Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প308 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – ৯

    ৯

    কলেজের হোস্টেলে থাকলে ইচ্ছেমতো থাকা যায় না, এমনিতেই হইহট্টগোল হয় বেশি। তার ওপর উজ্জয়িনী চিরকালই একটু একাকীত্ব ভালোবাসে। তাই চার বছর আগে প্রথমে হোস্টেলে এলেও মাসদুয়েকের মধ্যেই এই নিরিবিলি জায়গায় এক কামরার ফ্ল্যাটটা জোগাড় করে চলে এসেছিল ও। সঙ্গে আসা বাবার পাঠানো লোকেরাই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।

    দাঁত মাজতে মাজতে উজ্জয়িনী ভাবল, যে সময়টায় ওর জীবন রঙে ভরে ওঠার কথা, পড়াশোনায়, নিজের ইচ্ছেমতো কিছু করতে পারার আনন্দে, খেলায় এই টিনএজটাকে মনেপ্রাণে অনুভব করার কথা, সেই সময়টার ও কী সাংঘাতিক একা! নিঃসঙ্গতা কুরে কুরে খায় ওকে।

    হঠাৎই ওর নিজের প্রতি প্রচণ্ড রাগ হল। কেন ও আর পাঁচটা ছেলেমেয়ের থেকে আলাদা? শুধু একটা নয়, দু-দুটো অস্বাভাবিকত্ব ওর মধ্যে কাজ করছে। সেই ছোট্ট থেকে ‘বিস্ময়শিশু’, ‘বিস্ময়বালিকা’ এইসব বিশেষণ শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে ও, যত কাগজে, টিভিতে ওর নাম ছড়িয়েছে, তত ভেতরে ভেতরে ফোঁপরা হয়ে গেছে ও, নিজের ভেতরের আর বাইরের টানাপোড়েনে অসংখ্যবার ভেবেছে আত্মহত্যার কথা।

    ওর এই পরিণতির পেছনে কি ওর বাবা মায়ের কোনো হাতই নেই?

    বারো বছরে মাধ্যমিক পাশ করেছিল ও, চোদ্দোতে উচ্চমাধ্যমিক, তারপর সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষায় ওপরদিকে র‌্যাঙ্ক করে মেঘালয়ের এই প্রথম সারির সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে মাত্র সাড়ে চোদ্দো বছরে ভরতি হয় ও, সরকারের থেকে স্পেশাল পারমিশন নিয়ে। এখন ওর ফাইনাল ইয়ার। তার সঙ্গে সমান্তরালভাবে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ওর সাঁতারের প্রতিভা। শর্ট ডিসট্যান্সের রাজ্যস্তরের ইভেন্টে দু-বার চ্যাম্পিয়নও হয়েছে ও। একমাত্র জলই যেন ওকে শান্তি দেয়, ডুবসাঁতার দিয়ে জলের অতলে নিজেকে তলিয়ে দিয়েই যেন পরম শান্তি অনুভব করে ও। কিন্তু মেঘালয়ে আসা ইস্তক সেই সুযোগও আর তেমন নেই।

    ছোটো থেকেই উজ্জয়িনী শুনতে শুনতে বড়ো হয়েছে ও, আর পাঁচটা সাধারণ শিশুর মতো নয়, ইংরেজিতে এদের বলা হয় প্রডিজি। প্রডিজি বাচ্চাদের ম্যাচিয়োরিটি অন্য শিশুদের চেয়ে অনেক তাড়াতাড়ি আসে, তাই সমাজ এদের বিস্ময়শিশু নাম অভিহিত করে, কিন্তু অনেকেই বোঝে না, এদের ব্যক্তিগত জীবন কতটা কষ্টের হয়ে ওঠে। এরা কারুর সঙ্গে সহজে মিশতে পারে না, সুস্থ স্বাভাবিক শৈশব থেকে বঞ্চিত হয় এরা।

    উজ্জয়িনীর ক্ষেত্রে সেটা একটু বেশিই কষ্টের। কারণ এই অকালপক্ক মস্তিষ্কের সঙ্গে ওকে পূর্বজন্মের একটা তিক্ত স্মৃতিও বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয়।

    প্রথমে এমনি স্বপ্ন ভাবলেও, দেশের সেরা প্রায় আট থেকে দশজন মনস্তত্ত্ববিদ ওর সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সহমত। ওর মস্তিষ্কের মধ্যে পূর্বজন্মের কিছু স্মৃতি এখনও রয়ে গেছে। যদিও আধুনিক বিজ্ঞান রি-ইনকারনেশন বা পুনর্জন্মকে স্বীকৃতি দেয় না, তবে সেই হ্যামলেটের হোরেশিওকে বলা কথাটা আজও সত্যি, বিজ্ঞান সব কিছুকে আজও ব্যাখ্যা করতে পারেনি।

    ওর সাড়ে তিন-চার বছর বয়স থেকে উজ্জয়িনী ওই স্বপ্নটা দেখে আসছে। শুধু যে স্বপ্নটা ও ঘুমের মধ্যেই দেখে এমন নয়, মাঝে মাঝেই ওর মনে হয় ওকে কেউ বা কারা রে-রে করে তেড়ে আসছে, ও প্রাণপণে সাঁতার কাটতে চাইছে, পালাতে চাইছে তাদের হাত থেকে, কিন্তু হাঁপিয়ে উঠছে, পারছে না।

    ডাক্তার প্রথমে বলেছিল কোনো কারণে হ্যালুসিনেশন হচ্ছে হয়তো। উচ্চবিত্ত বাবা-মা-র ইগোর মাঝে পড়ে অবচেতন মনে কোনো ভয় কাজ করছে। ওর কাউন্সেলিং চলেছিল, সঙ্গে বাবা মায়েরও।

    কিন্তু, না। তাতে কোনো কাজ হয়নি।

    পরবর্তী পর্যায়ে এসেছে অ্যান্টি ডিপ্রেস্যান্ট ড্রাগ, মেন্টাল ডিজঅর্ডার কাটানোর ওষুধ। তারাও ফেল করেছে ডাহা।

    অবশেষে চোদ্দো বছর বয়সে উজ্জয়িনী কলকাতার এক নামি সায়কিয়াট্রিস্টের কাছে গিয়ে কিছুটা দিশা পেয়েছিল।

    উজ্জয়িনীর বাবা নাগেশ সিং দিল্লির প্রথম সারির বিত্তশালী ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন, তার সঙ্গে এখন রাজনীতিতেও পা দিয়েছেন। এ ছাড়াও তাঁর আরও একটা পরিচয় আছে। তিনি জয় সিং-এর উত্তরপুরুষ। মুঘল আমলে যে কয়েকজন হাতে গোনা হিন্দু রাজা নিজেদের ক্ষমতাবলে অত্যন্ত প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন জয়পুরের রাজা জয় সিং। তিনি ছিলেন শাজাহানের সমসাময়িক। শোনা যায় রাজা জয় সিং-এরই দেওয়া এক শূন্য উদ্যানে তাজমহল বানিয়েছিলেন সম্রাট শাজাহান।

    তখনকার বেশিরভাগ হিন্দু রাজাদের আনুগত্যের কারণেই হোক, বা অন্য কোনো কূটনৈতিক কারণে বিয়ে হয়েছে মুঘল বা অন্যান্য সম্ভ্রান্ত কোনো মুসলিম পরিবারে। বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে ব্যাবসা বা মসনদে উন্নতি ছিল অতি প্রচলিত কৌশল। রাজা জয় সিং-এরও বেশ কিছু ছেলেমেয়ে বিয়ে করেন মুসলিম পরিবারে। কিন্তু জ্যেষ্ঠ পুত্র রাজা রাম সিং সেই মুষ্টিমেয় রাজাদের মধ্যে একজন যাঁর বংশধরেরা কেউই ধর্মান্তরিত হননি। তিনি ছিলেন তৎকালীন কাশ্মীরের সুবেদার এবং শিবাজির এক বিশ্বস্ত বন্ধু।

    উজ্জয়িনীর বাবা সেই রাজা রাম সিং-এর একমাত্র জীবিত হিন্দু বংশধর।

    উজ্জয়িনীর বাবা রাজপুত হলেও মা বাঙালি। কিন্তু কিছু মানুষের ভালোবাসাটা তাঁদের নিজেদের জীবনে একটা বড়ো ভুল তো বটেই, পারিপার্শ্বিক অন্য সমস্ত মানুষের স্থিতিও নষ্ট করে দেয়। উজ্জয়িনীর বাবা মা-ও তেমনই। দু-জনেই সমান শিক্ষিত, রুচিশীল, যৌবনে দু-জনে ভালোবেসে বিয়ে করলেও তাঁদের দু-জনের মধ্যে কোনো কম্প্যাটিবিলিটিই নেই। সারাক্ষণের ইগোর লড়াই, পারস্পরিক শীতল কাদা ছোড়াছুড়িতে, তার সঙ্গে উজ্জয়িনীর নিজস্ব এই অস্থিরতায় ওই চোদ্দো বছর বয়সেই যখন ও নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার কথা ভাবছে, তখন কলকাতার এক নামি মনস্তত্ত্ববিদ, যাঁর পাণ্ডিত্যও অগাধ, তিনিই প্রথম হ্যালুসিনেশনের ধারণা বাতিল করে মাকে বলেন, পুরোনা একটা ঘটনার সঙ্গে তিনি উজ্জয়িনীর এই স্বপ্নের ভীষণ মিল পাচ্ছেন এবং উনি সন্দেহ করছেন উজ্জয়িনীর পূর্বজন্মের কিছু স্মৃতি তার মস্তিষ্কের কোষগুলি এখনও ভোলেনি।

    মাঝে মাঝে ভাবে উজ্জয়িনী, কেন ওর সঙ্গেই এইসব অতিলৌকিক ঘটনা জুড়ে গেল?

    উজ্জয়িনী ঘড়ির দিকে তাকাল, তিনটে পঁয়ত্রিশ। এখনও কিছুটা সময় আছে তৈরি হতে। একটু আনমনা হয়ে ও ভাবতে থাকল ওই বয়স্ক সায়কিয়াট্রিস্টের বলা কথাগুলো।

    ওর বেশ মনে পড়ে মা অবাক হয়ে বলেছিলেন ডাক্তারকে, ‘কী বলছেন! পূর্বজন্ম! মানে যাকে বলে জাতিস্মর! আপনাদের ডাক্তারি শাস্ত্র এসব মানে নাকি?’

    ডাক্তারবাবু মাথা নেড়েছিলেন, ‘প্রচলিত ডাক্তারি শাস্ত্র হয়তো স্বীকার করে না, কিন্তু ব্রায়ান লেসলি ওয়েস নামে একজন আমেরিকান সায়কিয়াট্রিস্ট তাঁর বইয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে পুনর্জন্ম যে শুধু আছে, তাই নয়, এই জন্মের অনেক সমস্যা আগের জীবনের কথা জানতে পারলে ডাক্তারির মাধ্যমেই সারানো সম্ভব। এই নিয়ে ওঁর নিজস্ব একটা থেরাপিও আছে। তেমন হলে আমি না হয় যোগাযোগ করব ওঁর সঙ্গে। কিন্তু তা আগে,’ ভদ্রলোক সোজাসুজি উজ্জয়িনীর দিকে তাকিয়েছিলেন, ‘তোমার মনে হয়, তুমি সাঁতার কেটে পালাচ্ছ, আর ওরা পেছন থেকে এসে ধরে ফেলল, তাই তো?’

    অন্য কোনো চোদ্দো বছরের মেয়ে এসব হয়তো কিছু বুঝতই না, কিন্তু উজ্জয়িনীর অকালপক্ব মস্তিষ্ক তো সবই বড্ড তাড়াতাড়ি বোঝে। ও ওপর নীচে ঘাড় নেড়েছিল।

    বৃদ্ধ ডাক্তার বিড়বিড় করেছিলেন, ‘এই ঘটনাটার সঙ্গে একটা পুরোনো ঘটনার অদ্ভুত মিল পাচ্ছি আমি!’

    উজ্জয়িনীর মা সুজাতা ভ্রূ কুঁচকে বলেছিলেন, ‘কী ঘটনা?’

    ডাক্তার বলেছিলেন, ‘আমাদের ইতিহাসে ইংরেজ শাসনকে ভিলেনের মতো দেখানো হয়। ব্রিটিশরা আমাদের এক্সপ্লয়েট করেছিল ঠিকই, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এটাও ঠিক, পাশ্চাত্য নবজাগরণের ছোঁয়া না লাগলে ধর্মের অপভ্রংশে আর অশিক্ষা, কুসংস্কারে ডুবে থাকা আমাদের দেশের লোকের যে কী অবস্থা হত! বিজ্ঞান বা যুক্তির কোনো অস্তিত্বই ছিল না বলতে গেলে। মেয়েদের জীবন সম্পর্কে তো আর কিছুই বলার নেই। সতীদাহ প্রথার নাম শুনেছ নিশ্চয়ই। হিন্দু ধর্মের একটা জঘন্য প্রথা যেখানে স্বামী মারা গেলে তার সঙ্গে স্ত্রীকেও মরতে হত?’

    উজ্জয়িনী সায় দিয়েছিল। সতীদাহ প্রথা সম্পর্কে সে শুধু ইতিহাস বইয়ের সিলেবাসেই পড়েনি, বাইরের বইও পড়েছে। ইন ফ্যাক্ট ওর এই স্বপ্নটা যেকোনো সহমরণে যাওয়া সদ্যবিধবার, সেটা বুঝতে পারার পরেই আরও বেশি করে পড়েছে। তাই এটা ওর কাছে নতুন কিছু লাগল না। গম্ভীরমুখে ও জানিয়েছিল, ‘শুধু হিন্দুই নয়। প্রায় চব্বিশশো বছর আগেও এর প্রচলন ছিল। মেইনলি হিন্দুদের মধ্যে থাকলেও কাশ্মীরের কিছু মুসলিম সম্প্রদায়, ইন্দোনেশিয়ার কিছু উপজাতির মধ্যেও এটা ছিল।’

    ডাক্তার চমৎকৃত হয়ে বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, একদম ঠিক। ইংরেজদের আগে মুসলিম শাসকরা এই প্রথাটা পছন্দ না করলেও হিন্দু গোঁড়ামির বিরুদ্ধে কিছু করে উঠতে পারেননি। এমনকী আকবর নিজেও চেষ্টা করেছিলেন এটা বন্ধ করতে। কিন্তু, পারেননি। ইংরেজরা আসার পর পাশ্চাত্য আধুনিক শিক্ষায় যখন একটা পরিবর্তনের স্রোত আসে ভারতে, তখন রামমোহন রায়ের মতো কিছু সংস্কারক চেষ্টা শুরু করলেন একদম আইনিভাবে যেন এটাকে বন্ধ করা হয়। তাতে রে রে করে উঠল কিছু প্রাচীনপন্থী মানুষ। একটা হিসেব দিই, ১৮১৫ থেকে ১৮১৮, এই তিন বছরের মধ্যেই শুধুমাত্র বাংলায় স্বামীর চিতায় জ্বলন্ত পুড়ে মরা সতীর সংখ্যা চারশো থেকে বেড়ে হয় প্রায় সাড়ে আটশো। তখন এমনিতেই একেকটা লোকের অনেকগুলো করে স্ত্রী থাকত, আর কুলীন ব্রাহ্মণ হলে তো কথাই নেই। বাচ্চা মেয়েগুলোকে জীবনের স্বাদ কী বোঝার আগেই আগুনে পুড়ে মরতে হত। মেয়েগুলোকে সিদ্ধি জাতীয় কিছু মাদক খাইয়ে অচেতন করে দেওয়া হত, চারপাশে এত ঢাকঢোল বাজত, প্রতিবাদ করার কোনো জায়গাই ছিল না। কিছুটা ছিল গোঁড়া ব্রাহ্মণদের মদত, আর তার সঙ্গে ছিল সম্পত্তির লোভ। অল্পবয়সের বিধবাকে মেরে ফেলতে পারলে পুরো সম্পত্তিই আত্মীয়দের, সেই লোভেও মেরে ফেলত ওরা।’

    উজ্জয়িনী চুপচাপ শুনছিল। ডাক্তারবাবু যেটা বলছিলেন সেটার ও বহুবারের প্রত্যক্ষদর্শী।

    ‘১৮২৩ সালের অগাস্ট মাসে লর্ড আমহার্স্ট ভারতের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন। তার ঠিক পরে পরেই ১৮২৫ সালের অক্টোবর মাস নাগাদ কলকাতার কাছেই একটা সাংঘাতিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। লর্ড আমহার্স্টের স্ত্রী লেডি আমহার্স্ট খুব ভালো লিখতেন। তিনি খুব মর্মস্পর্শীভাবে ঘটনাটা লিখেছিলেন, যেটা তোমার স্বপ্নের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।’ উজ্জয়িনীর দিকে ইশারা করে বলেছিলেন বৃদ্ধ সায়কিয়াট্রিস্ট, ‘বাচ্চা মেয়েটা ঠিক তোমার স্বপ্নের মতোই পালিয়ে নদীর ওপারে গিয়ে জঙ্গলে লুকোতে গিয়েছিল। লোকজন উন্মত্ত পশুর মতো তাকে আবার নদীতে ঝাঁপ দিতে বাধ্য করে। অবশেষে সে ডুবে মারা যায়।’

    উজ্জয়িনী প্রশ্ন করেছিল, ‘তারপর?’

    ডাক্তার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলেন, ‘এই ঘটনাটার পর একদিকে ইংরেজরা, অন্যদিকে রামমোহন রায়ের মতো মানুষরা প্রচণ্ড বিক্ষোভ শুরু করলেন। তখন লর্ড আমহার্স্ট প্রথমে কয়েকটা নিয়ম চালু করলেন, যেমন বিধবাকে নিজে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গিয়ে সহমরণে যাওয়ার অনুমতি নিতে হবে, স্বামীর চিতা ছাড়া অন্য কোনোভাবে বিধবাকে মরতে দেওয়া যাবে না, বিধবার স্বামীর সম্পত্তি কোনো আত্মীয় পাবে না, সরকার বাজেয়াপ্ত করবে সব, যারা ওই কাজে হেল্প করবে তারা কেউ সরকারি চাকরি পাবে না, এইরকম।

    তারও কিছুদিন পর ১৮২৯ সালে পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছিল এই প্রথা।’

    উজ্জয়িনীর মা সুজাতা শুনছিলেন, কিন্তু উদবেগ মুখ-চোখ দিয়ে ফুটে বেরোচ্ছিল। বোধ হয় ভাবছিলেন একেই পড়াশুনো বা অন্য কিছুতে উজ্জয়িনী বয়সের অনুপাতে এতটা পিছিয়ে তার ওপর জাতিস্মরের ব্যাপারটা যদি সত্যি হয়, মানসিক ট্রমাতেই তো মেয়েটা শেষ হয়ে যাবে!

    দূরের প্রেসবাইটেরিয়ান গির্জায় ঢং ঢং করে চারটের ঘণ্টা বাজতেই উজ্জয়িনী চমকে উঠল। ভাবতে ভাবতে কোথায় চলে গিয়েছিল ও। পাশে-পড়ে-থাকা ফোনটা খুলল ও, কোনো নতুন মেসেজ কি এল?

    নাহ, আর দেরি করা যাবে না, এবার রেডি হতেই হবে। এখান থেকে গাড়িতে গৌহাটি, সেখান থেকে প্লেনে দিল্লি। তারপর এই ক-মাসে ওর ভীষণ কাছের হয়ে ওঠা মানুষটাকে ও প্রথম দেখবে। হোক বাড়ির অমতে, কাছের সেই মানুষের সঙ্গে শুরু করবে নতুন জীবন।

    রাজা জয়সিংহের উত্তর প্রজন্ম হওয়ার বংশমর্যাদা ও চায় না, চায় না বিলাসিতা, ঠুনকো আভিজাত্য, শুধু ওর ভালোবাসার মানুষটাকেই ও চায় এখন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }