Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ৪

    ৪

    ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির দিল্লির হেড অফিসে আজ হেভিওয়েট মিটিং। বিশাল ডিম্বাকৃতি টেবিলের লম্বা দিকটায় রয়েছেন ডিরেক্টর জেনারেল মি অমূল্য ত্রিবেদী তাঁর মাথার ওপরেই পেছনের প্রকাণ্ড দেওয়ালে বসে রয়েছেন গান্ধীজি একপাশে পতপত করে উড়ছে জাতীয় পতাকা।

    মি ত্রিবেদীর দু-পাশে সার দিয়ে বসে রয়েছেন ডিপার্টমেন্টের জুনিয়র ইনভেস্টিগেটিং অফিসাররা সবাই।

    ২০০৮ সালের মুম্বাইতে তাজ হোটেলে বিধ্বংসী অ্যাটাকের পর সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে এক্সক্লুসিভলি মোকাবিলা করার জন্য ভারত সরকার ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি নামে এই ডিপার্টমেন্ট তৈরি করেছিল। এই এজেন্সির কার্যকলাপের ওপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সবসময় নজর রাখে আর কোনো রাজ্যের মধ্যে তদন্ত চালানোর জন্য এদের সেই রাজ্য সরকারের অনুমতির দরকার পড়ে না।

    ভগতবীর সিং বলে নতুন জয়েন করা তরুণ পাঞ্জাবি অফিসারটা কিছুটা নার্ভাস হয়ে গিয়ে বোধ হয় ঘামছিল। আগে সে দিল্লি পুলিশের সাবইনস্পেকটর ছিল, কিন্তু দু-বছরেই ভালো কাজ করায় তাকে এই সম্মানজনক দপ্তরে ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে দেড়মাস হল। মাত্র চব্বিশ বছর বয়সেই এই বিভাগে সুযোগ পাওয়ায় ও ভীষণভাবে খুশি, কিন্তু একইসঙ্গে টেনশনও হচ্ছে। ডেপুটেশনে আসার আগে এক সপ্তাহের জন্য আগ্রায় নিজের বাড়িও ঘুরে এসেছে, নতুন উদ্যমে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সে এখন টগবগ করছে বলতে গেলে।

    মিটিং এখনও শুরু হয়নি, সাইলেন্ট মোডে মোবাইলে ভগতবীর নিউজ চ্যানেলের আজকের আপডেটগুলো একনজরে দেখে নিচ্ছিল।

    খবরের মাঝে নিজের শহর দেখলে সবারই চোখ সেখানে আটকে যায়, তেমনই একটা খবরে ওর চোখ আটকে গেল। আগ্রার একমাস আগে আক্রান্ত হওয়া সেই প্রফেসর আজও নিখোঁজ, অথচ তাঁর বাড়িতে নাকি এখনও প্রায়দিনই রাতদুপুরে পাঁচিল টপকে লোকের আনাগোনা চলছে।

    লিঙ্কটা খুলে ও চোখ বোলাতে লাগল বিশদ খবরের ওপর। ভদ্রলোক নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথম দশদিন পুলিশি প্রহরা ছিল বাড়ির ওপর, তারপর উঠিয়ে নেওয়া হয়। তদন্তেও কোনো প্রোগ্রেস নেই, অথচ পাড়ার লোক নিয়মিত লোকজনের আনাগোনার অভিযোগ করছে। জায়গাটা কমলানগরে, ওর বাড়ি থেকে খুব দূরে নয়।

    হঠাৎ সামনে ‘গুড ইভনিং জেন্টলমেন!’ শুনতে পেয়েই ভগতবীর তড়িঘড়ি ফোনটা বন্ধ করে সামনে তাকাল।

    এন আই এ-তে আসার পর এটাই ওর প্রথম অফিশিয়াল মিটিং। এই দপ্তরের কর্মদক্ষতা সারা দেশের পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কাছে এখন সুপরিচিত। ছিঁচকে চুরি ডাকাতি, রাহাজানি নয়, এই বিভাগের উদ্দেশ্য হল দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর কড়া নজর রাখা। সন্ত্রাসবাদ, বর্ডার পেরিয়ে স্মাগলিং, নারী এবং শিশুপাচার চক্র, ড্রাগ সাপ্লাই, বেআইনি অস্ত্র সাপ্লাই, এইসব ব্যাপার নিয়ন্ত্রণ করা।

    আর এই ব্যাপারেই আজ দপ্তরের সিনিয়র ইনভেস্টিগেশন অফিসার মনোজ বশিষ্ঠ ওদের মতো জুনিয়রদের একটা প্রেজেন্টেশন দেবেন।

    ডিজি সাহেব মি ত্রিবেদী আনুষ্ঠানিকভাবে মিটিং-এর শুভ সূচনা করলেন, ‘তোমাদের মতো পনেরোজন ইয়ং ইনভেস্টিগেটিং অফিসার আমাদের ডিপার্টমেন্টের সম্পদ। আশা করব সিনিয়রদের মতোই তোমরাও এই দপ্তরের ঐতিহ্য সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিনিয়র অফিসার মনোজ বশিষ্ঠ তোমাদের কিছু বলবেন।’

    প্রাথমিক নিয়মনীতি, আলাপপরিচয় মিটলে মি বশিষ্ঠ উঠে দাঁড়ালেন। এই মুহূর্তে তিনি দিল্লি পুলিশের সবচেয়ে দক্ষ অফিসারদের মধ্যে একজন। এখন ডেপুটেশনে এন আই এ-র হয়ে কাজ করছেন। আগের বছরেই ইন্টারপোলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দু-জন কুখ্যাত মুজাহিদিন জঙ্গিনেতাকে ধরায় প্রধানমন্ত্রী এই নিষ্ঠাবান অফিসারটিকে পুরস্কৃত করেছেন। বয়স প্রায় পঁয়তাল্লিশ, কিন্তু শরীর টানটান। নির্মেদ চেহারায় কোথাও এখনও বয়স একটুও থাবা বসাতে পারেনি। গালের কাঁচাপাকা ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি মি বশিষ্ঠের ব্যক্তিত্বকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    ভগতবীর মুগ্ধ চোখে দেখছিল। সে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, ছোটো থেকে হিন্দি সিনেমায় পুলিশ অফিসারের রোল করা অ্যাকশন হিরোদের দেখে ওর পুলিশ হওয়ার শখ হয়েছিল। সে-শখ পূরণ হলেও এখনও অবধি কোনো চ্যালেঞ্জিং অ্যাসাইনমেন্ট ও পায়নি। তবে একবার যখন এই দপ্তরে ঢুকতে পেরেছে, নিশ্চয়ই পাবে! একদিন সেও প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মি বশিষ্ঠের মতো পুরস্কার নেবে, মনে মনে ভাবল ও।

    মি মনোজ বশিষ্ঠ উঠে দাঁড়িয়ে অ্যাডিশনাল ডিজি সাহেবকে স্যালুট করলেন, তারপর ঋজুভাবে এগিয়ে গেলেন সামনের প্রোজেক্টরের দিকে। ল্যাপটপে বসে থাকা কম্পিউটার অপারেটরকে নির্দেশ করলেন স্লাইড শুরু করতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘর অন্ধকার হয়ে প্রোজেক্টরের আলো দেওয়ালের প্রোজেকশন স্ক্রিনকে আলোকিত করে ফেলল।

    মৃদু গলাখাঁকারি দিয়ে কোনো গৌরচন্দ্রিকা না করেই মি বশিষ্ঠ শুরু করলেন, ‘যে ব্রোশিয়োরটা দেওয়া হয়েছে আপনারা নিশ্চয়ই সেটা পড়েছেন। দিল্লিতে বেআইনিভাবে বেড়ে চলা অস্ত্রব্যবসাই আমার আজকের বিষয়। খুব সম্প্রতি একটা বিরাট ডিল হয়েছে এই শহরেই, আমাদের ইনফরমার খবর এনেছে।’ বশিষ্ঠ সামান্য থামলেন, ‘আগে জানিয়ে রাখি আর্মস সাপ্লাই এখন গোটা পৃথিবীতেই একটা ভয়াবহ লাভজনক ব্যাবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোটা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরবরাহ করে আমেরিকা, তারপর রাশিয়া আর চীন। কিন্তু সেটা বৈধ উপায়ে। বেআইনি অবৈধ আর্মস ডিলার প্রচণ্ডভাবে বেড়ে চলেছে, সেটা শুরু হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই।’ মি বশিষ্ঠ প্রোজেক্টরের দিকে তাকিয়ে রিমোটের বোতাম টিপলেন।

    মুহূর্তে একটা পরিসংখ্যান, গ্রাফ সমেত স্লাইড স্ক্রিনে ভেসে উঠল, ‘তারপর একে একে পৃথিবীতে যত ভয়াবহ যুদ্ধ হয়েছে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৪৮-এর আরব-ইজরায়েলের যুদ্ধ, ১৯৬০-এর কঙ্গো ক্রাইসিস, আশির দশকের ইরান ইরাকের লড়াই, নব্বই সালের গালফ যুদ্ধ, এত হাজার হাজার ছোটোবড়ো যুদ্ধে লাখ লাখ লোক মারা গেছে, হাজার হাজার মানুষ গৃহহারা হয়েছে, কিন্তু এই আর্মস ডিলারদের ব্যাবসা ততই ফুলেফেঁপে উঠেছে।

    ‘পৃথিবী কেঁপে গেছে এইরকম সব বিলিওনেয়ার আর্মস ডিলারদের নৃশংসতায়। তেমনই দু-একজন পৃথিবীখ্যাত আর্মস ডিলারদের সঙ্গে আগে সংক্ষেপে আপনাদের পরিচয় করাই।’

    প্রোজেকশন স্ক্রিনে এবার টাকমাথা গোলগাল এক প্রৌঢ়ের সাদাকালো ছবি ফুটে উঠল।

    ‘আদনান খাস্তোজ্ঞি। আশির দশকের কুখ্যাত আর্মস ডিলার। সৌদি আরবের মক্কায় জন্ম, ১৯৬০ সালে আমেরিকান কোম্পানির সঙ্গে সৌদি সরকারের আর্মস সাপ্লাই ডিলে ব্রোকারি দিয়ে শুরু করেছিল। তারপর বিখ্যাত সব যুদ্ধে দু-পক্ষকেই লক্ষ লক্ষ ডলারের বিনিময়ে অস্ত্র সরবরাহ করে গেছে। একাধিকবার ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তছরুপ, আর্থিক কারচুপি রুখতে সুইজারল্যান্ডের মতো ট্যাক্স হ্যাভেনে টাকা সরিয়ে দেওয়া, বেআইনিভাবে অনেক ধরনের অস্ত্র সাপ্লাই করা, এইরকম নানা অভিযোগে বহুবার অ্যারেস্ট করা হয়েছিল। মারা গেছে গত বছরের জুন মাসে।’

    ‘এইরকম সারা পৃথিবীর পুলিশকে পাগল করে দেওয়া কুখ্যাত আর্মস ডিলার আরও কিছু আছে।’

    এবারেও স্ক্রিনে ভেসে উঠল আর এক গোলগাল টাক।

    ‘সার্কিস সোঘানালিয়ান। ফ্লোরিডার একজন আর্মস ডিলার, যাকে মার্চেন্ট অফ ডেথ বলা হয়। আমেরিকা আর সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে চলা ঠান্ডা যুদ্ধের সে সবচেয়ে বড়ো অস্ত্র সাপ্লায়ার ছিল। লোকটা সাদ্দাম হুসেনের ইরাককেও লক্ষ লক্ষ ডলারের অস্ত্র সরবরাহ করেছিল। লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় বিভিন্ন জঙ্গি দল, নিকারাগুয়া, ইকুয়েডরের মতো ছোটো ছোটো ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো সবাই ছিল সার্কিসের একচেটিয়া কাস্টমার। গালফ যুদ্ধের সময় ওর জেল হয়। এও মারা গেছে ২০১১ সালে, সাত বছর হল।’

    ‘স্যার!’ ভগতবীর স্কুলের ক্লাসরুমের মতো হাত তুলল, পরক্ষণে ভুল বুঝতে পেরে নামিয়েও নিল, ‘একটা প্রশ্ন ছিল।’

    বশিষ্ঠ স্যার হাঁপিয়ে গিয়েছিলেন একটানা বলে, জল খাচ্ছিলেন বোতল থেকে, ইশারায় ভগতবীরকে প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে বললেন।

    ‘স্যার, এই আর্মস ডিলাররা এত আর্মস পেত কোথা থেকে? মানে রিভলভার, পিস্তল, রাইফেল এগুলো তৈরি কারা করত? বৈধভাবে অস্ত্র সাপ্লাই করতে গেলে তো অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বা গান শেল ফ্যাক্টরি থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু এরা কোথা থেকে পেত?’

    ‘গুড কোয়েশ্চেন।’ বশিষ্ঠ স্যার বললেন, ‘এমনিই অনেক দেশের কাছে প্রচুর উদবৃত্ত অস্ত্র পড়ে থাকে। ধরো, কোনো একটা বড়ো যুদ্ধ শেষ হল কিংবা সন্ধি প্রস্তাবে লড়াই বন্ধ হয়ে গেল, সেক্ষেত্রে আর্মসের যে বিশাল ইনভেন্টরি সেটাকে বৈধভাবেই বিক্রি করে দেওয়া হয় গলিয়ে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেই বৈধভাবে কেনা অস্ত্রগুলো নিয়ে গিয়ে অবৈধভাবে বিক্রি করা হয় কালোবাজারে, যে দেশ যুদ্ধ করার জন্য ছটফট করছে, তাকেও মোটা দরে বিক্রি করে দেয় ডিলাররা। কোটি কোটি টাকার খেলা চলে এর মধ্যে। অনেক ক্ষেত্রে সরকার নিজেই যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়, সবচেয়ে বেশি নিলামে যে বিড করল, তাকে সেল করে দেয়। আর বন্দুক জিনিসটা দীর্ঘস্থায়ী।’ বশিষ্ঠ সামান্য হাসলেন, ‘আমি একশো বছরের পুরোনো রাইফেলও চালিয়েছি। সুতরাং একটা যুদ্ধ শেষের পর এইভাবেই আর্মসগুলো পৃথিবীর অন্য কোথাও পরবর্তী কোনো যুদ্ধে চলে যায় ঠিক। এটাকেই বলে শ্যাডো মার্কেট। এটা ক্যান্সারের মারণ কোষের মতো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে।’

    ভগতবীর মাথা নাড়ল।

    ‘তা ছাড়া অনেক দেশীয় জায়গাতেও গোপনে আর্মস তৈরি করা হয়, যেমন ধরো আমাদের দেশেই, বিহারের মুঙ্গের বা মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়া। এইসব অঞ্চলে আগে সরকারের অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি ছিল, সেই ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই জায়গায় শ্রমিকরা লুকিয়ে-চুরিয়ে অস্ত্র বানাতে শুরু করে। ওইসব জায়গায় তুমি যদি যাও প্রায় প্রতিটা বাড়িতে লেদ মেশিন দেখতে পাবে। ওখান থেকেই এখন সারাভারতে আর্মস সাপ্লাই প্রচুর বেড়ে গেছে। দামও কম, ঝক্কিও কম।’

    ডিজি মি ত্রিবেদী এতক্ষণ চুপচাপ শুনছিলেন, এবার বললেন, ‘মনোজ, কালকের ব্যাপারটা বলো।’

    ‘ইয়েস স্যার!’ বশিষ্ঠ মাথা নাড়লেন, ‘কাল পশ্চিমবঙ্গের এক গ্রাম থেকে একটা লোককে ধরা হয়েছে যে পেশায় দর্জি, কিন্তু তলে তলে মুঙ্গেরের এক ডিলারের সঙ্গে যোগসাজশ করে আর্মস সাপ্লাই করছিল কয়েক বছর ধরে। বর্ডার পেরিয়ে বাংলাদেশেও নাকি ওর মাল গেছে। সেই লোক জেরায় বলেছে যে এক সপ্তাহ আগে ও এবং আরও কিছু ডিলার মিলে মোট একুশ কোটি টাকার আর্মস সাপ্লাই করেছে দিল্লিতে একটা পার্টির কাছে। পেমেন্ট পেয়েছে দফায় দফায়। পার্টির নাম হিসেবে বলেছে বিলগাইনার।’

    বশিষ্ঠ আবার থামলেন, সবকটা তরুণ মুখের অভিব্যক্তি বুঝতে চেষ্টা করলেন নয়তো, ‘নামটা কি কারুর চেনা লাগল?’

    সবাই নির্বাক, মাথা নাড়ল দু-পাশে। এই নাম কেউ শোনেনি।

    ‘ভিক্টর বিলগাইনার নব্বইয়ের দশকের পৃথিবীকাঁপানো আর্মস ডিলার ছিল। টার্কির লোক, কিন্তু বারো থেকে তেরোটা ভাষা অনর্গল বলতে পারত। সোমালিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় জঙ্গিদের আর্মস সাপ্লাই করে রাতারাতি কোটিপতি হয়েছিল, সেটা ১৯৯১ সাল। ইউনাইটেড নেশনস সিকিউরিটি কাউন্সিল পর্যন্ত ওর কার্যকলাপে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। আল কায়দার সঙ্গেও লোকটার যোগাযোগ ছিল। অদ্ভুত ব্যাপার, ও এত ধরনের মেক আপ করতে পারত, ওর আসল চেহারা এখনও অবধি কেউ জানে না।

    ‘বিলগাইনার শিক্ষিত লোক, নিজে আর্কিটেকচার নিয়ে পড়েছে, ইন্টারপোল পর্যন্ত নাজেহাল হয়ে গেছে ওকে ধরতে।’ বশিষ্ঠ টানা বলে যাচ্ছিলেন, ‘লোকটা মুম্বাইতেও এসেছে বহুবার, মুম্বাই আর দুবাইয়ের মাফিয়া সার্কেলে ওর ছিল হরদম যাতায়াত। কিন্তু দু-হাজার পনেরো সালের একটা প্লেন ক্র্যাশে সে মারা যায় বলে খবর, যদিও কোনো প্রমাণ নেই। তা ছাড়া ভিক্টর বিলগাইনারের মতো লোকেরা দেড়শো-দুশো কোটির ডিল করে, এত কম টাকার ডিল কেন সে করবে? করলে ভারতেই-বা এসে করতে যাবে কেন?

    ‘তাহলে?’ একজন অফিসার বলে উঠল।

    ‘তাহলে এটাই যে, হয় বিলগাইনার নিজে অথবা কেউ বা কারা বিলগাইনারের নাম ব্যবহার করে মার্কেটে নেমেছে। কিন্তু যারা একুশ কোটির মাল কেনে, তারাও ফেলনা লোক নয়, আর কেন কিনেছে, সেটাও একটা প্রশ্ন। এখন কোথাও কোনো বড়ো যুদ্ধ তেমন চলছে না। তাহলে এত আর্মস কেন লাগছে হঠাৎ? তাও দিল্লিতে?’

    বশিষ্ঠ যেন ভগতবীরের দিকেই তাকিয়ে প্রশ্নটা করলেন, ‘তাহলে কি সামনেই কোনো গণ্ডগোল পাকাতে চলেছে যেটা আমরা এখনও ট্র্যাক করতে পারছি না?’

    ভগতবীর কী বলবে ভেবে পেল না, এমন সময় বশিষ্ঠের ফোন বেজে উঠল, এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে হুঁ-হাঁ করে তিনি ফোন রেখে ডিজি সাহেবের দিকে এগিয়ে গিয়ে ঝুঁকে পড়ে নীচুস্বরে কিছু বললেন।

    ভগতবীর লক্ষ করল, বশিষ্ঠের কথা শুনতে শুনতে ত্রিবেদী স্যারের ভ্রূ সামান্য কুঁচকে গেল, মাথা নাড়তে লাগলেন অল্প, তারপর কিছুক্ষণ আলোচনা করে সামান্য বিরতি নিয়ে তিনি বলে উঠলেন, ‘আগ্রায় একটা আর্জেন্ট মিশনে আগ্রা পুলিশ আমাদের অ্যাসিস্ট্যান্স চাইছে। একজন ইয়ং অফিসারকে পাঠাব আমি। কে যেতে চাইছ?’

    প্রশ্নটা শেষ করার পর দু-সেকেন্ডও কাটল না, ভগতবীর উৎসাহে হাত তুলে ফেলল।

    নিজের শহরে অ্যাসাইনমেন্টের কথা শুনলে কার না মন নেচে ওঠে?

    হাত তুলেই ওর খেয়াল হল অন্যরা ওর দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছে।

    ধুস, উত্তেজনায় যে কী হয় ওর, এখানেও বাচ্চাদের মতো খালি বার বার হাত তুলে ফেলছে!

    কিন্তু হাত নামিয়ে ফেলার পরেও ডিজি সাহেব ওর দিক থেকে চোখ সরালেন না, বেশ প্রসন্ন গলায় বললেন, ‘গুড! আগ্রা শহরে কিছু অদ্ভুত পোস্টার পড়েছে। তুমি এই ডেমনস্ট্রেশনটা শেষ হলে মি বশিষ্ঠর সঙ্গে যাবে, উনি তোমায় সব বুঝিয়ে দেবেন।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }