Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ১৭

    ১৭

    দুপুর পেরোতে-না-পেরোতেই অঘোরেশের আবার ফোন এল সুরঞ্জনের কাছে।

    পূরবী তখন খেয়ে উঠে একটা বই নিয়ে বসেছেন। কমপ্লেক্সের মধ্যে হওয়ায় মেন রোডের মোটামুটি কাছে হলেও গাড়িঘোড়ার কোলাহলটা এখানে খুব একটা এসে পৌঁছোয় না, মোটামুটি নিরিবিলিই বলা চলে। সুরঞ্জন বসে একটা পুরোনো ইংরেজি সিনেমা দেখছিলেন। সুরঞ্জনই ট্যাবে করে নিয়ে এসেছিলেন, গ্রেগরি পেকের পুরোনো মুভির দারুণ কালেকশন আছে ওঁর কাছে। কয়েক মাস আগে জন্মদিনে রুদ্র এখান থেকে ট্যাবটা পাঠিয়েছিল সুরঞ্জনকে উপহার হিসেবে। তারপর থেকেই সুরঞ্জন ট্যাবটাকে যতরকমভাবে পারা যায়, ব্যবহার করে চলেছেন।

    আসলে ট্যাবটা পেয়ে সুরঞ্জন ভারি খুশি হয়েছেন। কোথাও গেলেই বইয়ের ভারে ব্যাগ আর ভারী হবে না। পাতা উলটে বুকমার্ক করার ঝামেলা নেই, পুরোনো কোনো কিছু দেখতে গেলে শুধু শব্দটা লিখে সার্চ করলেই চট করে বেরিয়ে যায়। অনেক ভালো ভালো সিনেমা মেমারি কার্ডে লোড করে রাখা যায়। পুরোনোপন্থীরা যে যা-ই বলুক, সুরঞ্জন এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনগুলোকে ইতিবাচকভাবেই নেন। পুরোনোকে সরিয়ে নতুন আসবেই। প্রযুক্তি, মানসিকতার পরিবর্তন তো সভ্যসমাজের অগ্রগতির পরিচায়ক, সেদিক থেকে মুখ ফিরিয়ে পুরোনোমাত্রেই ভালো, এই ধারণা আঁকড়ে থাকলে তো মানুষ আজও প্রস্তর যুগেই পড়ে থাকত!

    অঘোরেশ এবার আর মিসড কল দিলেন না। রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে তাঁর গমগমে গলা সুর করে ভেসে এল, ‘হ্যালো, লিটল বুদ্ধা!’

    সুরঞ্জন হিন্দিতেই বললেন, ‘বল। কখন পৌঁছোলি বাড়ি? সকালে ফোন করলাম তোর মিসড কল দেখে, তুললি না তো!’

    অঘোরেশ বললেন, ‘ওসব পরে হবে, শোন, তোর সঙ্গে একটা দরকারি কথা আছে, খুব আর্জেন্ট।’

    সুরঞ্জন একটু থমকে গেলেন। সকালেও অঘোরেশ এই কথাটাই বলছিলেন বটে। কিন্তু, আজ ভোরে ট্রেনে দু-জনের দেখা হওয়াটা তো নেহাতই কাকতালীয় ব্যাপার। চল্লিশ বছর আগেকার বন্ধুকে কি এত গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার থাকতে পারে?

    সুরঞ্জনের মনে পড়ে গেল, পূরবী অঘোরেশকে খুব একটা পছন্দ করেননি। আগ্রায় থাকার পরিকল্পনা মোটামুটি মাসখানেকের, তার মধ্যে অঘোরেশ আসা-যাওয়া শুরু করলে পূরবী যে আদৌ খুশি হবেন না, তা সুরঞ্জন বিলক্ষণ জানেন। কিন্তু পুরোনো বন্ধুকে সোজাসুজি কিছু বলতে ভদ্রতায় বাধে।

    তার ওপর সত্যিই হয়তো অঘোরেশের কিছু প্রয়োজন আছে। কোনো কিছু সমস্যার জন্য দোলাচলে রয়েছে সে, পরামর্শের জন্য বার বার ফোন করছে।

    সুরঞ্জন বললেন, ‘কী কথা?’

    ‘আমি ইতিহাসের একটা খুব বিতর্কিত অধ্যায় নিয়ে অনেক দূর এগিয়েছি, এমন কিছু সত্য আবিষ্কার করেছি যেগুলো দিল্লির মসনদ কাঁপিয়ে দিতে পারে। সেই ব্যাপারেই তোর সঙ্গে একটু ডিসকাস করতে চাই। তুই চাইলে আমার সঙ্গে কাজও করতে পারিস, তোর মতো বিচক্ষণ লোক আমার দরকার।’

    সুরঞ্জন অবাক হয়ে গেলেন, তারপর বললেন, ‘বেশ তো, আয় না আজ বিকেলে আমাদের এখানে। ঠিকানাটা বলব?’

    অঘোরেশ বললেন, ‘না না, তোর বাড়ি যাব না, ব্যাপারটা একটু সিক্রেট। তুই বরং একটা কাজ কর। আমার বাড়ি চলে আয়। এখুনি আয় না!’

    সুরঞ্জন ফোনটা চেপে ধরে রুদ্রর দিকে তাকালেন। রুদ্র উৎসুক চোখে চেয়ে আছে। সুরঞ্জন ভাবলেন পূরবী বই পড়ছেন পড়ুন, বসেই তো আছেন, বাপ মেয়ে মিলে পুরোনো বন্ধুর বাড়ি থেকে ঘুরে এলেই হয়!

    সুরঞ্জন আর আপত্তি করলেন না। অঘোরেশের কথা শুনে ব্যাপারটায় বেশ কৌতূহল হচ্ছে, পূরবী অসন্তুষ্ট হতে পারেন ভেবে ওঁকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানাতে কিন্তু কিন্তু করছিলেন, অঘোরেশের বাড়ি যাওয়ার প্রস্তাবটা তাঁর ভালোই লাগল।

    অঘোরেশ বললেন, ‘সদরবাজার চিনিস তো? ধুলিয়াগঞ্জে? তোর আসার দিক থেকে সদর বাজারের আগেই বালুগঞ্জে আমার বাড়ি। তুই এক কাজ কর, একটা ট্যাক্সি নিয়ে চলে আয়, আমি একদম বাসস্টপে দাঁড়িয়ে থাকব।’

    সুরঞ্জন বললেন, ‘না না, ঠিক আছে। আমার মেয়েকেও নিয়ে যাচ্ছি, তোর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। ও তো মোটামুটি সবই চেনে এখানে।’

    ফোনটা রাখতে রুদ্র একটু অনিচ্ছার ভঙ্গিতে বলল, ‘এই তো এলে তোমরা, এখন আবার কোথায় যাবে? তোমার সঙ্গে আমার একটা ব্যাপারে একটু আলোচনা ছিল।’

    পূরবী শুনতে পেলে রাগারাগি করবেন, সুরঞ্জন রুদ্রকে ইশারায় আস্তে কথা বলতে বললেন, ‘এসে শুনছি না হয়। এখন চল না! কলেজ লাইফের বন্ধু, বার বার ডাকছে। কী করে না বলি বল তো! একটু বাদেই চলে আসব না হয়! তোর মাকে কিছু বলতে হবে না।’

    আধ ঘণ্টা বাদে বাবা মেয়ে বেরিয়ে পড়ল। শীতের দুপুর, তবু রোদের তেজ ভালোই রয়েছে। অটোয় উঠে রুদ্র কোতূহল থেকেই ফোন করল নাহুম খানকে, ‘ধরতে পারলেন?’

    ‘নাহ!’ নাহুম খানের হতাশ গলা পাওয়া গেল ওপাশ থেকে, ‘বাড়ি তালা মারা। আশপাশে জিজ্ঞাসা করলাম, বলল পাগলাটে বুড়ো, কখন আসে, কখন যায় কোনো ঠিকঠিকানা নেই। আমি এখন আগ্রা ইউনিভার্সিটিতে এসেছি, যদি আরও কিছু খোঁজ পাওয় যায়!’

    ‘ওকে। ধরতে পারলে জানাবেন। আর কোনোরকম হেল্প লাগলেও ফোন করবেন।’ রুদ্র ফোন রেখে দিল, ‘বাবা, তোমার এই বন্ধু কোন কলেজে পড়ান?’

    ‘আগ্রা ইউনিভার্সিটিতে।’ সুরঞ্জন বললেন।

    রুদ্র চুপ করে গেল। অঘোরেশ ভাটও তো ওখানেই পড়াতেন, ভালোই হবে, বাবার এই বন্ধুর কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য পেলেও পাওয়া যেতে পারে। একই বিষয় যখন, নিশ্চয়ই চিনবেন।

    বাড়ি খুঁজে পেতে খুব একটা বেগ পেতে হল না। দয়ালবাগ থেকে একটা ট্যাক্সি নিয়ে সোজা চলে এলেন, তারপর রাকবগঞ্জ থানা পেরিয়েই অঘোরেশের সুবিশাল দেহটা রাস্তার ডান দিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন তিনি। আশ্চর্য, সেই সকালের পোশাকই এখনও ওর পরনে, বাড়ি গিয়ে কি জামাটাও ছাড়েনি?

    ওঁর দাড়ির দিকে চোখ যেতে পূরবীর কথা মনে পড়তেই সুরঞ্জন একটু সন্ত্রস্ত হয়ে একটু দূরত্ব রেখে চলতে লাগলেন।

    অঘোরেশ কোনো কথা বললেন না, রুদ্রর দিকে একবার তাকিয়েই চলতে শুরু করলেন। সুরঞ্জন আর রুদ্র পিছু নিল।

    এই বালুগঞ্জ অঞ্চলটা বেশ অভিজাত এলাকার মধ্যেই পড়ে, বেশ ফাঁকা ফাঁকা খোলামেলা প্লটের ওপর একটা করে বাড়ি, সামনে পেছনে ছোটো জায়গাও আছে, অনেকটা সল্টলেকের মতো।

    অঘোরেশের বাড়িটাও তেমনই, একটেরে একতলা বাড়ি, দেখে বোঝা যায় একসময় বেশ যত্ন নিয়ে করা হয়েছিল বাড়িটা। সামনে ছোট্ট একফালি লন, যদিও নিয়মিত দেখভালের অভাবে বড়ো বড়ো আগাছা জন্মে গেছে তাতে। সামনের একদিক গ্যারাজ, আর অন্যদিক দিয়ে ঢোকার রাস্তা।

    অঘোরেশ পকেট থেকে চাবি বের করে তালা খুললেন। রুদ্র আশপাশটা ভালো করে দেখছিল, গোটা গলিটা নির্জন। শুধু একটা কুকুর অলসভাবে শীতের রোদে ঘুমোচ্ছে। দূরে একটা চায়ের গুমটি, দুপুর বলে সেটা মনে হয় বন্ধ। সেখানে একটা লোক চাদর মুড়ি দিয়ে বসে আছে। আর কেউ কোথাও নেই।

    বাড়িতে ঢুকে ডাইনিং হলে এসে সুরঞ্জন বেশ চমকে গেলেন। বাড়ির তুলনায় ডাইনিংটা বেশ বড়ো, অন্য ঘরগুলো হয়তো আকারে ছোটো হবে। কিন্তু ডাইনিং-এ বসার কোনো আসবাব নেই তেমন, ঘরের এক কোণে একটা সোফা সেট উলটিয়ে রাখা রয়েছে, জায়গার সাশ্রয় করতে যেমন করে রাখা হয়। আর পুরো ফ্লোর জুড়ে একটা পুরোনো জীর্ণ হয়ে যাওয়া কার্পেটের ওপর স্তূপাকৃতি বই। সেগুলোও অবিন্যস্তভাবে সাজানো, কেজি দরে বই বিক্রি করার সময় যেমন অনাদরে ফেলে রাখা হয়, ঠিক তেমনভাবেই হেলায় পড়ে রয়েছে রাশি রাশি বই।

    পুরো ঘরটায় একটা সোঁদা পুরোনো গন্ধ! রুদ্র আড়চোখে বাবার দিকে একবার তাকিয়েই নজর ফেলল বইগুলোর দিকে।

    সবই প্রায় ইতিহাসের বই।

    সুরঞ্জন বেশ বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞাসা করেই ফেললেন, ‘কী রে? বইয়ের আলমারি নেই নাকি বাড়িতে? এরকমভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ফেলে রেখেছিস?’

    অঘোরেশ মিটিমিটি হেসে বললেন, ‘যাদের সবসময় লাগে, তাদেরকে বার বার জায়গা পালটিয়ে বিরক্ত করি না, তার চেয়ে যেমন আছে তেমনই থাক। বোস এখানে’, ঝুঁকে পড়ে বইগুলোকে একদিকে সরাতে সরাতে বললেন অঘোরেশ, ‘তোদের জন্য আমি একটু কফি করে আনি। আমিও তোদের সঙ্গেই বাড়ি ঢুকছি, সকালে স্টেশনে নামার পর থেকে অনেকগুলো কাজ ছিল।’

    কেমন একটা ভ্যাপসা গন্ধে ভরে আছে গোটা ঘরটা, তার মধ্যে অঘোরেশ কাছে এলেই সেই বিশ্রী নোংরা গন্ধে নাক বুজে আসছিল। সুরঞ্জনের মেজাজটা তেতো লাগছিল। না এলেই পারতেন! পূরবী ঠিকই বলেছিলেন। কিন্তু এখন আর কিছু করার নেই। মনে মনে ঠিক করলেন, আধ ঘণ্টার মধ্যেই উঠে পড়বেন এখান থেকে।

    অঘোরেশ ভেতরে যাওয়ার পরেই সুরঞ্জন রুদ্রর দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করলেন, ‘অঘোরেশটা সত্যিই মনে হচ্ছে খ্যাপাটে হয়ে গেছে রে! দুম করে না এলেই ভালো হত!’

    রুদ্র তীক্ষ্নচোখে সামনের বইগুলো দেখছিল, প্রথমে বাবার কথাটা যেন শুনতে পেল না, ‘উঁ? কী বলছ?’

    সুরঞ্জন পুনরাবৃত্তি করতে যাওয়ার আগেই ও বিস্ফারিত চোখে বাবার দিকে তাকাল, ‘কী নাম বললে? কী নাম তোমার এই বন্ধুর?’

    সুরঞ্জন রুদ্রর আকস্মিক প্রশ্নে একটু অবাক হয়ে গেলেন, ‘বললাম তো, অঘোরেশ। অঘোরেশ ভাট।’

    রুদ্র চোখ বড়ো বড়ো করে কিছু বলতে গেল, তার আগেই ভেতরের ঘরে অথচ দৃঢ় গলায় কথাবার্তা শুনতে পেল ওরা দু-জনে। অঘোরেশ যেন কাউকে কফি বানাতে বলছেন, এবং ওইপক্ষ থেকে সম্ভবত না-বাচক কথা শুনে অঘোরেশ একটু উঁচু গলায় উষ্মা প্রকাশ করছেন, একতরফাই চলছে বাকবিতর্ক।

    সুরঞ্জন একটু অপ্রস্তুত হয়ে পড়লেন, যদিও অঘোরেশ নিজে কিছু বলেননি, তবু ওর চালচলন দেখে তিনি ভেবেছিলেন অঘোরেশ বিয়ে-থা করেননি। সুরঞ্জনের জন্য কফি বানাতে বলছেন বলেই কি ওর স্ত্রীর এত অসন্তোষ?

    খুব বিব্রত হয়ে সুরঞ্জন মেয়েকে বললেন, ‘কী রে, চেঁচামেচি হচ্ছে নাকি বল তো? গিয়ে দেখব ভেতরে?’

    রুদ্র যেন শুনতেই পেল না, ও ততক্ষণে নাহুম খানের মোবাইলে চেষ্টা করছে, কিন্তু এই বদ্ধ ঘরের জন্যই হোক বা অন্য কোনো কারণে কিছুতেই নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না।

    সুরঞ্জন দেখলেন রুদ্রর চোখ-মুখ যেন পালটে গেছে, মুখে ঘোরাফেরা করছে একরাশ উদবেগ।

    সুরঞ্জন বলতে গেলেন, ‘কী হয়েছে তোর? এরকম করছিস কেন? কাকে ফোন করলি?’

    তার আগেই রুদ্র চাপা গলায় বলল, ‘যে করে হোক, একে এখন আটকে রাখতে হবে বাবা, তোমায় পরে সব বলছি! এখন কিছু জিজ্ঞাসা কোরো না। পুলিশ ডাকছি এখুনি!’

    ‘পুলিশ!’ সুরঞ্জন অবাক হয়ে চুপ করে গেলেন। একবার ভাবলেন ভেতরে গিয়ে দেখবেন, তারপর ভাবলেন সেটা ঠিক ভদ্রতার দিক থেকে সমীচীন হবে না। আবার হুট করে অঘোরেশকে না বলে চলেও যাওয়া যায় না। ওদিকে রুদ্র ফোনে খুটখাট করে যাচ্ছে, কথা বলতে গেলেই ঠোঁটে আঙুল দিয়ে চুপ করতে বলছে। বাধ্য হয়ে তিনি সামনে রাখা বইগুলোর দিকে মনোনিবেশ করলেন।

    ধুলোমাখা বইয়ের সারির মধ্যে বেশিরভাগই ভারতের মধ্যযুগের ইতিহাসের বই। মুঘল সময়ের জীবনযাত্রা, সাধারণ মানুষ, শিক্ষা এসবের ওপর বিভিন্ন ইতিহাসবিদের লেখা বই। এর মধ্যে কিছু বই সুরঞ্জন নিজেও পড়েছেন। শাজাহানের সময় ভারতে আসা ব্যবসায়ী টাভারনিয়েরের লেখা, আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরী, আরও বেশ কিছু পুরোনো বইয়ের ইংরেজি ভার্সান দেখতে পেলেন তিনি। কিন্তু সেগুলোর ওপরের পুরু ধুলোর প্রলেপ দেখে তাঁর আর হাত দিতে ইচ্ছে হল না।

    বরং এদিক-ওদিক তাকাতে তাকাতে একটু দূরে জানলার পাশে একটা নীচু টুলের ওপর রাখা একটা জিনিসের দিকে তাঁর চোখ চলে গেল। সিল্ক কাপড়ের ওপর জানলার বাইরে দিয়ে নরম রোদ এসে জিনিসটা চকচক করছে বলেই বোধ হয় চোখ পড়ল ওদিকে।

    সুরঞ্জন উঠে এসে জিনিসটা হাতে নিলেন। লম্বায় দেড় ফুটের কিছু বেশিই হবে, চওড়ায় প্রায় এক ফুট সিল্কের কাপড় দিয়ে মোড়ানো একটা বস্তু।

    সুরঞ্জন ওপরের মলাটটা খুললেন। মোটা এক ধরনের শক্ত কাগজের একটা বই। প্রতিটা পৃষ্ঠার চারপাশটা সোনালি রঙের ডিজাইন দেওয়া বর্ডার। সুরঞ্জনের অভিজ্ঞ চোখ দেখেই বুঝে নিল এটা কোনো পুরোনো পাণ্ডুলিপি। বর্ডারের ডিজাইনটাও চিনতে পারলেন তিনি, এই ধরনের গোল্ড আরবি ডিজাইন দিয়ে আগে বই বানানো হত।

    সুরঞ্জন চোখ সরু করে জরিপ করতে লাগলেন, যতদূর মনে পড়ছে, এই ডিজাইনটা সতেরো আঠারো শতকে খুব চলত, পার্সি কাজ।

    রুদ্র উঠে গিয়ে জানলার পাশে দাঁড়াতেই একটা অদ্ভুত ব্যাপার হল, সড়াৎ করে যেন বাইরের পাঁচিল থেকে কেউ একটা সরে গেল। ও সঙ্গেসঙ্গে হাততিনেক দূরে পাশের জানলাটায় গেল, কিন্তু পাল্লাটা খুলল না, সামান্য ফাঁক করে দেখল ওই চায়ের গুমটিতে বসে থাকা চাদর মুড়ি দেওয়া লোকটা সরে যাচ্ছে বাড়ির পাঁচিলের পাশ থেকে, যদিও তার দৃষ্টি এইদিকেই।

    রুদ্রর ভ্রূ কুঁচকে গেল, কী হচ্ছে কেসটা? এই বাড়িটার ওপর কেউ নজর রাখছে?

    অন্যমনস্কভাবে ও বাবার দিকে তাকাল, ‘কেন ওসব ঘাঁটছ?’

    সুরঞ্জন শুনতেই পেলেন না, তিনি সাবধানে বইটার পাতা উলটোলেন এবং মুগ্ধ হয়ে গেলেন। একটা দুর্ধর্ষ তেলরঙে আঁকা ছবি প্রথম পাতাতেই, ছবিটা দেখেই তিনি চিনতে পারলেন, চোদ্দো শতকের সেই দুনিয়া কাঁপানো স্বৈরাচারী মোঙ্গল যোদ্ধা তৈমুর লং। মাথায় সেই চৈনিক মুকুট, পরনে যুদ্ধের পোশাক। ছবিটার নীচে ছোটো ছোটো হরফে কিছু লেখা। এক নজরে সেগুলো উর্দু মনে হলেও সুরঞ্জন বেশ চিনতে পারলেন, এটাকে বলা হয় ন্যাস্টালিক ক্যালিগ্রাফি, একধরনের পার্সি-আরবি মেশানো হরফ যেটা মধ্যযুগে সম্ভ্রান্ত পরিবারে লেখার জন্য খুব প্রচলিত ছিল।

    পুরো পাণ্ডুলিপিটাই অসাধারণ সমস্ত হাতে-আঁকা ছবিতে ভরতি, সঙ্গে ন্যাস্টালিক ক্যালিগ্রাফিতে প্রচুর লেখা রয়েছে। বেশিরভাগ ছবিই রাজদরবারের, হাতিঘোড়া সহযোগে সম্রাটের আড়ম্বরপূর্ণ শাসনকালের ছবি, ঘোড়ায় চড়ে পাহাড়ি উপত্যকায় যুদ্ধজয়ের ছবি, এ ছাড়াও আরও একটা পোর্ট্রেট দেখার সঙ্গেসঙ্গে সুরঞ্জন চিনতে পারলেন। পঞ্চম মুঘল সম্রাট শাজাহান।

    সন্দেহটা অনেকক্ষণ ধরে মনের মধ্যে ঘনীভূত হচ্ছিল, অবশেষে আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন কর্তা নিশ্চিত হলেন।

    ‘এই বইটার নাম বাদশাহনামা, পার্সি উচ্চারণে পাদশাহনামা আর আরবি উচ্চারণে বাদশাহনামা। শাজাহানের সভাসদ আবদুল হামিদ লহরীর লেখা শাজাহানের জীবনচরিত। এটা অরিজিন্যাল পাণ্ডুলিপি!’ সুরঞ্জন ফিসফিস করে বললেন রুদ্রকে, ‘প্রায় চারশোর কাছাকাছি বছরের পুরোনো!’

    রুদ্র চাপা গলায় বলল, ‘এটা এঁর কাছে এল কী করে?’

    দরজার কাছে একটা মৃদু শব্দ হতে সামনে তাকিয়ে নিজের অজান্তেই সুরঞ্জনের বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল। রুদ্রও সেদিকেই তাকাল চমকে উঠে।

    দরজার কাছে কফির কাপ হাতে অঘোরেশ দাঁড়িয়ে। তাঁর অন্তর্ভেদী দৃষ্টি সুরঞ্জনের হাতে ধরা পাণ্ডুলিপিটার দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }