Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প218 Mins Read0
    ⤷

    দ্বীপের নাম, বাঘে খাওয়া – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    দ্বীপের নাম, বাঘে খাওয়া

    প্রকৃতির ধ্বংসলীলা যে এত ভয়ঙ্কর হতে পারে তা ঝড়ের পরে এই সুন্দরবন অঞ্চলে রিলিফের কাজে না এলে কোনও দিন কল্পনাও করতে পারত না রিপন। ছোট ছোট দ্বীপগুলোতে শুধু মহাপ্রলয়ের চিহ্ন। ঘরবাড়িগুলো আর একটাও আস্ত নেই। অধিকাংশ বাড়িগুলোই মাটিতে মিশে গেছে, কোথাও হয়তো-বা দাঁড়িয়ে আছে ঝড়ে ছাদ উড়ে যাওয়া নিঃসঙ্গ দেওয়াল। নোনাজল দ্বীপে উঠে এসে নষ্ট করে দিয়েছে খেতের ফসল।

    সাত দিন পর জল নেমে গেছে ঠিকই, কিন্তু কাদা মাটিতে গেঁথে আছে ফুলে ঢোল হয়ে যাওয়া গবাদি পশুর লাশ। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। সরকারি লোকজন ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে কিছু দ্বীপ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে গেছিল ঠিকই, কিন্তু ছোট ছোট দ্বীপগুলোতে বেশ কিছু লোকজন রয়েও গেছিল। হয় সরকারি লোকেরা তাদের কাছে পৌঁছতে পারেনি, আবার কেউ কেউ ঘরের মায়া কাটাতে না পেরে দ্বীপেই রয়ে গেছিল। যারা দ্বীপে রয়ে গেছিল তাদের অবস্থা বড় ভয়ঙ্কর। পানীয় জল নেই, খাদ্য নেই, মাথার ওপর ছাদ নেই। সাত দিন কেটে গেলেও ওদের মুখ থেকে আতঙ্কের রেশ তখনও কাটেনি। যেন তারা সাক্ষাত মৃত্যুকে প্রত্যক্ষ করেছে। চারপাশে শুধু অসহায় মানুষদের হাহাকার আর কান্নার রোল। সামান্য একটু চিড়ে-মুড়ি, পানীয় জল অথবা একটা ত্রিপল পাবার জন্য মানুষগুলোর কী আকুতি!

    ইতিমধ্যে এই সব ঝঞ্ঝা কবলিত নিঃস্ব দ্বীপবাসীদের ত্রাণের কাজে সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নানা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও। দ্বীপগুলো ঘুরে ঘুরে ত্রাণ বিলি করছে তারাও। তেমনই এক সংস্থার সঙ্গে জঙ্গল লাগোয়া এই ছোট ছোট দ্বীপে লঞ্চে করে ঘুরে বেড়াচ্ছে রিপন। তাদের এই সংস্থা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসাবে সুপরিচিত। দীর্ঘ দিন ধরে তারা নানা দুর্যোগে মানুষের সেবাতে নিয়োজিত। তবে রিপন মাত্র মাস খানেক হল এক পরিচিতর মাধ্যমে এ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আর সুযোগ পেয়েই আরও জনা সাতেক লোকের সঙ্গে চলে এসেছে ঝঞ্ঝা কবলিত সুন্দরবনে। স্থানীয় মানুষরা বলছে, এবারের ঝড়ে যা ক্ষতি হয়েছে তা নাকি বছর বারো আগের আয়লা ঝড়েও হয়নি!

    বিকাল হয়ে গেছে। সারাদিন ধরে বেশ কয়েকটা দ্বীপে ত্রাণ সামগ্রী বিলি করে ফিরছিল রিপনদের লঞ্চ। ত্রাণ সামগ্রী যা তারা এনেছিল তা প্রায় শেষের পথে। আলোচনায় ঠিক হয়েছে গতরাতের মতোই গোসাবাতে লঞ্চ ভিড়িয়ে লঞ্চেই রাত্রিবাস করে আগামী কাল কলকাতায় ফেরার জন্য রওনা হবে তারা।

    লঞ্চের সারেঙ অর্থাৎ চালক প্রায় বৃদ্ধ মাধব মণ্ডল সুন্দরবনেরই মানুষ। দ্বীপগুলোতে চিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল সে লোকটাই। নইলে এখানকার অজস্র দ্বীপের মধ্যে কোন কোন দ্বীপে মানুষ থাকে তা রিপনদের পক্ষে জানা সম্ভব নয়।

    সারেঙের ছোট্ট কেবিনটাতে চালকের আসনের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল রিপন আর দুর্জয়দা। এই দুর্জয় রক্ষিতই রিপনদের সংস্থার প্রেসিডেন্ট। দুই দশক ধরে তিনি এই সংস্থার জনসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনিই এই রিলিফ টিমকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বড় কনস্ট্রাকশন বিজনেস আছে দুর্জয়দার। তার অর্থ এবং ইনফ্লুয়েন্স প্রচুর। রিলিফের কাজে যে অর্থ ব্যয় হচ্ছে তার সিংহভাগ কয়েকদিনের মধ্যে তিনি একাই সংগ্রহ করে দিয়েছেন। অসম্ভব পরিশ্রমী মানুষ তিনি। আর তার চেহারাটাও পরিশ্রম করার মতো।

    দুর্জয় রক্ষিতের বয়স প্রায় রিপনের বয়সের দ্বিগুণ। মধ্য পঞ্চাশের দীর্ঘকায় দুর্জয়দার শরীর এখনও পেশীবহুল। হাতের থাবাগুলো বাঘের মতো বড়। অনায়াসেই তিনি একটা কুড়ি কেজি ওজনের বস্তা তুলে লঞ্চ থেকে নেমে পড়তে পারেন। হিরো গোছের একটা ব্যাপার আছে তার মধ্যে। যে কারণে তিনি সহজেই আকৃষ্ট করে ফেলেছেন রিপনকে। তাই লঞ্চে বা মাটিতে নেমে তার ছায়া সঙ্গীর মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে রিপন।

    তবে, প্রত্যেক সংস্থাতেই এমন কিছু মানুষ থাকে যারা কাজের লোকদের পিছনে সমালোচনা করে। তেমনই একজন লোক, যাকে হারিয়ে দুর্জয়দা সংস্থার প্রেসিডেন্ট হয়েছেন সেই ধনঞ্জয় পাল একবার রিপনকে কান ভাঙাবার জন্য বলেছিল, ‘তোমরা ওই দুর্জয়কে যেমন লোক ভাব আদপে ও তেমন লোক নয়। আমি ওকে বহুকাল ধরে চিনি। যৌবনে ও নানা কুকীর্তি-মারদাঙ্গা করত। এখন সাধু সেজে বসেছে।’

    স্বাভাবিকভাবেই রিপন ওই কুচুটে লোকটার কথায় পাত্তা দেয়নি। বরং সে দুর্জয়দাকে যত দেখছে তত তার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। এমন পরোপকারী, পরিশ্রমী লোক বড় একটা দেখা যায় না। জল কাদা, সাপ-কুমিরের ভয়কে অতিক্রম করে তিনিই তো প্রথম নেমে পড়েছেন ঝঞ্ঝা কবলিত দ্বীপের মাটিতে। সব চেয়ে ভারী বস্তাটা তিনি সবার আগে তুলে নিচ্ছেন।

    খাঁড়ি বেয়ে এগোচ্ছিল রিপনদের লঞ্চ। লঞ্চের সামনে, চারপাশে ঘোলা জল পাক খেয়ে ঘুরছে। কখনও কখনও তাতে ভাসতে দেখা যাচ্ছে খড়ের চাল, কাঠের টুকরো, দ্বীপ থেকে ভাসিয়ে আনা জিনিস। সারেঙ মাধব মণ্ডল হালের চাকা ঘোরাতে ঘোরাতে এক সময় স্বখেদে বলল, ‘চল্লিশ বছর ধরে আমি সুন্দরবনে লঞ্চ চালাচ্ছি বাবু। কিন্তু এমন অবস্থা কোনওদিন দেখিনি! কত কষ্টে সাজানো সব কিছু একদম তছনছ করে দিল! বনবিবি, কালু রায়, দক্ষিণ রায়ের কি একটু মায়া হল না গরিব মানুষদের জন্য?’

    তার কথা শুনে দুর্জয়দাও আক্ষেপের স্বরে বললেন, ‘সত্যিই যা দেখলাম, তা ভয়ানক! আগে এ অভিজ্ঞতা আমার কোন দিন হয়নি!

    দুর্জয়দা এ কথা বলার পর মাধব মণ্ডল বলল, ‘আপনাকে দেখার পর থেকেই আমার কেমন চেনা মনে হচ্ছে! আপনি কি এর আগে কখনো আমাদের এই সুন্দরবনে এসেছিলেন?’

    দুর্জয়দার জবাব দিলেন, ‘না, আমি আগে কখনও সুন্দরবনে আসিনি। এবারই প্রথম এলাম।’

    মাধব মণ্ডল এরপর হয়তো আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল দুর্জয়দাকে। কিন্তু কিছুটা দূরে একটা দ্বীপ চোখে পড়াতে তা দেখিয়ে রিপন জানতে চাইল, ‘ওটা কোন দ্বীপ? ওখানে মানুষ আছে নাকি?’

    মাধব মণ্ডল বলল, ‘ওই দ্বীপে পনেরো-কুড়ি ঘর মানুষের বাস। জানি না তারা আছে নাকি ঝড়ের আগে দ্বীপ ছেড়ে চলে গেছে। আমি বেশ কয়েকবার ওখানে গেছি। ওর নাম ‘বাঘে খাওয়া’ দ্বীপ।

    দুর্জয়দা জানতে চাইলেন, ‘এমন নাম কেন?’

    সারেঙ বলল, ‘ও দ্বীপে মানুষ বাস করে মাত্র বছর দশেক হল। দ্বীপটা অন্য দ্বীপের তুলনাতে সামান্য উঁচু বলে আয়লার পর কিছু মানুষ বসবাস শুরু করেছিল ওখানে। তার আগে ওখানে ঘন জঙ্গল ছিল। ওর পিছনে খাঁড়ির ওপারে এখনও গভীর বন। বহুদিন আগে যখন ওখানে জনবসতি হয়নি তখন ও দ্বীপে একজন নেমেছিল, তাকে বাঘে টেনে নিয়ে গেছিল। তারপর থেকেও দ্বীপের নাম ”বাঘে খাওয়া” দ্বীপ।’

    সারেঙ মাধব মণ্ডলের কথা শুনে রিপন, দুর্জয়দাকে বলল, ‘একবার যাবেন নাকি ওই দ্বীপে। যদি কোনও মানুষ ওখানে থেকে থাকে।’

    তার কথা শুনে দুর্জয়দা পিঠে মৃদু চাপড় দিয়ে বললেন, ‘ব্র্যাভো। এই কথাটাই আমি বলতে যাচ্ছিলাম। তোমার মতো কর্মঠ ছেলেই তো এসব কাজে দরকার। অন্য সবাই তো দেখছি ইতিমধ্যে ক্লান্ত হয়ে ঝিমোচ্ছে। যদি বাঘে খাওয়াতে কোনও মানুষ থেকে থাকে তাহলে এখনও সামান্য যেটুকু জিনিস অবশিষ্ট আছে তো ওখানে বিলিয়ে দিয়ে ভারমুক্ত হওয়া যায়।’

    রিপন বলল, ‘আর যতটুকু জিনিস আছে তা আমরা দুজনেই ওখানে নামিয়ে নিয়ে যেতে পারব। তেমন হলে অন্য কাউকে আর বিরক্ত না করলেও চলবে।’

    তার কথা শুনে দুর্জয়দার মুখে হাসি ফুটে উঠল। দাড়িতে হাত বুলিয়ে তিনি সারেঙকে নির্দেশ দিলেন, ‘ওই দ্বীপের দিকে চলো। দেখি কোনও মানুষ ওখানে এখনও আছে কিনা?’

    সারেঙ মাধব মণ্ডল এ অঞ্চলেরই মানুষ। এখানকার মানুষের দুঃখ-কষ্টর সে-ও শরিক। তাই সে ব্যাপারটাতে উৎসাহ জাগিয়ে বলল, ‘হ্যাঁ, বাবু চলুন। যদি কেউ ওখানে থেকে থাকে তবে আপনাদের জিনিসগুলো বড় কাজে আসবে।’

    সারেঙের কেবিন ছেড়ে রিপনকে নিয়ে বেরিয়ে দুর্জয়দা লঞ্চের রেলিং ধরে দাঁড়াল। তবে দ্বীপটা তাদের যতটা কাছে মনে হয়েছিল ততটা কাছে নয়। ধীরে ধীরে সেদিকে জল কেটে এগিয়ে চলল লঞ্চ।

    দুই

    এক সময় কাছে এগিয়ে এল সেই ‘বাঘে খাওয়া’ দ্বীপ। প্রথমে একটা ছোট জেটি চোখে পড়ল তাদের। মানুষের বসবাসের চিহ্ন। দ্বীপের গা ঘেঁসে সেদিকেই এগোল লঞ্চ। আর এরপরই যেন একজনকে জেটিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল তারা।

    জেটির পাড়ে একটা ঝাঁকড়া গাছ। তার তলায় দাঁড়িয়ে আছে সে। মিনিট খানেকের মধ্যেই তার অবয়ব স্পষ্ট হয়ে উঠল রিপনদের চোখে। একজন মেয়ে বা মহিলা! পরনে তার একটা হলুদ রঙের কাপড়। আর তার ধরন দেখে মনে হয় সে দ্বীপের বাসিন্দা। আর সে-ও যেন লঞ্চটার দিকেই তাকিয়ে দেখছে। আর এরপরই সেই মেয়ে বা বউটা হাতছানি দিল লঞ্চের উদ্দেশ্যে।

    ব্যাপারটা দেখে দুর্জয়দা উল্লসিত হয়ে বললেন, ‘ওইতো মানুষ আছে এখানে! আমাদের ডাকছে বউটা!’—এই বলে তিনি মেয়েটার উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকবার হাত নাড়লেন, তাকে সংকেত জানাবার জন্য। তবে, মেয়েটা কিন্তু এরপর আর সেখানে দাঁড়াল না। দুর্জয়দার হাত নাড়ার প্রত্যুত্তরে বার কয়েক হাত নেড়ে ডেকে জেটির মাথা ছেড়ে রিপনদের চোখের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেল। তা দেখে তাদের দুজনের মনে হল সম্ভবত গ্রামের লোকদের লঞ্চ আসার খবর জানাতে ছুটল সে। জেটির দিকে এগিয়ে চলল লঞ্চ।

    লঞ্চ দ্বীপের দিকে এগোচ্ছে দেখে আর দুর্জয়দার গলার উল্লসিত চিৎকারে লঞ্চের খোল থেকে ওপরে উঠে এল রিপনদের সংস্থার কয়েকজন। তাদের চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ। দু-দিন ধরে জল-কাদা ভেঙে মালপত্র নিয়ে দ্বীপে দ্বীপে ঘোরার ধকল কম কথা নয়। রিপন ছাড়া এ টিমের অন্য সবাই মাঝবয়সি বা তার বেশি বয়সের লোক। তাদের দেখে দুর্জয় রক্ষিত বললেন, ‘এ দ্বীপের নাম ”বাঘে খাওয়া”। মানুষ আছে এখানে। আমাদের ডাকল। এখানে নামব।’

    তার কথা শুনে একজন ক্লান্ত স্বরে বললেন, ‘এখানে কি না থামলেই নয়। জেটির বেশ কিছুটা তো জলে ডুবে আছে দেখছি। শরীরটা ভালো লাগছে না। এখন ওই জল-কাদায় নামলে আমার শরীর আরও খারাপ হতে পারে।’

    আর একজন বললেন, ‘বিকাল হয়ে গেছে। একটু পরেই তো সন্ধ্যা নামবে। দ্বীপের ভিতর কী অবস্থা কে জানে? আর কিছু না হোক সাপ-খোপ থাকতে পারে। সবাইতো এখন জল ছেড়ে ডাঙায় গিয়ে উঠেছে। গায়ে পা পড়লেই সর্বনাশ। আজ সকালে একটা দ্বীপে ঘটনা তো নিজের চোখেই দেখলেন। বিশাল একটা সাপ কেমন ভাবে আমাদের গা ঘেঁষেই ছুটে পালাল!’

    তাদের কথা শুনে দুর্জয়দা আর রিপন দুজনেই বুঝতে পারল সঙ্গীদের কারোরই আর এই অবেলাতে জল-কাদা ঘেঁটে দ্বীপে নামার ইচ্ছা নেই। দুর্জয়দা তার সঙ্গীদের তাই বললেন, ‘ঠিকই আছে, আপনারা তবে বিশ্রাম নিন। আমি আর রিপনই নামব। যা মাল আর আছে, সেটুকু আমরাই দ্বীপে নিয়ে যেতে পারব। এই সামান্য মালপত্রও যদি একটু কষ্টর বিনিময় আমরা এই অসহায় মানুষদের হাতে তুলে দিতে পারি তবে তাদের কাছে এখন সেটা অনেক বড় ব্যাপার।’

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই লঞ্চ এসে উপস্থিত হল জেটির সামনে। সারেঙের সহকারী ছেলেটা নোঙর নামিয়ে দিল। একটু ঝাঁকুনি খেয়ে থেমে গেল লঞ্চটা। কাঠের পাটাতন ফেলা হল নীচে নামার জন্য। দুর্জয়দা আর অন্যদেরও অনুরোধ করলেন না দ্বীপে নামার জন্য। ত্রাণ সামগ্রীর শেষ দুটো বস্তা ডেকের ছাউনির নীচ থেকে কাঁধে নিয়ে তারা দুজন পাটাতন বেয়ে নীচে নামল।

    জেটির শেষ অংশ জলের তলে ডুবে আছে। দ্বীপের এ অংশ এমন ভাবে হেঁতেল গাছের ঝাড়ে আবৃত যে বাইরে থেকে দ্বীপের ভিতর কিছু দেখা যাচ্ছে না। ত্রাণ সামগ্রীর বস্তা ঘাড়ে নিয়ে জল-কাদা ভেঙে জেটিতে উঠে পড়ল তারা। এরপরই তাদের চোখে পড়ল ইট বিছানো একটা সরু পথ চলে গেছে গ্রামের দিকে। হয়তো বা সরকারি লোকজন কোনও এক সময় এসে রাস্তাটা করে দিয়ে গেছিল।

    এ দ্বীপের অবস্থান কিছুটা উঁচুতে হওয়ায় জল তেমন জমেনি, আবার ও দ্বীপে ঝড়ের প্রকোপ যেন অন্য দ্বীপগুলোর তুলনায় বেশি বলে মনে হল তাদের। সংকীর্ণ রাস্তার দু-পাশে ছোট-বড় গাছ সব নুইয়ে পড়েছে। কোথাও বা ভেঙে পড়েছে বড় বড় গাছের ডাল। তার মধ্যেই দুর্জয়দার পিছন পিছন হাঁটতে লাগল রিপন। হাঁটতে হাঁটতে দুর্জয়দা বললেন, ‘মেয়েটা হয়তো গ্রামের লোক নিয়ে এ পথেই আসবে। কেমন অসহায় ভাবে হাত নাড়ছিল খেয়াল করেছ?’

    রিপন বলল, ‘আসলে আমরা যারা শহরে বসে খবরের কাগজ আর টেলিভিশনের মাধ্যমে সুন্দরবনের ঝড়ের কথা শুনি বা দেখি, তারা ধারণাই করতে পারি না এর আসল চেহারা কত ভয়ঙ্কর!’

    রিপনরা অনুমান করেছিল সেই মেয়ে বা বউটা গ্রামের লোকদের সঙ্গে আনবে। কিন্তু তেমনটা ঘটল না। তবে সে রাস্তা ধরে কিছুটা এগিয়ে দূর থেকে চোখে পড়ল গ্রাম নয় বলা ভালো গ্রামের ধ্বংস স্তূপ।

    ছোট দ্বীপটার আকৃতি অনেকটা মাকুর মতো। তার পেটের কাছে দ্বীপের অপর প্রান্তের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল গ্রামটা। কাঁধে বস্তা নিয়ে রিপনরা উপস্থিত হল গ্রামের মধ্যে। কুড়িটা মতো মাটির বাড়ি ছিল গ্রামটাতে। কিছুটা তফাতে তফাতেই ঘরগুলো বানানো হয়েছিল মাটির গাঁথনির ওপর গোলপাতা বা খড়ের ছাউনি দিয়ে। কিন্তু তাদের একটাও আজ অক্ষত ভাবে মাটিতে দাঁড়িয়ে নেই। ঝড়ে অধিকাংশ বাড়ির চাল উড়ে গেছে অথবা মাটির দেওয়াল ধ্বসে পড়েছে। আর সেই ভাঙা দেওয়ালগুলোর ভিতর থেকে কোথাও দেখা যাচ্ছে গরিব মানুষদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী, সস্তার আসবার, হাঁড়ি-বাসন, মাছ ধরার জাল এসব জিনিস।

    প্রকৃতির রুদ্র রোষে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে সব কিছু। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা চারপাশে তাকিয়ে বেশ একটু অবাকই হল। কোন ধ্বংস স্তূপের আড়াল থেকে তাদের দেখে অন্য গ্রামের লোকেদের মতো কেউ ছুটে বাইরে বেরিয়ে এল না। গ্রামটা যেন জনশূন্য। তা দেখে দুর্জয়দা বললেন, ‘আশ্চর্য ব্যাপার তো! লোকজন সব গেল কোথায়?’

    রিপন বলল, ‘তাদের কেউ উদ্ধার করে নিয়ে যায়নি তো? কেউ তো নেই বলেই মনে হচ্ছে!’

    দুর্জয়দা বললেন, ‘তা নয় বুঝলাম। কিন্তু সেই মেয়েটা? মেয়েটা কোথায় গেল?’

    চারপাশে আবারও ভালো করে তাকিয়ে সেই মেয়েটাকে দেখতে পেল না তারা। গ্রামের ভিতর তারা যেখানে দাঁড়িয়ে সেখান থেকে দ্বীপের ওপাশটা দেখা যাচ্ছে। একটা ছোট খাঁড়ি, আর তার ওপাশেই ঘন জঙ্গলময় একটা দ্বীপ! সূর্য ঢলতে শুরু করেছে তার মাথার আড়ালে।

    রিপনদের চারপাশে অসম্ভব নিস্তব্ধ পরিবেশ! মেয়েটাকে দেখতে না পেয়ে দুর্জয়দা বললেন, ‘এই ভাঙা ঘর-বাড়িগুলোর আড়ালে হয়তো মেয়েটা আছে। তার সঙ্গে অসুস্থ শিশু বা বৃদ্ধও থাকতে পারে। যাকে ছেড়ে মেয়েটা ধ্বংসস্তূপের বাইরে আসতে পারছে না। বা আমাদের দেখে ফিরে এসে মেয়েটা অসুস্থ হয়ে পড়ল না তো? নইলে সে যাবে কোথায়? আমার মনে হয় চারপাশে খুঁজলেই তাকে পাওয়া যাবে। চলো একবার তাকে খুঁজে দেখি?’

    গ্রামের ভিতর ঘুরতে শুরু করল তারা। উঁকি দিতে লাগল ভাঙা ঘরগুলো আনাচে-কানাচে। হঠাৎ একটা ঘরের সামনে এক ঝাঁক বাঁদর চোখে পড়ল তাদের। ধ্বসে পড়া দেওয়ালের চারপাশে খাদ্য অন্বেষণ করছে তারা। একটা বাঁদর একটা হাঁড়ি বার করে এনে তার ভিতর থেকে কী যেন চেটে খাচ্ছে! সম্ভবত এই বাঁদরের ঝাঁক খাঁড়ির ওপারের জঙ্গল থেকেই এসেছে। রিপনদের দেখার পর কিন্তু বাঁদরগুলো নিরাপদ দূরত্ব রেখে তাদের অনুসরণ করতে লাগল। তা দেখে দুর্জয়দা বললেন, ‘ওরা সম্ভবত বুঝতে পেরেছে যে বস্তাগুলোর মধ্যে খাবার আছে, তাই আমাদের পিছনে আসছে। তাছাড়া বাঁদর খুব কৌতূহলী প্রাণী।’

    ধ্বংস স্তূপের মধ্যে দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তারা প্রায় গ্রামের পিছনে পৌঁছে গেল। আর এরপরই বাঁদরগুলো হঠাৎ রিপনদের চমকে দিকে একসঙ্গে ডেকে উঠল। আর এরপরই দুর্জয়দা বলে উঠলেন, ‘ওই তো! ওই তো মেয়েটা ওখানে বসে আছে!’

    তিন

    দুর্জয়দার দৃষ্টি অনুসরণ করে রিপন কিছুটা দূরেই দেখতে পেল মেয়েটাকে। হ্যাঁ, ওই তো হলুদ শাড়ি পরা মেয়েটা একটা ভেঙে পড়া বাড়ির একটু উঁচু মতো মাটির দাওয়ায় বসে আছে। তাকে দেখেই রিপনরা এগোল সেই দাওয়ার দিকে।

    মেয়েটা তাদের দেখেই ঘোমটা নামিয়ে নিল সম্ভবত গ্রামীণ সংস্কার বশত। এখনও অনেক গ্রামীণ মহিলা পর-পুরুষের কাছে মুখ দেখাতে চায় না। রিপনরা তার কয়েক হাত তফাতে গিয়ে কাঁধের বস্তা মাটিতে নামাল। তারপর ভালো করে তাকাল তার দিকে।

    সে উবু হয়ে হাঁটুর ওপর চিবুক রেখে বসে আছে। পরনে হলুদ রঙের ডুরে শাড়ি, তার জায়গায় জায়গায় জল-কাদার দাগ। হাত-পা-কাঁধ, শরীরের উন্মুক্ত অংশগুলোও ধুলো মাখা। তার চিবুক ছাড়া মুখের অন্য অংশ ঘোমটার নীচে ঢাকা।

    তাকে দেখে যুবতী বলেই মনে হল রিপনের। তবে মেয়েটার হাতে শাঁখা-লোহা দেখে তারা বুঝতে পারল এই রমণী একজন বউ—অর্থাৎ বিবাহিত।

    ভালো করে দেখার পর দুর্জয়দা তাকে প্রশ্ন করল, ‘তুমিই তো জেটিতে দাঁড়িয়েছিলে, হাত নেড়ে আমাদের ডাকছিলে, তাই না?’

    বউটা প্রশ্নের জবাবে মাথাটা একটু ঝাঁকিয়ে বুঝিয়ে দিল, হ্যাঁ, সেই সেখানে ছিল।

    রিপন জানতে চাইল, ‘গ্রামের সব লোকজন কোথায়?’

    বউটা এবার উত্তর দিল, ‘সবাই ঝড়ের আগে দ্বীপ ছেড়ে চলে গেছে।’

    তুমি কি তবে একলাই এখানে আছ? জানতে চাইলেন দুর্জয়দা।

    বউটা সংক্ষিপ্ত জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, একাই।’

    তার উত্তর শুনে রিপন বলল, ‘তুমি একলা এ দ্বীপে পড়ে আছ কেন?’

    কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে বউটা বিষণ্ণভাবে বলল, ‘এ দ্বীপ ছেড়ে আমার অন্য কোথাও যাবার জায়গা নেই, কোথাও কেউ নেই বলে।’

    দুর্জয়দা বলল, ‘তোমার এই একলা দ্বীপে থাকতে ভয় করছে না? মাথার ওপর তো কোনও ছাদ নেই। খাঁড়ির ওপারেই তো জঙ্গল দেখা যাচ্ছে। যদি খাঁড়ি সাঁতরে বাঘ চলে আসে এখানে? তোমার বাঘের ভয় নেই?’

    দুর্জয়দার প্রশ্ন শুনে ঘোমটার আড়ালে মেয়েটা যেন এবার হাসল বলে মনে হল রিপনের। তারপর সে বলল, ‘আগে বাঘের ভয় পেতাম। কিন্তু এখন আর পাই না। এ দ্বীপে যখন অন্য লোকেরা এসে ঘর বানাল, তার আগেই থেকেই আমি এখানে আছি।’

    তার জবাব শুনে দুজনেই বেশ একটু আশ্চর্য হয়ে গেল। বাঘের ভয় নেই বউটার!

    সূর্য দ্রুত চলতে শুরু করেছে খাড়ির ওপাশের জঙ্গলের আড়ালে। রিপনদের এবার লঞ্চে ফিরতে হবে। দুর্জয়দা বউটাকে বললেন, ‘শহর থেকে লঞ্চ নিয়ে দ্বীপে দ্বীপে ত্রাণ বিলি করতে এসেছিলাম আমরা। এখানেও সে কাজেই এসেছিলাম। এবার ফিরে যাব। তুমি যদি আমাদের সঙ্গে যেতে চাও তো যেতে পারো। আমরা তোমাকে কোনও বড় দ্বীপে ফেরার পথে নামিয়ে দেব। যেখানে লোকজন আছে। একলা এ দ্বীপে থাকা কিন্তু নিরাপদ নয়।’

    একটু চুপ করে থেকে বউটা বলল, ‘না, আমি কোথাও যাব না।’

    তার জবাব শুনে দুর্জয়দা প্রথমে একটু মজার ছলেই তাকে বললেন, ‘তুমি এই দ্বীপে কোনও সোনাদানা গুপ্তধন লুকিয়ে রেখেছ নাকি যে এ জায়গা আঁকড়ে পড়ে আছ?’

    বউটা তার এ কথার কোনও জবাব দিল না। দুর্জয়দা এরপর তাকে বললেন, ‘ঠিক আছে, তুমি যখন যেতে চাইছ না তখন থাকো এখানে। তবে বস্তা দুটো রেখে দাও। ওতে কিছুটা চিড়ে, মুড়ি, জলের বোতল আছে। তোমার কাজে লাগবে। কবে আবার সব কিছু স্বাভাবিক হবে, লোকজন এখানে ফিরে আসবে, তার তো ঠিক নেই।’

    দুর্জয়দার এ কথা শুনে মেয়েটা তাদের একটু অবাক করে দিয়ে বলল, ‘না, ওসবেরও আমার কিছু দরকার নেই।’

    এবার আর কিছু করার নেই রিপনদের। তাই দুর্জয়দা চোখের ইশারাতে রিপনকে বলল, ‘চলো এবার ফেরা যাক।’

    দুর্জয়দা আর রিপন এরপর মাটি থেকে বস্তা দুটো উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল ঠিক এই সময় দাওয়া থেকে মেয়েটা নেমে দাঁড়াল। তারপর দুর্জয়দার উদ্দেশ্যে বলল, ‘তুমি একটু দাঁড়িয়ে যাও বাবু। তোমাকে একটা জিনিস দেখাব। সেটা দেখে তারপর ফিরো।’

    দুর্জয়দা মৃদু বিস্মিত কণ্ঠে বললেন, ‘কী জিনিস?’

    কিছু দূরে খাঁড়ির দিকে একটা বাড়ির ধ্বংসস্তূপ। সেখানে একটা মাত্র দেওয়াল খাড়া হয়ে এখনও দাঁড়িয়ে আছে। সেই মাটির দেওয়ালটার দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে বউটা বলল, ‘ওর পিছনে গেলেই সেটা দেখতে পাবে। দেওয়ালের পিছনে যে বড় গরান গাছটা দাঁড়িয়ে আছে তার নীচেই।’

    একথা বলার পর বউটা রিপনের দিকে ফিরে তাকিয়ে বলল, ‘আপনি এখানে দাঁড়িয়ে বস্তাগুলো পাহারা দিন বাবু। বাঁদরগুলো দূর থেকে দেখছে। বস্তা ছেড়ে গেলেই ওরা সঙ্গে সঙ্গে এসে বস্তা ছিঁড়ে খাবার নষ্ট করে দেবে। আমি বেশিক্ষণ সময় নেব না। ওই দেওয়ালের দিকে ভিজে মাটিতে বস্তা নিতে অসুবিধা হবে।’

    বউটার কথা শুনে দুর্জয়দা একটু ভেবে নিয়ে রিপনকে বললেন, ‘ঠিক আছে, তুমি এখানে দাঁড়াও। আমি চট করে দেখে আসি ও কী আমাকে দেখাতে চায়?’

    এ কথা বলে তিনি বউটাকে বললেন, ‘চলো, কী দেখাবে আমাকে?’

    বউটা এরপর দুর্জয়দাকে নিয়ে রওনা হল সেই বাড়িটার ধ্বংসস্তূপের দিকে। একই জায়গাতে একলা দাঁড়িয়ে রইল রিপন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুর্জয়দাকে নিয়ে বউটা অদৃশ্য হয়ে গেল সেই মাটির দেওয়ালের আড়ালে।

    কিন্তু মিনিট পাঁচেক সেখানে একলা দাঁড়িয়ে থাকার পর কেমন যেন অস্বস্তিবোধ শুরু হল রিপনের মধ্যে। দূরে দাঁড়ানো বাঁদরগুলো কেমন যেন অদ্ভুতভাবে একবার রিপনের দিকে তাকাচ্ছে, আর একবার তাকাচ্ছে দুর্জয়দারা যেদিকে অদৃশ্য হয়েছেন সেই দেওয়ালটার দিকে।

    সূর্য এবার অদৃশ্য হয়ে গেছে খাঁড়ির ওপাশের জঙ্গলের আড়ালে। আলো দ্রুত সরে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু দুর্জয়দার ওই দেওয়ালের আড়াল থেকে বাইরে আসছেন না কেন? জেটিতে ফিরতে তো অন্ধকার নেমে যাবে।

    আরও মিনিট পাঁচেক সময়ের পরও যখন দুর্জয়দা ফিরল না তখন রিপন কোনওরকমে দুটো বস্তাই তুলে নিয়ে এগোল সেই দেওয়ালের দিকে। কয়েক পা সেদিকে এগিয়ে রিপন বুঝতে পারল এ অংশটা ঢালু। বউটা ঠিকই বলেছিল। এদিকের মাটিও ভিজে। সম্ভবত খাঁড়ির জল এখানে উঠে এসেছিল।

    কাদা ভেঙে বাড়িটার কাছে রিপন পৌঁছে গেল। বাঁদরের দল এবার আর তাকে অনুরসণ করেনি। একই জায়গাতে তারা দাঁড়িয়ে। রিপনের সামনে ফুট দুয়েক উঁচু দেওয়াল আর তার ওপাশে বড় একটা গাছ। বস্তা দুটো মাটিতে নামিয়ে রিপন এগোল দেওয়ালের ওপাশে যাবার জন্য।

    চার

    কিন্তু দেওয়ালের কাছে গিয়েও দেওয়ালের ওপাশে গাছের নীচে দুর্জয়দা আর সেই বউটার অদ্ভুত কথোপকথন শুনতে পেয়ে রিপন থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। বউটা দুর্জয়দাকে বলছে—’তুমি এখনও চিনতে পারছ না এ জায়গা? এই গাছটা? খাঁড়িটা? তখনতো এখানে কেউ বাস করত না। এই খাঁড়িতেই তোমাদের লঞ্চটা এসে থেমেছিল। এই গাছের নীচেই ঘটেছিল সেই ঘটনাটা।’

    বউটার কথার প্রত্যুত্তরে দুর্জয়দার গলা শোনা গেল, ‘তখন থেকে কী আবল তাবল বকে চলেছ তুমি?’

    বউটা এবার বলল, ‘তুমি যখন এতবার আমি বলার পরও এ জায়গা চিনতে পারছ না তখন আমি তোমাকে ঘটনাটা মনে করিয়ে দিই বাবু। কাঁকড়া ধরতে দ্বীপে নেমেছিলাম আমি। যখন আমি এই গাছের নীচে গর্ত থেকে কাঁকড়া ধরছি তখন বাঘ এসে পিছন থেকে আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমাকে মাটিতে ফেলে দিয়ে আমার শাড়ি ছিড়তে শুরু করল। আমি বাঁচবার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু বাঘের শক্তির কাছে হার মানতে বাধ্য হলাম।’

    তার কথা শুনে দুর্জয়দা বলে উঠলেন, ‘কে! কে তুমি?’ কেমন যেন কাঁপা কাঁপা মনে হল দুর্জয়দার গলা।

    বউটা বলল, ‘তুমি আমাকে চিনতে না পারলেও আমি কিন্তু দূর থেকেই লঞ্চে দাঁড়ানো সেদিনের বাঘটাকে দেখেই চিনতে পেরেছিলাম। তাই তো হাতছানি দিয়ে তোমাকে ডাকলাম। তুমি আবার কবে এই সুন্দরবনে ফিরে আস, তার জন্যই তো এত বছর ধরে আমি এখানে অপেক্ষা করছিলাম। নাও, আমি ঘোমটা সরালাম। আমাকে চিনতে পারছ তুমি?’

    বউটার কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই দুর্জয়দার বিস্মিত কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ‘বাসন্তী তুমি! তুমি বেঁচে আছ?’

    বউটার কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ‘যাক বাবু, তুমি আমাকে চিনতে পারলে। তুমি সেদিন শুধু আমার শরীরটাকেই খেলে না। তারপর বাঘের মতো হাত দুটো দিয়ে আমার গলা দুটোও চেপে ধরলে। সে থাবা থেকে কি আমার মতো লোক বাঁচতে পারে বাবু? ঘাড়টাই আমার ভেঙে গেল। তারপরই একটা সত্যিকারের বাঘ ডাকল কোথাও। আমাকে এখানে ফেলে রেখে লঞ্চের দিকে ছুটলে তুমি।’

    এ কথা বলে একটু থেমে বাসন্তী নামের মেয়েটা হেসে উঠে বলল, ‘সেদিন তো তুমি বাঘ সেজেছিলে কিন্তু সুন্দরবনের বাঘ দেখেছ কখনো? বাঘ বা বাঘিনী?’

    আর এরপরই দুর্জয়দার প্রচণ্ড আতঙ্কিত চিৎকার আর একটা ঝটাপটির শব্দ রিপনের কানে এল!

    রিপন এতক্ষণ পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে তাদের দুজনের অদ্ভুত কথোপকথন শুনছিল। এবার আর সে নিজেকে স্থির রাখতে না পেরে এক ছুটে দেওয়ালের ওপাশে গিয়ে উপস্থিত হল। কিন্তু তার পরই এক ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে থেমে গেল সে। হাত কুড়ি তফাতে বিরাট বড় গাছটার গুঁড়ির নীচে মাটির ওপর পড়ে দুর্জয়দা। আর তার বুকের ওপর বসে তার ঘাড়টা কামড়ে ধরেছে একটা হলুদ রঙের বিশাল বাঘ! না বাঘ নয়, বিশাল একটা বাঘিনী!

    দৃশ্যটা দেখে নিজের অজান্তেই যেন একটা আতঙ্কিত চিৎকার বেরিয়ে এল রিপনের গলা থেকে। আর সেই চিৎকার শুনে ঘাড় কামড়ে ধরে থাকা অবস্থাতেই তার দিকে তাকাল বাঘিনী। কী ভয়ঙ্কর সেই চাহনি! আতঙ্কে কেঁপে উঠল তার শরীর। আর এর পরই ‘মট’ করে একটা শব্দ রিপনের কানে এল। সম্ভবত দুর্জয়দার ঘাড়টা ভেঙে দিল সে। তার পর দুর্জয়দার শরীর ছেড়ে রিপনের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে ঢাল বেয়ে বাঘিনী ছুটল খাঁড়ির দিকে। ছোট খাঁড়িতে নেমে দ্রুত সাঁতরে ওপারে উঠে কয়েক মুহূর্তর মধ্যেই ওপাশের জঙ্গলে অদৃশ্য হয়ে গেল সেই বাঘিনী।

    রিপনের সম্বিত ফিরতে কয়েক মুহূর্ত সময় লাগল। আতঙ্কিত রিপন সে জায়গা থেকে পালাবার জন্য আবার দেওয়ালের এ পাশে এসে ছুটতে শুরু করল। যে ভাবেই হোক লঞ্চে ফিরতে হবে। কিন্তু একটু এগিয়েই সে মুখোমুখী হয়ে গেল সারেঙ মাধব মণ্ডলের। রিপনদের খোঁজে সে এসেছে।

    তাকে দেখে রিপন আতঙ্কিত ভাবে বলল, ‘বাঘ! ওই যে সেই মেয়েটার সঙ্গে দুর্জয়বাবু, ওই যে ওই মাটির দেওয়ালের ওপাশে গাছের নীচে গেছিলেন। সেখানে তাকে একটা বাঘ এসে কামড়েছে। গাছের নীচেই পড়ে আছেন তিনি। আমার চিৎকার শুনে বাঘটা তাকে ছেড়ে খাঁড়ি সাঁতরে ওপারের জঙ্গলে পালিয়েছে।

    মাধব মণ্ডল এই জল-জঙ্গলেরই মানুষ। সাহসীও বটে। সে কথাটা শুনেই একটা ভাঙা ঘর থেকে একটা লম্বা বাঁশ তুলে নিয়ে ছুটল সেই দেওয়ালের দিকে। রিপনও কিছুটা সাহস ফিরে পেয়ে ছুটল তার সঙ্গে।

    চাপ চাপ অন্ধকার নামতে শুরু করেছে চারপাশে। দেওয়ালের ওপাশে গাছের নীচে পৌঁছে গেল তারা। সেখানে একইভাবে পড়ে আছে দুর্জয়দার দেহ। রক্ত আর বাঘের লোমে মাখামাখি সে দেহটা দেখেই রিপনরা বুঝতে পারল সে দেহে আর প্রাণ নেই। বাঘিনী দুর্জয়দার ঘাড়টা একদম ভেঙে দিয়েছে।

    দুর্জয়দার মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে মাধব মণ্ডল হঠাৎ বলে উঠল, ‘এ বাবুকে এবার আমি চিনতে পেরেছি। তাই আমার বাবুকে চেনা লাগছিল। সেবার যখন ইনি এখানে এসেছিলেন তখন এনার অর্ধেক বয়েস ছিল, আর দাড়িও ছিলো না। তাই চেনা লাগলেও চিনতে অসুবিধা হচ্ছিল। এখন চিনতে পারছি। সেবারও একজনকে বাঘে নিয়েছিল, এবারও মারল এই বাবুকে!’

    সারেঙ মাধব মণ্ডলের কথা শুনে বিস্মিত রিপন জানতে চাইল, তার মানে?

    সারেঙ খাঁড়ির ওপাশের জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এখানে আর আমাদের থাকা চলবে না। বাঘটা আবার খাঁড়ি পেরিয়ে ফিরে আসতে পারে। দেহটাকে এখনই উঠিয়ে ফিরতে হবে। চলুন আর দেরি নয়, যেতে যেতে সব বলছি।’

    মাধব মণ্ডল এরপর নিজের কোমরের গামছাটা ছিঁড়ে কোনওক্রমে বাঁশের সঙ্গে বেঁধে ফেলল দুর্জয় রক্ষিতের মৃতদেহ। তারপর মাধব মণ্ডল আর রিপন বাঁশের দু-প্রান্ত কাঁধে তুলে দুর্জয় রক্ষিতের ঝুলন্ত দেহ নিয়ে আধো অন্ধকারের মধ্যে দ্রুত রওনা হল জেটিতে ফেরার জন্য।

    গ্রাম থেকে বেরিয়ে জেটির রাস্তা ধরে চলতে চলতে সারেঙ মাধব মণ্ডল বলতে শুরু করল, ‘হ্যাঁ, এ বাবুই বছর কুড়ি আগে কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে সুন্দরবনে বেড়াতে এসেছিলেন। আমি তখন একটা লঞ্চে সারেঙের সহকারি হিসাবে কাজ করি। সেই লঞ্চেই এসেছিলেন বাবুরা। আসার সময় নামখানা থেকে একটা অল্পবয়সি বউকে লঞ্চে তুলেছিলাম আমরা। বউটার স্বামী তাকে ছেড়ে চলে গেছিল।

    সুন্দরবনে যারা বেড়াতে আসে তাদের লঞ্চে উঠে রান্না, বাসন ধোয়া এসব করত মেয়েটা। আর কখনও কখনও নানা দ্বীপের কাঁকড়া ধরে পেট চালাত। ওই রান্নার কাজেই মেয়েটাকে আমরা নিয়েছিলাম।

    যেদিন আমরা লঞ্চ ছেড়েছিলাম তার পরদিন বেলা বারোটা নাগাদ আমরা এই দ্বীপের পিছনের খাঁড়িতে ঘুরতে ঘুরতে উপস্থিত হলাম। দ্বীপটা দেখেই বউটা বলল, সে নাকি এ দ্বীপে বার কয়েক এসেছে কাঁকড়া ধরতে। পয়সা দিলে সে দ্বীপে নেমে কাঁকড়া আনতে পারে। তার কথা শুনে বাবুরা বললেন, ‘কাঁকড়া আনো। আমরা পয়সা দেব। মদের সঙ্গে ভালো চাট হবে।

    তখন এ দ্বীপে মানুষের বসবাস ছিল না। খাঁড়ির দুপাশে জঙ্গল। নীচে নামা বেশ ঝুঁকির কাজ। তবুও গরিব বউটা দুটো বাড়তি পয়সা পাবে ভেবে সারেঙ খাড়িতে নৌকা দাঁড় করাল। একটা হাড়ি নিয়ে লঞ্চ থেকে নেমে দ্বীপের জঙ্গলের আড়ালে ঢুকে পড়ল বউটা।

    এ বাবু সে সময়তে খুব ডাকাবুকো ধরনের ছিলেন। তিনিই দলের নেতা। বউটা জঙ্গলে ঢোকার কিছু পরে তিনিও আমাদের নিষেধ না শুনে অন্য বন্ধুদের কাছে তার সাহস দেখাবার জন্য লঞ্চ ছেড়ে নেমে জঙ্গলে ঢুকে পড়লেন। বউটার কাঁকড়া ধরা দেখার জন্য।

    আমরা অপেক্ষা করতে লাগলাম বউ আর এ বাবুর কাঁকড়া নিয়ে ফিরে আসার জন্য। কিন্তু আধ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এই দ্বীপের ভিতর বাঘের ডাক শুনতে পেলাম আমরা। আর তার পরই এই বাবু জঙ্গল থেকে ছুটতে ছুটতে বাইরে বেরিয়ে লঞ্চে উঠে বললেন, তার চোখের সামনেই নাকি একটা গাছের নীচ থেকে একটা বিরাট বড় বাঘ তুলে নিয়ে গেছে বউটাকে!

    তখন সেই বউটাকে খুঁজতে জঙ্গলে ঢোকা মানে আত্মহত্যার সামিল। সারেঙ তাই লঞ্চ ছাড়বার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছিল। নামখানায় নেমে সে বলেছিল বউটা নাকি বাসন্তীতে নেমে গেছে। ঘটনাটা পুরো চেপে যাওয়া হয়েছিল হাঙ্গামা এড়াতে।

    বউটার কেউ ছিল না। তাই খোঁজও করেনি কেউ। এর কিছুদিন পর এই ঘটনাটা কেমন ভাবে চাউর হয়ে যায়। এ দ্বীপের নাম হয় ‘বাঘে খাওয়া’ দ্বীপ। ভাগ্যের কী পরিহাস দেখুন, সে বার এই দ্বীপে বউটাকে বাঘে খেল! আর এবার বাবুকেই বাঘে মারল!’

    এ কথা বলার পর চলতে চলতে মাধব মণ্ডল একটু পরে আবার বলল, ‘হ্যাঁ, বউটার নাম এবার মনে পড়েছে। তার নাম ছিল বাসন্তী।’

    এ কথা শুনেই রিপনের শরীর বেয়ে একটা হিমেল রক্তের স্রোত বয়ে গেল। তার মনে পড়ে গেল বউটার সঙ্গে দুর্জয়দার কথোপকথন। আর বউটাই বা গেল কোথায়? মুহূর্তের মধ্যেই যেন পুরো ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে গেল তার কাছে। সারেঙ এরপর এ প্রসঙ্গে আর কোনও কথা না বলে ‘জয় বনবিবি, জয় কানুরায়’ ইত্যাদি নাম জপ করতে করতে দ্রুত পা চালাল।

    কোনও ক্রমে তারা যখন জেটিতে পৌঁছল তখন ঘন অন্ধকার নেমে গেছে। রিপনরা দেহটাকে লঞ্চে ওঠাতেই, সেই রক্তমাখা মৃতদেহ দেখে আর দুর্জয় রক্ষিতকে বাঘে মেরেছে শুনে ভয়ার্ত চিৎকার, শোরগোল শুরু হল। সারেঙ মাধব মণ্ডল অন্যদের থামিয়ে দিয়ে বলল, ‘চুপ, কেউ গোল করবেন না। বাঘ এসে লঞ্চে উঠে পড়তে পারে। এখনই খোলে নেমে যান আপনারা। এখনই এ তল্লাট ছেড়ে যেতে হবে, লঞ্চ ছাড়তে হবে।’

    তার কথা শুনে সবাই ভয় পেয়ে দুরদাড় করে নীচে খোলের মধ্যে নেমে গেল। সারেঙের সহকারী ছেলেটা নোঙর তুলে ফেলল। মাধব মণ্ডল তার কেবিনে গিয়ে ঢুকল। ঘর ঘর শব্দে লঞ্চের ইঞ্জিন চালু হয়ে গেল। জ্বলে উঠল সারেঙের কেবিনের মাথায় বসানো সার্চ লাইটের আলো। হতভম্ব, বাকরুদ্ধ রিপন তখনও ডেকের ওপর পড়ে থাকা বাঁশে বাঁধা রক্ষিতের রক্তাক্ত মৃহদেহর সামনে দাঁড়িয়ে।

    মুখ ফিরিয়ে ফিরে যাবার জন্য লঞ্চের মুখটা এবার ঘুরতে শুরু করেছে। সার্চ লাইটের আলো দ্বীপের পাড়টাতে। হঠাৎ ঘুরন্ত আলোটা কয়েক মুহূর্তের জন্য ছুঁয়ে গেল জেটিটাকে। আর সেই আলোতে রিপন হঠাৎই দেখতে পেল জেটির ওপরে গ্রামে ঢোকার মুখে দাঁড়িয়ে লঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছে একজন। সেই হলুদ ডুরে শাড়িপরা বউ অথবা একটা বাঘিনী! আর তারপরই সে অদৃশ্য হয়ে গেল অন্ধকারের মধ্যে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট
    Next Article গ্রীকদের চোখে ভারতবর্ষ – নির্বেদ রায়

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সূর্যমন্দিরের শেষ প্রহরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }