট অফিস গঠিত। মাঝের বড়ো ঘরটি অফিস ঘর। দলিল-দস্তাবেজ ছাড়াও ওই ঘরেই সরকারি রাইফেল, হাতি তাড়ানোর পটকা, চিতা ধরার জাল, এইসব রাখা আছে। ভেতরে লোক না থাকলে ঘরটায় ওরা তালা দিয়ে রাখে।

    ওই বড়ো ঘরটার দু-পাশে সমকোণে আরও দুটো কাঠের ঘর। একটায় থাকে দু-জন ফরেস্ট গার্ড। একজন তো গুরুং। অন্যজনের নাম গনেশ। গনেশের সঙ্গে ওখানে পৌঁছে দেখা হল। দেখে মনে হল বয়স সত্তর ছাড়িয়ে গেছে। মাথার সব চুল সাদা, চোখে পুরু কাচের চশমা। বয়সের ভারে একটু কুঁজোও হয়ে গেছে। কী করে এখনও চাকরি করছে কে জানে। অন্য ঘরটা বিট অফিসারের থাকবার ঘর, যেটায় এখন তরুণ থাকে।

    পিঠের ব্যাকপ্যাকটা নামিয়ে রেখেই গুরুংকে বললাম, “কই, তরুণ কী চিঠি লিখে গেছে দেখাও।”

    “আসুন স্যার।” বিট অফিসারের ঘরের দরজাতেও একটা ছোটো তালা ঝুলছিল। তালা খুলে ও আমাকে ঘরটার মধ্যে ডাকল। জানলাগুলো খুলে দিল। তারপর বলল, “ঠিক যেভাবে উনি রেখে গেছেন, সেইভাবেই রেখে দিয়েছি। হাত ছোঁয়াইনি। ওই যে, টেবিলের ওপরে।”

    টেবিলের ওপরে খাতা থেকে ছিঁড়ে নেওয়া একটা রুলটানা ফুলস্ক্যাপ পাতা, দু-দিকে দুটো নুড়ির টুকরো দিয়ে চাপা দিয়ে রাখা ছিল। ঝুঁকে পড়ে দেখলাম, লেখা আছে—

    “বুদ্ধ, এটা জানি যে, তুই আসার আগে অবধি কেউ এই লেখা পড়তে পারবে না, কারণ, গুরুং বাংলা পড়তে পারে না আর গনেশ বাঙলা, ইংরিজি, হিন্দি কিছুই পড়তে পারে না।

    গুরুং এবং গনেশ দু-জনেই প্রতিদিনের মতো নেশা করতে গ্রামে গেছে। যখন ফিরবে তখন ওরা সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারবে না, আমার সঙ্গে কোথাও যাওয়া তো দূরের কথা। কিন্তু আমাকে এখনই বেরোতে হবে। একটা আশ্চর্য পোকাকে দেখতে পেয়েছি। সেটাকেই ফলো সেটাকেই ফলো করছি। যদি সেই বিশাল পোকাটার একটা ছবি অন্তত তুলতে পারি, তাহলেও এক নতুন প্রজাতির পতঙ্গের আবিষ্কারক হিসেবে আমার নাম নেচার ম্যাগাজিনে উঠে যাবে। আমার এই তামাবাড়ির নরকবাস সার্থক হবে।

    আর যদি না পারি, যদি কোনো বিপদে পড়ি, তাহলে তুই তো আছিসই। গুরুংকে সঙ্গে নিয়ে আমার খোঁজে বেরিয়ে পড়িস। ডিপার্টমেন্টের হেল্প যে এখন পাব না, তা জানি।

    ওকে বলিস উত্তরদিকে ন্যাড়াপাহাড়টার দিকে যেতে। পোকাটাকে একটু আগে ওদিকেই যেতে দেখেছি। উড়তে পারে না। পেছনের দু-পায়ে ভর দিয়ে সোজা হয়ে ঠিক মানুষের মতো হাঁটতে হাঁটতে যাচ্ছিল। একটু পা চালালেই আশা করছি ধরে ফেলতে পারব।”

    গুরুং উদ্বিগ্নভাবে আমার মুখের দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমার পড়া শেষ হতেই বলল, “স্যার।”

    আমি ওর কাঁধে হাত রেখে বললাম, “না, যা ভেবেছিলে, তা নয়। তরুণ একটা বিশাল পোকাকে ফলো করে কোথাও গেছে।”

    “পোকা? কোনদিকে গেছেন কিছু বলেছেন?”

    “উত্তরে। ন্যাড়াপাহাড়ের দিকে।”

    আমার উত্তর শুনে মুহূর্তের মধ্যে গুরুংয়ের মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। ওকে ভীতু বলে কখনওই মনে হয়নি। তরুণের সঙ্গে ফোনে যেটুকু কথাবার্তা হত, তার মধ্যেও তরুণ বারবার গুরুংয়ের সাহস, গুরুংয়ের অস্ত্র চালানোর দক্ষতা, এইসবের প্রশংসা করত। ওকে ভয় পেতে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, “কী হল?”

    “কিছু না। ওদিকটায়… ইয়ে, মানে একটা বাইসনের পাল আছে, অত্যন্ত খতরনাক। মানুষ দেখলেই অ্যাটাক করে। যা-ই হোক, সাহেবকে খুঁজতে যেতে হবে। আপনি খাওয়া-দাওয়া সেরে নিন। আমি ততক্ষণে গনেশদাকে বলি রাতে খাবার জন্যে কিছু রুটি মাংস প্যাক করে দিতে।”

    “রাতে থাকতে হবে?”

    “হতেই পারে স্যার। পায়ে হেঁটে কৈটভে যেতে মিনিমাম তিন ঘণ্টা সময় লাগে। এখনই যদি বেরিয়ে পড়ি, তাহলেও সন্ধে সাতটার আগে পৌঁছতে পারব না।”

    “কৈটভ!”

    “ও-দিকে ওই একটাই গ্রাম। আমাদের পূর্বপুরুষদের দেওয়া নাম কৈটভ। গ্রামবাসীদেরও আমরা বলি কৈটভ। সাহেব আলটিমেটলি ওখানেই পৌঁছোবেন, আমি জানি। গত দশ বছরে আমাদের দু-জন ফরেস্টগার্ডের লাশ খুঁজে নিয়ে এসেছি ওখান থেকে। তাদের শরীরে অবশ্য চামড়া আর হাড় ছাড়া কিছু ছিল না।”

    “কী সব আজেবাজে বকছ?” গুরুং-কে ধমক লাগালাম। ও মুখ নীচু করে বলল, “স্যরি স্যার। আর বলব না। চলুন বেরিয়ে পড়ি।”

    *****

    আসন্ন রাত্রির জনো সম্বল ছিল দু-জনের হাতে দুটো পাঁচ সেলের টর্চ। আমি মেলার বেলুন ফাটানোর এয়ারগান ছাড়া আর বন্দুকের ট্রিগারে কখনও আঙুল ছোঁয়াইনি। তাই শুনে গুরুং আমার কোমরে ভালো করে ফিতে দিয়ে জড়িয়ে একটা নেপালি কুকরি বেঁধে দিয়েছিল। তবে ও নিজেকে সবরকমভাবে সশস্ত্র করে বেরিয়েছিল। রাইফেল এবং কার্তুজের মালা তো ছিলই। তাছাড়া কোমরে ছিল রামদা। তার চেয়েও আশ্চর্য, একটা প্লাস্টিকের জ্যারিকেনে করে এক জ্যারিকেন পেট্রল নিতে দেখেছিলাম ওকে।

    আমরা হাঁটতে শুরু করার পর প্রথম দেড় ঘণ্টায় তবু এদিক ওদিক কিছু গ্রামের আলো দেখতে পাচ্ছিলাম। তারপর সেগুলোও হারিয়ে গেল। বুঝতে পারছিলাম, ক্রমশ গভীর থেকে গভীরতর বনে ঢুকে যাচ্ছিলাম। ঝিঁঝি ডাকছে। নাইটজার পাখি ডাকছে। তার মধ্যেই মাঝেমাঝে ভেসে আসছে শাঁখের শব্দের মতো হাতির পালের বৃংহন। আমি আর না-পেরে গুরুংকে চেপে ধরলাম, “খুলে বলো তো, কী আছে কৈটভ গ্রামে? তুমি অত ভয় পাচ্ছ কেন?”

    “আসুন, এখানে একটু বসি।” গুরুং হাত দিয়ে একটা চ্যাটালো পাথরের দিকে দেখাল। বসার পর বলল, “আমরা প্রায় পৌঁছেই গিয়েছি। এই উৎরাইটা ধরে আর দু-কিলোমিটার নেমে গেলে, নীচের ওই ছোটো ভ্যালিটার মাঝখানেই কৈটভ গ্রাম।”

    নীচে তাকালাম। কোথায় গ্রাম? একবিন্দু আলো দেখছি না তো কোথাও। একবার হাতঘড়িতে সময় দেখলাম। সবে সন্ধে সাতটা। এত তাড়াতাড়ি কী গ্রামের লোকেরা আলো-টালো নিভিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল?

    গুরুং একটা চুটা ঠোঁটে দিয়ে পকেট থেকে দেশলাইটা বার করেছিল। তারপর কী যেন মনে পড়তেই সভয়ে দুটো জিনিসই আবার উর্দির পকেটে ঢুকিয়ে নিল। বলল, “আপনাকে সত্যি কথাটাই বলি, ওই কৈটভ গ্রামের অধিবাসীদের আমরা এই অঞ্চলের লোকেরা সবাই ভয় পাই। কেউ ওদের কাছে যাই না।

    কেন ভয় পাই বলছি। গাঁওবুড়োদের মুখে শুনেছি, ওদের মধ্যে এমন অনেক ব্যাপার আছে যেগুলো রীতিমতো ভূতুড়ে। যেমন, বছরের মধ্যে বেশ কয়েকমাস ওদের দেখা যায় না। ও গ্রাম তখন একদম শুনশান পড়ে থাকে। ওরা যে তখন কোথায় যায়, কীভাবে যায়, কেউ জানে না। জঙ্গলে তো আর শয়ে শয়ে রাস্তা নেই। একটিই রাস্তা, আমাদের ফরেস্ট অফিসের সামনে দিয়ে যেটা গেছে। সে রাস্তা দিয়ে কেউ ওদের বেরোতে দেখেনি কোনোদিন।”

    “গ্রামের গরু ছাগল? হাঁস-মুরগি? তাদের কী হয়।” আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    “সেটাই তো দ্বিতীয় রহস্য” উত্তর দিল গুরুং, “এটাই বোধহয় পৃথিবীর একমাত্র গ্রাম, যেখানে কোনো গৃহপালিত পশুপাখি নেই। এমনকি চাষবাসও নেই এই গ্রামের লোকেদের। ওরা কী খায় কে জানে।

    “তারপর?”

    “তারপর ধরুন, ওদের গ্রামে কোনো জন্ম বা মৃত্যু হয় না।”

    “তাই আবার হয় নাকি! কেমন করে জানলে?”

    “মৃত্যু হলে গ্রামের পাশে একটা শ্মশান বা কবরখানা কিছু তো থাকত। কিছুই নেই। আর জন্ম? ওই গ্রামে কেউ কোনো শিশুকে দেখেনি।”

    গুরুংয়ের কথা শুনতে-শুনতে আমি একবার আমার হাতের টর্চটা জ্বেলে ফেলেছিলাম। গুরুং এক ঝটকায় টর্চের মুখটা মাটির দিকে নামিয়ে দিয়ে বলল, “নেভান। যতক্ষণ এখানে আছি আলো জ্বালবেন না। দেখুন, ওই গ্রামেও কোনো আলো জ্বলছে না। কৈটভরা আলো পছন্দ করে না।”

    “কেন?” ভারি অবাক হয়ে প্রশ্ন করলাম।

    গুরুং বলল, “কৈটভদের টোটেম কী জানেন? একজাতের পোকা। গঙ্গাফড়িংয়ের মতন দেখতে। ওরা নিজেদের পোকার সন্তান বলে জানে। আর আলো হচ্ছে পোকাদের মৃত্যুর কারণ। তাই ওরা আলো জ্বালায় না।”

    আমার মাথার মধ্যে সব তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছিল। তরুণ একটা গঙ্গাফড়িং-এর মতো বিশাল পোকাকে ফলো করে এদিকে আসার কথা লিখেছিল না? পোকাই এদের উপাস্য?

    থেকে যেটিকে মানুষ ভেবেছিলাম, সেটি একটি মানুষের খোলস। চামড়া, দাঁত, নখ, সব ঠিক আছে; শুধু ভেতরে হাড় মাংস বলে কিছু নেই। চামড়াটা খড়খড়ে, শুকনো। অনেকটা কাপড়ের দোকানে যে প্লাস্টিকের নকল মানুষ সাজানো থাকে, যাকে ইংরিজিতে বলা হয় ‘ম্যানিকিন’, সেরকম।

    গুরুংয়ের দিকে তাকিয়ে দেখলাম ওরও মুখ শুকিয়ে গেছে। বিড়বিড় করে নেপালি ভাষায় কী যেন বকছে। কিন্তু বেশিক্ষণ আমরা ওইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। হঠাৎই নিস্তব্ধ রাত্রির বুক চিরে কৈটভগ্রামের দিক থেকে একটা আর্তনাদ ভেসে এল, “বাঁচাও! কে কোথায় আছ, রক্ষা কর।”

    এ-গলার স্বর ভুল করার কোনো উপায় নেই। তরুণ। তরুণ কোনো বিপদে পড়েছে। গুরুং চিৎকার করে সাড়া দিল, “ভয় নেই সাহেব, ভয় নেই। আমরা আসছি।” তারপর তিরবেগে ঢাল বেয়ে ছুটতে শুরু করল। আমি হঠাৎ খুব কাছেই কোথায় যেন একটা খসখস শব্দ ওকে অনুসরণ করলাম। শুনতে পেলাম। আমরা দু-জনেই একসঙ্গে সেদিকে তাকালাম। দেখলাম, যে ঢাল ধরে নীচে কৈটভ গ্রামের দিকে নেমে যাওয়া যায়, সেই ঢালেই, আমাদের থেকে বড়োজোর তিনশো মিটার দূরে, এক অদ্ভুত এবং ভয়ংকর নাটক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    একটি লোক, মনে হল মধ্যবয়সি পুরুষমানুষ, সে আর একটি পুরুষমানুষের শরীর দুই পায়ের চাপে প্রাণপণে যেন মাটিতে মিশিয়ে দিতে চাইছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সেই কাজে লোকটি সফল হল। পায়ের কাছে পড়ে রইল পরাজিত লোকটির শরীর। বিজয়ী লোকটি কেমন যেন ক্লান্তভাবে টলতে টলতে ঢাল বেয়ে নেমে গেল।

    গুরুংয়ের দেখলাম অসীম সাহস। বলল, “চলুন তো দেখি, লোকটা বেঁচে আছে নাকি।” এই বলে ঢাল বেয়ে নেমে গেল। ওর পেছন পেছন আমিও গেলাম এবং গিয়ে যা দেখলাম তাতে ভয়ে গায়ের রক্ত হিম হয়ে গেল। দেখলাম, দূর

    আরও একটু নেমে একটা বাঁক ঘুরতেই এক ভয়ংকর দৃশ্যের সামনে পড়লাম। খোলা জায়গা বলেই আকাশের আধখানা চাঁদের মৃদু জ্যোৎস্নায় অস্পষ্টভাবে হলেও সবকিছু দেখতে পাচ্ছিলাম। দেখলাম, একটা ফুটবল খেলার মাঠের মতো জমির সীমানা বরাবর শ-খানেক ছোটো ছোটো পাতার ঝুপড়ি। ওটাই নিশ্চয় কৈটভ গ্রাম। আর সেই জমির কেন্দ্রস্থলে তরুণের দুটো হাত দু-দিকে টান দিয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছে দুটো লোক। ও প্রাণপণে নিজেকে ছাড়াবার চেষ্টা করছে, কিন্তু পারছে না। ওর দিকে পায়ে পায়ে এগিয়ে আসছে আরও প্রায় শ-দুয়েক মানুষ।

    নারী-পুরুষ আলাদা করে বুঝতে পারছিলাম না। দুর থেকে সবাইকেই একরকম দেখতে লাগছিল। সকলেই একটু কুঁজো হয়ে হাটছিল। কারুরই মাথায় মনে হচ্ছিল চুল নেই। আর সকলেরই পিঠের দিকে একটা করে চাদর ঝুলছিল।

    আমাদের বাঁদিকে প্রায় দুশো হাত দূরে পাহাড়ের গায়ে একটা বেশ বড়োসড় বাঁশঝাড় ছিল। খর্বাকৃতি পাহাড়ি তলতা-বাঁশ, এই গরমে সমস্ত পাতা আর কাণ্ড শুকিয়ে হলুদ হয়ে আছে। তলাটা ঢেকে আছে শুকনো বাঁশপাতার স্তূপে। গুরুং চাপা গলায় বলল, “স্যার, একটা কাজ করবেন? ওই জ্যারিকেন থেকে পেট্রল ঢেলে শুকনো বাঁশপাতাগুলো ভিজিয়ে দিয়ে আসবেন?”

    আমি যখন জ্যারিকেনের ঢাকনাটা খুলছি তখনই পরপর দুবার ফায়ারিং-এর আওয়াজ পেলাম। চোখের কোণা দিয়ে গুরুংয়ের রাইফেলের নলের মুখে দু-বার আগুনের ঝিলিকও দেখতে পেলাম। ধন্য টিপ ওর হাতের। কৈটভ গ্রামের মাঠের মাঝখানে যে লোকদুটো তরুণের দু-হাত টেনে ধরে রেখেছিল, দু-জনেই মুখ থুবড়ে পড়ল। আমি জ্যারকেনটা খালি করে ফিরে আসবার পর, গুরুং তৃতীয় গুলিটা চালাল শুকনো বাঁশপাতার স্তূপের ওপরে। ঠিক দশ সেকেন্ড লাগল পুরো বাঁশঝাড়টা দাউদাউ করে জ্বলে উঠতে। আর তারপরেই শুরু হল ম্যাজিক।

    নীচের মাঠ থেকে ঝাঁক বেঁধে উড়ে এল ওরা। হ্যাঁ, ঠিকই বলছি, উড়ে এল। কারণ এতক্ষণ যাদের মানুষ ভাবছিলাম, তারা কেউই মানুষ ছিল না। তারা ছিল পোকা। বিশাল সাইজের একজাতের গঙ্গাফড়িং-এর মতো পোকা। যাকে ভেবেছিলাম পিঠের দিকে ঝুলিয়ে রাখা চাদর, সেগুলো আসলে ছিল ওদের গুটিয়ে রাখা ডানা।

    অন্য যে কোনো পোকার মতোই তারা আগুনের টানে উড়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়তে লাগল জ্বলন্ত বাঁশবনের মধ্যে।

    মাংস পোড়ার গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে উঠল।

    এইসবের মধ্যেই একটা হাত আমার কাঁধ ছুঁল। মুখ ফিরিয়ে দেখলাম, তরুণ কখন যেন অন্ধকার চড়াই-পথ ভেঙে উঠে এসেছে। ও গুরুকে বুকে জড়িয়ে ধরল। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, “এবার সব বুঝতে পেরেছি গুরুং। ওরা আক্ষরিক অর্থেই কীটের সন্তান। সেইজন্যেই এই অরণ্যের প্রাচীন মানুসেরা ওদের নাম দিয়েছিল কৈটভ। তারা তো এই কটিগুলোকে কাছ থেকে দেখেছিল।

    শুঁয়োপোকার চেহারা যেমন প্রজাপতির থেকে আলাদা হয়, ওদেরও তাই। সেইজন্যেই ওদের শিশুকে চেনা যায় না। সেইজন্যেই ওদের পালিত পশু নেই, চাষাবাদ নেই। ওরা দৈত্যাকার পতঙ্গের মতোই সরাসরি গাছের পাতা কিংবা কাঁচা মাংস খায়।

    বোধহয় ডিম পাড়ার পর একসঙ্গে সবাই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। পোকাদের পক্ষে তো সেটাই স্বাভাবিক। তাই দু-মাস তিনমাসের জন্যে ফাঁকা দেখায় এই গ্রামকে।

    আমি এখানে পৌঁছোনোর পরেই ওরা কোনোভাবে আমার গন্ধ পেয়ে গিয়েছিল। ঘিরে রেখেছিল পুরো গ্রামটাকে। কোনোরকমে এতক্ষণ লুকিয়ে ছিলাম। আর পারলাম না। সামান্য নড়াচড়া করতেই পোকাগুলো এসে আমাকে ধরে ফেলল। তোমরা না এলে আমারও অবস্থা হত আগের দুই ফরেস্ট গার্ডের মতো।”

    বললাম, “ও কথা থাক। তোর সারা শরীরে অসংখ্য নখের আঁচড় দেখছি। এখনই তোকে নিয়ে যেভাবে হোক শিলিগুড়ি পৌঁছতে হবে। চল, আগে বিট অফিস অবধি তো যাই।”

    ফেরার পথে আমরা দেখলাম সেই ম্যানিকিনের মতো জিনিসটা তখনও রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে।

    এখন আমরা জানি ওটা কী। একটা পোকা খোলস ছেড়েছিল। ওটা সেই খোলস….

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }