Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ৩১

    ৩১

    উজ্জয়িনীর চোখ ফেটে জল আসছিল। খিদেয় পেটের অন্তঃস্থল থেকে একটা বিকট স্রোত পাক দিতে দিতে ওপরদিকে উঠছে, এরকম কষ্টকর অনুভূতি এর আগে কখনো ওর হয়নি।

    জেগে ওঠার পর প্রায় দু-ঘণ্টা হয়ে গেল ও একইভাবে আধশোয়া হয়ে রয়েছে। ভীষণ ঘুম ঘুম পাচ্ছে, তন্দ্রাচ্ছন্ন একটা ঘোর কাজ করছে ওর মধ্যে, মনে হচ্ছে যেন ঘুমিয়েই থাকে।

    হাত-পায়ে বাঁধা দড়িগুলো এতটাই তীক্ষ্ন, চামড়া জ্বলতে শুরু করেছে। মুখে শক্ত করে সাঁটা টেপের বিকট গন্ধে মাথা ঘুরছে।

    এটা একটা ছোট্ট ঘর, ঘর না বলে ইটের অস্থায়ী ডেরা বলাই ভালো। ইটগুলো এতটাই অবিন্যস্ত বা তাড়াহুড়ো করে একের পর এক সাজানো হয়েছে যে তার ওপাশের রাতের কালো অন্ধকার আলাদাভাবে উজ্জয়িনীর চোখে পড়ছে। সর্বসাকুল্যে সাত ফুট বাই সাত ফুটের বাঁকাচোরা একটা ঘর, একপাশে বাঁশের দরমা। সেটা বাইরের হাওয়ায় মাঝে মাঝেই নড়ে উঠছে, সেই আশায় উজ্জয়িনী অনেকবার চেঁচাতে গিয়েও একফোঁটা স্বর গলা থেকে বেরোয়নি, উলটে গলা চিরে গেছে।

    অনেকক্ষণ অন্ধকারে থাকতে থাকতে তার মধ্যেও চোখ ঠিক আলো খুঁজে নেয়। উজ্জয়িনীর বমি পাচ্ছিল, মাথার একপাশ যন্ত্রণায় ছিঁড়ে যাচ্ছিল, মনে একরাশ স্মৃতি বুদবুদের মতো উজিয়ে উঠছিল, ছোটোবেলায় দিল্লির বাড়িতে বাবার সঙ্গে খেলা, কিংবা জয়পুরের বাংলোয় গিয়ে ঠাকুরদার সঙ্গে এস্টেটের জিপগাড়িতে করে ঘুরে বেড়ানো, সব ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘের মতো ভিড় করে আসছিল মনে।

    আর পাঁচজনের চেয়ে ওর অনুভূতি বা স্মরণশক্তি অনেকটাই বেশি, এই অবচেতনে থাকা এই ভয়ের মধ্যেও ও খুব মনোযোগ দিয়ে কান পাতল ইটের প্রান্তে, নিস্তব্ধতার মাঝেও কোথাও যেন কুলকুল একটা মৃদু শব্দ হয়ে চলেছে একটানা। ও এখনও পর্যন্ত কোথায় রয়েছে কিছুই বুঝতে পারছে না, তবুও সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে মন দিয়ে একটানা শব্দটা শুনতে লাগল।

    একটা সময় মনে হল ও আবার সেই স্বপ্নটা দেখছে না তো? সেই জলের মধ্যে ডুবতে ডুবতে হয়ে চলা শব্দ আর এই আওয়াজটার যেন অনেকটাই মিল।

    পাকা সাঁতারু উজ্জয়িনীর হঠাৎ মনে হল কাছেপিঠে কি কোনো পুকুর রয়েছে?

    ও ধড়মড় করে উঠে বসতে গেল, কিন্তু পারলো না। উলটে হাত-পায়ে চেপে বসে থাকা দড়িগুলো চামড়া কেটে বসতে লাগল মাংসের ওপর।

    ওর এবার কান্না পেয়ে গেল।

    আচ্ছা এমন কি হতে পারে, গাড়িটা মাঝপথে কেউ বা কারা আক্রমণ করেছিল? কবীর, ওর বন্ধু আর উজ্জয়িনীকে কিডন্যাপ করেছে? কবীরের কোনো ক্ষতি হয়নি তো?

    ওর আকাশপাতাল ভাবনার মধ্যেই বাঁশের দরমাটা আচমকা খুলে গেল। এত আকস্মিকভাবে খুলল যে উজ্জয়িনী কেঁপে উঠল। আড়চোখে দেখল, কেউ একজন ঢুকেছে ঘরে।

    প্রবল বিপদের মধ্যেও যে বিরল প্রজাতির মানুষ মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারে, তাদের মধ্যে উজ্জয়িনী একজন। চট করে ও ভাবল, দরজা খুলে যে বা যারা ঢুকছে, তারা বন্ধু না শত্রু ও জানে না। জানার আগে অবধি নিজের সক্রিয় অস্তিত্ব জানানা না দেওয়াই ভালো।

    ও টানটান হয়ে শুয়ে চোখ বন্ধ করে মড়ার মতো পড়ে রইল।

    প্রথমে যে ছায়ামূর্তি ঢুকল, সে কিছুক্ষণ কী করল চোখ বন্ধ করে উজ্জয়িনী বুঝতে পারল না। একটু পরেই অবশ্য সে এসে উজ্জয়িনীর দিকে টর্চের আলো ফেলল। ঘুমোনোর ভান করে থাকলেও উজ্জয়িনী বুঝতে পারছিল ছায়ামূর্তি খুঁটিয়ে দেখতে ওকে।

    কুড়ি-পঁচিশ সেকেন্ডের পর ছায়ামূর্তি সম্ভবত উজ্জয়িনীর ঘুম সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হল। উজ্জয়িনীর কাছ থেকে সরে গিয়ে দরমার কাছে গিয়ে ফিসফিস করে কাউকে ডাকল, ‘কোনো গণ্ডগোল নেই। এদিকে এসো।’

    উজ্জয়িনী নিজের অজান্তেই কেমন চমকে উঠল। না, কণ্ঠস্বরটা কোনো একজন নারীর বলে নয়। গলাটা ওর ভীষণ চেনা। ও একবার কারুর কণ্ঠস্বর শুনলে চট করে ভোলে না।

    কোথায় যেন শুনেছে!

    ওর প্রচণ্ড কৌতূহল হচ্ছিল চোখ খুলে দেখতে, কিন্তু অতিকষ্টে নিজেকে ও সংবরণ করতে লাগল। কিছু একটা ক্লু চাই, এই বিপদের মাঝে কোনো একটা হদিশ চাই, যা দিয়ে ও উদ্ধার করতে পারবে ওর কবীরকে। অজানা আশঙ্কায় শারীরিক সমস্ত যন্ত্ররা উপেক্ষা করা সত্ত্বেও ওর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। চোখ বন্ধ করে ঘুমের ভান করার মাঝেই ও প্রার্থনা করতে লাগল, ‘ঠাকুর, আমার কবীরের যেন কিছু না হয়, দেখো তুমি!’

    ঠাকুর আগেই দেখেছিলেন। দ্বিতীয় ছায়ামূর্তি এসে ঢোকার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে উজ্জয়িনী অনুভব করল, ওর হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দিচ্ছে একটা বলিষ্ঠ হাত।

    ‘এ কী!’ নারীমূর্তির অনুচ্চ আর্তনাদ শোনা গেল, ‘দড়িগুলো খুলে দিচ্ছ কেন!’

    ‘কড়া ঘুমের ওষুধ দেওয়া আছে, কোনো চাপ নেই।’ উজ্জয়িনীর হৃৎস্পন্দন কয়েকশো গুণ বাড়িয়ে দিয়ে একটা পুরুষকণ্ঠ শোনা গেল, ‘ডেলিভারির সময় হাত-পায়ে দড়ির দাগ দেখলে আমি মুশকিলে পড়ে যাব। কোনো টর্চারের অর্ডার নেই। আর তা ছাড়া… এখান থেকে পালাবে কোথায়! পুরোটাই ঘেরা, আর পেছনে নদী।’

    দুই ছায়ামূর্তি ওই অন্ধকারে বুঝতেও পারল না, ঘুমের ভান করে পড়ে থাকলেও উজ্জয়িনী জ্বোরোরুগির মতো কাঁপতে শুরু করেছে।

    এই পুরুষকণ্ঠটা যে তার বড্ড চেনা!

    এই মায়াভরা কণ্ঠের সঙ্গেই তো শিলং এর সেই ঘর থেকে ও দিনরাত কথা বলত। এই কণ্ঠের সঙ্গেই ও সব মোহমায়া ছেড়ে একটা ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিল, গাছের শীতল ছায়ার মতো শান্ত একটা আশ্রয় পেতে চেয়েছিল।

    উজ্জয়িনীর চোখের দু-পাশ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল।

    .

    ‘গুরুজি মানে?’ নাগেশ সিং-এর রাজপুত ভ্রূ একবার কুঁচকেই আবার সোজা হয়ে গেল।

    ‘আপনিই তো হিন্দু সন্তান দলের গুরুজি, যার নেতৃত্বে গত এক বছরে প্রায় পঞ্চাশজন মুসলিম হিন্দুধর্ম নিয়েছেন।’ রুদ্র নাগেশ সিং-এর চোখে চোখ রেখে বলল, ‘আর লুকোছাপা করে কোনো লাভ নেই, ‘আপনার দলের একটা ছেলে আজ সব স্বীকার করেছে এন আই এ-র ইনস্পেকটর মনোজ বশিষ্ঠের কাছে। মনোজ বশিষ্ঠ দিল্লি থেকে সেটা জানিয়েছেন ভগতবীর সিংকে।’

    ‘লুকোছাপা করব কেন?’ নাগেশ সিং বললেন, ‘আমরা কি জোরজবরদস্তি করে ধর্ম চেঞ্জ করিয়েছি নাকি। প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় ফিরে এসেছে ঘরে।’

    রুদ্র হাসল, ‘সেই! গরিব মানুষকে কাঁচা টাকার লোভ দেখিয়ে ধর্মান্তর করানোটা তো আর জোরজবরদস্তি নয়! যাই হোক, প্রফেসর বেগকে কোথায় লুকিয়ে রেখেছেন বলুন।’

    সবার দিকে আলতো চোখ বুলিয়ে নাগেশ সিং ধীরেসুস্থে সামনের চেয়ারে বসলেন, তারপর একবার জোরে নিশ্বাস নিয়ে শান্তগলায় বললেন, ‘লুকিয়ে রেখেছি এটা যখন জেনেই গেছেন, কোথায় লুকিয়ে রেখেছি আপনিই বলুন।’

    রুদ্র বলল, ‘নিজের দিল্লি বা জয়পুরের বাড়ি বা অন্য কোনো জায়গায় রাখার ঝুঁকি নেবেন না, কারণ প্রফেসর বেগের গবেষণা নিয়ে যখন প্রবল বিতর্ক চলছিল, ওঁর বাড়িতে হামলা চলছিল, তখন আপনি প্রকাশ্যে ওঁকে সমর্থন করে স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন বারংবার। কাজেই আপনার বাড়িতে শত্রুপক্ষ নজর রাখছিল।’

    ‘সমর্থন করে স্টেটমেন্ট দেব না কেন?’ নাগেশ সিং যেন রেগে উঠলেন, ‘চারশো বছর ধরে একটা জলজ্যান্ত মিথ্যে দিয়ে আমাদের প্রতারণা করা হচ্ছে, দেশের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, সেখানে কেউ যদি মুসলিম হয়েও যুক্তি দিয়ে সেটা ভুল প্রমাণ করে আসল জিনিস আবিষ্কারের চেষ্টা করেন, সত্যের স্বার্থে তাঁকে সমর্থন করব না?’

    ‘সমর্থন করা মানে কি এটা যে নিজের সাম্প্রদায়িক দলের সুযোগ নিয়ে উসকে মানুষকে খেপিয়ে তোলা?’ রুদ্রও নাগেশ সিং-এর চোখে চোখ রেখে বলতে লাগল, ‘আগ্রা শহরে দলের কর্মীদের দিয়ে পোস্টার সাঁটিয়ে মানুষকে আপনি খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করেননি?’

    নাগেশ এবার একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘হ্যাঁ, করেছি। কারণ প্রফেসর বেগের গবেষণা প্রায় শেষ হয়েছে। তিনি জনসমক্ষে শেষ প্রমাণটা করতে চাইছিলেন। কাল এই শহরে বিশ্বসম্মেলনও রয়েছে, এই সময় এটা ডিসকভার হলে গোটা বিশ্বেই একটা আলাদা মাত্রা পাওয়া যেত, সেইজন্য…।’

    ‘সেইজন্য মানটোলার গুল মহম্মদ নামে যে গুন্ডাটা পার্টির হয়ে প্রফেসর বেগের বাড়িতে হামলা করছিল, তাকেও খুন করালেন?’

    নাগেশ সিং এবার থেমে গেলেন, কিছুক্ষণ পরে বললেন, ‘ওটা আমাদের দলের একটা মাথাগরম ছেলের কাজ। ওই ব্যাপারে আমি কিছুই জানতাম না, বিশ্বাস করুন। আমার কোনো হাত নেই ওই খুনের পেছনে।’

    ‘হাত আছে। আপনি ওই মাথাগরম ছেলেদের উসকেছেন, খেপিয়েছেন, সেটাও যথেষ্ট বড়ো হাত।’

    নাগেশ সিং চুপ করে রইলেন। গোটা ঘরটায় থমথম করতে লাগল এক অস্বস্তিকর নিস্তব্ধতা।

    একটু বাদে নাগেশ মুখ খুললেন, ‘গুল মহম্মদ প্রকাশ্যে হিন্দুধর্মকে নিয়ে কদর্য কথা বলত, সেটা আমার ছেলেরা নিতে পারেনি। সম্প্রতি আমাদের পবিত্র শব্দ ”ওঁ” নিয়ে অশ্লীল ছড়া বেঁধেছিল, অথচ বোকাগুলো জানেনা, ওঁ থেকেই ওদের ৭৮৬-র মত পবিত্র সংখ্যা এসেছে।’

    ‘ওঁ থেকে ৭৮৬ এসেছে মানে?’ নাহুম খান এবার অবাক হলেন, ‘৭৮৬ আমরা যেকোনো শুভ কাজে একদম ওপরে লিখি, ঠিক যেমন আপনারা ওঁ বা কৃষ্ণের নাম লেখেন!’

    ‘৭৮৬ সংখ্যাটার তাৎপর্য কী?’ এই ব্যস্ত সময়ে প্রিয়ম কিছুতেই নিজের কৌতূহল নিবৃত্ত করতে পারল না, অনেকদিন ধরে সে এই প্রশ্নটা কোনো মুসলিম বন্ধুকে করবে ভেবেছে, কিন্তু জিজ্ঞাসা করা হয়ে ওঠেনি।

    ‘যেমন ডেসিমেল বা বাইনারি, তেমনই আরবি সংখ্যা গোনার পদ্ধতিকে বলে আবজাদ। আবজাদ পদ্ধতিতে প্রতিটা অক্ষরকে এক থেকে শুরু করে হাজার পর্যন্ত একটা করে সংখ্যা দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরানের প্রথম আয়াত হল বিসমিল্লা আল-রহমান আল-রহিম, আর এই শব্দের সমস্ত অক্ষরগুলো যে সংখ্যাগুলোকে রিপ্রেজেন্ট করছে, সেই সবকটা সংখ্যার যোগফল হল ৭৮৬। এটা ইসলামের খুব পবিত্র শব্দ, যেমন আপনাদের ১০৮। কিন্তু এর সঙ্গে ”ওঁ” বা ”ওম”-এর মতো সংস্কৃত শব্দের সম্পর্ক কী?’ নাহুম খান প্রিয়মের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে শেষ বাক্যটা নাগেশ সিং-এর উদ্দেশে বললেন।

    ‘ওম শব্দের প্রভাব শুধু ইসলাম নয়, খ্রিস্টান ধর্মেও আছে। ইংরেজি Omni কথাটার অর্থ সবকিছুর থেকে সেরা বা ক্ষমতাশালী, Omnipotent মানে অসীম শক্তিমান, Omnivorus মানে সবকিছুকে যে গিলে ফেলতে পারে, এইসব শব্দের শুরুতেই ওম আছে। মুসলিমদের আমেন শব্দটাও এসেছে ওম থেকেই।’ নাগেশ বলে যেতে লাগলেন।

    ‘নাও! দ্বিতীয় অঘোরেশ এলেন, জোর করে মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা!’ নাহুম খান বিড়বিড় করলেন, ‘কিন্তু ৭৮৬?’

    ‘বলছি। আধুনিক যুগে ০ থেকে ৯ অবধি যে অঙ্কগুলো রয়েছে সেগুলো নাকি এসেছে আরবিক অঙ্ক থেকে। কিন্তু বৈদিক পণ্ডিতরা প্রমাণ করে দিতে পারেন, আরবি অঙ্ক এসেছিল হিন্দু বৈদিক অঙ্ক থেকেই। ভারত থেকেই এই অঙ্কগুলো আরবে গিয়েছিল। এই ৭, ৮ আর ৬-কে যদি হিন্দু দেবনাগরী হরফে, মানে হিন্দিতে লিখি, কেমন লাগবে?’ নাগেশ সিং অনুমতির অপেক্ষা না করেই সামনের একটা খবরের কাগজ টেনে নিলেন, পকেট থেকে দামি পেন বের করে ফাঁকা অংশে খস খস করে লিখতে লাগলেন।

    অক্ষরগুলোকে একসঙ্গে লিখলে কেমন দেখায়।

    ‘এইবার দেখুন এই অক্ষরগুলোকে একসঙ্গে লিখলে কেমন দেখায়।’ নাগেশ সিং লিখতে লাগলেন।

    অক্ষরগুলোকে একসঙ্গে লিখলে কেমন দেখায়।

    ‘এটা হল ”ওম” শব্দের দর্পণ প্রতিবিম্ব, অর্থাৎ মিরর ইমেজ। মিরর সিমেট্রি বৈদিক প্রথার একটা প্রচলিত ধারণা ছিল।’

    মিরর সিমেট্রি কথাটা শুনে প্রিয়ম আড়চোখে রুদ্রর দিকে তাকাল। কিন্তু রুদ্র ভাবলেশহীন।

    ‘এই দেখুন, এটাকে উলটে দিলেই ওম হয়ে যাচ্ছে।’ নাগেশ পাশে আরেকটা ছবি আঁকলেন।

    অক্ষরগুলোকে একসঙ্গে লিখলে কেমন দেখায়।

    নাহুম খান কী-একটা বলতে গিয়েও বললেন না, একদৃষ্টে তাকিয়ে রইলেন ‘ওম’ শব্দটার দিকে।

    ‘মি সিং!’ রুদ্র এবার বলল, ‘এইসব জোর করে এর ঘাড়ে ওকে বসিয়ে ভুলভাল ইন্টারপ্রিটেশন না করে প্রফেসর বেগকে কোথায় লুকিয়ে রেখেছেন বলবেন কি?’

    নাগেশ সিং চুপ করে গেলেন।

    ‘আপনি যদি না বলেন তাহলে সত্যিই আপনার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার কোনো আশা নেই মি সিং!’ নাহুম খান বললেন, ‘আপনি কি এখনও বুঝতে পারছেন না যে যারা আপনার মেয়েকে কিডন্যাপ করেছে তারা প্রফেসর বেগ বা তাঁর আবিষ্কারটাকে চাইছে?’

    নাগেশ সিং এবার সামান্য চঞ্চল হয়ে উঠলেন। ঘরের প্রতিটা মানুষ ওঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। নাগেশ কিছুটা ছটফটিয়ে উঠে বললেন, ‘রাজা পরমাদ্রিদেবের বানানো বিষ্ণু মন্দির, তার পেছনে একটা বাড়িতে।’

    ‘মানে ইতমদ-উদ-দৌলার কবরে। ওটাকেই এঁরা চান্দেলা রাজা পরমাদ্রিদেবের বিষ্ণুমন্দির হিসেবে মনে করেন।’ রুদ্র নাহুম খানের দিকে তাকাল, ‘আমার মনে হয় আপনাদের এখুনি প্রফেসর বেগকে ওখান থেকে নিয়ে তাজমহলে যাওয়া উচিত। না হলে নাগেশ সিংহের মেয়েকেও উদ্ধার করা যাবে না, তাজমহলেও নাশকতামূলক কাজ রোখা যাবে না।’

    নাগেশ উদ্ভ্রান্ত মুখে তাকালেন। সামান্য ইতস্তত করে বললেন, ‘প্লিজ, আমার মেয়েকে বাঁচানা। ওর খুব বিপদ!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }