Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ৩৫

    ৩৫

    প্রফেসর উত্তর দেওয়ার আগেই দূর থেকে দুদ্দাড়িয়ে ছুটে আসার শব্দ হল। ঝোপ, গাছপালা এড়িয়ে কেউ ছুটে আসছে এদিকে। নাহুম খান ভেতরে যাওয়ার আগে ওদের কাছে দু-জন কনস্টেবল বসিয়ে রেখে গিয়েছিলেন। তারা তাদের ঢাউস বন্দুক তাক করল সঙ্গেসঙ্গে। এ ছাড়াও জঙ্গলে ঢোকার মুখেও পুলিশের প্রচুর গাড়ি রয়েছে। রুদ্র আর প্রিয়ম অলসভাবে বসে ছিল অঘোরেশ আর নিজামুদ্দিন বেগের পাশে, ওরাও সতর্কভাবে উঠে দাঁড়াল।

    ‘আমার মনে হয় কবীরের দলকে পুলিশ তাড়া করেছে, তাড়া খেয়ে এই বাইরের দিকে ছুটে আসছে।’ প্রিয়ম বলল।

    ‘আমার তা মনে হয় না।’ রুদ্র বলল, ‘বাইরে যে পুলিশ থাকবেই সেটা ওরা নিশ্চয়ই জানে।’

    রুদ্রর কথা শেষ হওয়ার আগেই নাহুম খানকে দেখতে পাওয়া গেল, সঙ্গে আরও তিন-চারজন পুলিশকে নিয়ে দ্রুত পায়ে আসছেন, শুকনো পাতার ওপর দিয়ে শব্দটা একটু বেশিই হচ্ছিল। কাছে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, ‘পাখি উড়ে গেছে। কবীর বা ওর দল কেউ নেই।’

    ‘সেটাই এক্সপেক্টেড। ওদিকে কি শুধুই জঙ্গল?’ রুদ্র বলল।

    ‘নদীর একদম পাড়ে একটা বাঁশের ঘর রয়েছে, বোঝাই যাচ্ছে রিসেন্ট বানানো হয়েছে। ঘরটা ফাঁকা, তবে।’ নাহুম খান হাতটা তুলে একটা গোলাপি রঙের ওড়না দেখালেন, ‘এই ওড়নাটা পড়ে ছিল। মি সিং বলছেন এটা ওঁর মেয়ে উজ্জয়িনীর।’

    নাগেশ সিং এতক্ষণে এসে পৌঁছেছেন, ‘আগেরবার শিলং-এ যাওয়ার সময় এইটাই আমি ওর জন্য কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম, আমি শিয়োর এটা ওরই।’ বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন দুঁদে রাজনৈতিক নেতা, ‘পুলিশ টাকা নিতে আসা ছেলেটাকে অ্যারেস্ট করেছে তার ওপর এখানেও ওরা নেই। ওকে মেরে ফেলেছে তার মানে।’ কান্নার দমকে ফুলে উঠতে লাগল তাঁর অত বড়ো শরীর।

    ‘দাঁড়ান মি সিং, এখনই অত ভেঙে পড়বেন না।’ রুদ্র বলল, ‘আপনি যদি একবারও পুলিশকে আগে থেকে নিজামুদ্দিন বেগের সঙ্গে অোপনার কানেকশনটা বলতেন, জিনিসটা এত জটিল হত না। আমার মনে হচ্ছে, পুলিশ আসছে খবর পেয়ে ওরা পালিয়েছে, সঙ্গে উজ্জয়িনীকেও নিয়ে গেছে।’

    ‘সারা আগ্রা ট্র্যাফিককে অ্যালার্ট করে দেওয়া হয়েছে। আগ্রা থেকে যেকোনো দিকে ওরা বেরোতে গেলেই ধরা পড়বে। কবীরের মেসের সামনেও নজরদারি রয়েছে।’ নাহুম খান বললেন, ‘এখন আগ্রার গলিঘুঁজিতে লুকিয়ে থাকলে একটু সময় লাগবে, কিন্তু ধরা পড়বেই।’

    ‘এখনও কবীর বা কবীরের ওপরওলার মোটিভটা আমি বুঝতে পারলাম না। কী চায় এরা?’ রুদ্র বিড়বিড় করল, তারপর নাহুম খানের দিকে তাকাল, ‘এখন তাহলে কী করবেন?’

    ‘পুরো জঙ্গলটায় পুলিশ প্রোটেকশন দিয়ে দিয়েছি। আমাকে এখন হেড কোয়ার্টার যেতে হবে, দিল্লি পুলিশ থেকে লোক আসছে। ওরা এলে ক্ষতিপূরণের টাকা নিতে আসা বাচ্চাটা জেরায় কী বলেছে জানতে পারলে কিছুটা আইডিয়া করতে পারব।’ নাহুম খান বললেন, ‘চলুন, আর দেরি করবেন না।’

    রুদ্র বাধা দিতে চেষ্টা করল, ‘আমরা কয়েকজন একটু থাকি না। আপনার পুলিশরা তো রয়েইছে পাহারাতে। প্রফেসর বেগ তাঁর রিসার্চের ব্যাপারে বলছেন, যদি কিছুটা দিশা পাওয়া যায়…!’

    নাহুম খান ওকে কথার মাঝেই থামিয়ে দিলেন, ‘না না, তা হয় নাকি! এই জায়গাটা এখন পুরো প্রোটেক্টেড থাকবে। বড়োকর্তারা এসে আপনাদের দেখতে পেলে আমি ফেঁসে যাব। আর তা ছাড়া…।’ অঘোরেশ আর ড বেগের দিকে ইশারা করলেন নাহুম খান, ‘এঁদেরকে ফেলে যাওয়ার তো প্রশ্নই নেই। হঠাৎ অ্যাটাক হলে কী করব তখন?’

    রুদ্র মুখ দিয়ে একটা বিরক্তির শব্দ করে চুপ করে গেল। এই লোকটার সব ভালো, শুধু মাঝে মাঝেই কর্তব্যপরায়ণ ভাবটা এমন প্রবল হয়ে ওঠে, যে সেটা আদতে ক্ষতির কারণ হয়, সেটা উনি বুঝতে পারুন আর না পারুন। হতাশ মুখে ও উঠে দাঁড়াল।

    ওরা সবাই এগোতে উদ্যত হলেও প্রফেসর বেগ একচুল নড়লেন না, ঠায় বসে রইলেন।

    ‘কী হল, উঠুন স্যার। দেরি করবেন না।’ নাহুম খান তাড়া দিলেন।

    ‘আমি যাব না।’ আস্তে অথচ দৃঢ় কণ্ঠে বললেন প্রফেসর বেগ।

    নাহুম খান বললেন, ‘এ কী! যাবেন না মানে, সে বললে হয় নাকি! আপনাদের দু-জনকে প্রোটেশন তো…।’

    ‘অঘোরেশ যদি চায়, ওকে আপনারা নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু আমি তো আমার প্রোটেকশন আপনাদের কাছে চাইনি, আর আমি কিডন্যাপডও হইনি, কোনো অপরাধও করিনি, কাজেই একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আমি যেতে বাধ্য নই।’ প্রফেসর সাফ জানালেন।

    নাহুম খান এবার তেড়িয়া হয়ে উঠলেন, ‘আরে স্যার, এখন এসব ছেলেমানুষি করবেন না। এটা এখন পুলিশের আন্ডারে, আপনাকে থাকতে দেওয়া যাবে না, উঠুন।’

    প্রফেসর বেগ এবার নাগেশ সিং-এর দিকে তাকালেন, ‘তুমি কমিশনার বা মিনিস্টার কাউকে একটা ফোন করো তো!’

    নাগেশ সিং নাহুম খানের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করলেন, ‘ছাড়ুন। উনি একটু জেদি ধরনের। এতদিনের গবেষণা তো, থাকতে চাইছেন মানে নিশ্চয়ই কোনো ক্লু পেয়েছেন, কী দরকার প্রোটোকলের ঝামেলায় গিয়ে …।’

    নাহুম খান রেগে গিয়ে নীচুস্বরে একটা গালাগাল দিলেন, ‘শালা, এইজন্য বলে ইতিহাসের লোক আর পাগল, এদেরকে এড়িয়ে চলা উচিত। কোনো বাস্তববুদ্ধি নেই, সবসময় কাজে বাগড়া দেয়।’ পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এস আই-কে নির্দেশ দিলেন তিনি, ‘আস্তিক, তুমি চলে যাও, গিয়ে সব ইনফর্ম করো। আর দিল্লি থেকে লোক এলে বা অন্য কোনো খবর পেলেই আমাকে ফোন করবে।’

    ‘ওমা আপনিও যাবেন না?’ রুদ্র বলল।

    নাহুম খান একটা জ্বলন্ত দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন ওর দিকে।

    নাগেশ সিংও থাকলেন না, চলে গেলেন এস আই আস্তিকের সঙ্গে। ওঁর এখন মেয়ের চিন্তাই সবচেয়ে আগে, আর সেটাই স্বাভাবিক।

    একটা কনস্টেবল এসে নাহুম খানকে স্যালুট করল, ‘স্যার, এই যে ম্যাপটা!’

    নাহুম খান হাত বাড়িয়ে নিলেন কাগজটা।

    ‘কীসের ম্যাপ?’ রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    ‘গোটা এরিয়াটায় কতগুলো সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়েছে, আর তাদের পজিশনগুলো দেখে একটা ম্যাপ করতে বলে এলাম, সেটাই নিয়ে এসেছে।’ নাহুম খান কাগজটা মেলে ধরলেন সামনে।

    ‘কালো রঙের পঞ্চভুজগুলো এক একটা সুড়ঙ্গের মুখ স্যার!’ কনস্টেবলটা বলল।

    ‘তার মানে মোট তেরোটা সুড়ঙ্গ!’ রুদ্র বিড়বিড় করল, ‘এর মধ্যে বারোটা নকল, কিন্তু তাদের প্রবেশপথ একরকম, ভুল করে ঢুকে পড়লেই বিপদ। দু-পাশের ওই গোলগুলো কী?’

    ‘ওই দুটো গোল বেদি, এখন আর বোঝা যায় না, ভেঙেচুরে গেছে। শাজাহানের সময়েরই হবে।’

    রুদ্র আর সময় নষ্ট করল না, হাতে কতটা সময় আছে সেটা অজানা, ও তাড়াতাড়ি প্রসঙ্গে ফিরে এল, ‘ড বেগ, যে মুদ্রার জন্য আপনার বাড়িতে এখনও হামলা চলছে, তাতে কি এমন শ্লোক লেখা আছে? মুদ্রাটা কোথায়?’

    ‘বড়োদিনের দিন রাতে আমার বাড়িতে ওরা প্রচণ্ড হামলা করে, অবশ্য তার কয়েকদিন আগে থেকেই উৎপাত চলছিল বলে আমি সতর্কই ছিলাম। রাতের অন্ধকারে নাগেশ সিং-এর লোকের হাত দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম ওর দিল্লির বাড়িতে। ও সাংসদ মানুষ, ওর বাড়িতে সিকিউরিটি থাকে, চট করে কেউ হামলা করতে পারবে না। আর মুদ্রার লেখাটা স্ক্যান করে প্রিন্ট কপি নিয়ে রেখেছিলাম আমার কাছে।’ প্রফেসর বেগ তাঁর লম্বা কুর্তার পকেট থেকে আর একটা ভাঁজ করা কাগজ বের করলেন, ‘এই শিলালিপিগুলো বটেশ্বর শিলালিপি পরবর্তী ইনস্ক্রিপশন হিসেবেই আমার মনে হয়েছে।’

    রুদ্র নাহুম খানের দিকে তাকিয়ে আড়চোখে হাসল। নাগেশ সিং লোকটা শুধু ধুরন্ধর নন, মিথ্যুকও বটে। সকালেই বললেন শিলালিপিটা কোথায় উনি জানেন না, অথচ সেটা ওঁর দিল্লির বাড়িতেই রয়েছে।

    নাহুম খান সংক্ষেপে বললেন, ‘ওর বারোটা বাজাব দাঁড়ান না!’

    রুদ্র আর সেই নিয়ে কথা বাড়াল না, ‘এই লেখাটাই তার মানে কবীর খুঁজছিল, কিন্তু পায়নি?’

    ‘কবীর আগের শ্লোকগুলো ডিকোড করে এই তেরোটা সুড়ঙ্গের পয়েন্ট পেয়েছে। তারপরেই আমি লিপিটা লুকিয়ে ফেলি। চান্দেলা রাজারা ছিলেন প্রচণ্ড বুদ্ধিমান, তেজোমহালয় শিবমন্দির বার বার মুসলিম আক্রমণে পর্যুদস্ত হওয়ায় তাঁরা এটাকে পরে প্রাসাদ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ঠিক উলটোদিকে এতগুলো সুড়ঙ্গ ছিল শুধুমাত্র শত্রুপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে, যাতে তারা যদি কোনোভাবে সুড়ঙ্গের সন্ধানও পায়, ভুল পথে ঢুকে নদীগর্ভে শ্বাসরুদ্ধ হয়েই যেন মারা যায়। হয়তো মাঝপথে মুখবন্ধ সুড়ঙ্গগুলোর মধ্যে পাহারাদার রক্ষীরাও থাকত। এই এতগুলো সুড়ঙ্গের মাঝে একমাত্র যে সুড়ঙ্গ প্রাসাদে পৌঁছোচ্ছে, সেখান দিয়ে হয়তো আসা-যাওয়া করত কোনো গুপ্তচর কিংবা বিপদের সময় রাজা সেখান দিয়ে নিরাপদে বেরিয়ে যেতে পারতেন। এখন কবীর যে এমন হন্যে হয়ে খুঁজছিল, তার কারণ এটা নয় যে ও এটা আগে দেখেনি। এটা ওকে আমি দেখিয়েছিলাম, ও অর্থ বের করতে পারেনি তখন।’ প্রফেসর বেগ থামলেন।

    ‘আপনি আর ডিকোডের চেষ্টাও করেননি?’ প্রিয়ম জিজ্ঞেস করল।

    ‘সেইজন্যই আসলে আমার একটু সময়ের দরকার হয়েছিল। একে তখন এত উৎপাত চলছিল বাড়িতে, তার ওপর কবীরও চলে গিয়েছিল, আমি নিরাপদে একা থেকে ভাবতে চাইছিলাম।’

    ‘যারা এসেছিল তারা কী চেয়েছিল আপনার কাছে?’ রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    ‘সেটা আমার কাছে আজও পরিষ্কার নয়। দিল্লির একটা লোক দু-জন বিদেশিকে নিয়ে এসেছিল। অবিশ্বাস্য অঙ্কের একটা টাকার অফার করে বলেছিল ওই আসল সুড়ঙ্গের মুখের হদিশ ওদের চাই।’ ড বেগ বললেন।

    ‘কেন? সেই সুড়ঙ্গ নিয়ে ওরা কী করবে?’ নাহুম খান বললেন, ‘যদি ভেতরে শিবলিঙ্গ বা ওই জাতীয় কিছু থেকেও থাকে, আগেভাগে গিয়ে ধ্বংস করে দেবে?’

    একটা গোল চাকতির ওপর কিছু ছবি আঁকা

    ‘সেটা আমি জানি না। আমি সোজা বের করে দিয়েছিলাম। কিন্তু কবীর দেখছি টোপটা গিলে নিয়েছিল।’ মাথা দোলালেন ড বেগ, ‘কিন্তু মুশকিলটা হল এই মুদ্রায় শুধুই ছবি বা চিহ্ন নেই, পেছনের দিকে একটা শ্লোকও রয়েছে।’

    প্রফেসর বেগ কাগজটা এগিয়ে দিলে ওরা সেটাকে ভালো করে দেখতে পেল। একটা গোল চাকতির ওপর কিছু ছবি আঁকা, নীচে গোল চাকতিরই ওপর কিছু লাইন লেখা।

    ‘উপর নীচের ছবিদুটো মুদ্রার দু’পিঠের ছবি।’ প্রফেসর বেগ বললেন।

    এতৎ সিদ্ধান্তম পরমারদি প্রধী পুজাকর

    উপনিষ্ক্রমণ মহালয় অক্ষয়পুরুহুত দ্বন্দ্বমণ্ডলম কপাটসন্ধিকর্ণ!

    ‘অদ্ভুত বলছেন কেন?’ রুদ্র বলল।

    ‘কারণ মুদ্রা আর কোনো শিলালিপিতেই ছিল না। আর এর অর্থও খুব আশ্চর্যজনক।’ প্রফেসর বেগকে বিভ্রান্ত দেখাচ্ছিল।

    ‘কেন?’

    ‘লক্ষ করে দ্যাখো, মুদ্রাটায় একদম কেন্দ্রে রাজার ছবি, তাঁর দু-পাশে পাঁচজন করে মোট দশজন রানি।’ প্রফেসর বেগ হাত দিয়ে বোঝাচ্ছিলেন, ‘রাজার ছবির ওপরে মহাদেবের ত্রিশূল দিয়ে রাজার ক্ষমতা বোঝানো হয়েছে। আবার মুদ্রার ওপরদিকে ন-টা প্রকোষ্ঠ। তাঁর মানে দাঁড়ায়, রাজার দশজন রানি, কিন্তু ন-টা প্রকোষ্ঠ অর্থাৎ ঘর। নীচে লেখা

    এতৎ সিদ্ধান্তম

    অর্থাৎ, ‘রাজার এ কেমন নীতি?’

    ‘মানে দশটা রানির জন্য ন-টা ঘর?’ রুদ্রকে চিন্তান্বিত দেখাচ্ছিল, ‘এই সাংসারিক কথার মধ্যে কী অঙ্ক লুকিয়ে থাকতে পারে?’

    ‘জানি না!’ প্রফেসর বেগ হতাশভাবে মাথা নাড়লেন, ‘সবচেয়ে বড়ো কথা কোন রাজার কথা বলা হয়েছে সেটাও স্পষ্ট নয়।’

    ‘তার পরের তিনটে শব্দ দেখুন, পরমারদি প্রধী পূজাকর। এর মানে কী?’ রুদ্র খুঁটিয়ে দেখছিল কাগজটা।

    ‘পূজাকর মানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন আর প্রধী মানে হল জ্ঞানী ব্যক্তি। তাহলে মানে দাঁড়াচ্ছে মহান জ্ঞানী পরমারদির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হল। পরমারদি বলতে যদি চান্দেলা রাজা পরমাদ্রিদেব বোঝায়, তবে পুরোটার মানে দাঁড়াচ্ছে, রাজার দশজন রানি, কিন্তু তাদোর জন্য ন-টি ঘর। এ কেমন নীতি? পরমাদ্রিদেবের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।’

    ‘দুটো লাইন একে অন্যের উলটো মনে হচ্ছে না? এই রাজার নীতির সমালোচনা করা হচ্ছে, পরক্ষণেই তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হচ্ছে।’ রুদ্র বলল।

    ‘একদমই তাই।’ প্রফেসর বেগ বললেন, ‘কবীরের এইসব ব্যাপারে খুব ভালো মাথা খেলত, ও-ও বের করতে পারেনি।’

    ‘তার পরের লাইন হল …’ প্রিয়ম জোরে জোরে পড়ল,

    ‘উপনিষ্ক্রমণ মহালয় অক্ষয়পুরুহুত দ্বন্দ্বমণ্ডলম কপাটসন্ধিকর্ণ!’

    ‘অক্ষয়পুরুহুত … কোনো অক্ষয় নামের পুরোহিতের কথা বলা হয়েছে। হয়তো চান্দেলা রাজাদের কোনো পুরোহিতই অঙ্ক-টঙ্ক করতেন।’ নাহুম খান একটা কাটা গাছের গুঁড়ির ওপর বসে পা নাচাতে নাচাতে বললেন।

    ‘অক্ষয় পুরোহিত?’ প্রফেসর বেগ অস্ফুটে বললেন।

    অঘোরেশ এতক্ষণ চুপ করে ছিলেন, এখন বললেন, ‘অক্ষয়পুরুহুত তো শিবের একটা নাম, আমাদের কাশ্মীরে অক্ষয়পুরুহুত শিবমন্দির আছে।’

    প্রফেসর বেগ বিস্ময়ে লাইনটা আরেকবার পড়লেন, ‘উপনিষ্ক্রমণ মহালয় অক্ষয়পুরুহুত … মহালয় মানে মন্দির আর অক্ষয়পুরুহুত মানে শিব হলে শিবমন্দির। উপনিষ্ক্রমণ মানে কী বোঝাচ্ছে?’

    ‘নিষ্ক্রমণ মানে তো কোনো কিছু নির্গত হওয়া, যেমন গ্যাস নিষ্ক্রমণ হয়। নির্গত হয় কোনো রাস্তা দিয়ে, সঙ্গে ”উপ” মানে ছোটো কিছু… যেমন নদীর সঙ্গে এসে মেশা ছোটো নদীকে বলে উপনদী। তার মানে নির্গত হওয়ার রাস্তার চেয়েও নিকৃষ্ট কোনো রাস্তা…!’ প্রিয়ম নিজের মনেই বকে যাচ্ছিল।

    ‘সুড়ঙ্গ!’ রুদ্র ওকে বাধা দিল, ‘শিবমন্দিরের সুড়ঙ্গ!’

    ‘তার মানে পুরোটা দাঁড়াল, রাজার দশজন রানি, কিন্তু তাদের ন-টি ঘর। এ কেমন নীতি? পরমাদ্রিদেবের প্রতি শ্রদ্ধা। শিবমন্দিরের সুড়ঙ্গ।’ নাহুম খান পুরোটা বলেই চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘এ কীরকম হেঁয়ালি মশাই? তাও যদি গুপ্তধন-টুপ্তধন থাকত!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }