Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ৩৬

    ৩৬

    ‘এইরকম একটা মুদ্রা নিজামুদ্দিন পেল কোথায়?’ ড ব্রিজেশ মাথুর ফোনে প্রশ্ন করলেন।

    ‘উনি নাকি খাজুরাহোর ওখানে এক্সক্যাভেশনে পেয়েছিলেন।’ রুদ্র বলল, ‘সেই মুদ্রা দিয়েই যমুনার এপাশের মেহতাববাগ থেকে ওপাশে তাজমহলের নীচে পৌঁছোনো যায়।’

    ড মাথুর মুহূর্তে উত্তেজিত, ‘জাইলস টিলোটসনের একটা প্রবন্ধে পড়েছিলাম, তাজমহলের আগে সেখানে রাজা মানসিংহের একটা ছোটো প্রাসাদ ছিল। তুমি কাল বলার পরে আমি পড়াশুনো করলাম, শুধুমাত্র এই কারণেই আবদুল হামিদ লহরী বাদশাহনামাতে ওই জায়গাটাকে ”মঞ্জিল-এ-রাজা-মানসিং” লিখে গিয়েছিলেন। হতেই পারে মানসিংহই ওই সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। পরে তাজমহল বানানোর সময় শাজাহান আর সেটা নষ্ট করেননি।’

    রুদ্র ফোন রাখার আগে ড মাথুর বললেন, ‘শোনো, তুমি আমাকে কিন্তু যা হচ্ছে কিন্তু জানিয়ো।’

    দূরে মেহতাববাগের সাজানো গোছানো বাগানের পাঁচিল দেখা যাচ্ছে, এদিকে জঙ্গলের নিস্তব্ধতা ভেদ করে টেলিফোনে নাহুম খানের চিৎকারে আশপাশে দু-একটা পাখি এ গাছ থেকে ও গাছে ডানা ঝাপটিয়ে উড়ে যাচ্ছে।

    ‘হ্যালো আস্তিক, হ্যালো! কথাটা কেটে কেটে যাচ্ছে … হ্যালো, হ্যাঁ … তারপর? ওকে, তোমরা বেরোও, আমি আসছি … হ্যাঁ, স্যারকে বলো এদিকে সব ঠিক আছে, হ্যাঁ … হ্যালো …!’

    নাহুম খান প্রায় পাঁচ মিনিট কথা বলে ফোন রাখলেন, ‘চলুন, অনেক হয়েছে গুপ্তধনের খোঁজ করা। আর কিছুতেই দেরি করা যাবে না। ওদিকে কেস পুরো হেপাটাইটিস বি হয়ে গেছে। গুরগাঁওতে আজ যে বাচ্চা ছেলেটা নাগেশ সিং-এর স্ত্রীর হাত থেকে টাকা নিতে এসেছিল সে কবীরেরই নাম বলেছে, এদিকে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে দিল্লিতে যে বাড়ি দেখিয়েছে তার মধ্যে পাওয়া গেছে কস্তুরী শর্মাকে। ওকে কবীর ওখানে ফিট করে এসেছিল টাকাটা নেওয়ার জন্য। পুলিশ অতর্কিতে হামলা করায় শ্রীমতী পেছন দিক দিয়ে পালাবার চেষ্টা করছিলেন, শেষমেষ পারেননি।’

    ‘কস্তুরী শর্মাটা কে?’ রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    ‘নাগেশ সিং-এর তরুণী সেক্রেটারি।’ নাহুম খান ফিচেল হাসলেন, ‘তাঁর জন্যই নাকি নাগেশ সিং-এর ডিভোর্স হয় হয় অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইদানীং।’ পরক্ষণেই মুখটা সিরিয়াস করে ফেললেন, ‘মানে ভগতবীর বলছিল আর কি!’

    ‘তার মানে একদিকে কস্তুরী নাগেশ সিং-এর সেক্রেটারি হয়ে কাজ করছিল, অন্যদিকে কবীর খান নাগেশ সিং-এর মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফাঁসিয়ে কিডন্যাপের তাল কষছিল।’ রুদ্র বলল।

    ‘আরে, বললাম না … সিম্পল অ্যাবডাকশনের কেস, পেনাল কোড ৩৬২, একদম চোখ বুজে সাত বছরের হাজত বাস, চলুন চলুন… অনেক দেরি হয়ে গেছে এর মধ্যেই!’ নাহুম খান বললেন, ‘এখনও মেয়েটার কোনো ট্রেস পেলাম না।’

    ‘মানে আপনি বলছেন তাজমহলে কোনো কিছু অ্যাটাক-ফ্যাটাক নয়, কবীর আর কস্তুরী মিলে উজ্জয়িনীকে কিডন্যাপ করে পাতি টাকা আদায় করতে চেয়েছে?’ রুদ্র ভ্রূ কুঁচকে বলল।

    ‘আবার কী!’ নাহুম খান কাঁধ নাচালেন, ‘মেইন কনসার্ন ছিল আগ্রার ওইসব পোস্টার, সেও নাগেশ সিং-এর কীর্তি। ভালো মজা, যে ভিক্টিম সে-ই আবার ক্রিমিনাল!’ নাহুম খান হাসলেন।

    ‘তাহলে কবীর খান এক মাস ধরে কর্পোরেশনের প্রকল্পের সুপারভাইজার হয়ে এতগুলো সুড়ঙ্গের পথ খুঁজল কেন? কেনই-বা নাগেশ সিং-কে উজ্জয়িনীর বিনিময়ে প্রফেসর বেগকে আনতে বলল?’ রুদ্র প্রশ্ন করল।

    ‘ওফ, আপনি ম্যাডাম দেখছি পুলিশের ওপর দিয়ে যাচ্ছেন। অবশ্য ব্যাঙ্কের লোকগুলো একটু সন্দেহবাতিক হয় বটে, সোজা কথাকেও বাঁকা করে ধরে, ছেলে বাপের চেক নিয়ে গেলেও প্রশ্ন করে।’ নাহুম খান বললেন, ‘আরে বাবা, কবীর খান প্রফেসর বেগের কাছে কাজ করত। ওইসব লেখায় ঝামেলা শুরু হলে শিবলিঙ্গ থেকে থাকলে তা ধ্বংস করার জন্যই হোক, বা, প্রমাণ লোপাটের জন্য অন্য দল প্রফেসরকে অ্যাপ্রোচ করল কাজ বন্ধের জন্য। প্রফেসর ঘাড় ধরে বের করে দিলেন, ওরা কবীরকেও টোপ দিল, কবীর আর কস্তুরী একদিকে নাগেশ সিং-এর থেকে টাকা আদায়, অন্যদিকে এইসব খোঁড়াখুঁড়ি করতে লাগল। শেষমেষ এত সুড়ঙ্গ খুঁজে কিছুই পেল না, উলটে পুলিশ আসছে টের পেয়ে পালাল। সিম্পল অ্যান্ড স্ট্রেইট হিসাব, ম্যাডাম!’ নাহুম খান হাসলেন, ‘চলুন, চলুন। আরও দেরি হলে আমার চাকরিটাই যাবে এবার, আমাকেও একশো দিনের কাজে ঢুকে পড়তে হবে তাহলে। আজ দুপুরে তাজমহলে ভি ভি আই পি ভিজিট রয়েছে আবার, সেদিকটাও তদারক করতে হবে।’

    মেহতাববাগকে ঘিরে থাকা গোটা জঙ্গলটায় প্রায় একশো পুলিশকে কড়া পাহারায় বসিয়ে নাহুম খানের জিপ রওনা দিল।

    কেউ কোনো কথা না বললেও সবাই ভেতরে ভেতরে যেন ছটফট করছিল।

    পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রিয়ম বলল, ‘আজ তাজমহলে কী আছে? কারা আসছে?’

    ‘ও বাবা, এতক্ষণ তো আসল লোকই ছিলেন সঙ্গে, তাঁকে জিজ্ঞেস করতে পারতেন তো!’ নাহুম খান বললেন, ‘বারোটা ঝগড়ুটে দেশ আসছে। মানে দেশের প্রতিনিধি আর কি।’

    ‘ঝগড়ুটে দেশ মানে?’ প্রিয়ম সত্যিই বুঝতে পারল না।

    ‘ওহ, আপনি তো সদ্য এসেছেন, তাই জানেন না। কয়েকদিন ধরে আগ্রায় আর কোনো খবর আছে নাকি এ ছাড়া? বারোটা দেশকে ইনভাইট করা হয়েছে, যারা দিনরাত জোড়ায় জোড়ায় ঝগড়া করে। যেমন উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া, চীন-তিব্বত, ইরান-ইরাক, সিরিয়া-টার্কি, ব্রিটেন-আর্জেন্টিনা। আরও একটা জোড়া আছে… কী যেন।’ নাহুম খান মনে করার চেষ্টা করছিলেন, ‘ওহ, নিজেদেরই ভুলে গেছি, ভারত আর পাকিস্তান। আমেরিকাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল উত্তর কোরিয়ার কিম জং উনের সঙ্গে ঝামেলাটা মিটিয়ে ফেলতে, কিন্তু ওঁদের পায়া ভারী, আসবেন না।’

    ‘এইসব দেশ কী করবে আগ্রায়?’ প্রিয়ম বলল।

    ‘এদের প্রত্যেক জোড়াকে নাম দেওয়া হয়েছে পিস কাপল, মানে হল গিয়ে শান্তির জুটি। প্রত্যেকে এখানে শান্তির চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে, যাতে ভবিষ্যতে এঁরা কখনো একে অন্যের উদ্দেশে যুদ্ধ বা আক্রমণ না শুরু করে। নাগেশ সিং এই সম্মেলনের মূল আহ্বায়ক। ওঁদের এই অস্ত্রবিরতির দাবিতে একটা দলও আছে। নাগেশ সিং-এর বক্তব্য, এর ফলে এইসব দেশের যুদ্ধের খরচবাবদ প্রচুর টাকা বেঁচে যাবে যেটা ভালো কাজে লাগানো যাবে। আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারতের নামও উজ্জ্বল হবে।’

    ‘বাহ! প্রশংসনীয় উদ্যোগ তো!’ প্রিয়ম বলল, ‘এই নাগেশ সিং লোকটা সাদায় কালোয় মেশানো একটা আশ্চর্য ক্যারেকটার!’

    ‘হ্যাঁ, ভালো উদ্যোগ তো বটেই, চুক্তি হবে কাল। ভারতের বিদেশমন্ত্রীও আসবেন। কিন্তু আজ দুপুর একটায় ওইসব দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে তাজমহলে আমাদের স্বরাষ্ট্রসচিব একটা ভিজিট করবেন, ওই সবাইকে ঘুরিয়ে দেখাবেন আর কি। বুঝতেই পারছেন কীরকম লেভেলে সিকিউরিটির আয়োজন করতে হচ্ছে!’ নাহুম খান রুদ্রর দিকে তাকিয়ে ইশারা করলেন, ‘সেখানে ম্যাডাম যখন বললেন ওরা ভেতর দিয়ে আক্রমণ করবে, সত্যিই কমিশনার সাহেব থেকে শুরু করে আমরা সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এখন একটু রিল্যাক্সড লাগছে।’

    রুদ্র কিছু বলল না, ও বার বার লাইনগুলো আওড়াচ্ছিল, ‘রাজার দশজন রানি, কিন্তু তাদের ন-টি ঘর। এ কেমন নীতি?’

    ‘কিন্তু, রাজা পরমাদ্রিদেবের দশজন রানি ছিল, এমন কোনো ইঙ্গিত ইতিহাসে নেই। আর তা ছাড়া চান্দেলা সাম্রাজ্যের অধীশ্বর হয়ে তার রানিদের জন্য ঘর কম পড়বে, এ-ই বা কেমন কথা?’ প্রফেসর বেগ বললেন।

    ‘শেষ তিনটে শব্দই-বা কী বলছে?’ নাহুম খান বললেন, ‘দ্বন্দ্বমণ্ডলম কপাটসন্ধিকর্ণ।’

    ‘দ্বন্দ্বমণ্ডলম কথাটার মানে কী?’ প্রিয়ম বলল, ‘দ্বন্দ্ব মানে তো ঝগড়া, সেই আগেকারদিনের রাজারাজড়ারা দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন না?’

    ‘মণ্ডল মানে কোনো চক্র বা অঞ্চল। কোনো সমষ্টি বা গোষ্ঠীকেও মণ্ডল বলা হয়।’ প্রফেসর বেগ বললেন।

    ‘তার মানে ঝগড়ার চক্র? মানে যে গোষ্ঠী বা গ্রুপ ঝগড়া করে?’ প্রিয়ম বলল, ‘উহ, মাথা গুলিয়ে যাচ্ছে। একে তো মাথাব্যথা, তার ওপর এইরকম অদ্ভুত ধাঁধা।’

    রুদ্র উত্তর না দিয়ে পড়ল, ‘তারপর কপাটসন্ধিকর্ণ।’

    ‘কপোতসন্ধিকর্ণ … কপোত মানে পায়রা না? সন্ধি মানে মিটমাট করে নেওয়া। ওহ বুঝেছি! কপোত কপোতীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব মানে ঝগড়া করল, তারপর রণে ভঙ্গ দিয়ে কপোত কপোতীর সঙ্গে মিটমাট করে নিল।’ প্রিয়ম ঝলমলে মুখে রুদ্রর দিকে তাকাল, ‘সব স্বামীদের যা ধর্ম আর কি!’

    ‘আর কর্ণ?’ রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    ‘মহাভারতের কর্ণ নাকি বলো তো?’ প্রিয়ম মাথা চুলকোল।

    ‘ধ্যাৎ!’ রুদ্র রেগেমেগে মুখ ঘুরিয়ে নিল, ‘তা ছাড়া কথাটা কপাটসন্ধি, কপোতসন্ধি নয়।’

    ‘কপাট মানে তো দরজা, যাহ!’ প্রিয়ম মাথা চুলকোতে লাগল।

    ‘কপাটসন্ধি প্রাচীন বেদে প্রাথমিক ক্যালকুলেশনকে বলা হত। কথাটার আক্ষরিক অর্থ হল দরজা ও চৌকাঠের সংযোগস্থল, সেখান থেকেই প্রাচীন টোলে গণনা শিক্ষা দেওয়া হত।’ অঘোরেশ বললেন।

    নাহুম খান এবারে আর গাড়ির সামনে বসেননি, পেছনে ওদের সঙ্গেই বসেছিলেন, একটু এগিয়ে বসে হেলান দিয়ে চোখটা বুজে ফেললেন তিনি, ‘ওফ বাবা, কাল থেকে একটা ধকল গেল বটে! শালা আজ আমার অফ ছিল, পুরো দিনটাই খালাস।’ কথাটা আর শেষ করতে পারলেন না তিনি, আবার তাঁর ফোন বাজতে শুরু করল, ‘আবার কে রে বাবা … হ্যালো! হ্যাঁ বলো …কী? সে কী!’

    নাহুম খান পরক্ষণেই তাঁর আয়েশ করে বসে থাকা ভুঁড়িটাকে পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে নিয়ে সোজা হয়ে বসলেন, ‘মাই গড! নাগেশ সিং-এর মেয়েকে খুঁজে পাওয়া গেছে।’

    ‘কোথায়?’ রুদ্র অবাক হয়ে গেল।

    ‘যমুনা নদীর ওই পাড়ে, মানে তাজমহলের দিকের একটা ঘাটে, কাদায় জলে মাখামাখি অবস্থায় অচৈতন্য হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় লোকেরা দেখতে পেয়ে ওই থানায় খবর দেয়, তারপর এখন আমি খবর পেলাম।’

    ‘নদীতে ডুবিয়ে মারতে চেয়েছিল কেউ?’ প্রিয়ম জিজ্ঞেস করল।

    ‘মেয়েটার এখনও জ্ঞান ফেরেনি। প্রচুর জল ঢুকেছে পেটে। হসপিটালে ভরতি।’ নাহুম খান বললেন।

    ‘নাগেশের মেয়ে তো খুব ভালো সাঁতারু। আমাকে নাগেশ বলেছিল, প্রচুর প্রাইজ পেয়েছে সাঁতারে। জলে ডোবা তো ওর পক্ষে সহজ নয়।’ প্রফেসর বেগ বললেন।

    ‘দেখি গিয়ে আগে।’ নাহুম খান বললেন, ‘যাক, মেয়েটাকে যখন পাওয়া গেছে, কবীর খানকে ঠিক বের করে ফেলব। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাক, এ পিঠ বা ও পিঠ, হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে আসব আগ্রাতে।’ নাহুম খান হাতের মুঠি পাকালেন।

    ‘গাড়ি ঘোরান।’ রুদ্র বলল।

    নাহুম খান বেশ জোশে কথাগুলো বলছিলেন, রুদ্রর অস্বাভাবিক কর্কশ কণ্ঠে একটু অবাক হয়ে বললেন, ‘কিছু বললেন?’

    ‘এক্ষুনি গাড়ি ঘোরান।’ রুদ্র ঘড়ির দিকে তাকাল, সাড়ে ন-টা।

    ‘কোথায় ঘোরাব? মানে কোথায় যাব? কী বলছেন বলুন তো?’ নাহুম খান কিছুই বুঝতে পারছেন না।

    ‘বারোটা দেশের জনপ্রতিনিধি দুপুর একটায় তাজমহলে আসবেন বললেন, তাই না?’ রুদ্র বলল, ‘যদি তাদের সবাইকে বাঁচাতে চান, তাজমহলকে বাঁচাতে চান, ইমিডিয়েটলি গাড়ি ঘোরান মেহতাববাগের দিকে!’

    সবাই ওর দিকে হাঁ করে চেয়ে আছে দেখে রুদ্র বলল, ‘রাজার দশটা রানি, কিন্তু ন-টা ঘর। এটা কোনো সাংসারিক তথ্য নয়। এটা একটা অঙ্ক!’ প্রিয়মের দিকে তাকাল ও, ‘প্রিয়ম, বুঝতে পারছ না? তার মানে ন-টা ঘরের মধ্যে একটা ঘর এমন হতেই হবে, যেখানে দুটো রানি থাকবে।’

    প্রিয়ম কিছু বুঝতে পারছিল না, কিন্তু শেষ বাক্যতে চমকে উঠল, ‘Pigeon Hole Principle!’

    ‘কী বলছেন আপনারা আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না।’ নাহুম খান চটে গেলেন, ‘কী বলতে চাইছেন বুঝিয়ে বলবেন কি?’

    প্রিয়ম মনে মনে কী চিন্তা করছিল।

    ‘আমি বলছি।’ প্রিয়ম বলল, ‘পিজিয়ন হোল থিয়োরি বা পায়রার খোপ তত্ত্ব অঙ্কের একটা বিখ্যাত মতবাদ। জার্মান একজন গণিতজ্ঞ … কী যেন নাম।’ প্রিয়ম কিছুক্ষণ মনে করে বলল, ‘পিটার গুস্তাভ ডিরিকল। তিনি ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই থিয়োরিটা আবিষ্কার করেন। এর মানে হল, চারটে পায়রার খোপে পাঁচটা পায়রাকে রাখতে হলে একটা খোপে দুটো পায়রাকে রাখতেই হবে।’

    ‘তা চারখানা খোপ থাকলে আর পাঁচটা পায়রা থাকলে একটা খোপে দুটো পায়রাকে রাখতে হবে, সে তো জানা কথাই! এটা থিয়োরি কী করে হল?’

    ‘বলছি।’ রুদ্র বলল, ‘রাজার দশটা রানি, কিন্তু ন-টা ঘর। তার মানে, একটা ঘরে একটা রানিকে বেশি থাকতে হবে।’ ও মুহূর্তে নকশাটা খুলল, ‘এখানে আমরা ঘর মানে ভাবছি ওপরের ন-টা প্রকোষ্ঠকে, তা কিন্তু নয়। ওটা বিভ্রান্ত করতেই দেওয়া হয়েছে। শেষ লাইনটা লক্ষ করো।’

    দ্বন্দ্বমণ্ডলম কপাটসন্ধিকর্ণ।

    ‘কপাটসন্ধিকর্ণ। গোটা অঞ্চলকে কর্ণ বরাবর ভাগ করো।’

    রুদ্র নকশায় বড়ো করে দাগ টানল।

    ‘কর্ণ বরাবর গোটা চন্দ্র উদ্যানকে ভাগ করে যে চারটে প্রকোষ্ঠ পাওয়া যাচ্ছে, তাতে লক্ষ করো, একমাত্র ডান দিকের, অর্থাৎ, যমুনা নদীর দিকের প্রকোষ্ঠটায় চারটে সুড়ঙ্গ, বাকিগুলোতে তিনটে করে। তার মানে ওই প্রকোষ্ঠের যে চারটে সুড়ঙ্গ, তার মধ্যে যেকোনো একটা আসল।’ রুদ্র বলল।

    ‘কোনটা?’ প্রফেসর বেগ বললেন।

    ‘এবার প্রথম শব্দটা দেখুন। দ্বন্দ্বমণ্ডলম। দ্বন্দ্ব মানে যেমন ঝগড়া, তেমনই দ্বন্দ্ব মানে বিপরীত, অর্থাৎ উলটোদিক। মণ্ডল মানে অঘোরেশজি বললেন চক্র, চক্র মানে বৃত্ত মানে কোনো সার্কল।’ রুদ্র হাঁপাচ্ছিল, ‘তার মানে বিপরীতদিকের বৃত্ত। ওই ডান দিকের প্রকোষ্ঠে বৃত্তের ওপর সুড়ঙ্গ একটাই রয়েছে।’

    ‘তার মানে…!’ বিস্ময়ে উত্তেজনায় প্রফেসর বেগ কাঁপতে শুরু করলেন।

    ‘ওই ডানদিকের সুড়ঙ্গের কেন্দ্রই আসল সুড়ঙ্গের প্রবেশমুখ। তাজমহলের মধ্যে আসলে এই Pigeon Hole Theory-র কনসেপ্ট লুকিয়ে রেখে গিয়েছিলেন সেই অনামা গণিতজ্ঞ। জানি না তিনি শাহাজানের সমসাময়িক না রাজা মানসিংহের না ওই চান্দেলা রাজার!’ রুদ্র বলেই ঠোঁট কামড়াল, ‘তবু সব ক্রেডিট পশ্চিমের।’

    ‘তাই তো দেখছি!’ নাহুম খান বললেন, ‘পাই থেকে শুরু করে এইসব অঙ্কের থিয়োরি, সবই তো আমাদের দেশে অনেক আগে আবিষ্কার করা হয়েছে তাহলে!’

    রুদ্র মাথা নাড়ল, চিন্তিতমুখে বলল, ‘কিন্তু, ওই গোল বৃত্ত কি এখন আর আছে?’

    প্রফেসর বেগ আবেগে রুদ্রর হাতটা চেপে ধরলেন, কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন, ‘গোল জায়গা আছে তো! মেহতাববাগের একদম সামনে যমুনা নদীর পাড়েই বাঁধানো একটা ভাঙাচোরা গোল জায়গা আছে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }