Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ২৯

    ২৯

    নাগেশ বেডরুমের প্রকাণ্ড পালঙ্কে শুয়ে ছিলেন। ঘুম নেই একফোঁটাও, একটু বাদেই উঠতে হবে আগ্রা যাওয়ার জন্য। ওপাশে সুজাতাও উশখুশ করছেন, বেশ বোঝা যাচ্ছে। নাগেশের কাছে এই নরম বিছানা যেন শরশয্যা হয়ে বিঁধছে। মেয়েটার কী অবস্থা কে জানে। দিল্লির একেই কুখ্যাতি সর্বত্র, বাবা হয়ে আগে খারাপের আশঙ্কাটাই মনে আসে বেশি।

    আচ্ছা যে বা যারা উজ্জয়িনীকে কিডন্যাপ করেছে তাদের কি শুধুই টাকাটা উদ্দেশ্য? না, অন্য কিছু? নাগেশ সিং-এর বিত্তের সঙ্গে সঙ্গে শত্রুরও অভাব নেই। ব্যাবসায়িক টানাপোড়েনে শত্রু তৈরি হয়েই যায়, তার সঙ্গে উল্কার গতিতে তাঁর রাজনৈতিক উত্থান দলের মধ্যেই অনেকে ঈর্ষার চোখে দেখে, নাগেশ বেশ বুঝতে পারেন। কিন্তু সেই শত্রুতা এতটাও নয় যে সেটা এই পর্যায়ে পৌঁছোতে পারে।

    একটু আগে ইনস্পেকটর বশিষ্ঠ ফোন করে শেষ খবর দিয়েছেন। সব থানা থেকে দাগি আসামিদের তুলে এনে জেরা চলছে, উজ্জয়িনীর ফোনে যেখানে শেষ টাওয়ার পাওয়া গেছে, সেখানেও তল্লাশি চলছে।

    নাগেশের গলার কাছটা কান্না দলা পাকিয়ে উঠল। মেয়েটা খেয়েছে তো? চোখের জল গড়িয়ে পড়ল বিছানায়, দুর্বল চিত্তে তিনি স্ত্রীর দিকে তাকালেন।

    আজ অনেকদিন পর সুজাতা আর নাগেশ একই বিছানায়।

    না, সম্পর্কের কোনো উন্নতির জন্য নয়, উজ্জয়িনীর অপহরণ হওয়ার নিদারুণ দুঃসংবাদে জয়পুরের বাড়ি থেকে সন্ধেবেলা ছুটে এসেছেন নাগেশের অশীতিপর মা। একে নাতনির আশঙ্কায় বৃদ্ধা অধীর, তার মধ্যে নিজেদের সম্পর্কের ক্লেদ উন্মুক্ত করে আর মায়ের দুঃখ বাড়াতে চাননি নাগেশ।

    ল্যান্ডলাইনে ফোনটা এবার এল নাগেশের জন্যই। দু-বার রিং হতেই আধশোয়া হয়ে নাগেশ ফোনটা রিসিভ করলেন, ‘হ্যালো!’

    ওপাশ থেকে মিহি গলায় পুরুষকণ্ঠ ভেসে এল, ‘পুলিশে খবরটা দিয়ে কি খুব ভালো করলেন?’

    নাগেশ সঙ্গেসঙ্গে ফোনের দিকে তাকালেন, একটা ল্যান্ডলাইন নম্বর ভেসে উঠছে কলার আইডেন্টিফায়ারে, দ্রুতগতিতে সামনে রাখা নোটপ্যাডে নম্বরটা টুকতে টুকতে বললেন, ‘কে কথা বলছেন?’

    ‘এই নম্বরটা পুলিশের কাছে দিয়ে কোনো লাভ হবে না মি সিং। এটা একটা বুথের নম্বর। আচ্ছা একটা কথা বলুন তো, মেয়েকে কি জ্যান্ত ফিরে পাওয়ার ইচ্ছে নেই?’

    নাগেশের সমস্ত পরাক্রম মুহূর্তে যেন খান খান হয়ে গেল, তিনি ভাঙা গলায় বললেন, ‘শুনুন, এরকম করবেন না। আপনারা … আপনাদের আমি টাকা দেব কালই। প্লিজ, আমার মেয়েকে ফেরত দিন।’

    ‘টাকা? আপনার কাছে টাকা কখন চাইলাম মি সিং?’ গলাটা যেন খুব অবাক।

    ‘মা-মানে? আমার স্ত্রী-ই তো বললেন যে টাকা নিয়ে কাল সকাল ন-টায়…!’

    ‘ওফ হো! সে তো আপনার স্ত্রীকে বলেছি, আপনার কাছে তো নয়। আপনি এত বড়ো মান্যগণ্য মানুষ, আপনার মেয়ের দাম কি শুধু ওই ক-টা টাকা?’

    নাগেশ এবার দিশেহারা হয়ে গেলেন, ‘কী বলছেন আমি কিছু বুঝতে পারছি না?’

    ‘টাকাটা আপনার স্ত্রীর কাছে চেয়েছি। আপনার কাছে অন্য জিনিস চাই।’

    ‘কী- কী চান বলুন?’ নাগেশ কাতরস্বরে বলতে লাগলেন, ‘কী চান আপনারা?’

    সুজাতা উঠে বসেছেন বিছানার ওপর, তাঁর মুখেও এখন ভয়ের ছায়া।

    ‘আমরা আপনাদের দুজনের জন্যই সিনেমা হলের প্যাকেজ রেখেছি স্যার!’

    গলাটা মিষ্টি করে বলল, ‘কাল সকাল আটটায় যখন আপনার স্ত্রী গুরগাঁওয়ের রিজেন্ট সিনেমা হলের সামনে টাকাটা হ্যান্ডওভার করবেন, আপনিও ঠিক তখনই আগ্রার কৈলাস সিনেমা হলের সামনে আরেকজনকে আমাদের কাছে হ্যান্ডওভার করবেন, কেমন?’

    ‘আরেকজনকে আপনাদের কাছে হ্যান্ডওভার করব মানে? কাকে?’ নাগেশ হতবাক।

    ওপাশের উত্তরটা শুনে এই ঠান্ডাতেও নাগেশ সিং কেঁপে উঠলেন। কিছুক্ষণ থম মেরে থেকে একের পর এক ফোন করতে শুরু করলেন। নীচু গলায় নির্দেশ দিতে লাগলেন পরপর।

    .

    রুদ্রর চোখ জ্বালা করছিল, মনে হচ্ছিল সোফাতে বসেই ঘুমিয়ে পড়ে, কিন্তু নাহুম আর প্রিয়ম, দু-জনের কারুর চোখেই ঘুম নেই। প্রিয়ম ইন্টারনেটে ড নিজামুদ্দিন বেগের সেই বিতর্কিত কলামগুলো একে একে খুলছে আর পড়ে শোনাচ্ছে।

    ইনস্পেকটর নাহুম খান মুখে যতই হম্বিতম্বি করুন, তাঁরও ইতিহাসেই ভালোই আগ্রহ, মন দিয়ে শুনছেন নিজামুদ্দিনের লেখা পয়েন্টগুলো।

    প্রিয়ম বলল, ‘নিজামুদ্দিন বলছেন, তাজমহল আসলে সাততলা একটা প্রাসাদ। তাজমহলের মার্বেল পাথরের যে কাঠামোটার উপরে চারটে মিনার রয়েছে, তার নীচেও কিন্তু লাল বেলেপাথরের আরও দুটো তলা রয়েছে।’

    ‘মানে, যখন আমরা তাজমহলে ঢুকে সিঁড়ি দিয়ে উঠি, সেই সিঁড়ির পাশের তলাগুলো?’ নাহুম খান প্রশ্ন করলেন।

    ‘হ্যাঁ, তাতে বাইশটা ঘর রয়েছে এবং সেই প্রতিটা ঘর থেকেই সুড়ঙ্গ চলে গেছে যমুনা নদীর দিকে। সেই বাইশটা ঘরের দরজাগুলো এখনও বাইরে থেকে দেখা যায়, কিন্তু শাজাহান সেই বাইশটা ঘরে ঢোকার সমস্তরকম দরজা বা প্রকোষ্ঠ ভরাট করে দিয়েছিলেন, ফলে ওই ঘরগুলোর ভেতরে কী আছে, তা জানার কোনো উপায় নেই। নিজামুদ্দিন দাবি করেছেন অবিলম্বে ইতিহাসের স্বার্থে ভারত সরকারের উচিত ওই ঘরগুলো খুলে তদন্ত শুরু করা।’ প্রিয়ম একটা ছবি জুম করে এগিয়ে দিলও, ‘এই দেখুন, এক দুই করে ভদ্রলোক মার্কও করে দিয়েছেন তলাগুলো।’

    ‘না, ভদ্রলোক অন্যায্য তো কিছু বলেননি!’ নাহুম খান ছবিটা দেখতে দেখতে মাথা দোলালেন, ‘সত্যান্বেষণের স্বার্থে ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্ট যদি কেরালার পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের গোপন কুঠুরিগুলো খোলাতে পারে, তখন এক্ষেত্রেও তাজমহলের ওই ঘরগুলো খোলা উচিত! এতে তো অন্যায় বা কোনো ধর্মের অসন্তোষের কারণ নেই।’

    ‘সেটা আপনি বুঝছেন মি খান, যে দেশে আজও একটা গুজবে মানুষ মেরে ফেলা হয়, সেদেশের ক-জন সেটা বুঝবে?’ রুদ্র ক্লান্ত শরীরে সোফায় হেলান দিয়ে বসেছিল, হাত বাড়িয়ে প্রিয়মের হাত থেকে মোবাইলটা নিয়ে ছবিটা দেখতে লাগল।

    প্রিয়ম বিরক্ত হয়ে রুদ্রর দিকে তাকাল, পড়ার মাঝে দুম করে টেনে নেওয়ার বদ স্বভাবটা রুদ্রর কোনোদিনই গেল না। ভ্রূ কুঁচকে ও টেবিল থেকে সুরঞ্জনের ট্যাবটা তুলে নিল। আড়চোখে শ্বশুরমশাইয়ের দিকে তাকাল, তিনি আর কষ্ট করে বসে বসে ঘুমোচ্ছেন না, লম্বা সোফায় সটান হয়ে পড়েছেন অনেকক্ষণ আগেই।

    ‘ড বেগের দ্বিতীয় কিস্তির লেখাটা তো আরও মারাত্মক! আর এঁর লেখাগুলো অনেক বেশি যুক্তিবাদী, অঘোরেশের চেয়ে।’ প্রিয়ম পড়তে পড়তে বলল।

    ‘কীরকম বলুন?’

    ‘হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী ভারতবর্ষে নাকি মোট চৌষট্টিটা জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির ছিল।’

    ‘জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির আবার কোন ঠাকুরের মন্দির?’ নাহুম খান অবাক হলেন।

    প্রিয়ম পড়ে চলেছিল, ‘জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির হল প্রাচীনকালের একধরনের বিখ্যাত শিবমন্দির, হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী মোট চৌষট্টিটা এইরকম জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির ছিল ভারতবর্ষে। কিন্তু হাজার বছর ধরে মুসলিম, তুর্কিরা এসে হাজার হাজার মন্দির ধ্বংস করেছে, ফলে এখন ভারতে এইরকম মন্দির রয়েছে মাত্র বারোটা। গুজরাটের সোমনাথ মন্দির, মধ্যপ্রদেশের মহাকাল মন্দির, উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দির, বেনারসের বিশ্বনাথ মন্দির, এগুলো সবই একেকটা জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির। তার মধ্যে সোমনাথ মন্দির তো আমরা জানিই, বহুবার ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

    ‘হ্যাঁ, সোমনাথ মন্দির আমি গেছি।’ নাহুম খান মাথা দোলালেন।

    ‘আপনি গেছেন?’ প্রিয়ম বলল, ‘ঘুরতে?’

    নাহুম খান একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘ঘুরতে ঠিক নয়, ওই আর কি! তারপর বলুন।’

    প্রিয়ম বলতে লাগল, ‘নিজামুদ্দিন বলছেন, প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র শিবপুরাণে এই সবকটা জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরের অবস্থান দেওয়া আছে, একদম অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশ মেনে, সেই অনুযায়ী যদি ভারতের মানচিত্রে লুপ্ত মন্দিরগুলোকে ম্যাপ করা যায়, তাহলে তাজমহলের লোকেশনে একটা জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরের অবস্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। আসলে তাজমহল ছিল নাগনাথেশ্বর মন্দির, শিবের গলায় পেঁচানো সাপ থেকে নাগনাথেশ্বর নামটা এসেছিল।’

    ‘নাগ-নাথ-ঈশ্বর, মানে সাপেদের যে রাজা, সেই রাজার ঈশ্বর!’ নাহুম খান স্বগতোক্তি করলেন।

    প্রিয়ম ব্যাখ্যা করল, ‘আগ্রায় প্রাচীন কাল থেকেই জাট প্রজাতির মানুষ বসবাস করে আসছে, তারা মহাদেব শিবকে বলে তেজাজি। সেই তেজাজি থেকেই তেজ-মহালয়, সেই থেকে তেজো মহালয়, আজকের তাজমহল। নাগনাথেশ্বরের সেই শিবলিঙ্গ শাজাহান নির্মমভাবে ইতিহাসের অন্ধকারে নাকি লোপাট করে দিয়েছিলেন।’

    ‘এও তো সেই অঘোরেশের মতো জোর করে তৈরি করা যুক্তি হয়ে গেল।’ নাহুম খান বললেন, ‘অনার্সে পড়ার সময় পড়েছিলাম কোন এক ঐতিহাসিক বলেছেন ইটালির রোমে নাকি রামচন্দ্র গিয়েছিলেন, সেই থেকে নাম হয়েছে রোমা, সংস্কৃত শব্দ ভাটিকা থেকে নাকি ভাটিক্যান সিটি নাম হয়েছে! এগুলোর কোনো লজিক আছে! তাহলে তো অনেক কিছুই ওইরকমভাবে বলা যায়।’

    ‘না ড বেগ শুধু বলেননি, উনি যুক্তিও দিয়েছেন।’ প্রিয়ম বলল, ‘শিবপুরাণ বেদের একটা ভাগ যেখানে অঙ্ক ফিজিক্স এবং কেমিস্ট্রির দুরূহ সব তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছে। শিবপুরাণের এই বৈদিক ম্যাথ, বিজ্ঞানচর্চা প্রমাণ করে দেয় যে পশ্চিমের দেশগুলোর হাজার বছর আগেই পূর্বে এই আবিষ্কারগুলো করা হয়েছিল। এমনকী, শিবপুরাণে মহাকাশচর্চা, অ্যানাটমির মতো মেডিক্যাল টপিকও রয়েছে।’ প্রিয়ম সংবাদপত্রের ড বেগের লেখাটা জুম করল, ‘এই দেখুন, রুদ্রম চমকম বলে একটা শ্লোক, এতে বিভিন্ন অণু পরমাণুর ফর্মেশন জটিল অঙ্ক দিয়ে বোঝানো হয়েছে। আবার দেখুন, কীভাবে স্কোয়ার রুটের মতো পাটিগণিতও রয়েছে এখানে,

    একা চ মে, তিশ্র চ মে, পঞ্চস চ মে, নব চ মে, একাদশ চ মে

    ত্রয়োদশ চ মে, পঞ্চদশ চ মে, সপ্তদশ চ মে, নবদশ চ মে…।

    ‘কী বলছেন বলুন তো এগুলো?’ নাহুম খান হতবাক।

    ‘ওই তো, এই শ্লোকের মানে হল একের স্কোয়ার রুট এক, এক যোগ তিন হল চার, চারের স্কোয়ার রুট হল দুই…।’

    ‘বুঝেছি বুঝেছি, আর বলতে হবে না।’ নাহুম খান থামিয়ে দিলেন, ‘কিন্তু এর সঙ্গে তাজমহলের যুক্তি আসছে কীভাবে?’

    ‘শিবপুরাণে প্রায় এক লক্ষ শ্লোক রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আর্কিটেকচারের গাণিতিক সমাধানও। তাজমহল যে জ্যামিতিক প্যাটার্নে তৈরি, সেটা হল মিরর সিমেট্রি। খেয়াল করলে দেখবেন, পুরো তাজমহলেও এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য রয়েছে, মাঝামাঝি লম্বভাবে কাটলে দুই ভাগ যেন একে অন্যের আয়না, আবার চারদিকের যেদিক থেকেই দেখা যাক, তাজমহলকে একইরকম দেখাবে। এটাকে ইউক্লিড ডিয়োমেট্রিতে বলে মিরর সিমেট্রি। অথচ সেটারও ব্যাখ্যা শিবপুরাণে রয়েছে, শ্লোকটা পড়ে শোনাব?’

    ‘না না।’ নাহুম খান হাত নাড়লেন, ‘এমনিই বলুন না।’

    প্রিয়ম বলল, ‘আচ্ছা, তার পরের শ্লোকেই বলা আছে একটা জ্যামিতিক প্যাটার্নে ভারতের প্রতিটা জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির অবস্থান করছে, সেই হিসেব দিয়ে ক্যালকুলেশন করে ড বেগ এখনকার প্রতিটা জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরকেই ঠিক জায়গায় পেয়েছেন, আরও অনেকগুলো পয়েন্ট পেয়েছেন, যেগুলোয় ধ্বংস-হয়ে-যাওয়া মন্দিরগুলো ছিল বলে উনি অনুমান করছেন। সেই পয়েন্টগুলোর মধ্যে এই আগ্রাও একটা।’

    রুদ্র বিড়বিড় করল, ‘সবই খালি অনুমান!’

    প্রিয়ম ম্যাপটা দেখিয়ে শ্লোকটা বলতে লাগল,

    সৌরাষ্ট্র সোমনাথম চ শ্রীশৈলে মল্লিকার্জুনম

    উজ্জয়িন্য মহাকালম ওমকারাম মামালেশ্বরম

    পরল্যাম বৈদ্যনাথ চ দাক্ষিণ্যম ভীমা শঙ্করম…।

    ‘উহ, থামুন না মশাই!’ নাহুম খান চটেমটে বললেন, ‘এই শালা সংস্কৃত ভাষাটা জনেউ থেকে গ্র্যাজুয়েশনে জ্বালিয়ে মেরেছিল আমায়।’

    রুদ্র বলল, ‘জনেউ তো উত্তরপ্রদেশে পৈতেকে বলে জানি!’

    ‘আপনার গ্র্যাজুয়েশনে সংস্কৃত ছিল?’ প্রিয়ম অবাক হয়ে বলল, ‘সংস্কৃত নিয়েছিলেন কেন?’ তারপরেই নাহুম খানের বলা প্রথম শব্দটার প্রতি ওর নজর পড়ল, হতবাক হয়ে ও বলল, ‘পৈতে! মানে?’

    নাহুম খান কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, ‘বাবা মন্দিরের পুরোহিত ছিলেন। জনেউ তো হবেই। কলেজের ফাইনাল ইয়ারে ফারহিনের প্রেমে পড়লাম। তখন রক্ত গরম, বাবাকে গিয়ে সোজা বললাম বিয়ে করতে হলে ওকেই করব। বাবাও ধার্মিক ব্রাহ্মণ মানুষ, বললেন বেরিয়ে যাও। আমিও এককথায় বেরিয়ে এলাম। তারপর ইসলাম ধর্ম নিলাম, ফারহিনকে বিয়ে করলাম।’

    প্রিয়ম বলল, ‘বলেন কী! আপনিই তো দেখছি এই যুগের শাজাহান!’ উচ্ছ্বসিত প্রিয়ম রুদ্রর দিকে তাকাল, ভাবল রুদ্রও বুঝি অভিভূত।

    কিন্তু কোথায় কী, রুদ্র আবার সেই ড বেগের সাততলা তাজমহলের ডায়াগ্রামটার মধ্যে ঢুকে পড়েছে, জুম করে দেখছে বিভিন্ন কোণ থেকে।

    প্রিয়ম বলল, ‘শুনলে মি খানের কথা?’

    রুদ্র অন্যমনস্কভাবে একবার শুধু মাথা নাড়ল।

    নাহুম খান হাসলেন, ‘সে-ই বটে! শুধু মুমতাজ চলে যাওয়ার পর আমি তাজমহল তো দূর, একটা কুঁড়েঘরও বানাতে পারলাম না, পুলিশ কোয়ার্টারেই মাথা গুঁজে রয়ে গেলাম, এই যা পার্থক্য!’

    ‘মুমতাজ চলে যাওয়ার পর মানে?’ প্রিয়মের কপাল কুঁচকে গেল।

    ‘অত কাণ্ড করে বিয়ে করলাম, বিয়ের দেড় বছরে মাথায় ওর ক্যান্সার ধরা পড়ল, সময়ই দিল না! জীবন বড়ো অদ্ভুত।’ নাহুম খান খুব সহজভাবে কথাগুলো বললেন।

    প্রিয়ম চুপ করে গেল। কোন কথা বলতে পারল না।

    ‘আপনি বলুন কী বলছিলেন।’ নাহুম খান সোজা হয়ে বসলেন, ‘তা, নাগনাথেশ্বর শিবমন্দিরের সেই শিবলিঙ্গ কোথায় গেল, তা নিয়ে কিছু লেখেননি ড বেগ?’

    প্রিয়ম মনোনিবেশ করতে করতে বলল, ‘হ্যাঁ, ইয়ে মানে, ড বেগ লিখেছেন শাজাহান কোথাও সেটাকে চিরদিনের জন্য বন্দি করে দিয়েছেন।’

    নাহুম খান ভ্রূ কুঁচকে চুপ করে গেলেন, আর তাঁর ফোনটাও সঙ্গে সঙ্গে বেজে উঠল।

    ফোনটা রেখে বললেন, ‘নাগেশ সিং-এর কাছে আবার ফোন এসেছিল। উনি আগ্রা আসছেন।’

    .

    কবীর হনহন করে মেহতাববাগে যমুনা নদীর পাড় দিয়ে হাঁটছিল। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি, উত্তেজনায় ওর শরীরের স্নায়ুগুলো যেন চঞ্চল হয়ে উঠেছে। একবার ভাবল, নাগেশ সিং-এর ওই পেছনপাকা মেয়েটা কী করছে গিয়ে দেখবে। কিন্তু পরের মুহূর্তেই ও সেই ভাবনাকে নাকচ করে দিয়ে একটা গাছের তলায় স্থির হয়ে বসল।

    দূরের তাজমহলকে দেখতে দেখতে ভাবল

    দূরের তাজমহলকে দেখতে দেখতে ভাবল আর কয়েক ঘণ্টা পরে ওর জীবনটা বদলে যাবে। মাথা ঠান্ডা রেখে পুরো পরিকল্পনাটা ও ঝালিয়ে নিতে লাগল।

    সত্যিই, লখনৌ থেকে যেদিন দিল্লি এসেছিল, ও কি ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পেরেছিল যে এতরকম উথালপাতালে ভরতি হয়ে উঠবে ওর জীবন? পড়াশুনোয় ও আহামরি কিছু ছিল না, শুধুমাত্র অঙ্কতেই ওর মাথাটা যা খেলত, তাও সেই মাথা কাজে লাগিয়ে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার দিকে ওর কোনোকালেই মতি ছিল না। সিলেবাসের বাইরের জেটিল গাণিতিক প্রবলেম নিয়ে মেতে থাকত। বিশ্বের তাবড় তাবড় ধাঁধা যা চার-পাঁচশো বছরেও কেউ সমাধান বের করতে পারেনি, তাই নিয়েই ও বুঁদ হয়ে থাকত।

    কিন্তু চিরকালই অঙ্কের সঙ্গে সঙ্গে বদমায়েশি বুদ্ধিও ওর মাথায় খেলত ভালো। প্রফেসর বেগের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করার পর ছোটোবেলার বন্ধু প্রকাশকে দিয়ে ও এটা ওটা আনাত।

    প্রকাশ হল লখনৌ মিউজিয়ামের স্টোরকিপার, ছোটোখাটো জিনিস সরিয়ে দেশ বা বিদেশের অ্যান্টিক ব্যবসায়ীদের কাছে বেচা হল ওর পার্ট-টাইম রোজগার। দু-একবার ধরা যে পড়েনি তা নয়, প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে গেছে।

    এইভাবেই প্রফেসর বেগকে ও এনে দিয়েছে বটেশ্বর শিলালিপির কপি থেকে শুরু করে আর অনেক কিছু। প্রফেসর বুঝতেন সবই, কিন্তু নিজের গবেষণার নেশায় এই খুচরো অন্যায়গুলোকে প্রশ্রয় দিতেন। কিন্তু প্রকাশ মনে হয় ইদানীং আরও বড়ো কোনো দাঁও মারার ধান্দায় ছিল, দেশ-বিদেশের অ্যান্টিক স্মাগলারদের সঙ্গে ওর যোগাযোগ ক্রমশই দৃঢ় হচ্ছিল।

    যেদিন প্রকাশের মুখ থেকে শুনে এসে ও বিদেশের কোনো মিউজিয়াম থেকে সরানো বাদশাহনামার কথা বলল, তখন প্রফেসর বেগ ওর ওপর বিশাল খাপ্পা হয়ে গিয়েছিলেন, এমনকী পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছিলেন। তখন থেকেই ওর সঙ্গে প্রফেসরের দূরত্ব বাড়ার শুরু।

    সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতল ওই ওয়াসিম আর সাহেবের দল।

    একটা নিশ্বাস ফেলল ও, সরু চোখে একটা ভাঙা পাঁচিলের ওপারে মেহতাববাগের দিকে তাকাল। প্রফেসর বেগের কাছে থাকা শেষ মুদ্রাটা কিছুতেই পাওয়া গেল না। না পাওয়া যাক, কবীর নিজেই সেই হারিয়ে যাওয়া রাস্তা বের করবে। একবার তো দেখেও ছিল একঝলক, ওর স্মৃতিশক্তি মারাত্মক, ছবির মতো মনে আছে।

    ওই সাহেবরা ওকে লক্ষ লক্ষ ডলার দেবে, এর মধ্যেই ওর লখনৌয়ের মাটির বাড়ি আর টিনের চাল ভেঙে ইমারত উঠছে।

    পরিবর্তে ওরা চাইছে শুধু সেই আটশো বছরের পুরোনো সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ, যা দিয়ে ওরা প্রবেশ করতে পারবে তাজমহলের একদম গভীরে।

    কিন্তু তারপর? প্রবেশ করে কী করবে ওরা? এই একটা প্রশ্নে এসে কস্তুরীর মতো ও-ও দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে।

    এই যে গত কয়েক মাস ধরে দিল্লি আর আগ্রায় সবার অলক্ষ্যে ওরা একটা জাল বিস্তার করে চলেছে, সেই নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্যটা কী?

    আগ্রা কর্পোরেশন থেকে ওকে মেহতাববাগের পাশের এই পরিত্যক্ত জঙ্গল পরিষ্কার করার একশো দিনের কাজের শ্রমিকদের সুপারভাইজার করে পাঠানো থেকে নাগেশ সিং-এর মেয়েকে কিডন্যাপ করা, সবই হয়ে চলেছে ওদের নির্দেশে, এতটাই ক্ষমতার পরিধি ওদের।

    অথচ আজও ওয়াসিম ছাড়া তেমন কাউকেই কবীর তেমন চিনল না। তাও ওয়াসিম নেহাতই এজেন্ট, সেটা বোঝাই যায়।

    যাই হোক, ওর নিজের টাকা পাওয়া নিয়ে কথা। ও চাদরটাকে ভালো করে গায়ে জড়াল, এবার ভোর হবে ধীরে ধীরে। অনেক অঙ্ক, অনেক ম্যাপিং করে ও মোটামুটি নিশ্চিত এখানেই কোথাও লুকিয়ে আছে সেই সুড়ঙ্গ। ইতিমধ্যেই একশো দিনের কাজে নিযুক্ত শ্রমিকদের দিয়ে পুরো জায়গাটা খুঁড়ে ফেলেছে। তাতে বেরিয়েছে প্রায় বারো তেরোটা সুড়ঙ্গের মুখ। তাতে ও আশ্চর্য হয়নি। তাজমহলের ঠিক এই পারে অজস্র সুড়ঙ্গ খুঁড়ে যে শত্রুপক্ষকে ধোঁকা দেওয়ার যে কৌশল করা হয়েছে, সেটা ও আগেই বুঝেছিল। প্রতিটা সুড়ঙ্গকে চিহ্নিত করার কাজও শেষ।

    কিন্তু এই সুড়ঙ্গগুলোর প্রায় সবকটাই মাঝপথে গিয়ে নদীগর্ভে শেষ হয়ে গেছে।

    শেষ হয়নি শুধু একটা, সেই সুড়ঙ্গটা নদী পেরিয়ে পৌঁছেছে তাজমহলের মাটির তলায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }