Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ২৫

    ২৫

    সুরঞ্জন এসে নিজের ফোনটা হঠাৎ এগিয়ে দিলেন রুদ্রর দিকে, ‘এই নে। কথা বল।’

    রুদ্র আর প্রিয়ম তখনও শোবার ঘরেই বসে ছিল। রুদ্র মনে মনে যথেষ্ট বিধ্বস্ত, ফোনে নাহুম খানের কথাগুলো শোনার পর থেকে ছটফট করছে ও, প্রিয়মের আগমনটাও যেন ঠিক করে উপভোগ করতে পারছে না। এখন বাবার দিকে তাকিয়ে ও প্রথমে বুঝতে পারল না, বলল, ‘কার সঙ্গে কথা বলব আবার?’

    সুরঞ্জন চাপা গলায় বললেন, ‘কেন, ব্রিজেশ মাথুর! নিজেই তো বললি কী জানতে চাইবি। এত বছর পরে সতীশের থেকে নম্বর নিয়ে যোগাযোগ করলাম, ঠিক চিনতে পেরেছেন আমায়। একসময় কত এসেছেন আমাদের অফিসে! নে ধর।’

    বাবা এতটা সক্রিয় হয়ে পড়বেন, রুদ্র সত্যিই ভাবেনি, ও তাড়াতাড়ি ফোনটা কানে দিল, ‘হ্যালো, নমস্কার ড মাথুর।’

    ওপাশ থেকে ব্রিজেশ মাথুরের ঋজু গলা ভেসে এল, ‘নমস্কার। ড সিংহরায় আমাকে সব বললেন। নিজামুদ্দিন বেগের সেই কলাম নিয়ে বোধ হয় আপনার কিছু প্রশ্ন আছে?’

    ‘আপনি আমাকে তুমি করে বলুন স্যার! আমি অনেক ছোটো। আমি ড সিংহরায়ের মেয়ে রুদ্রাণী।’ রুদ্র বলল, ‘শুধু নিজামুদ্দিন বেগ নয়, তাজমহল সম্পর্কে কয়েকটা তথ্য পাচ্ছি যা সত্যি হলে সত্যিই তেজো মহালয় নিয়ে প্রশ্ন জাগছে। ওই ব্যাপারেই…।’

    ‘বেশ। বলো।’

    ‘স্যার, শাজাহানের সভাসদ আবদুল হামিদ লহরী কি সত্যিই বাদশানামাতে লিখে গিয়েছেন যে, রাজা মানসিংহের প্রাসাদে শাজাহানের স্ত্রী মুমতাজকে কবরস্থ করা হয়েছিল?’ রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    ‘কে বলছে এইসব বোগাস কথা?’ ড মাথুর সঙ্গেসঙ্গে প্রতিবাদ করলেন, ‘অরিজিন্যাল বাদশানামা কে চোখে দেখেছে যে এইসব পড়ে শোনাবে? সেটা তো রয়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবারের রয়াল লাইব্রেরিতে! ন্যাস্টালিক ক্যালিগ্রাফিতে লেখা সেটা। বাদশানামা-র অজস্র অনুবাদ হয়েছে গত কয়েকশো বছরে, একেকজন অনুবাদক অনুবাদের সময় নিজেদের কল্পিত তথ্য মিশিয়ে দিয়েছেন তার মধ্যে।’

    রুদ্র আড়চোখে সুরঞ্জনের দিকে তাকাল, বলল, ‘মানে আপনি বলছেন তাজমহলের সঙ্গে রাজা মানসিংহ বা তাঁর পৌত্র জয়সিংহের কোনো সম্পর্কই নেই?’

    ‘কেন থাকবে না?’ ড মাথুর বললেন, ‘তখনকার অনেক ইতিহাসবিদই এই ব্যাপারে একমত যে ওই জায়গাটা ছিল জয়সিংহের। শাজাহান ওই জায়গাটা জয়সিংহের থেকে চেয়ে নিয়েছিলেন, পরিবর্তে জয়সিংহকে আগ্রায় অনেকটা ভূখণ্ড দান করেছিলেন। সেখানে শাজাহান তাজমহল বানান। ব্যস এইটুকুই!’

    ‘মানে ওই প্রাসাদ তার আগে ছিল না?’

    ‘আচ্ছা, তুমি একটা কথা বলো তো, সারা ভারতের অধীশ্বর মুঘল সম্রাটের কি এতই দৈন্যদশা যে একটা পুরোনো প্রাসাদকে টেক ওভার করবেন?’ ড মাথুর রুদ্রকেই প্রশ্ন করলেন, ‘নিজামুদ্দিন লিখেছিল শুধু তাজমহল নয়, সব মুঘল আর্কিটেকচারই নাকি আসলে হিন্দু স্থাপত্য ছিল! কী হাস্যকর কথাবার্তা! তাহলে ওই সময়ের মধ্যপ্রাচ্যের স্থাপত্যের সঙ্গে এগুলোর এত মিল হল কী করে?’

    রুদ্র বলল, ‘চান্দেলা বংশের একজন রাজা নাকি…!’

    ‘চান্দেলা রাজা পরমাদ্রিদেব রাজত্ব করেছিলেন ১১৬৫ থেকে ১২০৩ খ্রিস্টাব্দ অবধি। তখন চান্দেলা রাজাদের ক্ষয়িষ্ণু দশা। পরমাদ্রিদেবের যে পূর্বপুরুষেরা খাজুরাহোর মন্দিরগুলো বানিয়েছিলেন তাঁদের তুলনায় পরমাদ্রিদেবের শক্তি অনেক কমে গিয়েছিল। তার ওপর তাঁর রাজত্বকালেই মহম্মদ ঘোরী ভারত আক্রমণ করেছিলেন। এইরকম টালমাটাল পরিস্থিতিতে নিজের মধ্যভারতে অবস্থিত রাজধানী থেকে বহু দূরে এমন ব্যয়বহুল মন্দির বানানো সম্ভবই ছিল না পরমাদ্রিদেবের। তা ছাড়া আগ্রা অঞ্চলটাই ছিল চান্দেলা রাজত্বের বাইরে।’

    রুদ্র ব্যাপারটা হৃদয়ঙ্গম করতে করতে বলল, ‘হ্যাঁ, ঠিকই। তা ছাড়া খাজুরাহোর মন্দিরগুলোর সঙ্গে তাজমহলের তো কোনো মিলই নেই!’

    ‘তবে? শোন, এই সমস্ত চমকপ্রদ এবং বাজার গরম করা বিতর্ক উসকে দিয়ে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়া যায়, কিন্তু ইতিহাস পালটায় না, বুঝেছ?’

    নাহুম খান আর ভগতবীর সিং যখন রুদ্রর ফ্ল্যাটে এলেন, তখন ঘড়ির কাঁটা রাত এগারোটা ছুঁই ছুঁই। এই অস্থিরতার মধ্যেই পূরবী সুরঞ্জনদের একরকম জোর করে রাতের খাওয়া খাইয়ে দিয়েছেন, অঘোরেশও কোনো প্রশ্ন করেননি, চুপচাপ খেয়ে নিয়েছেন, তারপর তাঁকে শুতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে পাশের গেস্টরুমে। রুদ্র একবার ভেবেছিল ওঁর স্ত্রীর ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করবে, কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে ভেবে আর করেনি।

    রুদ্র প্রত্যেকের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিতে-না-দিতেই নাহুম খান অস্থিরভাবে বললেন, ‘অঘোরেশ ভাট কোথায়?’

    রুদ্র ইশারায় ওঁকে নিয়ে গিয়ে দেখাল যে অঘোরেশ গভীর নিদ্রায় মগ্ন। নাহুম খান একটু আশ্বস্ত হয়ে বসলেন, কিন্তু কড়া নজর রাখলেন ওদিকে।

    সুরঞ্জন বললেন, ‘আচ্ছা, সত্যিই কি অঘোরেশের স্ত্রী বেঁচে নেই?’

    ‘না, বললাম তো আপনার মেয়েকে! উনি বহু বছর আগে কাশ্মীরের দাঙ্গায় খুন হয়েছেন।’ নাহুম খান সকলের দিকে একবার তাকিয়ে অসহিষ্ণুভাবে রুদ্রকে বললেন, ‘আপনি কী বলে এরকম একটা ডেঞ্জারাস লোককে বাড়ি নিয়ে এলেন? জানেন, অপরাধীকে সাহায্য করার অপরাধে আপনি ফেঁসে যেতে পারেন? আমরা কী চাপের মধ্যে রয়েছি কোনো ধারণা আছে আপনার? আমাদের একটা হঠকারী ডিসিশন আগ্রাকেও ওই ১৯৯০ সালের কাশ্মীরে পরিণত করতে পারে। রায়টে ছারখার হয়ে যেতে পারে গোটা শহর।’

    ‘সে তো হবেই! তাজমহলে কিছু হলে কাশ্মীরের মতো এখানেও আগুন জ্বালাবে মুসলমানরা।’ সুরঞ্জন সায় দিয়ে বললেন, ‘আপনি দেরি করবেন না। আগে অঘোরেশের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন, ও-ই পুরোটা ব্যাপারটা বলতে পারবে।’

    নাহুম খান এবার সোজা হয়ে বসে সুরঞ্জনের দিকে তাকালেন। শান্ত গলায় বললেন, ‘কাশ্মীরে মুসলমানরা সেদিন আগুন জ্বালায়নি স্যার, জ্বালিয়েছিল পাকিস্তানপন্থী এক উগ্রপন্থী টেররিস্ট দল। টেররিস্ট, জঙ্গিদের কোনো ধর্ম হয় না! একজন হিন্দুও মানুষ মারতে পারে, আবার একদম মুসলমানও দয়ালু হতে পারে, সবই মানসিকতার ওপর নির্ভর করে, ধর্মের ওপর নয়।’

    ‘একদমই তাই।’ রুদ্র তাড়াতাড়ি পরিস্থিতি সামাল দিল, বাবা মনে হয় খেয়ালই করেননি নাহুম খানের নামটা ও বলল, ‘ওসব কথা ছাড়ুন, দেখুন মি খান, আমার মনে হয় না যে আদৌ কালকের তাজমহল ব্লাস্টটা অঘোরেশের প্ল্যান।’

    এবার ভগতবীর সিং বললেন, ‘কী বলছেন, ম্যাডাম! আমরা এখন ওঁর বাড়ি থেকে আসছি। জানেন বাড়িতে কী পাওয়া গেছে?’

    রুদ্র না জানার ভান করে বলল, ‘কী?’

    ‘দু-শোর ওপর পিস্তল আর প্রচুর গ্রেনেড।’ নাহুম খান বললেন, ‘এর পরেও আপনি বলবেন যে অঘোরেশ ভাট নির্দোষ, ওঁকে ফাঁসানো হয়েছে?’

    ‘হ্যাঁ, বলব।’ রুদ্র জোর গলায় বলল, ‘আপনারা ওপরমহলের চাপে ঠিকমতো মাথা ঘামাতে পারছেন কি না জানি না, আমি বলব অঘোরেশ ভাটকে ফাঁসানো হচ্ছে। এটা একটা ট্র্যাপ।’

    নাহুম খান বিরক্ত গলায় বললেন, ‘তাহলে অঘোরেশ ভাটের বাড়িতে এত আর্মস কেন? ওঁর অ্যাকাউন্টে এত টাকা ঢুকছে কেন?’

    রুদ্র বলল, ‘আমি সব বলছি। আমি অঘোরেশ ভাটের বাড়িতে গিয়ে যেটুকু জেনেছি, সেটাই আপনাদের বলছি। তারপর আপনাদের যা ভালো মনে হয় করুন।’ একঝলক দু-জনের দিকে তাকিয়ে নিল ও, ‘আমি যখন বাবার সঙ্গে ওঁর বাড়ি গিয়ে জানতে পারি উনিই সেই ব্যক্তি, যাকে আপনারা খুঁজছেন, প্রথমেই আপনাকে ফোন করে খবর দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু আপনি ফোন ধরেননি। তারপর উনি আর আমার বাবা আলোচনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আমি লক্ষ করি উনি ইতিহাসের মধ্যেই বুঁদ, একটু খ্যাপাটে গোছের লোক। এর মধ্যে একটা লোক যে আমাদের বাড়িতে ঢোকা পর্যন্ত বাইরে থেকে নজরে রাখছে বুঝতে পারি। ও যে আপনাদেরই লোক সেটা এখন বুঝছি অবশ্য। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই একটা শব্দ হয়, আমি পেছনের বারান্দায় গিয়ে দেখি ওই বন্দুকসমেত বস্তাটা পড়ে আছে। আমার তখন সন্দেহ হয়।’ রুদ্র ভ্রূ কুঁচকে তাকাল, ‘আপনারা বলতে চাইছেন ওই পোস্টারের হুমকিমাফিক ওই ক-টা আর্মস দিয়ে কাল তাজমহলে ব্লাস্ট করা হবে? ওই ক-টা পিস্তল আর গ্রেনেড দিয়ে তাজমহল উড়ে যাবে?’

    ‘উড়ে না যাক, তাজমহল ওড়ানোর জন্য হয়তো আরও বড়ো প্ল্যান ছকে রাখা আছে, এটা আশপাশের মানুষের মধ্যে ত্রাস তৈরির জন্য ব্যবহার করা হবে।’ নাহুম খান যুক্তি দেখালেন।

    ‘তাই যদি হবে, অঘোরেশ ভাট, যে কিনা আপনাদের মতে এত বড়ো নাশকতার ছক কষছে, সে নিশ্চয়ই একা নয়, তার দলবল আছে। এবং তারাই আপনাদের কথা অনুযায়ী পোস্টারগুলো সেঁটেছে। তাহলে তাঁর দলবল কি এতই বোকা যে উনি ওঁর বাড়িতে আমাদের নিয়ে এসেছেন তবুও দেখিয়ে দেখিয়ে বারান্দা দিয়ে টুক করে সব আর্মস গলিয়ে ফেলে দিয়ে যাবে? আর অঘোরেশের মাথায় এত বড়ো প্ল্যান থাকলে খামোখা উনি আমার বাবাকে ডেকে সব জানাতেই-বা যাবেন কেন?’

    ‘আপনি কী বলতে চাইছেন বলুন তো?’ ভগতবীর এবার বললেন।

    ‘আমি যেটা বলতে চাইছি, একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবলে আপনারাও বুঝতে পারবেন। আপনাদের কি এটা মনে হচ্ছে না যে কেউ বা কারা অঘোরেশকে শিখণ্ডী হিসেবে সামনে দেখিয়ে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করছে? অঘোরেশ ভাটের বিরুদ্ধে সবক-টা অভিযোগই যেন ভীষণভাবে স্পষ্ট, আপনাদের দপ্তরে ফোন করে বলা হল অঘোরেশ ভাট উগ্র হিন্দুত্ববাদী, তাঁর সংগঠন তাজমহল ওড়াবে, তারপরেই অঘোরেশের অ্যাকাউন্টে আনআইডেন্টিফায়েড সোর্স থেকে প্রচুর টাকা ঢুকে গেল, তারপরেই যেন অঘোরেশকে চোখে আঙুল দেখিয়ে দেখানোর জন্যই আগ্রা শহরে পোস্টার পড়ে গেল, তারপর পুলিশ যেকোনো মুহূর্তে আসতে পারে জেনেও বাড়িতে আর্মসের বস্তা রাখা রইল, এই সবগুলোই কেমন সাজানো মনে হচ্ছে, না? হতে পারে অঘোরেশ ভাট মুসলিমবিদ্বেষী স্কিৎজোফ্রেনিক পেশেন্ট, কিন্তু তিনি যদি এত বড়ো ছক কষেই থাকেন, এই ভুলগুলো কেন করবেন?’ রুদ্র থামল।

    ‘তাহলে অঘোরেশ ভাটের অ্যাকাউন্টে অত টাকা গেল কী করে?’ নাহুম খান এবার বিব্রত হয়ে প্রশ্ন করলেন।

    রুদ্র বলল, ‘হ্যাঁ, সেটা শুনুন। আপনি আজ সকালেই আমাকে বলছিলেন না, আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক প্রোফেসর ড নিজামুদ্দিন বেগ ওই একই বিষয়ের ওপর লিখেছিলেন, খুব ঝামেলা হয়, তারপরেই উনি নিখোঁজ হয়ে যান?’

    ‘হ্যাঁ। তো?’ নাহুম খান জিজ্ঞেস করলেন।

    অঘোরেশ যা বলেছিলেন, সেগুলো মনে করতে করতে রুদ্র বলল, ‘অঘোরেশ আর নিজামুদ্দিন একই বিষয়ের ওপর গবেষণা করছিলেন। নিজামুদ্দিনের নিখোঁজ হওয়ার পরেই বিদেশ থেকে অঘোরেশের কাছে প্রোপোজাল আসে যে তাঁর গবেষণায় সাহায্য করার জন্য টাকা এবং রিসোর্স দুটোই দেওয়া হবে, উনি যেন নির্ভয়ে সত্যান্বেষণ করেন এবং তাজমহল যে সত্যিই হিন্দু মন্দির ছিল, সেটা প্রমাণ করার কাজ চালিয়ে যান। তখন অঘোরেশ রাজি হয়ে যান।’

    ‘না! আমি মোটেই রাজি হইনি!’ অদূরে কণ্ঠস্বর পেয়ে রুদ্র চমকে তাকাল, দেখল কখন অঘোরেশ এসে দাঁড়িয়েছেন দরজার পাশে। গাঢ় চোখে দেখছেন সবাইকে।

    মুহূর্তে নাহুম খান নড়েচড়ে বসতে রুদ্র চোখ দিয়ে ইশারা করে অনুরোধ করল যাতে প্রথমেই তিনি হম্বিতম্বি না করে বসেন।

    কিন্তু না, নাহুম খান সেসব কিছু করলেন না। বরং ভগতবীর সিং বললেন, ‘আপনিই ড অঘোরেশ ভাট?’

    ‘হ্যাঁ।’ অঘোরেশের চোখ দেখে রুদ্র ঠিক বুঝতে পারল না ভদ্রলোক এতক্ষণ সত্যিই ঘুমোচ্ছিলেন না কথোপকথনের পুরোটাই শুনেছেন।

    ‘ড ভাট, আমরা পুলিশ থেকে আসছি। আপনার বাড়িতেও আমরা গেছিলাম, কিন্তু আপনাকে পাইনি। বিস্তারিত পরে বলছি, আগে বলুন কারা আপনাকে এই গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার জন্য টাকা পাঠিয়েছিল?’

    অঘোরেশ বললেন, ‘গবেষণা চালানোর জন্য টাকা পাঠায়নি, টাকা পাঠাতে চেয়েছিল।’

    রুদ্র লক্ষ করল বাড়ি থেকে পুরো ব্যাপারটা বলে নিয়ে আসার পর থেকে ভদ্রলোক একটু গম্ভীর হয়ে গেছেন, আগের সেই পাগলাটে ভাবটা যেন অতটা নেই।

    ইনি সত্যিই স্কিৎজোফ্রেনিয়ার রুগি? নাকি সেটা ইচ্ছাকৃত অভিনয়?

    ‘পুরো ব্যাপারটা একটু বিশদে বলুন।’ নাহুম খান বললেন।

    অঘোরেশ সন্দিগ্ধ চোখে একবার তাকালেন, তারপর বলতে শুরু করলেন, ‘নিজামুদ্দিন আমার বন্ধু ছিল। আমাদের দু-জনের গবেষণার বিষয়টা এক হলেও আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম না, ও ওর মতো এগোচ্ছিল, আমি আমার মতো। তবে যেহেতু ও এখনও ইউনিভার্সিটির সঙ্গে অ্যাটাচড ছিল, ও বইপত্র, রিসোর্স অনেক বেশি পেত, আমি কোনো দরকারে ওর কাছ থেকে সেই ব্যাপারে সাহায্য নিতাম। ওর রিসার্চের অ্যাঙ্গলটা পুরো অন্যরকম ছিল। বৈদিক আমলের কিছু গাণিতিক সূত্রের মধ্যেই ও মনে করত তাজমহল যে হিন্দু মন্দির ছিল, তার প্রমাণ লুকিয়ে আছে।’

    ‘গাণিতিক সূত্রের মধ্যে মানে?’ প্রিয়ম এতক্ষণ চুপ করে ছিল, অঙ্কের গন্ধ পেয়ে নড়েচড়ে বসল। আইটি সেক্টরে কাজ করে অ্যামেচার অঙ্ক নিয়ে কাজ করার শখ ওর এখনও পুরোমাত্রায় আছে, এখনও অবসর সময়ে অঙ্কের দুরূহ প্রবলেম নিয়ে বুঁদ হয়ে থাকা ওর ফেভারিট টাইম পাস।

    ‘আমরা কেউ কারুর কাজে নাক গলাতাম না, তাই আমি অত বিশদে বলতে পারব না।’ অঘোরেশ মাথা নাড়লেন, ‘তবে এইটুকু বলতে পারি, লুপ্ত হয়ে যাওয়া কোনো অঙ্কের খোঁজ ও কোথাও থেকে পেয়েছিল, যেটা দিয়ে ও ওর প্রমাণটাকে শক্তপোক্ত করার চেষ্টা করছিল। সেইজন্য এমন একজন সহকারী নিয়েছিল যে অঙ্কে খুব পটু। একদিন যেমন আমাকে বলল, বলো তো অঘোরেশ, আর্যভটের লেখা এই শ্লোকটার মানে কী?

    চতুর্ধিকম শতমষ্টগুণম দ্বসাষ্টিস্থথা সহস্রনম

    আয়ুতদ্বয় বিশকম্ভাস্যসন্ন বৃত্তপরিনাহ!’

    ‘কী মানে এটার?’ প্রিয়ম বলল।

    ‘নিজামুদ্দিন বলেছিল, এই শ্লোক বিখ্যাত প্রাচীন গণিতজ্ঞ আর্যভটের লেখা। শ্লোকটার অর্থ হল 100-র সঙ্গে 4 যোগ করো। সেটাকে 8 দিয়ে গুণ করো, তার সঙ্গে 62000 যোগ করো। ফলাফল যেটা পাবে সেটা হল 20000 ব্যাসের কোনো বৃত্তের প্রায় ঠিক পরিধি। ফলাফল আসছে 62832, তার মানে এখান থেকে আমরা পাচ্ছি,

    π = পরিধি / ব্যাস = 62832 / 20000 = 3.14

    অঘোরেশ কাগজে লিখে বোঝালেন।

    ‘দুর্দান্ত!’ প্রিয়ম মুগ্ধ।

    ‘আর্যভট তো অনেক আগের মানুষ, তাই না!’ রুদ্র বলল।

    ‘হ্যাঁ, উনি ৪৭০ সাল নাগাদ কাশ্মীরে জন্মেছিলেন। এদিকে চান্দেলা রাজারা মধ্যভারতে রাজত্ব করেছিলেন ৯০০ থেকে ১২০০ সাল। উনি এভাবেই π -এর মান বের করেছিলেন।’ নিজামুদ্দিনের ওই সহকারী এই শ্লোকগুলোর অর্থ বের করত।’ অঘোরেশ বললেন, ‘একদিন নিজামুদ্দিন হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেয় সর্বভারতীয় একটা সংবাদপত্রে এই নিয়ে ধারাবাহিক কলাম লিখবে, সেখানেই ও বিভিন্ন প্রামাণ্য নথি দিয়ে সাধারণ মানুষদের জানাবে যে সত্যিটা কী। সাধারণ মানুষকে এই ব্যাপারে উদবুদ্ধ করলে বিরোধী দলেরা সরকারকে চাপ দেবে ঐতিহাসিক অনুসন্ধানের জন্য।’

    ‘বৈদিক যুগে অঙ্ক ও জ্যামিতি উন্নতির শিখরে পৌঁছেছিল, তাতে সন্দেহ নেই, কিন্তু তার সঙ্গে তাজমহলের সম্পর্ক কিছু আছে বলে মনে হয় না।’ রুদ্র ড ব্রিজেশ মাথুরের যুক্তিগুলো মনে করতে করতে বলল।

    অঘোরেশ কটমট করে রুদ্রর দিকে তাকালেন।

    ‘ওসব ছাড়ুন,’ নাহুম খান বললেন, ‘তারপর কী হল বলুন।’

    ‘প্রথমে ওই সংবাদপত্রের বিক্রি খুব বেড়ে গিয়েছিল ওই কলামের জন্য, কিন্তু চার-পাঁচটা কিস্তি লেখার পরেই খুব গণ্ডগোল শুরু হল, ওই কাগজের অফিসে এই ঐতিহাসিক গবেষণাকে সাম্প্রদায়িক উসকানি হিসেবে ধরে নিয়ে ভাঙচুর চালানো হল, নিজামুদ্দিনের বাড়িতেও হামলা হল। ওই কাগজের এডিটর তখন নিজামুদ্দিনের কাছে দুঃখপ্রকাশ করে ওর কলামটা অসমাপ্ত অবস্থায় বন্ধ করে দিলেন। নিজামুদ্দিন খুব ভেঙে পড়ল, নিজের রিসার্চওয়ার্ক এইভাবে মাঝপথে প্রকাশিত হওয়া বন্ধ হয়ে গেলে ভেঙ্গে পড়াটাই স্বাভাবিক। তখন একদিন ও আমাকে ডাকল।’ অঘোরেশ বললেন, ‘বলল আমি যেন নিজের গবেষণা না থামাই, কোনো বিদেশি জার্নালে যেন আমার রিসার্চ পাঠাই, তাহলে এই গণ্ডগোলের সম্মুখীন হতে হবে না।’

    ‘নিজামুদ্দিন নিজেই কেন ওই বিদেশি জার্নালে লিখলেন না? দেশের কাগজে গণ্ডগোল হওয়ার সঙ্গে বিদেশের জার্নালে না লেখার তো কোনো সম্পর্ক নেই?’ প্রিয়ম বলল।

    অঘোরেশ মাথা নাড়লেন, ‘আমিও সেটাই জিজ্ঞেস করেছিলাম। তখন ও বলল, ও এখন কিছুদিন লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতে চায়, তাজমহল যে সত্যিই শিব মন্দির ছিল, সেই ব্যাপারে অমোঘ এবং শেষ তদন্তের জন্য ও এখন কিছুদিন লেখালেখি করবে না।’

    রুদ্র বলল, ‘ওঁর গবেষণার তথ্যগুলো উনি তার মানে আপনাকে দিয়েছিলেন লেখার জন্য?’

    ‘না।’ অঘোরেশ মাথা নাড়লেন, ‘দেবে বলেছিল, কিন্তু তার আগেই তো ও কর্পূরের মতো উবে গেল। ওর নিখোঁজ হওয়ার কয়েকদিন পরেই বিদেশি এক সংস্থা থেকে আমাকে ফোন করে। তারা জানায়, ওরাই নাকি নিজামুদ্দিনের রিসার্চটা ফান্ডিং করছিল, সেটা মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা আমার কাজে ফান্ডিং করতে চায়। তখনই আমি আমার ব্যাঙ্ক ডিটেইলস আর অ্যাকাউন্ট নম্বরটা ইমেলে ওদের পাঠাই।’

    ‘আপনার সন্দেহ হল না যে একটা বিদেশি সংস্থা কেন আমাদের দেশের একটা হিস্টোরিকাল রিসার্চ ফান্ডিং করবে?’ ভগতবীর বললেন।

    ‘না, সন্দেহ হবে কেন? অঘোরেশ বললেন, ‘অনেক বেসরকারি বিদেশি সংস্থা আমাদের দেশের রিসার্চ ফান্ডিং করে, সরকার আর ক-টা গবেষণাকে স্পনসর করে?’

    সুরঞ্জন মাথা নেড়ে সায় দিলেন। এটা অঘোরেশ ঠিকই বলছেন। সরকারি সহায়তা পাওয়া অত সহজ নয়।

    ‘বেশ। তারপর?’ ভগতবীর বললেন।

    অঘোরেশ ক্লান্ত চোখে তাকালেন, ‘তারপর আমি আর কিছু জানি না।’

    ‘অঘোরেশজি, আমার একটা প্রশ্ন ছিল।’ রুদ্র বলল।

    অঘোরেশ কিছু বললেন না, শুধু চোখ তুলে রুদ্রর দিকে তাকালেন।

    ‘আপনার কাছে আবদুল হামিদ লহরীর লেখা যে বাদশাহনামাটা আছে, সেটা অরিজিন্যাল। সেটা আপনি কোথায় পেলেন?’

    অঘোরেশ একটু চুপ করে থেকে বললেন, ‘নিজামুদ্দিন দিয়েছিল।’

    ‘চারশো বছরের একটা ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি নিজামুদ্দিন পেলেন কী করে? আপনি জিজ্ঞেস করেননি?’

    ‘না। তখন অলরেডি ওর বাড়ির সামনে খুব গণ্ডগোল হচ্ছিল, অত জিজ্ঞেস করার সময় ছিল না। আমি ভেবেছিলাম বিদেশের ওই সংস্থাই ওকে দিয়েছে।’ অঘোরেশ মিনমিন করে বললেন।

    এবার নাহুম খান একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘আরে ওইসব হিস্ট্রি-ফিস্ট্রি এখন ছাড়ুন, আপনি আগে বলুন আপনার দলে আর কে কে আছে?’

    ‘এক মিনিট মি খান!’ রুদ্র বাধা দিল, ‘আমার মনে হয় আর একটু অপেক্ষা করলে আপনি আপনার এই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।’ ও ঘুরে তাকাল অঘোরেশের দিকে, ‘আপনি একজন প্রফেসর ছিলেন, একটা অ্যান্টিক পাণ্ডুলিপি নিজামুদ্দিনকে কে কোথা থেকে কীভাবে এনে দিল আপনার কৌতূহল হয়নি? শুধু এই পাণ্ডুলিপিটা আপনার কাছে রয়েছে এই অপরাধেই তো পুলিশ আপনাকে গ্রেপ্তার করতে পারে!’

    অঘোরেশ আমতা আমতা করে বললেন, ‘নিজামুদ্দিন বলেছিল পরে আমাকে সব বলবে, সেদিন তাড়াহুড়ো করে আমাকে ওটা দিয়ে দেয়। তারপর দিন থেকেই তো ও নিখোঁজ।’

    ‘তখনই আপনি তাহলে পুলিশের কাছে গেলেন না কেন?’ রুদ্র বলল।

    অঘোরেশ বললেন, ‘আমি তখন … মানে …আমার রিসার্চ নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলাম যে…!’

    ‘আপনাকে আমি সন্ধেবেলাতেই বললাম আঙ্কল, আপনি যদি এখনও মিথ্যে কথা বলে যান, বা কিছু লুকিয়ে রাখেন, নিজের চেয়ে বড়ো আর কারুর ক্ষতি করবেন না।’ রুদ্র সুরঞ্জনের ট্যাবটা টেবিল থেকে হাতে তুলে নিল, তারপর ইন্টারনেট খুলে বলল, ‘১৭৯৯ সালে আওধের নবাব বাদশাহনামার এই অরিজিন্যাল পাণ্ডুলিপি পাঠিয়ে দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের তৎকালীন রাজা তৃতীয় জর্জের কাছে, তারপর থেকে ওটা উইন্ডসর ক্যাসলে ব্রিটিশ রাজপরিবারের রয়াল লাইব্রেরিতেই রাখা ছিল।’

    রুদ্র ট্যাবে একটা নিউজের পেজ খুলে এগিয়ে দিল, ‘দু-মাস আগে ওটা ওখান থেকে চুরি গেছে।’

    .

    বাইরে কুচকুচে কালো আকাশ, তার মাঝে ঝিকমিক করে জ্বলা তারাগুলো যেন ঝড়ের গতিতে চলে যাচ্ছিল পেছনে। প্রথমে শুয়ে শুয়ে দেখতে বেশ লাগছিল, এভাবে চুপচাপ নিরন্তর আকাশ অনেকদিন দেখেনি, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ঠান্ডা হাওয়া আর একঘেয়ে দৃশ্য দেখতে দেখতে উজ্জয়িনী কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিল, খেয়ালই করেনি।

    সামান্য ঝাঁকুনিতে ঘুমটা ভেঙে যেতেই ও উঠে বসার চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। সারা গায়ে অসহ্য ব্যথা শুরু হয়েছে, এতক্ষণ একভাবে এইটুকু সিটে গুটিসুটি মেরে শুয়ে থাকার জন্যই বোধ হয়। একটু সময় নিয়ে জড়তাটা কাটাল ও, তারপর আড়মোড়া ভেঙে উঠে বসল।

    সামনে ড্রাইভারের পাশেই ওর ভালোবাসার মানুষ, যে আর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই আইনত ওর স্বামী হতে চলেছে, বসে আছে। উজ্জয়িনী কিছুক্ষণ উশখুশ করল, তারপর বাঁ-হাতের তর্জনী দিয়ে ওর মাথায় টোকা দিল।

    ‘উঁ?’ পেছনদিকে অর্ধেক ঘাড় ঘুরিয়ে ও বলল।

    ‘আর কতক্ষণ?’ উজ্জয়িনী বেজার মুখে জিজ্ঞেস করল।

    ‘প্রায় এসে গেছি জয়ী!’ ও সামান্য হাসল, ‘তুমি একটু রেস্ট নিয়ে নাও না!’

    উজ্জয়িনী মুখে আর কিছু বলল না। আর কত রেস্ট নেবে ও? রেস্ট নিতে নিতে তো গা, হাত, পায়ে যন্ত্রণা শুরু হয়ে যাচ্ছে।

    হাইওয়ের বুক চিরে সাঁ সাঁ করে ছুটছে ওদের গাড়ি। চোখের পলক ফেলার আগে পেরিয়ে যাচ্ছে একের পর এক লাইটপোস্ট।

    উজ্জয়িনী একটা নিশ্বাস ফেলল। আবছা অন্ধকারে কবজি উলটে সময় দেখে ভাবল এতক্ষণে বাবা নিশ্চয়ই বাড়ি ফিরে এসেছেন। ড্রাইভারটাও বাড়ি গিয়ে খবর দিয়ে দিয়েছে। বাবা কি বিশাল চেঁচামেচি করছেন? নাকি গুম হয়ে বসে আছেন?

    আর মা?

    ও একবার ভাবল, কী এমন ক্ষতি হত, একবার যদি বাবাকে জানিয়ে দিত যে, ‘বাবা, আমি একজনকে ভালোবাসি। তাকেই বিয়ে করতে যাচ্ছি। তুমি চিন্তা কোরো না।’

    কিন্তু না। ওর সেটা পছন্দ নয়। ক্ষণিকের দুর্বলতায় উজ্জয়িনী যদি কাউকে ফোন করে ফেলে? তাই গাড়িতে ওঠার পরেই ও ফোনটা নিয়ে নিয়েছে।

    ঠিক আছে! আর তো মাত্র একটা রাতের ব্যাপার! কাল সকালেই উজ্জয়িনী সাবালিকা হয়ে যাচ্ছে, তারপর বিয়েটা সেরে নিলেই শুরু হবে ওর নতুন জীবন।

    নিজের মনকে নিজেই বুঝতে পারছে না এখন উজ্জয়িনী, বাবা-মা-র কাছে এমনকী শিলং-এ থাকার সময়েও বাবা-মা-র সাহচর্যের কথা ভাবলেই ওর মনে রাগ হত, জেগে উঠত অপার বিরক্তি। কিন্তু ওর সঙ্গে চলে আসার পর থেকে যেন বাবা-মা-র জন্য মনটা কেমন করছে।

    মনে হচ্ছে এতটা বাড়াবাড়ি বোধ হয় না করলেও হত!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }