Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ২৬

    ২৬

    ভগতবীর সিং অস্ফুটে বললেন, ‘মাই গড! এরকম অ্যান্টিক বই …এটা তো ইন্টারন্যাশনাল চুরি! বিরাট চক্র আছে এর পেছনে। এখুনি জানাতে হবে দিল্লিতে!’

    অঘোরেশ মাথাটা ঝুঁকিয়ে বসে আছেন সোফায়, মুখ একদিকে ঈষৎ বেঁকে গেছে, চোখ অর্ধ-উন্মীলিত রেখে তিনি কিছু একটা অস্ফুটে বিড়বিড় করছেন, কেউ শুনতে পাচ্ছে না।

    রুদ্র এবার নরম গলায় বলল, ‘বুঝতেই পারছেন আঙ্কল, আপনার বিরুদ্ধে ওঠা প্রতিটা অভিযোগই গুরুতর, আপনি যদি এখনও পুরোটা খুলে না বলেন, তাহলে আপনার রিসার্চ আর এক পা-ও এগোবে না, কারণ এতগুলো দোষের আসামি হিসেবে এঁরা আপনাকে জেলে পুরবেন।’

    ভগতবীর সিং বললেন, ‘আপনার ইমেল আইডিটা বলুন তো। ট্র্যাক করে দেখি কোন আইপি অ্যাড্রেসে অ্যাকাউন্ট নম্বর পাঠিয়েছিলেন আপনি।’

    ‘দাঁড়ান দাঁড়ান, এদের ওইভাবে হবে না।’ নাহুম খান চড়া গলায় বললেন, ‘থানায় নিয়ে গিয়ে ডোজ দিলেই…!’

    অঘোরেশ যেন নাহুম খানের কথাটা শুনতেই পেলেন না, কেমন অপার্থিব দৃষ্টিতে তাকালেন রুদ্রর দিকে তাঁর চোখে জল।

    আহত গলায় বললেন, ‘তুমি আর সুরঞ্জন, তোমরা আমার বাড়ি থেকে আমাকে এইজন্যই নিয়ে এলে এখানে, না?’

    ‘আমরা আপনাকে না নিয়ে এলে আপনি এতক্ষণে কোনো গুমঘরে বন্দি হয়ে থাকতেন আঙ্কল!’ রুদ্র অধৈর্য গলায় বলল, ‘আমি এখনও আপনাকে বলছি সব কিছু খুলে বলতে।’

    অঘোরেশ জামার হাতা দিয়ে চোখটা মুছলেন, তারপর গলাটা সাফ করে নিয়ে সোজা হয়ে বসলেন, ‘বেশ। আর কী বলব বলো।’

    ‘আপনি দিল্লি থেকে আজ সকালে ফিরেছেন, দিল্লিতে কোথায় গিয়েছিলেন?’ রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    অঘোরেশ ঈষৎ কাঁপা গলায় বললেন, ‘দিল্লি যাইনি। গিয়েছিলাম লখনৌ। আমাকে বলা হয়েছিল দিল্লি হয়ে ফিরতে। তাই… !’

    ‘কে বলেছিল?’ নাহুম খান প্রশ্ন করলেন।

    ‘এক সপ্তাহ আগে ওই বিদেশি সংস্থা থেকে একটা ফোন আসে, বলা হয় আমার গবেষণার ব্যাপারে একটা দারুণ এভিডেন্স দেওয়া হবে, আমি যেন চব্বিশে জানুয়ারি রাতে লখনৌর বড়া ইমামবড়ার গেটে অপেক্ষা করি।’ অঘোরেশ ঢোঁক গিললেন, ‘আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম আপনারা কারা? নাম বলেনি, শুধু বলেছিল নিজামুদ্দিনকেও ওরাই সোর্স সাপ্লাই করত।’

    ‘কি দিল আপনাকে?’ রুদ্র বলল।

    ‘কাল রাত দশটার সময় বড়া ইমামবড়ার গেটে দাঁড়িয়ে ছিলাম, শুনশান জায়গায় হঠাৎ একটা বাচ্চা ছেলে এসে দিয়ে গেল। তারপর বাস ধরে দিল্লি আসি, সেখান থেকে আজ সকালে আগ্রা।’ অঘোরেশ কাঁধের ঝোলা থেকে একটা খাম বের করলেন, তার ভেতর থেকে বের করে আনলেন কয়েকটা ছবি।

    প্রিয়ম অঘোরেশের পাশেই বসেছিল, ঝুঁকে দেখল একটা পাথরের বিভিন্ন কোণ থেকে নেওয়া বেশ বড়ো মাপের কয়েকটা ছবি, ছবিতে সেই পাথরের ওপর অনেক কিছু খোদাই করা। ও বলল, ‘এটা কি কোনো প্রাচীন লিপি?’

    অঘোরেশ মাথা নাড়লেন, ‘হ্যাঁ। এটার নাম বটেশ্বর শিলালিপি। লখনৌ মিউজিয়ামে এটা রাখা আছে। সেটারই ছবি এগুলো। মিউজিয়ামে এমনিতে এটার কোনো ছবি কেউ তুলতে পারে না।’

    ‘তার মানে মিউজিয়ামেরই কারুর কাজ এটা!’ নাহুম খান বিড়বিড় করলেন।

    সুরঞ্জন বললেন, ‘বটেশ্বর এদিকেই, না? কোথায় যেন পড়েছি এই শিলালিপির নাম।’

    ‘তুই তো পড়বিই। তোদের আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার অফিশিয়াল জার্নাল ‘এপিগ্রাফিয়া ইন্ডিকা’-র প্রথম খণ্ডেই এটা সম্পর্কে বিশদে লেখা আছে।’ অঘোরেশ লম্বা একটা নিশ্বাস নিয়ে ছবিগুলো সামনের টেবিলের ওপর সাজিয়ে বললেন, ‘১৯০০ সালে জেনারেল কানিংহাম বটেশ্বরের একটা ঢিবিতে খননকার্য চালানোর সময় এই শিলালিপিটা খুঁজে পেয়েছিলেন। সংস্কৃত ভাষায় লেখা এই লিপিতে লেখা রয়েছে, ১১৫৫ সালে সম্রাট পরমাদ্রিদেব শিবের উদ্দেশে যমুনা নদীর তীরে দুটি মন্দির স্থাপন করলেন, একটা শিবের, অন্যটি বিষ্ণুর।’

    ‘পরমাদেব কে? কোথাকার রাজা ইনি?’ প্রিয়ম জিজ্ঞেস করলো।

    ‘পরমাদেব নয়, পরমাদ্রিদেব। তিনি ছিলেন জেজকভুক্তির চান্দেলা বংশের রাজা। জেজকভুক্তি এখন মধ্যপ্রদেশের মধ্যে পড়বে। চান্দেলা বংশের বিখ্যাত রাজারা ছিলেন যশোবর্মণ, বিদ্যাধর, ধঙ্গ। খাজুরাহোর বিখ্যাত মন্দিরগুলো ওঁদের সময়েই বানানো। পরমাদ্রিদেব তাঁদের উত্তরপুরুষ।’ অঘোরেশ ছবিগুলোর দিকে তাকালেন, ‘এই লিপিতে মোট চৌত্রিশটা স্তবক আছে, যেগুলো আমার আগে অনেকবার পড়া আর্কিয়োলজিকাল সার্ভের ওই জার্নাল থেকে, তবু এই ছবি থেকে আরও একবার পড়ে শোনাচ্ছি পঁচিশ, ছাব্বিশ আর চৌত্রিশ নম্বর স্তবকটা।’ অঘোরেশ একটা ছবিকে চোখের কাছে নিয়ে এলেন, ‘১২১২ বিক্রম সংবত তারিখে, আশ্বিন মাসের শুক্লা পঞ্চমীতে সম্রাট পরমাদ্রিদেব যমুনা নদীর তীরে দুটি শ্বেতশুভ্র মন্দির নির্মাণ করালেন, একটি ভগবান বিষ্ণুর, অন্যটি মহাদিদেব শিবের। দুটোই অনিন্দ্যসুন্দর, বিশেষত দ্বিতীয় মন্দিরটিতে অধিষ্ঠিত হয়ে দেবতা এত প্রসন্ন হয়েছিলেন যে তিনি তাঁর হিমালয় নিবাস কৈলাসে ফিরে যাওয়ার কথা আর ভাবেননি।’

    ‘এ থেকে কী প্রমাণ হল?’ নাহুম খান হাত নাড়লেন, ‘কোনো হিন্দু সম্রাট কোনো সাদা শিবমন্দির তৈরি করতে পারেন না? তার মানেই কি সেটা তাজমহল?’

    অঘোরেশ যেন শুনতেই পেলেন না নাহুম খানের কথাগুলো, তিনি বলে যেতে লাগলেন, ‘ক্যালে নামের এক ইতিহাসবিদ লিখে গেছেন, ১২১২ বিক্রম সংবত ছিল চান্দেলা রাজাদের সময় গণনার বছর, এখনকার ক্যালেন্ডারে হিসেব করলে সময়টা হবে ১১৫৫ বা ১১৫৬ সাল। বিষ্ণু ও শিবের জন্য সম্রাট পরমাদ্রিদেব যে দুটো মন্দির যমুনা নদীর উভয় তীরে বানিয়েছিলেন, পরে উপর্যুপরি মুসলিম আক্রমণে সেগুলো কলুষিত হয়। সেইসময় হাজার হাজার হিন্দু মন্দির ধ্বংস করা হয়েছে। কোনো বিচক্ষণ মানুষ মুসলিম আক্রমণ থেকে বাঁচাতে মন্দির নির্মাণ সম্পর্কে লেখা এই শিলালিপিটা ওই ঢিবির মধ্যে লুকিয়ে রাখেন।’ অঘোরেশ এবার মুখ তুললেন, ‘এই লিপিতে মন্দির দুটোর অবস্থান, পারস্পরিক দূরত্বও লেখা রয়েছে। যদি পরীক্ষা করেন, দেখতে পাবেন, ওই একই দূরত্বে যমুনা নদীর দুই তীরে অবস্থান করছে শিবমন্দির তাজমহল আর বিষ্ণু মন্দির ইতমদ-উদ-দৌলার কবর, যেটার সঙ্গে তাজমহলের সাদৃশ্যে অনেকে বেবি তাজও বলে থাকেন।’

    ‘ইতমদ-উদ-দৌলাটা আবার কে?’ প্রিয়ম রুদ্রর কানে ফিসফিস করল, ‘উফ! সব গুলিয়ে যাচ্ছে! যতই মাধ্যমিকের পর প্রতিজ্ঞা করেছিলাম জীবনে আর ইতিহাসমুখো হব না, তোমাকে বিয়ে করার পর থেকে সেই ইতিহাসই আমার আর পিছু ছাড়ছে না।’

    রুদ্র শুনতে পেল না, ট্যাবে ও তখন বুঁদ হয়ে ইতমদ-উদ-দৌলার কবর আর তাজমহলের অবস্থান দেখছে। ড মাথুরকে আরও একবার বিরক্ত করতে হবে।

    সুরঞ্জনই রুদ্রর হয়ে উত্তরটা দিলেন, ‘জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নুরজাহানের বাবা মির্জা ঘিয়াস বেগের কবর আছে ওখানে। মির্জা ঘিয়াস বেগ সম্রাট জাহাঙ্গীরের উজির ছিলেন। তাজমহলের মতো ওটাও পুরো সাদা মার্বেল পাথরে তৈরি।’

    ‘হ্যাঁ, ঠিক বলেছিস।’ অঘোরেশ বললেন, ‘১১৫৫ সালের ওই শিবমন্দিরই হল তেজোমহালয়। যেটার অপভ্রংশ হল তাজমহল। মুমতাজের আসল নাম ছিল আরজুমান্দ বানু। মুমতাজের নামে স্মৃতিসৌধ হলে মুমতাজমহল হতে পারে, শুধু তাজমহল হবে কেন! ১২০০ সাল নাগাদ মহম্মদ ঘোরি ভারত আক্রমণ করেন, মুসলিম শাসন শুরু হয়। তখন তেজোমহালয় দখল করে সেটাকে প্রাসাদ হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে মুসলিমরা। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর পর সম্রাট বাবর ইব্রাহিম লোদিকে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে পরাজিত করেন। তখন বাবর এই প্রাসাদটা দখল করেন। তারপর হুমায়ুন সিংহাসনে বসলে একের পর এক পরাজয় ঘটতে থাকে। ১৫৩৮ নাগাদ তেজোমহালয় আবার জয়পুরের হিন্দু রাজপরিবারের দখলে চলে যায়। তারপর সম্রাট আকবর ক্ষমতায় এলেও এটা আর দখল করেননি কারণ জয়পুর রাজপরিবারের ভগবান দাস আর মানসিংহ ছিলেন আকবরের পরম বিশ্বস্ত সেনাপতি, ওঁদের সঙ্গে আকবরের খুব বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তারপর প্রাসাদ যখন মানসিংহের উত্তরপুরুষ জয়সিংহের অধীনে, তখনই শাজাহান এটা দখল করেন।’

    ‘রিডিকিউলাস!’ নাহুম খান এবার জোরে হেসে উঠলেন, ‘আপনি এমনভাবে বলছেন যেন ১১৫৫ সাল থেকে শাজাহানের সময় পর্যন্ত বসে আপনি পুরোটা দেখেছেন!’

    ‘আমি বলছি না।’ অঘোরেশ শান্তভাবে বললেন, ‘ইতিহাসবিদ ক্যালে-ই এটা বলে গেছেন তাঁর বইতে।’

    ‘ওরকম অনেক ইতিহাসবিদই এরকম বিতর্কিত বই লিখে নজরে পড়ার চেষ্টা করেছেন, ওটা কোনো প্রমাণ হল?’ নাহুম খান বললেন, ‘আমি নিজে ইতিহাসের ছাত্র ছিলাম। এরকম পরোক্ষ নথি দিয়ে কিছু প্রমাণ হয় না। প্রপার এভিডেন্স চাই।’

    এবার সুরঞ্জন বললেন, ‘দেখুন, ইতিহাস কিন্তু সবসময় চাক্ষুষ প্রমাণের ভিত্তিতে চলে না। অনেকরকম ফ্যাক্টর থেকে একটা উপসংহারে আসতে হয় ঐতিহাসিক আবিষ্কারের সময়। এটা সায়েন্স নয়, যে সব কিছু অঙ্কের ইন্ডাকশন পদ্ধতিতে সোজাসাপটা প্রমাণ করা যাবে। আর প্রপার এভিডেন্স কথাটা খুব আপেক্ষিক। ইতিহাসে অনেক কিছুই অনুমান করতে হয়, তবে সেটা অবশ্যই লজিক্যাল অনুমান। তবু তো মধ্যযুগ থেকে আমরা শিলালিপি পাই, রাজাদের জীবনচরিত পাই, বিদেশি পর্যটকদের লেখা ট্রাভেলগ পাই। কিন্তু একদম প্রাচীন যুগের এক্সক্যাভেশনের সময় তো এসব তেমন পাওয়াই যায় না। সেক্ষেত্রে ইতিহাস দাঁড়িয়ে থাকে তিনটে স্তম্ভের ওপর, এপিগ্রাফি, প্যালিয়োগ্রাফি আর আর্কিয়োলজি। প্রাচীন হরফ বা শিলালিপিতে আঁকা ছবি থেকে তখনকার মানুষের পোশাক-আশাকে ধরন, তাদের পেশা, সমাজে মেয়েদের অবস্থান, তারা কোন ঠাকুরের উপাসক ছিল, এরকম অনেক কিছু বলা যায়। সেগুলোও কিন্তু একধরনের এভিডেন্স।’

    ‘কীরকম?’ নাহুম খান জিজ্ঞেস করলেন।

    ‘যেমন,’ সুরঞ্জন উদাহরণ দিলেন, ‘মহেঞ্জোদারো যখন রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় আবিষ্কার করলেন, সাইট থেকে পাওয়া সিলগুলোর ছবি থেকে তখনকার মানুষজনের গায়ের অলংকার দেখে এটা পর্যন্ত বের করা গিয়েছিল, সিন্ধুসভ্যতায় কী কী ধাতুর প্রচলন ছিল, তারা যে পশুপতি বলে এক ঠাকুরের উপাসক ছিলেন সেটাও ওই সিল পরীক্ষা করেই বের করা হয়। আলাদা করে তো কোথাও লেখা ছিল না যে ওরা কোন ঠাকুরের আরাধনা করত, এভাবে সিল দেখে বোঝা হয়েছিল। এভাবেই টুকরো টুকরো তথ্য জুড়ে ইতিহাস হয়। তাই প্রপার এভিডেন্স বলে কিন্তু ইতিহাসে কিছু হয় না!’

    ‘কে বলল প্রপার এভিডেন্স নেই?’ অঘোরেশ তেরচা চোখে তাকালেন, ‘তাজমহল নাকি তৈরি হয়েছে ১৬৩১ থেকে ১৬৫৩, এই বাইশ বছর ধরে। ডাহা মিথ্যা কথা! তাজমহলের ওই প্রাসাদ, দু-পাশের লাল বেলেপাথরের তৈরি দুটো সিমেট্রিক্যাল সৌধ, সব আরও পাঁচশো বছর আগে তৈরি, ১৬৩১-এ মুমতাজের মৃত্যুর পর শাজাহান শুধু তাজমহলের গায়ে কোরানের বাণীগুলো খোদাই করান।’

    ‘তাজমহলের দেওয়ালে খোদাই করা আল্লাহ-র নিরানব্বইটা নামের কথা বলছেন?’ নাহুম খান বললেন।

    ‘হ্যাঁ। শাজাহান সংস্কৃত লিপিগুলো মুছে ফেলেন। তাজমহলে ঢোকার প্রবেশপথে বিশাল দুটো পাথরের হাতির মূর্তি ছিল, যা যেকোনো হিন্দুপ্রাসাদে থাকত, সেই হাতি দুটোকে গুঁড়িয়ে দেন। টমাস টুইনিং নামে একজন ইংরেজ ইতিহাসবিদ লিখে গেছেন সেই হাতির কথা। আর এতসব কাণ্ডগুলো জনসাধারণের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখার জন্য পুরো জায়গাটার চারপাশে ইট দিয়ে কয়েক মানুষ উঁচু বিশাল এক পাঁচিল তুলে দেন, সেইজন্যই টাভার্নিয়ার তাঁর ভ্রমণপঞ্জিতে লিখে গিয়েছিলেন যে ইট দিয়ে পাঁচিল তোলার খরচ সবচেয়ে বেশি ছিল। কুড়ি বাইশ বছর পর যখন সেই ইটের পাঁচিল ভাঙা হয়, ইটের ওপাশ থেকে তাজমহল আবার দৃশ্যমান হয়, তখন গোটা একটা প্রজন্ম পেরিয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই তারা বিশ্বাস করতে শুরু করে যে তাজমহল শাজাহানই বানিয়েছিলেন।’ অঘোরেশ বলতে বলতে উত্তেজিত হয়ে পড়লেন, ‘আরও প্রপার এভিডেন্স চান? আরও প্রপার?’ ঝোলা থেকে তড়িদ গতিতে একটা ডায়েরি বের করে তার ভাঁজ থেকে একটা মলিন ফটোকপি বের করলেন, ‘এই দেখুন! ১৬৫২ সালে বাবাকে ফার্সি ভাষায় লেখা ঔরঙ্গজেবের দুটো চিঠির কপি। একটা নাম ”আদাব-ই-আলমগিরী”, আরেকটার নাম ”ইয়াদগার-ই-আলমগিরী”।’

    ‘কী লেখা আছে এতে?’ নাহুম খান জিজ্ঞেস করলেন।

    ‘শাজাহান তখনও সিংহাসনে, ঔরঙ্গজেব, দারাশুকো এবং অন্যান্য ছেলেরা আঞ্চলিক শাসনকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। ১৬৫২ সালে ঔরঙ্গজেবকে দাক্ষিণাত্যের শাসনভার দেওয়া হয়, তিনি দিল্লি থেকে দাক্ষিণাত্য যাওয়ার সময় ঠিক করেন, আগ্রায় মায়ের সমাধিটা দেখে যাবেন। সেখানে গিয়ে বাবাকে ওই দুটো চিঠি লেখেন।’ অঘোরেশ চোখ পিটপিট করলেন, ‘১৬৫২ সালে ঔরঙ্গজেবের তাজমহলে গিয়ে কী দেখার কথা?’

    নাহুম খান বিড়বিড় করতে লাগলেন, ভগতবীর সিং বলে উঠলেন, ‘তখন তো তাজমহল সবে তৈরি হয়েছে, একদম ফিনিশিং টাচ চলার কথা।’

    ‘ঠিক বলেছেন।’ অঘোরেশ বললেন, ‘এবার শুনুন, ঔরঙ্গজেব কী বলছেন।’ অঘোরেশ কাগজ থেকে পড়তে লাগলেন,

    ‘আমি মহরম মাসের তিন তারিখে আকবরাবাদ (অর্থাৎ আগ্রা) এসে পৌঁছে রাত্রিযাপন করলাম। পরের দিন শুক্রবার পবিত্র কবরে গেলাম মাকে শ্রদ্ধা জানাতে। স্মৃতিসৌধটা মজবুত অবস্থাতেই আছে। কিন্তু গম্বুজের উত্তরভাগে দুই-তিন জায়গায় ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় বর্ষাকালে জল পড়ে। দ্বিতীয় তলার কিছু বাসকক্ষ, চারটি ঝুলবারান্দা, কিছু গুপ্তকক্ষ এবং সাততলার ছাদও ভিজে গিয়েছে। এসব আমি সাময়িক মেরামত করিয়েছি।

    কিন্তু আমি ভেবে পাচ্ছি না, পরবর্তী বর্ষায় গম্বুজ, মসজিদ ও জমায়েতখানার কী দশাই-না হবে। আমার মনে হয় ইট পাথর সুরকি দিয়ে ভালো করে মেরামত করলে প্রাসাদগুলো অবক্ষয়ের হাত থেকে রেহাই পাবে। আশা করি পুরো ব্যাপারটা খতিয়ে দেখে আপনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার নির্দেশ দেবেন।

    শনিবার আমি যুবরাজ দারার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং সকলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে দাক্ষিণাত্যের উদ্দেশে যাত্রা করলাম। আজ আট তারিখে আমি ঢোলপুরের কাছাকাছি রয়েছি।’

    ‘এটা সত্যিই ঔরঙ্গজেবের লেখা?’ অঘোরেশ থামতে-না-থামতেই নাহুম খান প্রশ্ন করলেন।

    ‘এটা তো আসল চিঠির কপি মাত্র। আপনি দিল্লির ন্যাশনাল আর্কাইভসে গিয়ে দেখতে পারেন, ওখানে আসল চিঠি দুটো সযত্নে রক্ষিত আছে।’ অঘোরেশ বললেন, ‘এবার বলুন, যে প্রাসাদ সবেমাত্র তৈরি হয়েছে, তার এরই মধ্যে ছাদ ফুটো হয়ে জল পড়ার মতো দুর্দশা হয় কী করে! এর একটাই ব্যাখ্যা হতে পারে যে শাজাহান পাঁচশো বছরের পুরোনো তেজোমহালয়কে অধিগ্রহণ করেছিলেন বলেই সেটা মেরামতের প্রয়োজন হয়েছিল।’

    সবাই চুপ করে বসে ছিল। ঘড়িতে রাত সাড়ে বারোটা। বাইরে গভীর রাত, কিন্তু কারুর চোখেই ঘুম নেই। পূরবী এরই মাঝে একবার এসে প্রত্যেককে কফি দিয়ে গেছেন।

    প্রিয়মের চোখ জুড়ে আসছিল, কতক্ষণ প্লেনে ট্রাভেল করেছে, মনে হচ্ছে এক্ষুনি ঘুমিয়ে পড়বে। কিন্তু পুরো ঘটনাটা যেন ওকেও আস্তে আস্তে সম্মোহিত করে ফেলেছে।

    ‘এরকম আরও অনেক ছোটোখাটো অবজারভেশন আছে। যেমন তাজমহলের ওপরের যে গম্বুজটা, তার চুড়োটা।’ অঘোরেশ বললেন।

    ‘গম্বুজের চুড়োয় তো চাঁদ তারা, আমাদের ইসলামিক চিহ্ন!’ নাহুম খান বললেন।

    চাঁদ তারা তো আছেই, তার ওপর একটা জলের ঘটে মুড়ে রাখা আম্রপল্লব আর নারকেলও রাখা আছে

    ‘ভালো করে দেখবেন, চাঁদ তারা তো আছেই, তার ওপর একটা জলের ঘটে মুড়ে রাখা আম্রপল্লব আর নারকেলও রাখা আছে।’ অঘোরেশ বললেন।

    লাল পদ্মফুল আর ত্রিশূলের আকৃতিতে খোদাই করা কাজ

    ‘তাজমহলের প্রবেশপথের চারপাশেও লাল পদ্মফুল আর ত্রিশূলের আকৃতিতে খোদাই করা কাজ।’

    ‘মুসলিম কবরস্থানে কবরকে কেউ প্রদক্ষিণ করে না। কিন্তু টুরিস্টদের তাজমহলে চারপাশ প্রদক্ষিণ করার প্রভিশন রয়েছে, যেমন শিবলিঙ্গের চারপাশে থাকে। এমনকী প্রধান প্রবেশপথের ওপরে নহবতখানা রয়েছে, কোনো কবরস্থানে নহবত দেখেছে কেউ কখনো?’ অঘোরেশ নিজের মনেই বলে যাচ্ছিলেন।

    পদ্মফুল আর ত্রিশূল
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }