Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ১০

    ১০

    ভোরের দিকে হঠাৎ মোবাইলের আওয়াজে রুদ্রর ঘুমটা ভেঙে গেল। এমনিতে রাতে শোয়ার আগে রুদ্র নিয়ম করে কিছুক্ষণ প্রিয়মের সঙ্গে কথা বলে। ওর এখানে রাত এগারোটা হলে লন্ডনে তখন বিকেল সাড়ে পাঁচটা। প্রিয়ম তখন অফিস থেকে বাড়ি ফেরার বাসে থাকে। প্রিয়মের সঙ্গে কথা হয়ে গেলে রুদ্র ফোনটাকে সাইলেন্ট করে শুয়ে পড়ে। কিন্তু কাল সন্ধে থেকে যে ঝড়ঝাপটা ওর ওপরে আকস্মিক শুরু হয়েছে, ফোনটাকে সাইলেন্ট করার কথা মনেই ছিল না। তা ছাড়া কাল রাতে প্রিয়মকে ফোন করেও কিছুতেই লাইন পায়নি।

    তার ওপর, দমদম থেকে প্লেনে ওঠার আগে মা একবার ফোন করেছিলেন। সেও প্রায় ঘণ্টাখানেক হতে চলল। তখন প্রায় রাত হলে কী হবে, মায়ের গলার আওয়াজেই ও বুঝতে পারছিল মা কতটা আনন্দে রয়েছেন এতদিন পরে ওকে দেখবেন বলে। চেষ্টা করেও তাই এত বড়ো দুঃসংবাদটা ও আর তখন বলতে পারেনি। টুকটাক কথা বলে আবার শুয়ে পড়েছিল।

    ফলত, এখন রিং-এর আওয়াজে ও ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসল। বিছানার পাশেই রাখা ছোটো টেবিল থেকে ঘুমচোখে ফোনটা নিয়ে কানে দিল, ‘হ্যালো!’

    টেবিলের অ্যালার্ম ঘড়িতে তখন ভোর সাড়ে পাঁচটা।

    ওপাশ থেকে একটা পুরুষালি গলা ভেসে এল, ‘আপনার দেওয়া সমস্ত ডকুমেন্ট খুঁটিয়ে দেখলাম, কিন্তু যে ঠিকানা আপনাদের ব্যাঙ্কে দেওয়া আছে, সেই ঠিকানায় অঘোরেশ ভাট নামে এখন কেউ থাকেন না।’

    রুদ্র চোখটা ডলে ঘুমটা জোর করে তাড়াবার চেষ্টা করল, উঠতে চাওয়া হাইটাকে চাপতে চাপতে বলল, ‘ইনস্পেকটর খান! এত সকালে! কী ব্যাপার!’

    নাহুম খান বলে চললেন, ‘ভদ্রলোক আগ্রা ইউনিভার্সিটিতে পড়াতেন, বছর পাঁচেক ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন, পরে নিজের বাড়িতে উঠে যান। এর বেশি বাড়িওয়ালাও কিছু বলতে পারল না।’

    রুদ্র বিরক্ত হয়ে যাচ্ছিল মনে মনে, আবার একটা হাই তুলে বলল, ‘দেখুন আমি আমাদের কাছে যা যা ছিল সবই আপনাকে দিয়েছি। পেশা প্রফেসর লেখা চিল। আপাতত এখানকার সব কলেজগুলো দেখতে পারতেন তো!’

    ‘দেখেছি। কলেজ নয়, ভদ্রলোক আগ্রা ইউনিভার্সিটিতে পড়াতেন। কিন্তু কয়েক বছর আগে চাকরিটাও হঠাৎ ছেড়ে দেন।’

    রুদ্র চুপ করে রইল এবার। ও একে মরছে নিজের জ্বালায়, বাবা মা আজ আসছেন, তাঁদের নিয়ে ঘুরতে বেরোবে, না, যুক্তি সাজিয়ে অফিসের চিঠির উত্তর দেবে সেই নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। তার ওপর পুলিশ কীভাবে একটা লোককে ট্রেস করবে তা নিয়ে ওকে ভোররাতে ফোন করছে কেন সেটা ওর বোধগম্য হল না।

    নাহুম খান আবার বললেন, ‘তবে আরেকটা ক্লু পেয়েছি, সেইজন্যই আপনাকে ফোন করা।’

    রুদ্র কিছু না বলে চুপ করে রইল।

    ‘আপনার কাছে ব্রাঞ্চের চাবি আছে নিশ্চয়ই?’

    রুদ্র ভ্রূ কুঁচকোল, সঙ্গেসঙ্গে ওর মনে পড়ল, কাল অমিতকে ব্রাঞ্চের চাবিটা হ্যান্ডওভার করে দিয়ে আসতে ও একদম ভুলে গেছে, নিয়মমতো সাসপেনশনে থাকা ম্যানেজার চাবি নিজের হেফাজতে রাখতে পারে না।

    ও বলল, ‘হ্যাঁ, আছে। কাল দিয়ে আসতে ভুলে গেছি। কিন্তু চাবি দিয়ে কী হবে? আমি সাসপেনশনে আছি, গিয়ে এভাবে একা ব্রাঞ্চ খুলতে পারি না এখন।’

    ‘আপনি পুলিশ অর্ডারে করবেন।’ নাহুম খান বললেন, ‘আপনার বাড়ির ঠিকানাটা বলুন, আমরা তুলে নিচ্ছি আপনাকে। টেনশন করবেন না, আমরা সিভিল ড্রেসেই যাচ্ছি, এই ধরুন আটটার মধ্যে। আসলে ব্যাপারটা এতটাই ক্রিটিক্যাল আর আর্জেন্ট…!’

    ছেঁড়া ছেঁড়া ঘুম ভেঙে যাওয়ায় রুদ্রর কপালটা দপদপ করছিল, বিরসকণ্ঠে ও বলল, ‘কিন্তু আমি তো বেরিয়ে যাব স্টেশনে, আমার বাবা মা আসছেন আজ, রিসিভ করতে যেতে হবে।’

    ওপাশে রুদ্রর কথাটা আদৌ পাত্তা দেওয়া হল কি না কে জানে, কেজো গলায় শোনা গেল, ‘কোনো কাস্টমার ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে বাড়ি কিনলে বা তৈরি করলে সেটার কিছু ডিটেইলস তো ব্যাঙ্কের কাছে থাকে?’

    এমন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নে রুদ্র খানিকটা অবাক হয়ে বলল, ‘হ্যাঁ, থাকে তো অবশ্যই। কত টাকা লোন, কতগুলো কিস্তিতে শোধ হবে, সব ডিটেইলসই থাকে।’

    ‘আর?’ নাহুম খানের গলাটা যেন উদগ্রীব শোনাল, ‘আর কী থাকে?’

    রুদ্র কিছুক্ষণ ভেবে বলল, ‘বাড়ির লোন হলে সেক্ষেত্রে সেই বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে যতদিন না পুরো টাকা শোধ হয়।’

    ‘আর লোনটা শোধ হয়ে গেলে ওই দলিল আর ব্যাঙ্কের কাছে থাকে না?’

    ‘না, তখন কাস্টমারের দলিলের অরিজিন্যালটা ফেরত দিয়ে দিতে হয়। তবে, কপি থাকে ব্যাঙ্কের কাছে।’

    নাহুম খান বললেন, ‘হ্যাঁ, এই ব্যাপারটাই জানতে চাইছিলাম। আপনি অঘোরেশ ভাটের যে ডকুমেন্টগুলো আমাকে দিয়েছেন, তার মধ্যে একটা বহু পুরোনো লোনের ফাইল আছে, যাতে লেখা আছে ভদ্রলোক প্রায় কুড়ি বছর আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক থেকে বাড়ি তৈরির জন্য লোন নিয়েছিলেন। সেই লোন যদিও চুকেবুকে গেছে, কিন্তু সেই বাড়ির দলিলের ফটোকপি যদি খুঁজে পাওয়া যায়, তবে তো সেখানে ওই নতুন বাড়ির ঠিকানাটা থাকবে, তাই না?

    .

    নাহুম খান সাড়ে আটটা নাগাদ এলেন। সঙ্গে কালকের ভদ্রলোক নেই, শুধু আরেকজন অপেক্ষাকৃত তরুণ অফিসার, তাঁর মাথায় পাগড়ি, এই কুয়াশাঘেরা সকালেও চোখে কালো সানগ্লাস। নাহুম খান আলাপ করিয়ে দিলেন, ‘ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির অফিসার ভগতবীর সিং। আজই এসেছেন দিল্লি থেকে।’

    ভগতবীর সিং হাত বাড়িয়ে দিলেন করমর্দনের জন্য, হেসে বললেন, ‘আপনার ব্যাঙ্কে আমার অ্যাকাউন্ট আছে ম্যাডাম। কলেজে পড়ার সময় টিউশনির টাকা জমাতাম ওটায়।’

    রুদ্র হাসল, বলল, ‘আপনারা একটু বসুন, আমি রেডি হয়ে নিচ্ছি।’

    নাহুম খানকে দেখেই বোঝা যায়, সারারাত তিনি ঘুমোননি, চুল উশকোখুশকো, চোখ লালচে হয়ে রয়েছে, ক্লান্তির ছাপ সারা দেহে স্পষ্ট, ‘হ্যাঁ, শিয়োর। আমরা ওয়েট করছি।’

    রুদ্র ভেতরের ঘরে রেডি হচ্ছিল। আজকের কুয়াশা দেখে মনে হচ্ছে কনকনে হাওয়া চালাবে সারাদিন, লন্ডন থেকে কেনা লেদারের জ্যাকেটটা গায়ে চাপাল ও। প্রথমে ভেবেছিল একাই ওঁদের সঙ্গে গিয়ে ব্যাঙ্ক খুলে ওই দলিল বের করবে, তারপর মত পালটাল। সাসপেনশনে থাকার সময় এভাবে একা যাওয়াটা কেউ জানতে পারলে ও আরও বেশি ফেঁসে যেতে পারে। কাউকে না জানিয়ে কেন ও এভাবে গিয়ে ব্যাঙ্ক খুলেছে, সে-ব্যাপারে ওকে আবার শো-কজ করা হতে পারে। কী দরকার এর মধ্যে আবার জটিলতা বাড়িয়ে? তা ছাড়া একটা মর্টগেজ থাকা দলিল ছিল সেটা, লিখিত নথি ছাড়া তার কপি এভাবে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়াও যায় না, সেক্ষেত্রেও ওর অনুপস্থিতিতে অমিতের পারমিশন দরকার। তাই ও অমিতকে ফোন করে ব্যাঙ্কের সামনে অপেক্ষা করতে বলে দিয়েছে আগেই।

    ওর মনটা এমনিতেও ভালো লাগছিল না। কাল দুপুরে পর থেকে প্রিয়মের সঙ্গে কথা হয়নি। গতকাল রাতেও ফোনে পায়নি, এখনও কিছুক্ষণ অন্তরই চেষ্টা করে চলেছে, কিন্তু কিছুতেই কানেক্ট হচ্ছে না। একেই হাজার হাজার মাইল দূরে থাকে ওর বরটা, তার ওপর ফোনে না পেলে চিন্তা হয় না? স্কাইপ, ফেসবুকের মতো সবরকম সোশ্যাল মিডিয়াতেও চেষ্টা করেছে, কোথাওই প্রিয়ম উপস্থিত নেই। শরীর-টরীর খারাপ হল নাকি? দেখবে একবার ওর অফিসে ফোন করে? পরক্ষণেই মনে পড়ল এখন তো ওখানে গভীর রাত। বিকেলের দিকে অফিসে একবার ফোন করতে হবে।

    আজ এত বেলাতেও কুয়াশা বেশ ঘন হয়ে জমাট বেঁধে রয়েছে, এখানে বেশিরভাগ দোকানই এখনও তেমনভাবে খোলেনি। বালুগঞ্জ বাজার পেরিয়ে ওদের গাড়ি সদরবাজারে পড়তেই সিগনালে আটকে গেল। তখনই রুদ্রর চোখে পড়ল রাস্তার পাশের ফুটপাথের রেলিং-এ সার দিয়ে আটকানো রয়েছে শয়ে শয়ে পোস্টার। কী লেখা আছে, এতদূর থেকে সেটা চোখে না পড়লেও মোটা কালির ছাপা বলে পোস্টারগুলোকে একটু অন্যরকম লাগছে। হাওয়ায় সেগুলো পতাকার মতো পতপত করে উড়ছে।

    রুদ্র লক্ষ করল, পথচলতি মানুষ ধীরে ধীরে আগ্রহী হচ্ছে, দু-একজন দাঁড়াচ্ছে, লেখাটা পড়ছে, আবার নিজেদের মধ্যে সামান্য আলোচনাও করছে।

    রুদ্র ঝুঁকে দেখতে গেল কিন্তু সিগনাল সবুজ হতে ওদের গাড়িটা চলতে শুরু করল।

    নাহুম খান বললেন, ‘আপনি কি একাই থাকেন? বাড়ি কোথায় আপনার?’

    ‘হ্যাঁ।’ রুদ্র বলল, ‘কলকাতায় বাড়ি। এখন এখানে ট্রান্সফার হয়ে এসেছি।’

    ‘বাঙালি? আপনার পরিবারে কেউ নেই?’

    ‘কেন থাকবে না?’ রুদ্র বিরক্ত চোখে নাহুম খানের দিকে তাকাল, ‘স্বামী, বাবা, মা সবাই আছেন। বাবা মা কলকাতাতেই থাকেন, আজ আসছেন আমার কাছে কিছুদিন থাকবেন বলে। আর আমার হাজব্যান্ড অফিসের কাজে ইংল্যান্ডে থাকেন।’

    ‘আপনার ড্রয়িং রুমে একটা ছবি দেখলাম, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের সঙ্গে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন। ওটা কী ব্যাপারে?

    রুদ্র এবার মনে মনে বেশ রেগে গেল। নাহুম খান আর ওর সহকর্মী আসার পর ওঁরা কিছুসময় বাইরের ঘরে বসে ছিলেন, তখন রুদ্র তৈরি হচ্ছিল ভেতরে। ওই সময়েই তার মানে পুরো ঘরটা খুঁটিয়ে দেখেছে লোকটা।

    একে রুদ্রর মন ভালো নেই, তার ওপর এর প্রশ্নের যেন তুবড়ি ছুটছে সারাক্ষণ।

    পুলিশকে সহযোগিতা করা মানে কি নিজের কাজ, কর্তব্য সব কিছু বিসর্জন দেওয়া? আজ বাবা মা আসছেন কত আনন্দ নিয়ে, রুদ্রর অফিসের ঝামেলা, প্রিয়মকে ফোনে পাচ্ছে না, আর সেখানে সব ছেড়েছুড়ে ও এখন পুলিশের গাড়িতে করে ব্যাঙ্কে চলেছে।

    ও সংক্ষেপে ঘটনাটা বলল। জার্মানির সেই ব্যাপারটা নিয়ে ওখানে খুব হইহই হলেও এখানে তেমন কেউ জানে না। *তাতে একদিকে রুদ্রর সুবিধাই হয়েছিল। কীভাবে অ্যাডলফ হিটলারের ইউজেনিক্সকে নতুন করে প্রয়োগ করার মারণ ছক কষা হয়েছিল, কীভাবে ও ছুটিতে প্রিয়মের কাছে গিয়ে সেটা মধ্যে জড়িয়ে পড়েছিল, সেসব নিজে মুখে বলতে হলেই ও কেমন গুটিয়ে যায়, কী বলবে বুঝতে পারে না।

    একটু শুনেই নাহুম খানের চোখ-মুখ বেশ পালটে গেল, ‘বলেন কী! আপনি একা এতসব কাণ্ড করেছিলেন?’

    রুদ্র ব্যাজার মুখে বলল, ‘ধুর, আমি একা কেন করতে যাব! ইন ফ্যাক্ট, আমি কিছুই করিনি, জার্মান পুলিশই যা করার করেছিল, সঙ্গে আমার হাজব্যান্ডও ছিলেন।’ দ্রুত প্রসঙ্গ পালটাল ও, ‘যদি কিছু না মনে করেন, একটা প্রশ্ন করতে পারি আপনাকে?’

    ‘হ্যাঁ, বলুন?’ নাহুম ড্রাইভারকে সামনের বাঁ-দিকের রাস্তাটা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে রুদ্রর দিকে তাকালেন।

    ‘একটা লোকের অ্যাকাউন্টে অনেকটা টাকা ঢুকেছে। তাই নিয়ে আপনাদের মতো পুলিশের অফিসাররা এতটা উদবিগ্ন কেন?’ ভগতবীরের দিকে নির্দেশ করল ও, ‘উনি ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির লোক বললেন। আপনিও তো স্পেশাল সেলের অফিসার। এটা তো ইনকাম ট্যাক্সের দেখার কথা, তাই না!’ রুদ্র প্রশ্নটা না করে পারল না।

    নাহুম খান এবার বেশ গম্ভীর হয়ে গেলেন, ‘ম্যাডাম, আসলে কী বলব আপনাকে, আপনি আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন, তা ছাড়া আপনি জার্মানিতে এত বড়ো একটা অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে বলছি, আমাদের কাছে হেডকোয়ার্টারে গতকাল একটা ফোন আসে। বিদেশি কোনো ক্রিপ্টেড সার্ভারের মাধ্যমে স্পুফ করে ফোনটা করা হয়েছিল, তাই লোকেশনটা এখনও ট্র্যাক করা যায়নি। সেখানেই বলা হয় যে অঘোরেশ ভাট বলে একটা লোক খুব বড়ো একটা হামলার ছক কষছে। সেই ব্যাপারেই আপনাদের ব্যাঙ্কে বড়ো অঙ্কের একটা টাকা জমা পড়েছে। আর কারণটাও খুব অদ্ভুত এবং স্পর্শকাতর।’

    নিজে থেকে কারণটা জিজ্ঞেস করা উচিত হবে কি না রুদ্র বুঝতে পারল না, কিছু না বলে ও চেয়ে রইল নাহুম খানের দিকে।

    নাহুম খান একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘কাল রাত থেকে গোটা শহর শুধু নয়, পুরো আগ্রা জেলার ছোটো বড়ো রাস্তার আশেপাশে একটা পোস্টার পড়েছে। কারা যে রাতারাতি এত হাজার হাজার পোস্টার সাঁটাল সেটাই বের করার চেষ্টা চলছে। জনসাধারণের মধ্যে মিশ্র ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছে আস্তে আস্তে।’

    রুদ্র চট করে পেছনে ফেলে আসা পোস্টারগুলোর দিকে তাকাল, ওগুলোর কথাই কি বলছেন এই অফিসার?

    নাহুম খান বললেন, ‘তার মধ্যে আমাদের কাছে এই ক্রিপ্টেড ফোন। মনে হচ্ছে অঘোরেশ ভাট গোপন কোনো উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, যারা মনে করে তাজমহল মুঘল আমলে বানানোই নয়, ওটা তারও আগের এক হিন্দু শিব মন্দির ছিল, শাজাহান সেটাকেই মুমতাজের কবরখানায় পরিণত করেছেন।’

    রুদ্র চমকে উঠল, এই একই কথা কাল ও কাগজেও পড়েছে। কী যেন নাম সেই নিখোঁজ অধ্যাপকের?

    নাহুম খান বললেন, ‘অনেকবার এই নিয়ে আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার কাছে পিটিশন জমা পড়েছে, জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। আগ্রারই এক ইতিহাসবিদ এইসব করেছিলেন। তাজমহলের গর্ভগৃহে যেখানে মুমতাজ আর শাজাহানের কবর রয়েছে, তারও নীচে নাকি এখনও সেই শিবলিঙ্গ পোঁতা আছে।’

    ‘এটা কি সত্যি?’ রুদ্র অবাক হয়ে গেল।

    ‘দেখুন, সেটা তো বলতে পারব না।’ নাহুম খান কাঁধ ঝাঁকালেন, ‘সেটা ইতিহাসবিদদের কাজ, আমাদের নয়। কিন্তু আমাদের কনসার্ন হল, সরকারের তরফে অনুসন্ধানের ব্যাপারে কোনো পাত্তা দেওয়া হয়নি বলে ওই সংগঠন এখন তাজমহলে কোনোরকম নাশকতামূলক হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে তাজমহল ধ্বংস হয়ে গেলে মাটির নীচে শিবলিঙ্গ খোঁজা যায়।’

    ‘এটা ওই ফোনেই আপনাদের বলা হয়েছে?’ রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    ‘না।’ নাহুম খান মাথা নাড়লেন দু-পাশে, ‘ফোনে শুধু বলা হয়েছে অঘোরেশ ভাট নামে একজনের নেতৃত্বে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল তাজমহল যে আসলে শিবমন্দির ছিল, সেটা প্রমাণ করার জন্য ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনে সেখানে খুব বড়ো কোনো হামলা চালাবে। আর ওই পোস্টারগুলোতেও সেটাই লেখা আছে, শুধু নাম-ধাম কিচ্ছু নেই। আমাদের মনে হচ্ছে এর পেছনে মদত দিচ্ছে বিদেশি কোনো চক্র, তারাই এতে টাকা জোগাচ্ছে।’

    ‘প্রজাতন্ত্র দিবস তো কালকেই!’ রুদ্র বলল, ‘মানে হাতে আর চব্বিশ ঘণ্টাও সময় নেই!’

    ‘সেইজন্যই তো আমাদের পুরো হেডকোয়ার্টারের সকলের ঘুম উড়ে গেছে। দিল্লির এন আই এ অবধি পৌঁছে গেছে ব্যাপারটা, যে করে হোক, এটা আমাদের রুখতেই হবে। আরেকটা বাবরি মসজিদ কিছুতেই হতে দেওয়া যায় না।’ নাহুম খান পাশে বসে থাকা ভগতবীর সিংকে দেখিয়ে বললেন, ‘সিংজিকে পাঠানো হয়েছে আমাদের সঙ্গে তদন্তে থাকার জন্য, ঘণ্টায় ঘণ্টায় ওঁর কাছে প্রোগ্রেস চেয়ে ফোন আসছে। বুঝতেই পারছেন, কী চাপ। তার ওপর এই অঘোরেশ ভাট আগে আগ্রা ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাস পড়াতেন। এক মাস আগে ওই যে ইতিহাসবিদ আগে পিটিশন করেছিলেন, সেই নিজামুদ্দিন বেগ হঠাৎ নিরুদ্দেশ হয়ে যান, এখনও তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।’

    হ্যাঁ, নিজামুদ্দিন বেগ! রুদ্র বলল, ‘কালই কাগজে পড়ছিলাম, ওঁর বাড়িতে এখনও নাকি হামলা চলছে!’

    ‘হ্যাঁ, জানি। আমার এক কলিগ ওই কেসটার তদন্ত করছেন। উনিও তার আগে অনেকগুলো কলাম লিখেছিলেন যে, গত তিনশো বছর ধরে তাজমহল সম্পর্কে সব ইতিহাসই মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করা হয়েছে সত্যিটাকে, ভারত সরকারের উচিত অনুসন্ধান করে সত্যিটা দেশবাসীকে জানানো। ওইসব লেখার পর খুব গণ্ডগোল হয়, ওঁর বাড়িতেও বিক্ষোভ শুরু হয়, তখন কাগজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে লেখা বন্ধ করে দেন। তারপরেই উনি আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান। একাই থাকতেন, পাড়াপ্রতিবেশী বা সহকর্মীদের থেকেও কোনো কিছু ক্লু পাওয়া যায়নি। কোনো অ্যাক্সিডেন্টও হয়নি, সব জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রোগ্রেস নেই সেই তদন্তে, তার মধ্যে আবার এই নতুন উপদ্রব।’ নাহুম খানের ফোনটা আচমকা বেজে উঠল, ফোনটা রিসিভ করে ভদ্রলোক কিছুক্ষণ হুঁ-হাঁ করে কেটে দিলেন, ভগতবীরের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘মানটোলায় একটা খুন হয়েছে।’

    ভগতবীর আগ্রারই ছেলে, কিন্তু জায়গাটা চিনতে পারলেন না, ‘মানটোলা কোথায়? কে খুন হয়েছে?’

    নাহুম থমথমে মুখে বললেন, ‘মানটোলা আগ্রা ফোর্টের কাছে, মুসলমিপ্রধান অঞ্চল। সাউথ আগ্রা নির্বাচন কেন্দ্রের আওতায় পড়ে। যে খুন হয়েছে সে ওখানকার বিধায়ক মুজাফফর খান ওয়াইসির ডান হাত।’ কথাটা বলে মাথাটা দু-দিক থেকে চেপে ধরলেন উনি, ‘উহ, মনে হচ্ছে পাগল হয়ে যাব।’

    ‘মুজাফফর খান ওয়াইসি মানে সেই পাগল নেতা? যে হিন্দু হটাও স্লোগান তুলেছিল কয়েকদিন আগে?’ রুদ্র বলল। মনে পড়ল তখন ও সবে আগ্রায় এসেছে, রাস্তাঘাট জ্যাম করে মানুষকে চরম ঝামেলায় ফেলে মিছিল চলছিল ওদের।

    ‘কয়েকদিন মানে, ভোটের আগে। ওই করেই তো মানটোলার পুরো মুসলিম ভোটটা আদায় করল। ভুলভাল বকে কিন্তু ওর ইনফ্লুয়েন্স মারাত্মক, ওর একটা কথায় হাজার হাজার মুসলমান এককাট্টা হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ওর বাবা ছিলেন আগের বিধায়ক, তিনি ভালো ছিলেন, এইরকম বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা বলতেন না। ছেলে এসেই এইসব শুরু করেছে।’ নাহুম খান শঙ্কিত গলায় বলছিলেন, ‘যে খুন হয়েছে তার নাম গুল মহম্মদ, সে মুজাফফর খান ওয়াইসির একদম খাস পেয়ারের লোক ছিল। আজ ভোরে নাকি বাড়ি থেকে সবে বেরিয়েছিল, গুলিতে একদম ঝাঁঝরা করে দিয়েছে।’

    ‘অদ্ভুত!’ রুদ্র মুখ দিয়ে বিস্ময়বোধক একটা শব্দ করল, ‘একদিকে মুসলিমবিদ্বেষী পোস্টার পড়ছে শহরে, ইতিহাসবিদ নিরুদ্দেশ হচ্ছে, অন্যদিকে কট্টর মুসলিম নেতা খুন হচ্ছে, কেউ আবার পুলিশে উড়ো ফোন করছে যারা চায় না যে তাজমহল হিন্দু মন্দির ছিল এটা প্রমাণ হোক!’

    ‘তবেই ভাবুন আমাদের অবস্থা,’ নাহুম খান বললেন।

    ‘কিন্তু কারা এটা ফোন করে পুলিশকে জানাল? কেনই-বা জানাল?’ রুদ্র বলল, ‘জানানোর পেছনে একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে, অঘোরেশের ওই সংগঠনের প্ল্যান বানচাল করা, মানে অঘোরেশ ভাটের কোনো শত্রু যে বা যারা চায় না তাজমহল হিন্দু মন্দির এটা প্রমাণ হোক!’

    ‘এটা কীরকম কথা বললেন ম্যাডাম!’ নাহুম খান এবার কিছুটা উষ্মা প্রকাশ করলেন, ‘আমি মুসলমান বলে বলছি না, তাজমহল হিন্দু মন্দির না মুঘল স্থাপত্য সেটা প্রমাণ করার জন্য সেটাকে ধ্বংস করে দিতে হবে? তাজমহল ভারতবর্ষের গর্ব, পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটা!’

    ‘না না, আমি সেটা বলিনি!’ রুদ্র বলল, ‘তাজমহল একটা ঐতিহাসিক সৌধ, ধ্বংসের কথা আসছে কোত্থেকে! এ তো সেই বাবরি মসজিদের মতো কথা হয়ে গেল। আর তা ছাড়া তাজমহলে হামলা মানে আমাদের দেশের পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপরেই প্রশ্ন উঠে যাওয়া। ফোন যারা করেছে, তাদের উদ্দেশ্যটা কী, আমি সেটা বুঝতে চাইছিলাম।’

    ‘যাই হোক, আমাদের এখন নাওয়াখাওয়ার সময় নেই।’ নাহুম খান বললেন, ‘যদি আপনার অফিস থেকে নতুন কোনো ঠিকানা পাই, সেখানে গিয়ে যে করে হোক, ওই অঘোরেশকে আটক করতেই হবে।’

    রুদ্র কী-একটা বলতে যাচ্ছিল, গাড়িটা হঠাৎ বাঁ-দিকে টার্ন নিতেই শ্বেতশুভ্র তাজমহলের ঝকঝকে চূড়াটার দিকে ওর চোখ পড়ল। আগ্রায় আসার পর থেকে যতবার এর পাশ দিয়ে যাতায়াত করেছে, চরম ব্যস্ততার মুহূর্তেও মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থেকেছে, চারশো বছরেরও বেশি পুরোনো, অথচ এখনও কী জেল্লা, কী আভিজাত্য!

    রুদ্র হঠাৎ তাজমহল ছাড়া জায়গাটাকে ভাবতে চেষ্টা করল। পাশ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে যমুনা নদী, উলটোদিকে মেহতাববাগ আর আগ্রা ফোর্ট, এপাশে রানির মতো অবস্থান করছে তাজমহল। কিছুক্ষণ চেষ্টা করেও কল্পনায় তাজমহলহীন আগ্রার ছবি ও আঁকতে পারল না, শুধু মনে হল, এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা ছাড়া যেমন হিমালয় কল্পনা করা যায় না, তেমনই তাজমহল ছাড়া আগ্রা শহর ভাবা যায় না।

    নাহুম খানের আশঙ্কা একদম অমূলক। কোনো কিছুর বিনিময়েই তাজমহলে হামলা মেনে নেওয়া যায় না। কিছুক্ষণের জন্য অফিসের ঝামেলা ও মন থেকে ঝেড়ে ফেলল।

    দ্রুত গতিতে ফোনের বোতাম টিপল ও, ‘অমিত, আমরা এক্ষুনিই পৌঁছে যাচ্ছি ব্রাঞ্চে। তুমি কোথায়? শিগগিরি এসো।’

    …………

    * রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের দ্বিতীয় উপন্যাস নরক সংকেত দ্রষ্টব্য

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }