Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ২৭

    ২৭

    উজ্জয়িনী আবার সেই একই স্বপ্ন দেখছিল।

    ওর দম আস্তে আস্তে আটকে আসছিল, বুকের মধ্যে হৃৎপিণ্ডটা জলের স্রোতের চেয়েও যেন বেশি গতিতে লাবডুব লাবডুব করছিল। শরীরের নীচের অংশটা এতটাই ভারী মনে হচ্ছিল যে ও আর পা দুটোকে জলের মধ্যে নাড়াতে পারছিল না। জীবিত থাকার জন্য ওর একবার জলের ওপরে ভেসে উঠে শ্বাস নেওয়াটা খুবই দরকার, কিন্তু তাতে ওরা দেখতে পেয়ে যাবে। না! জলের ওপরে কিছুতেই ওঠা যাবে না। এদিকে মাথা ঝিমঝিম করছে, বুকের ভেতরে এত জোরে চাপ লাগছে যে মনে হচ্ছে ফেটে চৌচির হয়ে যাবে…!

    ও-ও কি ওর সই ফুলরেণুর কাছে চলে যাচ্ছে? চেষ্টা করেও পা দুটোকে আর নাড়াতে পারছে না কেন?

    মৃদু আর্তনাদ করে ও জেগে উঠে ছটফটিয়ে উঠতে চাইল, কিন্তু একচুলও নড়তে পারল না। চোখ দুটো যেন অস্পষ্ট, ঝাপসা হয়ে আছে, কিছুই দেখতে পাচ্ছে না, সব অন্ধকার।

    ওহ! আবার সেই দুঃস্বপ্ন!

    উজ্জয়িনী হাতের চেটো দিয়ে চোখ দুটোকে ভালো করে রগড়াতে চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না, উলটে হাত নাড়াতেই এক তীব্র যন্ত্রণায় ওর চোখে জল এসে গেল।

    কী হয়েছে ওর? ওর কি সারা শরীর প্যারালাইজড হয়ে গেছে?

    নাকি ও মারা যেতে চলেছে?

    আরও কিছুক্ষণ পর তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাবটা কাটতে উজ্জয়িনী বুঝতে পারল প্যারালিসিস নয়, ওর গোটা শরীরটাই আষ্টেপৃষ্ঠে দড়ি দিয়ে বাঁধা রয়েছে, আর সেই দড়ির তীক্ষ্নতা এতটাই, একটু নড়াচড়া করতে গেলেই যেন চামড়ার ওপর প্রায় কেটে বসছে ওটা।

    প্রাথমিক ঘোরটা কেটে যেতেই ও ভয়ে, আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল। এটা কোথায় রয়েছে ও? সারা শরীরটা দুমড়ে-মুচড়ে বাঁধা রয়েছে, আধশোয়া অবস্থায় এইভাবে থাকতে থাকতে কোমরে ব্যথা করছে ওর। ঘটনার আকস্মিকতায় চিৎকার করতে করতে ও মনে করার চেষ্টা করতে লাগল, এভাবে এখানে ও কী করে এল?

    করোলবাগের কাছ থেকে প্রেমিকের সঙ্গে উজ্জয়িনী গাড়িতে উঠেছিল। তারপর, তারপর কী হল?

    যত গাঢ় অন্ধকারই হোক, কালোর একটা নিজস্ব ভাষা থাকে। চোখ কিছুক্ষণ সেই অন্ধকারে সয়ে গেলে অন্ধকার তার মধ্যেও সামান্য আলোর দিশা দেয়।

    উজ্জয়িনী অনুভব করল, ও একটা অন্ধকার মিশমিশে ঘরের মধ্যে বসে আছে, সোঁদা একটা গন্ধে ভরে আছে গোটা ঘরটা।

    অবসাদে মাথা যেন ভারী হয়ে আসছে, তবু ও আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগল মনে করার। পরের দিন, হ্যাঁ, পরের দিন ওর আঠেরো বছরের জন্মদিন ছিল, সেদিন ও সাবালিকা হত আর বিয়ে করত, সেইজন্য আগের দিন প্লেনে করে চলেও এসেছিল… কোথা থেকে যেন? হ্যাঁ, শিলং-এর ফ্ল্যাট থেকে … ওরা ঠিক করেছিল পরের দিনই বিয়ে করবে… দিল্লির বাড়িতে বাবা-মা-র অশান্তি… দিনরাত খিটিমিটি… বিয়ে করে দু-জনে চলে যাবে অনেক দূর…!

    মনে হচ্ছে মস্তিষ্কের শিরাগুলো ফেটে ছলকে রক্ত বেরিয়ে পড়বে, তবু উজ্জয়িনী মনে করার চেষ্টা করছিল।

    কাকে যেন বিয়ে করার কথা ছিল…? কবীর …হ্যাঁ, কবীরই তো! দু-মাস আগে ফোনে আলাপ হয়েছিল… ওকে কত ভালোবাসে, ওর কষ্টগুলো বোঝে… একটা হাইওয়ে …পাশ দিয়ে সাঁ সাঁ করে চলে যাচ্ছে গাড়ি …!

    উজ্জয়িনীর শিরদাঁড়া দিয়ে হঠাৎ বরফের কুচি নেমে গেল। আধশোয়া বাঁকাচোরা শরীরটাকে কষ্ট হলেও ও একটু নাড়ানোর চেষ্টা করল। কবীর কোথায় গেল? গাড়িতে করে ওরা তো কবীরের বন্ধুর বাড়ি যাচ্ছিল, সেই রাতটা ওখানে থেকে পরের দিন সকালেই রেজিস্ট্রি ছিল। গাড়ি চালাচ্ছিল কবীরের আর এক বন্ধু। উজ্জয়িনীর খুব ঘুম পাচ্ছিল… দুপুরের পর থেকে কিছু খাওয়াও হয়নি, কবীর একটা মিষ্টির প্যাকেট বাড়িয়ে দিয়েছিল ওর দিকে।

    আচ্ছা, কবীর কোথায় গেল? ওদের গাড়িটা কি কোনো বড়ো দুর্ঘটনায় পড়েছিল? কিন্তু শরীরে কোথাও কোনো চোট আছে বলে তো মনে হচ্ছে না।

    ওকে এমনভাবে দড়ি দিয়ে বাঁধল কারা? কেনই-বা বাঁধল?

    কিচ্ছু মনে পড়ছে না কেন?

    উজ্জয়িনী মুখ দিয়ে অস্ফুটে আর্তনাদ করছিল, হঠাৎ টের পেল ও চিৎকারই করুক, বা আর্তনাদ, কোনোটাই ও শুনতে পাচ্ছে না, কারণ ওর মুখটা শক্ত কোনো টেপ দিয়ে বাঁধা।

    আতঙ্কে ও হতবুদ্ধি হয়ে গেল।

    .

    রাত প্রায় একটা। পূর্ণিমা রাতের শ্বেতপাথরের থালার মতো গোলাকার চাঁদের নরম ছটা এসে পড়েছে যমুনা নদীর জলে, সেই জলে চাঁদের পূর্ণ প্রতিবিম্ব ঝিকমিক করছে অপার্থিব সৌন্দর্য নিয়ে। মেঘের দৌরাত্ম্যে মাঝেমধ্যেই সে লুকিয়ে পড়ছে নদীর পাড়ের শুভ্র ধবল আকাশছোঁয়া তাজমহলের পেছনে। তার অনুপস্থিতিতে ছড়িয়ে পড়া নীলাভ ছটায় আরও মায়াময় দেখাচ্ছে তাজমহল।

    সাধে কি উর্দু কবি শাধির লুধিয়ানভি লিখে গিয়েছিলেন,

    তাজ তেরে লিয়ে ইক মজর-এ উলফৎ হি সহী

    তুঝকো ইস ওয়াদি-এ রঙ্গিন সে অকীদৎ হি সহী

    মেরী মেহবুব কাহি ওর মিলাকর মুঝসে!

    অস্ফুটে কবিতাটা উচ্চারণ করতে করতে যে ছায়ামূর্তিটা ধীরে ধীরে তাজমহলের সমান্তরালের যমুনা নদীর এপাড়ের পরিত্যক্ত বাগানের রাশি রাশি গাছের মধ্য দিয়ে চাদর মুড়ি দিয়ে হেঁটে চলেছিল, সে এক মুহূর্ত থমকে দাঁড়াল, সহস্র ব্যস্ততার মাঝেও এই নির্জন প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে-থাকা একাকী তাজমহল যেন রহস্যঘেরা অবগুণ্ঠিতা নারীর মতো টানছে তাকে।

    তাজমহল দাঁড়িয়ে আছে যমুনা নদীর ঠিক ওই পাড়ে, আর তাজমহলের ঠিক উলটোদিকে মেহতাববাগের গায়ে লাগানো জঙ্গলে দাঁড়িয়ে রয়েছে সে। মেহতাববাগ, অর্থাৎ চাঁদের আলোর উদ্যান। একদম নদীর এপার আর ওপার। কাছাকাছি কোনো গাছে চাপা মিহি সুরে একটানা ডেকে চলেছে কোন রাতজাগা পাখি, সেই সুর এই পরিবেশকে যেন সত্যিই মুঘল যুগে নিয়ে যাচ্ছে। এই বাগান থেকে যতটা সুন্দর তাজমহলকে দেখা যায়, আর কোথাও থেকেই বুঝি এত মায়াময় লাগে না।

    এত সুন্দর বিশাল বাগান, অথচ কী অবহেলিত! ও সরু চোখে পাঁচিলের ওপর দিয়ে পুরো বাগানটা জরিপ করল। এই বাগানের ডিজাইন হল বেহেস্তের চারবাগের মতো, কোরানেও এর উল্লেখ রয়েছে। অনেকটা লুডোর ছকের মতো চারদিকে চারটে বাগান, মাঝখান ‘ক্রস’ চিহ্নের মতো রাস্তা, আর একদম মধ্যিখানে ফোয়ারা। অনেকে মনে করে এইটুকুই মেহতাববাগ, কিন্তু তা নয়, পাশের এই যে পরিত্যক্ত আগাছা ভরা জঙ্গলটায় ও দাঁড়িয়ে আছে, এটাও শাজাহানের সময়ে পরিষ্কারের নাম করে এখানে ঘাঁটি গেড়ে বসা গেছে।

    ও আবার সামনের দিকে ফিরে তাজমহলের দিকে তাকাল।

    বুড়ো প্রফেসরের হিসেব অনুযায়ী খাজুরাহো বা চান্দেলাদের অন্য রাজার মতো শেষ রাজা পরমাদ্রিদেবও এখানে কোনো একটা জটিল অঙ্ক লুকিয়ে রেখে গেছেন যার সমাধানের ওপারে রয়েছে অবিশ্বাস্য কিছু। সেই ‘অবিশ্বাস্য কিছু’টার জন্যই এত আলোড়ন, এত টাকার খেলা, এত রক্তারক্তি। বুড়ো যদি নিজের বস্তাপচা সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি না খেয়ে ওদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেত, তাহলে অবশ্য এত কিছু হত না। কিন্তু সেটা কিছুতেই হল না, উলটে সঙ্গত দিল ওই মাথামোটা টাকা কুমির এম পি-টা। একদিকে হাঁটুর বয়সি মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করছে, অন্যদিকে নিজের বংশমর্যাদার লোভে পাগলা কুত্তার মতো লাফাচ্ছে।

    নিজের মেয়ে তো গায়েব, লাফা এবার কত লাফাবি।

    না হয় এখনও সেই মুদ্রাটা পাওয়া যায়নি, তবু সেই ফর্মূলার পথ আবিষ্কার করার ক্ষমতাও রাখে। আর সেইজন্যই তো ওরা এত বড়ো কাজে ওর মতো একজন আনকোরা ছেলেকে বেছে নিয়েছে। আফশোসে মুখ দিয়ে একটা শব্দ করল ও, ইস! একবার যদি মুদ্রাটার ছবিও তুলে রাখত! ঠিক আছে, কী আর করা যাবে! আবছা যেটুকু মনে আছে, সেটাই ভরসা।

    ওর চিন্তায় হঠাৎ ছেদ পড়ল। মেহতাববাগের অনেকটা অংশ এখন ইতিউতি ইচ্ছামতো বেড়ে ওঠা গাছে ঢেকে গেছে, সেই গাছের সারির ফাঁক দিয়ে কেউ এগিয়ে এসে ওকে নারীকণ্ঠে ডাকল, ‘কবীর!’

    কবীর চমকে তাকাল। নারীমূর্তিটি আরও একটু এগিয়ে চাঁদের আলোয় ওর মুখোমুখি হল, অস্ফুটে বলল, ‘উজ্জয়িনী কোথায়?’

    কবীর বলল, ‘ভেতরে আছে। কেন?’

    নারীমূর্তি চাপাগলায় বলল, ‘ওর একটা ভিডিয়ো করতে হবে। নাগেশ সিং সম্ভবত পুলিশের সাহায্য নিচ্ছে, পুলিশের হেল্প নিলে যে ওকে জ্যান্ত পাওয়া যাবে না, সেটা কেঁদেকেটে বলাতে হবে ওকে দিয়ে। ইউটিউবে আপলোড করে দিলে নাগেশ সিং-এর হম্বিতম্বি বেরিয়ে যাবে।’

    কবীর বাস্তবের মাটিতে ফিরে এল, মাথা নেড়ে বলল, ‘খবরদার না। ওসব করতে যেয়ো না। মুক্তিপণ হিসেবে কোনো টাকা নেওয়ার অর্ডার তো আমার নেই, শুধু মেয়েকে কিডন্যাপ করে নাগেশ সিংকে বিচলিত করে দিতে হবে, এমনই অর্ডার আছে। আমি নিজে থেকে ওই টাকাটা চেয়েছি। মিডিয়া ওই ভিডিয়ো নিয়ে লাফালাফি শুরু করলে টাকার কথা ফাঁস হয়ে যাবে। আর আমি কেস খেয়ে যাব।’

    নারীমূর্তি বলল, ‘আচ্ছা, এরা ওই প্রফেসরকে নিয়ে কী করতে চাইছেটা কী বলো তো? মুখে তো বলছে ইতিহাসের স্বার্থে।’

    কবীর পাত্তা দিল না, ‘মুখে ওরকম অনেকেই অনেক কিছু বলে। তুমিও তো ওই বুড়ো ভাব এম পি-টাকে কত প্রেমের কথা বল, সেগুলো কি তোমার মনের কথা?’

    নারীমূর্তি এবার হাসল, কিছু বলল না।

    ‘এরা যেকোনো উপায়ে তাজমহলের ভেতরে ঢুকতে চাইছে এটুকু শুধু বুঝেছি।’ কবীর বলল, ‘আমি একটা কথাই বুঝি কস্তুরী, টাকা! আর সেইজন্যই এদের প্রস্তাবে রাজি হয়েছি। বুড়ো প্রফেসর বেগ তো কিছুতেই রাজি হয়নি, ফালতু সেন্টিমেন্ট! আরে, আমি ধরো একটা বই বেচে মোটা টাকা পাচ্ছি, এখন বইটা কিনে ফেলার পর কাস্টমার সেটা পড়ল না কাগজ কেটে ঠোঙা বানাল তা নিয়ে আমি কেন মাথা ঘামাব?’

    কস্তুরী হাসল, ‘বেচারা নাগেশ সিং একে তার আগ্রার সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত, তার মধ্যে তুমি আরেক বিপদের মুখে ঠেলে দিলে।’ কৃত্রিম সহানুভূতি ফুটে উঠল ওর চোখে-মুখে।

    কবীর কস্তুরীর দিকে তাকিয়ে হাসল, ‘ভালোয় ভালোয় পুরো ব্যাপারটা মিলে গেলে হয়!’

    ‘মিটবে মিটবে।’ পূর্ণিমা চাঁদের নরম আলোয় একে অপরকে বেশ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে, কস্তুরী তার মনোলোভা হাসি হেসে ঈষৎ ঠোঁট ফোলাল, ‘তবে তুমি যে আমাকে একটুও ভালোবাসে না, তার অনেক প্রমাণ আছে।’

    ‘কী প্রমাণ?’ এমন অপ্রাসঙ্গিক কথায় কবীর খেই হারিয়ে ফেলল।

    ‘অনেক প্রমাণ!’ কস্তুরী রিনরিনে কণ্ঠে ঝংকার দিয়ে উঠল, ‘এই কয়েক মাস ধরে আমি খালি মেশিনের মতো কাজ করে যাচ্ছি, কেন করছি, কীসের জন্য করছি কিছুই জানি না।’ কবীরের হাত ছাড়িয়ে ও দূরে সরে যেতে উদ্যত হল, ‘তুমি আমাকে কখনো খুলে বলেছ পুরো ব্যাপারটা? খালি নাগেশ সিংকে এই বলতে হবে, এটা এই করতে হবে, ওখানে যেতে হবে, এরকম কাজের লোকের মতো ব্যবহার করো আমার সঙ্গে!’

    ‘কাজের লোক! তুমি যদি কাজের লোক হও, তবে আমার মনের মানুষটা কে শুনি? কার জন্য এত কিছু করছি আমি?’

    নদীর তীরের জ্যোৎস্না চাঁদের আলোয় অতিসাধারণ নারীকেও অপরূপা লাগে, সেখানে কস্তুরী রীতিমতো সুন্দরী, তাকে দেখে মনে হচ্ছে স্বর্গের পরী যেন আচ্ছা আচ্ছা দুনিয়া কাঁপানো বীর সুন্দরী রমণীর সামনে ঘায়েল হয়েছেন, সেখানে কবীর তো সেদিনের ছোকরা।

    কস্তুরীর গভীর চোখের দিকে তাকিয়ে কবীরের চোখে যেন ধাঁধা লেগে গেল। ও প্রফেসর বেগের কাছে সহকারীর কাজ করছিল গত একবছর ধরে, কস্তুরীর সঙ্গে আলাপ তার ঠিক আগে আগেই। বলিউডে গিয়ে ফিলম লাইনে কিছুদিন চেষ্টাচরিত্র করার পর রণেভঙ্গ দেওয়া কস্তুরীর সঙ্গে ওর আলাপ হয়েছিল একটা রেস্তরাঁয়, সেই থেকেই গড়ায় ঘনিষ্ঠতা।

    কবীর নিজে লখনৌয়ের নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটো থেকে ঘিঞ্জি গলির মধ্যে বড়ো হতে হতে একটা কথা সে সার বুঝে নিয়েছিল যে পড়াশুনো না করলে ওই নরক থেকে বেরোনোর কোনো রাস্তা নেই। আর শুধু পড়াশুনোই নয়, জীবনে সফল হতে চাইলে চাই বুদ্ধি। পড়াশুনোয় মন্দ ছিল না, বিশেষ করে অঙ্কে মাথা খেলত দারুণ। গ্র্যাজুয়েট হয়েই চলে এসেছিল দিল্লিতে, এদিক সেদিক ঘুরছিল যদি কোথাও কিছু সুযোগ পাওয়া যায়। আর তখনই চোখে পড়েছিল সেই অদ্ভুত বিজ্ঞাপনটা, এক অধ্যাপকের ইতিহাস বিষয়ক গবেষণার জন্য অঙ্ক জানা সেক্রেটারি চাই। ডিগ্রিধারী অঙ্ক জানলে হবে না, অঙ্ককে ভালোবাসতে হবে। যোগাযোগ- ড নিজামুদ্দিন বেগ, কমলানগর, আগ্রা।

    ইতিহাসের অধ্যাপক তাঁর গবেষণায় অ্যাসিস্ট করার জন্য কেন অঙ্ক জানা সেক্রেটারি চাইছেন, তখন ভেবেও কূল পায়নি ও। তবু সাতপাঁচ না ভেবে একটা আবেদনপত্র পোস্ট করে দিয়েছিল ওই ঠিকানায়। পরে অবশ্য কাজ করতে ঢুকে বুঝেছিল, প্রফেসর বেগের গবেষণায় অঙ্কের ভূমিকা কতটা বেশি। একেকটা করে শ্লোক, তার ভেতরে অদ্ভুত সমস্ত গাণিতিক তত্ত্ব।

    আর কবীর যতই সেটা বুঝেছিল, ততই সন্ধান পেয়েছিল এক আশ্চর্য হাঁসের, যাকে ঠিকমতো কবোষ্ণ উষ্ণতায় রাখলে সারাজীবন কবীর সোনার ডিম পেতে থাকবে।

    কস্তুরীর কথায় ওর চিন্তার জাল ছিঁড়ে গেল, কস্তুরী বলছে, ‘বলবে না তো?’

    মৃদু হেসে কবীর বলল, ‘প্রফেসর বেগ লিখলেন যে, পরের কিস্তিতে তিনি পেশ করতে চলেছেন অঘোঘ প্রমাণ। লিখলেন, তাজমহল বৈদিক জ্যামিতির সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ, তাজমহল নিজেই জ্যান্ত একটা উপপাদ্য, সেই উপপাদ্যের হাত ধরেই তিনি পৌঁছোবেন আটশো বছর ধরে লুকিয়ে রাখা হিন্দুধর্মের উৎসের খোঁজে। তারপরেই তীব্র গণ্ডগোল শুরু হল বাড়িতে। মুসলিম একটা দলের নেতার গুন্ডারা যখনতখন হামলা করতে লাগল বাড়িতে। আমি আর প্রফেসর ছাড়া ওই বাড়িতে কেউ থাকত না। কাজকর্ম প্রায় লাটে ওঠার উপক্রম হল।’

    ‘তারপর?’ কস্তুরী বলল।

    ‘তারপর দুটো লোক একদিন দেখা করতে এল। তাদের দাবি শুনে প্রফেসর ভাগিয়ে দিলেন। সস্তা মূল্যবোধ আর কি! তারপর তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করল, খবর পেয়েছিল প্রফেসর যতই রিসার্চ করুন, তাঁর অঙ্কের লোক আমিই। যে টাকাটা তারা আমায় অফার করল, তাতে পাঁচটা জেনারেশন পায়ের ওপর পা তুলে বসে খেতে পারে।’

    ‘কী চাইল তারা টাকার বিনিময়ে?’ কস্তুরী বলল।

    কবীর রহস্যময় হাসল, ‘ওই যে, জ্যান্ত অঙ্কটা!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }